Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদান, নিজ হাতে ফাতেমার হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

স্টক নিউজ বিডি August 27, 2026

বিশেষ প্রতিবেদন: নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার তমালতলা কাকফো গ্রামের কৃতি সন্তান ও অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী মোছাঃ ফাতেমা খানম। মেধা ও কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে চায়না মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে স্বপ্নের মেডিকেল শিক্ষায় ভর্তি হওয়া যখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল, তখনই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন মানবিক ও শিক্ষানুরাগী নেত্রী, নাটোর-০১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

ফাতেমার উচ্চশিক্ষার স্বপ্নের কথা জানতে পেরে তাঁর ভর্তি ব্যয় মেটাতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার উদ্যোগ নেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। তাঁর প্রচেষ্টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ফাতেমা খানমকে ৫ লাখ টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করা হয়।

বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ হাতে এই অনুদানের অর্থ মেধাবী শিক্ষার্থী ফাতেমা খানমের হাতে তুলে দেন। এর মধ্য দিয়ে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে ফাতেমার চায়না মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ আরও সুগম হলো।

ফাতেমার পরিবার ও স্থানীয়দের মতে, একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্ন যেন অর্থের অভাবে থেমে না যায়—এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিরই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল। নিজ নির্বাচনী এলাকার মেধাবী ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়ে তিনি যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা এলাকায় ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

স্থানীয়দের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ফাতেমা খানমের মতো অদম্য মেধাবীদের পাশে দাঁড়ানো শুধু একজন শিক্ষার্থীর স্বপ্ন পূরণ নয়; এটি একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আশার আলো তৈরি করা।

ফাতেমার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে ভবিষ্যতে আরও অর্থের প্রয়োজন হলে প্রধানমন্ত্রী ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। ফলে আর্থিক সংকটের কারণে তাঁর চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন আর বাধাগ্রস্ত হবে না—এমন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে ফাতেমা ও তাঁর পরিবারের মধ্যে।

ফাতেমা খানমকে চায়না মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ করে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় নাটোর-০১ আসনের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল এমপির প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণে সহযোগিতা করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ফাতেমার এই সাফল্য এখন শুধু তাঁর পরিবারের নয়, পুরো বাগাতিপাড়ার গর্ব। প্রতিকূলতার মধ্যেও মেধা, পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তি যে একজন শিক্ষার্থীকে বহুদূর এগিয়ে নিতে পারে—ফাতেমা খানম তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।

স্বপ্ন দেখার অধিকার সবার। আর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সমাজ ও রাষ্ট্র পাশে দাঁড়ালে একজন ফাতেমা একদিন বহু মানুষের জীবন বাঁচানো চিকিৎসক হয়ে উঠতে পারেন—এটাই এই মানবিক উদ্যোগের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

কর্মী ছাঁটাই নিয়ে ডিএসইর আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা: ‘আইন মেনেই সম্পন্ন হয়েছে পুরো প্রক্রিয়া’

স্টক নিউজ বিডি August 3, 2026

স্টক নিউজ বিডি: সম্প্রতি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলসি.-এর কয়েকজন কর্মচারীর চাকরির অবসান (Termination) নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার পর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ডিএসইর দাবি, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এবং প্রতিষ্ঠানের সার্ভিস রুল অনুসরণ করে আইনসম্মতভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

ডিএসই জানায়, কর্মী নিয়োগের মতো প্রয়োজনের ভিত্তিতে চাকরির অবসানও একটি স্বাভাবিক ও আইনসম্মত ব্যবস্থাপনা-প্রক্রিয়া। বিশ্বের বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়িক বাস্তবতা, সাংগঠনিক পুনর্গঠন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের প্রয়োজনে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২২ সাল থেকে চলমান দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক রূপান্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিছু পদ পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মোট ৩৫০ জন কর্মীর মধ্যে ১৭ জনের চাকরির অবসান ঘটানো হয়েছে, যা মোট জনবলের ৫ শতাংশেরও কম।

ডিএসই আরও জানায়, সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোনো ব্যক্তিগত বিবেচনা বা বৈষম্য করা হয়নি। প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োজন, কার্যকারিতা এবং ব্যবসায়িক স্বার্থ বিবেচনায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ২৬ অনুযায়ী নোটিশ অথবা নোটিশের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে চাকরির অবসান ঘটানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিদায়ী কর্মীদের মানবিক বিবেচনায় আইনে নির্ধারিত চার মাসের পরিবর্তে মোট ছয় মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মীদের চাকরির মেয়াদ অনুযায়ী প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, অব্যবহৃত ছুটির নগদায়নসহ অন্যান্য সব আইনগত পাওনা পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছে ডিএসই। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ইতোমধ্যে কর্মীদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করে দ্রুত প্রাপ্য অর্থ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডিএসই আরও জানায়, পুরো প্রক্রিয়ায় বিদায়ী কর্মীদের ব্যক্তিগত মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে এবং তাদের যথাযথ অভিজ্ঞতা সনদ (Experience Certificate) প্রদানসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে।

একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি অভিযোগ করেছে, চাকরির অবসানের পর কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন মাধ্যমে অসম্পূর্ণ তথ্য বা প্রেক্ষাপট ছাড়া বক্তব্য দিচ্ছেন, যা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে। ডিএসই মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তথ্য যাচাই করে মন্তব্য করার আহ্বান জানিয়েছে।

বিবৃতির শেষাংশে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ জানায়, তারা আইনের শাসন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। ভবিষ্যতেও একটি দায়িত্বশীল ও ভবিষ্যতমুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইন ও পেশাদার মান বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তিকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী

স্টক নিউজ বিডি July 30, 2026

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিন প্রতিবন্ধীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন। কর্মসংস্থানের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলা এবং সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন, ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ কার্যালয়ে প্রবেশের সময় তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন তিনি।

নিয়োগপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার আয়শা আক্তার, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার নীলা খাতুন এবং নড়াইল সদর উপজেলার মো. হাসমত আলী।

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সরাসরি নিয়োগপত্র পেয়ে তাঁরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাঁদের জন্য দিনটি ছিল নতুন কর্মজীবনের পাশাপাশি নতুন স্বপ্নেরও সূচনা।

আয়শা আক্তার ও নীলা খাতুন দুজনই শারীরিক প্রতিবন্ধী। জন্ম থেকেই দুই হাত না থাকা নীলা খাতুন পা দিয়ে লিখে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তাঁকে রাজধানীর মিরপুরের জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আয়শা আক্তারও পা দিয়ে লিখে সম্পন্ন করেন স্নাতকোত্তর। হাত না থাকায় মুখ দিয়ে নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন তিনি। তাঁকে গাইবান্ধার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মো. হাসমত আলীকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ সময় সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল, সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তরিকুল আলম এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা আবদুস সাত্তার দুলাল। নিয়োগপত্র প্রদানের পরপরই তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাঁকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানুষের আত্মত্যাগ কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না হওয়ায় আক্ষেপ মির্জা ফখরুলের

স্টক নিউজ বিডি July 30, 2026

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানুষের আত্মত্যাগ এবং পরবর্তী নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও প্রশাসনে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না হওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠনের পর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেছেন, ‘আমি দেখছি যে কিছুই বদলায়নি।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সার্কিট হাউস এলাকার তথ্য ভবন মিলনায়তনে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া এই আয়োজনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়; উদ্বোধন করা হয় আলোকচিত্র প্রদর্শনীর। আলোচনা সভার শুরুতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালনের পাশাপাশি দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে আক্ষেপ করে মির্জা ফখরুল নানা প্রসঙ্গ তুলেন। তিনি বলেন, আগে যারা ঘুষ খেত, তারা ঘুষ খাওয়ার ফন্দিফিকির করছে। একইভাবে যারা ভালো একটা কাজ আটকে দিত, তারা এখনো তা আটকে দিচ্ছে। লোকজন ভোল পাল্টাচ্ছে। ভোল পাল্টানো লোকজনই এখন অনেক বেশি জুলাই যোদ্ধা হয়ে গেছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘এই কথাগুলো আক্ষেপে বলছি। আক্ষেপে বলছি এ জন্য, আমার বয়স অনেক। আমি তো সত্যিকার অর্থেই এবার পরিবর্তনটা দেখতে চেয়েছিলাম। এখন পর্যন্ত সেটা আমি দেখছি না আমাদের মধ্যে।’

প্রশাসনের পুরোনো সংস্কৃতি বহাল রয়েছে বলে উল্লেখ করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু সরকার বা রাজনৈতিক নেতৃত্ব নয়, সমাজের প্রতিটি মানুষের মন–মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন, অন্যথায় জুলাইয়ের আত্মত্যাগ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল বয়ে আনবে না।

হতাশা ভর করলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রচেষ্টায় পরিবর্তন দেখছেন বলে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। বিএনপির মহাসচিব বলেন, তিনি আশাবাদী এ কারণে যে তিনি পরিবর্তন দেখছেন একজন মানুষের মধ্যে, তিনি তারেক রহমান। তিনি চেষ্টা করছেন। তিনি নতুন নতুন নজির স্থাপন করছেন। সেই নজিরকে যদি সবাই মিলে সামনে নিয়ে যাওয়া যায়, তাহলে হয়তোবা পরিবর্তনটা হবে। সে জন্য সবাই মিলে প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন দেওয়া দরকার।

মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস মূলত পরিবর্তনের ইতিহাস। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান—প্রতিটি পরিবর্তনের জন্যই মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে। তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান প্রথমে একটি নির্দিষ্ট দাবিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছিল। পরে তা রাষ্ট্র ও সমাজ পরিবর্তনের আন্দোলনে রূপ নেয়। সে অভ্যুত্থানে বহু তরুণ প্রাণ হারিয়েছেন। অসংখ্য পরিবার সন্তান হারানোর বেদনা বয়ে বেড়াচ্ছে। এই আত্মত্যাগের মূল্য তখনই সার্থক হবে, যখন রাষ্ট্র ও সমাজে প্রকৃত পরিবর্তন প্রতিষ্ঠিত হবে।

