Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

নির্বাচন-কমিশন

তবে কি নৌকায় উঠছেন রওশন এরশাদ!

স্টক নিউজ বিডি November 25, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: দ্বন্দ্বের শুরু ঠিক কবে, তা সঠিকভাবে জানা নেই কারও। তবে বারবার ভিন্ন ভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনায় আসেন তারা। এসব অবস্থান কখনো রহস্য বাড়ায়, কখনো হাসির খোরাক জোগায় রাজনৈতিক অঙ্গনে। সর্বশেষ দেবর-ভাবির দ্বন্দ্ব সামনে আসে গত ১৮ নভেম্বর, নির্বাচন কমিশনে (ইসি) চিঠি দেওয়া নিয়ে। সেদিন ইসিতে চিঠি দিয়ে রওশন এরশাদ বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থীরা। অন্যদিকে জিএম কাদেরের পক্ষে দলের মহাসচিব চিঠি দিয়ে জানান, জাতীয় পার্টির ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে দলের প্রার্থী মনোনয়ন ও প্রতীক বরাদ্দ করবেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, এমপি।

দেবর-ভাবির এ দ্বৈরথ চলছে এখনো। নির্বাচন কমিশনে দলীয় প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা দিতে হবে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে। তারই আলোকে ২০ নভেম্বর থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করে জাতীয় পার্টি। চার দিনব্যাপী মনোনয়ন ফরম বিতরণ শেষ হয় ২৩ নভেম্বর। এ চারদিনে দলটির মনোনয়ন ফরম নেন ১ হাজার ৭৩৭ জন। তবে তাদের মধ্যে ছিলেন না রওশন এরশাদ ও ছেলে সাদ এরশাদ। ছিলেন না দলের বহিষ্কৃত প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বা রওশনপন্থি অন্য নেতারা।

এ অবস্থায় বাধ্য হয়ে রওশন এরশাদ ও তার অনুসারীদের জন্য একদিন সময় বাড়ায় জাতীয় পার্টি। ২৪ নভেম্বর (শুক্রবার) থেকে শুরু হয় দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার। একই সঙ্গে উন্মুক্ত থাকে মনোনয়নপত্র বিতরণের প্রক্রিয়া। তাতে বিশেষ কাজ হয়নি। বর্ধিত দিনে ১৫টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ হলেও ফরম নেননি আলোচিত ওই নেতারা।

সব মিলিয়ে শুক্রবার থেকেই আলোচনা ডালপালা মেলতে থাকে, রওশন এরশাদ নিজে এবং তার অনুসারীরা কি তবে নৌকা মার্কায় নির্বাচন করতে যাচ্ছেন? জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পত্নী রওশন এরশাদ কি তবে এবার লাঙ্গল ছেড়ে নৌকায় উঠতে যাচ্ছেন?

শুক্রবার বিকেলে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। রওশন এরশাদের মনোনয়ন নেওয়া না নেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, বেগম রওশন এরশাদের জন্য কোনো সময়ের বাধ্যবাধকতা নেই, তিনি যখন বলবেন তখনই মনোনয়ন ফরম দেওয়া হবে। বেগম রওশন এরশাদ চাইলে মনোনয়ন ফরম তার বাসায় পৌঁছে দেবো। তিনি আমাদের শ্রদ্ধার পাত্র।

শুক্রবার বিকেলে বলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত রওশনপন্থি কেউ মনোনয়ন নেয়নি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সময় শেষ হলেও রওশন এরশাদ ও সাদ এরশাদ যে কোনো সময় দলের মনোনয়ন ফরম নিতে পারবেন।

শনিবার খবর আসে, দলের মনোনয়ন ফরম চেয়েছেন রওশন এরশাদ। মহাসচিবকে ফোন করে তিনি তিনটি মনোনয়ন ফরম চেয়েছেন। একটি তার নিজের জন্য, আরেকটি ছেলে সাদ এরশাদের জন্য। অন্যটি ময়মনসিংহ বিভাগের জাপা নেতা ডা. কে আর ইসলামের জন্য।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শনিবার চুন্নু বলেন, আমাদের সম্মানিত প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম রওশন এরশাদ গতকালও আমাকে ব্যক্তিগতভাবে ফোন করেছিলেন। তিনি তার পুত্র সাদ এরশাদ এবং ডা. কে আর ইসলামের জন্য তিনটি মনোনয়ন ফরম চেয়েছেন। আজ তার (বেগম রওশন এরশাদ) লোক এলে আমরা মনোনয়ন ফরম দেবো। বেগম রওশন এরশাদ বললে, আমরা তার মনোনয়ন ফরম পাঠিয়ে দেবো। প্রয়োজন হলে আমি নিজে গিয়ে পৌঁছে দেবো। আমার মনে হচ্ছে, আজ হয়তো মনোনয়নের জন্য লোক পাঠাবেন।

