Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

stock news bd

বেপরোয়া গতির বলি দুই যুবক

স্টক নিউজ বিডি November 25, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে মৃত্যু হলো স্কুটি আরোহী দুই যুবকের। মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি বিধানসভার ঘোলা থানার অন্তর্গত ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে।

জানা যায়, শনিবার (২৫ নভেম্বর) ভোরে আজাদ হিন্দ নগরের পানিহাটি স্টেট হাসপাতাল রোডে মদ্যপ অবস্থায় একটি স্কুটিতে করে যাচ্ছিলেন দুই যুবক। হঠাৎ স্কুটির চাকা পিছলে যায়। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান ওই দুই যুবক। স্কুটির গতি বেশি থাকায় খানিক দূরে ছিটকে পড়েন এর দুই আরোহী।

সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা ওই দুই যুবককে পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, শনিবার সকালে আমরা হঠাৎ একটি বিকট শব্দ শুনতে পাই। ঘর থেকে বেরিয়ে এসে দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় দুই যুবক রাস্তায় পড়ে রয়েছে। বেশ খানিকটা দূরে পড়ে রয়েছে একটি স্কুটি। তখন আমরা সবাই মিলে আহত যুবকদের হাসপাতালে নিয়ে যাই।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত দুই যুবকের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তবে দুর্ঘটনার সময় তারা মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। যুবকদের পরিবারের খোঁজ চালানো হচ্ছে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

একদিনে গাজায় প্রবেশ করেছে প্রায় ২০০ ত্রাণবাহী ট্রাক

স্টক নিউজ বিডি November 25, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: গাজায় চলছে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চারদিনের যুদ্ধবিরতি। এরই মধ্যে এই যুদ্ধবিরতি দ্বিতীয় দিনে গড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রথমদিন শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) গাজায় প্রায় ২০০ ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করেছে।

প্যালিস্টিন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, একদিনে রাফাক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করা ১৯৬টি ত্রাণবাহী ট্রাক সেখানে পৌঁছেছে।

এক্স বার্তায় সংস্থাটি জানায়, চারটি ট্রাকে চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধ রয়েছে, চার ট্রাকে হাসপাতালের বিছানা বাকি ট্রাকগুলোতে খাবার, পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা রয়েছে।

দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে ৩৯ ফিলিস্তিনি নাগরিককে ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে চুক্তি অনুযায়ী যুদ্ধবিরতির প্রথম দিনে ১৩ ইসরায়েলি জিম্মিকে ছেড়ে দেয় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে এসব জিম্মিকে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রেডক্রসের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ৩৯ ফিলিস্তিনি নাগরিকের মধ্যে ২৪ জন নারী ও ১৫ জন তরুণ রয়েছেন। অধিকৃত পশ্চিম তীরের বেইতুনিয়া চেকপয়েন্ট দিয়ে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

তবে কি নৌকায় উঠছেন রওশন এরশাদ!

স্টক নিউজ বিডি November 25, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: দ্বন্দ্বের শুরু ঠিক কবে, তা সঠিকভাবে জানা নেই কারও। তবে বারবার ভিন্ন ভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনায় আসেন তারা। এসব অবস্থান কখনো রহস্য বাড়ায়, কখনো হাসির খোরাক জোগায় রাজনৈতিক অঙ্গনে। সর্বশেষ দেবর-ভাবির দ্বন্দ্ব সামনে আসে গত ১৮ নভেম্বর, নির্বাচন কমিশনে (ইসি) চিঠি দেওয়া নিয়ে। সেদিন ইসিতে চিঠি দিয়ে রওশন এরশাদ বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থীরা। অন্যদিকে জিএম কাদেরের পক্ষে দলের মহাসচিব চিঠি দিয়ে জানান, জাতীয় পার্টির ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে দলের প্রার্থী মনোনয়ন ও প্রতীক বরাদ্দ করবেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, এমপি।

দেবর-ভাবির এ দ্বৈরথ চলছে এখনো। নির্বাচন কমিশনে দলীয় প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা দিতে হবে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে। তারই আলোকে ২০ নভেম্বর থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করে জাতীয় পার্টি। চার দিনব্যাপী মনোনয়ন ফরম বিতরণ শেষ হয় ২৩ নভেম্বর। এ চারদিনে দলটির মনোনয়ন ফরম নেন ১ হাজার ৭৩৭ জন। তবে তাদের মধ্যে ছিলেন না রওশন এরশাদ ও ছেলে সাদ এরশাদ। ছিলেন না দলের বহিষ্কৃত প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বা রওশনপন্থি অন্য নেতারা।

এ অবস্থায় বাধ্য হয়ে রওশন এরশাদ ও তার অনুসারীদের জন্য একদিন সময় বাড়ায় জাতীয় পার্টি। ২৪ নভেম্বর (শুক্রবার) থেকে শুরু হয় দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার। একই সঙ্গে উন্মুক্ত থাকে মনোনয়নপত্র বিতরণের প্রক্রিয়া। তাতে বিশেষ কাজ হয়নি। বর্ধিত দিনে ১৫টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ হলেও ফরম নেননি আলোচিত ওই নেতারা।

সব মিলিয়ে শুক্রবার থেকেই আলোচনা ডালপালা মেলতে থাকে, রওশন এরশাদ নিজে এবং তার অনুসারীরা কি তবে নৌকা মার্কায় নির্বাচন করতে যাচ্ছেন? জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পত্নী রওশন এরশাদ কি তবে এবার লাঙ্গল ছেড়ে নৌকায় উঠতে যাচ্ছেন?

