Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

শেয়ারবাজার

মাদানী এভিনিউতে BYD-এর নতুন শোরুম উদ্বোধন: দেশে নিউ এনার্জি ভেহিকল সম্প্রসারণে নতুন দিগন্ত

স্টক নিউজ বিডি April 12, 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নিউ এনার্জি ভেহিকল (NEV) নির্মাতা BYD ঢাকার মাদানী এভিনিউ (১০০ ফিট, ভাটারা)-এ তাদের নতুন শোরুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই লোকেশনে শোরুম চালু হওয়াকে দেশের পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশে BYD-এর একমাত্র পরিবেশক CG Runner BD Limited-এর ডিলার পার্টনার Auto Fix Limited এই শোরুমটি পরিচালনা করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন CG Runner বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, BYD বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার চার্লস রেন, Auto Fix Limited-এর চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজু ঘোষসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

উদ্বোধনী বক্তব্যে হাফিজুর রহমান খান বলেন, “মাদানী এভিনিউতে এই শোরুম চালু করা ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে পরিবেশবান্ধব ও বিশ্বমানের অটোমোবাইল প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৩০% বৈদ্যুতিক যানবাহন নিশ্চিত করার যে লক্ষ্য সরকার নির্ধারণ করেছে, CG Runner BD সেই লক্ষ্য অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।”

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে লুৎফর রহমান জানান, গ্রাহকদের আধুনিক ও পেশাদার সেবা নিশ্চিত করতে শোরুমটি অত্যাধুনিকভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে ইলেকট্রিক ভেহিকল (EV) এবং সুপার প্লাগ-ইন হাইব্রিড (PHEV) প্রযুক্তির যানবাহনের বিক্রয় ও বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা BYD-এর ফ্ল্যাগশিপ মডেল BYD Seal, দেশের প্রথম সুপার প্লাগ-ইন হাইব্রিড BYD Sealion 6 এবং BYD Atto 3 পরিদর্শন করেন।

BYD বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ নিউ এনার্জি ভেহিকল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, যা তাদের পেটেন্টকৃত ব্লেড ব্যাটারি প্রযুক্তির জন্য সুপরিচিত। বাংলাদেশে CG Runner BD Limited-এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি চার্জিং অবকাঠামো ও সার্ভিস নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে কাজ করছে, যা দেশের টেকসই পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

পুঁজিবাজারে সেবা সহজীকরণে আইসিবির উদ্যোগে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্বাক্ষর

স্টক নিউজ বিডি April 9, 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক | গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সেবা সহজীকরণের আওতায় পুঁজিবাজারের সেবাসমূহকে আরও সহজ, বিস্তৃত ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে । এর অংশ হিসেবে ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আইসিবির বোর্ড রুমে আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড (আইএসটিসিএল), ‘আমার দেশ আমার গ্রাম’ এবং Trust and Pay (TAP)-এর মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।


এই সমঝোতার মূল লক্ষ্য হচ্ছে পুঁজিবাজারের সেবা দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া, একই সঙ্গে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার মাধ্যমে বিনিয়োগ প্রক্রিয়াকে সহজতর করা।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড-এর পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো: মফিজুর রহমান, ‘আমার দেশ আমার গ্রাম’-এর পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আতাউর রহমান এবং Trust and Pay (TAP)-এর পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব এস. এম. আকরাম সাঈদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিবির মাননীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: নূরুল হুদা, মহাব্যবস্থাপকবৃন্দসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।


বক্তারা বলেন, এই ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবা গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব হবে, যা দেশের পুঁজিবাজারকে আরও শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিনিয়োগ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং নতুন বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

মূল্য সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ

স্টক নিউজ বিডি April 1, 2026

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (০১ এপ্রিল) মূল্য সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। বেড়েছে ৩২৭ টি কোম্পানির শেয়ারের দর। তবে বেড়েছে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ৯৪ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৭২ পয়েন্টে।

এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ১২ দশমিক ২৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৫ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৪১ দশমিক ৬২ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ০১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এদিন ডিএসইতে ৭১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৬৮৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা টাকা।

এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯১টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৩২৭ টি কোম্পানির, বিপরীতে ৩৯ টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ২৫ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, বাজারে সূচকের উত্থান, অধিকাংশ শেয়ারের দর বৃদ্ধি এবং লেনদেনের পরিমাণ বাড়া—সব মিলিয়ে দিনটি ছিল বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

২০২৫ সালে ব্র্যাক ব্যাংক কর্পোরেট ডিজিটাল সল্যুশন ‘কর্পনেট’-এ ২,২৭,৩২১ কোটি টাকার ডিজিটাল লেনদেন

