Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

নির্বাচন

শুক্রবারে মহাসমাবেশ করতে চায় ইসলামী আন্দোলন

স্টক নিউজ বিডি November 2, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে চলতি সংসদ ভেঙে জাতীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে শুক্রবার (৩ নভেম্বর) সর্বকালের সর্ববৃহৎ মহাসমাবেশ করার কথা জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলটির সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম।

এর আগে গত ২০ অক্টোবর এক সমাবেশে ৩ নভেম্বরের মহাসমাবেশের ঘোষণা দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। দলটিকে ২০ শর্তে শুক্রবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করীম বলেন, শুক্রবার (৩ নভেম্বর) যে মহাসমাবেশ হবে সেখান থেকে ইসলামী আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কী ধরনের কর্মসূচি আসতে পারে জানতে চাইলে ফয়জুল করিম বলেন, পরিস্থিতির আলোকে সেটা আগামীকাল মহাসমাবেশে জানিয়ে দেওয়া হবে।

মহাসমাবেশ কত লোক হতে পারে জানতে চাইলে ফয়জুল করিম বলেন, সংখ্যা বলা যাবে না, তবে আশা করি সর্বকালের সর্ববৃহৎ মহাসমাবেশ হবে। এ মহাসমাবেশ কোনো দলের নয়, এটি সব জনগণের।

পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘যারা রাষ্ট্রের দায়িত্বে আছেন তাদের কাজ হলো জনগণের নিরাপত্তা দেওয়া। তাই আমি রাষ্ট্রপক্ষের সবাইকে বলবো জনগণের বন্ধু কোনো দলের নয়, জনগণকে ভালোবাসেন কোনো দলকে নয়।’

মহাসমাবেশ ঘিরে কোনো শঙ্কা দেখছেন কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ফয়জুল করিম বলেন, কিছু কিছু জায়গায় আমাদের নেতাকর্মীদের আটক করা হয়েছিল। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। যতক্ষণ সমাবেশ না হচ্ছে ততক্ষণ আমরা শঙ্কামুক্ত নই। কারণ সরকার কখন কী সিদ্ধান্ত নেয় সেটা তো জানা যায় না।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ বিরানভূমি হবে: আইনমন্ত্রী

স্টক নিউজ বিডি August 24, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র ও বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে চিরতরে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র এখনো চলছে। এ ষড়যন্ত্র রুখতে হলে আগামী সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারও জয়লাভ করাতে হবে। তাহলেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ হবে। বাংলাদেশের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারবে।

তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে জয়লাভ করাতে না পারলে, এ দেশকে বিএনপি-জামায়াত মিলে বিরানভূমি করে ফেলবে। এজন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। আমরা বাংলাদেশ চাই। বিএনপি জামায়াতের ধ্বংসের রাজনীতি চাই না। সময় এসেছে, তাদের সব ষড়যন্ত্রের জবাব দেওয়ার।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘আগস্ট ট্রাজেডি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

আনিসুল হক বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপরাধীদের বিচারতো দূরের কথা পুরস্কার হিসেবে বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে চাকরি দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি রাজাকার, আল-বদরকে নিয়ে সরকার গঠন করেছিলেন। শাহ আজিজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী ও ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় প্রকাশে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিশন গঠন করা হবে জানিয়ে আনিসুল হক বলেন, অনেকেই প্রশ্ন করতে পারে, নতুন প্রজন্ম ভাবতে পারে, আমরা কী এটি প্রতিহিংসার জন্য করছি? না, আমরা এটা প্রতিহিংসার জন্য করছি না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে কিন্তু এ কলঙ্কময় অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমরা সেই প্রয়োজনটুকু মেটানোর জন্য একটি কমিশন গঠন করবো এবং সেটি হবে অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের কমিশন। এ কমিশন গঠনের আইনের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। ইতিহাস ঘেঁটে, ইতিহাসের ওপর গবেষণা করে সত্য প্রতিষ্ঠা করে এটি জনগণের কাছে রেখে যাব আমরা। নতুন প্রজন্ম যারা আসবে, তারা জানবে কারা ষড়যন্ত্রকারী এবং কুশীলব ছিল, তাদের পরিবার সম্পর্কেও যেন সচেতন থাকে। বাংলাদেশের ইতিহাস নিয়ে যেন আর কোনো ষড়যন্ত্র তারা করতে না পারে, সেজন্য এটি করা হবে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, রমনার বটমূলে বোমা হামলাসহ সারাদেশের সব জেলা আদালতে সিরিজ বোমা হামলা চালানো হয়েছিল বিএনপি-জামায়াত সরকারের মদদে। এগুলোর অর্থ বাংলাদেশকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া, মুক্তিযোদ্ধাদের বিতাড়িত করা। সেজন্য তারা বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করেছিল। এখনো সে চেষ্টা অব্যাহত আছে। এতে তাদের লাভ হবে ৩০ লাখ শহীদকে অপমান করা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে নষ্ট করা এবং তাকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা। কিন্তু আমরা সেটা হতে দেবো না।