রাজনৈতিক নেতৃত্বের মাধ্যমে পরিবর্তনের কিছু উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, সেই প্রচেষ্টাকে সফল করতে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

মির্জা ফখরুল একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক, মেধাভিত্তিক ও তরুণবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনার প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা হবে এমন একটি রাষ্ট্র গঠন করা, যেখানে মানুষের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না। কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন বাস্তবে রূপ নেবে।

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রামে বিরোধীদলের নেতা-কর্মীরা কারাবরণ, নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন। এই দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জুলাই গণ–অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের কৌশল ও ছাত্রদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্দোলন সর্বজনীন রূপ পায়। শেষ পর্যন্ত স্বৈরাচার পতনের পথ তৈরি হয়।

মুক্তিযুদ্ধকে যেমন কোনো ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক প্রকল্পে পরিণত করা উচিত নয়, তেমনি জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের চেতনাকেও কোনো স্বার্থান্বেষী উদ্যোগের অংশ হতে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ–অভ্যুত্থান একই গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার ধারাবাহিকতা। ভবিষ্যতের বাংলাদেশে রাজনৈতিক চর্চার ক্ষেত্রে এ চেতনাই পথনির্দেশক হওয়া উচিত।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু সেই আকাঙ্ক্ষা পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত না হওয়ায় ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আবার মানুষকে রক্ত দিতে হয়েছে। জুলাইয়ের চেতনার উৎস মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মধ্যেই নিহিত। রাষ্ট্রে অন্যায়, নিপীড়ন ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের শক্তি সেখান থেকেই এসেছে।

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এ কে এম আবদুল হাকিম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ন্যায়সংগত ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেন, বিগত সময়ে ফ্যাসিবাদী শাসন টিকিয়ে রাখতে গণমাধ্যমের একটি অংশ ভূমিকা রেখেছিল। একই সঙ্গে তিনি শহীদদের স্মরণে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিসৌধ’ নির্মাণ, শহীদ পরিবারের জন্য সম্মানজনক সহায়তা এবং হত্যাকাণ্ডের দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান হঠাৎ করে ৩৬ দিনে সৃষ্টি হয়নি; এর পেছনে ছিল দীর্ঘ ১৭ বছরের দমন-পীড়ন, গুম, হত্যা ও রাজনৈতিক নিপীড়নের ইতিহাস, যা ভুলে গেলে আন্দোলনের প্রকৃত প্রেক্ষাপট আড়াল হয়ে যাবে। জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধ পরস্পরবিরোধী নয়, বরং তা গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার ও মুক্তচিন্তার বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার ধারাবাহিকতা। তাই জুলাইয়ের চেতনাকে বিকৃত বা দুর্বল করার সব ধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে।

বাংলাদেশ স্কাউটসের উপপ্রধান জাতীয় কমিশনার ও শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বলেন, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণেরা নিজেদের সহযোদ্ধাদের নিহত হতে দেখেও পিছু হটেননি। দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো থেকে মুক্তির তীব্র আকাঙ্ক্ষাই তাঁদের সেই সাহস জুগিয়েছিল।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ আলম, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সদস্য চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস, প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খান প্রমুখ।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে তথ্য ভবন প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী বিশেষ চিত্রপ্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এতে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ ধরে তোলা বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে; পাশাপাশি প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের প্রথম পাতা। এতে গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার খবর আছে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

যেভাবে টিকে গেল ব্যাংকটি-কেন আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বদিউর রহমান

স্টক নিউজ বিডি July 22, 2026

অর্থনীতি প্রতিবেদক: দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা এবং কিছু গুরুতর অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় দেরিতে হলেও আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালকদের মূল্যায়ন শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক| ব্যাংকটির তিন দশকের পথচলায় কারা কি ভুমিকা রেখেছেন তার চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়েছে| যারা নিজেদের সব বিতর্কের উর্দ্ধে রেখে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংটিকে এগিয়ে নিতে অবদান রেখেছেন তাদের গুরুত্ব দিয়ে গঠন করা হয়েছে নতুন পরিচালক পর্ষদ| বিগত বিভিন্ন সরকার আমলে কারা পরিচালনা পর্ষদ পরিচালনা করেছেন এবং কোনো পরিচালকের ক্ষেত্রে কোনও বঞ্চনার ঘটনা ঘটেছে কি-না তাও খতিয়ে দেখা হয়েছে| রাজনৈতিক কারনে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে কোনো দ্বন্দ্ব বা সংঘাতের নজির খুঁজে পাওয়া যায়নি| বিভিন্ন দল-মতের কিছু ধর্মপ্রাণ মানুষ বিস্ময়করভাবে মিলেমিশে ব্যাংকটিকে চালাতে সক্ষম হয়েছেন| এমন চিত্রই গত দুই বছরে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ একাধিক তদারক সংস্থার অনুসন্ধান ও নিরীক্ষা প্রতিবেদনে|

