Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

অর্থনীতি

ভারতের শুল্ক আরোপে পেঁয়াজের দামে প্রভাব পড়বে না: কৃষিমন্ত্রী

স্টক নিউজ বিডি August 20, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারত ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলেও বাংলাদেশে দামে তেমন প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

রোববার (২০ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে তুলা উন্নয়ন বোর্ড (সিডিবি) মিলনায়তনে দেশে প্রথমবারের মতো বিটি তুলার দুটি জাতের অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত ১৩ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছি, দেশে এসেছে মাত্র তিন লাখ টন। এর অর্থ হলো দেশেও পেঁয়াজ আছে। মাঠ পর্যায়েও খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, কৃষকদের কাছে এখনো তুলনামূলকভাবে পেঁয়াজের মজুত আছে। কাজেই, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলেও দেশে দামে তেমন প্রভাব পড়বে না। শুল্ক আরোপের ঘোষণায় এখন দাম কিছুটা বাড়লেও কয়েক দিন পর কমে আসবে।

তুরস্ক, মিশর ও চায়না থেকে পেঁয়াজ আমদানির চেষ্টা করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

এসময় তুলা প্রসঙ্গে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশে বছরে ৮৫ লাখ বেল তুলার প্রয়োজন হয়, আর উৎপাদন হয় দুই লাখ বেল। চাহিদার কমপক্ষে ২০ শতাংশ বা ১৫ লাখ বেল তুলা দেশে উৎপাদন করার সুযোগ রয়েছে। সে লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি নিয়ে কাজ করতে হবে। হাইব্রিড ও বিটি তুলার চাষ করতে পারলে দেশে বছরে ১৫ লাখ বেল তুলা উৎপাদন সম্ভব হবে।

মন্ত্রী বলেন, দেশে তুলার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। আগামীতে আরও বাড়বে। বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণকর্মীসহ সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে, যাতে দেশেই চাহিদার ২০ শতাংশ তুলা উৎপাদন করা যায়।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মো. বখতিয়ার, বিএডিসির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, সিডিবির অতিরিক্ত পরিচালক শেফালী রানী মজুমদার বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিডিবির নির্বাহী পরিচালক ফখরে আলম ইবনে হাবিব। তিনি জানান, দেশে প্রতিবছর প্রায় ৮৫ লাখ বেল তুলার চাহিদা রয়েছে। দেশে উৎপাদন হয় মাত্র দুই লাখ বেল।ফলে বিপুল পরিমাণ তুলা আমদানিতে বছরে ৩৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। তবে দেশে অভ্যন্তরীণ চাহিদা ১৬ লাখ বেল তুলা।

তিনি জানান, বিটি তুলা চাষ করে বিশ্বের অনেক দেশ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। বিশ্বে ১৯৯৬ সালে প্রথম বিটি তুলার চাষ করা হয় এবং আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে ২০০২ সালে বিটি তুলার চাষ শুরু হয়। বায়োসেফটি গাইডলাইন অনুযায়ী সব গবেষণা কার্যক্রম সমাপ্তির প্রেক্ষিতে, ২০২৩ সালের ৭ মে ন্যাশনাল কমিটি অন বায়োসেফটি কর্তৃক ভারতের জে কে এগ্রি-জেনেটিক্স লিমিটেডের উদ্ভাবিত দুটি তুলার জাত জে কে সি এইচ ১৯৪৭ বিটি এবং জে কে সি এইচ ১৯৫০ বিটি মাঠ পর্যায়ে অবমুক্তির জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রবন্ধে জানানো হয়, বিটি তুলার গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৪ হাজার ৫০০ কেজি। বিটি তুলা চাষে বলওয়ার্ম নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় ১২-১৫ শতাংশ কমবে এবং উৎপাদন ১৫-২০ শতাংশ বাড়বে। বিটি তুলা চাষে প্রাকৃতিক দূষণ কম ও কৃষকের স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই।

প্রবন্ধে আরও জানানো হয়, বর্তমানে হাইব্রিড তুলা চাষ লাভজনক। দুই বিঘা তুলা চাষে এক লাখ টাকারও বেশি আয় করতে পারেন যা, বর্তমান বাজারে লাভজনক। এছাড়াও, তুলাবীজ বপনের পর প্রথম দেড় মাস স্বল্পকালীন শাক-সবজি (যেমন: লাল শাক, ডাটা শাক), মসলা জাতীয় ফসল (যেমন: গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, ধনেপাতা) এবং ডাল জাতীয় ফসল (যেমন: মুগ, মাসকলাই) আবাদ করে চাষিরা বাড়তি আয় করতে পারেন।

বর্তমানে এক কেজি তুলা উৎপাদনের ফলে তিন ডলার বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হয় এবং প্রতি টন তুলাবীজ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে পাঁচজন লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। তুলা থেকে আঁশ ছাড়াও ভোজ্যতেল, খৈল ও জ্বালানি উপজাত হিসেবে পাওয়া যায়। তুলাবীজ হতে ১৫-২০ শতাংশ ভোজ্যতেল পাওয়া যায়, যা উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ ও পুষ্টিকর। শস্যবিন্যাসে তুলা চাষের পর একই জমিতে বোরো ধান, আউশ ধান, ভুট্টা, মুগ, তিল বিভিন্ন এলাকায় লাভজনকভাবে আবাদ করা হচ্ছে।

এর আগে কৃষিমন্ত্রী খামারবাড়ি সড়কে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নবনির্মিত ‘তুলা ভবন’ উদ্বোধন করেন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না যুগ্ম-সচিব

স্টক নিউজ বিডি August 20, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: সরকার বা সরকারের অধীন অন্য কোনো খাতে সবশেষ কমপক্ষে যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদায় কর্মরত ছিলেন এমন ব্যক্তিদের বিমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল- এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে বিমা কোম্পানির সিইও নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্ম অভিজ্ঞতার শর্ত কিছুটা শিথিল করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে ‘মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ’ প্রবিধানমালা সংশোধনের খসড়া। মূলত জাগো নিউজে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত একটি সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে এ সংশোধনী আনা হচ্ছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) থেকে তৈরি করে দেওয়া এ খসড়ায় বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্ম অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিল করার পাশাপাশি একজন সিইও কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন তাও উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে সরকার বা সরকারের অধীন অন্য কোনো খাতে সবশেষ কমপক্ষে যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার পদে কর্মরত ছিলেন, এমন ব্যক্তিদের বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার সুযোগ রেখে একটি খসড়া প্রবিধানমালা তৈরি করা হয়। এ নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি ‘যুগ্ম-সচিবও হতে পারবেন বিমা কোম্পানির সিইও!’ শিরোনামে জাগো নিউজে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