আইনমন্ত্রী বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা গত প্রায় ১৫ বছর ধরে সরকার পরিচালনা করছেন বলেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। এ বিচারের রায় কার্যকর হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি দুঃখ করে বলেন, সেসময় জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালেও হাইকোর্টের সাত-সাতজন বিচারপতি বিনা কারণে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার শুনানি করতে বিব্রত বোধ করেছিলেন। এ সাতজন বিচারপতিকে বিএনপি ২০০২ সালে পুরস্কৃত করে আপিল বিভাগে নিয়েছিলেন।

নো মাইনরিটি দর্শন নিয়ে পথচলা সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) মোহম্মদ আলী সিকদার, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. উত্তম বড়ুয়া, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক চন্দ্রনাথ পোদ্দার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আফিজুর রহমান এবং জাতীয় গ্রন্থাগারের পরিচালক মিনার মনসুর।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
ড. হাছান মাহমুদ

কারও আক্কেল থাকলে রাত ৩টায় সংবাদ সম্মেলন ডাকে

স্টক নিউজ বিডি August 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ভারতীয় পত্রিকায় লেখা দেখে বিএনপি অস্থির হয়ে গেছে। তারা যে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে তার প্রমাণ হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম বিএনপি রাত ৩টায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে। কারও যদি ‘আক্কেল’ থাকে তাহলে রাত ৩টায় সংবাদ সম্মেলন ডাকে। সংবাদ সম্মেলন তো সংবাদকর্মীদের নিয়ে ডাকতে হয়।

মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি তো সত্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব সম্প্রদায় তার প্রশংসা করছে। বিপরীতে যারা ক্ষমতায় আসতে চায় তাদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী, তাদের মধ্যে আছে জঙ্গিরা, জোটে আছে জঙ্গিরা। মৌলবাদী অপশক্তির প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারা।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যারা ২১ আগস্ট ঘটিয়েছে, মানুষের ওপর পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করেছে তারা তাদের সঙ্গে আছে। তারা যদি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পায়, গতবার যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল তখন ৫০০ জায়গায় একসঙ্গে বোমা ফাটায়, এবার ৫ হাজার জায়গায় ফুটবে। দেশটা পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তানের পর্যায়ে চলে যাবে, সেই বিশ্লেষণই ভারতীয় পত্রিকায় করেছে।

মন্ত্রী বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ হিসেবে আমাদের এখানে কারা ক্ষমতায় থাকবে, থাকবে না, আছে এগুলো নিয়ে তাদের চিন্তা থাকতেই পারে। সেই বিশ্লেষণ ভারতীয় পত্রিকায় এসেছে। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক রক্তের অক্ষরে লেখা, এটা অন্য কারও সঙ্গে তুলনীয় হতে পারে না। ভারতের জনগণ, ভারতের সেনাবাহিনী আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের মুক্তিবাহিনীর সাথে জীবন দিয়েছে। কয়েক হাজার কিলোমিটার সীমান্ত তাদের সঙ্গে আমাদের আছে। বাংলাদেশে পরিস্থিতি অস্থির হলে ভারতেও তার প্রভাব পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও আমাদের সম্পর্ক চমৎকার। যুক্তরাষ্ট্র একটি বড় উন্নয়ন সহযোগী। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে। সবার সাথেই আমাদের ভালো সম্পর্ক।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কারা সরকারে থাকবে বা থাকবে না বাংলাদেশের জনগণ সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক।

ভারতের পত্রিকায় বলা হয়েছে ইসলামপন্থিদের যেন মনোনয়ন দেওয়া না হয় সেই বার্তা শেখ হাসিনাকে দেওয়া হবে। এ নিয়ে এক প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, একটি পত্রিকায় লিখেছে সে বিষয়ে তো আমি মন্তব্য করতে পারি না। এটি নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসা করুন কেন লিখেছে। সংবিধান আমাদের সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছি সংবিধানের আলোকে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ তো অবশ্যই চাই, সব রাজনৈতিক দল যাতে অংশগ্রহণ করে আমরা সেটি চাই। বিএনপি বরং সংবিধান না মেনে এমন একটি কিছু চায় যাতে করে তারা ক্ষমতায় যাবে সেই গ্যারান্টি নির্বাচন কমিশন দিতে পারে। সে ধরনের ব্যবস্থা তো গণতান্ত্রিক দেশে হতে পারে না। আমরা চাই সংবিধানের মধ্য থেকে যে নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করুক।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