প্রায় দুই বছর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এস আলম গ্রুপের সম্পৃক্ততার কারনে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে| ব্যাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক মনোনীত ৫ জন স্বতন্ত্র পরিচালকের হাতে দেওয়া হয় পর্ষদের দায়িত্ব| তখন সন্দেহ করা হয়েছিল এই ব্যাংকটি লুটপাটের কারনে ভেতরে ভেতরে ফাঁপা হয়ে গেছে| কিন্তু সংশ্লিষ্ট একাধিক তদন্ত সংস্থার অনুসন্ধানে উঠে আসে ভিন্ন চিত্র| কোন প্রভাবশালী বা বিতর্কিত গ্রুপের আগ্রাসনের কবলে পড়ে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের এসেট কোয়ালিটির বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি| জাল-জালিয়াতি বা অন্যকোন অনৈতিক পন্থায় বিনিয়োগ কেলেঙ্কারি ঘটেনি| চরম দূর্দিনেও ব্যাংকটি তারল্য সংকটে পড়েনি এবং গ্রাহকের যেকোনো অঙ্কের টাকা সরবরাহ করতে সক্ষম হয়েছে| ফলে শত প্রতিকূলতা ও ঝুঁকির মধ্যেও বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পায় ব্যাংকটি|

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সবদিক ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে শেষ পর্যন্ত ব্যাংকের পরিক্ষীত উদ্যোক্তাদের খুঁজে বের করা হয়েছে| যারা দেশের প্রথম সারির এই ব্যাংকটিকে প্রতিষ্ঠা করেছেন, অক্লান্ত পরিশ্রম করে সফলতা এনে দিয়েছেন এবং এখনো দুর্দিনে এগিয়ে নিতে পারার সামর্থ্য অছে -এমন কয়েকজনকে রাখা হয়েছে নতুন পরিচালনা পর্ষদে| অচিরেই বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে আরো কয়েকজন যোগ্য উদ্যোক্তা পরিচালককে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে|

গত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শুরুতে নানা অভিযোগে যে ১২টি ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদ বাতিল করা হয়েছে তারমধ্যে কেবল আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে গত ১৬ জুলাই| এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘ব্যাংকটির আর্থিক অবস্থা আগের চেয়ে উন্নতি হওয়ার কারণে আগের উদ্যোক্তাদের (পরিক্ষীত) কাছে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে| অন্য যেসব ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তাদের উদ্যোক্তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না| কিন্তু আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে চিত্র ভিন্ন| তাই তাদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে|

১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের গত তিন দশকের গুরুত্বপূর্ণ সূচক পর্যবেক্ষন করে দেখা গেছে, প্রথম ১২ বছরেও ব্যাংকটি কাঙ্খিত সফলতার দেখা পায়নি| ২০০৭ সালে ক্লাসিফাইড বিনিয়োগ বহুগুন বেড়ে যায়| সেসময়ে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নানান ব্যার্থতার ভয়াবহ চিত্র ফুটে ওঠে| ব্যাংকটিকে গভীর সংকট থেকে টেনে তোলার জন্য পদক্ষেপ নেয় ওয়ান ইলেভেন সরকার| পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক| তখন পরিচালক পর্ষদও ঢেলে সাজানোর পদক্ষেপ নেন ব্যাংকের পরিক্ষীত উদ্যোক্তা পরিচালকরা| কঠিন সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে সবাই একমত হয়ে দক্ষতার বিচারে পরিচালক পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন বদিউর রহমানকে| তখন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন আব্দুস সামাদ শেখ| মুলত এই এমডি-চেয়ারম্যানের জুটিই নতুনভাবে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের মজবুত ভিত্তি গড়ার কাজ শুরু করেন|


ব্যাংকটির সাবেক এক ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, ২০০৮ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যান হিসেবে বদিউর রহমানের ৮ বছরে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পেয়েছিল তিনজন ডাইনামিক ব্যবস্থাপনা পরিচালক| বদিউর রহমানের সঙ্গে কাজ করা দ্বিতীয় ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন একরামুল হক| এই জুটি ব্যাংকটিকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে অসামান্য সফলতা অর্জন করেন| আর বদিউর রহমানের সঙ্গে সেসময়ে কাজ করা শেষ সফল ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন মোঃ হাবিবুর রহমান| এই বদিউর রহমান-হাবিবুর রহমান জুটির হাত ধরেই আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ব্যবসা সম্প্রসারণ ও সমৃদ্ধির অনন্য নজির সৃষ্টি হয়|