বিষয়টি নিয়ে বিমা খাতে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়। যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার পদে কর্মরত ছিলেন- এমন ব্যক্তিদের বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার সুযোগ রাখার বিষয়টি নিয়ে বেশ সমালোচনা করেন বিমা খাত সংশ্লিষ্টরা।

তারই পরিপ্রেক্ষিতে ‘মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ’ প্রবিধানমালার খসড়ায় নতুন করে সংশোধন আনা হয়েছে। এখন যে খসড়া তৈরি করা হয়েছে সেখানে যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদায় কর্মরত ছিলেন- এমন ব্যক্তিদের বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার সুযোগ রাখা হয়নি।

এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদায় কর্মরত ছিলেন- এমন ব্যক্তিদের বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার সুযোগ রেখে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালা সংশোধনের খসড়া তৈরি করা হয়। এ নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়। সে কারণে ওই বিধান বাতিল করে নতুন করে সংশোধনীর খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিমা খাত সংশ্লিষ্টদের মতামত চাওয়া হয়েছে। এখন যে খসড়া তৈরি করা হয়েছে, সেটিই চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’

আইডিআরএ’র এক কর্মকর্তা বলেন, ‘যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার পদে কর্মরত ছিলেন এমন ব্যক্তিদের বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার সুযোগ রেখে তৈরি করা খসড়া প্রবিধানমালার পরিপ্রেক্ষিতে জাগো নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে বিমা খাত সংশ্লিষ্টরা বেশ সমালোচনা করেন। মন্ত্রণালয় থেকেও বিধানটি বাতিল করে নতুন করে খসড়া তৈরি করতে বলা হয়। তারই প্রেক্ষিতে সংশোধনীর নতুন খসড়া তৈরি করা হয়েছে।’

এখন বিমা কোম্পানির ‘মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালা-২০১২’ এর সংশোধনীর যে খসড়া তৈরি করা হয়েছে তাতে বিমা কোম্পানির সিইও’র শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে বলা হয়েছে, কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণির চার বছর মেয়াদি স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রির অধিকারী। আর গ্রেডিং পদ্ধতির ফলাফলের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা প্রযোজ্য হবে।

বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী হলে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে সমতাকরণ সার্টিফিকেট দাখিল করার শর্ত রাখা হয়েছে। তবে কোনো বিমা কোম্পানিতে সিইও হিসেবে কোনো ব্যক্তির নিয়োগের আগে কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমোদন দেওয়া থাকলে তার ক্ষেত্রে উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য হবে।

আর কর্ম অভিজ্ঞতার বিষয়ে বলা হয়েছে, এর আগে কোনো বিমা কোম্পানিতে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বা এর অব্যবহিত নিম্নপদে কমপক্ষে দুই বছর কর্ম অভিজ্ঞতাসহ বিমা ব্যবসায় কমপক্ষে ১২ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকবে হবে।

তবে কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) উপযুক্ত মনে করলে দুটি ক্ষেত্রে এ শর্তের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সিইও পদে নিয়োগ অনুমোদন করতে পারবে। এর মধ্যে প্রথমটি হলা- সরকার বা সরকারি কোনো দপ্তর/সংস্থা/প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কোনো বিমা কোম্পানিতে ৫০ শতাংশের বেশি শেয়ারের মালিকানা সরকার বা সরকার সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর/সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের থাকলে।

দ্বিতীয়টি হলো- আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত বহুজাতিক বিমা কোম্পানিতে ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা পদে কমপক্ষে ১০ বছরের বিমাবিষয়ক কাজে সরাসরি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে দেশের বিমা কোম্পানির সিইও নিয়োগ দেওয়া যাবে। এক্ষেত্রেও আইডিআরএ উপযুক্ত মনে করলে শর্তের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সিইও নিয়োগ অনুমোদন করতে পারবে।

বর্তমানে কার্যকর থাকা মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালা-২০১২ অনুযায়ী, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে তৃতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রিও গ্রহযোগ্য। অর্থাৎ, স্নাতকের ফলাফলের বিষয়ে কোনো সীমা নির্ধারণ নেই। এমনকি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির গ্রহণযোগ্যতার বিষয়েও কোনো বক্তব্য নেই। এ প্রবিধানমালায় বিমা কোম্পানির সিইও’র শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছরের স্নাতক ও এক বছরের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদি স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।

অপরদিকে কর্ম অভিজ্ঞতার শর্তে রাখা হয়েছে, একই শ্রেণির বিমা কোম্পানিতে ১৫ বছরে চাকরির অভিজ্ঞতাসহ সিইও অব্যবহিত নিম্নপদে তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অর্থাৎ কোনো জীবন বিমা কোম্পানির সিইও হতে হলে জীবন বিমা কোম্পানিতেই কমপক্ষে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। একইভাবে সাধারণ বিমা কোম্পানির সিইও হতে হলে সাধারণ বিমা কোম্পানিতেই কমপক্ষে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে বিমাবিষয়ক উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের জন্য অভিজ্ঞতা শর্তসাপেক্ষে তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত শিথিল করার বিধান রাখা আছে। আর বয়সের সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৪০ থেকে ৬৭ বছরের মধ্যে।

এদিকে বিমা কোম্পানির সিইও কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন সে বিষয়ে সংশোধিত খসড়া প্রবিধানমালায় বলা হয়েছে, মোট বেতন, মূলত বেতন, বাড়িভাড়া এবং অন্যান্যা ভাতা (ভবিষ্য তহবিল, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা, বিমা, এক বা একাধিক ইনসেনটিভ বোনাস-এর পরিমাণ বা সীমা নির্দিষ্ট অঙ্কে উল্লেখ থাকতে হবে) সমন্বয়ে গঠিত হবে। এক বছরে মোট ইনসেনটিভ বোনাস ১০ লাখ টাকার বেশি হবে না।