তবে শনিবার বিকেল ৪টা পেরিয়ে গেলেও মনোনয়ন ফরম তারা নেননি বা তাদের দিয়ে আসা হয়নি। সাধারণত প্রতিদিন বিকেল ৪টা পর্যন্ত দলটির অফিসিয়াল কার্যক্রম চলে।

এরই মধ্যে খবর বেরিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদের। সাক্ষাৎ করবেন রওশন এরশাদ নিজেও। তারা একসঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন নাকি আলাদা আলাদা ভাবে, সেটিও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি গণমাধ্যমকে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা না চাইলে কিছুই সম্ভব নয়। সমঝোতা তো হবেই। চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের নেতৃত্বে আমরা সিনিয়র নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবো। রওশন এরশাদ ও জিএম কাদের মিলে গেলে ৩৫-৪০টি আসনে ছাড় দেবে আওয়ামী লীগ। তা না হলে আসন কমতে পারে।

জাপার এই জ্যেষ্ঠ নেতার কথা ধরে কেউ কেউ হিসাব মেলাচ্ছেন, রওশন এরশাদ ও জিএম কাদের এখন পর্যন্ত মিলে যাওয়ার কোনো লক্ষণ নেই। তারা না মিলে গেলে আসন ভাগাভাগির হিসাব কী হবে, কে কোন প্রতীকে নির্বাচন করবেন সেটিও এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

সূত্র জানায়, মসিউর রহমান রাঙ্গাসহ বহিষ্কৃত নেতারা জিএম কাদেরের কাছে ক্ষমা চেয়ে আবেদন করতে পারবেন। চেয়ারম্যান ক্ষমা করলে, মনোনয়ন ফরম নিতে পারবেন তারা। মূলত রওশনপন্থি যে নেতাদের বহিষ্কার করা হয়েছে তারা মনোনয়ন ফরম নিতে পারছেন না বলেই তিনি নিজেও মনোনয়ন ফরম গ্রহণ করছেন না।

এ বিষয়ে রওশনপন্থি নেতা, জাপার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব (বর্তমানে বহিষ্কৃত) ইকবাল হোসেন রাজু জাগো নিউজকে বলেন, রওশন ম্যাডাম কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। উনি প্রধানমন্ত্রীর সময় চেয়েছেন। সময় এখনো পাননি। রওশন ও সাদ এরশাদকে মনোনয়ন দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। তারা আমাদের বাদ দিয়ে ভোট করবেন না। করলে তো আরও আগেই মনোনয়ন নিতেন। আমাদের দিক থেকে ম্যাডাম, সাদ এরশাদ ও রাঙ্গাসহ ২০-২২ জন আছে। জিএম কাদের যদি অনড় থাকেন, তাহলে সিদ্ধান্ত তো একটা নিতেই হবে। আমাদের কাউন্সিল হলে এ সমস্যাটা হতো না। কাউন্সিল উপর মহলের নির্দেশে হলো না। এখন কী হবে, ম্যাডাম কী করবেন, এটা প্রধানমন্ত্রী ও ম্যাডামের ব্যাপার। আবার নৌকা থেকেও পাওয়া কঠিন। তবে প্রধানমন্ত্রী চাইলে সেটা ব্যাপার নয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা অনেক আগে থেকেই বলে আসছি, নির্বাচনে যাবো। তখন জিএম কাদের যাবেন না বলেছেন। এখন তো তারাও যাচ্ছেন। সমন্বয় তো হয়েছে। এখন শুধু অ্যাডজাস্টমেন্টের ব্যাপার। সেটা কীভাবে হবে তা প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে নির্বাচনী শেষ জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী ঢাকা-৬ আসনের কাজী ফিরোজ রশিদের জন্য লাঙ্গলে ভোট চান।

কাজী ফিরোজ রশীদকে পরিচয় করিয়ে দিতে গিয়ে তিনি বলেন, যদিও তিনি ছাত্রলীগ করেছিলেন, এখন করেন জাতীয় পার্টি। চলে গেছেন এরশাদ সাহেবের সঙ্গে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবেই লাঙ্গল মার্কা নিয়ে তিনি এখন নির্বাচন করছেন। ছিলেন নৌকা মার্কায়, গেছেন লাঙ্গল মার্কায়। কোনো অসুবিধা নেই, ভবিষ্যতে আমরা লাঙ্গল নৌকায় তুলে নেবো। তবে এখন লাঙ্গল মার্কায় ঢাকা-৬ আসনে কাজী ফিরোজ রশীদের জন্য আমরা ভোট চাচ্ছি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, রোববারের মধ্যে তিনশ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। নতুন মুখও এসেছে, কিছু বাদও পড়েছে। বিজয়ী হতে পারেন এমন প্রার্থীদের বাদ দেয়নি আওয়ামী লীগ। মনোনয়নে ভুলত্রুটিও থাকতে পারে। একসঙ্গে তিনশ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।