চেয়ারম্যান বদিউর রহমানের ৮ বছরের অগ্রগতি ও পজিটিভ গ্রোথই হলো ব্যাংকটির ৩০ বছরের পথচলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়| ২০০৭ সালে ব্যাংকের প্রোফিট গ্রোথ ছিল মাইনাস ২২ ভাগ| ২০০৯ সালে প্রোফিট গ্রোথ বিস্ময়করভাবে ঘুরে দাড়ায়, পৌঁছায় প্লাস ১৩ ভাগে| ২০১১ সালে প্রোফিটের পজিটিভ গ্রোথ দাঁড়ায় ৩৪ ভাগে| এরপর ২০১৬ সালে বদিউর রহমানের শেষ বছর প্রোফিট গ্রোথ ছিল ১৮ ভাগে| এই ৮ বছরে আমানত প্রায় সাত গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ২,৯৬৯ কোটি টাকা থেকে ১৯,৯৭০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়| একই সময়ে বিনিয়োগ ২,৯৭২ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৯,৬৫১ কোটি টাকায় পৌঁছে| আমদানি ব্যবসা ৩,২৬৮ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১১,৮৭৮ কোটি টাকা এবং রপ্তানি ব্যবসা ২,০১৭ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৮,৮১৫ কোটি টাকায় উন্নীত হয়| পাশাপাশি ব্যাংকের শাখার সংখ্যা ৫০ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪০-এ পৌঁছায়|

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংক, কেপিএমজি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরিচালিত বিভিন্ন অডিট, পরিদর্শন ও পর্যালোচনার পরই ব্যাংকটির পরিচালনা কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়| আর এই কঠিন চ্যালেঞ্জের সময়েও ১০ বছর পর ২০২৬ সালে আবারো পরিচালক পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছে সেই পরিক্ষীত উদ্যোক্তা পরিচালক বদিউর রহমানকে| একইভাবে পর্ষদের ইসি কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের দুই মেয়াদের সফল পর্ষদ চেয়ারম্যান সেলিম রহমানকে| তিনি কেডিএস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিজিএমইএ’র প্রথম সহসভাপতি হিসেবে সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন|


এছাড়া বর্তমান পরিচালনা পর্ষদে প্রতিষ্ঠাতা উদ্যোক্তা পরিচালক হিসেবে আরো ফিরেছেন, নাজমুল আহসান খালেদ, হাফেজ মো. এনায়েত উল্যা, মুহাম্মদ হারুনের পুত্র আনোয়ার হোসেন, মীর আহমেদ সওদাগরের পুত্র মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, বাদশা মিয়ার পুত্র মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং মুহাম্মদ মাহতাবুর রহমানের পুত্র আলহাজ্ব ইমাদুর রহমান| প্রতিষ্ঠাতা উদ্যোক্তা পরিচালক বাদশা মিয়ার পুত্র মোঃ রফিকুল ইসলাম নতুন পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর বলেন, কেডিএস গ্রুপের কর্ণধার খলিলুর রহমানকে আমাদের পর্ষদে পেয়ে আমরা গর্বিত ও আশাবাদী| ত্রিশ বছর আগে খলিলুর রহমানের আহ্বানে আমার বাবাসহ দেশের অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে বিনিয়োগ করেছিলেন| তারপর থেকে আজ পর্যন্ত তিনিই সকল দুর্দিনে এই ব্যাংকটিকে আগলে রেখেছেন| যার ধারাবাহিকতায় এই নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে খলিলুর রহমানের অভিভাবকত্বেই আবার শুরু হলো ব্যাংকটির নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর যাত্রা|

এস আলম সম্পৃক্ততার ব্যাপারে সাবেক একজন পরিচালক জানান, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক হিসেবেই ৩০ বছর আগে ব্যাংকিং জগতে প্রবেশ করেন সাইফুল আলম (এস আলম)| তবে শুরু থেকেই এই ব্যাংকটি পরিচালনার ক্ষেত্রে সুশাসন ও পেশাদার নেতৃত্বের দিকে জোড় দেন পরিচালকরা| সারাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কিছু ধর্মপ্রাণ ব্যবসায়ীর অর্থায়নে সাবেক সচিব এ জেড এম শামসুল আলম ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছিলেন| তারা বিভিন্ন দল বা মতের হলেও ব্যাংকের স্বার্থে সবাই এক ছিলেন| এমনকি রাজনৈতিক কারণে কখনোই আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের নেতৃত্বে দ্বন্দ্ব বা সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি| এক পর্যায়ে ২০১৭ সালে ব্যাংকের নেতৃত্বে এস আলমের ছোট ভাই আব্দুস সামাদ লাবু আসেন| তবে পর্ষদে প্রভাবশালী সব পক্ষের শক্ত প্রতিনিধিত্ব থাকায় এই ব্যাংকটি কারো একক কর্তৃত্বে পরিচালিত হয়নি| ফলে কিছু ঝুঁকি থাকা সত্বেও বড় ধরনের কোনো সংকটে পড়েনি| আর নতুন পর্ষদে ফেরানো হয়নি আব্দুস সামাদ লাবুকে|

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যাংকের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান বদিউর রহমান বলেন, ২০০৮ সালে প্রথমবার চেয়ারম্যান হিসেবে আমাকে যখন দায়িত্ব দেওয়া হয়, তখন আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষক ছিলেন| আলহামদুলিল্লাহ, সেই কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে পরবর্তীতে আমার দায়িত্বের ৮ বছরে আমরা এই ব্যাংকটিকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে সক্ষম হই| বর্তমানে ২০২৬ সালে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে আবারও যখন বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তেমনই কঠিন এক চ্যালেঞ্জের মুখে আমাকে পুনরায় পর্ষদের দায়িত্ব দেওয়া হলো| সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব আমি যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করবো| ইনশাআল্লাহ অতীতের মতো অচিরেই আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক আবারও ঘুরে দাঁড়াবে|