স্টক নিউজ বিডি April 1, 2026

২০২৫ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের কর্পোরেট ইন্টারনেট ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ‘কর্পনেট’ এক লক্ষণীয় মাইলফলক অর্জন করেছে। এই প্ল্যাটফর্মে প্রায় ৮০ লাখ ট্রানজ্যাকশনের মাধ্যমে মোট ২ লাখ ২৭ হাজার ৩২১ কোটি টাকার ডিজিটাল লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। প্ল্যাটফর্মটিতে মোট লেনদেনের পরিমাণে বাৎসরিক ৪৩% এবং লেনদেনের সংখ্যায় বাৎসরিক ৩৮% প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের কর্পোরেট ব্যাংকিং খাতে ডিজিটাল সেবার দ্রুত সম্প্রসারণের প্রতিফলন।

বর্তমানে ‘কর্পনেট’-এ প্রায় ২,৫০০ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে এবং শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই ৯০০টিরও বেশি নতুন কর্পোরেট ক্লায়েন্ট এই প্ল্যাটফর্মটিতে যুক্ত হয়েছে। কর্পোরেট ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ যে সম্পূর্ণ ডিজিটাল, সহজ ও নিরাপদ লেনদেনের ওপর নির্ভর করছে, এটি তার-ই প্রতিফলন। প্ল্যাটফর্মটির অ্যাকটিভ ক্লায়েন্টের হার ৬৫%। অর্থাৎ, অনবোর্ডকৃত প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রতিষ্ঠানই তাদের প্রতিদিনের ব্যাংকিং কার্যক্রমে ‘কর্পনেট’ ব্যবহার করছে।

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য উপযোগী সব ধরনের প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দেওয়ার জন্য ‘কর্পনেট’ তৈরি করা হয়েছে, যেখানে পেমেন্ট, কালেকশন, রিপোর্টিং এবং সার্ভিস রিকোয়েস্ট সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করা যায়। এখানে রয়েছে ২৪/৭ যেকোনো স্থান থেকে অ্যাপ্রুভাল ও প্রসেসিংয়ের সুবিধা। এর সহজ ও কার্যকর ওয়ার্কফ্লো ম্যানুয়াল কাজ কমিয়ে দ্রুত অ্যাপ্রুভাল নিশ্চিত করে এবং হোস্ট-টু-হোস্ট কানেক্টিভিটি ও এপিআই ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে কোম্পানির ইআরপি সিস্টেমের সঙ্গে নির্বিঘ্ন সংযোগ নিশ্চিত করে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো রিয়েল-টাইমে তাদের নগদ অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে, যা ফান্ড ম্যানেজমেন্টে দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।
মাল্টি-লেভেল সিগনেটরি, এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন, মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন এবং ইনস্ট্যান্ট ট্রানজ্যাকশন অ্যালার্টসহ প্ল্যাটফর্মটির নিরাপত্তা কাঠামোতেও রয়েছে পূর্ণাঙ্গ গভর্নেন্স। অটোমেটেড পেরোল, বাল্ক পেমেন্ট আপলোড, গভর্নমেন্ট বিল পেমেন্ট এবং এ-ফোর চেক ও পে-অর্ডারের মতো ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট ‘কর্পনেট’-কে একটি পূর্ণাঙ্গ ট্রেজারি পার্টনারে পরিণত করেছে। ২০২৫ সালে মোট লেনদেন সংখ্যার প্রতি ১০০টির মধ্যে ৮৫টিই ডিজিটালি সম্পন্ন হয়েছে, যা এই প্ল্যাটফর্মের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ।
সহজতর কালেকশন ব্যবস্থা ‘কর্পনেট’-এর উন্নত কালেকশন সল্যুশন— ডিরেক্ট ডেবিট ইনস্ট্রাকশন এবং ভার্চুয়াল অ্যাকাউন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ভুলভাবে নিজেদের ক্যাশফ্লো ট্র্যাক করার সুযোগ দেয়।

এই ব্যবস্থায় একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টকে হাজারো ভার্চুয়াল অ্যাকাউন্টে বিভক্ত করা যায়, যেখানে প্রতিটি অ্যাকাউন্ট নির্দিষ্ট গ্রাহক, অঞ্চল বা ব্যবসায়িক ইউনিটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিকনসিলিয়েশন সম্পন্ন হয়। ডিরেক্ট ডেবিট ইনস্ট্রাকশনের মাধ্যমে অন্যান্য ব্যাংক থেকে অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব, যা প্রতিষ্ঠানের কালেকশন প্রক্রিয়াকে সহজ এবং নগদ প্রবাহের দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি করে।