ফলে রোববারই বোঝা যাবে, কারা উঠছেন নৌকায়। কারা বাদ পড়ছেন আর কারা অন্য প্রতীকে প্রার্থী হচ্ছেন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

নিবন্ধন ছাড়াই ‘বিকল্প পন্থায়’ নির্বাচনে যাবে জামায়াত

স্টক নিউজ বিডি November 25, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: সবশেষ ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এর পরপরই দেশের স্থানীয় পর্যায়ে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন নির্বাচনেও অংশগ্রহণ ছিল দলটির। কিন্তু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ২০১০ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার বিচারকাজ শুরু হলে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়ে জামায়াত।

এরপর সংক্ষুব্ধদের দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্ট। ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর দলটির নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সবশেষ গত ১৯ নভেম্বর রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতকে দেওয়া নিবন্ধন অবৈধ মর্মে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বেঞ্চ।

নিবন্ধন বাতিল হওয়ার পর জাতীয় কিংবা স্থানীয় কোনো নির্বাচনে দলীয়ভাবে অংশ নিতে পারেনি জামায়াতে ইসলামী। এরই মধ্যে দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকেও দূরত্বে ছিল দলটি। তবে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এখন আবারও সরকার পতনের এক দফা ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আন্দোলন করছে জামায়াত।

তবে এই সবকিছুকে ছাপিয়ে দীর্ঘ প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ভোটের রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় থাকা জামায়াত গত ১০ জুন ঢাকায় প্রকাশ্য সমাবেশ করে নতুনভাবে আলোচনায় আসে। বিশেষত, নিবন্ধন জটিলতায় থাকা জামায়াতকে হঠাৎই ঢাকায় সমাবেশ করার জন্য সরকারের অনুমতি দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয় নানা তর্ক-বিতর্ক ও গুঞ্জন। এর প্রায় সাড়ে চার মাস পর গত ২৮ অক্টোবর অনেকটা আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছাড়াই ঢাকায় জমায়েত করে দলটি।

নির্বাচন ও ভোট নিয়ে কী ভাবছে জামায়াত? দলটির নেতারা কি ভোটে অংশ নিতে আগ্রহী? যদি তেমনটি হয়ে থাকে তাহলে নিবন্ধন ও দলীয় প্রতীক ছাড়া কোন প্রক্রিয়ায় ভোটে আসবে জামায়াত? নিবন্ধন ও প্রতীকবিহীন একটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পদ্ধতি কী হতে পারে

কিন্তু নিবন্ধন বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে গত ১৯ নভেম্বর আবেদন খারিজের পর আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ভোট নিয়ে কী ভাবছে জামায়াত? দলটির নেতারা কি ভোটে অংশ নিতে আগ্রহী? যদি তেমনটি হয়ে থাকে তাহলে নিবন্ধন ও দলীয় প্রতীক ছাড়া কোন প্রক্রিয়ায় ভোটে আসবে জামায়াত? কী নামেইবা জনগণের সামনে দাঁড়াবে? নিবন্ধন ও প্রতীকবিহীন একটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পদ্ধতি কী হতে পারে, এ প্রশ্নটিও এখন উঁকি দিচ্ছে জনমনে।

নিবন্ধন বাতিল হওয়ার পর জামায়াত নেতারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন কি না, করলে কীভাবে করবেন, এসব প্রশ্ন নিয়ে দলটির একাধিক দায়িত্বশীল নেতার মুখোমুখি হলে তারা জানিয়েছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বা অন্য কোনো প্রতীক নিয়ে ভোটে অংশ নিতে পারবেন জামায়াত নেতারা। নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনেও সেটি দেখা যেতে পারে। তবে কোনো কিছুই এখনো চূড়ান্ত নয়।

আইনজীবীদের ভাষ্য, নিবন্ধনের জন্য জামায়াত চাইলে এখনো আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে পারে। এছাড়া অন্য কোনো ত্রুটি থাকলে সেগুলো নিরসন করেও নিবন্ধনের জন্য নতুন করে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে তাদের। তবে এ মুহূর্তে জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াত কোন পথে ও কী কৌশলে এগোবে, এ বিষয়ে শিগগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে দলটির বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশ পণ্ড হওয়ার পর লাগাতার সর্বাত্মক হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচি দিচ্ছে বিএনপি। তাদের সঙ্গে মিল রেখে জামায়াতও ধারাবাহিকভাবে এসব কর্মসূচি দিয়ে যাচ্ছে। জোটসঙ্গীসহ সরকারবিরোধী অন্য অনেক দলকেও এখন রাজপথের আন্দোলনে পাশে পাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত। যদিও বিএনপি নেতারা বলছেন, অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চান তারা। এক্ষেত্রে ভোটাধিকারের বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি হাইলাইটস করা হচ্ছে।