একটি বিমা কোম্পানির সিইও বলেন, ‘বিমা খাতের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির ছেলেকে সিইও করার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্ম অভিজ্ঞতা ছাড় দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিমা কোম্পানির সিইও নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্ম অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে বর্তমানে যে বিধান আছে, সেটিই চালু রাখা উচিত।’

যোগাযোগ করা হলে প্রগতি লাইফের সিইও মো. জালালুল আজিম জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিমা খাতে দক্ষ জনবলের অভাব আছে। এদিক বিবেচনায় কর্ম অভিজ্ঞতা ১৫ বছরের পরিবর্তে ১২ বছর এবং সিইও’র অব্যবহিত নিম্নপদে কমপক্ষে তিন বছরের পরিবর্তে দুই বছর করার যে সংশোধনী আনা হচ্ছে, সেটা ঠিক আছে। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা মাস্টার্স (স্নাতকোত্তর ডিগ্রি) পাস রাখা উচিত। মাস্টার্স পাস ছাড়া বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত হবে না।’

তিনি বলন, “কোনো বিমা কোম্পানিতে সিইও হিসেবে কোনো ব্যক্তির নিয়োগ এর আগে কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমোদ দেওয়া থাকলে তার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য হবে’- এ ধরনের যে বিধান রাখা হয়েছে, সেটিও সুস্পষ্ট করতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা কী হবে তা স্পষ্ট করতে হবে। কারণ বিমা খাতে যে নিয়ম চালু আছে তাতে অষ্টম শ্রেণি পাস একজন পদোন্নতি পেয়ে বিমা কোম্পানির ডিএমডি হতে পারেন। সুতরাং সিইও’র ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা কতটুকু শিথিল হবে তা স্পষ্ট করতে হবে।’’

পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের সাবেক সিইও তারিক উর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি মনে করি বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার ক্ষেত্রে এখন যে নিয়ম চালু আছে, সেটিই ঠিক আছে। নতুন করে শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কর্ম অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিল করা যুক্তিসঙ্গত হবে না। একজন একটি বিমা কোম্পানির সিইও হবেন, তার অবশ্যই ১৫ বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা থাকা উচিত এবং সিইও’র অব্যবহিত নিম্নপদে কমপক্ষে তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকা উচিত।’

আইডিআরএ’র মুখপাত্র মো. জাহাঙ্গীর আলম জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিমা খাতে দক্ষ জনবলের অভাব আছে, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই কর্ম অভিজ্ঞতা শিথিল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কথা বলা থাকলেও কেউ স্নাতক পাস না করে বিমা কোম্পানির সিইও হতে পারবেন না।’

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

বাজার মূলধন হারালো দুই হাজার কোটি টাকা

স্টক নিউজ বিডি August 19, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: হ্যাকাররা একাধিক ব্যাংক হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করছে, প্রভাবশালী একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশ নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে, সামনে রিজার্ভ কমে যেতে পারে, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) হ্যাকিংয়ের কবলে পড়েছে- এমন নানা গুজব ছড়িয়ে পড়ায় গেল সপ্তাহে পর পর দুই কার্যদিবস শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে অ্যাসেট ম্যানেজার ও ফান্ড ম্যানেজার প্রতিষ্ঠান, শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই বৈঠকের খবরে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেয়ারবাজারে বড় উত্থান হয়।

এমন উত্থান-পতনের সপ্তাহে শেষপর্যন্ত পতনের পাল্লাই ভারি হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে শেয়ারবাজারে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, কমেছে তার পাঁচগুণ বেশি। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন দুই হাজার কোটি টাকার ওপর কমে গেছে। সেই সঙ্গে কমেছে সবকটি মূল্যসূচক। পাশাপাশি কমেছে লেনদেন।

গেল সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার আগেই গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, হ্যাকাররা একাধিক ব্যাংক হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করছে। এছাড়া প্রভাবশালী একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশ নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে। সামনে রিজার্ভ কমে যেতে পারে এমন গুজবও ছড়িয়ে পড়ে। এতে ওই দিন শেয়ারবাজারে বড় দরপতন হয়।

এছাড়া মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) জাতীয় শোক দিবসে বন্ধ থাকায় শেয়ারবাজারে লেনদেন হয়নি। আর বুধবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার পর পরই গুজব ছড়িয়ে পড়ে হ্যাকিংয়ের কবলে পড়েছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ। এতে ওইদিন শেয়ারবাজারে বড় দরপতন হয়।

টানা দুই কার্যদিবস শেয়ারবাজারে দরপতন হলে বৃহস্পতিবার অ্যাসেট ম্যানেজার ও ফান্ড ম্যানেজার প্রতিষ্ঠান, শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পৃথক দুটি বৈঠক করে বিএসইসি। ওই বৈঠক থেকে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় অ্যাসেট ম্যানেজার ও ফান্ড ম্যানেজার প্রতিষ্ঠান, শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রতি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানায় বিএসইসি।

আর এসব প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে একমত পোষণ করেন। অংশীজনদের নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই বৈঠকের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ে। এতে বড় উত্থান হয় সবকটি মূল্যসূচকের।

এমন বাজারে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৭ লাখ ৭৩ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা। অথচ আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৭ লাখ ৭৫ হাজার ৪৯৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ২ কোটি ১৬৪ টাকা বা দশমিক ২৮ শতাংশ। বাজার মূলধন কমার অর্থ তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ও ইউনিটের দাম সম্মিলিতভাবে ওই পরিমাণ কমেছে।

এদিকে সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মাত্র ২৭টির শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৩৫টির। আর ২২৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৪২ দশমিক ৪২ পয়েন্ট বা দশমিক ৬৭ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচক কমে হয় ৩২ দশমিক ৬১ পয়েন্ট বা দশমিক ৫২ শতাংশ। এর মাধ্যমে টানা চার সপ্তাহ কমলো ডিএসইর প্রধান সূচক।

