Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

বিএসইসি চেয়ারম্যান

শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম

গত ৪ বছরে শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের হাতে শেয়ারবাজার?

স্টক নিউজ বিডি May 27, 2024

শুরুতে কারসাজি চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, পতন ঠেকাতে ফ্লোর প্রাইস, শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরানোসহ নানা পদক্ষেপ নেয় বিএসইসি। এসব খবরে আশা জেগেছিল বিনিয়োগকারীদের মধ্যে”।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ একটানা ৯ বছর দায়িত্ব পালন শেষে ২০২০ সালের মে মাসে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের পদ থেকে বিদায় নিয়েছিলেন এম খায়রুল হোসেন। ওই মাসেই ২০২০ সালের ১৭ মে বিএসইসির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েছিলেন শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। ৪ বছরের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন তিনি। চুক্তি অনুযায়ী ১৬ই মে ২০২৪ তার মেয়াদ শেষ হয়।

তবে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে যুগ্ম সচিব মো. জাহিদ হোসেন সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এর ধারা ৫ (৬) মোতাবেক ২০২৪ সালের ১৭ই মে থেকে অথবা যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছর মেয়াদের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান পদে পুনঃনিয়োগ করা হয়।

২০২০ সালের ১৭ মে বিএসইসির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েছিলেন শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। দায়িত্ব নেওয়ার ১৩ দিনের মাথায় ২০২০ সালের ৩১ মে শেয়ারবাজারের বন্ধ লেনদেন চালু করেন।খায়রুল হোসেনের বিদায়ের পর আশায় বুক বেঁধেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। শুরুতে তাই শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম যে উদ্যোগই নিয়েছেন, বিনিয়োগকারীরা তাতে সমর্থন দিয়েছেন।

কারসাজি চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

শুরুর কয়েক মাস শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের নেতৃত্বাধীন পুনর্গঠিত কমিশন কারসাজির বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক নানা ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করে। মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হয় কারসাজির সঙ্গে যুক্ত বিনিয়োগকারী, কোম্পানির উদ্যোক্তা, ব্রোকারেজ হাউসের মালিক ও নির্বাহীদের বিরুদ্ধেও। এসব ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরতে শুরু করে। শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম কমিশনের প্রথম দেড় বছরের নানা উদ্যোগের ফলে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২০২১ সালের ১০ অক্টোবর ৭ হাজার ৩৬৮ পয়েন্টের রেকর্ড উচ্চতায় উঠে যায়। এ সময়ের মধ্যে ঢাকার বাজারের লেনদেনও তিন হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছে যায়।

গত চার বছরে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। পাশাপাশি জড়িত ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে চিহ্নিত করে যোগ্য বিনিয়োগকারী হিসেবে আইপিও কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। একইসঙ্গে যেসব ব্যক্তি এসব কারসাজির সঙ্গে জড়িত তাদেরকে জরিমানার আওতায় নিয়ে আসা হয়। যেসব প্রতিষ্ঠান (ব্রোকারেজ ও মার্চেন্ট ব্যাংক) কারসাজির সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের সনদ নবায়ন স্থগিত করাসহ কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হয়।

কারসাজি বন্ধে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি বন্ধ ও লোকসানি কোম্পানির পর্ষদ ভেঙে নতুন পর্ষদ গঠন করা হয়। ন্যূনতম শেয়ারধারণের শর্ত পরিপালনে ব্যর্থ কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তাদের সরিয়ে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। একের পর এক বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আয়োজন করা হয় রোড শো।

পতন ঠেকাতে ফ্লোর প্রাইস

শেয়ারবাজারে প্রথম ফ্লোর প্রাইস বা শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের সর্বনিম্ন দাম বেঁধে দেওয়ার অভিনব এক ব্যবস্থা চালু হয়েছিল খায়রুল হোসেনের আমলে, ২০২০ সালের মার্চে। ঢাকার বাজারের সূচক সাড়ে ৩ হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে এলে পতন ঠেকাতে এ ব্যবস্থা নিয়েছিল তৎকালীন কমিশন। ২০২১ সালের শুরুতে বাজারে গতি ফিরে এলে সেই ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হয়।

