Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

সরকার

সরকার আমাদের সংসদে নিয়ে গেছে এটা আংশিক সত্য: জিএম কাদের

স্টক নিউজ বিডি February 3, 2024

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগ একটা বিভ্রান্তিমূলক স্টেটমেন্ট দিয়েছে। আওয়ামী লীগ বলেছে, ২৬টা সিট জাতীয় পার্টির ফেভারে ছেড়েছে। আওয়ামী লীগের এ স্টেটমেন্টের কারণে ভোটে জাতীয় পার্টির চরম ক্ষতি হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের বদান্যতায় সংসদে গেছি বা সরকার সংসদে নিয়ে গেছে এটা আংশিক সত্য। সামগ্রিকভাবে এটা সত্য নয়। আমরা ফাইট করে এসেছি, উনারা শুধু নৌকা তুলে নিয়েছেন।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাপা চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

জিএম কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ একটা সিটও আমাদের ফেভারে ছাড়েনি। সব জায়গায় তাদের লোক দিয়েছে, ফাইট করেছে। আমাদের প্রার্থীদের যে কোনোভাবে পরাজিত করা হয়েছে। অনেকেই বলেছেন মহাজোট, অনেকেই বলেছেন সিট ভাগাভাগি হয়েছে। এ বিভ্রান্তি আওয়ামী লীগ ইচ্ছা করে করেছে অথবা ভুলে করেছে। তবে আমাদের চরম ক্ষতি হয়েছে। আমরা ৩০০ আসনে ফাইট দিয়েছি। যদি ৩০০ আসনে ফাইট একেবারে নিশ্চিতভাবে করতে পারতাম, তাহলে ফলাফল এর চেয়ে ভালো হতো। বিভ্রান্তির কারণে জাপা প্রার্থীরা নির্বাচনী পোস্টারে ‘সরকারদলের প্রধানের’ ছবি দিয়েছেন।

দলের সাম্প্রতিক সময়ের সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেকে বলছেন আমাদের দল ভাগ হয়ে যাবে। এ মুহূর্তে দল ভাগ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছি না। আরেকটা দল গঠন হতে পারে। এরশাদ সাহেবের নাম নিয়ে, আদর্শ নিয়ে আরও ১০টা দল গঠন হতে পারে। সেটার একটা প্রক্রিয়া আছে, যে কোনো লোক করতে পারে। তবে আমাদের যে দলের কাঠামোতে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, সেখান থেকে নতুন করে দল গঠন করার কোনো পরিবেশ বা পরিস্থিতি দেখতে পারছি না। দলের ব্যাপারে মানুষের ধারণা খুব একটা ভালো নয়।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের বদান্যতায় আমরা সংসদে গেছি বা সরকার আমাদের সংসদে নিয়ে গেছে এটা আংশিক সত্য। সামগ্রিকভাবে এটা সত্য নয়। আমরা ফাইট করে এসেছি, উনারা শুধু নৌকা তুলে নিয়েছেন। আরেজন বলছেন আমরা পরের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এটাও আংশিক সত্য। আমরা চেষ্টা করছি এটা থেকে বেরিয়ে আসতে। আমি বলছি না, দল ভাঙবে। তবে দলের মধ্যে সংশোধন হওয়ার দরকার আছে। সংশোধন করতে না পারলে আগামীতে দলের প্রতি মানুষের আস্থা ভালোবাসা থাকবে না।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

বিভিন্ন দল থেকে নেতা কিনতে গরুর হাটের মতো দরদাম চলছে: রিজভী

স্টক নিউজ বিডি November 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বিভিন্ন দল থেকে নেতা কিনতে সরকার গরুর হাটের মতো দরদাম করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘দেশের জনগণ তফসিল প্রত্যাখ্যান করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন ফখরুদ্দীন-মঈনউদ্দিনের মতো তথাকথিত কিংস পার্টি, ভুঁইফোড় পার্টি, ড্রিংকস পার্টি, ছিন্নমূল পার্টি তৈরি করে তাদের দিয়েই তামাশার নির্বাচন মঞ্চস্থ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।’

বুধবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ষষ্ঠ দফা অবরোধের সার্বিক চিত্র তুলে ধরতে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করেন রিজভী। এসময় তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘শেখ হাসিনা তার এজেন্সিগুলো মাঠে নামিয়ে দিয়েছেন তথাকথিত কিংস পার্টি গঠনের জন্য। বিভিন্ন দল থেকে নেতা কিনতে গরুর হাটের মতো দরদাম চলছে। আওয়ামী সরকারের কিংস পার্টিতে যোগ দিতে দেশপ্রেমিক বহু নেতাকে চাপ-প্রলোভন-ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। ছলে বলে কৌশলে, টোপ দিয়ে কাউকে কাউকে বাগানো হচ্ছে।

‘আবার কেউ কেউ জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে না গিয়ে বিরোধীদলের লেবাসে ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে তথাকথিত এইসব কিংস পার্টি, ভুঁইফোড় পার্টি, ছিন্নমূল পার্টি হালুয়া-রুটির ভাগ পাওয়ার লালসায় ফ্যাসিস্টদের বর্তমান আস্তানা গণভবন-বঙ্গভবনে ছুটোছুটি করছেন।’

রিজভী বলেন, ‘দেশের কৃষক-শ্রমিক, দিনমজুর, স্বল্প আয়ের মানুষ, শ্রমজীবী-কৃষিজীবী, পেশাজীবী, আলেম-ওলামাসহ সব শেণি-পেশার মানুষ এখন মাফিয়া চক্রের শৃঙ্খলে বন্দি। দেশের সব নাগরিক বর্তমানে মানবিক মর্যাদা হারিয়ে, রাজনৈতিক অধিকার হারিয়ে, ভোট প্রয়োগের অধিকার হারিয়ে নিজ দেশেই যখন মাফিয়া চক্রের শৃঙ্খলে বন্দি, তখন কিছু লোক সামান্য খুদ-কুড়ার লোভে তারা বিবেক বিবেচনাহীনভাবে তামাশার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এইসব বেইমান দলছুটরা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন। কিন্তু এসব রং বদলানো পরজীবী রাজনীতিবিদরা জনগণের সংকেতবার্তা টের পাচ্ছেন না। জনগণ খুব দ্রুতগতিতে ধেয়ে যাচ্ছে সরকারের সিংহাসন ধুলোয় লুটিয়ে দিতে। জনগণের সেই পদচিহ্ন লক্ষ্য করতে পারছে না এই নব্য রাজাকারেরা।’

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

তৃণমূল বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

স্টক নিউজ বিডি November 18, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে তৃণমূল বিএনপি।

শনিবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ১১টা থেকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়।

