Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

ইসলাম

দুনিয়ার মোহ ও আল্লাহর স্মরণ

স্টক নিউজ বিডি November 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: পরিবার ও সন্তানদের প্রতি যথাযথ দায়িত্ব পালন করা, তাদের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করা ফরজ। পরিবারের জন্য কৃত খরচকে রাসুল (সা.) সর্বোত্তম সদকা বলেছেন। সওবান (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেছেন,

أَفْضَلُ دِينَارٍ يُنْفِقُهُ الرَّجُلُ دِينَارٌ يُنْفِقُهُ عَلَى عِيَالِهِ وَدِينَارٌ يُنْفِقُهُ عَلَى فَرَسٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَدِينَارٌ يُنْفِقُهُ الرَّجُلُ عَلَى أَصْحَابِهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ

সবচেয়ে উত্তম দীনার হলো- যা মানুষ তার পরিবার-পরিজনের জন্য ব্যয় করে, যা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের ঘোড়া প্রতিপালনে ব্যয় করে এবং যা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারী তার সহ-যোদ্ধাদের জন্য ব্যয় করে। (সহিহ মুসলিম)

তবে সম্পদ উপার্জনের মোহ ও সন্তানরা যেন আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল না করে দেয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা দরকার। তাদের প্রতি দায়িত্বপালনের পাশাপাশি আল্লাহর রাস্তায় ব্যায় করতে হবে, দরিদ্র আত্মীয় স্বজনদের খোঁজ-খবর নিতে হবে, দরিদ্রদের দান করতে হবে। আল্লাহ বলেন,

یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تُلۡهِکُمۡ اَمۡوَالُکُمۡ وَ لَاۤ اَوۡلَادُکُمۡ عَنۡ ذِکۡرِ اللّٰهِ ۚ وَ مَنۡ یَّفۡعَلۡ ذٰلِکَ فَاُولٰٓئِکَ هُمُ الۡخٰسِرُوۡنَ وَ اَنۡفِقُوۡا مِنۡ مَّا رَزَقۡنٰکُمۡ مِّنۡ قَبۡلِ اَنۡ یَّاۡتِیَ اَحَدَکُمُ الۡمَوۡتُ فَیَقُوۡلَ رَبِّ لَوۡ لَاۤ اَخَّرۡتَنِیۡۤ اِلٰۤی اَجَلٍ قَرِیۡبٍ ۙ فَاَصَّدَّقَ وَ اَکُنۡ مِّنَ الصّٰلِحِیۡنَ وَ لَنۡ یُّؤَخِّرَ اللّٰهُ نَفۡسًا اِذَا جَآءَ اَجَلُهَا ؕ وَ اللّٰهُ خَبِیۡرٌۢ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ
হে মুমিনগণ, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান- সন্ততি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীন না করে; যারা এ রকম উদাসীন হবে তারা ক্ষতিগ্রস্ত। আর আমি তোমাদেরকে যে রিজিক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় কর, তোমাদের কারো মৃত্যু আসার আগে। তখন সে বলবে, হে আমার রব, যদি আপনি আমাকে আরো কিছু কাল পর্যন্ত সুযোগ দিতেন, তাহলে আমি দান-সদাকা করতাম। আর সৎ লোকদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। আর আল্লাহ কখনো কোন প্রাণকেই অবকাশ দেবেন না, যখন তার নির্ধারিত সময় এসে যাবে। আর তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবহিত। (সুরা মুনাফিকুন: ৯-১১)

সুরা মুনাফেকুনের শুরুতে মুনাফিকদের মিথ্যা কসম ও ষড়যন্ত্রের কথা আলোচনা করা হয়েছে। এ সব কিছুর মূল কারণ ছিল দুনিয়ার প্রতি তাদের মোহ বা ভালোবাসা। তাই এ আয়াতগুলোতে আল্লাহ তাআলা মুমিনদের নির্দেশনা দিচ্ছেন মুনাফিকদের মতো সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিসহ দুনিয়ার ভালোবাসায় ডুবে না যেতে। সম্পদ ও সন্তানদের নিরাপত্তা ও দুনিয়াবি সুখের মোহে আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরে না যেতে।

এখানে দুনিয়ার সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি পুরোপুরি ত্যাগ করতে বলা হয়নি। দুনিয়াবি সম্পদ উপার্জন করতে নিষেধও করা হয়নি। সম্পদ ও সন্তানদের মোহে আল্লাহর স্মরণ ও ইবাদত থেকে গাফেল হতে নিষেধ করা হয়েছে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
quran