এর পর শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কা লাগে শেয়ারবাজারেও। ফলে শুরুর সাফল্য শেষ দুই বছরে ম্লান হয়ে যায়। যেসব উদ্যোগ নিয়ে তিনি মেয়াদের শুরুতে সফলতা পেয়েছিলেন, সেসব উদ্যোগের বেশির ভাগ পরবর্তী সময়ে শেয়ারবাজারে কারসাজির বড় হাতিয়ার হয়ে ওঠে। আর সেসব কারসাজির কারণেই বাজার এখন ধুঁকছে।

কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর বাজারে আবারও পতন শুরু হয়। সেই পতন ঠেকাতে ২০২২ সালের জুলাইয়ে শেয়ারবাজারে আবারও ফ্লোর প্রাইস ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনে শিবলী কমিশন। সেই ফ্লোর প্রাইস অব্যাহত ছিল দেড় বছরের বেশি সময়। চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে তুলে নেওয়া হয় ফ্লোর প্রাইস।

বন্ধ কোম্পানি চালুর উদ্যোগে এক অনন্য রেকর্ড

২০২০ সালের ১৭ মে বিএসইসির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর শেয়ারবাজারের প্রায় অর্ধশত লোকসানি ও বন্ধ কোম্পানির পর্ষদ বদলে কোম্পানিগুলোকে লাভজনকভাবে চালানোর উদ্যোগ নেয় বিএসইসি। এর মধ্যে কিছু কোম্পানির পর্ষদ ভেঙে নতুন করে স্বতন্ত্র পর্ষদ নিয়োগ করা হয়। আর কিছু কোম্পানির মালিকানা ও পরিচালনার দায়িত্বই বদলে দেওয়া হয়। যা শেয়ারবাজারে এক অনন্য রেকর্ড হয়ে থাকে।

শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরানোই চ্যালেঞ্জ

ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে আবার শুরু হয় ভয়াবহ দরপতন। শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক ভয়াবহ দরপতনের জন্য আস্থার সংকটকেই বড় কারণ মনে করা হচ্ছে। কারসাজির ভয়, সুশাসনের ঘাটতিসহ নানা কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারী থেকে শুরু করে বাজার অংশীজনদের মধ্যেও এ সংকট তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে পতন ঠেকাতে শেয়ারের দাম কমার সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়া নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা কমিশনকে জানিয়েছে ডিএসইর পর্ষদ। আর ফ্লোর প্রাইসের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও বাংলাদেশের শেয়ারবাজার বিমুখ হয়ে পড়েছেন। ফলে পুনর্নিয়োগ পাওয়া শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো।

শেয়ারবাজারের পরিস্থিতি

গত সপ্তাহের সব কার্যদিবসেই টানা পতনে ছিলো ঢাকা স্টক এক্সেচেঞ্জ (ডিএসই)। গতকাল রবিবার ২৬/০৫/২০২৪ দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। কমেছে ৩২২ কোম্পানির শেয়ারদর। গত কার্যদিবসের তুলনায় কমেছে লেনদেন।

ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ৬১ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট কমেছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৫০ পয়েন্টে। ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’১৩ দশমিক ০৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৪৬ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ১৮ দশমিক ৯৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮৮৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ডিএসইতে ৩২২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে মোট ৩৮২টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৩১ টি কোম্পানির, বিপরীতে ৩২২টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ২৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

আজকের লেনদেন

৯ কার্যদিবস পর সূচকের উত্থানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষ হয়েছে। বেড়েছে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর। গত কার্যদিবসের তুলনায় বেড়েছে লেনদেনও।

এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ৫৯ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ৩১০ পয়েন্টে।এছাড়াও, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’১৩ দশমিক ৭০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৬০ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ১১ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯০০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

আজ ডিএসইতে ৫০৬ কোটি ১১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৩২২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

আজ ডিএসইতে মোট ৩৯৪টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২৭৬ টি কোম্পানির, বিপরীতে ৮৪টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে। —এ নিয়ে সংশয় রয়েই গেছে বিনিয়োগকারীদের মনে

স্টক নিউজ বিডি/ শামীম রেজা

0 শেয়ার করুন
1 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
বিএসইসি চেয়ারম্যান

আগামী সপ্তাহ থেকেই বাজার ভালো হবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান

স্টক নিউজ বিডি May 26, 2022

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্কঃ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম বলেছেন, বাজার আগামী সপ্তাহ থেকে ভালো হবে। গুজবে কান দিয়ে প্রতারিত হবেন না। সমস্যা অনেকাংশে কেটে যাবে। শেয়ারবাজার বড় করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে কমিশন।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ক্যাপিটাল মার্কেট স্টেবিলাইজেশন ফান্ডের (সিএমএসএফ) উদ্যোগে “অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শেয়ারবাজারকে শক্তিশালী করণ” শীর্ষক ত্রিপক্ষীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বিআইসিসিতে শেয়ারবাজার উন্নয়নে “বিএসইসি, বিএপিএলসি এবং সিএমএসএফ-এর মধ্যে এ সংলাপের আয়োজন করা হয়।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ক্যাপিটাল মার্কেট স্টেবিলাইজেশন ফান্ড (সিএমএসএফ) গঠন করা হয়েছে সবার কল্যাণে। দেশের অনেক রড় প্রতিষ্ঠান আমানত রক্ষা করতে পারছেনা। তারা শেয়ারহোল্ডারদের পাওনা সময়মত বন্টন করছে না। সঠিকভাবে তথ্য উপস্থাপন করছে না। তারা অনেকেই অন্যের সম্পদ রক্ষা করতে পারছে না।

শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম বলেন, ক্যাপিটাল মার্কেট স্টেবিলাইজেশন ফান্ড (সিএমএসএফ) এর অর্থ কমবে না। বরং বিনিয়োগের মাধ্যমে বাড়তে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও সিএমএসএফ’র চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ (বিএপিএলসি) এর সভাপতি এম আনিস উদ দৌলা এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এর কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সংলাপের শুরুতে প্যানেল আলোচনায় বক্তারা বলেন, বিভিন্ন সময় সংকটের সময় আইসিবি শেয়ারবাজারে অর্থের যোগান দিয়ে থাকে। তবে সিএমএসএফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সংকটের সময় অর্থের যোগান দেয়ার জন্য আরো একটি প্রতিষ্ঠান পাশে পাওয়া যাবে।

এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএসইসির কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, আরো অনেক নতুন প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করতে হবে। বড় প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করতে পারলে একটি স্থিশীল শেয়ারবাজার গঠন সম্ভব। তাই সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। বাজার ভালো হবে।

বিএসইসির প্রাক্তন কমিশনার এবং শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের ভাইস-চেয়ারম্যান আরিফ খানের পরিচালনায় ডিএসই’র চেয়ারম্যান মো. ইউনুসুর রহমান, সিএসই’র চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম, রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান কাজী সানাউল হক, বিএপিএলসি’র সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রিয়াদ মাহমুদ প্যানেল আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন।

প্যানেল আলোচনায় আসিফ ইব্রাহিম বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারিদের আরোও বেশি আকৃষ্ঠ করতে পন্যের ডাইভারসিফিকেশন করতে হবে। একই সাথে বিদেশি অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা এখনও পু্ঁজিবাজারে আসেনি তাদের তালিকাভুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজের (বিএপিএলসি) সভাপতি এম আনিস উদ দৌলা বলেন, একসাথে কাজ করতে পারলে স্থিতিশীল পুঁজিবাজার তৈরি সম্ভব।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন……

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
বিএসইসি চেয়ারম্যান

মানি লন্ডারিংয়ের কারণে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হচ্ছে: বিএসইসি চেয়ারম্যান

স্টক নিউজ বিডি March 20, 2022

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: মানি লন্ডারিং সমাজ ও অর্থনীতির জন্য ক্যান্সারের মতো। এর কারণে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হচ্ছে। আমাদের সবার একত্রে মানি লন্ডারিং প্রতিহত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম।

রোববার (২০ মার্চ) আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নিজস্ব ভবনে আয়োজিত শেয়ারবাজারের মধ্যস্থতাকারীদের জন্য অর্থপাচার বিরোধী এবং সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন প্রতিরোধ শীর্ষক প্রশিক্ষন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

চেয়ারম্যান বলেন, ‘মানি লন্ডারিংয়ের কারণে দেশের অর্থনীতির অনেক ক্ষতি হচ্ছে। যা দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আমাদের সবার মানি লন্ডারিংয়ের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। মানি লন্ডারিং সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ক্যান্সার।’