প্রধান মূল্যসূচকের পাশাপাশি গেল সপ্তাহে কমেছে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক। গেল সপ্তাহজুড়ে সূচকটি কমেছে ২১ দশমিক ২৭ পয়েন্ট বা দশমিক ৯৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৯ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বা দশমিক ৪৫ শতাংশ। এর মাধ্যমে ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত সূচক টানা পাঁচ সপ্তাহ কমে।

অপরদিকে প্রধান মূল্যসূচকের মতো টানা চার সপ্তাহ কমেছে ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক। গত সপ্তাহজুড়ে সূচকটি কমেছে ৯ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট বা দশমিক ৭৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৪ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট বা দশমিক ৩৬ শতাংশ।

সবকটি মূল্যসূচক কমার পাশাপাশি লেনদেনের গতিও কমেছে। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩৭২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৪১৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ৪১ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ১০ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।

আর সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৯০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয় ২ হাজার ৭১ কোটি ৪১ লাখ টাকা। সে হিসেবে মোট লেনদেন কমেছে ৫৮১ কোটি ৮ লাখ টাকা বা ২৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। মোট লেনদেন বেশি হারে কমার কারণ গেল সপ্তাহে এক কার্যদিবস কম লেনদেন হয়।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ফু-ওয়াং ফুডের শেয়ার। এসময় কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৮৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৫ দশমিক ৯৯ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সি পার্ল বিচ রিসোর্টের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৬১ কোটি ২১ লাখ টাকা। ৪৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সোনালী পেপার।

এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, জেমিনি সি ফুড, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, খান ব্রাদার পিপি ওভেন ব্যাগ, আরডি ফুড এবং এমারেল্ড অয়েল।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

রসিদ ছাড়া ডিম বিক্রি করলে প্রতিষ্ঠান বন্ধ: ভোক্তার ডিজি

স্টক নিউজ বিডি August 14, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: ডিমের বাজারে অস্থিরতা তৈরি করে ব্যবসায়ীরা ভোক্তার পকেট থেকে অতিরিক্ত মুনাফা করছেন। সব ধরনের মানুষের উপরই পড়ছে এর প্রভাব। এ কারণে বাজার অভিযানে গিয়ে পাকা রসিদ না পেলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান।

সোমবার ডিমের উৎপাদক, ব্যবসায়ীদের নিয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের সভা কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা তুলে ধরেন এএইচএম সফিকুজ্জামান।

ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, এতদিন আমাদের কাছে ডিম উৎপাদনের সঠিক খরচ ছিল না। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে আমরা সেটি জেনেছি। খুচরায় কত দাম হবে সেটিও বলা হয়েছে। সুতরাং আমরা কেউ একটা ডিমের দাম ১২ টাকার বেশি নিলে তাদের বিরুদ্ধে শুধু জরিমানা নয়, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ডিম এমন একটা পণ্য যা সারাদেশের সব শ্রেণির মানুষের উপরেই প্রভাব ফেলে। গত বছর ডিমের বাজারে অস্থিরতার সময় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল রসিদ ছাড়া ডিম ক্রয়-বিক্রয় না করতে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা সেটা মানে নাই। এবারও আমরা বাজার মনিটরিং এ যাওয়ার পর একই অবস্থা দেখতে পাই। কিন্তু আমরা রসিদ ছাড়া কেউ বেচাবিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে জরিমানাসহ কঠোর ব্যবস্থা নেব। আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

এদিকে সভায় উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ীরা ভোক্তা অধিদপ্তরের কাছে জানান, সাড়ে দশ টাকা উৎপাদন খরচ হলে সেটি খুচরায় ১২ টাকা বিক্রিতে সমস্যা তৈরি হবে। এখানে চার-পাঁচটি হাত বদল হয়, কে কত লাভ করবে সেটি বলে দেওয়া উচিত।

পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হাওলাদার বলেন, ডিমের উৎপাদন খরচ ১০.৮০-১০.৮৫ টাকা। সুতরাং খুচরা মূল্য ১৩ টাকা হওয়া উচিত।

তেজগাঁও বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি হাজী মো. আমান উল্লাহ জানান, ডিমের দাম ১৩ টাকার কমে নামলে সেটি খামারিদের লোকসানে ফেলবে।

অনুষ্ঠানে ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, কাজী, প্যারাগনের মতো বড় প্রতিষ্ঠান সাড়ে ১০ টাকায় ডিম উৎপাদন করে সর্বোচ্চ ১১.৪০ টাকায় বিক্রি করেছে। আমরা কি যৌক্তিক উপায়ে ১০ শতাংশও লাভ করতে পারবো না?

ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, কে কত লাভ করবে সেই নেগোসিয়েশন করতে হলে উৎপাদনকারী, ব্যবসায়ীদের প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নেগোশিয়েশন করতে হবে, সেই সুযোগ রয়েছে। এখন আমরা ১২ টাকা ধরেই বাজারে অভিযান পরিচালনা করবো।

ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ডিমের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য করে উৎপাদনের প্ল্যানিং করা দরকার। চাহিদা অনুযায়ী জেলা বা উপজেলা অনুযায়ী ম্যপিং করে যখন যেখানে উৎপাদন করা দরকার, যখন উৎপাদন কমিয়ে আনা দরকার সেই ব্যবস্থা করতে হবে। এ বিষয়ে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।

এর আগে রবিবার প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ডিমের উৎপাদন খরচ ১০.৫০ টাকা বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে খুচরা দাম কোনোভাবেই ১২ টাকার বেশি হওয়া উচিত নয় বলেও জানান।

এই ঘোষণার পর থেকে খুচরা বাজারে ডিমের দামে প্রভাব না পড়লেও পাইকারি বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে। পাইকারিতে যে ডিম ১২.৪০ পয়সায় বিক্রি হয়েছে সেটি রোববার রাতে ১২ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সোমবার রাতে এটি ১২ টাকার নিচে নেমে আসবে বলে জানান পাইকারি বিক্রেতারা।

এক প্রশ্নের জবাবে ভোক্তার মহাপরিচালক বলেন, ডিমের চাহিদা চার কোটি পিস। যেখানে প্রতি পিসে দুই টাকা হলে প্রতিদিন ৮ কোটি টাকা বাড়তি নেওয়া হয়েছে। অস্থিরতার সময়ে একেকটি ডিম ১৪-১৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

বাজারের আগুন নেভাবে কে?