শয়তানকে ঘর থেকে দূরে রাখে যে দুটি আয়াত

স্টক নিউজ বিডি November 4, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: সুরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত বিশেষ ফজিলতপূর্ণ। বিভিন্ন হাদিসে আয়াতদুটি পাঠ করার ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে সুরা বাকারার শেষ দুটি আয়াতকে সুরা ফাতেহার সাথে তুলনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সুরা ফাতেহা এবং সুরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত আল্লাহর এমন নুর যা এর আগে কোনো নবিকে দেওয়া হয়নি। (সহিহ মুসলিম: ৮০৬)
হযরত আবু মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

مَنْ قَرَأَ بِالْآيَتَيْنِ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ.
যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত পড়বে তার জন্য তা যথেষ্ট হয়ে যাবে। (সহিহ বুখারি: ৫০০৯)

অর্থাৎ রাতের আমল হিসেবে এবং সকল অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এ দুটি আয়াত পাঠ করাই যথেষ্ট হয়।

হজরত নুমান ইবনে বাশির (রা.) বলেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা আসমান-জমিন সৃষ্টির দুহাজার বছর আগে একটি কিতাব লিখেছেন। সে কিতাব থেকে দুটি আয়াত নাজিল করে তিনি সুরা বাকারা সমাপ্ত করেছেন। যে ঘরে তিন রাত এ দুটি আয়াত তেলাওয়াত করা হয়; শয়তান ওই ঘরের কাছে আসতে পারে না। (সুনানে তিরমিজি ২৮৮২)

অর্থ ও উচ্চারণসহ সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত

اٰمَنَ الرَّسُوۡلُ بِمَاۤ اُنۡزِلَ اِلَیۡهِ مِنۡ رَّبِّهٖ وَ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ ؕ کُلٌّ اٰمَنَ بِاللّٰهِ وَ مَلٰٓئِکَتِهٖ وَ کُتُبِهٖ وَ رُسُلِهٖ ۟ لَا نُفَرِّقُ بَیۡنَ اَحَدٍ مِّنۡ رُّسُلِهٖ ۟ وَ قَالُوۡا سَمِعۡنَا وَ اَطَعۡنَا ٭۫ غُفۡرَانَکَ رَبَّنَا وَ اِلَیۡکَ الۡمَصِیۡرُ لَا یُکَلِّفُ اللّٰهُ نَفۡسًا اِلَّا وُسۡعَهَا ؕ لَهَا مَا کَسَبَتۡ وَ عَلَیۡهَا مَا اکۡتَسَبَتۡ ؕ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذۡنَاۤ اِنۡ نَّسِیۡنَاۤ اَوۡ اَخۡطَاۡنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تَحۡمِلۡ عَلَیۡنَاۤ اِصۡرًا کَمَا حَمَلۡتَهٗ عَلَی الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَۃَ لَنَا بِهٖ ۚ وَ اعۡفُ عَنَّا ٝ وَ اغۡفِرۡ لَنَا ٝ وَ ارۡحَمۡنَا ٝ اَنۡتَ مَوۡلٰىنَا فَانۡصُرۡنَا عَلَی الۡقَوۡمِ الۡکٰفِرِیۡنَ

উচ্চারণ: আমানার রাসুলু বিমা উংঝিলা ইলাইহি মির রাব্বিহি ওয়াল মু’মিনুন। কুল্লুন আমানা বিল্লাহি ওয়া মালা-ইকাতিহি ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসুলিহ। লা-নুফাররিকু বাইনা আহাদিম মির রুসুলিহ। ওয়া কালু সামি’না ওয়া আত্বা’না গুফরানাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসির। লা ইউকাল্লিফুল্লাহু নাফসান ইল্লা উসআহা লাহা মা কাসাবাত ওয়া আলাইহা মাকতাসাবাত রাব্বানা লা তুআখিজনা ইন-নাসীনা আও আখত্ব’না রাব্বানা ওয়ালা তাহমিল আলাইনা ইসরাং কামা হামালতাহু আলাল্লাজীনা মিং কাবলিনা রাব্বানা ওয়ালা তুহাম্মিলনা মা লা ত্বাকাতালানা বিহ। ওয়া’ফু আন্না ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা আংতা মাওলানা ফাংসুরনা আলাল কাওমিল কাফিরিন।

অর্থ: রাসুল তার কাছে তার রবের পক্ষ থেকে নাজিলকৃত বিষয়ের প্রতি ঈমান এনেছে, আর মুমিনগণও। প্রত্যেকে ঈমান এনেছে আল্লাহর ওপর, তাঁর ফেরেশতাকুল, কিতাবসমূহ ও তাঁর রাসুলগণের ওপর, আমরা তাঁর রাসুলগণের মধ্যে তারতম্য করি না। আর তারা বলে, আমরা শুনলাম এবং মানলাম। হে আমাদের রব! আমরা আপনারই কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল। আল্লাহ কোনো ব্যক্তিকে তার সামর্থ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না। সে ভাল যা করেছে তার সওয়াব পাবে এবং মন্দ কর্মের জন্য সে নিজেই নিগ্রহ ভোগ করবে। হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুলে যাই, অথবা ভুল করি তাহলে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের রব! আমাদের উপর বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। হে আমাদের রব! আপনি আমাদের এমন কিছু বহন করাবেন না, যার সামর্থ্য আমাদের নেই। আর আপনি আমাদের মার্জনা করুন এবং আমাদের ক্ষমা করুন, আর আমাদের উপর দয়া করুন। আপনি আমাদের অভিভাবক। অতএব আপনি কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

ফরজ নামাজের তৃতীয় রাকাতে সুরা মেলালে সাহু সিজদা দিতে হবে?