নির্বাচন নিয়ে শেখ হাসিনাকে যে দুটি বার্তা দিতে পারে ভারত

স্টক নিউজ বিডি August 21, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: জি-২০ সম্মেলনে অংশ নিতে আগামী মাসেই দিল্লি সফর করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর সেখানেই বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে শেখ হাসিনাকে দুটি স্পষ্ট বার্তা দিতে পারে ভারত। এ কারণেই বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে উভয় দেশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফে প্রকাশিত সাংবাদিক ও কলামিস্ট দেবদীপ পুরোহিতের লেখা প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

ভারতের নিরাপত্তা সংস্থার একটি সূত্র শেখ হাসিনার জন্য ওই দুই বার্তার কথা প্রকাশ করেছে। প্রথমত, বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবশ্যই অবাধ ও সুষ্ঠু হতে হবে। দ্বিতীয়ত, আওয়ামী লীগকে তার সব চীন ও ইসলামপন্থি নেতাদের ত্যাগ করে অসাম্প্রদায়িক ও জনপ্রিয় প্রার্থীদের বেছে নিতে হবে। তাছাড়া ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে হতে যাওয়া এ নির্বাচন নিয়ে ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ব্যাপক ঐকমত্যের ইঙ্গিতও দিয়েছে সূত্রটি।

সূত্র বলছে, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন নিয়ে দুই ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। একই বিষয়ে এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের সঙ্গেও বৈঠক করেছে ভারত।

সূত্রটি আরও জানায়, অতীতে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মতের অমিল থাকলেও, এবার সেখানে একটি বিস্তৃত ঐকমত্য দেখা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লিতে অবস্থান করবেন, তখন বার্তা দুটি তার কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

শেখ হাসিনা বরাবরই দাবি করে আসছেন, তার সরকারের অধীনে হওয়া ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশ ওই দুটি নির্বাচন ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ ও অসন্তোষ প্রকাশ করছে।

বিপরীতে, নয়াদিল্লি শেখ হাসিনা সরকারের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ সম্পর্কে কখনো কোনো প্রশ্ন তোলেনি বরং ২০১৮ সালের নির্বাচন শেষে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই সর্বপ্রথম শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন জোট ৯৬ শতাংশেরও বেশি আসন পেয়েছিল।

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারতীয় ও মার্কিন নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনার বিষয়গুলো হলো:

১. ভারত-যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই বাংলাদেশের ক্ষমতা কাঠামোতে চীনপন্থি ও ইসলামপন্থিদের ব্যাপক উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা এই পরিস্থিতি অবিলম্বে পরিবর্তনের ওপর জোর দিয়েছে। দিল্লি সফরে শেখ হাসিনাকে নিজেদের এ উদ্বেগের কথা জানাতে রাজি হয়েছে ভারতীয় সংস্থা।

২. উভয়পক্ষই এ বিষয়ে একমত হয়েছে যে, বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনকে পর্যাপ্ত ক্ষমতা দেওয়া ও অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা দিতে হবে। শেখ হাসিনার ভারত সফরে এ বিষয়টি তুলে ধরার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারতীয় সংস্থা।

৩. ভারত-যুক্তরাষ্ট্র একমত হয়েছে যে, যেহেতু বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো বিধান নেই, সেহেতু বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলের প্রধান এ দাবি শর্ত হিসেবে দেওয়া হবে না।উভয়পক্ষ পুরোপুরি একমত হয়েছে যে, হাসিনা সরকারকে দুর্নীতি ও ব্যাংক ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি সরকারকে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সমস্যাটি মোকাবিলা করতে হবে।

৪. ভারতীয় কর্মকর্তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এটা বোঝাতে সক্ষম হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ালে সেটা হবে বাংলাদেশে শাসন পরিবর্তনের একটি এজেন্ডা। আর এমনটি হলে বিএনপি-জামায়াত জোট রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসবে। এতে এ অঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। কারণ বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তন হলে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা হুমকিতে পড়বে।

৫. ভারতীয় পক্ষ জোরালোভাবে মার্কিন প্রতিনিধিদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সম্পর্কে তাদের আপত্তির কথা জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে, জামায়াতে ইসলামী একটি ইসলামপন্থি রাজনৈতিক সংগঠন ও ভারত জামায়াতকে একটি উগ্র মৌলবাদী সংগঠন বলে বিবেচনা করে।

৬. ভারতীয় প্রতিনিধিরা মার্কিন কর্মকর্তাদের বলেছেন, অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতের লক্ষ্যে বাংলাদেশীদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। নয়াদিল্লি মনে করে, এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের আগে আদর্শগতভাবে ভারতের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত হোয়াইট হাউজের।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
ওবায়দুল কাদের