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর সেবায় ‘কর্পনেট’-এর ক্লায়েন্ট বেস বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রায় সব খাতজুড়ে বিস্তৃত। শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে টেলিযোগাযোগ, ফার্মাসিউটিক্যাল, এফএমসিজি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ডিস্ট্রিবিউশন হাউস, হাসপাতাল, এনজিও, দূতাবাস, শিপিং লাইন ও এয়ারলাইন, বহুজাতিক কোম্পানি, উন্নয়ন সংস্থা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ক্লায়েন্টসহ বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো বড় অংকের বাল্ক পেমেন্ট, রিয়েল-টাইম কালেকশন, কমপ্লেক্স সাপ্লায়ার পেমেন্ট এবং বৃহৎ পরিসরের পেরোল ম্যানেজমেন্টের জন্য ‘কর্পনেট’-এর ওপর আস্থা রাখছে।

দেশের সকল বিজনেস সেক্টরজুড়ে ব্র্যাক ব্যাংক ‘কর্পনেট’-এর উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, বিজনেস মডেল, পেমেন্ট প্যাটার্ন এবং কমপ্লায়েন্স ইস্যু ভিন্ন ভিন্ন হলেও সবগুলো এক প্ল্যাটফর্মেই দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব।

ব্র্যাক ব্যাংকের এই প্ল্যাটফর্ম নিয়ে ব্যাংকটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে আরও স্মার্ট করেছে আমাদের কর্পনেট। এখানে প্রতিটি ডিজিটাল ট্রানজ্যাকশন ম্যানুয়াল কাজ কমায়, কাগজের ব্যবহার হ্রাস করে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়ায়। ফলে, আমাদের ক্লায়েন্টরা এখন আরও দক্ষভাবে ব্যাংকিং সেবা নিতে পারছে, যা তাদের সময় ও খরচ সাশ্রয় করার পাশাপাশি ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে করেছে গতিশীল। ভবিষ্যতে আমরা ‘কর্পনেট’ ইকোসিস্টেম আরও বিস্তৃত করব, যা নতুন সেবা ও অ্যানালিটিক্স সংযোজনের মাধ্যমে ক্লায়েন্টদের কর্পোরেট ব্যাংকিং আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ করে তুলবে।”

উল্লেখ্য, কর্পোরেট ইন্টারনেট ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ‘কর্পনেট’ দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং স্মার্ট ব্যবসায়িক কার্যক্রমের নতুন মানদণ্ড স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের কর্পোরেট ডিজিটাল ব্যাংকিংকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে বাজেটে ৭ দফা প্রস্তাব ডিবিএ’র

স্টক নিউজ বিডি April 1, 2026

শেয়ারবাজার ডেস্ক: দেশের পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় রাজস্ব বাজেটে কর সংক্রান্ত একগুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে ডিএসই ব্রোকার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, এফসিএমএ বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করেন সংগঠনটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম।

চিঠিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত করনীতিগুলো বাস্তবায়িত হলে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তি বাড়বে, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা শক্তিশালী হবে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ডিবিএ’র প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বর্তমানে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ আয়ের ওপর উৎসে কর কাটার পর আবার আয়কর রিটার্নে কর দিতে হয়, ফলে কার্যকর করহার অনেক ক্ষেত্রে ৪০.৫ শতাংশে পৌঁছে যায়। এতে স্পন্সর-পরিচালকরা নগদ লভ্যাংশ ঘোষণায় নিরুৎসাহিত হচ্ছেন এবং উচ্চ সম্পদশালী বিনিয়োগকারীরাও লভ্যাংশভিত্তিক বিনিয়োগ থেকে সরে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশের ওপর উৎসে কর্তিত করকে চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। এতে কর কাঠামো সহজ হবে এবং দ্বৈত করের বোঝা কমবে বলে মনে করছে তারা।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে কর বৈষম্য দূর করার ওপরও জোর দিয়েছে ডিবিএ। বর্তমানে কর রেয়াত সুবিধার জন্য মিউচুয়াল ফান্ডে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ সীমা থাকায় খুচরা বিনিয়োগকারীরা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। এই সীমা তুলে দিয়ে যেকোনো পরিমাণ বিনিয়োগকে কর রেয়াতের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়বে এবং বাজারে স্থিতিশীল তহবিল প্রবাহ নিশ্চিত হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে মূলধনী আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ করহার থাকলেও মিউচুয়াল ফান্ড ও অন্যান্য সিকিউরিটিজে ভিন্ন করহার প্রযোজ্য হওয়ায় বিনিয়োগে বৈষম্য তৈরি হয়েছে। এই বৈষম্য দূর করে সব তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ ও ফান্ড ইউনিটের ক্ষেত্রে একই করহার নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে ডিবিএ।