স্টক নিউজ বিডি October 11, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজগুলো শেষ দুই রাকাতে শুধু সুরা ফাতেহা পড়তে হয়, এ দুই রাকাতে সুরা ফাতেহার পর অন্য সুরা ফেলানো সুন্নাত পরিপন্থী ও অনুত্তম। সাহাবি আবু কতাদা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) জোহর এবং আসরের নামাজের প্রথম দুই রাকাতে সুরা ফাতেহা ও আরেকটি সুরা পড়তেন। আর শেষ দুই রাকাতে শুধু সুরা ফাতেহা পড়তেন। ( সহিহ বুখারি: ৭৫৯)

ইবনে সিরিন (রহ.) বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) জোহর ও আসরের প্রথম দুই রাকাতে সুরা ফাতেহা ও কোরআন থেকে যতটুকু সহজ হয় পড়তেন। আর পরের দুই রাকাতে শুধু সুরা ফাতেহা পড়তেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা: ৩৭৪৩)

তবে এ দুই রাকাতে কেউ যদি ভুল করে সুরা ফাতেহার পর কোরআনের আরও কিছু অংশ পড়ে ফেলেন, তাহলে সাহু সিজদা আবশ্যক হয় না। ইচ্ছাকৃত এ রকম করা অনুত্তম ও সুন্নাতের খেলাফ, কিন্তু এটা সাহু সিজদা ওয়াজিব হওয়ার মতো কোনো ত্রুটি নয়।

ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় সাহু সিজদা বলা হয় কোনো কারণে ত্রুটিযুক্ত হয়ে পড়া নামাজের শেষ বৈঠকে আত-তাহিয়াত পড়ে শুধু ডান পাশে সালাম ফিরিয়ে দুটি অতিরিক্ত সিজদা করাকে। সাহু সিজদার পর আবার আত-তাহিয়াত পড়ে, দরুদ ও দোয়ায়ে মাসুরা পড়ে ডান ও বাম পাশে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করতে হয়।

নামাজে কোনো ওয়াজিব ছুটে গেলে, কোনো ফরজ দুবার আদায় করলে, কোনো ওয়াজিব পরিবর্তন করলে এবং কোনো ফরজ বা ওয়াজিব আদায়ে দেরি হলে সিজদায়ে সাহু আদায় করতে হয়। সাহু সিজদার মাধ্যমে ওই ভুলগুলোর প্রতিবিধান হয় এবং নামাজ বিশুদ্ধ হয়ে যায়। উপরোক্ত ভুলগুলো হওয়ার পরও সাহু সিজদা আদায় না করলে ত্রুটিযুক্ত নামাজটি আবার পড়ে নেওয়া ওয়াজিব।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

পারফিউম ব্যবহার করলে নামাজ হবে?

স্টক নিউজ বিডি October 11, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: সুগন্ধি ব্যবহার মূলত উত্তম কাজ। এটি সুন্নাতও বটে। রাসুল (সা.) সুগন্ধি অত্যন্ত পছন্দ করতেন এবং সব সময় সুগন্ধি ব্যবহার। অন্যদেরও সুগন্ধি ব্যবহার করার নির্দেশ দিতেন। জুমার দিন সম্ভব হলে সুগন্ধি ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়ে রাসুল (সা.) বলেছেন,

إِنَّ هَذَا يَوْمُ عِيدٍ جَعَلَهُ اللَّهُ لِلْمُسْلِمِينَ فَمَنْ جَاءَ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ وَإِنْ كَانَ طِيبٌ فَلْيَمَسَّ مِنْهُ وَعَلَيْكُمْ بِالسِّوَاكِ
নিশ্চয় আল্লাহ এ দিনটিকে মুসলমানদের জন্য ঈদের দিনরূপে নির্ধারণ করেছেন। তাই যে ব্যক্তি জুমার নামাজ আদায় করতে আসবে সে যেন গোসল করে এবং সুগন্ধি থাকলে তা শরীরে লাগায়। মিসওয়াক করাও তোমাদের কর্তব্য। (সুনানে ইবনে মাজা: ৮৩)

