Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

ইসলাম

ধর্মীয় চেতনায় উজ্জীবিত হওয়ার দিন ‘আশুরা’

স্টক নিউজ বিডি July 29, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় চেতনায় উজ্জীবিত হওয়ার মাস ও দিন ‘মহররম ও আশুরা’। মাসটি হিজরি বছরের প্রথম মাস আর দিনটি প্রথম মাসের দশম দিন। যা আশুরা নামে উদযাপিত হয়। এ দিনেই বনি ইসরাইল সম্প্রদায় ফেরাউনের অত্যাচার ও আক্রমণ থেকে মুক্তি পায়। আবার কারবালার ঐতিহাসিক হৃদয় বিদারক ঘটনাও সংঘটিত হয় এ দিনে।

যুগে যুগে নবি-রাসুলগণ আশুরার রোজা পালন করে আসছেন। এমনকি রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও আশুরার রোজা বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে পালন করতেন। আশুরা মুসলিম উম্মাহর জীবনে ধর্মীয় চেতনায় উজ্জীবিত হওয়ার দিন।

মহররম মাসের সঙ্গে অনেক ঐতিহাসিক ঘটনা যুক্ত থাকায় নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই মাসে নফল ইবাদত-বন্দেগিতে অতিবাহিত করতেন। রমজানে রোজা ফরজ হওয়ার পরও তিনি আশুরায় নফল রোজা রাখতেন। বিশেষ দোয়া করতেন। এমনকি তাঁর উম্মতকে আশুরায় রোজা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।

এ মাসের বিশেষ মর্যাদার কারণেই আল্লাহ তাআলা নিজে এ মাসের নামকরণ করেন ‘মহররম’। আরবরা এ মাসকে ‘সফরুল আউয়াল’ তথা প্রথম সফর নামকরণ করে নিজেদের ইচ্ছা মতো যুদ্ধ-বিগ্রহসহ বিভিন্ন কাজকে হালাল ও হারাম করে নিতো। অবশেষে আল্লাহ তাআলা আরবের লোকদের এ অবস্থাকে নিষিদ্ধ করে এ মাসের ইসলামি নামকরণ করেন ‘শাহরুল্লাহিল মুহাররাম’ তথা মহররম আল্লাহর মাস।

হিজরি বছরের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ মুসলিম বিশ্বের কাছে গভীর শোক ও বেদনার দিনও বটে। কেননা এ দিনে ইসলামি খেলাফত পুনরুদ্ধারে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন ইবনে আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু তৎকালীন শাসক ইয়াজিদ ও তার বাহিনীর অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ করায় সঙ্গী-সাথীসহ তাঁর পরিবারের প্রায় ৭০ জন নির্মমভাবে শাহাদাতের শিকার হন।

আশুরার এ ঘটনায় ইসলামের জন্য ধর্মীয় চেতনায় উজ্জীবিত হয় মুমিন মুসলমান। যেভাবে ইসলামের জন্য জীবনের শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যন্ত লড়াই করার অনুপ্রেরণার দেখিয়ে গেছেন হজরত ইমাম হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু। পরিবার-পরিজন ও দলবলসহ তাঁর শাহাদাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইসলাম। যে কারণে আশুরা মুসলিম উম্মাহর উজ্জীবিত হওয়া ও অনুপ্রেরণা পাওয়ার বিশেষ দিন।

নবি পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও দোয়া
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরিবারের প্রতি জানাই শোক ও সমবেদনা। যারা শাহাদাত বরণ করেছেন তাদের প্রতি জানাই অসংখ্যা সালাত ও সালাম। তাদের উদ্দেশে এ দোয়াটি বেশি বেশি নিবেদন করছি-
أَعْظَمَ اللهُ أَجْرَكَ وَ اَحْسَنَ عَزَائَكَ وَ غَفَرَ لِمَيِّتِكَ
উচ্চারণ : ‘আজামাল্লাহু আঝরাকা ওয়া আহসানা আযাআকা ওয়া গাফারা লিমায়্যিতিকা।’
অর্থ : ‘আল্লাহ তাআলা আপনার প্রতিদান বাড়িয়ে দিন। আপনাকে উত্তম সান্ত্বনা দিন। আপনাদের মৃতদের ক্ষমা করে দিন।’ (নববি : আল আযকার)

আশুরার গুরুত্ব ও তাৎপর্য
ঐতিহাসিক নানা করণে আশুরা গুরুত্বপূর্ণ। যে কারণে নবি-রাসুলগণ যুগে যুগে এ দিন ও তার আমল সম্পর্কে সজাগ ছিলেন। তাহলো-

১. মুসা আলাইহিস সালামের বিজয় ও ফিরাউনের ধ্বংস
আল্লাহ তাআলা এ দিনে হজরত মুসা আলাইহিস সালামকে মহান সফলতা দান করেছেন। অত্যাচারী ফেরাউন থেকে সঙ্গী-সাথীসহ হজরত মুসা আলাইহিস সালামকে বিজয় দান করেছেন। ফিরাউন ও তার দলবলকে ‘বাহরে কালজুম তথা লোহিত সাগরে ডুবিয়ে ধ্বংস করে দিয়েছেন। কুরআনের বর্ণনায় তা এভাবে এসেছে-
‘আর যখন আমি তোমাদের জন্য সাগরকে দ্বিখণ্ডিত করেছি, অতঃপর তোমাদেরকে বাঁচিয়ে দিয়েছি এবং ডুবিয়ে দিয়েছি ফিরাউনের লোকদিগকে তোমাদের চোখের সামনে। (সুরা বাক্বারা : আয়াত ৫০)

২. আশুরায় রোজা
হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদিনায় আগমন করলেন তখন দেখলেন যে, ইয়াহুদিরা আশুরার রোজা পালন করে। তখন তিনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমরা এ দিনে কেন রোজা রাখ?
তারা বলন, এটা এক মহান দিন। এ দিনে আল্লাহ তাআলা হজরত মুসা ও তাঁর জাতিকে নাজাত দেন এবং ফিরাউন ও তার জাতিকে (সমুদ্রে) ডুবিয়ে ধ্বংস করেন। তাই মুসা আলাইহিস সালাম ও তাঁর জাতি এদিনে আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের উদ্দেশ্যে রোজা রাখেন; এ জন্যে আমরাও রাখি।
রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘আমরা (তোমাদের অপেক্ষা) মুসা আলাইহিস সালামের অনুসরণ করার বেশি হকদার।’ এরপর তিনি আশুরার রোজা রাখেন এবং সাহাবাগণকেও রোজা রাখার জন্য নির্দেশ দেন। (বুখারি ও মুসলিম)

৩. রোজার গুরুত্ব
হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যেভাবে আশুরা ও রমজানের রোজার গুরুত্ব সহকারে অনুসন্ধান করতে দেখেছি অনুরূপভাবে অন্য কোনো রোজার ব্যাপারে তা দেখেনি।’ (বুখারি ও মুসলিম)