শেয়ার লেনদেনের টার্নওভারের ওপর কাটা উৎসে কর (TDS) বর্তমানে মিনিমাম ট্যাক্স হিসেবে গণ্য হওয়ায় লোকসান হলেও ব্রোকারেজ হাউসকে কর দিতে হচ্ছে। এই অবস্থার পরিবর্তন চেয়ে ডিবিএ বলেছে, TDS-কে মিনিমাম ট্যাক্স না ধরে অ্যাডভান্স ট্যাক্স হিসেবে গণ্য করা হোক, যাতে প্রকৃত আয় অনুযায়ী কর সমন্বয়ের সুযোগ থাকে। এতে কর ব্যবস্থায় ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ব্রোকারেজ হাউসগুলোর ওপর চাপ কমবে।

লোকসানগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে নেগেটিভ ইকুইটি অ্যাকাউন্টে কর ছাড়ের প্রস্তাবও দিয়েছে সংগঠনটি। ইন্টারেস্ট ওয়েভার, ক্যাশ ডিভিডেন্ড এবং ক্যাপিটাল গেইনের ওপর পূর্ণ কর অব্যাহতি এবং বিদ্যমান ১০ লাখ টাকার সীমা তুলে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা আবার বাজারে সক্রিয় হতে পারবেন বলে মনে করছে ডিবিএ।

পুঁজিবাজারে বড় কোম্পানির অংশগ্রহণ বাড়াতে ‘ডিমড-টু-বি লিস্টেড কোম্পানি’ কাঠামো চালুর প্রস্তাবও দিয়েছে সংগঠনটি। নির্দিষ্ট পরিমাণ মূলধন, টার্নওভার বা ব্যাংক ঋণ থাকা কোম্পানিগুলোকে এই কাঠামোর আওতায় আনা যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট শর্তে নীতিগত প্রণোদনার কথাও বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে নিষ্ক্রিয় তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব করেছে ডিবিএ। যেসব কোম্পানি টানা তিন বছর বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) করেনি বা লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি, তাদের অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির সমান করহার নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে।

ডিবিএ মনে করছে, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও গভীরতা বাড়বে, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে এবং সামগ্রিকভাবে বাজারে আস্থা ফিরবে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

নিটল ইন্স্যুরেন্সের ১০% নগদ লভ্যাংশ প্রস্তাব

স্টক নিউজ বিডি April 1, 2026

দেশের শীর্ষস্থানীয় বীমা প্রতিষ্ঠান নিটল ইন্স্যুরেন্স পিএলসি ২০২৫ অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে (প্রস্তাবিত)।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কোম্পানির ১৮১তম পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান এ.কে.এম. মনিরুল হক।

কোম্পানিটি ২০২৫ সালের জন্য শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১.৯৩ টাকা, শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৩১.৩০ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি অপারেটিং নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ০.২৮ টাকা ঘোষণা করেছে। এর আগের বছর এসব সূচক ছিল যথাক্রমে ১.৯৭ টাকা, ৩১.৩৩ টাকা এবং ০.২২ টাকা।

পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির সার্বিক আর্থিক কার্যক্রম, মুনাফা এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে এই লভ্যাংশ প্রস্তাব অনুমোদন করে।

কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী ১২ জুলাই ২০২৬ তারিখ সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ মে ২০২৬।

প্রস্তাবিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের সাপেক্ষে চূড়ান্ত হবে।

0 শেয়ার করুন
1 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ২২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা

স্টক নিউজ বিডি March 16, 2026

ব্যবসায়িক সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত অর্থবছরেও উল্লেখযোগ্য আর্থিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি। নানাবিধ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটি প্রধান আর্থিক সূচকসমূহে ধারাবাহিক উন্নতি বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।

২০২৫ সালে আইডিএলসি গ্রুপের কর-পরবর্তী একত্রিত (কনসোলিডেটেড) নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৪৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ২২% বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৪.৫৯ টাকা থেকে বেড়ে ৫.৫৮ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক লাভজনকতা ও কার্যক্রমগত দক্ষতারই প্রতিফলন।

বছরজুড়ে গ্রাহকদের আস্থা ধরে রাখার ফলে আইডিএলসি’র গ্রাহক আমানত বৃদ্ধি পেয়ে ১০,৬৫০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২৭% বেশি। অন্যদিকে, গ্রুপটির ঋণ পোর্টফোলিও বৃদ্ধি পেয়ে ১২,২৭৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা ৮% প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে।