কোনো পারফিউমে হারাম বা অপবিত্র এলকোহল মিশ্রিত না থাকলে তা ব্যবহার করে নামায আদায় করতে কোন সমস্যা নেই।

বর্তমানে বাজারে প্রচলিত এলকোহল নাপাক কি না এ সম্পর্কে বিশিষ্ট ফকিহ শাইখুল ইসলাম তাকী উসমানি (দা. বা.) লিখেছেন, যে এলকোহল এখন বিভিন্ন ঔষধ বা পারফিউমে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তার অধিকাংশই এখন আর আঙ্গুর বা খেজুর থেকে তৈরি হচ্ছে না। বরং বিভিন্ন ধরনের শস্যদানা,খোসা,এবং খনিজ পদার্থ ইত্যাদি থেকেই তৈরি করা হচ্ছে। (তাকমিলাতু ফাতহুল মুলহিম ৩/৬০৮)

তাই বাজারে প্রচলিত বেশিরভাগ এলকোহল অপবিত্র নয় এবং এলকোহল মিশ্রিত যে কোনো পারফিউমও অপবিত্র নয়। কোনো পারফিউমের ব্যাপারে যদি জানা থাকে যে, ওই পারফিউমে শরিয়তে অপবিত্র ঘোষিত আঙ্গুর বা খেজুর থেকে তৈরি এলকোহল মিশ্রিত রয়েছে, তাহলে তা ব্যবহার করে নামাজ আদায় নিষিদ্ধ হবে। সাধারণতভাবে এলকোহল মিশ্রিত পারফিউমও এখন পবিত্র এবং অপবিত্র হওয়ার প্রমাণ না পাওয়া গেলে সেগুলো অপবিত্র গণ্য হবে না এবং সেগুলো ব্যবহার করে নামাজ আদায় ‍নিষিদ্ধ হবে না।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

মৃতদেহ কবরস্থানে নিয়ে যাওয়ার পথে ৩ বার থামা কি সুন্নাহ?

স্টক নিউজ বিডি August 26, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: মুমিনের ওপর অপর মুমিনের পাঁচটি হকের একটি হলো মারা গেলে তার জানাজার নামাজ পড়া এবং তাকে দাফন করার জন্য মৃতদেহের সাথে যাওয়া। রাসুল সা. বলেন,

حَقُّ المُسْلِمِ عَلَى المُسْلِمِ خَمْسٌ: رَدُّ السَّلاَمِ، وَعِيَادَةُ المَرِيضِ، وَاتِّبَاعُ الجَنَائِزِ، وَإِجَابَةُ الدَّعْوَةِ، وَتَشْمِيتُ العَاطِسِ

এক মুসলিমের ওপর অপর মুসলিমের হক পাঁচটি: সালামের জবাব দেওয়া, অসুস্থ হলে দেখতে যাওয়া, তার জানাজার সঙ্গে যাওয়া, দাওয়াত কবুল করা এবং তার হাঁচির জবাব দেওয়া। (সহিহ বুখারি: ১২৪০, সহিহ মুসলিম: ২১৬২)

জানাজার নামাজ পড়া ও জানাজার সাথে গিয়ে মৃত ব্যক্তির দাফনের কাজে অংশগ্রহণ করা পৃথক সওয়াবের কাজ, হাদিসে এই দুটি আমলেরই অপরিসীম সওয়াবের কথা বর্ণিত হয়েছে। রাসুল সা. বলেন,

مَنْ شَهِدَ الْجَنَازَةَ حَتَّى يُصَلِّيَ عَلَيْهَا فَلَهُ قِيرَاطٌ، وَمَنْ شَهِدَ حَتَّى تُدْفَنَ كَانَ لَهُ قِيرَاطَانِ.‏ قِيلَ وَمَا الْقِيرَاطَانِ قَالَ‏ مِثْلُ الْجَبَلَيْنِ الْعَظِيمَيْنِ‏‏.‏

যে ব্যাক্তি কোনো জানাজার নামাজ হয়ে যাওয়া পর্যন্ত মৃতের সাথে উপস্থিত থাকবে, সে এক ‘কিরাত’ পরিমাণ সওয়াব পাবে, আর যে ব্যাক্তি মৃতের দাফন হয়ে যাওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকবে, সে দুই ‘কিরাত’ সওয়াব পাবে। কেউ জিজ্ঞাসা করল, দুই কিরাতের পরিমাণ কতটুকু? তিনি বললেন, দুটি বিশাল পর্বতের সমান। (সহিহ বুখারি: ১৩২৫)