স্টক নিউজ বিডি August 13, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর পল্লবীতে প্রায় এক যুগ ধরে বসবাস করছেন শাহজাহান মিয়া। তিন রুমের ফ্ল্যাট ছেড়ে একই ভবনের নিচতলার দুই রুমের ফ্ল্যাটে উঠেছেন গত মাসে। সাব-লেটের ওই বাসায় সাড়ে চার হাজার টাকা কমে থাকতে পারছেন এখন।

শাহজাহান মিয়ার ভাষ্য, বাজারে গেলে চোখে পানি চলে আসে। এমন বিপদে পড়তে হবে কখনই ভাবিনি। ছয় সদস্যের সংসার। মেয়ে ভার্সিটিতে পড়ে। ছেলে কলেজে। টাকার অভাবে অসুস্থ মায়ের চিকিৎসাও কমিয়ে দিয়েছি। বাজার করে খাওয়াবো নাকি মাকে নিয়মিত ওষুধ খাওয়াবো? একটি করলে আরেকটা হয় না। মাছ-মাংস তো প্রায় ছেড়েই দিয়েছি। মাঝে মধ্যে ডিম খেতাম। তাও আর সম্ভব নয়। বাধ্য হয়ে কম ভাড়ার ফ্ল্যাটে উঠেছি।

শাহজাহানের এই আক্ষেপ সম্ভবত নগরীর অধিকাংশ মানুষের। সাধারণ মানুষ দিশেহারা প্রায়। আয় বাড়ছে না। ব্যয় বাড়ছে প্রতিনিয়ত। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্যের লাগামহীন মূল্যে অসহায় হয়ে পড়ছে নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার। কেউ সঞ্চয় ভেঙে খাচ্ছে, কেউ আবার চলছে ঋণ করে। জীবন চালাতে চরম এক অনিশ্চয়তায় দিন পার করছে মানুষ।

সরকার খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বেশ কাজ করছে। কৃষক সুবিধাও পাচ্ছে নানাভাবে। প্রশ্ন হচ্ছে কৃষকের ফলানো ফসলে ভাগ বসাচ্ছেন অন্যজন। এই অন্যজনকে দমাতে না পারলে বাজারের অস্থিরতা কমবে না।

দক্ষিণ বাড্ডার বাসিন্দা রহিমা। ময়মনসিংহের গফরগাঁও থেকে এসেছিলেন আট বছর আগে। দুই ছেলে-মেয়ে। অসুস্থ স্বামী প্রায় বেকার। একদিন কাজে গেলে পরেরদিন আর কাজ করতে পারেন না। মানুষের বাসায় কাজ করে দিন পার করলেও এখন ঠেকে গেছেন। সব জিনিসের দাম বাড়ায় ঢাকায় আর থাকতে চাইছে না রহিমার পরিবার।

রহিমার কথা, গ্রামে গিয়ে আইল থেকে কচুশাক তুলে তা দিয়েও ভাত খাওয়া যাইবো। শহরে এক আঁটি কচুশাক কিনতেও এখন বিশ টাকা লাগে। চাল, ডাল, তেল কোন জিনিসটা হাতে ধরা যায়! সব কিছুতেই আগুন! নেভানোর কেউ নাই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এম এম আকাশ মনে করেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়লে সবচেয়ে বিপদে পড়েন সাধারণ মানুষ। মূল্যস্ফীতির প্রথম খড়্গ পড়ে গরিব মানুষের ওপর। সরকারের অব্যবস্থাপনা আর সিন্ডিকেটের কারণে আজকের এই দশা।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানোর জন্য যে চেষ্টা থাকার কথা, সেখানে ঘাটতি আছে। নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও সজাগ হলে ব্যবসায়ীরা যা ইচ্ছা করতে পারতেন না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিনও বাজার পরিস্থিতির জন্য বিশেষ সিন্ডিকেটকে অনেকটা দায়ী করলেন। তিনি বলেন, করোনা আর যুদ্ধ পরিস্থিতি গোটা বিশ্বে সংকট তৈরি করেছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। তবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানোর জন্য যে চেষ্টা থাকার কথা, সেখানে ঘাটতি আছে। নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও সজাগ হলে ব্যবসায়ীরা যা ইচ্ছা করতে পারতেন না।

অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেন, সরকার খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বেশ কাজ করছে। কৃষক সুবিধাও পাচ্ছে নানাভাবে। প্রশ্ন হচ্ছে কৃষকের ফলানো ফসলে ভাগ বসাচ্ছেন অন্যজন। এই অন্যজনকে দমাতে না পারলে বাজারের অস্থিরতা কমবে না।

একই বিষয়ে মতামত গ্রহণ করার জন্য যোগাযোগ করা হয় খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে। তিনি বলেন, বাজারে ডিমের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দেখভালের ব্যাপার নয়। এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়। খাদ্য নিরাপত্তা, সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকা, সরকারের দায়- এমন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

বাজার মূলধন কমলো সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা

স্টক নিউজ বিডি August 12, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: গেলো সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে কমেছে তার চারগুণের বেশি। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন ৫ হাজার কোটি টাকার ওপর কমে গেছে। সেই সঙ্গে কমেছে সবকটি মূল্য সূচক। পাশাপাশি কমেছে লেনদেন।

এদিকে, দাম কমার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি গত কয়েক মাসের মতো তালিকাভুক্ত অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠানের ক্রেতা সংকট ছিল গত সপ্তাহজুড়েও। ফলে প্রায় দুইশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম ফ্লোর প্রাইসে আটকে রয়েছে। ক্রেতা না থাকায় ফ্লোর প্রাইসে আটকে থাকা এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট বিক্রি করতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা।

এমন বাজারে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৭৫ হাজার ৪৯৯ কোটি টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৭ লাখ ৮১ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৫ কোটি ৮৭১ টাকা বা দশমিক ৭৫ শতাংশ। বাজার মূলধন কমার অর্থ তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ও ইউনিটের দাম সম্মেলিতভাবে ওই পরিমাণ কমেছে।

এদিকে, সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মাত্র ৩৫টির শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৪৪টির। আর ২০৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এতে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৩২ দশমিক ৬১ পয়েন্ট বা দশমিক ৫২ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৯ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট বা দশমিক ১৫ শতাংশ। এর মাধ্যমে টানা তিন সপ্তাহ কমলো ডিএসইর প্রধান সূচক।