৪. শিশুদের রোজা
হজরত রুবাইয়্যেই’ বিনতে মুআ’ওয়েয রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আশুরার দিন সকালে আনসারি সাহাবাগণের গ্রামগুলোতে দূত পাঠিয়ে (এ রকম) ঘোষণা দিতে বলেন, ‘যে ব্যক্তি সকালে কিছু খেয়ে ফেলেছে সে যেন বাকি দিন না খেয়ে পূর্ণ করে। আর যে ব্যক্তি না খেয়ে আছে সে যেন অবশ্যই রোজা রাখে।
তিনি (রুবাইয়্যেই’) বলেন, ‘এরপর আমরা নিজেরা রোজা রাখতাম এবং আমাদের বাচ্চাদেরকেও রোজা রাখাতাম। আর তাদেরকে তুলা দ্বারা বানানো খেলনা দিতাম। যখন তাদের কেউ খানার জন্য কাঁদত তখন ইফতারি পর্যন্ত ঐ খেলনা দিয়ে রাখতাম। (বুখারি ও মুসলিম)

মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে, ‘আমরা বাচ্চাদের জন্য তুলা দ্বারা খেলনা বানাতাম এবং আমাদের সাথে রাখতাম। যখন তারা খানা চাইত তখন তাদেরকে খেলনা দিয়ে ভুলিয়ে রাখতাম; যাতে করে তারা তাদের রোজা পূর্ণ করে।

৫. রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে
হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘জাহেলিয়াতের যুগে কুরাইশরা আশুরার রোজা রাখত এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও রাখতেন। এরপর যখন তিনি মদিনায় আগমন করলেন তখন তিনি আশুরার রোজা রাখেন এবং রাখার জন্য নির্দেশ দেন।
অতঃপর যখন রমজানের রোজা ফরজ হলো তখন তিনি আশুরার রোজা (ফরজ হিসাবে) রাখেননি। এরপর যে চাইত রাখত এবং যে চাইত বিরত থাকত।’ (বুখারি ও মুসলিম)

৬. রমজানের পরে আশুরার মর্যাদা
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘রমজানের পরে সর্বোত্তম রোজা হচ্ছে আল্লাহর মাস মহররমের রোজা। (মুসলিম ও তিরিমজি)

৭. গুনাহ মাফের আশা
হজরত আবু কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আশুরার রোজার ফজিলত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আশুরার রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর নিকট আশা করছি যে, তিনি বিগত এক বছরের পাপ ক্ষমা করে দিবেন।’ (মুসলিম)

মহররম ও আশুরা হোক মুসলিম উম্মাহর আমল-ইবাদত ও কল্যাণের অনুপ্রেরণা। যে অনুপ্রেরণা হৃদয়ে ধারণ করলেই বছরজুড়ে কল্যাণ ও সম্মানের সঙ্গে অতিবাহিত হবে মুসলিম উম্মাহর প্রতিটি দিন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে মহররম মাস ও আশুরার গুরুত্ব-তাৎপর্য উপলব্ধি করার তাওফিক দান করুন। ইসলামের ওপর অটল ও অবিচল থাকার তাওফিক দান করুন। মুসলিম উম্মাহকে সফলতা ও বিজয় দান করুন। আমিন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

পশ্চিমবঙ্গে শোক-শ্রদ্ধায় পবিত্র মহরম পালন

স্টক নিউজ বিডি July 29, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পলিত হচ্ছে পবিত্র মহররম। এ উপলক্ষে কলকাতা শহরে সুসজ্জিত তাজিয়া নিয়ে বের হয়েছে শোভাযাত্রা। এই শোভাযাত্রা শুরু হয় ধর্মতলার নাখোদা মসজিদ ও জিয়া রোড থেকে।

পাশাপাশি হরিশ ট্রিট থেকে একটি শোকযাত্রা বের হয়। সেটি শিয়ালদা ফ্লাইওভার, বেলেঘাটা মেইনরোড হয়ে যাবে।এ ধরনের শোভাযাত্রা বের হয়েছে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়।

তাজিয়া প্রদর্শনী কলকাতার একটি আকর্ষণীয় বিষয়। কালো রংয়ের পোশাক পড়ে এই পবিত্র যাত্রায় অংশ নেয় শোক বিহ্বল ধর্মপ্রাণ মুসলিম মানুষ। নকল অস্ত্র নিয়ে চলে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে মহরম বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাই অনেক জায়গায় শান্তি বজায় রাখতে অস্ত্র না নিয়ে বের হয়েছে পবিত্র শোভাযাত্রা।

প্রতিবারের মতো এবারও মুসলিম ধর্মপ্রাণ মানুষ এই পবিত্র শোকযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। কলকাতা শহরের পথের দু’ধারে সব ধর্মের নানা বয়সী অসংখ্য মানুষ তাজিয়া শোভাযাত্রা দেখার জন্য দাঁড়িয়ে ছিল। সে সময় শহরের বিভিন্ন রাস্তার সংযোগস্থলে শরবত ও মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা যায়।

এই পবিত্র মহরম উপলক্ষে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে কলকাতা পুলিশ। গোটা কলকাতার নিরাপত্তার জন্য ৪২০০ পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়। এছাড়াও প্রত্যেক স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজ এলাকার দায়িত্ব পালন করবেন। বড় শোভাযাত্রার ক্ষেত্রে সেখানে দায়িত্বে থাকবেন ডেপুটি কমিশনারের মতো কর্মকর্তারা। একটা পেট্রোলিং দল অনবরত কলকাতা শহর জুড়ে টহল দেবে।

পবিত্র আশুরা ঘিরে শনিবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা জোরদার করেছে কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক কন্ট্রোল। মহরমের এই দিনটিতে ভারতের রাষ্ট্রীয় ছুটি থাকে। ফলে শোকে, উৎসবে, আনন্দে ছুটির দিন পালন করেন মুসলিমসহ কলকাতার সব ধর্মের মানুষ।

এর পাশাপাশি মহরম উদযাপনের জন্য সারাদিন এবং রাতে ঢোল বাজানোর ফলে বয়স্ক এবং অসুস্থ মানুষের কথা ভেবে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা করা হয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্ট পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে এই পবিত্র মহরম উৎসবের সময় ঢোল বাজানো নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দেয়। উৎসব উদযাপনের জন্য ক্রমাগত ঢোল বাজানো নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

নামাজের সময়সূচি: ২৫ জুলাই ২০২৩

স্টক নিউজ বিডি July 25, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: আজ মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই ২০২৩ ইংরেজি, ১০ শ্রাবণ ১৪৩০ বাংলা, ০৬ মহররম ১৪৪৫ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো:-

নামাজের সময়সূচি:-

ফজর- ৪:০১ মিনিট।
জোহর- ১২:০৮ মিনিট।
আসর- ৪:৪৩ মিনিট।
মাগরিব- ৬:৪৯ মিনিট।
ইশা- ৮:১২ মিনিট।

আজ সূর্যাস্ত- ৬:৪৫ মিনিট।
আজ সূর্যোদয়- ৫:২৪ মিনিট।

বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লেখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগে সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, তাহলো-