কবরস্থানে যাওয়ার মৃতের খাট বহন করার সুন্নাহ পদ্ধতি হল, চার ব্যক্তি খাটের চারটি পা ধরে খাট বহন করবে এবং খাট বহনে অংশগ্রহণকারীরা প্রত্যেকে কাঁধ পরিবর্তন করে করে খাটের চারটি পা কিছুক্ষণ কাঁধে নেবে। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, যে ব্যক্তি লাশ বহন করে, সে যেন খাটের চারদিকই ধারণ করে; এটা সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত। তারপর সে চাইলে আরো ধরতে পারে, অথবা ছেড়ে দিতে পারে। (সুনান ইবনে মাজা: ১৪৭৮)

এই সুন্নাহ অনুসরণের জন্য যে ব্যক্তি প্রথম সামনের ডান পা কাঁধে নিয়েছেন, কিছুক্ষণ পর তিনি কাঁধ পরিবর্তন করে পেছনের ডান পা ডান কাঁধে নেবেন, এরপর সামনের বাম পা বাম কাঁধে নেবেন এবং শেষে পেছনের বাম পা বাম কাঁধে নেবেন।

মৃত ব্যক্তিকে গোরস্থানে নিয়ে যাওয়ার পথে এভাবে কাঁধ পরিবর্তন করার প্রয়োজনে যে কয়বার থামতে হয় থামবে। পৃথকভাবে তিনবার থামা সুন্নাহ বা সওয়াবের কাজ নয়।

গ্রামাঞ্চলে অনেকে মৃত ব্যক্তিকে কবরস্থানে নিয়ে যাওয়ার পতে তিনবার থামাকে সুন্নাহ মনে করেন, এটা সঠিক নয়।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

একবার তায়াম্মুম করে কয়েক ওয়াক্ত নামাজ পড়া যাবে?

স্টক নিউজ বিডি August 26, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: ইসলামে তায়াম্মুম অজু বা গোসলের বিকল্প হতে পারে। যদি কেউ এমন কোথাও অবস্থান করে, যেখান থেকে এক মাইল বা এর বেশি দূরত্ব পর্যন্ত অজু-গোসলের জন্য পবিত্র পানি নেই অথবা অসুস্থ ব্যক্তি যদি পানি ব্যবহার করলে অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ার আশংকা করে, তাহলে অজু বা গোসলের বিকল্প হিসেবে তায়াম্মুম করতে পারে। আল্লাহ বলেন,

وَ اِنۡ کُنۡتُمۡ مَّرۡضٰۤی اَوۡ عَلٰی سَفَرٍ اَوۡ جَآءَ اَحَدٌ مِّنۡکُمۡ مِّنَ الۡغَآئِطِ اَوۡ لٰمَسۡتُمُ النِّسَآءَ فَلَمۡ تَجِدُوۡا مَآءً فَتَیَمَّمُوۡا صَعِیۡدًا طَیِّبًا فَامۡسَحُوۡا بِوُجُوۡهِکُمۡ وَ اَیۡدِیۡکُمۡ ؕ اِنَّ اللّٰهَ کَانَ عَفُوًّا غَفُوۡرًا
আর যদি তোমরা অসুস্থ হও বা সফরে থাক অথবা তোমাদের কেউ প্রস্রাব-পায়খানা থেকে আস কিংবা স্ত্রী সম্ভোগ কর এবং পানি না পাও তাহলে পবিত্র মাটি অম্বেষণ কর, তা দিয়ে তোমাদের মুখমন্ডল ও হাত মাসেহ কর। নিশ্চয় আল্লাহ মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল। (সুরা নিসা: ৪৩)

তায়াম্মুমের নিয়ম হলো, তায়াম্মুমের নিয়ত করে মাটি বা মাটিজাতীয় বস্তু যেমন বালু, পাথর, চুনা ও সুরমা ইত্যাদি কোনো কিছুতে দু’বার হাত লাগানো, একবার হাত দিয়ে মুখ মাসাহ করা, আরেকবার কুনুই পর্যন্ত উভয় হাত মাসাহ করা।

তায়াম্মুম অজু-গোসলের বিকল্প এবং অজু গোসল যে সব কারণে ভাঙে, সে সব কারণ যেমন মলমুত্র ত্যাগ ইত্যাদি কারণে তায়াম্মুমও ভাঙে। এ ছাড়া যে কারণে তায়াম্মুম করা হয়েছিলো, তা দূর হয়ে গেলেও তায়াম্মুম ভাঙে।

প্রশ্ন হলো, কোনো ব্যক্তি যদি এমন পরিস্থিতিতে পড়েন, যখন তাকে পর পর কয়েক ওয়াক্ত নামাজ তায়াম্মুম করে পড়তে হচ্ছে, তখন তিনি কি দুই ওয়াক্ত নামাজ একবার তায়াম্মুম করে পড়তে পারবেন? অর্থাৎ তায়াম্মুম ভঙ্গের কোনো কারণ না ঘটলে নতুন ওয়াক্তের জন্য তাকে কি নতুন করে তায়াম্মুম করতে হবে নাকি আগের তায়াম্মুমই যথেষ্ট হবে?