প্রধান মূল্য সূচকের পাশাপাশি গেলো সপ্তাহে কমেছে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক। গেলো সপ্তাহজুড়ে সূচকটি কমেছে ৯ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বা দশমিক ৪৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৭ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট বা দশমিক ৩৪ শতাংশ। এর মাধ্যমে ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত সূচক টানা চার সপ্তাহ কমলো।

অপরদিকে, প্রধান মূল্য সূচকের মতো টানা তিন সপ্তাহ কমেছে ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক। গত সপ্তাহজুড়ে সূচকটি কমেছে ৪ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট বা দশমিক ৩৬ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ১ দশমিক শূন্য ৩ পয়েন্ট বা দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।

সবকটি মূল্য সূচক কমার পাশাপাশি লেনদেনের গতিও কমেছে। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৪১৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৫৯২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ১৭৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা বা ৩০ দশমিক ১১ শতাংশ।

আর সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৭১ কোটি ৪১ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয় ২ হাজার ৯৬৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। সে হিসেবে মোট লেনদেন কমেছে ৮৯২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বা ৩০ দশমিক ১১ শতাংশ।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে খান ব্রাদার পিপি ওভেন ব্যাগের শেয়ার। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১০৪ কোটি ১ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৫ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফু-ওয়াং ফুডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১০১ কোটি টাকা। ৮০ কোটি ৭০ লাখ টাকা লেনাদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সোনালী পেপার।

এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে-সি পার্ল বিচ রিসোর্ট, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, লিগাসি ফুটওয়্যার, এমারেল্ড অয়েল, দেশবন্ধু পলিমার, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

কানাডায় বাংলাদেশি পণ্যের ব্যবসা-বিনিয়োগ মেলা ১৭ নভেম্বর

স্টক নিউজ বিডি August 10, 2023
0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

২০০ টাকা ছুঁয়েছে ডাবের দাম

স্টক নিউজ বিডি August 9, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: ডেঙ্গুর কারণে অস্বাভাবিক বেড়েছে ডাবের দাম। ১৪০ টাকার নিচে বাজারে কোনো ডাব নেই। এ দামে যেগুলো মিলছে, সেগুলো ছোট-মাঝারি আকারের। আর বড় সাইজের একেকটি ডাবের দাম ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, এমনিতে আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে ডাবের ফলন কম থাকে। এরমধ্যে চাহিদা তুঙ্গে উঠেছে। এসময় কয়েকদিন বৃষ্টির কারণে পিচ্ছিল গাছে উঠে ডাব পাড়া কমেছে। এ কারণে বাজারে আরও কমে গেছে সরবরাহ। সবমিলে এমন ঊর্ধ্বগতি।

মগবাজারের বিক্রেতা সুমন মিয়া বলেন, এই ডেঙ্গু ডাবের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতি বছর এসময় ডাবের দাম সবচেয়ে বেশি থাকে। বিশেষ করে এ সময় ডেঙ্গুর প্রকোপ হয়। সেজন্য চাহিদা বাড়ে।

তিনি বলেন, ডাব সরবরাহকারী কয়েকটি জেলায় টানা বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে সেখানে গাছ থেকে ডাব নামানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই সরবরাহ আরও কমেছে, যেখানে চাহিদা কয়েকগুণ বেশি।

এদিকে রোগের প্রকোপ বাড়ায় রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল এলাকায় দেখা গেছে, সেখানেও আগের চেয়ে ১০-২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে প্রাকৃতিক এ পানীয়।

আগারগাঁওয়ে শিশু হাসপাতাল এলাকায় রাস্তার পাশে ডাব বিক্রি করছিলেন এক বৃদ্ধ। তিনি তার ভ্যানে থাকা ছোট আকারের একেকটি ডাবের দাম চাইলেন ১৩০ টাকা করে। মাঝারি আকারের ডাবের দাম চাইলেন ১৫০ টাকা আর সবচেয়ে বড় আকারের ডাবের দাম চাইলেন ২০০ টাকা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ এলাকায় গিয়েও ডাবের একই রকম দাম দেখা গেছে।

গুলিস্তান স্টেডিয়াম মার্কেটের চারদিকে প্রায় ১০ থেকে ১২টি ডাবের দোকান রয়েছে। সেখানে ১২০ টাকার নিচে কোনো ডাব পাওয়া যায়নি মঙ্গলবার। তবে এখানে ডাবের দাম হাসপাতালগুলোর সামনের দোকান থেকে ২০-৩০ টাকা কম দেখা গেছে।

অন্যদিকে রাজধানীর কারওয়ান বাজার দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি ও খুচরা ডাবের বাজার। সেখানেও ডাবের দাম বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কমবেশি ডাব আসলেও সেগুলো বেশি দামে কেনাবেচা হচ্ছে।

সেখানে আড়তদাররা জানান, বরিশাল, ভোলা, বাগেরহাট, নোয়াখালী, ফরিদপুর, যশোর ও ময়মনসিংহ থেকে ডাব আসছে। কিন্তু আঞ্চলিক ওই বাজারগুলোতেই দাম বেশি। গত দুই সপ্তাহে পাইকারিতে ডাবের দাম ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

পাইকারি বিক্রেতা খালেক হোসেন বলেন, এখানে শ হিসেবে ডাব বিক্রি হয়। বড় সাইজের প্রতি একশ ডাব পাইকারি ১২ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এত দাম আগে কখনো ছিল না। কিছুদিন আগেই দুই-তিন হাজার কম ছিল।

ওই বাজারে মাঝারি সাইজের প্রতি একশ ডাব ৯ হাজার থেকে ১২ হাজার এবং ছোট সাইজের ডাব ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এসব ডাব বিক্রি হচ্ছে রাজধানীর খুচরা বিক্রেতার কাছে।

ডাবের পাইকারি বিক্রেতা সুমন সরকার বলেন, এখন চাহিদা তুঙ্গে। বছরের এসময় নানান ধরনের জ্বর ও অন্যান্য রোগের প্রকোপের কারণে দাম বাড়ে। প্রতি বছর এখন এসময়টাতে চড়া দাম থাকে।