বিয়োগ করতে হবে:-

চট্টগ্রাম: -০৫ মিনিট।
সিলেট: -০৬ মিনিট।

যোগ করতে হবে:-

খুলনা: +০৩ মিনিট।
রাজশাহী: +০৭ মিনিট।
রংপুর: +০৮ মিনিট।
বরিশাল: +০১ মিনিট।

তথ্যসূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

শেখ হাসিনার হাতেই ইসলাম নিরাপদ: আমিনুল ইসলাম

স্টক নিউজ বিডি February 25, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই বর্তমানে এদেশে ইসলাম ধর্মের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে। ইসলাম ধর্মের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি উপজেলায় মডেল মসজিদ,ইসলামিক গবেষণা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। দেশের রাজস্ব থেকে ইমাম, মুয়াজ্জিনদের বেতন-ভাতা দিচ্ছেন। সুতরাং এদেশে একমাত্র শেখ হাসিনার হাতেই ইসলাম ধর্ম নিরাপদ।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি প্রতিষ্ঠান গারাঙ্গীয়া আলিয়া মাদ্রাসার তিন দিনব্যাপী ১০৪তম বার্ষিক সভার তৃতীয় দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম আমিন এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকে এদেশের আলেম সমাজের প্রাণের দাবী ছিল একটি স্বতন্ত্র আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কিন্তু অতীতে যারা এদেশে ধর্মের ধোঁয়া তুলে ক্ষমতায় এসেছে কেউ সেই দাবী পূরণ করেনি, একমাত্র শেখ হাসিনাই একটি স্বতন্ত্র আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে আলেম সমাজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে এদেশে ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কথা চিন্তা করে ইসলাম ধর্মের প্রসারের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বিশ্ব ইজতেমার জন্য গাজীপুরের টঙ্গীতে জায়গা বরাদ্দ দিয়েছিলেন। ইসলাম শিক্ষার সাথে আধুনিক শিক্ষা ও জ্ঞান বিজ্ঞানের সমন্বয় করে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড গঠনের মধ্য দিয়ে এদেশের আলেম সমাজকে সাধারণ শিক্ষার মূল স্রোতে সম্পৃক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, পিতার মতো বঙ্গবন্ধু তনয়াও এদেশে আরবী শিক্ষায় শিক্ষিতদের জন্য সরকারি চাকুরীসহ সকল সুযোগ সুবিধায় সমতা আনার লক্ষ্যে কওমি শিক্ষার সরকারি স্বীকৃতি প্রদান করেছেন। যার ফলে বাংলাদেশে আজ কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও দেশের মূল স্রোতের সম্পৃক্ত হতে পারছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পাঠ্যপুস্তকের অনাকাঙ্ক্ষিত ২/১ টি ভুল নিয়ে একটি শ্রেণির মানুষ গুজব রটানোর বিষয়ে তিনি বলেন কোন ‘মানুষই ভুলের উর্ধ্বে নয়’। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলকে কেন্দ্র করে গুজব রটনাকারীরা শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকারকে ইসলাম বিরোধী প্রচারের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। অথচ শেখ হাসিনার গৃহীত বিভিন্ন ধর্মীয় কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা এবং আলেম ওলামাদের স্বার্থ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

আমিনুল ইসলাম বলেন, অনাবিল শান্তির ধর্ম ইসলাম কখনো মানুষে মানুষে হানাহানিকে সমর্থন করে না,সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের প্রশ্রয় দেয় না। আজ যারা ইসলামের এই প্রকৃত চেতনাকে পাশ কাটিয়ে দেশে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়ে নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে ধর্মকে ক্ষমতায় যাবার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করছে সেই সব ষড়যন্ত্রকারীদের সম্পর্কে এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সজাগ থাকার জন্য অনুরোধ জানান।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

এবার হজ পালনে ৪ শর্ত

স্টক নিউজ বিডি February 21, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হবে হজ। চলতি বছর হজের ক্ষেত্রে কোনো বয়সসীমা থাকছে না। করোনার কারণে গত বছর ৬৫ বছরের বেশি ব্যক্তির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা ছিল। কিন্তু এ বছর এটি আর থাকছে না।

তবে এবার পবিত্র হজ পালনে চারটি শর্ত দিয়েছে সৌদি সরকার। শর্তগুলো জানিয়ে বাংলাদেশ সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে দেশটি। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় সোমবার শর্তগুলো প্রকাশ করে। সৌদি সরকারের দেওয়া শর্তগুলো হলো

১. করোনাভাইরাস (কভিড-১৯), মেনিনজাইটিস এবং সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা দিতে হবে।

২. যারা হজ করেননি এবারের হজে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া।

৩. হজে পালনের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স হতে হবে ১২ বছর।

৪. হজযাত্রীর কোনো বড় দীর্ঘস্থায়ী রোগ থাকা যাবে না।

এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ থেকে হজ করতে জনপ্রতি ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮ টাকা খরচ হবে এবং ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যেতে পারবেন। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৫ হাজার জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ১২ হাজার ১৯৮ জন হজ করার সুযোগ পাবেন। তবে সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই হজযাত্রীর প্রি-অ্যারাইভাল ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

ভালো মৃত্যুর সুসংবাদ

স্টক নিউজ বিডি February 20, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: প্রাণী মাত্রই মরবে। জন্ম ও মৃত্যু অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। দু’টির কোনটির ক্ষমতা মানুষের হাতে নেই। আল্লাহর হুকুমেই জন্ম হয়। আল্লাহর হুকুমেই মৃত্যু হয়। কখন হবে, কোথায় হবে, কিভাবে হবে, তা কারো জানা নেই। জীবনের সুইচ তাঁরই হাতে, যিনি জীবন দান করেছেন।

তবে ভাল মৃত্যু মানে- মৃত্যুর পূর্বে আল্লাহর ক্রোধ উদ্রেককারী গুনাহ হতে বিরত থাকতে পারা, পাপ হতে তওবা করতে পারা, নেকীর কাজ ও ভাল কাজ বেশি বেশি করার তাওফিক পাওয়া এবং এ অবস্থায় মৃত্যু হওয়া। এই মর্মে আনাস বিন মালিক (রা.) হতে সহিহ হাদিসে এসেছে তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- “আল্লাহ যদি কোন বান্দার কল্যাণ চান তখন তাকে (ভাল) কাজে লাগান”।” সাহাবায়ে কেরাম বললেন: কিভাবে আল্লাহ বান্দাকে (ভাল) কাজে লাগান? তিনি বলেন: “মৃত্যুর পূর্বে তাকে ভাল কাজ করার তাওফিক দেন।” [মুসনাদে আহমাদ (১১৬২৫), তিরমিযি (২১৪২), আলবানি ‘সিলসিলা সহিহা’ গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ সাব্যস্ত করেছেন (১৩৩৪)]।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “আল্লাহ তা’আলা যদি কোন বান্দার কল্যাণ চান তখন সে বান্দাকে ‘আসাল’ করেন। সাহাবায়ে কেরাম বলেন: আসাল কি? তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা বান্দাকে বিশেষ একটি ভাল কাজ করার তাওফিক দেন এবং এই আমলের উপর তার মৃত্যু ঘটান। [সহিহ আহমাদ (১৭৩৩০), আলবানি সিলসিলা সহিহা গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ ঘোষণা করেছেন (১১১৪)।

ভাল মৃত্যুর বেশ কিছু আলামত আছে। এর মধ্যে কোন কোন আলামত শুধু মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তি নিজে বুঝতে পারে এবং কোন কোন আলামত অন্যান্য মানুষও জানতে পারে।

মৃত্যুকালে বান্দার নিকট তার ভাল মৃত্যুর যে আলামত প্রকাশ পায় সেটা হচ্ছে- বান্দাকে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও অনুগ্রহ লাভের সুসংবাদ দেয়া হয়। এই মর্মে আল্লাহ তা’আলা বলেছেন- “নিশ্চয় যারা বলে, আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ, অতঃপর তাতেই অবিচল থাকে, তাদের কাছে ফেরেশতা অবতীর্ণ হয় এবং বলে, তোমরা ভয় পেও না, চিন্তিত হইও না এবং তোমরা প্রতিশ্রুত জান্নাতের সুসংবাদ গ্রহণ কর।” [সূরা ফুসসিলত, আয়াত: ৩০] মৃত্যুকালে মু’মিন বান্দাদেরকে এই সুসংবাদ দেয়া হয়। দেখুন: তাফসিরে সাদী, পৃষ্ঠা- ১২৫৬।