এ প্রশ্নের উত্তর হলো, এক তায়াম্মুম দিয়ে কয়েক ওয়াক্ত নামায পড়া জায়েয। তায়াম্মুম করার পর যদি অজু ভঙ্গের কোনো কারণ না ঘটে এবং যে কারণে অজু না করে তায়াম্মুম করা হয়েছিল তা দূর হয়ে না যায় অর্থাৎ পানি পাওয়া না যায় বা অসুস্থতা সেরে না যায়, তাহলে সে তায়াম্মুম বহাল থাকবে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

৮ অবস্থায় সালাম দেওয়া মাকরুহ

স্টক নিউজ বিডি August 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: ইসলামে সালাম অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ আমল। রাসুল (সা.) বেশি বেশি সালাম দিতে উৎসাহিত করে বলেছেন সালাম মুসলমানদের পারস্পরিক সৌহার্দ ও ভালোবাসা বাড়ায়। নবিজি (সা.) বলেন, সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ! তোমরা মুমিন না হলে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না আর পরস্পরে সৌহার্দ ও ভালোবাসা না রেখে তোমরা মুমিন হতে পারবে না। আমি তোমাদের এমন কাজের কথা বলছি যা তোমাদের পারস্পরিক সৌহার্দ বৃদ্ধি করবে, নিজেদের মধ্যে বেশি বেশি সালাম দাও। (সহিহ মুসলিম: ২০৩)

তবে কিছু অবস্থায় সালাম দেওয়া অপছন্দনীয় ও নিষিদ্ধ। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, এক ব্যাক্তি একবার নবিজিকে (সা.) প্রশ্রাবরত অবস্থায় সালাম দিলো। নবিজি প্রয়োজন পূরণ শেষ করে অজু করার পর তার সালামের উত্তর দিলেন এবং বললেন,

إِذَا رَأَيْتَنِي عَلَى مِثْلِ هَذِهِ الْحَالَةِ فَلاَ تُسَلِّمْ عَلَىَّ فَإِنَّكَ إِنْ فَعَلْتَ ذَلِكَ لَمْ أَرُدَّ عَلَيْكَ

আমাকে এ অবস্থায় দেখতে পেলে সালাম দিও না। এ অবস্থায় আমি তো তোমার সালামের উত্তর দিতে পারবো না। (সুনান ইবনে মাজা: ৩/৩৫২)

এই হাদিস থেকে বোঝা যায় প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণ করছে এমন ব্যক্তিকে সালাম দেওয়া যাবে না। ইসলামি আইন বিশারদগণ এ রকম আরও কিছু অবস্থার কথা উল্লেখ করেছেন, যাদেরকে সালাম দেওয়া অপছন্দনীয় ও মাকরুহ:

১. যে অজু-গোসল করছে বা গোসলখানায় অবস্থান করছে, তাকে সালাম দেওয়া মাকরুহ।

২. যে খাবার খাচ্ছে, তাকে সালাম দেওয়া মাকরুহ।

৩. কুরআন তিলাওয়াত বা আল্লাহর জিকির করছে এমন ব্যক্তিকে সালাম দেওয়া মাকরুহ।

৪. যে ব্যক্তি তাওয়াফ করছে ও তালবিয়া পড়ছে, তাকে সালাম দেওয়া মাকরুহ।

৫. কোথাও কুরআন, হাদিস বা দীনি ইলমের ক্লাস, আলোচনা ‍চলতে থাকলে সেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অংশগ্রহণকারীদের সালাম দেওয়া মাকরূহ।

৬. খুতবা বা ওয়াজের মজলিসেও ওয়াজকারী ও শ্রোতাদের সালাম দেওয়া মাকরুহ।

৭. আজান ও ইকামতের সময় মুআজ্জিনকে সালাম দেওয়া মাকরুহ।

৮. প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণের সময় কাউকে সালাম দেওয়া মাকরুহ।

সালাম দেওয়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল হলেও এই অবস্থাগুলোতে সালাম দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এই অবস্থাগুলোতে কেউ সালাম দিলে তার সালামের উত্তর দেওয়া জরুরি নয়।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

মুরগি জবাইয়ে আল্লাহর নাম বলা ও কিবলামুখী হয়ে দাঁড়ানো কি জরুরি?

স্টক নিউজ বিডি August 21, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বিভিন্ন জাতের মুরগি আমাদের দেশে ব্যাপক প্রচলিত খাবার। মুরগি কিনে আমরা সাধারণত দোকানেই সেগুলোকে বিক্রেতাদের দিয়ে জবাই করাই যারা প্রায়ই জবাইয়ের ইসলামি নিয়মকানুন সম্পর্কে তেমন ওয়াকিবহাল হন না, যে কোনো রকমে কাজ সেরে ফেলতে চান। এই পরিস্থিতিতে আমাদের করণীয় কী?