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘মানি লন্ডারিংয়ের সাথে টেরোরিজমও একটি বড় সমস্যা। টেরোরিজমের কারণে দেশের অর্থনীতির ওপর বিরাট প্রভাব পড়ে। হলি আর্টিজানের ঘটনায় অনেক মানুষ চাকরি হারায়। যা আমাদের সবার জন্য একটি শিক্ষণীয় বিষয় হয়ে থাকবে। আমরা সবাই এসব ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এগুলো থেকে সচেতন থাকতে পারি।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন……

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
Sible-robouat-bsec-chairman

‘সার্কিট ব্রেকারে নিম্নসীমা ফের ১০ শতাংশ করার পরিকল্পনা’ বিষয়টি বানোয়াট- বিএসইসি চেয়ারম্যান

স্টক নিউজ বিডি March 20, 2022

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম জানিয়েছেন, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারদরের নিচের সার্কিট ব্রেকার শিগগির ১০ শতাংশে উন্নীত করার বিষয়টিকে গুজব ও বানোয়াট। রোববার (২০ মার্চ) বিএসইসি চেয়ারম্যান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান, শেয়ারদরের নিচের সার্কিট ব্রেকার শিগগির ১০ শতাংশে উন্নীত করা হবে- এমন কোন সিদ্ধান্ত কমিশন নেয়নি। বিষয়টি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতে শেয়ারবাজারে দরপতন শুরু হয়। দরপতন ঠেকাতে ৮ মার্চ বিএসইসি কমিশনার ড. শেখ সামসু‌দ্দিন আহ‌মেদ সার্কিট ব্রেকার ২ শতাংশ করার বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান। ৯ মার্চ থেকে কার্যকর হয় এ বিএসইসির এ সিদ্ধান্ত। তবে ২০ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকের অনলাইন পোর্টালে ‘সার্কিট ব্রেকারে নিম্নসীমা ফের ১০ শতাংশ করার পরিকল্পনা’ শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদে বিএসইসির শীর্ষ এক কর্মকর্তার সূত্র উল্লেখ করলেও কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। এমন অবস্থায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি নিম্নসীমা ফের ১০ শতাংশ করার পরিকল্পনাকে গুজব বলে উড়িয়ে দেন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন……

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
Sible-robouat-bsec-chairman

বহুজাতিক কোম্পানি ও বড় বড় শিল্প গ্রুপ শেয়ারবাজারে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে

স্টক নিউজ বিডি January 12, 2022

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেছেন, দেশের শেয়ারবাজারের প্রতি উদ্যোক্তাদের আগ্রহ বাড়ছে। এই বাজারের পরিবেশকে এখন অনেকেই অনুকূল মনে করছেন। তাই অনেক বড় বড় ও লাভজনক কোম্পানি বাজারে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী দুই বছরের এদের মধ্য থেকে বেশ কিছু কোম্পানি বাজারে আসবে।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিষ্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাতকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, বহুজাতিক কোম্পানি ও বড় বড় শিল্প গ্রুপকে শেয়ারবাজারে নিয়ে আসার ব্যাপারে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। কিছুদিনের মধ্যে অগ্রগতি দৃশ্যমান হবে।

তিনি বলেন, চাইলে জোর করে বা ডিরেক্টিভ দিয়ে এসব কোম্পানিকে বাজারে নিয়ে আসা যায়। কিন্তু তারা তা করতে চান না। কারণ বাধ্য করার ফল অনেক সময় ভাল না-ও হতে পারে। তাই তারা কোম্পানিগুলোর জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। আর এই পরিবেশ যখন আকর্ষণীয় মনে হবে তখন কোম্পানিগুলোকে আনার জন্য কোনো ডিরেক্টিভের প্রয়োজন হবে না।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান কমিশন আইনের সংস্কার ও বাজারের উন্নয়নে যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, সেগুলোর সুফল আসতে শুরু করেছে। যে কোনো উদ্যোগের ফল পেতে একটু সময় লাগে।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, দেশে বিদেশী বিনিয়োগ বাড়াতে বিএসইসির উদ্যোগে যেসব রোড শো হয়েছে, সেগুলোরও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেকগুলো কোম্পানি ও ফান্ড সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করেছে।