বিএনপি মনে করে, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের যে দাবি সেটি দেশের মানুষের পাশাপাশি বিদেশি রাষ্ট্রগুলোও গ্রহণ করেছে। এখন ধৈর্য, সততা ও ঐক্যই হচ্ছে তাদের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ। এছাড়া রাজনীতি ও ভোটের হিসাব- এ দুটি বিষয় পাশাপাশি রেখে সামনে এগোতে চাচ্ছেন তারা। আর ভোটের হিসাবে ইসলামী দলগুলো যে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর সেটিও অজানা নয় বিএনপির। দলটি এখন পর্যন্ত বিশ্বাস করছে, জনভিত্তি আছে এমন ইসলামী দলগুলো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না।

তবে সাম্প্রতিককালে রাজনীতির মাঠে জামায়াতকে নিয়ে রয়েছে চমকপ্রদ তথ্য। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভেতরে ভেতরে দল গোছানোর পাশাপাশি নির্বাচনে অংশ নেওয়ারও প্রস্তুতি রয়েছে নিবন্ধনহীন দলটির। নেতাদের দাবি, জামায়াতের প্রতি জনগণের সমর্থন রয়েছে। নিবন্ধন বাতিল হলেও তারা সব ধরনের নির্বাচনে অংশ নিতে চান। সেদিক থেকে বিকল্প পন্থাও খুঁজে নেওয়া হচ্ছে। জামায়াত নেতারা বলছেন, নিবন্ধন ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত দলীয় সমর্থনের প্রার্থী স্বতন্ত্র বা অন্য কোনো প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন। যদিও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে দলটি এখনো অনড়। এ-ও বলা হচ্ছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া তারা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে না। এ অবস্থায় শেষ পর্যন্ত দলটি কী করে তা-ই এখন দেখার পালা।

জামায়াত নেতাদের অনেকে বলছেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিবেশ তৈরি হলে নিবন্ধন না থাকলেও বিকল্প পন্থায় (স্বতন্ত্র বা অন্য কোনো প্রতীকে) নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে তাদের। তারা মনে করেন, জামায়াত নির্বাচনমুখী দল। ফলে নির্বাচনী প্রস্তুতি তাদের নিয়মিত কাজেরই অংশ। শুধু সরকার পতন বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতেই আন্দোলন করছেন না তারা, বরং দেশের মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনাই তাদের আন্দোলনের মূল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য।

জানা গেছে, তৃণমূলে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন জামায়াত নেতারা। দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় যাচ্ছেন, নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছেন। আগামী দিনের আন্দোলন ও চ্যালেঞ্জগুলো নেতাকর্মীদের সামনে তুলে ধরছেন।

জামায়াতপন্থি একাধিক আইনজীবী নেতা জানিয়েছেন, তারা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে তা শুধু আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নয়। কারণ, তারা মনে করেন এ সরকারের অধীনে বিগত দুটি সংসদ নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। আগামী নির্বাচনও দলীয় সরকারের অধীনে হলে জনরায়ের প্রতিফলন ঘটবে না। সেজন্য তারা বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে যেতে রাজি নয়। তারা মনে করছেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি যে কোনো দলই নিতে পারে, এটি কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। জামায়াত নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবিতে আন্দোলন করছে। এ আন্দোলন সফল করার পর নির্বাচনের প্রসঙ্গটি সামনে আসবে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ৭ জানুয়ারি। জোরেশোরে নির্বাচনী প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে জামায়াত নেতারা বলছেন, জামায়াত নির্বাচনমুখী একটি রাজনৈতিক দল। সব সময়ই মাঠপর্যায়ে প্রার্থী যাচাই-বাছাই চলে। এরই মধ্যে শতাধিক আসনে প্রার্থীও চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছিল। কিন্তু এই সরকারের অধীনে জামায়াত নির্বাচনে যাবে না।

নিবন্ধন অবৈধ মর্মে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াতের করা লিভ টু আপিল খারিজ করে গত ১৯ নভেম্বর আপিল বিভাগ রায় দেন। ওইদিন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, আদালতে আপিলকারীর পক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ লিভ টু আপিল খারিজ করে দেন। এ আদেশের ফলে জামায়াত দলীয়ভাবে কিংবা দলীয় প্রতীক নিয়ে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।

বাংলাদেশের গণপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী, রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন না থাকলে কোনো দল নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না। তবে সংগঠন হিসেবে সক্রিয় থাকতে পারে দলটি।