তৃণমূল বিএনপির ভাইস চেয়ারপারসন ও মিডিয়া উইং চিফ সালাম মাহমুদ বলেন, ‘সকাল থেকে ১২ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী ফরম সংগ্রহ করেছেন। আগামী সোমবার পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিক্রি চলবে। ২১ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হবে।’

এসময় খুলনা-৪ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী মেজর ড. শেখ হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা ৩০০ আসনে নির্বাচন করব। খুলনা-৪ আসনের জন্য মনোনয়ন সংগ্রহ করেছি। আশা করি জয়ী হব। বর্তমানে জনগন চায় তৃতীয় শক্তি ক্ষমতায় আসুক। আমরা জনগনের পাশে থাকব।’

তৃণমূল বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে (৩৩ তোপখানা রোড, মেহেরব প্লাজা ১৬ তলা) ৫ হাজার টাকা পে অর্ডার/নগদ জমা দিয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা যাবে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

মঙ্গলবার ঢাকায় সমাবেশ করবে ১৪ দল

স্টক নিউজ বিডি November 11, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতা ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রাজধানীতে শান্তি সমাবেশ করবে ক্ষমতাসীন ১৪ দলীয় জোট। মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন।

শনিবার (১১ নভেম্বর) ১৪ দলের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সমাবেশে ১৪ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

সরকারের ‘অলটারনেট গণতন্ত্রের’ ফানুস চুপসে গেছে: মঈন খান

স্টক নিউজ বিডি November 11, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: সরকারের ‘অলটারনেট গণতন্ত্রের’ ফানুস এরই মধ্যে ফেটে ভেতরের গ্যাস বের হয়ে চুপসে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে একতরফা তফসিল ঘোষণা করলে সরকার পুনরায় এটাই প্রমাণ করবে যে, আওয়ামী সরকার গণতান্ত্রিক আদর্শে বিশ্বাসী নয়। বরং একদলীয় স্টিম রোলার চালিয়ে দেশ শাসন করতে চায়।’

শনিবার (১১ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

মঈন খান বলেন, ‘সরকারি দল হয়তো মনে করছে অতীতের মতো একটি একতরফা সাজানো নাটক করে এবারেও নির্বাচনী বৈতরণী পার হয়ে যাবে। তারপর যেনতেন প্রকারে একটা গৃহপালিত বিরোধীদল সাজিয়ে নির্বিঘ্নে একটি ‘মেইক বিলিভ’ সংসদের নাটক মঞ্চস্থ করবে। তবে, বিষয়টি হচ্ছে এই যে, এখন আর ২০১৪ বা ২০১৮ সাল নয়। ২০২৪ সালে এসে এখন সরকার আর দেশে-বিদেশে কাউকে বোকা বানাতে পারছে না। কারণ তাদের ‘অলটারনেট গণতন্ত্রের’ ফানুস এরই মধ্যে ফেটে ভেতরের গ্যাস বের হয়ে চুপসে গেছে।

তিনি বলেন, ‘এখন দেশের ভেতরেই হোক বা বাইরেই হোক, সবাই প্রত্যক্ষ করেছে এবং খোলাখুলিভাবে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বিরোধীদলের ওপর ক্র্যাক ডাউন করে, তাদের সংগঠনের ওপর থেকে নীচ পর্যন্ত সবাইকে গ্রেফতার করে তারপর একতরফা প্রহসনের নির্বাচনের তামাশার মাধ্যমে রাজত্ব চালানো যেতে পারে, তবে তা গণতন্ত্র নয়।’

বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার নতুন করে আবার একদলীয় সবকার গঠন করে দেশের মানুষের ভোটাধিকারসহ সব অধিকার হরণ করেই চলবে। এটা বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষ আর হতে দেবে না।’

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

1 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

শুক্রবারে মহাসমাবেশ করতে চায় ইসলামী আন্দোলন

স্টক নিউজ বিডি November 2, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে চলতি সংসদ ভেঙে জাতীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে শুক্রবার (৩ নভেম্বর) সর্বকালের সর্ববৃহৎ মহাসমাবেশ করার কথা জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলটির সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম।

এর আগে গত ২০ অক্টোবর এক সমাবেশে ৩ নভেম্বরের মহাসমাবেশের ঘোষণা দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। দলটিকে ২০ শর্তে শুক্রবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করীম বলেন, শুক্রবার (৩ নভেম্বর) যে মহাসমাবেশ হবে সেখান থেকে ইসলামী আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কী ধরনের কর্মসূচি আসতে পারে জানতে চাইলে ফয়জুল করিম বলেন, পরিস্থিতির আলোকে সেটা আগামীকাল মহাসমাবেশে জানিয়ে দেওয়া হবে।

মহাসমাবেশ কত লোক হতে পারে জানতে চাইলে ফয়জুল করিম বলেন, সংখ্যা বলা যাবে না, তবে আশা করি সর্বকালের সর্ববৃহৎ মহাসমাবেশ হবে। এ মহাসমাবেশ কোনো দলের নয়, এটি সব জনগণের।

পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘যারা রাষ্ট্রের দায়িত্বে আছেন তাদের কাজ হলো জনগণের নিরাপত্তা দেওয়া। তাই আমি রাষ্ট্রপক্ষের সবাইকে বলবো জনগণের বন্ধু কোনো দলের নয়, জনগণকে ভালোবাসেন কোনো দলকে নয়।’

মহাসমাবেশ ঘিরে কোনো শঙ্কা দেখছেন কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ফয়জুল করিম বলেন, কিছু কিছু জায়গায় আমাদের নেতাকর্মীদের আটক করা হয়েছিল। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। যতক্ষণ সমাবেশ না হচ্ছে ততক্ষণ আমরা শঙ্কামুক্ত নই। কারণ সরকার কখন কী সিদ্ধান্ত নেয় সেটা তো জানা যায় না।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

চাঁদা দেওয়ায় এগিয়ে ঢাকা, পিছিয়ে সিলেট বিভাগ

স্টক নিউজ বিডি August 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: দেশের সব শ্রেণি-পেশার জনগণকে টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় আনতে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। প্রাথমিকভাবে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা এবং সমতা— এই চার স্কিম নিয়ে চালু হয়েছে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি। শুরুতেই এ পেনশন কর্মসূচিতে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ নিবন্ধন শেষ করে চাঁদা পরিশোধ করছেন।

শুরুতে নিবন্ধন সম্পন্ন করে চাঁদা দেওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা। আর সব থেকে কম নিবন্ধন করে চাঁদা দিয়েছেন প্রবাসীরা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীদের জন্য চালু করা হয়েছে প্রগতি স্কিম। অপরদিকে বিদেশিদের জন্য চালু করা হয়েছে প্রবাস স্কিম।

পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পেনশন স্কিমের আওতায় আসাদের মধ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা রয়েছেন অর্ধেকের বেশি। তাদের জন্য চালু করা প্রগতি স্কিমে নিবন্ধন করে চাঁদা পরিশোধ করেছেন ৩ হাজার ২৫২ জন।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত চাঁদা পরিশোধসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন ৬ হাজার ১০৩ জন। তাদের জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ৩ কোটি টাকার ওপরে।

পেনশন স্কিমে নিবন্ধনের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চাঁদা পরিশোধের ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন ঢাকা বিভাগের বাসিন্দারা। আর সব থেকে কম চাঁদা পরিশোধ করেছেন সিলেট বিভাগের বাসিন্দারা।

পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পেনশন স্কিমের আওতায় আসাদের মধ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা রয়েছেন অর্ধেকের বেশি। তাদের জন্য চালু করা প্রগতি স্কিমে নিবন্ধন করে চাঁদা পরিশোধ করেছেন ৩ হাজার ২৫২ জন।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সুরক্ষা স্কিম। অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা স্বকর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিরা যেমন- কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতি ইত্যাদি পেশার ব্যক্তিদের জন্য এই স্কিম চালু করা হয়েছে। এই স্কিম গ্রহণ করে চাঁদা পরিশোধ করেছেন এক হাজার ৮২৮ জন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত আয় সীমার ভিত্তিতে দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী আয়ের ব্যক্তিদের (যার বর্তমান আয় সীমা বাৎসরিক সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা) জন্য চালু হওয়া সমতা স্কিমে চাঁদা দিয়েছেন ৮৭৫ জন। এছাড়া প্রবাসীদের জন্য চালু করা প্রবাসী স্কিমে ১৪৮ জন চাঁদা দিয়েছেন।

চাঁদা দেওয়ায় এগিয়ে ঢাকা বিভাগ
পেনশন স্কিমে নিবন্ধন সম্পন্ন করে চাঁদা দেওয়ার ক্ষেত্রে এখনো পর্যন্ত শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। ঢাকা বিভাগের এক হাজার ৮৩৯ জন চাঁদা পরিশোধ করেছেন। পরের স্থানে থাকা চট্টগ্রাম বিভাগের এক হাজার ৬৫৪ জন চাঁদা দিয়েছেন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে খুলনা বিভাগ, চাঁদা দিয়েছেন ৭৩১ জন। এছাড়া রাজশাহী বিভাগের ৫৪৪, রংপুর বিভাগের ৩৯০, বরিশাল বিভাগের ৩৮৮, ময়মনসিংহ বিভাগের ৩৫২ এবং সিলেট বিভাগের ২০৫ জন চাঁদা দিয়েছেন।

চাঁদা দেওয়ায় শীর্ষে ৩১-৪০ বছর বয়সীরা
পেনশন স্কিমে এখনো পর্যন্ত সব থেকে বেশি চাঁদা দিয়েছেন ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীরা। চাঁদা পরিশোধকারীদের মধ্যে ২ হাজার ৬৫৪ জন রয়েছেন ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী রয়েছেন এক হাজার ৮৩৭ জন।

এছাড়া ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী রয়েছেন এক হাজার ১৯৮ জন। ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সী ৭৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী রয়েছেন ৩১৩ জন। এছাড়াও বয়স ৬০ পেরোলেও বিশেষ বিবেচনায় পেনশন স্কিমে অংশ নিয়ে চাঁদা দিয়েছেন ২৫ জন।

১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী সব বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য সর্বজনীন এই পেনশন স্কিম চালু করেছে সরকার। তবে বিশেষ বিবেচনায় ৫০ বছরের বেশি বয়সীরাও পেনশন স্কিমে আসার সুযোগ পাচ্ছেন।

এদিকে, পেনশনের আওতায় আসাদের জমা দেওয়া চাঁদা ঝুঁকিমুক্ত ও নিরাপদ খাতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে এই টাকা কোন কোন খাতে বিনিয়োগ করা হবে, তা এখনো ঠিক করা হয়নি। এ লক্ষ্যে একটি বিনিয়োগ নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে নীতিমালা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। নীতিমালা তৈরি হয়ে গেলে সেই অনুযায়ী পেনশন স্কিমের টাকা বিনিয়োগ করা হবে।

অবশ্য এই বিনিয়োগ নীতিমালা তৈরি করার আগেই প্রাথমিকভাবে জমা হওয়া চাঁদার টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সরকারি সিকিউরিটিজে বা ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা হতে পারে।

এ বিষয়ে সর্বজনীন পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য গোলাম মোস্তফা জাগো নিউজকে বলেন, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। এই জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর করবে। সেখানে একটা বোর্ড আছে, বোর্ড গাইডলাইন তৈরি করবে। আমরা একটা বিনিয়োগ বিধিমালাও তৈরি করবো। সেটার কাজ চলছে।

সুষ্ঠু বিনিয়োগ করে যাতে ফান্ডটা সেভ ফাইন্যান্সিং হয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। বিনিয়োগটা যাতে লাভজনক হয় তার ব্যবস্থাও করতে হবে। বিনিয়োগ থেকে যেন অবশ্যই ভালো রিটার্ন পাওয়া যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

তিনি বলেন, বিনিয়োগ ছাড়া চলবে কীভাবে? বিনিয়োগ করতেই হবে। আমরা চাচ্ছি খুব দ্রুত বিনিয়োগ করতে। আমরা ফান্ড পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগের উদ্যোগ নেবো। গাইডলাইন তৈরির আগে যদি আমি সরকারি কোনো… বিনিয়োগ করি তাতেও সমস্যা নেই। যেমন আমি যদি ট্রেজারি বিল কিনি, ট্রেজারি বিলের থেকে নিরাপদ তো কিছু নেই। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে ট্রেজারি বিল কিনবে, তাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে এখানে একটা প্রভিশন রাখা হয়েছে, তা হলো নিরাপদ বিনিয়োগের বাইরে আমরা কোনো বিনিয়োগ করবো না।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্ট ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, আমি মনে করি উদ্যোগটা (সর্বজনীন পেনশন) প্রশংসনীয়। তবে কথা হচ্ছে কাভারেজ কতটুকু হয়। কেননা, যারা ইনফরমাল সেক্টরে (অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে) কাজ করেন তারা কি প্রিমিয়াম দিতে পারবেন? প্রিমিয়াম দিতে না পারলে এর আওতায় আসতে পারবেন না। তারপরের বিষয় এই ফান্ড ফাইন্যান্সিং হবে, নাকি এখানে আবার সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে? এভাবে কতগুলো বিষয় আছে।

ফান্ডের টাকা কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সুষ্ঠু বিনিয়োগ করে যাতে ফান্ডটা সেভ ফাইন্যান্সিং হয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। বিনিয়োগটা যাতে লাভজনক হয় তার ব্যবস্থাও করতে হবে। বিনিয়োগ থেকে যেন অবশ্যই ভালো রিটার্ন পাওয়া যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

