Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
কোম্পানি সংবাদশেয়ার বাজার

ডিএসইর ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকা থেকে বাদ ডোরিন পাওয়ার

স্টক নিউজ বিডি October 26, 2026
স্টক নিউজ বিডি October 26, 2026 0 শেয়ার করুন
24

স্টক নিউজ বিডি | বিশেষ প্রতিবেদন: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি ডোরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড অবশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গোয়িং কনসার্ন বা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কোম্পানির তালিকা থেকে মুক্তি পেয়েছে। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে কোম্পানিটির ব্যবসার অস্তিত্ব নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা উল্লেখ করেননি নিরীক্ষক। পাশাপাশি কোনো শর্তযুক্ত মতামতও (কোয়ালিফাইড ওপিনিয়ন) দেওয়া হয়নি। এর ভিত্তিতে কোম্পানিটির নাম ঝুঁকির তালিকা থেকে সরিয়ে নিয়েছে ডিএসই।

এর আগে কোম্পানিটির নাম ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকায় প্রকাশের পর ডিএসই ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে আবেদন করেছিল ডোরিন পাওয়ার কর্তৃপক্ষ। তবে সেই আবেদনে তাৎক্ষণিকভাবে সুরাহা মেলেনি। বিষয়টি নিয়ে সে সময় শেয়ারবাজারে বিতর্ক তৈরি হয়। নিয়মিত মুনাফা করা, শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেওয়া এবং ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া একটি কোম্পানির নাম ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় থাকায় প্রশ্ন তোলেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

এবার সর্বশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদনে গোয়িং কনসার্ন নিয়ে কোনো ঝুঁকি উল্লেখ না থাকায় বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৫৮ শতাংশ বেড়েছে। এ ছাড়া শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ‘ম্যাটেরিয়াল আনসার্টেনটি রিলেটেড টু গোয়িং কনসার্ন’ শীর্ষক একটি অনুচ্ছেদ ছিল। ওই অনুচ্ছেদের কারণে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১১(৬) অনুযায়ী ডিএসই কোম্পানিটিকে নন-মার্জিনেবল সিকিউরিটিজের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। পাশাপাশি ডিএসইর ওয়েবসাইটে গোয়িং কনসার্ন ঝুঁকিসম্পন্ন কোম্পানির তালিকায় ডোরিন পাওয়ারের নাম প্রকাশ করা হয়।

গোয়িং কনসার্ন বলতে সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যতে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা বোঝায়। নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এ ধরনের অনিশ্চয়তার কথা উল্লেখ করা হলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কোম্পানিটির ভবিষ্যৎ ব্যবসা, আয় এবং আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির ক্ষেত্রে এ ধরনের পর্যবেক্ষণ বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে ডোরিন পাওয়ারের ক্ষেত্রে বিষয়টি ছিল কোম্পানির একক আর্থিক বিবরণী ও সমন্বিত আর্থিক বিবরণীর মধ্যে পার্থক্যসংক্রান্ত। কোম্পানিটির নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোং, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস পরবর্তীতে লিখিতভাবে স্পষ্ট করে যে, নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা অনুচ্ছেদটি শুধু কোম্পানির একক বা সেপারেট আর্থিক বিবরণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল।

নিরীক্ষকের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে ডোরিন পাওয়ারের মোট ৬৬ মেগাওয়াট সক্ষমতার তিনটি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি বা পিপিএর মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ওই অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয়েছিল।

বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় মূল কোম্পানির একক আর্থিক বিবরণীতে ভবিষ্যৎ ব্যবসা পরিচালনার ধারাবাহিকতা নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করা হয়। তবে গ্রুপের সামগ্রিক ব্যবসায়িক অবস্থার চিত্র ছিল ভিন্ন।

কোম্পানিটির তিনটি সাবসিডিয়ারি বা অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বৈধ বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির আওতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে। এসব চুক্তির মেয়াদ ২০৩১ ও ২০৩৭ সাল পর্যন্ত রয়েছে। ফলে গ্রুপ পর্যায়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গোয়িং কনসার্ন-সংক্রান্ত কোনো অনিশ্চয়তা নেই বলে নিশ্চিত করেন নিরীক্ষক।