বিএসইসির কমিশনার প্রফেসর ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, শেয়ারবাজারের রিপোর্টাররা অনেক পরিণত। তাদের রিপোর্টের মান অনেক ভাল। আরও ভাল করার জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে হবে। সিএমজেএফের সদস্যদের চাহিদা জানালে তারা সে অনুসারে প্রশিক্ষণ আয়োজনের ব্যবস্থা নেবেন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন……

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
মাত্র দুই সপ্তাহে আইপিও অনুমোদন দেওয়া হবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান

মাত্র দুই সপ্তাহে আইপিও অনুমোদন দেওয়া হবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান

স্টক নিউজ বিডি December 22, 2021

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) কোম্পানি মাত্র দুই সপ্তাহে অনুমোদন দেওয়া হবে। তবে এর জন্য বিএসইসির নির্দেশিত সকল কাগজপত্র সঠিকভাবে দিতে হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের (ডিএসই) উদ্যোগে বাজার উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার বিভিন্ন গ্রুপ অফ কোম্পানিজেরর চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং চেম্বার প্রতিনিধি বৃন্দের সাথে “কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা ও সুযোগ” শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়৷ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সম্মেলনের প্রধান উদ্দেশ্য পুঁজিবাজারের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের সুযোগ ও সুবিধা সম্পর্কে করপোরেট কোম্পানিগুলোকে অবগত করা এবং এ সংক্রান্ত পলিসি প্রনয়ণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা৷ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন ডিএসইর চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুসুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন,বর্তমান সরকার খুবই ব্যবসা বান্ধব সরকার। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নির্দেশনা হলো নিয়ম নীতির মধ্যে ব্যবসাকে অগ্রাধিকার দিয়ে জনগনকে সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা ও সহযোগিতা প্রদান করা। আইপিও’র অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজীকরণের জন্য বিএসইসি একটি চেকলিস্ট দেয়া আছে৷ সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র জমা দিলে বিএসইসি’র আইপিও অনুমোদন করতে ২ সপ্তাহের বেশি প্রয়োজন হবে না৷ কোম্পানিগুলো চেক লিস্ট কাগজপত্র জমা না দেয়ায় অনুমোদনের সময় বেশি লাগে৷ বিএসইসি’র কার্যক্রম অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং এর প্রত্যেকটি ডেস্কই হলো হেল্প ডেস্ক৷ উদ্যোক্তাদের সহযোগিতার জন্য আমরা প্রস্তুত৷

তিনি আরও বলেন, গত ১ (এক) বিএসইসি বছরে সর্বোচ্চ সংখ্যক ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকার বন্ড ও আইপিও অনুমোদন দিয়েছে৷ অনেকে সমালোচনা করেন যে, অনেক আইপিও অনুমোদন দেয়া হচ্ছে৷ এছাড়াও পুঁজিবাজার ওভার ভ্যালুড হচ্ছে৷ একই সাথে সূচক বাড়ছে৷ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় দেশের পুঁজিবাজার অনেক পিছিয়ে আছে৷ সব কিছুতেই আমরা হীনমন্যতা বোধ করি৷ দেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে, সেই সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুঁজিবাজারকে আমরা যদি এগিয়ে নিতে না পারি তাহলে এই দেশের উন্নতি হবে না৷

শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন,পুঁজিবাজার হচ্ছে দীর্ঘ মেয়াদী অর্থ সংগ্রহের জায়গা৷ আর ব্যাংক হচ্ছে স্বল্প মেয়াদী ঋণের জায়গা৷ ব্যাংকে গ্রাহকগন সর্বোচ্চ ৩ বছরের জন্য এফডিআর রাখে৷ ব্যাংক প্রতিষ্ঠানকে ১৫ বছরের ঋণ দেয়৷ গ্রাহক যদি প্রয়োজনে টাকা তুলতে আসলে ব্যাংক তারল্য সমস্যায় পড়ে৷ এছাড়া পৃথিবীতে কম ব্যক্তিই আছে যারা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে নিয়মিত পরিশোধ করতে পারে৷ আমরা পুঁজিবাজারকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। পুঁজিবাজারকে অর্থ যোগানের নির্ভরযোগ্য উৎসে রূপান্তর করতে চাই। দীর্ঘ মেয়াদী অর্থ যোগানের জন্য আমরা পুঁজিবাজারে বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিয়ে আসছি৷