সরকারি বন্ডের সমস্যা হচ্ছে, তা বাজার ভিত্তিক না। ব্যাংকাররা রাখেন শুধু একটা কারণে, সেটা হলো এসএলআর শর্ত পূরণ করার জন্য। অনেকটা ‘যা-ই পাই তাই ভালো’। তবে যা-ই পাই তাই দিয়ে তো আর পেনশন ফান্ড চলবে না। লিকুইডিটি ম্যানেজমেন্ট চলবে।

সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে এই ফান্ডের অর্থ বিনিয়োগ করা উচিত হবে কি না? এমন প্রশ্নে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, সরকারের প্রকল্প থেকে আয় কেমন আসবে সেটা দেখতে হবে। সব প্রকল্প থেকে তো আয় হয় না। পদ্মা সেতু থেকে আয় হচ্ছে, কিন্তু অনেক প্রকল্প থেকে তো আয় হয় না। এগুলো দেখে-শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, সর্বজনীন পেনশন সরকার চালু করেছে ঠিকই, কিন্তু এটার পরিচালন ব্যবস্থা, প্রশাসনিক ব্যবস্থা, বিনিয়োগ পলিসি, বিনিয়োগ টিম- এগুলোর কোনো কিছু ঠিক করা হয়নি। একটা সিস্টেমের মাধ্যমে (সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি) করা হয়েছে, তবে এটা হিউজ ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট ইস্যু। সেটাও ঠিক করা হয়নি।

বিশেষ করে সমতা অর্থাৎ দরিদ্রদের জন্য যে স্কিম করা হয়েছে, সেখানে কীভাবে সিলেকশনটা (দরিদ্র কি না যাচাই) হবে? আমি কি আবেদন করলেই আমাকে নেবে? তা তো হওয়ার কথা না। আমাকে তো নিজেকে দরিদ্র হিসেবে প্রমাণ করতে হবে। সেটা কিসের ভিত্তিতে হবে, এ বিষয়ে বলা হয়নি। কে সার্টিফাই করবে, কিসের ভিত্তিতে? এগুলো না করে এখন যদি আমাকে (দরিদ্র হিসেবে) দিয়ে দেয় তাহলে তো মুশকিল হয়ে যাবে। সরকারকে তো মাসে মাসে প্রচুর টাকা দিতে হবে। এছাড়া ফেক অ্যাকাউন্ট থাকতে পারে, সেগুলো দূর করবে কীভাবে? সুতরাং এখানে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে, যোগ করেন বিশিষ্ট এই অর্থনীতিবিদ।

তিনি আরও বলেন, একটা বড় অফিস লাগবে। শত শত কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকবে। সেখানে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট থাকবে। অর্গানোগ্রাম থাকতে হবে। এগুলোর কিছুই করা হয়নি। অফিসটাও ভাড়া করা হয়নি।

পেনশনের চাঁদার টাকা সরকারি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা যাবে কি না? এমন প্রশ্নে আহসান এইচ মনসুর বলেন, এটা (ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ) খুব বেশি করা ঠিক হবে না। এতে নিরাপত্তা থাকবে, কিন্তু রিটার্ন সেভাবে আসবে না। কারণ সরকারি সিকিউরিটিজে ৫-৬ শতাংশের মতো মুনাফা পাওয়া যায়। সরকারি বন্ডের সমস্যা হচ্ছে, তা বাজার ভিত্তিক না। ব্যাংকাররা রাখেন শুধু একটা কারণে, সেটা হলো এসএলআর শর্ত পূরণ করার জন্য। অনেকটা ‘যা-ই পাই তাই ভালো’। তবে যা-ই পাই তাই দিয়ে তো আর পেনশন ফান্ড চলবে না। লিকুইডিটি ম্যানেজমেন্ট চলবে।

পেনশন স্কিমে জমা হওয়া চাঁদা কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য এটা একটা চ্যালেঞ্জ। আমাদের স্টক মার্কেট খুবই আন্ডার ডেভলপ, খুবই করাপশন। তবু বলা যায় অল্প কিছু স্টক আছে, যেগুলো রিলায়েবল। স্টক মার্কেটে কিছু বিনিয়োগের সুযোগ রাখা উচিত। এটা পৃথিবীর সব দেশেই রাখে। তবে এই বিনিয়োগ শুধু ট্রিপল ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিতে করার সুযোগ রাখা যেতে পারে, তার বাইরে না।

শেয়ারবাজারের বাইরে কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে? এমন প্রশ্নে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, বন্ড মার্কেটে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। সরকারি বন্ডের কথা যেটা বলা হলো, সেটা করা যেতে পারে। এর বাইরে ভালো কোম্পানি যদি বাজারে বন্ড ছাড়ে, সেখানে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। এছাড়া সরকার যদি ভালো প্রকল্প নিয়ে আসে, সেখানে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। যেমন- দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বা প্রথম পদ্মা সেতু থেকে একটা বন্ড ইস্যু করলো, ৯-১০ শতাংশ মুনাফা দেয়, সেটাতে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। তাহলে সরকারও কিছু ফান্ড পেয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগটা ভালো জায়গায় না হলে চালান গায়েব হয়ে যাবে। এটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। এই ফান্ড যেন যেনতেনভাবে যে কোনো জায়গায় সরকারের ইচ্ছেমতো ব্যয় না হয়। রিজার্ভে যেমন হয়েছে- এই পয়রা বন্দরকে দিয়ে দাও, অমুককে দিয়ে দাও। দিয়ে দেখা গেলো ৭ বিলিয়ন ডলার নাই হয়ে গেছে। সেটা করা যাবে না।

অর্থনীতিবিদ ড. জায়েদ বখত বলেন, সর্বজনীন পেনশন খুবই ভালো পদক্ষেপ। এটা সামাজিক নিরাপত্তাকে মাথায় রেখে করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শুরু করা হয়েছে, দেখা যাক কীভাবে যায়। এমনিতে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। পরবর্তীতে এতে যদি কোনো কিছু সংযোজন করতে হয়, করা যাবে।

পেনশন স্কিমে জমা হওয়া চাঁদা কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সরকারি বিনিয়োগ দেশের উন্নয়নের জন্য, সেদিক থেকে এগুলো কোনো ব্যবসায়িক বিনিয়োগ না। এগুলো (পেনশনের চাঁদার টাকা) দেশের উন্নয়নে ব্যবহার হবে। সরকার যেখানে দরকার মনে করবে, সেখানে ব্যবহার করবে। আমি এটাকে অত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছি না।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
ড. হাছান মাহমুদ