শুক্রবার বিকেলে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। রওশন এরশাদের মনোনয়ন নেওয়া না নেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, বেগম রওশন এরশাদের জন্য কোনো সময়ের বাধ্যবাধকতা নেই, তিনি যখন বলবেন তখনই মনোনয়ন ফরম দেওয়া হবে। বেগম রওশন এরশাদ চাইলে মনোনয়ন ফরম তার বাসায় পৌঁছে দেবো। তিনি আমাদের শ্রদ্ধার পাত্র।

শুক্রবার বিকেলে বলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত রওশনপন্থি কেউ মনোনয়ন নেয়নি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সময় শেষ হলেও রওশন এরশাদ ও সাদ এরশাদ যে কোনো সময় দলের মনোনয়ন ফরম নিতে পারবেন।

শনিবার খবর আসে, দলের মনোনয়ন ফরম চেয়েছেন রওশন এরশাদ। মহাসচিবকে ফোন করে তিনি তিনটি মনোনয়ন ফরম চেয়েছেন। একটি তার নিজের জন্য, আরেকটি ছেলে সাদ এরশাদের জন্য। অন্যটি ময়মনসিংহ বিভাগের জাপা নেতা ডা. কে আর ইসলামের জন্য।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শনিবার চুন্নু বলেন, আমাদের সম্মানিত প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম রওশন এরশাদ গতকালও আমাকে ব্যক্তিগতভাবে ফোন করেছিলেন। তিনি তার পুত্র সাদ এরশাদ এবং ডা. কে আর ইসলামের জন্য তিনটি মনোনয়ন ফরম চেয়েছেন। আজ তার (বেগম রওশন এরশাদ) লোক এলে আমরা মনোনয়ন ফরম দেবো। বেগম রওশন এরশাদ বললে, আমরা তার মনোনয়ন ফরম পাঠিয়ে দেবো। প্রয়োজন হলে আমি নিজে গিয়ে পৌঁছে দেবো। আমার মনে হচ্ছে, আজ হয়তো মনোনয়নের জন্য লোক পাঠাবেন।

তবে শনিবার বিকেল ৪টা পেরিয়ে গেলেও মনোনয়ন ফরম তারা নেননি বা তাদের দিয়ে আসা হয়নি। সাধারণত প্রতিদিন বিকেল ৪টা পর্যন্ত দলটির অফিসিয়াল কার্যক্রম চলে।

এরই মধ্যে খবর বেরিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদের। সাক্ষাৎ করবেন রওশন এরশাদ নিজেও। তারা একসঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন নাকি আলাদা আলাদা ভাবে, সেটিও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি গণমাধ্যমকে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা না চাইলে কিছুই সম্ভব নয়। সমঝোতা তো হবেই। চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের নেতৃত্বে আমরা সিনিয়র নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবো। রওশন এরশাদ ও জিএম কাদের মিলে গেলে ৩৫-৪০টি আসনে ছাড় দেবে আওয়ামী লীগ। তা না হলে আসন কমতে পারে।

জাপার এই জ্যেষ্ঠ নেতার কথা ধরে কেউ কেউ হিসাব মেলাচ্ছেন, রওশন এরশাদ ও জিএম কাদের এখন পর্যন্ত মিলে যাওয়ার কোনো লক্ষণ নেই। তারা না মিলে গেলে আসন ভাগাভাগির হিসাব কী হবে, কে কোন প্রতীকে নির্বাচন করবেন সেটিও এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

সূত্র জানায়, মসিউর রহমান রাঙ্গাসহ বহিষ্কৃত নেতারা জিএম কাদেরের কাছে ক্ষমা চেয়ে আবেদন করতে পারবেন। চেয়ারম্যান ক্ষমা করলে, মনোনয়ন ফরম নিতে পারবেন তারা। মূলত রওশনপন্থি যে নেতাদের বহিষ্কার করা হয়েছে তারা মনোনয়ন ফরম নিতে পারছেন না বলেই তিনি নিজেও মনোনয়ন ফরম গ্রহণ করছেন না।