এই মর্মে সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিমে এসেছে- যা আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাতকে ভালবাসে আল্লাহও তার সাক্ষাতকে ভালবাসেন। যে ব্যক্তির কাছে আল্লাহর সাক্ষাত প্রিয়, আল্লাহর নিকটও তার সাক্ষাত প্রিয়। আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আপনি কি মৃত্যুর কথা বুঝাতে চাচ্ছেন? আমরা তো সবাই মৃত্যুকে অপছন্দ করি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: না, সেটা না। মু’মিন বান্দাকে যখন আল্লাহর রহমত, তাঁর সন্তুষ্টি, তাঁর জান্নাতের সুসংবাদ দেয়া হয় তখন তিনি আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করাকে ভালবাসেন। আর কাফের বান্দাকে যখন আল্লাহর শাস্তি, তাঁর অসন্তুষ্টির সংবাদ দেয়া হয় তখন সে আল্লাহর সাক্ষাতকে অপছন্দ করে এবং আল্লাহও তার সাক্ষাতকে অপছন্দ করেন।”

ইমাম নববী (রহ.) বলেন: “হাদিসের অর্থ হচ্ছে- যখন মানুষের মৃত্যুর গড়গড়া শুরু হয়ে যায়, যে অবস্থায় আর তওবা কবুল হয় না, সে অবস্থার পছন্দ-অপছন্দকে এখানে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। মুমূর্ষু ব্যক্তির কাছে সবকিছু স্পষ্ট হয়ে পড়ে, তার পরিণতি কী হতে যাচ্ছে সেটা তার সামনে পরিষ্কার হয়ে যায়।

ভাল মৃত্যুর আলামত অনেক। আলেমগণ কুরআন-হাদিস খুঁজে এই আলামতগুলো বের করার চেষ্টা করেছেন। এই আলামতগুলোর মধ্যে রয়েছে-

১. মৃত্যুর সময় ‘কালেমা’ পাঠ করতে পারা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তির সর্বশেষ কথা হবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ তিনি জান্নাতে প্রবেশ করবেন।” [সুনানে আবু দাউদ, ৩১১৬], সহিহ আবু দাউদ গ্রন্থে (২৬৭৩) আলবানি এই হাদিসকে সহিহ বলেছেন।

২. মৃত্যুর সময় কপালে ঘাম বের হওয়া। বুরাইদা বিন হাছিব (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন: আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি তিনি বলেন: “মু’মিন কপালের ঘাম নিয়ে মৃত্যুবরণ করে।” [মুসনাদে আহমাদ (২২৫১৩), জামে তিরমিযি (৯৮০), সুনানে নাসায়ি (১৮২৮) এবং আলবানি সহিহ তিরমিযি গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]

৩. জুমু’আর রাতে বা দিনে মৃত্যুবরণ করা। দলিল হচ্ছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: “যে ব্যক্তি জুমু’আর দিনে বা রাতে মৃত্যুবরণ করেন আল্লাহ তাকে কবরের আযাব থেকে নাজাত দেন।” [মুসনাদে আহমাদ (৬৫৪৬), জামে তিরমিযি (১০৭৪), আলবানি বলেছেন: সনদের সবগুলো ধারা মিলালে হাদিসটি সহিহ]

৪. আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা। দলিল হচ্ছে আল্লাহ তা’আলার বাণী: “আর যারা আল্লাহর রাহে নিহত হয়, তাদেরকে তুমি কখনো মৃত মনে করো না। বরং তারা নিজেদের পালনকর্তার নিকট জীবিত ও জীবিকাপ্রাপ্ত। আল্লাহ নিজের অনুগ্রহ থেকে যা দান করেছেন তার প্রেক্ষিতে তারা আনন্দ উদযাপন করছে। আর যারা এখনও তাদের কাছে এসে পৌঁছেনি তাদের পেছনে তাদের জন্যে আনন্দ প্রকাশ করে। কারণ, তাদের কোন ভয় ভীতিও নেই এবং কোন চিন্তা ভাবনাও নেই। আল্লাহর নেয়ামত ও অনুগ্রহের জন্যে তারা আনন্দ প্রকাশ করে এবং তা এভাবে যে, আল্লাহ, ঈমানদারদের শ্রমফল বিনষ্ট করেন না।” [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৬৯-১৭১] এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: “যে ব্যক্তি আল্লাহর রাহে নিহত হয় সে শহিদ এবং যে ব্যক্তি আল্লাহর রাহে মারা যায় সেও শহিদ।” [সহিহ মুসলিম, ১৯১৫]

৫. প্লেগ রোগে মারা যাওয়া। দলীল হচ্ছে নবী আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: “প্লেগ রোগে মৃত্যু প্রত্যেক ঈমানদারের জন্য শাহাদাত।” [সহিহ বুখারী (২৮৩০) ও সহিহ মুসলিম (১৯১৬)] এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্লেগ রোগ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি তখন তিনি আমাকে জানান যে, “এটি হচ্ছে- আল্লাহর পক্ষ থেকে আযাব। আল্লাহ যাদেরকে শাস্তি দিতে চান তাদের উপর এই রোগ নাযিল করেন। আর আল্লাহ এই রোগ মু’মিনদের জন্য রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছেন। যে মু’মিন প্লেগ রোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ এলাকাতে অবস্থান করবে, ধৈর্যধারণ করবে, সওয়াবের প্রত্যাশা করবে এবং এই একীন রাখবে যে, আল্লাহ তার জন্য যা লিখে রেখেছেন সেটাই ঘটবে সে ব্যক্তি শহিদের সমান সওয়াব পাবে।” [সহিহ বুখারি (৩৪৭৪)]

৬. যে কোন পেটের পীড়াতে মৃত্যুবরণ করা। দলিল হচ্ছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: “যে ব্যক্তি পেটের পীড়াতে মৃত্যুবরণ করবে সে শহিদ।”
[সহিহ মুসলিম (১৯১৫)]

৭. কোন কিছু ধ্বসে পড়ে অথবা পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ করা। দলিল হচ্ছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: “পাঁচ ধরনের মৃত্যু শাহাদাত হিসেবে গণ্য। প্লেগ রোগে মৃত্যু, পেটের পীড়ায় মৃত্যু, পানি ডুবে মৃত্যু, কোন কিছু ধ্বসে পড়ে মৃত্যু এবং আল্লাহর রাস্তায় শহিদ হওয়া।”
[সহিহ বুখারি (২৮২৯) ও সহিহ মুসলিম (১৯১৫)]