কারও আক্কেল থাকলে রাত ৩টায় সংবাদ সম্মেলন ডাকে

স্টক নিউজ বিডি August 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ভারতীয় পত্রিকায় লেখা দেখে বিএনপি অস্থির হয়ে গেছে। তারা যে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে তার প্রমাণ হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম বিএনপি রাত ৩টায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে। কারও যদি ‘আক্কেল’ থাকে তাহলে রাত ৩টায় সংবাদ সম্মেলন ডাকে। সংবাদ সম্মেলন তো সংবাদকর্মীদের নিয়ে ডাকতে হয়।

মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি তো সত্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব সম্প্রদায় তার প্রশংসা করছে। বিপরীতে যারা ক্ষমতায় আসতে চায় তাদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী, তাদের মধ্যে আছে জঙ্গিরা, জোটে আছে জঙ্গিরা। মৌলবাদী অপশক্তির প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারা।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যারা ২১ আগস্ট ঘটিয়েছে, মানুষের ওপর পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করেছে তারা তাদের সঙ্গে আছে। তারা যদি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পায়, গতবার যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল তখন ৫০০ জায়গায় একসঙ্গে বোমা ফাটায়, এবার ৫ হাজার জায়গায় ফুটবে। দেশটা পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তানের পর্যায়ে চলে যাবে, সেই বিশ্লেষণই ভারতীয় পত্রিকায় করেছে।

মন্ত্রী বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ হিসেবে আমাদের এখানে কারা ক্ষমতায় থাকবে, থাকবে না, আছে এগুলো নিয়ে তাদের চিন্তা থাকতেই পারে। সেই বিশ্লেষণ ভারতীয় পত্রিকায় এসেছে। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক রক্তের অক্ষরে লেখা, এটা অন্য কারও সঙ্গে তুলনীয় হতে পারে না। ভারতের জনগণ, ভারতের সেনাবাহিনী আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের মুক্তিবাহিনীর সাথে জীবন দিয়েছে। কয়েক হাজার কিলোমিটার সীমান্ত তাদের সঙ্গে আমাদের আছে। বাংলাদেশে পরিস্থিতি অস্থির হলে ভারতেও তার প্রভাব পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও আমাদের সম্পর্ক চমৎকার। যুক্তরাষ্ট্র একটি বড় উন্নয়ন সহযোগী। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে। সবার সাথেই আমাদের ভালো সম্পর্ক।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কারা সরকারে থাকবে বা থাকবে না বাংলাদেশের জনগণ সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক।

ভারতের পত্রিকায় বলা হয়েছে ইসলামপন্থিদের যেন মনোনয়ন দেওয়া না হয় সেই বার্তা শেখ হাসিনাকে দেওয়া হবে। এ নিয়ে এক প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, একটি পত্রিকায় লিখেছে সে বিষয়ে তো আমি মন্তব্য করতে পারি না। এটি নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসা করুন কেন লিখেছে। সংবিধান আমাদের সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছি সংবিধানের আলোকে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ তো অবশ্যই চাই, সব রাজনৈতিক দল যাতে অংশগ্রহণ করে আমরা সেটি চাই। বিএনপি বরং সংবিধান না মেনে এমন একটি কিছু চায় যাতে করে তারা ক্ষমতায় যাবে সেই গ্যারান্টি নির্বাচন কমিশন দিতে পারে। সে ধরনের ব্যবস্থা তো গণতান্ত্রিক দেশে হতে পারে না। আমরা চাই সংবিধানের মধ্য থেকে যে নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করুক।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

সর্বজনীন পেনশনের টাকা কোথায় যাবে?

স্টক নিউজ বিডি August 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: সর্বস্তরের জনগণকে টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় আনতে প্রাথমিকভাবে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা এবং সমতা- এই চার স্কিম নিয়ে সরকার সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি চালু করেছে। শুরুতেই সর্বজনীন পেনশনে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নিবন্ধন সম্পন্ন করে চাঁদা পরিশোধ করছেন। এরই মধ্যে পেনশনের আওতায় আসা ব্যক্তিরা তিন কোটি টাকার ওপরে চাঁদা জমা দিয়েছেন।

সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালুর পর এ নিয়ে দেসবাসীর মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে এই স্কিম নিরাপদ কি না, চাঁদার টাকা কী করা হবে, নিজেদের কষ্টের টাকায় পরিশোধ করা চাঁদার পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন কি না- এমন কিছু প্রশ্নও করছেন অনেকে। তবে এই পেনশন স্কিম যে নিরাপদ এবং নাগরিকদের কল্যাণেই যে তা ব্যবহৃত হবে- তা নিশ্চিত করেছে সরকার।

পেনশনের আওতায় আসাদের জমা দেওয়া এই চাঁদা ঝুঁকিমুক্ত নিরাপদ খাতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে এই টাকা কোন কোন খাতে বিনিয়োগ করা হবে, তা এখনো ঠিক করা হয়নি। এ লক্ষ্যে একটি বিনিয়োগ নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে এই নীতিমালা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। নীতিমালা তৈরি হয়ে গেলে সেই অনুযায়ী পেনশন স্কিমের টাকা বিনিয়োগ করা হবে।

অবশ্য এই বিনিয়োগ নীতিমালা তৈরির আগেই প্রাথমিকভাবে জমা হওয়া চাঁদার টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সরকারি সিকিউরিটিজে বা ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।

এই টাকা কোন কোন খাতে বিনিয়োগ করা হবে, তা এখনো ঠিক করা হয়নি। এ লক্ষ্যে একটি বিনিয়োগ নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে নীতিমালা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে

সূত্র জানিয়েছে, সরকার চাচ্ছে যারা পেনশন স্কিম গ্রহণ করে চাঁদা দেওয়া শুরু করবেন, তারা যেন তা মেয়াদ পূর্ণ পর্যন্ত চালিয়ে যান। এজন্য স্কিম পরিবর্তন এবং চাঁদা বকেয়া পড়লে তা পরবর্তীতে পরিশোধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এরপরও যদি কেউ মেয়াদ পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত চাঁদা দিতে না পারেন, তাহলেও মুনাফাসহ জমা দেওয়া অর্থ ফেরত পাবেন।

এমনকি চাঁদার এক কিস্তি দেওয়ার পর যদি আর না দেন তাহলেও তিনি মুনাফাসহ জমা দেওয়া টাকা ফেরত পাবেন। তবে যখন খুশি তখন চাইলেই টাকা ফেরত পাওয়া যাবে না। যিনি পেনশন স্কিম গ্রহণ করবেন তার বয়স কেবল ৬০ বছর পূর্ণ হলেই চাঁদার অর্থ মুনাফাসহ ফেরত পাবেন।