এখানেই মূলত কোম্পানিটির বক্তব্য ও নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ব্যাখ্যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য ছিল। একদিকে মূল কোম্পানির নির্দিষ্ট কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পিপিএর মেয়াদ শেষ হয়েছে, অন্যদিকে অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। ফলে শুধু একক আর্থিক বিবরণীর পর্যবেক্ষণকে গ্রুপের সামগ্রিক ব্যবসায়িক সক্ষমতার সঙ্গে এক করে দেখলে কোম্পানিটির অবস্থান সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে আসে।

ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় নাম প্রকাশের পর ডোরিন পাওয়ার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ব্যাখ্যা করে ডিএসই ও বিএসইসির কাছে আবেদন করেছিল। কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়, নিরীক্ষা প্রতিবেদনের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদটি মূলত একক আর্থিক বিবরণীর জন্য প্রযোজ্য; গ্রুপের সমন্বিত আর্থিক বিবরণীতে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে একই ধরনের অনিশ্চয়তা নেই।

তবে সে সময় কোম্পানিটির আবেদন গ্রহণ করে তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহারের বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে ডিএসইর ওয়েবসাইটে ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানি হিসেবে ডোরিন পাওয়ারের নাম থেকে যায়।

বিষয়টি নিয়ে সে সময় শেয়ারবাজারে আলোচনা তৈরি হয়। কারণ, ডোরিন পাওয়ার ২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করে আসছিল। কোম্পানিটি নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন করেছে এবং শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশও দিয়েছে। পাশাপাশি কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদনে রাজস্ব ও মুনাফার উল্লেখযোগ্য অঙ্ক দেখা গেছে।

তখন প্রশ্ন তোলা হয়েছিল, নির্দিষ্ট নিরীক্ষা পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে কোনো কোম্পানিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হলে সেই ঝুঁকির প্রকৃতি ও পরিধি বিনিয়োগকারীদের কাছে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা কতটা জরুরি। কারণ, ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে তালিকায় অন্তর্ভুক্তির কারণ যথাযথভাবে ব্যাখ্যা করা না হলে কোম্পানির প্রকৃত আর্থিক অবস্থাও বিনিয়োগকারীদের কাছে অস্পষ্ট থেকে যেতে পারে।

গোয়িং কনসার্ন ঝুঁকির তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহারের পাশাপাশি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আর্থিক সূচকেও উন্নতি করেছে ডোরিন পাওয়ার। ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৩ পয়সা। আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ১৯ পয়সা।

সে হিসাবে এক বছরে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ১ টাকা ৮৪ পয়সা। শতাংশের হিসাবে প্রবৃদ্ধি প্রায় ৫৭ দশমিক ৬ শতাংশ, যা প্রায় ৫৮ শতাংশ।

অর্থাৎ আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির পরিচালন নগদ প্রবাহেও প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

আলোচিত হিসাববছরে ডোরিন পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১৮ টাকা ৯৬ পয়সা। আগের অর্থবছরে এ সূচক ছিল ১১ টাকা ৭৮ পয়সা।

সে হিসাবে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ বেড়েছে ৭ টাকা ১৮ পয়সা। শতাংশের হিসাবে প্রবৃদ্ধি প্রায় ৬১ শতাংশ।

কোম্পানির পরিচালন নগদ প্রবাহ ব্যবসায়িক কার্যক্রম থেকে নগদ অর্থ আসা-যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। তবে এ সূচক ও শেয়ারপ্রতি আয়ের পাশাপাশি কোম্পানির সামগ্রিক আর্থিক অবস্থা মূল্যায়নে অন্যান্য আর্থিক তথ্যও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

২০২৬ সালের ৩০ জুন শেষে ডোরিন পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৫৭ টাকা ১২ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ছিল ৫২ টাকা ৪৫ পয়সা।