বিএনপির কাছে নির্বাচন-গণতন্ত্র নিরাপদ নয়: কাদের

স্টক নিউজ বিডি August 21, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির কাছে আমাদের নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিরাপদ নয় বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সোমবার (২১ আগস্ট) ইতিহাসের জঘন্যতম গ্রেনেড হামলার ১৯তম বার্ষিকীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা ও স্বরণ সভায় তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করি না। হত্যার রাজনীতি করি না। বরং শিকার হই। আজকে বিএনপি নেতারা বিদেশিদের বলে- আওয়ামী লীগ জিয়া পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করতে চায়। এতিমের টাকা আত্মসাতের মামলায় খালেদা জিয়ার জেল হয়েছে। শেখ হাসিনার উদারতায় তিনি এখন বাইরে আছেন। হাওয়া ভবন থেকে তৎকালীন যুবরাজ তারেক রহমান ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা শুরু নির্দেশ দিয়েছিল। এখন কাপরুষের মতো বিদেশে পলাতক। তিনি অর্থ পাচারকারী, ২১ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড। সেদিন টার্গেট ছিল বঙ্গবন্ধু পরিবার ও আওয়ামী পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া। তাহলে বলুন, আমরা কি জিয়া পরিবার নিশ্চিহ্ন করার কাজ করি?

তিনি বলেন, বাংলাদেশে একটি দল-বিএনপি ও তার দোসররা আমাদের নিশ্চিহ্ন করতে তাদের লড়াই থেকে এখনও সরে যায়নি। বাংলাদেশের পতাকাকে উড্ডীন রাখতে এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ সমুন্নত রাখতে বিএনপিসহ তাদের দোসরদের প্রতিরোধ করতে হবে। রাজপথের আন্দোলনের এদের পরাজিত করতে হবে। নির্বাচনী লড়াইয়েও তাদের পরাজিত করতে হবে। প্রতিহত করতে হবে। এই দেশ তারা চায় না। তাদের দেশ পাকিস্তান, তাদের দেশ আফগানিস্তান। এদেশ তাদের নয়। তাদের কাছে আমাদের নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিরাপদ নয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

আওয়ামী লীগ কখনো স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছাড়েনি: সালাম

স্টক নিউজ বিডি August 16, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই দেশের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে। জনগণের অধিকারগুলোকে কুক্ষিগত করে। গণতন্ত্রকে চার দেয়ালের মধ্যে বন্দি করে রাখে। যার কারণে তারা আজ জনবিচ্ছিন্ন। অতীত ইতিহাস দেখলে দেখা যাবে, এরা কখনো স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছাড়েনি। অতিরিক্ত অন্যায় অবিচারের কারণে তাদের পতন হয়েছে। এবারও তাদের পতন অনিবার্য।

বুধবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে ভাসানী মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত এক যৌথসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সালাম বলেন, আজকে বিচারের নামে প্রহসন চলছে। পুরোনো মামলা সচল করে দ্রুত নিষ্পত্তি করে বিএনপি নেতাকর্মীদের সাজা দেওয়া হচ্ছে। কারণ, আন্দোলন ও নির্বাচনের মাঠ ফাঁকা রাখা। আমরাতো আগেই বলেছি, শেখ হাসিনার অধীনে বিএনপি কোনো নির্বাচনে যাবে না। আর আন্দোলনের মাঠ ফাঁকা রাখা যাবে না। কারণ, এ আন্দোলনে সাধারণ জনগণ সম্পৃক্ত হয়ে গেছে। কত লাখ মানুষকে গ্রেফতার করবেন?

তিনি বলেন, অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখতে সরকার অনেক ফন্দি-ফিকির করেছে। কিন্তু কোনোটাই আলোর মুখ দেখেনি। আওয়ামী লীগ চারদিকে অন্ধকার দেখছে। আর জনগণ আশার আলো দেখতে পাচ্ছে। স্বৈরাচারী শাসনের পতন অচিরেই ঘটবে, আর গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরে পাবে জনগণ।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নবী উল্লাহ নবী, যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা, মো. মোহন, হারুন অর রশিদ, লিটন মাহমুদ, আনম সাইফুল ইসলাম, এসকে সেকান্দর কাদির, স্বেচ্ছাসেবক দলের জহির উদ্দিন তুহিন, মহিলা দলের রুমা আক্তার, শাহিনুর নার্গিস, ছাত্রদল ঢাকা মহানগর পূর্বের খালিদ হাসান জ্যাকি, কৃষকদলের কামাল হোসেনসহ মহানগর দক্ষিণ বিএনপির থানা ও ওয়ার্ড নেতারা।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