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

উত্তরায় সড়কে ঝরে গেল দুই তরুণ সাংবাদিকের প্রাণ

স্টক নিউজ বিডি July 16, 2026

স্টাফ রিপোর্টার |  রাজধানীর উত্তরায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন দুই তরুণ সাংবাদিক। নিহতরা হলেন দৈনিক প্রাণের বাংলাদেশ-এর স্টাফ রিপোর্টার মো. রবিউল আলম রাজু এবং সংবাদ দিগন্ত-এর স্টাফ রিপোর্টার শাকিবুল হাসান।

জানা গেছে, বুধবার দিবাগত গভীর রাতে (১৬ জুলাই) উত্তরা জসীমউদ্দীন মোড় ও রাজলক্ষ্মী এলাকার মাঝামাঝি সড়কে মোটরসাইকেলে বাসায় ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা। এর আগে জসীমউদ্দীন এভিনিউ সড়কের পাকার মাথায় অবস্থিত উত্তরা প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে বড় পর্দায় ফুটবল খেলা উপভোগ করেছিলেন দুই সাংবাদিক।

প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দ্রুতগতির একটি বাস তাদের বহনকারী মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং সংশ্লিষ্ট বাসটি শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।

জানা গেছে, নিহত দুই সাংবাদিকই আসন্ন উত্তরা প্রেস ক্লাবের ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন। শাকিবুল হাসান সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ১৮ নম্বর ব্যালট এবং রবিউল আলম রাজু সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে ২২ নম্বর ব্যালট নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। আগামী ১৮ জুলাই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

দুই সহকর্মীর আকস্মিক মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে তারা দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ দ্রুত উদ্ঘাটন, দায়ী ব্যক্তি ও যানবাহনকে শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। দুই প্রতিশ্রুতিশীল সাংবাদিকের এই অকাল মৃত্যু শুধু তাদের পরিবার নয়, পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাদের কর্ম, সততা ও সহমর্মিতার স্মৃতি সহকর্মীদের হৃদয়ে দীর্ঘদিন অম্লান হয়ে থাকবে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

ডিএসইতে কাঠামোগত সংস্কার: দক্ষতা বৃদ্ধিতে কয়েকটি পদ বিলুপ্ত, জনবল পুনর্গঠন শুরু

স্টক নিউজ বিডি June 25, 2026

স্টক নিউজ বিডি : দেশের প্রধান পুঁজিবাজার প্রতিষ্ঠান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) দীর্ঘমেয়াদি রিসোর্স অপটিমাইজেশন ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জনবল কাঠামো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে কয়েকটি পদ বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, প্রযুক্তিনির্ভর ও কার্যকর করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে জনবল কাঠামো পর্যালোচনা করা হচ্ছিল। সেই পর্যালোচনার ভিত্তিতে বোর্ডের নীতিগত অনুমোদনক্রমে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছে।

ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, এই সিদ্ধান্ত কোনো ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া বা কর্মদক্ষতার মূল্যায়নের ভিত্তিতে নেওয়া হয়নি। বরং প্রতিষ্ঠানের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনায় জনবল কাঠামোকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করার অংশ হিসেবেই এ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, বিভিন্ন পর্যায়ের মূল্যায়নের মাধ্যমে যেসব পদ বর্তমান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অপরিহার্য নয় বলে বিবেচিত হয়েছে, সেগুলোই পুনর্গঠনের আওতায় আনা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়া আইন, বিধিবিধান এবং প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নীতিমালা অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে।

অব্যাহতি পাওয়া কর্মকর্তাদের জন্য ডিএসই উদার আর্থিক সুবিধার ব্যবস্থা করেছে। নোটিশের পরিবর্তে ১২০ দিনের সমপরিমাণ বেতন, চলতি মাসের বেতন, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের প্রাপ্য অর্থ, অব্যবহৃত ছুটির নগদায়নসহ অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা হবে। এছাড়া সদিচ্ছার নিদর্শন হিসেবে অতিরিক্ত দুই মাসের সমপরিমাণ বেতনও দেওয়া হবে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক মানের এক্সচেঞ্জ হিসেবে ডিএসইকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সময়োপযোগী সাংগঠনিক সংস্কার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জনবল ও সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কার্যকারিতা ও সেবার মান আরও উন্নত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ডিএসই কর্তৃপক্ষের মতে, রিসোর্স অপটিমাইজেশনের আওতায় যেসব পদ বিলুপ্ত করা হয়েছে, সেগুলোর পরিবর্তে নতুন নিয়োগের কোনো পরিকল্পনা নেই। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আরও সুশৃঙ্খল, ব্যয়-সাশ্রয়ী এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনার দিকে এগিয়ে যাবে।