এক বছরে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বেড়েছে ৪ টাকা ৬৭ পয়সা। শতাংশের হিসাবে এ বৃদ্ধি প্রায় ৮ দশমিক ৯ শতাংশ।

শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য, মুনাফা ও পরিচালন নগদ প্রবাহের এ তথ্যগুলো কোম্পানিটির আর্থিক অবস্থার মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু এসব সূচকের ভিত্তিতে শেয়ারের ভবিষ্যৎ দর বা বিনিয়োগের সম্ভাব্য মুনাফা নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করা যায় না।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে ডোরিন পাওয়ারের পরিচালনা পর্ষদ। গত ৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত পর্ষদ সভায় নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কোম্পানিটির শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। সে হিসাবে ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের অর্থ হলো, প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে শেয়ারহোল্ডাররা ১ টাকা ৫০ পয়সা করে পাবেন। আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। সে হিসাবে এবার লভ্যাংশের হার বেড়েছে ৫ শতাংশ পয়েন্ট।

তবে পরিচালনা পর্ষদের এ সুপারিশ কার্যকর হতে শেয়ারহোল্ডারদের বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমোদন প্রয়োজন। লভ্যাংশ পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারিত হবে ঘোষিত রেকর্ড তারিখ অনুযায়ী।

ডোরিন পাওয়ারের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৪ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশ করা লভ্যাংশসহ প্রাসঙ্গিক বিষয় শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ডোরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড বিদ্যুৎ খাতের একটি কোম্পানি। তালিকাভুক্তির পর থেকে কোম্পানিটির শেয়ার ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হচ্ছে। কোম্পানিটির কোম্পানিটির বাজার মূলধন ৫৫৯ কোটি ৬৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকা এবং ফ্রি-ফ্লোট বাজার মূলধন ১৫৮ কোটি ৩৫ লাখ ১ হাজার টাকা। অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১৮১ কোটি ১১ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারসংখ্যা ১৮ কোটি ১১ লাখ ১৮ হাজার ৯০১টি।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে ৬৬.৬১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ১৬.৯০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ১৬.৪৯ শতাংশ শেয়ার।

২৬ অক্টোবর ২০২৬
ফেভিকন
স্টক নিউজ বিডি

ডিএসইর ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকা থেকে বাদ ডোরিন পাওয়ার

বিস্তারিত পড়ুন ›stocknewsbd.com

আজকের খবরশেয়ারবাজার
শেয়ার করুন 0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

October 27, 2026

আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা

October 27, 2026

মাস্টার ফিড এগ্রোটেকের নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

October 27, 2026

বেঙ্গল উইন্ডসরের মুনাফা ও নগদ প্রবাহে উন্নতি, ৫...

October 27, 2026

সাভারে ১১৬তম “নামা বাজার উপশাখা” উদ্বোধন করলো যমুনা...

October 27, 2026

আন্তর্জাতিক ইন্টার্নশিপের সুযোগ নিয়ে শুরু হলো ম্যারিকো বাংলাদেশ...

October 27, 2026

সর্বশেষ খবর

  • বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

  • আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • মাস্টার ফিড এগ্রোটেকের নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

  • বেঙ্গল উইন্ডসরের মুনাফা ও নগদ প্রবাহে উন্নতি, ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

  • সাভারে ১১৬তম “নামা বাজার উপশাখা” উদ্বোধন করলো যমুনা ব্যাংক

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • একমি ল্যাবরেটরিজের ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ

  • স্কয়ার ফার্মার মুনাফা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য বেড়েছে, ১৩০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

  • সিঙ্গার বাংলাদেশের লোকসান বেড়ে ৭৭ কোটি টাকা

  • শার্শায় সার ডিলারশিপ ঘিরে ১৫ লাখ টাকার অভিযোগ, বরাদ্দপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন

  • মুনাফা ও শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে কেডিএস অ্যাকসেসরিজের, ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য

আরও পড়ুনx

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক...

আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা

মাস্টার ফিড এগ্রোটেকের নগদ লভ্যাংশ...

বেঙ্গল উইন্ডসরের মুনাফা ও নগদ...