৮. প্রসবউত্তর প্রসূতির মৃত্যু অথবা গর্ভবতী অবস্থায় নারীর মৃত্যু। এর দলিল হচ্ছে আবু দাউদ (৩১১১) কর্তৃক বর্ণিত হাদিস; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে নারী জুমা (বাচ্চা) নিয়ে মারা যায় তিনি শহিদ।”। ইমাম খাত্তাবি বলেন: এ হাদিসের অর্থ হচ্ছে- যে নারী পেটে বাচ্চা নিয়ে মারা যায়। [আওনুল মাবুদ] ইমাম আহমাদ উবাদা বিন সামেত (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শহিদের শ্রেণীগুলো উল্লেখ করতে গিয়ে বলেছেন: “যে নারী তার গর্ভস্থিত সন্তানের কারণে মারা যায় তিনি শহিদ। সে নারীকে তার সন্তান সুরার (নাভিরজ্জু) ধরে টেনে জান্নাতে নিয়ে যাবে।” [আলবানি ‘জানায়িয’ গ্রন্থে (৩৯) হাদিসটিকে সহিহ আখ্যায়িত করেছেন] সুররা (নাভি): নবজাতকের জন্মের পর ধাত্রী নাড়ী কাটেন এবং সামান্য কিছু অংশ রেখে দেন। যে অংশটুকু রেখে দেন সেটাকে সুররা বা নাভি বলে। আর যে অংশটুকু কেটে ফেলেন সেটাকে সুরার (নাভিরজ্জু) বলা হয়।

৯. আগুনে পুড়ে, প্লুরিসি (ফুসফুসের আবরক ঝিল্লির প্রদাহজনিত রোগবিশেষ) এবং যক্ষ্মা রোগে মৃত্যু। দলিল হচ্ছে- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহর রাহে নিহত হওয়া শাহাদাত, প্লেগ রোগে মারা যাওয়া শাহাদাত, পানি ডুবে মারা যাওয়া শাহাদাত, পেটের পীড়ায় মারা যাওয়া শাহাদাত, সন্তান প্রবসের পর মারা গেলে নবজাতক তার মাকে নাভিরজ্জু ধরে টেনে জান্নাতে নিয়ে যাবে। (সংকলক বলেন, এই হাদিসের জনৈক বর্ণনাকারী বায়তুল মোকাদ্দাসের খাদেম আবুল আওয়াম হাদিসটির অংশ হিসেবে “আগুনে পুড়ে মৃত্যু ও যক্ষ্মা রোগ” এর কথাও বর্ণনা করেছেন।) আলবানি বলেছেন: হাদিসটি হাসান-সহিহ।[সহিহুত তারগিব ওয়াত তারহিব (১৩৯৬)]

১০. নিজের ধর্ম, সম্পদ ও জীবন রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করা। দলিল হচ্ছে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: “যে ব্যক্তি তার সম্পদ রক্ষা গিয়ে মারা যায় সে শহিদ। যে ব্যক্তি তার ধর্ম (ইসলাম) রক্ষা করতে গিয়ে মারা যায় সে শহিদ। যে ব্যক্তি তার জীবন রক্ষা করতে গিয়ে মারা যায় সে শহিদ।” [জামে তিরমিযি (১৪২১)] সহিহ বুখারি (২৪৮০) ও সহিহ মুসলিমে (১৪১) আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে তিনি বলেন: আমি নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি- “যে ব্যক্তি তার সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে মারা যায় সে শহিদ।”

১১. আল্লাহর রাস্তায় প্রহরীর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যে ব্যক্তি মারা যায় সেও শহিদ। দলিল হচ্ছে সহিহ মুসলিমের হাদিস (১৯১৩): সালমান আলফারেসি (রা.) হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “একদিন, একরাত পাহারা দেয়া একমাস দিনে রোজা রাখা ও রাতে নামায পড়ার চেয়ে উত্তম। আর যদি পাহারারত অবস্থায় সে ব্যক্তি মারা যায় তাহলে তার জীবদ্দশায় সে যে আমলগুলো করত সেগুলোর সওয়াব তার জন্য চলমান থাকবে, তার রিযিকও চলমান থাকবে এবং কবরের ফিতনা থেকে সে মুক্ত থাকবে।”

১২. ভাল মৃত্যুর আরো একটি আলামত হলো- নেক আমলরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলল এবং এ অবস্থায় তার মৃত্যু হলো সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। যে ব্যক্তি কোন একটি সদকা করল এবং এ অবস্থায় তার মৃত্যু হলো সেও জান্নাতে প্রবেশ করবে।” [মুসনাদে আহমাদ (২২৮১৩)], আলবানি জানায়িয গ্রন্থে পৃষ্ঠা-৪৩ এ হাদিসটিকে সহিহ আখ্যায়িত করেছেন। দেখুন কিতাবুল জানায়িয, পৃষ্ঠা- ৩৪।

এই আলামতগুলো ব্যক্তির ভাল মৃত্যুর সুসংবাদ দেয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমরা নির্দিষ্টভাবে কোন ব্যক্তির ব্যাপারে এ নিশ্চয়তা দিব না যে, তিনি জান্নাতি। শুধু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যাদের ব্যাপারে নিশ্চয়তা প্রদান করেছেন তারা ছাড়া। যেমন চার খলিফার ব্যাপারে তিনি নিশ্চয়তা প্রদান করেছেন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

নিয়্যাতের পরিশুদ্ধি

স্টক নিউজ বিডি February 18, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: ছোট ছোট বিন্দু মিলে যেমন মহাসিন্ধু তৈরি হয় তেমনি ছোট ছোট আমলের দ্বারা সহজে আল্লাহর নেয়ামত লাভ হয়। মানুষ ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে এ নেয়ামত লাভ করে। তবে আল্লাহর এসব নেয়ামত লাভে নিয়ত ও তার বিশুদ্ধতা জরুরি।

‘ইন্নামাল আ’মালু বিন নিয়্যাত’ এই হাদিসের আলোকে নিয়্যাতের পরিশুদ্ধির আলোচনা –
নিয়্যাতের দু’টি দিক আছে:
১. কাজটি কেনো করছি?
২. কাজটি করার কি আসলেই আমার ইচ্ছা আছে?

যেগুলো আমাদের নিয়্যাতকে নষ্ট করে:
শিরক (আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা), নিফাক (মুনাফিকতা), রিয়া (লোক দেখানো আমাল), গুনাহ করা।

যেই চার উপায়ে নিয়্যাত পরিশুদ্ধ করতে পারি:
নিয়্যাত বার বার চেক, নেক আমাল বাড়িয়ে দেওয়া, শরীয়ার সঠিক জ্ঞান অর্জন, মিথ্যে অভিনয় না করা (আমি আসলে যা না, তা অন্যকে না দেখানো। অর্থাৎ নিজের সম্পর্কে মিথ্যা অভিনয় না করা)।

৭ ধরনের কামনা বাসনা নিয়্যাতকে ধ্বংস করে দিতে পারে, যদি নিয়ন্ত্রণ না থাকে:
১. অন্যদের প্রশংসা পাওয়ার ইচ্ছা করা।
২. সবার অন্তরে পাকাপুক্ত জায়গা করার ইচ্ছা করা।
৩. কারো দ্বারা কখনো দোষারোপ না হওয়ার ইচ্ছা করা।
৪. অন্যের কাছে মর্যাদা পাওয়ার ইচ্ছা করা।
৫. অন্যের সম্পদ পাওয়ার ইচ্ছা করা।
৬. অন্যে সব সময় আমার সেবা করবে এই ইচ্ছা।
৭. অন্যে সব সময় আমার সাহায্য করবে এই ইচ্ছা।

যে তিনটি কারণে আমাদের আমাল দূষিত হতে পারে:
১. আমরা বুঝতে পারছি অন্য কেউ আমাকে দেখছে।
২. আমলের বিনিময় দুনিয়াতেই খোঁজা।
৩. আমল করে পরিতৃপ্ত হওয়া।