সূত্রটি জানিয়েছে, পেনশন স্কিমের আওতায় চাঁদা বাবদ জমা হওয়া টাকা ফেলে রাখলে তা থেকে কোনো মুনাফা আসবে না। এজন্য চাঁদার টাকা বিনিয়োগ করা হবে। কীভাবে এবং কোথায় কোথায় এই অর্থ বিনিয়োগ করা হবে সেজন্য একটি নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। ওই নীতিমালা অনুযায়ী পেনশন স্কিমের টাকা বিনিয়োগ করা হবে। তবে বিনিয়োগ নীতিমালা হওয়ার আগেও এই অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ আছে। এক্ষেত্রে সরকারি সিকিউরিটিজের মতো নিরাপদ লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করা হবে।

এদিকে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, পেনশন স্কিমের আওতায় চাঁদা বাবদ জমা হওয়া অর্থ বিনিয়োগের বিষয়টি খুবই চ্যালেঞ্জিং। বিনিয়োগটা ভালো জায়গায় না হলে চালান গায়েব হয়ে যাবে। এটা অবশ্যই ভালো রিটার্ন পাওয়া যাবে- এমন খাতে বিনিয়োগ করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারি বন্ড, ভালো কোম্পানির বন্ড এবং শেয়ারবাজারের ভালো কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। পাশাপাশি পদ্মা সেতুর মতো প্রকল্পে অথবা এ ধরনের প্রকল্পের বন্ডে বিনিয়োগ করা যেতে পারে।

পেনশনের চাঁদার টাকা কোথায় বিনিয়োগ করা হবে- জানতে চাইলে সর্বজনীন পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য গোলাম মোস্তফা জাগো নিউজকে বলেন, ‘জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। এই জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ অ্যাডমিনিস্ট্রেট (পরিচালনা) করবে। সেখানে একটা বোর্ড আছে, বোর্ড গাইডলাইন তৈরি করবে এবং আমরা একটা বিনিয়োগ বিধিমালাও তৈরি করবো। সেটার কাজ চলছে।’

তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগ ছাড়া চলবে কীভাবে? বিনিয়োগ করতেই হবে। আমরা চাচ্ছি খুব দ্রুত বিনিয়োগ করতে। আমরা ফান্ড পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগের উদ্যোগ নেবো। গাইডলাইন তৈরির আগে যদি আমি সরকারি কোনো…(খাতে) বিনিয়োগ করি তাতেও সমস্যা নেই। যেমন আমি যদি ট্রেজারি বিল কিনি, ট্রেজারি বিলের থেকে নিরাপদ তো কিছু নেই। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে ট্রেজারি বিল কিনবো, তাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে এখানে একটা প্রভিশন রাখা হয়েছে, তা হলো নিরাপদ বিনিয়োগের বাইরে আমরা কোনো বিনিয়োগ করবো না।’

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্ট ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি মনে করি উদ্যোগটা (সর্বজনীন পেনশন) প্রশংসনীয়। তবে কথা হচ্ছে কাভারেজ কতটুকু হয়। কেননা, যারা ইনফরমাল সেক্টরে কাজ করে তারা কি প্রিমিয়াম দিতে পারবে? প্রিমিয়াম দিতে না পারলে এর আওতায় আসতে পারবে না। তারপর এই ফান্ড ফাইন্যান্সিং হয়, নাকি এখানে আবার সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে। এসব কতগুলো বিষয় আছে।’

বিনিয়োগটা যাতে লাভজনক হয় তার ব্যবস্থা করতে হবে। বিনিয়োগ থেকে যেন অবশ্যই ভালো রিটার্ন পাওয়া যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে

ফান্ডের টাকা কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু বিনিয়োগ করে যাতে ফান্ডটা সেভ ফাইন্যান্সিং হয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। বিনিয়োগটা যাতে লাভজনক হয় তার ব্যবস্থা করতে হবে। বিনিয়োগ থেকে যেন অবশ্যই ভালো রিটার্ন পাওয়া যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে এই ফান্ডের অর্থ বিনিয়োগ করা উচিত হবে কি না- এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সরকারের প্রকল্প থেকে ইনকাম কেমন আসবে সেটা দেখতে হবে। সব প্রকল্প থেকে তো ইনকাম আসে না। পদ্মা সেতু থেকে ইনকাম হচ্ছে, কিন্তু অনেক প্রকল্প থেকে তো ইনকাম হয় না। এগুলো দেখেশুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘সর্বজনীন পেনশন সরকার চালু করেছে ঠিকই, কিন্তু এটার পরিচালন ব্যবস্থা, প্রশাসনিক ব্যবস্থা, বিনিয়োগ পলিসি, বিনিয়োগ টিম এগুলোর কোনো কিছু ঠিক করা হয়নি। একটা সিস্টেমের মাধ্যমে করা হয়েছে, তবে এটা হিউজ ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট ইস্যু। সেটাও ঠিক করা হয়নি।’

‘বিশেষ করে সমতা অর্থাৎ গরিবদের জন্য যে স্কিম করা হয়েছে, সেখানে কীভাবে সিলেকশনটা হবে? আমি কি অ্যাপ্লাই করলেই আমাকে নেবে? তা তো হওয়ার কথা না। আমাকে তো গরিব হিসেবে প্রমাণ করতে হবে। সেটা কিসের ভিত্তিতে হবে, সেগুলো বলা হয়নি। কে সার্টিফাই করবে, কিসের ভিত্তিতে? এগুলো না করে এখন যদি আমি দিয়ে দেই তাহলে তো মুসকিল হয়ে যাবে। সরকারকে তো প্রতি মাসে প্রচুর পয়সা দিতে হবে। ফেক অ্যাকাউন্ট থাকতেই পারে, সেগুলো দূর করবো কীভাবে? সুতরাং এখানে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে।’ বলেন বিশিষ্ট এই অর্থনীতিবিদ।

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘একটা বড় অফিস লাগবে। শত শত কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকবে। সেখানে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট থাকবে। অর্গানোগ্রাম থাকতে হবে। এগুলোর কিছুই করা হয়নি। অফিসটাও ভাড়া করা হয়নি।’

পেনশনের চাঁদার টাকা সরকারি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা যায় কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা (ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ) খুব বেশি করা ঠিক হবে না। এতে নিরাপত্তা থাকবে, কিন্তু রিটার্ন সেভাবে আসবে না। কারণ সরকারি সিকিউরিটিজে ৫-৬ শতাংশের মতো মুনাফা পাওয়া যায়। সরকারি বন্ডের সমস্যা হচ্ছে, তা বাজারভিত্তিক না। ব্যাংকাররা রাখে শুধু একটা কারণে, সেটা হলো এসএলআর শর্ত পূরণ করার জন্য, যা পাই তাই ভালো। যা পাই তাই দিয়ে তো আর পেনশন ফান্ড চলবে না। লিকুইডিটি ম্যানেজমেন্ট চলবে।’