প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন আর্থিক কর্মদক্ষতা সূচকেও ইতিবাচক অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে। রিটার্ন অন ইক্যুইটি (আরওই) বেড়ে ১১.৬৩% হয়েছে, যা ২০২৪ সালে ছিল ১০.৩৩%। অন্যদিকে রিটার্ন অন অ্যাসেটস (আরওএ) বৃদ্ধি পেয়ে ১.৪৮% হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানের সম্পদের কার্যকর ও লাভজনক ব্যবহারের প্রমাণ দেয়।

ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্ক ও দায়িত্বশীল নীতি অনুসরণের কারণে আইডিএলসি’র মন্দ ঋণের (এনপিএল) অনুপাত ৪.৪৩% এ নেমে আসে, যা সংশ্লিষ্ট খাতের গড়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। একই সঙ্গে ১০৯% প্রভিশন কভারেজ অনুপাত বজায় রেখে প্রতিষ্ঠানটি শক্তিশালী ব্যালান্সশিট এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

আইডিএলসি’র সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং আইডিএলসি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড একইভাবে ২০২৫ সালে নিজেদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে, যা আইডিএলসি গ্রুপের সামগ্রিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

আজ ১৬ মার্চ, ২০২৬ তারিখে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত আইডিএলসি কর্পোরেট হেড অফিসে অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের ৩৬৪তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় ২০২৫ অর্থবছরের এই আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদিত হয়। একই সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫% নগদ ও ৫% স্টক লভ্যাংশ প্রস্তাব করেছে। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ১৪ মে ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে এবং এর রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ এপ্রিল ২০২৬।

প্রতিষ্ঠানের পারফরম্যান্স সম্পর্কে আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদ সাত্তার বলেন, “২০২৫ সালের ফলাফল আমাদের ব্যবসায়িক মডেলের দৃঢ়তা এবং গ্রাহক ও অংশীজনদের অব্যাহত আস্থার প্রতিফলন। একটি চ্যালেঞ্জিং অর্থনৈতিক পরিবেশের মধ্যেও আইডিএলসি নিয়ন্ত্রিত গতিতে, সুসংহত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদে মূল্য সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে গেছে। আগামী দিনে আরও শক্তিশালী সুশাসন তৈরি করা, দায়িত্বশীল আর্থিক সমাধানের পথ প্রসারিত করা এবং বাংলাদেশের ক্রমবিকাশমান অর্থনীতিতে প্রয়োজনীয় সকল সহায়তার লক্ষ্যে আমরা আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখব।”

একটি টেকসই, সুশাসিত এবং ভবিষ্যতমুষী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে আইডিএলসি। গ্রাহকদের নতুন ও বৈচিত্র্যময় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
paramount-ri

আয় ও নগদ প্রবাহ কমেছে, ব্যাংক আমানত ও বিনিয়োগেও পতন—তবু নগদ লভ্যাংশ

স্টক নিউজ বিডি March 16, 2026

অনুসন্ধানধর্মী প্রতিবেদন: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা কোম্পানি প্যারামাউন্ট ইন্সুরেন্সের পিএলসি ২০২৫ অর্থবছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে। তবে কোম্পানির প্রকাশিত প্রাইস সেনসিটিভ ইনফরমেশন (PSI) এবং সর্বশেষ আর্থিক সূচক বিশ্লেষণ করলে আয়, নগদ প্রবাহ ও বিনিয়োগ কাঠামো নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে আসছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কোম্পানিটির প্রতি শেয়ারে আয় (EPS) কমে দাঁড়িয়েছে ২.১৯ টাকায়, যা ২০২৪ সালে ছিল ২.২৩ টাকা। অর্থাৎ আয়ের সূচকে সামান্য হলেও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রতি শেয়ারে অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (NOCFPS)। ২০২৪ সালে যেখানে এটি ছিল ২.৯১ টাকা, সেখানে ২০২৫ সালে তা নেমে এসেছে ১.৭৯ টাকায়। এক বছরে এই সূচকে উল্লেখযোগ্য হ্রাস বিশ্লেষকদের নজর কেড়েছে। তাদের মতে, অপারেটিং ক্যাশ ফ্লোর এমন পতন কোম্পানির নগদ প্রবাহ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

অন্যদিকে একই সময়ে কোম্পানির প্রতি শেয়ারে নেট সম্পদ মূল্য (NAV) কিছুটা বেড়ে ২৮.১৬ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছর ছিল ২৭.২৬ টাকা। তবে বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সম্পদমূল্য কিছুটা বাড়লেও আয় ও নগদ প্রবাহ কমে যাওয়া দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে সতর্ক সংকেত দিতে পারে।

কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ আগামী ১৮ মে ২০২৬ তারিখে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ২১ এপ্রিল ২০২৬ রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিনিয়োগ ও নগদ অবস্থানেও পরিবর্তন

কোম্পানিটির সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে বিনিয়োগ ও নগদ অবস্থানেও কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেয়ার ও সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ কমে দাঁড়িয়েছে ৯৫.৫৭ কোটি টাকায়, যা ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে ছিল ১০৫.৬৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ এই খাতে প্রায় ১০ কোটি টাকার বিনিয়োগ কমেছে। বিশ্লেষকদের মতে, শেয়ারবাজারে কোম্পানিটির এক্সপোজার কমে যাওয়া বিনিয়োগ কৌশল নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

এছাড়া কোম্পানির ব্যাংকে জমা নগদ অর্থও কমেছে। ২০২৪ সালের শেষে ব্যাংকে নগদ ছিল ৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকার বেশি, যা ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর শেষে কমে ২ কোটি ৮৬ লাখ টাকায় নেমে এসেছে। একই সময়ে মোট ক্যাশ ও ক্যাশ ইকুইভ্যালেন্টও কমে দাঁড়িয়েছে ৬০.০৫ কোটি টাকা, যেখানে আগের সময়ে এটি ছিল ৬২.১১ কোটি টাকা।

ব্যয় ও দায়ের অবস্থান

অন্যদিকে কোম্পানির কারেন্ট লায়াবিলিটিজ কিছুটা কমলেও সেটি এখনও উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে রয়েছে। সর্বশেষ হিসাবে কোম্পানিটির দায় রয়েছে ৩৩.৩৯ কোটি টাকা, যদিও আগের সময়ে এটি ছিল ৩৬.৪৬ কোটি টাকা।

এছাড়া বিল্ডিং আন্ডার কনস্ট্রাকশন খাতে ব্যয় বেড়ে ১৪.৩২ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা আগের সময়ে ছিল ১১.১৭ কোটি টাকা। বিশ্লেষকদের মতে, স্থায়ী সম্পদে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ভবিষ্যতে সম্পদমূল্য বাড়াতে সহায়ক হলেও স্বল্পমেয়াদে নগদ প্রবাহের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

বিনিয়োগকারীদের প্রশ্ন

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, আয় ও অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো কমে যাওয়ার পরও নগদ লভ্যাংশ সুপারিশের বিষয়টি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই জানতে চাইছেন—কোম্পানির নগদ প্রবাহের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব কী হতে পারে এবং ভবিষ্যতে এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে কি না।

তবে এসব বিষয়ে কোম্পানির পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। বিনিয়োগকারীদের মতে, কোম্পানির আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ কৌশল সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হলে বাজারে আস্থা বজায় রাখতে তা সহায়ক হতে পারে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

মুক্তবাজার অর্থনীতিতে নন-ট্যারিফ বীমার ভূমিকা: আহমেদ সাইফুদ্দীন চৌধুরী

স্টক নিউজ বিডি March 8, 2026

স্টক নিউজ বিডি: প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশে নন-লাইফ বীমার বাজারের চাহিদার তুলনায় কোম্পানির সংখ্যা অনেক বেশি, যা সত্যিই অবাক হওয়ার মতো। যার ফলে প্রতিটি কোম্পানি টিকে থাকার জন্য কখনো কখনো অস্বাভাবিক, এমনকি অনৈতিক প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়। এতে বীমা কোম্পানীগুলোর প্রতি গ্রাহকদের চিন্তাভাবনায় অনেক বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং আস্থার জায়গাটি দূর্বল হয়ে যায়। তাই অন্যান্য পেশার তুলনায় বীমা পেশায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদেরকে সামাজিকভাবে যথেষ্ট অবমূল্যায়ন করা হয়।

তবে বীমার গ্রাহকদের দায়িত্ব হবে যদি একটু গভীরভাবে প্রপার্টি বীমার ক্ষেত্রটি পর্যবেক্ষণ করেন, তাহলে দেখা যাবে যে বাস্তব পরিস্থিতি অনেক ভিন্ন। বড় অংকের বীমাকারীরা ট্যারিফ অনুযায়ী নির্ধারিত প্রিমিয়ামই প্রদান করে থাকেন। অর্থাৎ, নির্ধারিত মানদন্ড ও হিসাবের মাধ্যমে, বীমা কোম্পানিগুলো দক্ষতার সঙ্গে ঝুঁকি মূল্যায়ন করে এবং সেই অনুযায়ী প্রিমিয়াম নির্ধারন করে। অন্যদিকে কোনো গ্রাহক তার ব্যবসার জন্য যদি ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করে, তাহলে সাধারণত তিনি ঋণের দ্বিগুণ পরিমাণ মর্গেজ জমা রাখেন।