আমলের শেষ নিয়্যাত যদি শুরুর নিয়্যাতের সাথে মিলে যায় তাহলে আশা করা যায়, দুই নিয়্যাতের মাঝে ভূলত্রুটিগুলো আল্লাহ ক্ষমা করবেন ইন শা আল্লাহ।

  • আল্লাহর রহমত তার ক্রোধের থেকে বেশি। আল্লাহর প্রতি সুধারনা রাখব। ইখলাসের সাথে আমল করে যেতে হবে ইন শা আল্লাহ।

হাদিসটির কিছু কেন্দ্রিকদিক:
ইসলামের তিনটি উসূল হলো:
১. অন্তরের আমাল।
২. অঙ্গ প্রতঙ্গের আমাল।
৩. মুয়ামালাত (মানুষের সাথে আমাদের আচার আচরণ)।

একই সময়ে দুই নিয়্যাত চলে আসলে করণীয়:

  • যদি সমস্ত কিছুর উপর আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হয় আসল নিয়্যাত, তাহলে ইন শা আল্লাহ, আল্লাহ কবুল করবেন।

আমরা একে অপরের অন্তরের খবর জানি না, অথচ অন্যকে দোষারোপ করতে শুরু করি। আল্লাহ আমাকে অন্যের অন্তরের খবর নেয়ার অধিকার দেননি। বরং নিজের অন্তরের খবর নিজেদেরকে নিতে হবে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

পবিত্র শবে মেরাজ আজ

স্টক নিউজ বিডি February 18, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: পবিত্র শবে মেরাজ আজ শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি)। এ দিন রাতে মহান রাব্বুল আলামিনের রহমত কামনায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মসজিদে-মসজিদে, নিজগৃহে কিংবা ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কোরআনখানি, জিকির-আজগার এবং ইবাদত-বন্দেগীর মধ্যদিয়ে পবিত্র শবে মেরাজ উদযাপন করবে।

ইসলাম ধর্মে শবে মেরাজের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কারণ, এই মেরাজের মধ্য দিয়েই সালাত বা নামাজ মুসলমানদের জন্য ফরজ করা হয় এবং এ রাতেই প্রতিদিন ৫ বার নামাজ আদায় করার বিধান নিয়ে আসেন প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)।

এদিকে, এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে, পবিত্র শব-ই-মিরাজ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে শনিবার দুপুর দেড়টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মুকাররাম জাতীয় মসজিদে ‘পবিত্র শবে মেরাজ’র গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মহাঃ বশিরুল আলম। আলোচক হিসাবে থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো: আবদুল কাদির।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

খাজা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ) আখেরী জামানার মোজাদ্দেদ

স্টক নিউজ বিডি February 13, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: ইসলাম প্রচারে অবিসংবাদিত নেতা উপমহাদেশের প্রখ্যাত সুফি সাধক ও রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সত্য তরিকার ধারক, সিরাজগঞ্জের হযরত শাহ সুফী খাজা বাবা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ) শেষ জামানার মহান মোজাদ্দেদ। তার পবিত্র দরবার শরীফ হতে ভারতের আসাম ও বাংলাদেশে ইসলামের শান্তির বাণী তিনি আমৃত্যু প্রচার ও প্রসার করেছেন। পাশাপাশি ইসলামের ধর্মীয় বিধান মেনে সকল পাপাচার পরিহার, নৈতিকতা নিয়ে জীবন যাপন সহ মানবতার কল্যাণে নিবেদিত হতে অল্প নিন্দা ও অল্প আহারের দীক্ষা দিতেন তার কোটি ভক্ত অনুসারীকে।

খাজা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ) এর দেখানো আদর্শের এ পথ ভারত-বাংলায় খেলাফত প্রাপ্ত ১ হাজার ২৫০ টিরও অধিক খানকাহ হতে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর শান্তির ‘আল্লাহু আকবার’ ঝান্ডার বানী সমগ্র পৃথিবীতে প্রচার করছেন। তার অনুসারী খেলাফত প্রাপ্ত দরবার শরীফে খাজা বাবার নামানুসারেই তা প্রচার করে আসছেন দীর্ঘকাল ধরে।

সুফি সাধক পিড়ানে পীর দস্তগীর খাজা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ) এর পরিবার ছিলেন মুলত ছিলেন ইয়েমেনের ফাতেমী বংশধর। অর্থাৎ আওলাদে রাসুল বা সৈয়দ। একই ভাবে মাতৃকুল ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রঃ) এর বংশের। তৎকালীন ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম প্রচারের জন্যই তাদের আগমন। তার পঞ্চম পুর্ব পুরুষ হযরত শাহ দায়েম (রঃ) ইয়েমেন থেকে ইসলাম প্রচারের জন্য ভারতবর্ষে আসেন। খাজা এনায়েতপুরী (রঃ) এর বাবা শাহ আব্দুল করিম (রঃ), মাতা-তাহমিনা বেগম (রঃ) এর ২ ছেলে ১ মেয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। ১৮৮৬ সালের বাংলা ১২৯৩ বঙ্গাদ্বের ২১ শে কার্তিক সুবেহ সাদেক জন্মগ্রহন করেন। ২০১৭ সালে খাজা এনায়েতপুরী (রঃ) এর জীবনী নিয়ে লেখা একটি বইতে উল্লেখ করা হয়, মুলত তিনি ছিলেন তার আবির্ভাবের পুর্ববর্তী সময়কালের ওলী গনের ভবিষ্যদ্বাণীকৃত এই আখেরী জামানার ‘মহান ইমাম বা প্রতিশ্রুত মোজাদ্দেদ’।

ইসলামের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, প্রত্যেক হিজরী শতকের ক্রান্তিলগ্নে ধর্মজগতে একজন করে দুরদৃষ্টি সম্পন্ন মহান ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটে। যাকে কেন্দ্র করে ইসলামের পুনর্জাগরণ সূচীত হয়। হাদীসের পরিভাষায় যুগ-পুরুষদের মোজাদ্দেদ বলা হয়েছে। যা হিজরী দ্বিতীয় শতক থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত এই ধারার কোন ব্যতিক্রম নেই। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আগমন জগতে নবুওয়াতের দরজা বন্ধ রয়েছে। হযরত আদম (আ.) হতে শুরু করে হযরত ঈসা (আ.) পর্যন্ত ধর্মযুগকে ঢালাও ভাবে নবুওয়াতের যুগ বলা হয়। হুজুর পাক (সা.)-এর আবির্ভাবে জগতে নবুওয়াতের এই ধারা প্রবাহ বন্ধ হয় যে যুগের সূত্রপাত হয় তাকে বেলায়েতে মোহাম্মদীর যুগ বা উম্মতে মোহাম্মদীর যুগ বলা হয়। যা কিয়ামত পর্যন্ত পৃথিবীতে জারি থাকবে (ইনশাআল্লাহ)।