বিএসইসি’র কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা এ বছর স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী পালন করছি। আমরা যখন স্বাধীন হয়েছিলাম তখন ৯টি তালিকাভুক্ত কোম্পানি ছিল। যার সম্মিলিত মূলধন ছিল ১৩ কোটি টাকা। কত সামান্য মূলধন নিয়ে আমরা শুরু করেছিলাম। আজ ডিএসই’র মার্কেট ক্যাপ প্রায় ৬৫ বিলিয়ন ডলার। আজ ডিএসইতে ৩০০ এর বেশি কোম্পানি তালিকাভুক্ত আছে। তাই আমাদের হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই। উদ্যোক্তারা অত্যন্ত সম্মানিত গোষ্ঠী। আমরা সরকারী কর্মচারী হিসেবে সরকারের নিয়ম অনুযায়ী আপনাদের সেবা প্রদানের চেষ্টা করব। আমরা উদ্যোক্তাদের নিয়ম অনুযায়ী সাহায্য করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, আপনারা আপনাদের প্রয়োজনটা আমাদের বলেন। আমরা আপনাদের সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে আসেন। আপনাদের ব্যক্তিগতসহ যে কোন সমস্যা আমরা দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করবো। নারীদের জন্য বিশেষায়িত বন্ড চালু করার জন্য কমিশনের গভীর আগ্রহ রয়েছে। আমাদের দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাদেরকে যদি সাথে নিয়ে আসতে না পারি, আমাদের এই সেবাগুলো যদি তাদের কাছে পৌঁছে দিতে না পারি, তাহলে আমরা এগিয়ে যেতে পারবো না। নারীদের কিভাবে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা যায় সে বিষয়ে কমিশন চেষ্টা করছে। পরিশেষে তিনি সবাইকে সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন৷

এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুস সালাম মুর্শিদী, এমপি বলেন, আমরা যে বড় শিল্প গ্রুপ হয়েছি তা সম্ভব হয়েছে দেশের স্বাধীনতার কারণে৷ দেশের উন্নয়নের জন্য আমাদের সকলকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে৷ যার যার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে৷ বর্তমানে আইটি কোম্পানিগুলো খুব ভালভাবে কাজ করছে৷ তাদেরকে কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা করে ব্যবসা বৃদ্ধি করার সুযোগ দিতে হবে৷ এছাড়াও সেক্টর অনুযায়ী সকলকে নিয়ে কাজ করতে হবে৷ এছাড়াও পুঁজিবাজারের প্রবৃদ্ধি যাতে সঠিকভাবে হয় সে দিকে নজর দিতে হবে৷ তাহলে পুঁজিবাজার দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে৷ এর জন্য আমাদের হতাশ না হয়ে ইতিবাচক চিন্তাধারা বজায় রেখে কাজ করতে হবে৷ নীতিভ্রষ্ট না হয়ে যার যার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করলে বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছেন তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা যাবে৷

স্বাগত বক্তব্যে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক আমিন ভূইয়া বলেন, আপনারা লক্ষ করেছেন ২০২০ সালের মে মাস থেকে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার পরিবর্তিত হচ্ছে। এই সময়ে পুঁজিবাজারে প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ডিএসইতে ও ভাল কিছুর জন্য পরিবর্তন হচ্ছে। যে “পাঁচ পি”র উপর ডিএসই তার ডিজিটাল পরিবর্তন আনয়নে কাজ করবে তা হল-পিপল, প্লাটফর্ম, প্রোডাক্ট, প্রসেস এবং পলিসি। এই পাঁচপির সঠিক সম্মিলন এবং সমন্বিত বাস্তবায়নে শেয়ারহোল্ডারদের লাভবান করার পাশাপাশি পুঁজিবাজারের উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।