নিবন্ধন নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে বহাল থাকায় আইনগতভাবে (দলীয় প্রতীকে) এখন নির্বাচন করতে পারবে না জামায়াত। কিন্তু দলের যে কোনো নেতা যে কোনো কর্মী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। তাতে কোনো সমস্যা নেই। দল যখন নিবন্ধন পাবে তখন আবার দলীয় প্রতীকেই নির্বাচনে অংশ নেওয়া হবে

রায়ের পর জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার বঞ্চিত হয়েছে তার দল। রায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী হতে পারে সে সম্পর্কে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরে জানানো হবে। এক্ষেত্রে নিবন্ধন বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন খারিজের পর দলটি আপিল বিভাগের লিখিত রায়ের অপেক্ষায় বলে জানা গেছে।

গত ১৯ নভেম্বরের রায়ের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, জামায়াত তাহলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কী ভাবছে? এছাড়া দলীয়ভাবে কিংবা দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারেইবা তাদের বক্তব্য কী?

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, নিবন্ধন নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে বহাল থাকায় আইনগতভাবে (দলীয় প্রতীকে) এখন নির্বাচন করতে পারবে না জামায়াত। কিন্তু দলের যে কোনো নেতা যে কোনো কর্মী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। তাতে কোনো সমস্যা নেই। দল যখন নিবন্ধন পাবে তখন আবার দলীয় প্রতীকেই নির্বাচনে অংশ নেওয়া হবে।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে জামায়াত অংশ নেবে কি না- সে বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু না বললেও তিনি বলেন, নিবন্ধন ছাড়া দলের নেতাকর্মীরা নির্বাচনে অংশ নেবেন কি না সেটা এখনো নিশ্চিত করেননি। বাংলাদেশে ২০১৪ এবং ২০১৮ ছাড়া সব নির্বাচনে অংশ নিয়েছে জামায়াত। কিন্তু নির্দলীয় তথা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবো না।

এর আগে দলটির নেতারা জানিয়েছিলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে তাদের। সে অনুযায়ী, স্বতন্ত্র বা অন্য কোনো প্রতীকে জামায়াত নির্বাচনে অংশ নিলেও নির্বাচনটি হতে হবে নির্দলীয় সরকারের অধীনে।

এদিকে তফসিল ঘোষণার পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এরই মধ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ করেছে। চলছে প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ের কাজ। সংসদে বিরোধীদল জাতীয় পার্টি (জাপা) নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। তারাও মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে। এছাড়া তৃণমূল বিএনপিসহ আরও কিছু দল একক বা জোটগতভাবে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে বিএনপি ও জামায়াতসহ সরকারবিরোধী বেশ কিছু দল ও জোট এখনো সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্তি এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে অনড়। তারা একসঙ্গে ধারাবাহিকভাবে হরতাল-অবরোধ কর্মসূচিও দিয়ে যাচ্ছে।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, আনুষ্ঠানিক অবস্থান প্রকাশ না করলেও নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের হয়তো ‘বিকল্প চিন্তা’ আছে। যে কারণে তারা সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে আন্দোলন করছে।

জামায়াতের রাজনীতির পর্যবেক্ষক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষক ড. আব্দুল লতিফ মাসুম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন থাকুক আর না-ই থাকুক, তাদের নেতাকর্মীরা দেশের নাগরিক হিসেবে স্বতন্ত্র বা অন্য কোনো প্রতীক নিয়ে আগামীতে নির্বাচনে যেতে পারেন। এজন্য ভিন্ন ধরনের বিকল্প হাতে রেখেছে দলটি।

তিনি বলেন, জামায়াতের বিকল্প ভাবনার মধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা নির্বাচন বর্জনের উভয় দিক থাকতে পারে। তবে দলটির সব সিদ্ধান্তই নির্ভর করবে পরিবেশ-পরিস্থিতির ওপর। আপাতত বিকল্প হিসেবে জামায়াত নেতাকর্মীরা অন্য কোনো দলের প্রতীক বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটে অংশ নিতে পারেন।

আওয়ামী লীগ নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এরই মধ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ করেছে। চলছে প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ের কাজ। সংসদে বিরোধীদল জাতীয় পার্টি (জাপা) নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। তারাও মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে। এছাড়া তৃণমূল বিএনপিসহ আরও কিছু দল একক বা জোটগতভাবে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে

ড. আব্দুল লতিফ মাসুম মনে করেন, যদি দেশে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হয় এবং জোটমিত্র বিএনপি জোটগত নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে জামায়াতও নির্বাচনে যাওয়া-না যাওয়ার বিষয়টি অন্যভাবে বিবেচনা করতে পারে। এক্ষেত্রে হয়তো সবচেয়ে ভালো ও সুবিধাজনক বিকল্পটিই বেছে নেবে জামায়াত।