পেনশন স্কিমে জমা হওয়া চাঁদা কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য এটা একটা চ্যালেঞ্জ। আমাদের স্টক মার্কেট খুবই আন্ডার ডেভেলপ, খুবই করাপশন। তবু বলা যায় অল্পকিছু স্টক আছে, যেগুলো রিলায়েবল। স্টক মার্কেটে কিছু বিনিয়োগের সুযোগ রাখা উচিত। এটা পৃথিবীর সব দেশেই রাখে। তবে এই বিনিয়োগ শুধু ট্রিপল ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিতে করার সুযোগ রাখা যেতে পারে, তার বাইরে না।’

শেয়ারবাজারের বাইরে কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে? এমন প্রশ্ন করা হলে এ অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘বন্ড মার্কেটে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। সরকারি বন্ডের কথা যেটা বলা হলো, সেটা করা যেতে পারে। এর বাইরে ভালো কোম্পানি যদি বাজারে বন্ড ছাড়ে, সেখানে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। এছাড়া সরকার যদি ভালো প্রজেক্ট নিয়ে আসে, সেখানে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। যেমন- দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বা প্রথম পদ্মা সেতু থেকে একটা বন্ড ইস্যু করলো, ৯-১০ শতাংশ মুনাফা দেয়, সেটাতে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। তা হলে সরকারও কিছু ফান্ড পেয়ে যায়।’

বিনিয়োগটা ভালো জায়গায় না হলে চালান গায়েব হয়ে যাবে। এটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। এই ফান্ড যেন যেনতেনভাবে যেকোনো জায়গায় সরকারের ইচ্ছামতো ব্যয় না হয়। রিজার্ভে যেমন হয়েছে

তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগটা ভালো জায়গায় না হলে চালান গায়েব হয়ে যাবে। এটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। এই ফান্ড যেন যেনতেনভাবে যেকোনো জায়গায় সরকারের ইচ্ছামতো ব্যয় না হয়। রিজার্ভে যেমন হয়েছে- এই পয়রা বন্দরকে দিয়ে দাও, অমককে দিয়ে দাও। দিয়ে দেখা গেলো ৭ বিলিয়ন ডলার নাই হয়ে গেছে। সেটা করা যাবে না।’

আরেক অর্থনীতিবিদ ড. জায়েদ বখত বলেন, ‘সর্বজনীন পেনশন খুবই ভালো পদক্ষেপ। এটা সামাজিক নিরাপত্তাকে মাথায় রেখে করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শুরু করা হয়েছে, দেখা যাক কীভাবে যায়। এমনিতে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। পরে এতে যদি কোনো কিছু সংযোজন করতে হয়, করা যাবে।’

পেনশন স্কিমে জমা হওয়া চাঁদা কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সরকারি বিনিয়োগ দেশের উন্নয়নের জন্য, সেদিক থেকে এগুলো কোনো ব্যবসায়িক বিনিয়োগ না। এগুলো (পেনশনের চাঁদার টাকা) দেশের উন্নয়নে ব্যবহার হবে। সরকার যেখানে দরকার মনে করবে, সেখানে ব্যবহার করবে। আমি এটাকে অত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছি না।’

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না যুগ্ম-সচিব

স্টক নিউজ বিডি August 20, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: সরকার বা সরকারের অধীন অন্য কোনো খাতে সবশেষ কমপক্ষে যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদায় কর্মরত ছিলেন এমন ব্যক্তিদের বিমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল- এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে বিমা কোম্পানির সিইও নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্ম অভিজ্ঞতার শর্ত কিছুটা শিথিল করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে ‘মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ’ প্রবিধানমালা সংশোধনের খসড়া। মূলত জাগো নিউজে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত একটি সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে এ সংশোধনী আনা হচ্ছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) থেকে তৈরি করে দেওয়া এ খসড়ায় বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্ম অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিল করার পাশাপাশি একজন সিইও কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন তাও উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে সরকার বা সরকারের অধীন অন্য কোনো খাতে সবশেষ কমপক্ষে যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার পদে কর্মরত ছিলেন, এমন ব্যক্তিদের বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার সুযোগ রেখে একটি খসড়া প্রবিধানমালা তৈরি করা হয়। এ নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি ‘যুগ্ম-সচিবও হতে পারবেন বিমা কোম্পানির সিইও!’ শিরোনামে জাগো নিউজে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

বিষয়টি নিয়ে বিমা খাতে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়। যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার পদে কর্মরত ছিলেন- এমন ব্যক্তিদের বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার সুযোগ রাখার বিষয়টি নিয়ে বেশ সমালোচনা করেন বিমা খাত সংশ্লিষ্টরা।

তারই পরিপ্রেক্ষিতে ‘মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ’ প্রবিধানমালার খসড়ায় নতুন করে সংশোধন আনা হয়েছে। এখন যে খসড়া তৈরি করা হয়েছে সেখানে যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদায় কর্মরত ছিলেন- এমন ব্যক্তিদের বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার সুযোগ রাখা হয়নি।

এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদায় কর্মরত ছিলেন- এমন ব্যক্তিদের বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার সুযোগ রেখে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালা সংশোধনের খসড়া তৈরি করা হয়। এ নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়। সে কারণে ওই বিধান বাতিল করে নতুন করে সংশোধনীর খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিমা খাত সংশ্লিষ্টদের মতামত চাওয়া হয়েছে। এখন যে খসড়া তৈরি করা হয়েছে, সেটিই চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’

আইডিআরএ’র এক কর্মকর্তা বলেন, ‘যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার পদে কর্মরত ছিলেন এমন ব্যক্তিদের বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার সুযোগ রেখে তৈরি করা খসড়া প্রবিধানমালার পরিপ্রেক্ষিতে জাগো নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে বিমা খাত সংশ্লিষ্টরা বেশ সমালোচনা করেন। মন্ত্রণালয় থেকেও বিধানটি বাতিল করে নতুন করে খসড়া তৈরি করতে বলা হয়। তারই প্রেক্ষিতে সংশোধনীর নতুন খসড়া তৈরি করা হয়েছে।’

এখন বিমা কোম্পানির ‘মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালা-২০১২’ এর সংশোধনীর যে খসড়া তৈরি করা হয়েছে তাতে বিমা কোম্পানির সিইও’র শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে বলা হয়েছে, কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণির চার বছর মেয়াদি স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রির অধিকারী। আর গ্রেডিং পদ্ধতির ফলাফলের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা প্রযোজ্য হবে।

বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী হলে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে সমতাকরণ সার্টিফিকেট দাখিল করার শর্ত রাখা হয়েছে। তবে কোনো বিমা কোম্পানিতে সিইও হিসেবে কোনো ব্যক্তির নিয়োগের আগে কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমোদন দেওয়া থাকলে তার ক্ষেত্রে উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য হবে।