0 শেয়ার করুন
1 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

সংসদে ৫৬ হাজার ১১৭ কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস

স্টক নিউজ বিডি June 15, 2026

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৫৬ হাজার ১১৭ কোটি ৫৯ লাখ ৪১ হাজার টাকার সম্পূরক বাজেট পাস হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের দ্বিতীয় সেশনের সপ্তম কার্যদিবসে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্পূরক বাজেট উত্থাপন করলে স্পিকার তার কণ্ঠভোটে দিলে তা পাস হয়। আজ নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) বিল, ২০২৬ পাসের মধ্য দিয়ে এ বাজেট পাস করা হয়।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৬২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জন্য মোট বাজেট ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। আর বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ব্যয় হ্রাস-বৃদ্ধি পেয়ে চলতি অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেটের আকার দাঁড়ায় ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।

সম্পূরক বাজেটে ২৭টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে, যার পরিমাণ ৫৬ হাজার ১১৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। অন্যদিকে ৩৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বরাদ্দ ৫৯ হাজার ৩৪৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা কমানো হয়েছে।

বিল পাসের আগে বিধান অনুযায়ী ২৫টি মঞ্জুরি দাবি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা সংসদে উত্থাপন করলে পৃথক পৃথকভাবে পাস করা হয়। এসব দাবির ওপর বিরোধীদলের ২০ জন সদস্যের আনীত ৩০৪টি ছাঁটাই প্রস্তাবের মধ্যে অর্থ বিভাগ, পরিকল্পনা বিভাগ, বাণিজ‌্য মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, খাদ‌্য মন্ত্রণালয় এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের আনীত মঞ্জুরি দাবির ওপর আনীত ছাঁটাই প্রস্তাবের বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। 

আলোচনায় অংশ নেন— বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস‌্য শাহজাহান চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৫), মো. আব্দুল গফুর (কুষ্টিয়া-২), মো. কামরুল হাসান (ময়মনসিংহ-৬), মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (পাবনা-১), জিএম নজরুল ইসলাম (সাতক্ষীরা-৪), মো. আব্দুল আলীম (বাগেরহাট-৪), মো. মুজিবুর রহমান (রাজশাহী-১), আলফারুক আব্দুল লতীফ (নীলফামারী-২), মো. আমির হামজা (কুষ্টিয়া-৩), মো. আব্দুল বারী সরদার (রাজশাহী-৪), মো. মাসুদ পারভেজ (চুয়াডাঙ্গা-১), মো. রুহুল আমিন (চুয়াডাঙ্গা-২), শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ) (বাগেরহাট-২), এনসিপি দলীয় সদস্য আখতার হোসেন (রংপুর-৪), খেলাফত মজলিসের সদস‌্য মোহাম্মদ আবুল হাসান এবং স্বতন্ত্র সদস‌্য বেগম রুমিন ফারহানা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২)। তবে কন্ঠভোটে সকল ছাঁটাই প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায়।

সম্পূরক বাজেটে সর্বোচ্চ ২৮ হাজার ৬৫৫ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার টাকা রয়েছে অর্থ বিভাগ খাতে, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যয় রয়েছে ১২ হাজার ৪০৭ কোটি ৮৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা পরিকল্পনা বিভাগ খাতে। তৃতীয় সর্বোচ্চ ব্যয় ৪ হাজার ৯২৩ কোটি ৪৮ লাখ ৫৪ হাজার টাকা রয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় খাতে। আর চতুর্থ সর্বোচ্চ ব্যয় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় খাতে ২ হাজার ১৭৭ কোটি ৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা, পঞ্চম সর্বোচ্চ ব্যয় ১ হাজার ৮০৯ কোটি ৫৬ লাখ ১০ হাজার টাকা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় খাতে রয়েছে।

এছাড়া জাতীয় সংসদ খাতে ১৬ কোটি ৫৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট খাতে ১৯ কোটি ৭৭ লাখ ৫৪ হাজার টাকা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ খাতে ১ হাজার ৬৯০ কোটি ৮১ লাখ ৭৯ হাজার টাকা, ধর্ম মন্ত্রণালয় খাতে ২২০ কোটি ৪১ লাখ ২২ হাজার টাকা, নির্বাচন কমিশন খাতে ১ হাজার ৩৮৯ কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ খাতে ৭২২ কোটি ৪৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন খাতে ৩০ কোটি ১ লাখ ৮৭ হাজার টাকা, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় খাতে ১১২ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার টাকা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ খাতে ১৫ কোটি ৬৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল‌্যায়ন বিভাগ খাতে ২১ কোটি ৯৭ লাখ ৪২ হাজার টাকা, বাণিজ‌্য মন্ত্রণালয় খাতে ৩০১ কোটি ৯৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খাতে ৫৯ কোটি ৯৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা, আইন ও বিচার বিভাগ খাতে ৮৪ কোটি ৭৪ লাখ ৩৬ হাজার টাকা, জননিরাপত্তা বিভাগ খাতে ১৭১ কোটি ৬৮ লাখ ১৩ হাজার টাকা, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ খাতে ৮৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় খাতে ২৯৩ কোটি ৩৫ লাখ ৫৯ হাজার টাকা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় খাতে ৭৫ কোটি ৬১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় খাতে ৪৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ভূমি মন্ত্রণালয় খাতে ৯৭ কোটি ৭১ লাখ ৩ হাজার টাকা, খাদ‌্য মন্ত্রণালয় খাতে ৬৮৩ কোটি ৯১ লাখ ৩ হাজার টাকা, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় খাতে ১২২ কোটি ১৯ লাখ ৩২ হাজার টাকা এবং দুর্নীতি দমন কমিশন খাতে ১১ কোটি ৬৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সম্পূরক বাজেটের ওপর অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সংক্ষিপ্তাকারে সমাপনী বক্তৃতা শেষে সম্পূরক বাজেট পাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়। পৃথক পৃথকভাবে মঞ্জুরি দাবি পাসের পর নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) বিল, ২০২৬ পাসের মধ্য দিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের সম্পূরক বাজেট পাস করা হয়।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার বেনজীরকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: দুদক