বিএনপি-জামায়াতপন্থি আইনজীবীদের সংগঠন ইউনাইটেড লইয়ার্স ফ্রন্টের কো-কনভেনর সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী বলেন, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় তারা দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করতে পারবে না। অন্যদিকে নির্বাচনে যাওয়া-না যাওয়ার বিষয়টি তাদের একান্ত দলীয় সিদ্ধান্তের ব্যাপার। তবে তারাও বিএনপি বা জোটের সঙ্গে আছে। দলের নিবন্ধন না থাকলেও জামায়াত চাইলে বিকল্প পন্থায় নির্বাচনে যেতে পারে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বা অন্য কোনো দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে কোনো বাধা নেই। এর আগেও আমরা জোট-মহাজোটের অনেক নেতাকে এ ধরনের পন্থায় ভোটে যেতে দেখেছি।

সুব্রত চৌধুরী মনে করেন, বিএনপির প্রতিপক্ষ হিসেবে জামায়াতকে মাঠে রাখার একটা চেষ্টা থাকতে পারে আওয়ামী লীগের। হয়তো এ কারণেই গত ২৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছাড়াও বাধাহীনভাবে সমাবেশ করতে পেরেছে দলটি।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সাবেক নেতা ও জামায়াতপন্থি আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সাইফুর রহমান বলেন, আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে তা আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নয়। কারণ, বর্তমান সরকারের অধীনে বিগত দুটি সংসদ নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। আগামী নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে হলে সেটিরই পুনরাবৃত্তি হবে। সে কারণে আমরা এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবো না।

তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্ত আমাদের দলের আমির ও সেক্রেটারি জেনারেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত পরিষ্কার। তবে দেশে যদি নির্বাচনের পরিবেশ সরকার তৈরি করতে পারে বা তত্ত্বাবধায়কের আদলে কোনো সরকার আসে এবং বিএনপিসহ সমমান দলগুলো সেই নির্বাচনে অংশ নেয় তাহলে জামায়াতও অংশ নেবে।

‘নির্বাচনের জন্য যতটুকু প্রস্তুতি দরকার আমার বিশ্বাস এবং জানা মতে তা সর্বাত্মকভাবে নিয়ে রেখেছে দল। পরিবেশ তৈরি হলে জামায়াত স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে’- বলেন অ্যাডভোকেট সাইফুর।

রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতকে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট করেন বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের নেতা সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ ব্যক্তি। রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্ট। ওই বছরই হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে জামায়াত।

২০১৮ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর আওতায় রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর জামায়াতে ইসলামীকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছিল। সেখানে বলা হয়, দলটির নিবন্ধন নম্বর ছিল ১৪। ২০০৯ সালে হাইকোর্টে দায়ের করা ৬৩০ নম্বর রিট পিটিশনের রায়ে আদালত জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯০এইচ ধারা অনুযায়ী দলটির নিবন্ধন বাতিল করা হলো।

গত ১০ জুন রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জামায়াত যে সমাবেশ করে সেখান থেকে দলটির নেতারা বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন। যার মধ্যে অন্যতম দাবি ছিল দলের নিবন্ধন ফিরিয়ে দেওয়া। এছাড়া দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ, আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি জানানো হয় সেই সমাবেশ থেকে।

২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি মতিঝিলে বিক্ষোভ মিছিল করেছিল জামায়াত। এর পর ১০ বছরের বেশি সময় দলটি কোনো কর্মসূচি দিয়ে দাঁড়াতে পারেনি। গত ১০ জুনের সমাবেশ থেকে সরকার এবং সব দলকে নিয়ে আলোচনা এবং সরকার ও বিরোধীদের ঐক্যের আহ্বান জানায় জামায়াত। দলটি ঐক্যের ভিত্তিতে একটি ‘সঠিক বাংলাদেশ’ গড়ার কথাও বলে।

জিয়া-পরবর্তী এরশাদ সরকারের শাসনামলেও এদেশে নির্বিঘ্নে রাজনীতি করেছে জামায়াত। পরবর্তীকালে খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ও দলীয় মন্ত্রী-এমপি পেয়েছে তারা। আওয়ামী লীগ সরকারে ফেরার পর ২০১০ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকাজ শুরু হলে চাপ বাড়তে থাকে জামায়াতের ওপর

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পক্ষে অস্ত্র ধরে মুক্তিযুদ্ধের পর নিষিদ্ধ হওয়া জামায়াতে ইসলামী বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বদান্যতায় রাজনীতিতে ফেরার পর এতটা দুর্দশায় আর পড়েনি।