খাজা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ) এর পাক দরবার শরীফের বর্তমান গদ্দিনশীন হুজুর পাক খাজা কামাল উদ্দিন নুহু মিয়া তার পিতা খাজা ইউনুস আলী (রঃ) কে নিয়ে লেখা ‘বিশ্বওলী হযরত খাজাবাবা এনায়েতপুরী (রহ.)’ বইতে উল্লেখ করা হয়েছে-কোরআন শরীফের আয়াত অনুযায়ী জগতে নতুন কোন ধর্ম অথবা নবীর আগমন আর হবে না। এটা অকাট্যরূপে সাব্যস্ত হয়েছে। তবে মুসলীম সমাজে গোমরাহী, শরীয়াতের অপব্যাখ্যা, কুসংস্কার, ধর্ম চেতনার বিকৃতি বা ফেরকাপরস্তি অপনোদনের জন্য আল্লাহ পাক প্রত্যেক শতাব্দীতে একজন করে যুগ-পুরুষকে জগতে অবতীর্ণ করেন। তা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। এই যুগ পুরুষগণ ধর্ম হতে গোমরাহী বিদূরিত করে ধর্ম জীবনকে সতেজ ও জীবন্ত করে তুলবেন। হাদীস শরীফে আছে আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা মহান ও সম্ভ্রান্ত এ উম্মতের প্রতি (কল্যাণের জন্য) একশত বছর পর পর এমন এক ব্যক্তিকে (পৃথিবীতে) প্রেরণ করবেন যিনি (আল্লাহর দ্বীনকে) সজীব ও প্রাণবন্ত করে তুলবেন।’ (আবু দাউদ শরীফ, মেশকাতুল মাসাবীহ ২৩০)। হাদীসে বর্ণিত আছে, “নিশ্চয় মহান আল্লাহ তায়ালা এই উম্মতের মধ্যে প্রত্যেক শতাব্দীতে একজন মুজাদ্দেদ (সংস্কারক) প্রেরণ করবেন।

হাদীস শরীফের ঘোষণা অনুযায়ী প্রত্যেক হিজরী শতকের মাথায় জগতে এক বা একাধিক আলাদর্জা প্রাপ্ত আগত ঐরূপ যুগ পুরুষগণের মধ্যে হযরত ইমাম জাফর আস-সাদেক (রহ.) সর্বপ্রথম। তিনি হিজরী দ্বিতীয় শতকের মোজাদ্দেদ হিসাবে সর্বজন স্বীকৃত ইমাম।

তাঁর পরবর্তীতে ধারাবাহিক ভাবে আগত শতাব্দির মোজাদ্দেদ গণের মধ্যে হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহ.), সাইয়েদেনা হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.), হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী (রহ.), হযরত খাজা বাহাউদ্দিন নকশাবন্দ (রহ.) হযরত শায়েখ আহাম্মদ সেরহিন্দ মোজাদ্দেদ-এ-আলফেসানি (রহ.), হযরত শাহ ওয়ালিউল্লাহ মোহাদ্দেস দেহলভী (রহ.), ও হযরত সাইয়েদ আহাম্মদ শহীদ ব্রেলভী (রহ.) এর নাম উল্লেখ করা যায়। হযরত সাইয়েদ আহাম্মদ শহীদ ব্রেলভী (রহ.) হিজরী তের শতকের মোজাদ্দেদ হিসাবে মুসলিম জাহানে সর্বজন বিদিত পুরুষ। এই যুগ পুরুষের একশত বৎসর পর হিজরী চৌদ্দ শতকের ক্রান্তিলগ্নে যে ক্ষমতাধর আউলিয়াপ্রবর মোজাদ্দেদ রূপে জগতে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন তিনি হচ্ছেন সাইয়েদেনা হযরত খাজা শাহ্ মোহাম্মদ ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রহ.) সাহেব।
ইসলামের শান্তির বাণী প্রচারে পৃথিবীতে মোজাদ্দেদ গনের আগমনের ধারাবাহিকতায় হযরত খাজাবাবা এনায়েতপুরী (রঃ) ত্রয়োদশতম (১৩ তম) মোজাদ্দেদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তরিকতের ইমাম হযরত শায়েখ আহাম্মদ সেরহিন্দী মোজাদ্দেদ-এ-আলফেসানীর (র.) পর হযরত খাজা শাহ্ এনায়েতপুরী (র.) হচ্ছেন মর্যাদা ও মর্তবাসম্পন্ন আকারের আউলিয়া। যার নিদর্শন বিগত চারশত বছরের ইতিহাসে পৃথিবীতে আর দেখা যায়নি।

খাজা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ) এর বাবা শাহ আব্দুল করিম (রঃ), তাহমিনা বেগম (রঃ) এর ২ ছেলে ১ মেয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। খাজা এনায়েতপুরী (রঃ) এর পুত্র খাজা মোজাম্মেল হকের লেখা “খাজা বাবার সাধনা জীবন” বইটি থেকে জানা যায়, খাজা ইউনুছ আলী (রঃ) যখন ছোট তখনই বাবা মারা গেলে সংসারে শুরু হয় অনটন। তার মা আরবী, ফারসি ও উর্ধতে পারদর্শী হওয়ায় স্বামীর প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসায় এলাকার নারীদের পড়াতেন। পাশাপাশি সংসার চালাতে ছেলেকে দিয়ে বাজার থেকে কাপড় কিনে এনে তা দিয়ে টুপি তৈরী করতেন। পরে খাজা এনায়েতপুরী (রঃ) হাটে-হাটে গিয়ে এসব টুপি বিক্রি করতেন। আর এভাবেই চলতো তাদের কষ্টের সংসার ও তার লেখা-পড়া। একদিন খাজা এনায়েতপুরী (রঃ) মা তাহমিনা বেগম (রঃ) হঠাৎ এক রাতে স্বপ্ন দেখেন দক্ষিন-পশ্চিম আকাশে সুর্য্য উদিত হচ্ছে। সবাই ঐদিকে সেজদা করছে। পরদিন সকালে শুনতে পান ভারতের প্রখ্যাত পীর খাজা ওয়াজেদ আলী (রঃ) শাহজাদপুর উপজেলার চিনা ধুকুরিয়া এনায়েতপুর মাজারের দক্ষিন-পশ্চিম এলাকায় ইসলাম প্রচারের জন্য এসেছেন। এলাকার মুরুব্বীদের সাথে ১৭ বছর বয়স্ক খাজা ইউনুছ আলী (রঃ) কে সেখানে পাঠান তিনি। অনুসারীদের নিয়ে ইসলামী আলোকপাত করা কালে সন্ধ্যার দিকে মাগরিবের নামাজ অতিবাহিত হচ্ছিল। তখন তিনি সম্মানের সাথে দাঁড়িয়ে “নামাজকা ওয়াক্ত যা রাহা” বললে তখন ওয়াজেদ আলী (রঃ) আলোচনা রেখে সবাইকে নিয়ে নামাজ আদায় করেন। এরপর হুজুর তাকে ডেকে নিয়ে কথা বলে সন্তুষ্ট হন। এক পর্যায়ে তাকে দরবারে নিয়ে কোলকাতার হুগলীর দারুল উলুম মাদ্রাসায় পড়িয়ে টাইটেল পাশ করেন।