প্রথম পি হলো পিপল- পিপল হলো আমাদের কর্মকর্তা, কর্মচারী, ব্রোকার, বিনিয়োগকারী এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এক্ষেত্রে আমরা যে উন্নয়ন করি তার ফল যাতে সকলে পায়। দ্বিতীয় পি হলো প্লাটফর্ম- আমরা প্লাটফর্মে যে বিনিয়োগ করবো নিশ্চিত করতে হবে যে এটি বিনিয়োগকারী, ব্রোকারসহ অন্যান্য সকলের প্রয়োজন পূরণ করবে। আমরা পরিবর্তনটি আনবো ভালোর জন্য। তৃতীয়পি হলো প্রোডাক্ট-বর্তমানে আমাদের দুইটি প্রোডাক্ট রয়েছে। একটি হলো ইক্যুইটি, অন্যটি হলো বন্ড। আমাদের মার্কেটে আরও প্রোডাক্ট এর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। আশা করি আগামীতে ডিএসইতে আরও অনেক প্রোডাক্ট থাকবে৷ চতুর্থ পি হলো প্রসেস- আমাদের চিন্তা করতে হবে আমাদের যে প্রসেসই গ্রহণ করি তা যেন সকলের উপকারে আসে৷ সর্বশেষ পি হলো পলিসিজ। পুঁজিবাজারের প্রধান রেগুলেটর হলো বিএসইসি৷ এছাড়াও ডিএসই এবং সিএসইও পুঁজিবাজারের রেগুলেটর৷ মূলতঃ বিএসইসি পুঁজিবাজারের জন্য পলিসি দেয় তা খুব বিনিয়োগ বান্ধব৷ ডিএসই এই পলিসিগুলো বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে৷ তিনি আরও বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে কোম্পানিগুলোর সাথে কথা বলবো৷ তাদের থেকে শুনবো এবং পুঁজিবাজরে তালিকাভুক্ত হতে তাদের যথাসম্ভব গাইড দিবো এবং সহায়তা করবো৷ যাতে তারা দ্রুত তালিকাভুক্ত হতে পারে। আমি সকলের মঙ্গল কামনা করে আমার বক্তব্য শেষ করছি।

ডিএসই’র চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুসুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে প্রায় ২ লক্ষাধিক কোম্পানি নিবন্ধিত রয়েছে৷ এর মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার কোম্পানি আয়কর দেয়৷ পক্ষান্তরে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত আছে মাত্র ৩৪৭টি কোম্পানি৷ আমরা দেশের বাহিরে কয়েকটি রোড শো করেছি, যাতে বিদেশি কোম্পানিগুলো দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে৷ আমাদের দেশে অনেক বড় বড় গ্রুপ অব কোম্পানিজ আছে৷ পুঁজিবাজারে কোম্পানিসমূহ তালিকাভুক্ত হলে কি কি সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায় তা আরও বিশদভাবে শিল্পদ্যোক্তাদের কাছে উপস্থাপন করা হবে৷ সেই লক্ষ্যে আমরা প্রয়োজনে টিম গঠন করে এ ধরনের সভা সেমিনার অব্যাহত রাখব।

মূল প্রবন্ধে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের পটভূমি; কাঠামোগত ওভারভিউ; ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালন কাঠামো; বাংলাদেশ পুঁজিবাজার: পণ্য এবং বোর্ডসমুহ; বাংলাদেশ পুঁজিবাজার তহবিল সংগ্রহ প্রক্রিয়া: ইক্যুইটি অর্থায়ন; আইপিওর জন্য সাধাণ প্রয়োজনীয়তা; বাংলাদেশ পুঁজিবাজার তহবিল সংগ্রহ প্রক্রিয়া: ঋণ অর্থায়ন; বাংলাদেশ পুঁজিবাজার তহবিল সংগ্রহ প্রক্রিয়া: মিউচুয়াল ফান্ড এবং ইটিএফ; বাংলাদেশ পুঁজিবাজার তহবিল সংগ্রহ প্রক্রিয়া: বিকল্প বিনিয়োগ তহবিল; বাজার মূলধন টু জিডি; আইপিও’র সংখ্যা; উদ্যোক্তাদের পুঁজিবাজারে অর্থায়ন; বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের জন্য উদীয়মান বাজারের গুরুত্ব; উদীয়মান বাজারে সম্ভাব্য স্থানান্তর সুবিধা; পুঁজিবাজারের মাধ্যমে মূলধন বৃদ্ধির মাইক্রো স্তরের সুবিধা; কোম্পানির পোস্ট লিস্টিং মূল্যায়ন; পুঁজিবাজারের মাধ্যমে অর্থায়নের ম্যাক্রো স্তরের সুবিধা; তারল্যের চক্রাকার সুবিধা; পুঁজিবাজারের মাধ্যমে অর্থায়নে অনীহা: পর্যবেক্ষণ বনাম বাস্তবতা৷