নির্বাচনে সব দল কখনো অংশ নেয় না: ইসি আলমগীর

স্টক নিউজ বিডি August 14, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বিএনপি নির্বাচনে আসবে না বলেছে। আপনারাও (নির্বাচন কমিশন) কোনো উদ্যোগ না নিলে আপনাদের মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনে সব দল কখনো অংশ নেয় না। অতীতেও নেয়নি। আমাদের ৪৪টি দল আছে। সবাই অংশগ্রহণ করবে না। কেননা, ভোটে অংশ নিতে অনেক সক্ষমতার বিষয় আছে। আমরা সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের নব্বই দিনের মধ্যে নির্বাচন করার শপথ নিয়েছি। আমাদের কাজ এটুকুই যে, ভোটার তালিকা করবো, দলের নিবন্ধন দেবো আর যখন যে নির্বাচনের সময় আসবে, যথাসময়ে সে নির্বাচনগুলো করবো।

সোমবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

ইসি আলমগীর বলেন, সংবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো কিছু করার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের নেই। আমরা যখন শপথ নিয়েছি, বলেছি সংবিধান মেনে চলবো। নির্বাচন কমিশনের কাজ কী তা সংবিধানে স্পষ্ট করে বলা আছে- রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও আসনের সীমানা নির্ধারণ এবং সংসদ যদি আইন করে কোনো দায়িত্ব দেয়। নির্বাচন কমিশন সংবিধানের বাইরে যাবে না।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দায়িত্ব শুধু ইসির নয়। এটি সরকার, ভোটার, প্রার্থী সবার দায়িত্ব। আইনে যেটুকু বলা আছে, ততটুকুই ইসির দায়িত্ব। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে, সেটি আমরা চাই। আমাদের আগে থেকে বললে আমরা ব্যবস্থা নিই। এখন ঘরে ঘরে পুলিশ দেওয়া কি সম্ভব? মিছিল তো হবে প্রতি গ্রামে, পুলিশ কি সব জায়গায় যেতে পারবে? এজন্য আমাদের আগে থেকে জানাতে হবে। আমরা তখন নিরাপত্তা দিতে বাধ্য।

নির্বাচনকালীন সরকারে ইসির কাজ কী হবে, এই প্রশ্নের উত্তরে ইসি আলমগীর বলেন, সরকার কেমন হবে সেটা দেখা তো আমাদের বিষয় নয়। কী হবে না হবে সংবিধানে বলা আছে। আমাদের কী করতে হবে সেটাও সংবিধানে বলা আছে। কী ধরনের সরকার থাকবে সেটা রাজনৈতিক বিষয়। এ নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। তফসিল ঘোষণার পর ডিসি, এসপি, পুলিশ কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনার এবং তাদের অধীনে যারা আছে, ইসির অনুমতি ছাড়া কাউকে বদলি করা যাবে না। ইসি যদি কাউকে বদলি করতে বলে সেটা করতে হবে। এটা আইনেই বলা আছে।

তিনি বলেন, আমাদের কাজ সরকার যেই থাকুক, যেভাবেই থাকুক যথাসময়ে নির্বাচন করা। ভোট কবে হবে সেই সিদ্ধান্ত আগামী নভেম্বরে জানানো হবে। এর আগে বলা যাবে না। আমাদের কনসার্ন হবে আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়টি। স্থানীয় আর জাতীয় নির্বাচনের আচরণবিধির ভিন্নতা আছে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

আমাদের অবস্থান উন্নত হচ্ছে বলেই মার্কিন বিফ্রিংয়ে প্রতিদিন আলোচনা

স্টক নিউজ বিডি August 9, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের অবস্থান অনেক উন্নত হচ্ছে বলেই এ দেশের প্রতি সবার আকর্ষণ বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেন, ‘গত ছয় মাসে দুনিয়ার প্রায় ৬০ দেশে নির্বাচন হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে আমাদের নির্বাচন হওয়ার আগে আরও ২২ দেশে নির্বাচন হবে। আমার কাছে নাম আছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়— মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিদিনের ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। আর আমি যে শ’খানেক দেশের নির্বাচনের কথা বললাম, তাদের নিয়ে কোনো আলাপ নেই। এর একটি অর্থ হচ্ছে আমাদের অবস্থান অনেক উন্নত হচ্ছে। আমাদের দেশের প্রতি সবার আকর্ষণ বেড়েছে।

বুধবার (৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মানিক মিয়া হলে ‘বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়নের গতি-প্রকৃতি’ শিরোনামের এক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।

এতে কি-নোট উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী। সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. উত্তম কুমার বড়ুয়া।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এবারের নির্বাচন হবে অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সুন্দর। আমার বিশ্বাস, বাঙালি জাতি অত্যন্ত পরিপক্ক, তারা আসল জায়গায়ই ভোট দেবে। তবে বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে জীবন সহজভাবে কীভাবে চালাতে হয় সে বিষয়। কারণ, বর্তমানে পৃথিবীতে এক অনিশ্চয়তা চলছে। প্রায়ই বলে থাকি, যেসব দেশে রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা আছে, শান্তি আছে- সেসব দেশে অঙ্কের হিসাবে দেখলে তাদের উন্নয়ন সবচেয়ে বেশি।