মুরগি জবাই করার সময় আল্লাহু আকবার কি বলতেই হবে? জবাইয়ের সময় কিবলামুখী হয়ে দাঁড়ানো কি জরুরি? এসব শর্ত না মেনে জবাই করলে ওই মুরগি খাওয়া যাবে?

প্রশ্নগুলোর উত্তর হলো, যে কোনো পশু-পাখি জবাইয়ের সময় জবাইকারীর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা জরুরি। হাদিসে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে জবাই করার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে অনিচ্ছাকৃতভাবে বা ভুল করে আল্লাহর নাম উচ্চারণ না করে জবাই করলে ওই পশু বা পাখি খাওয়া যাবে। কিন্তু কেউ যদি জবাইয়ের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে আল্লাহর নাম উচ্চারণ না করে, তাহলে ওই পশু-পাখি খাওয়া যাবে না। আল্লাহ বলেন,

وَ لَا تَاۡکُلُوۡا مِمَّا لَمۡ یُذۡکَرِ اسۡمُ اللّٰهِ عَلَیۡهِ وَ اِنَّهٗ لَفِسۡقٌ وَ اِنَّ الشَّیٰطِیۡنَ لَیُوۡحُوۡنَ اِلٰۤی اَوۡلِیٰٓئِهِمۡ لِیُجَادِلُوۡکُمۡ وَ اِنۡ اَطَعۡتُمُوۡهُمۡ اِنَّکُمۡ لَمُشۡرِکُوۡنَ
আর যে পশু জবাই করার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয় না তা তোমরা আহার কর না; নিশ্চয় তা পাপাচার এবং শয়তানরা তাদের বন্ধুদের তোমাদের সঙ্গে তর্ক-ঝগড়া করার জন্য প্ররোচিত করে; যদি তোমরা তাদের কথা মান্য করে চল তাহলে অবশ্যই তোমরা মুশরিক হয়ে যাবে। (সুরা আনআম: ১২১)

সুতরাং বাজারে বা বাড়িতে মুরগি জবাইয়ের সময় যেন আল্লাহু আকবার পড়া হয়, এদিকে আমাদের বিশেষ লক্ষ রাখা দরকার। বিক্রেতা আল্লাহু আকবার পড়ার কথা ভুলে গেলে তাকে মনে করিয়ে দিতে হবে।

আর জবাইয়ের সময় পশু-পাখির মাথা কিবলার দিকে রাখা মুস্তাহাব এবং জবাইকারীর কিবলামুখী হওয়া সুন্নাহ হলেও এগুলো ওয়াজিব বা আবশ্যক নয়। আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে যে কোনো দিকে ফিরে জবাই করলে তা শুদ্ধ হবে এবং ওই পশু-পাখির মাংস খাওয়া যাবে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী মারা গেছেন

স্টক নিউজ বিডি August 14, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সোমবার (১৪ আগস্ট) রাত ৮টা ৪০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। হাসপাতালের চিকিৎসক ও গোয়েন্দা সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে বুকে ব্যথা অনুভব করলে রোববার (১৩ আগস্ট) বিকেলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

২০১৯ সাল থেকে কাশিমপুর কারাগারে আছেন দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। এর আগে ২০১০ সালের ২৯ জুন রাজধানীর শাহীনবাগের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হত্যা, অপহরণ, নির্যাতন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন, ধর্মান্তর করাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের আটটি অভিযোগ প্রমাণিত হলে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল দুটি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

এরপর আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের করা দুটি আপিল আংশিক মঞ্জুর করে বেঞ্চের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিদের মতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সাঈদীর বিরুদ্ধে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়ে সংক্ষিপ্ত রায় ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ।

রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করা হলে ২০১৭ সালের ১৫ মে আবেদন খারিজ করে আমৃত্যু কারাদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী ১৯৪০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিরোজপুরের ইন্দুরকানী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার প্রাথমিক ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন করেন তার বাবার প্রতিষ্ঠিত স্থানীয় একটি মাদরাসায়। তিনি ১৯৬২ সালে ছারছিনা আলিয়া মাদরাসায় ভর্তি হন ও পরে খুলনা আলিয়া মাদরাসায় স্থানান্তরিত হন। বাংলা, উর্দু, আরবি ও পাঞ্জাবি ভাষায় দক্ষ এবং ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায়ও তার দক্ষতা রয়েছে।

১৯৮০’র দশকের প্রথমদিকে সাঈদী দেশব্যাপী ইসলামী ওয়াজ-মাহফিল ও তাফসির করা শুরু করেন এবং তার সুন্দর বক্তব্যদানের জন্য দেশব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। এ সময়ই তিনি রাজনীতিতে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অন্যতম নেতা নির্বাচিত হন।

১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাচনী জোট গঠন করে এবং তিনি এই নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

যাদের চিন্তা দুনিয়া ও পরকাল: তাদের প্রাপ্তি কী?