পরে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ডেফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মোঃ সবুর খান, আব্দুল মোমেন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. এস. এম মাঈনুদ্দিন মোনেম, র‌্যাঙ্কস গ্রুপের পরিচালক মিসেস রোমানা রউফ চৌধুরী, বিএসইসি’র নির্বাহী পরিচালক মোঃ সাইফুর রহমান, মোহাম্মদ রেজাউল করিম এবং ডিএসই’র পরিচালক মো. শাকিল রিজভী৷

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন……

0 শেয়ার করুন
1 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পুঁজিবাজারের জটিলতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বিএসইসি চেয়ারম্যান

পুঁজিবাজারের জটিলতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বিএসইসি চেয়ারম্যান

স্টক নিউজ বিডি December 1, 2021

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: দেশের শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

সাক্ষাৎকালে তিনি দেশের শেয়ারবাজার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরবেন। পাশাপাশি বাজারের উন্নয়নে বিএসইসির নেওয়া নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর গাইডলাইন চাইবেন তিনি। নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সব সময় আন্তরিক। তার নির্দেশনায় বিএসইসির বর্তমান কমিশনের উদ্যোগে এই বাজারে নতুন গতির সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয় বিনিয়োগের পাশাপাশি বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ানোর অনেক সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নতুন নতুন প্রোডাক্ট চালু হচ্ছে বাজারে।

সব মিলিয়ে এই বাজারকে শিল্প-বাণিজ্যের দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের প্রধান উৎসে পরিণত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু পুঁজিবাজার ও আর্থিকবাজারসহ বিভিন্ন খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কার্যকর সমন্বয় ও আন্তরিক সহযোগিতার অভাবে পুঁজিবাজারের প্রকৃত সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

বরং কোনো কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত মাঝে মধ্যেই বাজারকে অস্থির করে তুলছে। এ অবস্থায় আজ প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতে বিএসইসি চেয়ারম্যান নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ও আন্তরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরে এ বিষয়ে তার হস্তক্ষেপ চাইতে পারেন।

দেশের পুঁজিবাজারে বিদেশী পোর্টফোলিও বিনিয়োগের পাশাপাশি প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (Foreign Direct Investment-FDI) বাড়ানোর লক্ষ্যে বিএসইসির উদ্যোগে সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড ও দুবাইয়ে রোড শো অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব রোড শোতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে দেশের অর্থনীতির ধারাবাহিক উন্নয়ন, অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যায়। এসব রোড শো’র অর্জনগুলো সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবগত করবেন বিএসইসি চেয়ারম্যান।

পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ (Capital Market Exposure) হিসাবায়ন সংক্রান্ত জটিলতা, পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা তহবিলে ব্যাংকের অবিতরণকৃত লভ্যাংশ স্থানান্তরে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনীহাসহ কিছু ইস্যুও প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনা হতে পারে। কারণ এসব ইস্যু বাজারের গতিশীলতাকে বারবার ব্যাহত করছে। বাজার উন্নয়নের বিভিন্ন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ব্যহত হচ্ছে তাতে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন……

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

সর্বশেষ খবর

  • ১২ হাজার কোটি টাকার ডিপোজিটে মধুমতি ব্যাংকের নতুন মাইলফলক

  • প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকমের ঋণখেলাপি মামলায় ৫ পরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা  অনুষ্ঠিত

  • রবির তিন মাসেই ১,৫৮০ কোটি টাকা নগদ অর্থ উধাও, স্বল্পমেয়াদি ঋণ বেড়েছে ৩৬০ কোটি টাকা

  • ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের নিট মুনাফা ১২ কোটি ৪২ লাখ, বেড়েছে ইপিএসও

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • ১২ হাজার কোটি টাকার ডিপোজিটে মধুমতি ব্যাংকের নতুন মাইলফলক

  • ইসলামের মূল মর্মবাণী হলো মানুষের সর্বস্ব আল্লাহতায়ালার কাছে সোপর্দ করে দেওয়া

  • তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স স্পট মার্কেটে যাচ্ছে কাল

  • বাজেট কমছে ঢাবির

  • শাহবাগে প্রাথমিক শিক্ষক সমাবেশ ছত্রভঙ্গ প্রসঙ্গে ডিএমপির ব্যাখ্যা

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য