এ বিষয়ে রওশনপন্থি নেতা, জাপার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব (বর্তমানে বহিষ্কৃত) ইকবাল হোসেন রাজু জাগো নিউজকে বলেন, রওশন ম্যাডাম কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। উনি প্রধানমন্ত্রীর সময় চেয়েছেন। সময় এখনো পাননি। রওশন ও সাদ এরশাদকে মনোনয়ন দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। তারা আমাদের বাদ দিয়ে ভোট করবেন না। করলে তো আরও আগেই মনোনয়ন নিতেন। আমাদের দিক থেকে ম্যাডাম, সাদ এরশাদ ও রাঙ্গাসহ ২০-২২ জন আছে। জিএম কাদের যদি অনড় থাকেন, তাহলে সিদ্ধান্ত তো একটা নিতেই হবে। আমাদের কাউন্সিল হলে এ সমস্যাটা হতো না। কাউন্সিল উপর মহলের নির্দেশে হলো না। এখন কী হবে, ম্যাডাম কী করবেন, এটা প্রধানমন্ত্রী ও ম্যাডামের ব্যাপার। আবার নৌকা থেকেও পাওয়া কঠিন। তবে প্রধানমন্ত্রী চাইলে সেটা ব্যাপার নয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা অনেক আগে থেকেই বলে আসছি, নির্বাচনে যাবো। তখন জিএম কাদের যাবেন না বলেছেন। এখন তো তারাও যাচ্ছেন। সমন্বয় তো হয়েছে। এখন শুধু অ্যাডজাস্টমেন্টের ব্যাপার। সেটা কীভাবে হবে তা প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে নির্বাচনী শেষ জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী ঢাকা-৬ আসনের কাজী ফিরোজ রশিদের জন্য লাঙ্গলে ভোট চান।

কাজী ফিরোজ রশীদকে পরিচয় করিয়ে দিতে গিয়ে তিনি বলেন, যদিও তিনি ছাত্রলীগ করেছিলেন, এখন করেন জাতীয় পার্টি। চলে গেছেন এরশাদ সাহেবের সঙ্গে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবেই লাঙ্গল মার্কা নিয়ে তিনি এখন নির্বাচন করছেন। ছিলেন নৌকা মার্কায়, গেছেন লাঙ্গল মার্কায়। কোনো অসুবিধা নেই, ভবিষ্যতে আমরা লাঙ্গল নৌকায় তুলে নেবো। তবে এখন লাঙ্গল মার্কায় ঢাকা-৬ আসনে কাজী ফিরোজ রশীদের জন্য আমরা ভোট চাচ্ছি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, রোববারের মধ্যে তিনশ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। নতুন মুখও এসেছে, কিছু বাদও পড়েছে। বিজয়ী হতে পারেন এমন প্রার্থীদের বাদ দেয়নি আওয়ামী লীগ। মনোনয়নে ভুলত্রুটিও থাকতে পারে। একসঙ্গে তিনশ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।

ফলে রোববারই বোঝা যাবে, কারা উঠছেন নৌকায়। কারা বাদ পড়ছেন আর কারা অন্য প্রতীকে প্রার্থী হচ্ছেন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

চীনা অ্যাপে ফাঁদে ফেলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন তারা

স্টক নিউজ বিডি November 25, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: ঘরে বসে টাকা আয়সহ নানা প্রতারণার অভিযোগে এক চীনা নাগরিকসহ চক্রের ১৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার ক্রাইম বিভাগ। রাজধানীর হাতিরঝিল ও কাফরুল থানায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে নেমে পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া চক্রের প্রধান চীনা নাগরিকের নাম ঝ্যাং জি ঝাহ্যাং (৬০)।

শনিবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে ডিবি কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে সহজে ফোন দেওয়ার নামে ফাঁদ পাততেন তারা। এ ফাঁদে পা দিয়ে কেউ এ চীনা অ্যাপ ডাউনলোড করলেই বিপদে পড়েতেন। অ্যাপ ডাউনলোড করার পরেই মোবাইলের ছবি, ভিডিওসহ গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য চক্রের হাতে যেত। এরপর চক্রের সদস্যরা সেগুলো ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেইল করতেন। প্রথমে সরাসরি ভুক্তভোগীকে নানাভাবে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন তারা। তাকে না পেলে বাবা-মাসহ পরিবার, আত্মীয় স্বজন ও পরিচিতজনদের নম্বরে আপত্তিকর বিভিন্ন ছবি তৈরি করে পাঠানো হতো। একইভাবে মোবাইলফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে ঘরে বসে দিনে ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা আয়ের সুযোগ দেওয়া হতো। এমন এসএমএস পাঠিয়ে বিভিন্নজনকে প্রলুদ্ধ করা হতো। আর এ প্রলোভনের ফাঁদে পা দিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন ভুক্তভোগীরা।

গোয়েন্দা প্রধান বলেন, অভিযানের সময়ে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সিমে ২৯টি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের তথ্য পাওয়া গেছে। গত ছয় মাসে এসব মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ৫০ কোটি টাকারও বেশি পাচার করেছে। সে হিসেবে গত দুই বছরে অন্তত ২০০ কোটি টাকা দেশ থেকে পাচার করেছে বলে প্রাথমিক তথ্যে পাওয়া গেছে। দেশে এখন পর্যন্ত এ চক্রের হাতে অন্তত দেড় হাজার মানুষ প্রতারিত হয়েছে।