এই প্রেক্ষাপটে আমি গ্রাহকদের উদ্যেশে বলি, বীমা কেবল একটি আর্থিক পণ্য নয়, এটি একটি শক্তিশালী ব্যবসা বাণিজ্যের হাতিয়ার। দূর্ঘটনা বা ক্ষতির মুহূর্তে গ্রাহকের স্বল্প প্রিমিয়ামে নেওয়া পলিসি অনুযায়ী সহজেই ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য বীমা কোম্পানীগুলো সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। ফলে ব্যবসা, অবকাঠামো বা ব্যক্তিগত সম্পদ সুরক্ষার ক্ষেত্রে বীমা স্থিতিশীলতা ও আত্মবিশ্বাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হয়ে দাঁড়ায়।

সুতরাং নন-লাইফ বীমা খাতকে শুধুমাত্র প্রতিযোগিতার মাঠ হিসেবে নয়, বরং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক নিরাপত্তার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। এখানে সঠিক নীতি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও গ্রাহক সচেতনতাই পারে বীমা শিল্পটিকে স্থিতিশীল ও টেকসইভাবে বিকশিত হওয়ার পথে এগিয়ে নিতে।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বীমা খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। বীমা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি কমিয়ে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, ফলে উদ্যোক্তারা সাহসের সঙ্গে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে এগিয়ে যেতে পারেন।

গ্রাহকদেরকে ব্যাপকভাবে বীমার আওতায় আনতে হলে বীমা পলিসি গ্রহণের ক্ষেত্রে বীমাকারীদের জন্য একটি মুক্ত অর্থনীতিভিত্তিক বাজার সৃষ্টি করা অপরিহার্য। বিশ্ব মুক্তবাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশীয় বীমা পণ্যের প্রিমিয়াম হার সমন্বয় করা উচিত। অর্থাৎ, আমাদের বীমা খাতকে নন-ট্যারিফ ব্যবস্থায় প্রবর্তন করা সময়ের একান্ত দাবি।

হয়তোবা বিভিন্ন বীমা কোম্পানির সাময়িকভাবে নন- ট্যারিফের কার্যকারিতা অনুধাবনে বিলম্ব হতে পারে। আবার বর্তমানে কর্মরত অনেক বীমাবিদও আশঙ্কা করতে পারেন যে নন-ট্যারিফ চালু হলে ব্যবসার ভলিউম কমে যেতে পারে। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা ও বাজার বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায় যে রেট নির্ধারণ, কার্যকর ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং দ্রæত ও স্বচ্ছ ক্লেইম সেটেলমেন্ট নিশ্চিত করা গেলে নন-ট্যারিফ ব্যবস্থায় ব্যবসার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। কারণ এতে স্বচ্ছ প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং বহির্বিশে^র সাথে প্রযুক্তির আদান-প্রদানের ফলে জ্ঞানের পরিধি বাড়বে, তাতে গ্রাহকের আস্থা তৈরি হবে ও বাজারে গতিশীলতা আসবে।

বিশ্ববাজারের বীমা উপকরণ ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে আমাদের জ্ঞানের পরিধি ও পেশাগত দক্ষতা আরও সম্ভাবনাময় হয়ে উঠবে। এর ফলে দেশের বীমা শিল্প আন্তর্জাতিক মানের দিকে অগ্রসর হতে সক্ষম হবে।

এছাড়া আমাদের দৃষ্টিতে প্রতিটি বীমা কোম্পানির জন্য সলভেন্সি মার্জিন ঘোষণা বাধ্যতামূলক করা উচিত এবং নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এতে কোম্পানিগুলোর আর্থিক সক্ষমতা সম্পর্কে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে ও গ্রাহকের আস্থা সুদৃঢ় হবে এবং বীমা দাবী পরিশোধের সক্ষমতা পর্যালোচনা করা যাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বীমা শিল্পের টেকসই উন্নয়নের জন্য পুন:বীমা বাজারকে আরও উন্মুক্ত করা অত্যন্ত জরুরী।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দূর্ঘটনা বা অপ্রত্যাশিত ক্ষতির সময় দ্রæত ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে আর্থিকখাতকে দ্রæত স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য বীমাশিল্প বিরাট ভ‚মিকা পালন করে। তাই দীর্ঘস্থায়ী ও সমৃদ্ধ অর্থনীতি গঠনে বীমার ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

সাউথইস্ট ব্যাংক দেশের প্রথম ভিসা স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড উদ্বোধন করল