এ সময়ে সিঙ্গাপুরের উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, ছোট্ট একটি দেশ, সেখানে ৬৫ বছর ধরে তারা স্থিতিশীল। আগে বাবা, এখন ছেলে দেশটি শাসন করছেন। একটা ব্যারেন ল্যান্ড (অনুর্বর ভূমি) ছিল। এমন ব্যারেন ল্যান্ড যে মালয়েশিয়া থেকে বের করে দিতে হয়েছে। দরিদ্র জায়গা। কিন্তু রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে তারা এখন এশিয়ার নাম্বার ওয়ান।

আব্দুল মোমেন আরও বলেন, যেসব দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, শান্তি-শৃঙ্খলা নেই, সেখানে ভরাডুবি হয়েছে। ইরাক একসময় মধ্যপ্রাচ্যের অগ্রসর দেশ ছিল। সিরিয়া অনেক ভালো ছিল। আফ্রিকার মধ্যে সবচেয়ে উন্নত দেশ ছিল লিবিয়া। তাদের কোনো দেনা ছিল না। সুখে-শান্তিতে ছিল। কিন্তু তারা এখন মারামারি-কাটাকাটি নিয়ে ব্যস্ত।

তিনি বলেন, আমরা মারামারি না, শান্তি ও স্থিতিশীলতা চাই। আর তা বজায় রাখতে পারলে ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। আগামী নির্বাচনে আমাদের একটি বড় পরীক্ষা হবে। আমরা যদি শান্তি-স্থিতিশীলতা বজায় রেখে শেখ হাসিনা সরকারকে জয়যুক্ত করতে পারি, তাহলে ট্র্যাক রেকর্ড অনুসারে তার উন্নয়নের গতিধারা চালু থাকবে।

অন্যথায় ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। তখন বাংলাদেশ সন্ত্রাসী দেশ, পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ ছিল অসভ্য দেশ, যেখানে নারী-পুরুষ ও সংখ্যালঘু কারও জীবনের নিশ্চয়তা ছিল না। আমরা সেই বাংলাদেশ দেখতে চাই না, যোগ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

আজ তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বসছেন শেখ হাসিনা

স্টক নিউজ বিডি August 6, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশের নেতাদের ডেকেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। আজ রোববার (৬ আগস্ট) গণভবনে তাদের নিয়ে বসছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী সবার কথা শুনবেন এবং আগামী নির্বাচন উপলক্ষে দিকনির্দেশনা দেবেন বলেও জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের পক্ষে থেকে জানানো হয়েছে, রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলটির বিশেষ বর্ধিত সভা হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, জেলা/মহানগর ও উপজেলা/থানা/পৌর (জেলা সদরে অবস্থিত পৌরসভা) আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় সংসদের দলীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যান, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার দলীয় মেয়র এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত থাকবেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সভায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বিশেষ বর্ধিত সভা উপলক্ষে ঢাকা মহানগরের যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। ডিএমপির নির্দেশনা অনুযায়ী, গণভবনে অনুষ্ঠেয় বিশেষ বর্ধিত সভায় আমন্ত্রিত নেতাদের বিজয় সরণি দিয়ে জাতীয় সংসদের লেক রোড হয়ে এক নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করবেন।

সভায় অংশগ্রহণকারীদের ব্যক্তিগত গাড়ি ডিএমপি পুলিশের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে (বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র সংলগ্ন মাঠ) পার্কিং করতে হবে। ডিএমপির নির্দেশনা মেনে চলার জন্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করেছেন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা বাড়ছেই

স্টক নিউজ বিডি August 3, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্পের আইনি ঝামেলা দিন দিন যত বাড়ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যেন তার জনপ্রিয়তাও বাড়ছে। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য রিপাবলিকান প্রার্থীদের মধ্যে তিনি এখন সবচেয়ে জনপ্রিয়। অন্য সব মনোনয়নপ্রত্যাশীদের চেয়ে তিনি অনেক এগিয়ে। বেশ কয়েকটি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হবার পর যেন তার অবস্থান আরো শক্তিশালী হয়েছে। জনপ্রিয়তা কমার বদলে তা আরও বাড়ছে।

সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট গত চার মাসে তিনটি মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন। নিউইয়র্কে একটি অর্থ সংক্রান্ত অপরাধ, ফেডারেল আদালতের গোপনীয় দলিলপত্র নিজের কাছে রাখা এবং এর তদন্তে বাধা সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। এছাড়া মঙ্গলবার রাতে তিনি ফেডারেল কোর্টে অভিযুক্ত হয়েছেন আরেকটি মামলায়। এতে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তিনি ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল উল্টে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করেছিলেন।