এ চক্রের প্রতারণার শিকার হয়ে ভারতে অনেক মানুষ মারা গেছে। অ্যাপটি চীনা নাগরিকদের তৈরি। এটির সার্ভার সিঙ্গাপুরে। আর কল সেন্টার বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে রয়েছে। পাকিস্তানি নম্বর দিয়ে বাংলাদেশিদের কল করা হয়। আর বাংলাদেশি নম্বর ব্যবহার করে ভারতীয়দের কল করা হতো।

চক্রটি অল্প টাকা দিয়ে ফাঁদে ফেলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিত। এভাবে তারা এক ভুক্তভোগীর কাছ থেকেই ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তারা আপত্তিকর ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন জনকে পাঠানোর হুমকি দিত। চক্রের ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে চক্রের আরও অনেকে জড়িত। তারা আত্মগোপন করেছে। অভিযান চলমান আছে।

বিবিসির অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে হারুন বলেন, পাশের দেশে এসব অ্যাপস থেকে ঋণ নিয়ে নানাভাবে হয়রানির শিকার হয়ে ৬০ জনেরও বেশি আত্মহত্যা করেছেন। বাংলাদেশে কেউ আত্মহত্যা করেছে কি না সেই তথ্য পাওয়া যায় নি। এ চক্রের হাতে কেউ প্রতারিত হলে ভুক্তভোগীদের মামলা করার পরামর্শ দিয়েছেন ডিবি প্রধান।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা মামলা করলে ডিবির সাইবার ক্রাইম বিভাগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

নিবন্ধন ছাড়াই ‘বিকল্প পন্থায়’ নির্বাচনে যাবে জামায়াত

স্টক নিউজ বিডি November 25, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: সবশেষ ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এর পরপরই দেশের স্থানীয় পর্যায়ে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন নির্বাচনেও অংশগ্রহণ ছিল দলটির। কিন্তু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ২০১০ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার বিচারকাজ শুরু হলে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়ে জামায়াত।

এরপর সংক্ষুব্ধদের দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্ট। ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর দলটির নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সবশেষ গত ১৯ নভেম্বর রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতকে দেওয়া নিবন্ধন অবৈধ মর্মে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বেঞ্চ।

নিবন্ধন বাতিল হওয়ার পর জাতীয় কিংবা স্থানীয় কোনো নির্বাচনে দলীয়ভাবে অংশ নিতে পারেনি জামায়াতে ইসলামী। এরই মধ্যে দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকেও দূরত্বে ছিল দলটি। তবে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এখন আবারও সরকার পতনের এক দফা ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আন্দোলন করছে জামায়াত।

তবে এই সবকিছুকে ছাপিয়ে দীর্ঘ প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ভোটের রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় থাকা জামায়াত গত ১০ জুন ঢাকায় প্রকাশ্য সমাবেশ করে নতুনভাবে আলোচনায় আসে। বিশেষত, নিবন্ধন জটিলতায় থাকা জামায়াতকে হঠাৎই ঢাকায় সমাবেশ করার জন্য সরকারের অনুমতি দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয় নানা তর্ক-বিতর্ক ও গুঞ্জন। এর প্রায় সাড়ে চার মাস পর গত ২৮ অক্টোবর অনেকটা আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছাড়াই ঢাকায় জমায়েত করে দলটি।

নির্বাচন ও ভোট নিয়ে কী ভাবছে জামায়াত? দলটির নেতারা কি ভোটে অংশ নিতে আগ্রহী? যদি তেমনটি হয়ে থাকে তাহলে নিবন্ধন ও দলীয় প্রতীক ছাড়া কোন প্রক্রিয়ায় ভোটে আসবে জামায়াত? নিবন্ধন ও প্রতীকবিহীন একটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পদ্ধতি কী হতে পারে

কিন্তু নিবন্ধন বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে গত ১৯ নভেম্বর আবেদন খারিজের পর আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ভোট নিয়ে কী ভাবছে জামায়াত? দলটির নেতারা কি ভোটে অংশ নিতে আগ্রহী? যদি তেমনটি হয়ে থাকে তাহলে নিবন্ধন ও দলীয় প্রতীক ছাড়া কোন প্রক্রিয়ায় ভোটে আসবে জামায়াত? কী নামেইবা জনগণের সামনে দাঁড়াবে? নিবন্ধন ও প্রতীকবিহীন একটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পদ্ধতি কী হতে পারে, এ প্রশ্নটিও এখন উঁকি দিচ্ছে জনমনে।

নিবন্ধন বাতিল হওয়ার পর জামায়াত নেতারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন কি না, করলে কীভাবে করবেন, এসব প্রশ্ন নিয়ে দলটির একাধিক দায়িত্বশীল নেতার মুখোমুখি হলে তারা জানিয়েছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বা অন্য কোনো প্রতীক নিয়ে ভোটে অংশ নিতে পারবেন জামায়াত নেতারা। নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনেও সেটি দেখা যেতে পারে। তবে কোনো কিছুই এখনো চূড়ান্ত নয়।