স্টক নিউজ বিডি March 5, 2026

স্টক নিউজ বিডি: সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি, দেশের প্রথম ভিসা স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছে। বুধবার শেরাটন ঢাকা-এ আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে এই কার্ডের উদ্বোধন করা হয়। এ উদ্যোগ দেশের কার্ড শিল্পে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং যুবসমাজের ক্ষমতায়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং দায়িত্বশীল ঋণ সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ব্যাংকের কৌশলগত অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।

ভিসা স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডটি স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের যোগ্য শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে। পিতামাতা/অভিভাবকের গ্যারান্টির মাধ্যমে কার্ডটি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সুরক্ষিত কাঠামো নিশ্চিত করে। নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ ক্রেডিট সুবিধার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, ডিজিটাল এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় ম্যানেজ করতে সহায়তা করা এবং অল্প বয়স থেকেই দায়িত্বশীল আর্থিক আচরণ গড়ে তোলা এই কার্ডের মূল উদ্দেশ্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ জাকির হোসাইন চৌধুরী, মাননীয় ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক, এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব এম. এ. কাশেম, চেয়ারম্যান, সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আজিজ আল কায়সার, চেয়ারম্যান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি এবং জনাব সাব্বির আহমেদ খান, কান্ট্রি ম্যানেজার, ভিসা ইন্টারন্যাশনাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব মোঃ খালিদ মাহমুদ খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি,।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং অন্যান্য স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন ভিসা ইন্টারন্যাশনালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি’র অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকদ্বয়, উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন নির্বাহী কর্মকর্তাগণ।

প্রধান অতিথি জনাব মোঃ জাকির হোসাইন চৌধুরী শিক্ষার্থীদের জন্য সুরক্ষিত ও সুসংগঠিত স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড চালুর জন্য ব্যাংককে অভিনন্দন জানান। তিনি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আর্থিক সাক্ষরতা ও দায়িত্বশীল ঋণগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের আর্থিক খাতকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে তিনি যথাযথ কমপ্লায়েন্স ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার গুরুত্বও উল্লেখ করেন।

বিশেষ অতিথি জনাব এম. এ. কাশেম তাঁর বক্তব্যে দেশের প্রথম স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রবর্তনকে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ব্যাংক ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে বিশ্বাসী এবং তরুণদের জন্য দায়িত্বশীল ও কাঠামোবদ্ধ আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

জনাব মোঃ খালিদ মাহমুদ খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি, সকল অতিথি, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং উপস্থিত দর্শকদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, দেশের প্রথম ভিসা স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল আর্থিক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য নিরাপদ কাঠামো, নিয়ন্ত্রিত ক্রেডিট সীমা এবং শক্তিশালী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ডিজাইন করা হয়েছে। এছাড়াও তিনি ব্যাংকের উদ্ভাবনী শক্তি ও যুবসমাজকে ক্ষমতায়ন করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সম্মানিত অতিথি জনাব আজিজ আল কায়সার একাডেমিয়া ও ব্যাংকিং খাতের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক আর্থিক পণ্য যেমন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি, দায়িত্বশীল আর্থিক অভ্যাস তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত ও ব্যক্তিগত ব্যয় পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ভিসা স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে রয়েছে নিয়ন্ত্রিত ক্রেডিট সীমা, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের জন্য দ্বৈত লেনদেন সতর্কবার্তা, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ লেনদেন সীমাবদ্ধতা এবং পূর্ণ ডিজিটাল ব্যাংকিং সুবিধা। এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশিকা অনুসারে তৈরি করা হয়েছে, যাতে শক্তিশালী ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ ও দায়িত্বশীল ঋণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হয়।

অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্ড উন্মোচন করা হয় এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের হাতে কার্ড তুলে দেওয়া হয়, যা যুবকেন্দ্রিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি, পুনরায় প্রমাণ করেছে যে, তারা একটি অগ্রগামী ও গ্রাহককেন্দ্রিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা ডিজিটালি সক্ষম এবং আর্থিকভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • নারী অধিকার-লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

  • স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত

  • ‘গণরায় বাস্তবায়ন না করে ফ্যাসিবাদী স্টাইলে দেশ চালাচ্ছে সরকার’

  • আইনশৃঙ্খলার স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশ

  • ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলল চীন

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলল চীন

  • আইনশৃঙ্খলার স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশ

  • স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত

  • বাংলা নববর্ষ উদযাপনে সেকালের আন্তরিকতা ও একালের আধুনিকতা -লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

  • যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ইউক্রেনকে কেবল ধ্বংসই করছে : রাশিয়া

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য