এরপর খাজা সৈয়দ ওয়াজেদ আলী (রঃ) এর শান্তি ও আদর্শের পথে ইসলাম প্রচারে ভোগ বিলাসী জীবনের বিরোধী এই মহামানব ইসলাম ও সুফীবাদের দর্শন ভারতের আসাম সহ সাড়া বাংলায় প্রচারে ২৪ লাখ মুরিদ ও খেলাফত প্রাপ্ত ৫৬ জন খলিফাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হিসেবে খেতাব প্রাপ্ত হন। কিছুদিন অতিবাহিত হলে নিজ ভুম সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে খানকা স্থাপন করে শুরু করেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর শান্তির তরিকা প্রচার এবং আদর্শের সুফী বাদের বিস্তার।
পাশাপাশি এনায়েতপুরেই তিনি বিয়ে করে শুরু করেন সংসার জীবন। ৮ কন্যা এবং ৫ ছেলে সন্তানের জনক হন। পরবর্তীতে সমগ্র বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের আসামে সফর করে ইসলাম ও সুফীবাদ প্রচার কাজ তরান্বিত করেন। প্রথমত অসুস্থ্যবস্থায় সহযোগীদের নিয়ে ময়মনসিংহ গিয়ে ইসলামের মর্মবানী প্রচার করলে ১৭ জন আকৃষ্ট হন। পাশাপাশি সমাজসেবা মুলক কাজেও রেখেছিলেন অনন্য অবদান। শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান সহ যেকোন প্রয়োজনে অসহায় মানুষের সেবায় নিবেদিত থাকায় খাজা এনায়েতপুরীকে ভক্তবৃন্দ সুলতানুল আউলিয়া এবং চিরস্থায়ী সংস্কারের জন্য “আখেরী মুজাদ্দেদ” বলে অভিহত করেন।

এরপর ১৯১৬ সালে তার আত্বীয় ও অনুসারীদের পরামর্শ ও সহযোগীতায় এনায়েতপুর দরবারে ওরশ শুরু হলে ধীরে-ধীরে অগনিত ভক্তদের আগমনে মহাসমাবেশে রুপ নেয়। এরই এক পর্যায়ে তার সংস্পর্শে এসে আদর্শিক আলোর পথের দিশারী হিসেবে ১২শ পীর আওলীয়া খেলাফত প্রাপ্ত হন। এর মধ্যে ময়মনসিংহের খাজা মোহাম্মদ ছাইফুদ্দীন শম্ভুগঞ্জী পীর, ফরিদপুরের সদরপুরের প্রখ্যাত হযরত মাওঃ হাসমত উল্লাহ আটরশি পীর, মাওঃ সুলতান আহম্মেদ চন্দ্রপাড়া পীর, টাঙ্গাইল মাওঃ মকিম উদ্দিন প্যারাডাইজ পাড়া, কুমিল্লার ইসলামাবাদ, মাতুয়াইল, জামালপুরের সাধুরপাড়া মোসলেম নগর, যশোরের ঘুনী দরবার শরীফ, ভারতের আসামের গণি খলিফার দরবার শরীফ অন্যতম। তারা একই ভাবে খাজা ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রঃ) সুফী বাদের আদর্শ ও ইসলাম প্রচার করছেন।

গত ১৯১৬ সাল থেকে শুরু বাৎসরিক ওরশ এবার ১০৮তম বছর পার করবে। আগামী ১ মার্চ হতে শুরু ৩ দিন ব্যাপী এই ঐতিহাসিক ওরশে দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ভারতের আসাম থেকে অন্তত ১৫ লক্ষাধিক জাকেরের সমাবেশ ঘঠবে। বসবে ১০৮তম ঐতিহ্যের মেলা। ৩ মার্চ ১৮ ফাল্গুন (খাজা এনায়েতপুরী (রঃ) এর ওফাত দিবস) সকালে দরবারের বর্তমান গদ্দিনশীন পীর হযরত খাজা কামাল উদ্দিন (নুহু মিয়া) এর মোনাজাত পরিচালনায় বিশ্বমানবতার মঙ্গল কামনা করে বাৎসরিক ওরশ শরীফের সমাপ্ত হবে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
বেনাপোলে সীরাতুন্নবী উপলক্ষে গজল প্রতিযোগীতা

বেনাপোলে সীরাতুন্নবী(সা.) উপলক্ষে গজল প্রতিযোগীতা-২০২২ অনুষ্ঠিত

স্টক নিউজ বিডি October 16, 2022

সাইবুর রহমান সুমন,স্টাফ রিপোর্টার:-“আন-নুর ফাউন্ডেশন” এর উদ্যোগে সীরাতুন্নবী(সা.) উপলক্ষে বেনাপোলে গজল প্রতিযোগীতা-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়। যশোর জেলা ভিক্তিক এই প্রতিযোগীতায় প্রায় ৫০ জন প্রতিযোগী এতে অংশ নেন।

শনিবার(১৫ ই অক্টোবর) বেনাপোল পোর্টথানাধীন ভবাবেড় গ্রামের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, মাওলানা ইনামুল হাসান বিন নূর। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন বেনাপোলের বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ীদ্বয় রেজাউর রহমান রেজা এবং খোকন।

যশোর জেলা ভিত্তিক গজল প্রতিযোগিতার ঐ অনুষ্ঠানে সেরা ১০ জনের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হন বেনাপোল ভবারবেড় গ্রামের কৃতিসন্তান হুমায়ন কবির,দ্বিতীয় হন শার্শা উপজেলাধীন নাভারন বুরুজ বাগানের মহিউদ্দিন,তৃতীয় স্থান অধীকার করেন চৌগাছা উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের তাওহীদুর রহমান। 

অনুষ্ঠানে বিচারকগণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,হাফেজ মাওলানা মুনাওয়ার হুসাইন মোমিন চেয়ারম্যান আল মুমিন ব্লাড ব্যাংক সাতক্ষীরা , হাফেজ মাওলানা মাহবুবুর রহমান খতিব বেনাপোল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ , শিল্পী এ্যাডভোকেট রোকনুজ্জামান জজ কোর্ট যশোর, এবং শিল্পী কবির বিন সামাদ চেয়ারম্যান ঠিকানা কালচারাল ফাইন্ডেশন। 

প্রথম পুরস্কার হিসেবে ১৫ হাজার টাকার চেক পান চ্যামপিয়ন বেনাপোল ভবারবেড় গ্রামের কৃতি সন্তান হুমায়ন কবির, দ্বিতীয় পুরস্কার ১২ হাজার টাকার চেক পান শার্শা নাভারন বুরুজবাগানের মহিউদ্দিন, এবং তৃতীয় পুরস্কার ১০ হাজার টাকার চেক পান চৌগাছা উপজেলার তাওহীদুর রহমান। সান্তনা পুরস্কার হিসেবে ৭ জনের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন ঐ মসজিদ কমিটি’র কর্মকর্তারা।

পুরস্কারের টাকা প্রদান করেন বেনাপোলের সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান মেসার্স কে,বি গ্রুপের চেয়ারম্যান বিশিষ্ঠ সমাজসেবক ও বেনাপোল পৌরশাখার যুবলীগ নেতা মোঃ কামরুজ্জামান বাবলু। বিশেষ কাজে তিনি ব্যস্ত থাকায় তার পক্ষ হয়ে পুরস্কার গুলি প্রতিযোগীদের হাতে তুলে দেন তার বড় ভাই আল মামুন

অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন শিহাব মির্জা।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • বাগাতিপাড়ায় ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক, মাদক আইনে মামলা

  • এনআরবি ব্যাংক পিএলসি এবং হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টারের মধ্যে কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর

  • প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদান, নিজ হাতে ফাতেমার হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাগাতিপাড়ায় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

  • গত ৬ মাসের ফৌজদারি মামলায় প্রায় সব আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাগাতিপাড়ায় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

  • প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদান, নিজ হাতে ফাতেমার হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • বাগাতিপাড়ায় ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক, মাদক আইনে মামলা

  • রাষ্ট্রপতিকে মেজর মান্নানের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

  • অমিত শাহর পদত্যাগের দাবি রাহুলের, সমর্থন জানাল ‘তেলাপোকারা’

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য