ট্রাম্প আরও একটি মামলায় অভিযুক্ত হতে পারেন। সেটি হলো জর্জিয়ায়। এখানে অভিযাগ, ২০২০ সালের নির্বাচনে তার পরাজয়কে উল্টে দিতে তিনি রাজ্য কর্মকর্তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করেছিলেন। এত কিছুর ভেতর দিয়েও কিন্তু ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারাভিযান থামেনি। বরং তাতে আরো গতিসঞ্চার হয়েছে।

গত ৩১ জুলাই একাধিক জনমত জরিপের এক গড় থেকে দেখা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব জরিপে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিসান্টিসের চেয়ে ৩৭ পয়েন্টের বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হবার জন্য ১৪ জন লড়াই করছেন। কিন্তু তাদের কারো পক্ষেই ৬ শতাংশ জনসমর্থনও নেই।

এদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি প্রার্থী এক শতাংশ সমর্থনও পাননি। কিন্তু চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়েও এই চিত্রটা ছিল ভিন্ন। তখন ট্রাম্প ও ডেসান্টিসের মধ্যে জনসমর্থনের পার্থক্য ছিল মাত্র দুই শতাংশ (যথাক্রমে ৪১ শতাংশ এবং ৩৯ শতাংশ)।

কিন্তু তারপর থেকে ফ্লোরিডার গভর্নরের সমর্থন ক্রমাগত নিচের দিকে নেমেছে। ট্রাম্পের পক্ষে সমর্থন এখনো পাথরের মতো শক্ত। এতটুক আঁচড় লাগেনি তাতে। এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে ট্রাম্প যখন প্রথমবারের মতো অভিযুক্ত হলেন, তারপর থেকে বস্তুত তার পক্ষে সমর্থন বেড়েছে। যদিও ট্রাম্পই হলেন ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হওয়া প্রথম সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

প্রথমবার গ্রেফতার হওয়া ও আদালতে হাজিরা দেওয়ার পর থেকে ট্রাম্পই পরিণত হয়েছেন রিপাবলিকান ভোটারদের প্রথম পছন্দে। তার বিরুদ্ধে এগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা মনে করেন রিপাবলিকান ভোটাররা।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার সমর্থকদের মধ্যে যে একাত্মতাবোধ তা ভাঙা কঠিন হবে বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রে ইপসসের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা ক্লিফোর্ড ইয়ং। রিপাবলিকান ভোটারদের ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশই ট্রাম্প সমর্থক এবং ইয়ং বলছেন, তারা ট্রাম্পের চোখ দিয়েই দুনিয়াকে দেখে।

তাদের বিশ্বাস ট্রাম্পের প্রতি অন্যায় করা হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। গোপন দলিলপত্র নিজের কাছে রাখার অভিযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যে মামলা তা নিয়ে বিবিসি কিছু রিপাবলিকান ভোটারের সাথে কথা বলেছে এবং একই রকম মতামত পেয়েছে।

আরিজোনার ৬১ বছর বয়সী ট্রাম্প সমর্থক রন সোলেন বলেন, এটা হচ্ছে ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে না দেওয়ার এক নির্লজ্জ চেষ্টা। বাইডেনসহ অন্যরাও তাদের কাছে গোপন দলিলপত্র রেখেছেন বলে ধরা পড়েছে। সেদিক থেকে দেখলে এটা আমাদের দেশের জন্য একটা দুঃখের দিন।

এমনকি লুক গর্ডনের মত ট্রাম্প সমর্থক নন এমন রিপাবলিকানও এসব অভিযোগকে সন্দেহের চোখে দেখছেন।তিনি বলেন, এ ধরনের দাবির বৈধতা নিয়ে সন্দেহ করছেন না বা ট্রাম্পকে সমর্থন করছেন না। কিন্তু এসব মামলা-তদন্তের পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ রয়েছে বলে তার ধারণা।
সিবিএস নিউজের জুন মাসের এক জনমত জরিপে দেখা যায়- রিপাবলিকানদের ভোট দিতে পারেন এমন ৭৬ শতাংশ ভোটার বলছেন, গোপন দলিলপত্রের মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এই ভোটারদের ৩৮ শতাংশ মনে করেন ট্রাম্প মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পারমাণবিক বা সামরিক দলিলপত্র রেখে দিলে তা জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণ হতে পারে। আর দলীয় বৃত্তের বাইরে মার্কিন জনগণের মধ্যে এমন ধারণা পোষণ করেন ৮০ শতাংশ লোক।

রিপাবলিকান ভোটারদের ৬১ শতাংশ বলছেন, ট্রাম্প অভিযুক্ত হওয়ার পরও তার ব্যাপারে তাদের দৃষ্টিভঙ্গী বদলায়নি। ১৪ শতাংশ বলেছেন, তারা এখন ট্রাম্পকে আরো বেশি ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