১৯৮৬ সালের ৭ মে তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭৬টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল জামায়াত। যেখানে দলটি ১০টি আসনে জয় পায়। ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনে ২২২ জন দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে ১৮টি আসনে জয় পায় জামায়াত। ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসন পায় দলটি। ২০০১ সালের ১ অক্টোবরের নির্বাচনে জামায়াত ১৭টি আসন পায় জামায়াত। সেবার সংরক্ষিত নারী আসন থেকেও চারটি আসনে জয়ী হয় তারা। সবশেষ ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনে জয় পায় জামায়াত। ওই নির্বাচনে দলটি জোটগতভাবে ৩৯টি ও চারটিতে এককভাবে নির্বাচন করে। এরপর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে জামায়াত।

একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর নিষিদ্ধ হওয়া জামায়াত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আমলে রাজনীতি ফেরে। জিয়া-পরবর্তী এরশাদ সরকারের শাসনামলেও এদেশে নির্বিঘ্নে রাজনীতি করেছে জামায়াত। পরবর্তীকালে খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ও দলীয় মন্ত্রী-এমপি পেয়েছে তারা। আওয়ামী লীগ সরকারে ফেরার পর ২০১০ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকাজ শুরু হলে চাপ বাড়তে থাকে জামায়াতের ওপর। তখন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দলটির শীর্ষস্থানীয় অধিকাংশ নেতার মৃত্যুদণ্ড বা আমৃত্যু কারাদণ্ড কার্যকর হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বছরের ২ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীর ২০২৩-২৫ মেয়াদে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়। এরই মধ্যে ৮৬টি সাংগঠনিক জেলা শাখা ও এর অধীনে উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায়ের সব কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত বেশ কয়েক বছর ধরে প্রকাশ্য তৎপরতা দেখা না গেলেও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে অনেকটা গোপনে দলটি সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাচ্ছে বলেও জানা যায়।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

ভোটের মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাড়ে ৭ লাখ সদস্য

স্টক নিউজ বিডি November 20, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাত লাখ ৪৭ হাজার ৩২২ জন সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

সোমবার (২০ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। এর আগে সম্ভাব্য বাজেট নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সঙ্গে ইসির বৈঠক হয়।

অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, ভোটের মাঠে আনসার ৫ লাখ ১৬ হাজার, পুলিশ ও র‌্যাব এক লাখ ৮২ হাজার ৯১ জন, কোস্টগার্ড দুই হাজার ৩৫৫ জন, বিজিবি ৪৬ হাজার ৮৭৬ জন থাকবেন।

র‌্যাংক অনুযায়ী একজন পুলিশের সর্বনিম্ন ভাতা ৫৩৬ টাকা, সর্বোচ্চ ১২০০ টাকা। র‌্যাবও একই পরিমাণ পাবে। বিজিবি সর্বনিম্ন ৪০০ টাকা, সর্বোচ্চ ১২২৫ টাকা ভাতা পাবে। কোস্টগার্ড সর্বনিম্ন ৬৩৭ টাকা, সর্বোচ্চ ১৮০০ টাকা, আনসার সর্বনিম্ন এক হাজার, সর্বোচ্চ এক হাজার ৫০ টাকা ভাতা পাবে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

মনোনয়নপত্রের তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব ইসির ১০ কর্মকর্তার

স্টক নিউজ বিডি November 18, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিল, বাছাই ও প্রত্যাহারের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ১০ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত সংস্থাটি দ্বিতীয় পরিপত্রে এ তথ্য জানায়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল ও গ্রহণ, জামানত, প্রস্তাবকারী-সমর্থনকারীর যোগ্যতা, মনোনয়নপত্র দাখিলকারীদের তথ্য প্রদান, মনোনয়নপত্র বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার, বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ ইত্যাদির বিষয়ে পরিপত্রে বলেছে ইসি।

ইসির ১০ অঞ্চল থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল, বাছাই ও প্রত্যাহারের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ সংক্রান্ত তথ্য ইসির যেসব কর্মকর্তা সংগ্রহ করবেন- রংপুর অঞ্চলের প্রার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করবেন ইসির উপ-সচিব মো. হেলাল উদ্দিন খান, খুলনা অঞ্চলের তথ্য নেবেন ইসির উপ-সচিব সালাহউদ্দীন আহমেদ, বরিশাল অঞ্চলের তথ্য নেবেন উপ-সচিব মো. মিজানুর রহমান, চট্টগ্রাম অঞ্চলের তথ্য নেবেন এনআইডির মুহাম্মদ ফজলুর রহমান।

এছাড়া, ঢাকা অঞ্চলের তথ্য সংগ্রহ করবেন সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মাসুদুল হক, সিলেট অঞ্চলের তথ্য নেবেন ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মাহবুব আলম, কুমিল্লা অঞ্চলের তথ্য নেবেন সহকারী সচিব মোহাম্মদ শাহজালাল, ফরিদপুর অঞ্চলের তথ্য সংগ্রহ করবেন সহকারী সচিব আফরোজা পারভীন, ময়মনসিংহ অঞ্চলের তথ্য নেবেন সহকারী সচিব মো. ইলিয়াছ কামাল রিসাত এবং রাজশাহী অঞ্চলের তথ্য সংগ্রহ করবেন সহকারী সচিব আরিফা বেগম।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