স্টক নিউজ বিডি June 14, 2026

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: দুর্নীতি ও পাসপোর্ট জালিয়াতির মামলায় দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৮ জুন) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির উপপরিচালক (মিডিয়া) আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দুদকের দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় বেনজীর আহমেদকে ১২ জুন দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলের কাছে পাঠানো আবেদনের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সরকার।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় ১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে এবং বিচার কার্যক্রম চলছে। বাকি পাঁচটি মামলার তদন্ত এখনো চলমান, যেখানে প্রায় ৭৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, সরকারি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি জালিয়াতির মাধ্যমে একাধিক বেসরকারি পাসপোর্ট গ্রহণ করেছিলেন এমন অভিযোগও মামলার অংশ হিসেবে তদন্তে রয়েছে।

দুদক জানায়, আদালতের নির্দেশে তার ও পরিবারের নামে থাকা স্থাবর–অস্থাবর সম্পদ ইতোমধ্যে জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ফ্ল্যাট, জমি, কোম্পানির শেয়ার, ব্যাংক হিসাব ও সঞ্চয়পত্র।

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

৫ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালু হবে: প্রধানমন্ত্রী

স্টক নিউজ বিডি June 10, 2026

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘১৮০ দিনের মধ্যে ৫ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর  উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।’

বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই বিষয়ক একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১৮০ দিনের মধ্যে ৫টি জেলা যথাক্রমে খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও নরসিংদীর জনসাধারণকে ই-হেলথ কার্ড সেবা প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘এই ই-হেলথ কার্ড ইলেক্ট্রনিক রিফারেল সিস্টেম এবং ইলেক্ট্রনিক পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১৮০ দিনের কর্মসূচি অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেন।

কর্মসূচিগুলো হলো- নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং পর্যায়ে এ পর্যন্ত ৩৬টি ইউনিটের ৬০ হাজার ৪৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে।

কৃষক কার্ড-এর প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি কৃষি ব্লকে এ পর্যন্ত ২০ হাজার ৭৪৮ জনকে কৃষক কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে।

৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার-প্যাগোডা এবং ৩৯৬টি গির্জায় কর্মরত ব্যক্তিবর্গকে মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ সুবিধা সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক-৬৬৬টি খাল খনন, পুনঃখনন কার্যক্রম চলমান। খনন/পুনঃখননকৃত খালের মোট দৈর্ঘ্য ৯৬৫.০৪ কিলোমিটার।

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বনায়ন সৃজনের অংশ হিসেবে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৩ কোটি ১৪ লাখ চারা রোপণ করা হবে।

আগামী অর্থবছরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন স্কুলে পর্যায়ক্রমে ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।

ল্যাংগুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসায় বিদ্যমান জামানতবিহীন ঋণ সীমা ৩ লাখ হতে ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। জাপানগামী শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা প্রাপ্তির পূর্বেই সার্টিফিকেট অব ইলিজিবেলিটি’র ভিত্তিতে এ ঋণ প্রদান সহজীকরণ করা হয়েছে।

২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি ও নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে মোট ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।

১২-১৪ বছরের শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‌‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এতে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার ও মার্শাল আর্টসহ মোট ৮টি খেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদে বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠকের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোপর্ব। প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত ছিল তারকা চিহ্নিত ৫টি প্রশ্ন। এরমধ্যে ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারকা চিহ্নিত তিনটি প্রশ্ন এবং বিভিন্ন সংসদ সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • বাগাতিপাড়ায় ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক, মাদক আইনে মামলা

  • এনআরবি ব্যাংক পিএলসি এবং হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টারের মধ্যে কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর

  • প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদান, নিজ হাতে ফাতেমার হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাগাতিপাড়ায় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

  • গত ৬ মাসের ফৌজদারি মামলায় প্রায় সব আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাগাতিপাড়ায় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

  • প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদান, নিজ হাতে ফাতেমার হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • রাষ্ট্রপতিকে মেজর মান্নানের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

  • অমিত শাহর পদত্যাগের দাবি রাহুলের, সমর্থন জানাল ‘তেলাপোকারা’

  • নারী উদ্যোক্তা ও কৃষি খাতের প্রসারে আইএফসি থেকে ৫০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন সুবিধা পেলো ব্র্যাক ব্যাংক

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য