আসলে এটা হচ্ছে যেন দুটি আমেরিকা বা দুটি জগৎ। একদল ট্রাম্পের আচরণকে আইনবহির্ভূত মনে করছেন, আরেক দল ট্রাম্পকে তাদেরই প্রতিনিধি মনে করেন এবং তাদের মতে ঠিক এ কারণেই তার ওপর এত আক্রমণ হচ্ছে।

ট্রাম্প তৃতীয় বা চতুর্থ মামলায় অভিযুক্ত হলেও রিপাবলিকান প্রার্থিতার প্রতিযোগিতায় তেমন কোন প্রভাব পড়বে বলে এখনো মনে হচ্ছে না। মার্চ মাসে সিএনএনএর এক জরিপে দেখা যায়, রিপাবলিকানদের মধ্যে ৮৪ শতাংশই মনে করেন যে, জো বাইডেন আইনসিদ্ধভাবে ২০২০ সালের নির্বাচন জেতেননি। তাই ওই নির্বাচনের ফল চ্যালেঞ্জ করার অভিযোগ রিপাবলিকানদের মধ্যে তেমন কোন আলোড়ন সৃষ্টি করবে না।

এটা ট্রাম্পের রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য গুরুতর সমস্যার কারণ। ওই প্রার্থীরা এসব মামলার জন্য সাবেক প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করতেও চাইছেন না। তারা সচেতন যে, এতে তাদের নিজেদের সমর্থকরা বিগড়ে যেতে পারে। আবার একারণেই কেন ভোটাররা ট্রাম্পের পরিবর্তে অন্যদের বেছে নেবেন সে যুক্তি তুলে ধরতেও সমস্যায় পড়ছেন তারা।

আগামী বছর হয়তো এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াবে যে, এসব মামলার বিচার ও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার সম্ভাবনার ফলে রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে ট্রাম্পের পক্ষে সমর্থনে কোনো পরিবর্তন হয় কি না। ২০১৪ সালের প্রথমার্ধে ট্রাম্পকে একদিকে প্রচারাভিযানের সময়সূচি এবং আরেকদিকে আদালতে হাজিরা দেওয়া এই দুটি দিকই সামাল দিতে হবে।

এদিকে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি দোষী সাব্যস্ত হলেও বা দণ্ডিত হলেও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে সরে দাঁড়াবেন না। এমনটা হলে মার্কিন রাজনীতিতে এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতি তৈরি হবে। ইয়ংএর মতে, তখন এটাই হবে দেখার বিষয় যে ট্রাম্পের জনমত জরিপে এগিয়ে থাকা আর ইলেক্টাবিলিটি অর্থাৎ ভোট পাবার উপযুক্ত হওয়া এই দুই সূচকে কোন পরিবর্তন হয় কি না।

আপাতত যা দেখা যাচ্ছে তা হলো ট্রাম্প জনসমর্থনের দিক থেকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাইডেনের কাছাকাছিই আছেন। সম্প্রতি ইকোনমিস্ট-ইউগভের জরিপে দেখা যায়, বাইডেন ৪৪ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশ ব্যবধানে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে আছেন। আর মর্নিং কনসাল্টের আরেক জরিপে বাইডেন এগিয়ে আছেন ৪৩ শতাংশ থেকে ৪১ শতাংশ অর্থাৎ মাত্র দুই পয়েন্ট ব্যবধানে। এতে আভাস পাওয়া যায় যে, ২০২৪ সালের নির্বাচনে আগের দুবারের মতোই জয়পরাজয় নির্ধারিত হবে খুব সামান্য ব্যবধানে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • ৪০০ মেগাওয়াট সক্ষমতা নিয়ে আইপিওতে কনফিডেন্স পাওয়ার, লক্ষ্য ২ হাজার

  • বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা প্রদানে মিডল্যান্ড ব্যাংক ও প্ল্যান মেডি ট্রিপ লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

  • নেসকোর এমডির বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ, ব্যাহত হচ্ছে এইচটি বিদ্যুৎ সংযোগ!

  • ইবনে সিনা ন্যাচারাল মেডিসিনের কারখানায় আগুন, ক্ষতি ২০–২৫ কোটি টাকা

  • ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসে আগুন: ৩০–৪০ কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • ৪০০ মেগাওয়াট সক্ষমতা নিয়ে আইপিওতে কনফিডেন্স পাওয়ার, লক্ষ্য ২ হাজার

  • নেসকোর এমডির বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ, ব্যাহত হচ্ছে এইচটি বিদ্যুৎ সংযোগ!

  • বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা প্রদানে মিডল্যান্ড ব্যাংক ও প্ল্যান মেডি ট্রিপ লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

  • ইউক্রেনে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৩

  • রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন: বেড়েছে ১,২২৮ কোটি টাকার বেশি

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য