আর কর্ম অভিজ্ঞতার বিষয়ে বলা হয়েছে, এর আগে কোনো বিমা কোম্পানিতে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বা এর অব্যবহিত নিম্নপদে কমপক্ষে দুই বছর কর্ম অভিজ্ঞতাসহ বিমা ব্যবসায় কমপক্ষে ১২ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকবে হবে।

তবে কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) উপযুক্ত মনে করলে দুটি ক্ষেত্রে এ শর্তের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সিইও পদে নিয়োগ অনুমোদন করতে পারবে। এর মধ্যে প্রথমটি হলা- সরকার বা সরকারি কোনো দপ্তর/সংস্থা/প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কোনো বিমা কোম্পানিতে ৫০ শতাংশের বেশি শেয়ারের মালিকানা সরকার বা সরকার সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর/সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের থাকলে।

দ্বিতীয়টি হলো- আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত বহুজাতিক বিমা কোম্পানিতে ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা পদে কমপক্ষে ১০ বছরের বিমাবিষয়ক কাজে সরাসরি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে দেশের বিমা কোম্পানির সিইও নিয়োগ দেওয়া যাবে। এক্ষেত্রেও আইডিআরএ উপযুক্ত মনে করলে শর্তের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সিইও নিয়োগ অনুমোদন করতে পারবে।

বর্তমানে কার্যকর থাকা মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালা-২০১২ অনুযায়ী, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে তৃতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রিও গ্রহযোগ্য। অর্থাৎ, স্নাতকের ফলাফলের বিষয়ে কোনো সীমা নির্ধারণ নেই। এমনকি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির গ্রহণযোগ্যতার বিষয়েও কোনো বক্তব্য নেই। এ প্রবিধানমালায় বিমা কোম্পানির সিইও’র শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছরের স্নাতক ও এক বছরের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদি স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।

অপরদিকে কর্ম অভিজ্ঞতার শর্তে রাখা হয়েছে, একই শ্রেণির বিমা কোম্পানিতে ১৫ বছরে চাকরির অভিজ্ঞতাসহ সিইও অব্যবহিত নিম্নপদে তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অর্থাৎ কোনো জীবন বিমা কোম্পানির সিইও হতে হলে জীবন বিমা কোম্পানিতেই কমপক্ষে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। একইভাবে সাধারণ বিমা কোম্পানির সিইও হতে হলে সাধারণ বিমা কোম্পানিতেই কমপক্ষে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে বিমাবিষয়ক উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের জন্য অভিজ্ঞতা শর্তসাপেক্ষে তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত শিথিল করার বিধান রাখা আছে। আর বয়সের সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৪০ থেকে ৬৭ বছরের মধ্যে।

এদিকে বিমা কোম্পানির সিইও কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন সে বিষয়ে সংশোধিত খসড়া প্রবিধানমালায় বলা হয়েছে, মোট বেতন, মূলত বেতন, বাড়িভাড়া এবং অন্যান্যা ভাতা (ভবিষ্য তহবিল, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা, বিমা, এক বা একাধিক ইনসেনটিভ বোনাস-এর পরিমাণ বা সীমা নির্দিষ্ট অঙ্কে উল্লেখ থাকতে হবে) সমন্বয়ে গঠিত হবে। এক বছরে মোট ইনসেনটিভ বোনাস ১০ লাখ টাকার বেশি হবে না।

একটি বিমা কোম্পানির সিইও বলেন, ‘বিমা খাতের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির ছেলেকে সিইও করার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্ম অভিজ্ঞতা ছাড় দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিমা কোম্পানির সিইও নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্ম অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে বর্তমানে যে বিধান আছে, সেটিই চালু রাখা উচিত।’

যোগাযোগ করা হলে প্রগতি লাইফের সিইও মো. জালালুল আজিম জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিমা খাতে দক্ষ জনবলের অভাব আছে। এদিক বিবেচনায় কর্ম অভিজ্ঞতা ১৫ বছরের পরিবর্তে ১২ বছর এবং সিইও’র অব্যবহিত নিম্নপদে কমপক্ষে তিন বছরের পরিবর্তে দুই বছর করার যে সংশোধনী আনা হচ্ছে, সেটা ঠিক আছে। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা মাস্টার্স (স্নাতকোত্তর ডিগ্রি) পাস রাখা উচিত। মাস্টার্স পাস ছাড়া বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত হবে না।’

তিনি বলন, “কোনো বিমা কোম্পানিতে সিইও হিসেবে কোনো ব্যক্তির নিয়োগ এর আগে কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমোদ দেওয়া থাকলে তার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য হবে’- এ ধরনের যে বিধান রাখা হয়েছে, সেটিও সুস্পষ্ট করতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা কী হবে তা স্পষ্ট করতে হবে। কারণ বিমা খাতে যে নিয়ম চালু আছে তাতে অষ্টম শ্রেণি পাস একজন পদোন্নতি পেয়ে বিমা কোম্পানির ডিএমডি হতে পারেন। সুতরাং সিইও’র ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা কতটুকু শিথিল হবে তা স্পষ্ট করতে হবে।’’

পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের সাবেক সিইও তারিক উর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি মনে করি বিমা কোম্পানির সিইও হওয়ার ক্ষেত্রে এখন যে নিয়ম চালু আছে, সেটিই ঠিক আছে। নতুন করে শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কর্ম অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিল করা যুক্তিসঙ্গত হবে না। একজন একটি বিমা কোম্পানির সিইও হবেন, তার অবশ্যই ১৫ বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা থাকা উচিত এবং সিইও’র অব্যবহিত নিম্নপদে কমপক্ষে তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকা উচিত।’

আইডিআরএ’র মুখপাত্র মো. জাহাঙ্গীর আলম জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিমা খাতে দক্ষ জনবলের অভাব আছে, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই কর্ম অভিজ্ঞতা শিথিল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কথা বলা থাকলেও কেউ স্নাতক পাস না করে বিমা কোম্পানির সিইও হতে পারবেন না।’

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • বাগাতিপাড়ায় ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক, মাদক আইনে মামলা

  • এনআরবি ব্যাংক পিএলসি এবং হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টারের মধ্যে কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর

  • প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদান, নিজ হাতে ফাতেমার হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাগাতিপাড়ায় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

  • গত ৬ মাসের ফৌজদারি মামলায় প্রায় সব আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাগাতিপাড়ায় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

  • বাগাতিপাড়ায় ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক, মাদক আইনে মামলা

  • প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদান, নিজ হাতে ফাতেমার হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • রাষ্ট্রপতিকে মেজর মান্নানের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

  • অমিত শাহর পদত্যাগের দাবি রাহুলের, সমর্থন জানাল ‘তেলাপোকারা’

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য