স্টক নিউজ বিডি August 3, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: দুনিয়াতে এমন অনেক মানুষ আছে, যারা দুনিয়া নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। আবার এমন অনেক মানুষ আছেন যারা পরকালের চিন্তা-ভাবনায় মশগুল থাকেন। তাদের উভয়ের পরিণতি ও প্রাপ্তি কী? এ সম্পর্কে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুন্দর একটি দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। যাতে তাদের পরিণতি ও প্রাপ্তির কথা ওঠে এসেছে। তাদের পরিণতি ও প্রাপ্তি কী?

দুনিয়া পরকালের ফসল ফলানোর জায়গা। এখানে যারা নেক আমল করবে, তারা পরকালে সফল হবে। আর দুনিয়ার উপকারিতা ও নেয়ামত ভোগ হবে বোনাস। হাদিসের বর্ণনা থেকে তা প্রমাণিত। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ একটি হাদিস তুলে ধরেছেন এভাবে-

হজরত আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-

مَنْ كَانَتِ الآخِرَةُ هَمَّهُ جَعَلَ اللَّهُ غِنَاهُ فِي قَلْبِهِ وَجَمَعَ لَهُ شَمْلَهُ وَأَتَتْهُ الدُّنْيَا وَهِيَ رَاغِمَةٌ

‘যে ব্যক্তির একমাত্র চিন্তার বিষয় হবে- ‘পরকাল’; আল্লাহ তাআলা সেই ব্যক্তির অন্তরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন এবং তার যাবতীয় বিচ্ছিন্ন কাজ একত্রিত করে সুসংযত করে দেবেন। আর তখন তার কাছে দুনিয়াটা নগণ্য হয়ে দেখা দিবে।

وَمَنْ كَانَتِ الدُّنْيَا هَمَّهُ جَعَلَ اللَّهُ فَقْرَهُ بَيْنَ عَيْنَيْهِ وَفَرَّقَ عَلَيْهِ شَمْلَهَ وَلَمْ يَأْتِهِ مِنَ الدُّنْيَا إِلاَّ مَا قُدِّرَ لَهُ ‏

‘আর যে ব্যক্তির একমাত্র চিন্তার বিষয় হবে- ‘দুনিয়া’; আল্লাহ তাআলা সেই ব্যক্তির গরীবি ও অভাব-অনটন দুচোখের সামনে লাগিয়ে রাখবেন এবং তার কাজগুলো এলোমেলো ও ছিন্নভিন্ন করে দেবেন। তার জন্য যা নির্দিষ্ট রয়েছে, দুনিয়াতে সে এর চাইতে বেশি পাবে না।’ (তিরমিজি ২৪৬৫)

হাদিসের পরিভাষা থেকে বোঝা যায়, মানুষের চিন্তার খোরাক হবে পরকাল। আর এতে সে দুনিয়া ও পরকাল উভয় জগতের কামিয়াবি হাসিল করতে পারবে। পক্ষান্তরে যে শুধু দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত থাকবে, তার পরকাল বরবাদ হয়ে যাবে। দুনিয়াতে তার জন্য যা নির্ধারিত আছে এর বেশি কোনো কিছুই সে পাবে না। (নাউজুবিল্লাহ)

দুনিয়ার চিন্তা-পেরেশানি নয়, বরং পরকালের চিন্তা-পেরেশানিই হবে সফলতার উপায়। সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, দুনিয়ার সামান্য সময়ের চিন্তা-পেরেশানি না করে পরকালের বিশাল জিন্দেগির চিন্তা-ফিকিরে নিজেদের নিয়োজিত করা। যার বিনিময়ে মুমিন মুসলমান পাবে দুনিয়া ও পরকালের কামিয়াবি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে উল্লেখিত হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। দুনিয়া ও পরকালের সফলতা পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • বাগাতিপাড়ায় ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক, মাদক আইনে মামলা

  • এনআরবি ব্যাংক পিএলসি এবং হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টারের মধ্যে কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর

  • প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদান, নিজ হাতে ফাতেমার হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাগাতিপাড়ায় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

  • গত ৬ মাসের ফৌজদারি মামলায় প্রায় সব আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাগাতিপাড়ায় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

  • প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদান, নিজ হাতে ফাতেমার হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • বাগাতিপাড়ায় ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক, মাদক আইনে মামলা

  • রাষ্ট্রপতিকে মেজর মান্নানের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

  • অমিত শাহর পদত্যাগের দাবি রাহুলের, সমর্থন জানাল ‘তেলাপোকারা’

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য