আইনজীবীদের ভাষ্য, নিবন্ধনের জন্য জামায়াত চাইলে এখনো আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে পারে। এছাড়া অন্য কোনো ত্রুটি থাকলে সেগুলো নিরসন করেও নিবন্ধনের জন্য নতুন করে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে তাদের। তবে এ মুহূর্তে জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াত কোন পথে ও কী কৌশলে এগোবে, এ বিষয়ে শিগগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে দলটির বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশ পণ্ড হওয়ার পর লাগাতার সর্বাত্মক হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচি দিচ্ছে বিএনপি। তাদের সঙ্গে মিল রেখে জামায়াতও ধারাবাহিকভাবে এসব কর্মসূচি দিয়ে যাচ্ছে। জোটসঙ্গীসহ সরকারবিরোধী অন্য অনেক দলকেও এখন রাজপথের আন্দোলনে পাশে পাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত। যদিও বিএনপি নেতারা বলছেন, অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চান তারা। এক্ষেত্রে ভোটাধিকারের বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি হাইলাইটস করা হচ্ছে।

বিএনপি মনে করে, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের যে দাবি সেটি দেশের মানুষের পাশাপাশি বিদেশি রাষ্ট্রগুলোও গ্রহণ করেছে। এখন ধৈর্য, সততা ও ঐক্যই হচ্ছে তাদের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ। এছাড়া রাজনীতি ও ভোটের হিসাব- এ দুটি বিষয় পাশাপাশি রেখে সামনে এগোতে চাচ্ছেন তারা। আর ভোটের হিসাবে ইসলামী দলগুলো যে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর সেটিও অজানা নয় বিএনপির। দলটি এখন পর্যন্ত বিশ্বাস করছে, জনভিত্তি আছে এমন ইসলামী দলগুলো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না।

তবে সাম্প্রতিককালে রাজনীতির মাঠে জামায়াতকে নিয়ে রয়েছে চমকপ্রদ তথ্য। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভেতরে ভেতরে দল গোছানোর পাশাপাশি নির্বাচনে অংশ নেওয়ারও প্রস্তুতি রয়েছে নিবন্ধনহীন দলটির। নেতাদের দাবি, জামায়াতের প্রতি জনগণের সমর্থন রয়েছে। নিবন্ধন বাতিল হলেও তারা সব ধরনের নির্বাচনে অংশ নিতে চান। সেদিক থেকে বিকল্প পন্থাও খুঁজে নেওয়া হচ্ছে। জামায়াত নেতারা বলছেন, নিবন্ধন ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত দলীয় সমর্থনের প্রার্থী স্বতন্ত্র বা অন্য কোনো প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন। যদিও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে দলটি এখনো অনড়। এ-ও বলা হচ্ছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া তারা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে না। এ অবস্থায় শেষ পর্যন্ত দলটি কী করে তা-ই এখন দেখার পালা।

জামায়াত নেতাদের অনেকে বলছেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিবেশ তৈরি হলে নিবন্ধন না থাকলেও বিকল্প পন্থায় (স্বতন্ত্র বা অন্য কোনো প্রতীকে) নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে তাদের। তারা মনে করেন, জামায়াত নির্বাচনমুখী দল। ফলে নির্বাচনী প্রস্তুতি তাদের নিয়মিত কাজেরই অংশ। শুধু সরকার পতন বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতেই আন্দোলন করছেন না তারা, বরং দেশের মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনাই তাদের আন্দোলনের মূল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য।

জানা গেছে, তৃণমূলে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন জামায়াত নেতারা। দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় যাচ্ছেন, নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছেন। আগামী দিনের আন্দোলন ও চ্যালেঞ্জগুলো নেতাকর্মীদের সামনে তুলে ধরছেন।

জামায়াতপন্থি একাধিক আইনজীবী নেতা জানিয়েছেন, তারা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে তা শুধু আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নয়। কারণ, তারা মনে করেন এ সরকারের অধীনে বিগত দুটি সংসদ নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। আগামী নির্বাচনও দলীয় সরকারের অধীনে হলে জনরায়ের প্রতিফলন ঘটবে না। সেজন্য তারা বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে যেতে রাজি নয়। তারা মনে করছেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি যে কোনো দলই নিতে পারে, এটি কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। জামায়াত নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবিতে আন্দোলন করছে। এ আন্দোলন সফল করার পর নির্বাচনের প্রসঙ্গটি সামনে আসবে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ৭ জানুয়ারি। জোরেশোরে নির্বাচনী প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে জামায়াত নেতারা বলছেন, জামায়াত নির্বাচনমুখী একটি রাজনৈতিক দল। সব সময়ই মাঠপর্যায়ে প্রার্থী যাচাই-বাছাই চলে। এরই মধ্যে শতাধিক আসনে প্রার্থীও চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছিল। কিন্তু এই সরকারের অধীনে জামায়াত নির্বাচনে যাবে না।