প্রতিদিন ডাবের পানি পান করেন এমন একজন আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, বড় সাইজের একটি ডাব তিন চার বছর আগে ৫০ টাকা ছিল। এরমধ্যে প্রায় তিনগুণ দাম বেড়েছে। অসুখের কারণে আমার মতো যাদের প্রতিদিন ডাব খেতে হচ্ছে তারা খুব অসুবিধায় আছি। এখন সামর্থ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে সবকিছু।

এদিকে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) হিসাবে, ২০০৯ সালে ঢাকায় একটি ডাবের দাম ছিল ২২ টাকার মতো। সেটা ২০২০ সালে গড়ে ৭৪ টাকায় বিক্রি হয়। বর্তমানে গড় দাম ১০০ টাকার নিচে হবে না।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

ইউরোপে প্রথমবার চীনকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ

স্টক নিউজ বিডি August 7, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: তৈরিপোশাক রপ্তানির পরিমাণে প্রথমবারের মতো ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে চীনকে পেছনে ফেলে শীর্ষে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। তবে রপ্তানি হওয়া পোশাকের পরিমাণে এগিয়ে গেলেও অর্থের হিসাবে এখনো চীনের পেছনে রয়েছে দেশ। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য দিয়ে তৈরিপোশাক শিল্প মালিক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) জানিয়েছে এ তথ্য।

ইউরোস্ট্যাটের তথ্য মতে, ইইউ বাজারে চীনের চেয়ে বাংলাদেশি তৈরিপোশাকের রপ্তানি মূল্য কেজিপ্রতি ৫ ডলার ৮২ সেন্ট কম। এ কারণে ইউরোপে চীনের তৈরিপোশাক রপ্তানি বাংলাদেশের তুলনায় ৭২৬ কোটি ডলার বেশি।

গত বছর ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ১৩৩ কোটি কেজির সমপরিমাণ তৈরিপোশাক রপ্তানি করে। একই সময়ে চীনের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১৩১ কোটি কেজির সমপরিমাণ। ২০২১ সালের তুলনায় গত বছর পোশাক রপ্তানির পরিমাণের দিক থেকে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ২১ দশমিক ২০ শতাংশ বাড়ে। একই সময়ে অর্থাৎ গত বছরে চীনের বেড়েছে ১১ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

বিজিএমইএ জানায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন গত বছর বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ১০ হাজার ৩১০ কোটি ডলারের তৈরিপোশাক আমদানি করেছে। ২০২১ সালের তুলনায় গত বছর ইউরোপের বাজারে পোশাক আমদানি বেড়েছে ২০ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

তথ্য বলছে, রপ্তানি হওয়া পোশাকের পরিমাণে এগিয়ে গেলেও অর্থের হিসাবে এখনো চীনের নিচে রয়েছে বাংলাদেশ। গত বছর ইউরোপের বাজারে চীন ৩ হাজার ১৫ কোটি ডলারের তৈরিপোশাক রপ্তানি করে, তাদের রপ্তানি বেড়েছে ১৭ শতাংশ। একই সময়ে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ২ হাজার ২৮৮ কোটি ডলারের তৈরিপোশাক। যা ২০২১ সালের তুলনায় ৩৫ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেশি।

গত বছর ইউরোপের বাজারগুলোয় বাংলাদেশ ও চীনের পর তৃতীয় সর্বোচ্চ ১ হাজার ১৯৮ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে তুরস্ক। ভারতের রপ্তানি ছিল ৪৮৪, ভিয়েতনামের ৪৫৭, পাকিস্তানের ৩৯৪, কম্বোডিয়ার ৩৮১, মরক্কোর ৩১২, শ্রীলঙ্কার ১৬২ এবং ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি ছিল ১৩৬ কোটি ডলারের।

বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কম দামে ইউরোপের বাজারে পোশাক রপ্তানি করে। গত বছর বাংলাদেশের রপ্তানি হওয়া প্রতি কেজি পোশাকের গড় মূল্য ছিল ১৭ দশমিক ২৭ ডলার, ২০২১ সালে ছিল ১৫ দশমিক ৪২ ডলার। গত বছর বাংলাদেশের রপ্তানি হওয়া পোশাকের গড় মূল্য বেড়েছে। গত বছর ইউরোপে বাংলাদেশের চেয়ে কম মূল্যে পোশাক রপ্তানি করেছে পাকিস্তান। দেশটির পোশাকের প্রতি কেজির গড় মূল্য ছিল সাড়ে ১৪ ডলার।

গত বছর বিভিন্ন দেশ থেকে গড়ে প্রতি কেজি পোশাক ২২ ডলার ৪৮ সেন্টে আমদানি করে ইউরোপ। ভিয়েতনাম প্রতি কেজি পোশাক পৌনে ৩১ ডলারে রপ্তানি করে, ইন্দোনেশিয়া ও মরক্কো যথাক্রমে ২৯ দশমিক ৮৮ ও ২৯ দশমিক ৬৯ ডলারে প্রতি কেজি পোশাক রপ্তানি করছে। শ্রীলঙ্কা প্রতি কেজি তৈরিপোশাক রপ্তানি করে ২৮ দশমিক ৫৪ ডলার, তুরস্ক ২৫ দশমিক ৩৯, ভারত ২৩ দশমিক ২৭, চীন ২৩ দশমিক ০৩ ও কম্বোডিয়া গড়ে ২২ দশমিক ১৮ ডলারে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

রাজনৈতিক উত্তাপের আঁচ পেতে চান না পোশাক রপ্তানিকারকরা

স্টক নিউজ বিডি August 6, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: মূল্যস্ফীতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব, ডলার সংকট, জ্বালানির বাজারে অস্থিরতাসহ নানান চ্যালেঞ্জের মুখে দেশের রপ্তানি খাত। এরই মধ্যে রাজপথে উত্তাপ ছড়াচ্ছে রাজনীতি। বিদেশি প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোও দেশের নির্বাচন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত দিচ্ছে পর্যবেক্ষণ। নির্বাচনকেন্দ্রিক চলমান রাজনৈতিক সংকটের সুষ্ঠু সমাধান না হলে রপ্তানিখাত ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