নির্বাচনে সব দল কখনো অংশ নেয় না: ইসি আলমগীর

স্টক নিউজ বিডি August 14, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বিএনপি নির্বাচনে আসবে না বলেছে। আপনারাও (নির্বাচন কমিশন) কোনো উদ্যোগ না নিলে আপনাদের মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনে সব দল কখনো অংশ নেয় না। অতীতেও নেয়নি। আমাদের ৪৪টি দল আছে। সবাই অংশগ্রহণ করবে না। কেননা, ভোটে অংশ নিতে অনেক সক্ষমতার বিষয় আছে। আমরা সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের নব্বই দিনের মধ্যে নির্বাচন করার শপথ নিয়েছি। আমাদের কাজ এটুকুই যে, ভোটার তালিকা করবো, দলের নিবন্ধন দেবো আর যখন যে নির্বাচনের সময় আসবে, যথাসময়ে সে নির্বাচনগুলো করবো।

সোমবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

ইসি আলমগীর বলেন, সংবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো কিছু করার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের নেই। আমরা যখন শপথ নিয়েছি, বলেছি সংবিধান মেনে চলবো। নির্বাচন কমিশনের কাজ কী তা সংবিধানে স্পষ্ট করে বলা আছে- রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও আসনের সীমানা নির্ধারণ এবং সংসদ যদি আইন করে কোনো দায়িত্ব দেয়। নির্বাচন কমিশন সংবিধানের বাইরে যাবে না।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দায়িত্ব শুধু ইসির নয়। এটি সরকার, ভোটার, প্রার্থী সবার দায়িত্ব। আইনে যেটুকু বলা আছে, ততটুকুই ইসির দায়িত্ব। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে, সেটি আমরা চাই। আমাদের আগে থেকে বললে আমরা ব্যবস্থা নিই। এখন ঘরে ঘরে পুলিশ দেওয়া কি সম্ভব? মিছিল তো হবে প্রতি গ্রামে, পুলিশ কি সব জায়গায় যেতে পারবে? এজন্য আমাদের আগে থেকে জানাতে হবে। আমরা তখন নিরাপত্তা দিতে বাধ্য।

নির্বাচনকালীন সরকারে ইসির কাজ কী হবে, এই প্রশ্নের উত্তরে ইসি আলমগীর বলেন, সরকার কেমন হবে সেটা দেখা তো আমাদের বিষয় নয়। কী হবে না হবে সংবিধানে বলা আছে। আমাদের কী করতে হবে সেটাও সংবিধানে বলা আছে। কী ধরনের সরকার থাকবে সেটা রাজনৈতিক বিষয়। এ নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। তফসিল ঘোষণার পর ডিসি, এসপি, পুলিশ কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনার এবং তাদের অধীনে যারা আছে, ইসির অনুমতি ছাড়া কাউকে বদলি করা যাবে না। ইসি যদি কাউকে বদলি করতে বলে সেটা করতে হবে। এটা আইনেই বলা আছে।

তিনি বলেন, আমাদের কাজ সরকার যেই থাকুক, যেভাবেই থাকুক যথাসময়ে নির্বাচন করা। ভোট কবে হবে সেই সিদ্ধান্ত আগামী নভেম্বরে জানানো হবে। এর আগে বলা যাবে না। আমাদের কনসার্ন হবে আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়টি। স্থানীয় আর জাতীয় নির্বাচনের আচরণবিধির ভিন্নতা আছে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

সর্বশেষ খবর

  • প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকমের ঋণখেলাপি মামলায় ৫ পরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা  অনুষ্ঠিত

  • রবির তিন মাসেই ১,৫৮০ কোটি টাকা নগদ অর্থ উধাও, স্বল্পমেয়াদি ঋণ বেড়েছে ৩৬০ কোটি টাকা

  • ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের নিট মুনাফা ১২ কোটি ৪২ লাখ, বেড়েছে ইপিএসও

  • যমুনা ব্যাংকের আয়োজনে পিডিবিএলের ৬৫তম পর্ষদ ও ৮৪তম দ্বিমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • রবির তিন মাসেই ১,৫৮০ কোটি টাকা নগদ অর্থ উধাও, স্বল্পমেয়াদি ঋণ বেড়েছে ৩৬০ কোটি টাকা

  • ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের নিট মুনাফা ১২ কোটি ৪২ লাখ, বেড়েছে ইপিএসও

  • প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকমের ঋণখেলাপি মামলায় ৫ পরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সালমান এফ রহমান

  • ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল অর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫,০০০ কোটি টাকার তহবিলে যুক্ত হলো এমটিবি

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য