নিবন্ধন অবৈধ মর্মে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াতের করা লিভ টু আপিল খারিজ করে গত ১৯ নভেম্বর আপিল বিভাগ রায় দেন। ওইদিন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, আদালতে আপিলকারীর পক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ লিভ টু আপিল খারিজ করে দেন। এ আদেশের ফলে জামায়াত দলীয়ভাবে কিংবা দলীয় প্রতীক নিয়ে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।

বাংলাদেশের গণপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী, রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন না থাকলে কোনো দল নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না। তবে সংগঠন হিসেবে সক্রিয় থাকতে পারে দলটি।

নিবন্ধন নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে বহাল থাকায় আইনগতভাবে (দলীয় প্রতীকে) এখন নির্বাচন করতে পারবে না জামায়াত। কিন্তু দলের যে কোনো নেতা যে কোনো কর্মী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। তাতে কোনো সমস্যা নেই। দল যখন নিবন্ধন পাবে তখন আবার দলীয় প্রতীকেই নির্বাচনে অংশ নেওয়া হবে

রায়ের পর জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার বঞ্চিত হয়েছে তার দল। রায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী হতে পারে সে সম্পর্কে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরে জানানো হবে। এক্ষেত্রে নিবন্ধন বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন খারিজের পর দলটি আপিল বিভাগের লিখিত রায়ের অপেক্ষায় বলে জানা গেছে।

গত ১৯ নভেম্বরের রায়ের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, জামায়াত তাহলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কী ভাবছে? এছাড়া দলীয়ভাবে কিংবা দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারেইবা তাদের বক্তব্য কী?

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, নিবন্ধন নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে বহাল থাকায় আইনগতভাবে (দলীয় প্রতীকে) এখন নির্বাচন করতে পারবে না জামায়াত। কিন্তু দলের যে কোনো নেতা যে কোনো কর্মী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। তাতে কোনো সমস্যা নেই। দল যখন নিবন্ধন পাবে তখন আবার দলীয় প্রতীকেই নির্বাচনে অংশ নেওয়া হবে।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে জামায়াত অংশ নেবে কি না- সে বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু না বললেও তিনি বলেন, নিবন্ধন ছাড়া দলের নেতাকর্মীরা নির্বাচনে অংশ নেবেন কি না সেটা এখনো নিশ্চিত করেননি। বাংলাদেশে ২০১৪ এবং ২০১৮ ছাড়া সব নির্বাচনে অংশ নিয়েছে জামায়াত। কিন্তু নির্দলীয় তথা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবো না।

এর আগে দলটির নেতারা জানিয়েছিলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে তাদের। সে অনুযায়ী, স্বতন্ত্র বা অন্য কোনো প্রতীকে জামায়াত নির্বাচনে অংশ নিলেও নির্বাচনটি হতে হবে নির্দলীয় সরকারের অধীনে।

এদিকে তফসিল ঘোষণার পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এরই মধ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ করেছে। চলছে প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ের কাজ। সংসদে বিরোধীদল জাতীয় পার্টি (জাপা) নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। তারাও মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে। এছাড়া তৃণমূল বিএনপিসহ আরও কিছু দল একক বা জোটগতভাবে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে বিএনপি ও জামায়াতসহ সরকারবিরোধী বেশ কিছু দল ও জোট এখনো সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্তি এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে অনড়। তারা একসঙ্গে ধারাবাহিকভাবে হরতাল-অবরোধ কর্মসূচিও দিয়ে যাচ্ছে।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, আনুষ্ঠানিক অবস্থান প্রকাশ না করলেও নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের হয়তো ‘বিকল্প চিন্তা’ আছে। যে কারণে তারা সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে আন্দোলন করছে।

জামায়াতের রাজনীতির পর্যবেক্ষক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষক ড. আব্দুল লতিফ মাসুম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন থাকুক আর না-ই থাকুক, তাদের নেতাকর্মীরা দেশের নাগরিক হিসেবে স্বতন্ত্র বা অন্য কোনো প্রতীক নিয়ে আগামীতে নির্বাচনে যেতে পারেন। এজন্য ভিন্ন ধরনের বিকল্প হাতে রেখেছে দলটি।

তিনি বলেন, জামায়াতের বিকল্প ভাবনার মধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা নির্বাচন বর্জনের উভয় দিক থাকতে পারে। তবে দলটির সব সিদ্ধান্তই নির্ভর করবে পরিবেশ-পরিস্থিতির ওপর। আপাতত বিকল্প হিসেবে জামায়াত নেতাকর্মীরা অন্য কোনো দলের প্রতীক বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটে অংশ নিতে পারেন।

আওয়ামী লীগ নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এরই মধ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ করেছে। চলছে প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ের কাজ। সংসদে বিরোধীদল জাতীয় পার্টি (জাপা) নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। তারাও মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে। এছাড়া তৃণমূল বিএনপিসহ আরও কিছু দল একক বা জোটগতভাবে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে

ড. আব্দুল লতিফ মাসুম মনে করেন, যদি দেশে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হয় এবং জোটমিত্র বিএনপি জোটগত নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে জামায়াতও নির্বাচনে যাওয়া-না যাওয়ার বিষয়টি অন্যভাবে বিবেচনা করতে পারে। এক্ষেত্রে হয়তো সবচেয়ে ভালো ও সুবিধাজনক বিকল্পটিই বেছে নেবে জামায়াত।

বিএনপি-জামায়াতপন্থি আইনজীবীদের সংগঠন ইউনাইটেড লইয়ার্স ফ্রন্টের কো-কনভেনর সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী বলেন, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় তারা দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করতে পারবে না। অন্যদিকে নির্বাচনে যাওয়া-না যাওয়ার বিষয়টি তাদের একান্ত দলীয় সিদ্ধান্তের ব্যাপার। তবে তারাও বিএনপি বা জোটের সঙ্গে আছে। দলের নিবন্ধন না থাকলেও জামায়াত চাইলে বিকল্প পন্থায় নির্বাচনে যেতে পারে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বা অন্য কোনো দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে কোনো বাধা নেই। এর আগেও আমরা জোট-মহাজোটের অনেক নেতাকে এ ধরনের পন্থায় ভোটে যেতে দেখেছি।

সুব্রত চৌধুরী মনে করেন, বিএনপির প্রতিপক্ষ হিসেবে জামায়াতকে মাঠে রাখার একটা চেষ্টা থাকতে পারে আওয়ামী লীগের। হয়তো এ কারণেই গত ২৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছাড়াও বাধাহীনভাবে সমাবেশ করতে পেরেছে দলটি।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সাবেক নেতা ও জামায়াতপন্থি আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সাইফুর রহমান বলেন, আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে তা আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নয়। কারণ, বর্তমান সরকারের অধীনে বিগত দুটি সংসদ নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। আগামী নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে হলে সেটিরই পুনরাবৃত্তি হবে। সে কারণে আমরা এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবো না।

তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্ত আমাদের দলের আমির ও সেক্রেটারি জেনারেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত পরিষ্কার। তবে দেশে যদি নির্বাচনের পরিবেশ সরকার তৈরি করতে পারে বা তত্ত্বাবধায়কের আদলে কোনো সরকার আসে এবং বিএনপিসহ সমমান দলগুলো সেই নির্বাচনে অংশ নেয় তাহলে জামায়াতও অংশ নেবে।

‘নির্বাচনের জন্য যতটুকু প্রস্তুতি দরকার আমার বিশ্বাস এবং জানা মতে তা সর্বাত্মকভাবে নিয়ে রেখেছে দল। পরিবেশ তৈরি হলে জামায়াত স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে’- বলেন অ্যাডভোকেট সাইফুর।

রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতকে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট করেন বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের নেতা সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ ব্যক্তি। রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্ট। ওই বছরই হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে জামায়াত।

২০১৮ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর আওতায় রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর জামায়াতে ইসলামীকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছিল। সেখানে বলা হয়, দলটির নিবন্ধন নম্বর ছিল ১৪। ২০০৯ সালে হাইকোর্টে দায়ের করা ৬৩০ নম্বর রিট পিটিশনের রায়ে আদালত জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯০এইচ ধারা অনুযায়ী দলটির নিবন্ধন বাতিল করা হলো।

গত ১০ জুন রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জামায়াত যে সমাবেশ করে সেখান থেকে দলটির নেতারা বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন। যার মধ্যে অন্যতম দাবি ছিল দলের নিবন্ধন ফিরিয়ে দেওয়া। এছাড়া দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ, আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি জানানো হয় সেই সমাবেশ থেকে।

২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি মতিঝিলে বিক্ষোভ মিছিল করেছিল জামায়াত। এর পর ১০ বছরের বেশি সময় দলটি কোনো কর্মসূচি দিয়ে দাঁড়াতে পারেনি। গত ১০ জুনের সমাবেশ থেকে সরকার এবং সব দলকে নিয়ে আলোচনা এবং সরকার ও বিরোধীদের ঐক্যের আহ্বান জানায় জামায়াত। দলটি ঐক্যের ভিত্তিতে একটি ‘সঠিক বাংলাদেশ’ গড়ার কথাও বলে।

জিয়া-পরবর্তী এরশাদ সরকারের শাসনামলেও এদেশে নির্বিঘ্নে রাজনীতি করেছে জামায়াত। পরবর্তীকালে খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ও দলীয় মন্ত্রী-এমপি পেয়েছে তারা। আওয়ামী লীগ সরকারে ফেরার পর ২০১০ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকাজ শুরু হলে চাপ বাড়তে থাকে জামায়াতের ওপর

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পক্ষে অস্ত্র ধরে মুক্তিযুদ্ধের পর নিষিদ্ধ হওয়া জামায়াতে ইসলামী বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বদান্যতায় রাজনীতিতে ফেরার পর এতটা দুর্দশায় আর পড়েনি।