দেশের রপ্তানিখাতের নেতৃত্বে রয়েছে পোশাক শিল্প। মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে এ খাত থেকে। বাংলাদেশ থেকে পোশাক নেয় বিশ্বের এমন নামি-দামি কয়েকটি বড় ব্র্যান্ডের প্রতিনিধি সম্প্রতি তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের প্রতিষ্ঠান বিজিএমইএর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তারা জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সংঘাতময় পরিস্থিতিতে সময়মতো পণ্য হাতে পাওয়া নিয়ে উদ্বেগের কথা জানান। দেশগুলো নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে, খোঁজ-খবর নিচ্ছে। তবে যথাসময়ে পণ্য সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছেন বিজিএমইএর উদ্যোক্তারা। একই সঙ্গে রাজনৈতিক পরিস্থিতি যাইহোক রপ্তানিমুখী শিল্পকে সব কিছুর বাইরে রাখার আহ্বান রপ্তানিকারকদের।

২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ বা তার আগের মাস ডিসেম্বরে শেষ সপ্তাহে দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের কর্মসূচি বাড়াচ্ছে। থাকছে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি। কয়েকটি সমাবেশে বিশৃঙ্খলার ঘটনাও ঘটেছে। পদযাত্রা, সমাবেশে অচল হয়েছে ঢাকা। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সঙ্গে গুলির ঘটনাও ঘটেছে কোথাও কোথাও। এ পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে এমন আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা ও সাধারণের মধ্যে।

বিজিএমইএ-বিকেএমইএর কয়েকজন পরিচালক ও শিল্প উদ্যোক্তা জানান, দেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে। এ শঙ্কা শুধু আমাদেরই না ক্রেতাদেরও। পোশাকখাতের ক্রেতাদের আশঙ্কা এদেশে রাজনৈতিক সহিংসতা সৃষ্টি হলে পণ্য উৎপাদনে বিঘ্ন হবে। কয়েকটি ক্রেতা প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে রপ্তানি আদেশ কমিয়ে দিয়েছে। আবার কয়েকটি ক্রেতা প্রতিষ্ঠান পোশাকপণ্যের দাম কম দিতে চাচ্ছেন। তবে সময়মতো পণ্য সরবরাহের বিষয়ে ক্রেতাদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছে উৎপাদক ও রপ্তানিকারকরা।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম জাগো নিউজকে বলেন, উদ্যোক্তারা এখনো কোভিডের সময়কার ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি, এর মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন পরিস্থিতি তৈরি হয়। এখনো স্বাভাবিক ক্যাশফ্লো ফিরে আসেনি। ব্যবসায়ী নেতৃত্বদের মাথায় রাখতে হবে যে সমস্যাগুলো কী। রাজনৈতিক পরিস্থিতি সামনে যাইহোক এসব সমস্যার সমাধান কী হবে তা বের করা। রপ্তানির জন্য বিকল্প পথ তৈরি করতে হবে, নন ট্র্যাডিশনাল মার্কেটে আমাদের শিফট করতে হবে।

এখন ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশনের (ইউডি) বিপরীতে পোশাকের পিসের সংখ্যাও কমছে। এটি আমদানি সনদ। আগে ইউডির আওতায় গড়ে পাঁচ হাজার পিস পোশাক থাকলেও এখন একেকটি ইউডি কমে পাঁচশ পিসে এসেছে। গত মে মাসে ইউডির সংখ্যা ছিল দুই হাজার ৩৪০টি। পরের মাস জুনে কমে দাঁড়ায় দুই হাজার ২৯টিতে। তবে দেশের রাজনীতির পরিবেশ যাইহোক এর সঙ্গে পোশাকখাতকে না জড়ানোর কথা বলেছেন উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী নেতারা।

এ বিষয়ে বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি বাংলাদেশে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ইএবি) সভাপতি এবং এনভয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালাম মুর্শেদী জাগো নিউজকে বলেন, ‘রাজনীতি আর রপ্তানি এক নয়। রাজনীতির সঙ্গে শিল্পের সম্পর্ক নেই। দেশের পরিবেশ যাইহোক এর সঙ্গে রপ্তানিখাত যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় এ দাবি উদ্যোক্তাদের।’

এফবিসিসিআইর বর্তমান সভাপতি এবং বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘রাজীনতিবিদরা সংসদ সদস্য হয়ে আইন প্রণয়ন করেন, দেশের জন্য কাজ করেন। ব্যবসায়ীরাও দেশের জন্য কাজ করেন, দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেন। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান তৈরিতে বেসরকারিখাতই মুখ্য ভূমিকা পালন করে। এসব দিক বিবেচনায় ব্যবসাকে রাজনীতির সঙ্গে মেলানো যায় না। যদিও উভয়ই দেশ গঠনে কাজ করে।’

তিনি বলেন, ‘এখন চ্যালেঞ্জটা বিশ্বব্যাপী। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে নিতে হবে। এখনো এলসি লিমিটেশন আছে, পণ্যের দাম বেশি, মূল্যস্ফীতি আছে। তাছাড়া সেক্টর চ্যালেঞ্জ, ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জ আছে। দেশের স্বার্থে শিল্পকে প্রাধান্য দিতে হবে। রপ্তানিখাতকে কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত করা ঠিক হবে না, দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য। সবকিছুর বাইরে রাখতে হবে শিল্পকে।’

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • সরকার বিরোধী দলের সহযোগিতা নিতে ব্যর্থ হয়েছে: জামায়াত আমির

  • নিম গাছের যত উপকারিতা: ঔষধি গুণ, ব্যবহার ও সতর্কতা

  • রাশিয়ায় ইউক্রেনের ভয়াবহ ড্রোন হামলা

  • দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভা ২৮ অক্টোবর

  • সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির নিয়োগ বাতিল

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • ৪০০ মেগাওয়াট সক্ষমতা নিয়ে আইপিওতে কনফিডেন্স পাওয়ার, লক্ষ্য ২ হাজার

  • ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের ৯ মাসে মুনাফা বেড়েছে ২৭%, ইপিএস ২.০৫ টাকা

  • তৃতীয় প্রান্তিকে বিজিআইসির শেয়ারপ্রতি আয় ১.৭৪ টাকা, সম্পদমূল্য বেড়ে ২১.১৯ টাকা

  • সিঙ্গার বাংলাদেশের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

  • আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে ব্র্যাক ব্যাংকের ‘কর্পনেটে’ ডিজিটাল ট্রেড সল্যুশনস চালু

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য