১৯৮৬ সালের ৭ মে তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭৬টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল জামায়াত। যেখানে দলটি ১০টি আসনে জয় পায়। ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনে ২২২ জন দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে ১৮টি আসনে জয় পায় জামায়াত। ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসন পায় দলটি। ২০০১ সালের ১ অক্টোবরের নির্বাচনে জামায়াত ১৭টি আসন পায় জামায়াত। সেবার সংরক্ষিত নারী আসন থেকেও চারটি আসনে জয়ী হয় তারা। সবশেষ ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনে জয় পায় জামায়াত। ওই নির্বাচনে দলটি জোটগতভাবে ৩৯টি ও চারটিতে এককভাবে নির্বাচন করে। এরপর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে জামায়াত।

একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর নিষিদ্ধ হওয়া জামায়াত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আমলে রাজনীতি ফেরে। জিয়া-পরবর্তী এরশাদ সরকারের শাসনামলেও এদেশে নির্বিঘ্নে রাজনীতি করেছে জামায়াত। পরবর্তীকালে খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ও দলীয় মন্ত্রী-এমপি পেয়েছে তারা। আওয়ামী লীগ সরকারে ফেরার পর ২০১০ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকাজ শুরু হলে চাপ বাড়তে থাকে জামায়াতের ওপর। তখন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দলটির শীর্ষস্থানীয় অধিকাংশ নেতার মৃত্যুদণ্ড বা আমৃত্যু কারাদণ্ড কার্যকর হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বছরের ২ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীর ২০২৩-২৫ মেয়াদে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়। এরই মধ্যে ৮৬টি সাংগঠনিক জেলা শাখা ও এর অধীনে উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায়ের সব কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত বেশ কয়েক বছর ধরে প্রকাশ্য তৎপরতা দেখা না গেলেও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে অনেকটা গোপনে দলটি সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাচ্ছে বলেও জানা যায়।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

হরতাল-অবরোধে ২৫ দিনে সারাদেশে ৬৮৬টি সহিংসতা

স্টক নিউজ বিডি November 25, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির ডাকা হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে গত ২৫ দিনে সারাদেশে ৬৮৬টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ৩১০টি ভাঙচুর এবং ৩৭৬টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা।

বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টার থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

ডিএমপি জানায়, গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশের পর দলটি লাগাতার হরতাল-অবরোধের কর্মসূচি ঘোষণা করে। তারা সাধারণ মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে কর্মসূচি বাস্তবায়নে নাশকতা ও হিংসাত্মক কার্যক্রম চালায়। দেশের সাধারণ নাগরিকদের ওপর পৈশাচিক ও ঘৃণ্য কার্যকলাপে লিপ্ত হয়। দেশব্যাপী অবরোধ ও হরতালে গত ২৯ অক্টোবর থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত ২৭৫টি যানবাহন ভাঙচুর, ২৪টি স্থাপনা ভাঙচুর ও ১১টি অন্যান্যসহ মোট ৩১০টি ভাঙচুরের ঘটনা এবং ২৯০টি যানবাহন, ১৭টি স্থাপনা ও ৬৯টি অন্যান্যসহ মোট ৩৭৬টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

এছাড়া অবরোধ চলাকালে ৩১ অক্টোবর থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত রেলওয়েতে ২৪টি নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, টাঙ্গাইল ও জামালপুরে ৩টি ট্রেনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা মহানগরে ১টি, ময়মনসিংহে ২টি, গাজীপুরে ১টি, নেত্রকোনায় ১টি এবং নওগাঁয় ১টিসহ ৬টি ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। কিশোরগঞ্জে ১টি, নোয়াখালীতে ২টি, সিলেটে ১টি, পাবনায় ১টি, দিনাজপুরে ১টি ও গাজীপুরে ৩টিসহ রেললাইনে ৯টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়া সিলেট, ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জে রেললাইন কেটে ফেলার চেষ্টার ৩টি এবং গাইবান্ধায় রেললাইনের ফিস প্লেট খোলার চেষ্টার ঘটনা ঘটে। পাবনায় ট্রেনে পেট্রোল ও ডিজেল ভর্তি বোতল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া, নারায়ণগঞ্জে রেললাইনের ওপরে অতিরিক্ত ৩ ফুট লম্বা ও ৩ ইঞ্চি চওড়া পাত সংযোজন করে নাশকতার চেষ্টা করা হয়।

গত ২৮ অক্টোবর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা মহানগর এলাকায় গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ২৯ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। কুমিল্লা জেলায় অবরোধ ও হরতালের সময় পিকেটিং ও অগ্নিসংযোগকালে ছয়টি ঘটনায় হাতেনাতে ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও জানায়, পুলিশকে বিতর্কিত করার লক্ষ্যে নাশকতাকারীরা উদ্দেশ্যমূলকভাবে ‘প্রেস’ লেখা জ্যাকেট পরে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়, যা জনগণের কাছে এখন স্পষ্ট।

ভাঙচুর ও নাশকতামূলক হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার হরতাল-অবরোধে পরিবহন বা স্থাপনা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগকারীদের উপযুক্ত প্রমাণসহ ধরিয়ে দিলে অথবা সুনির্দিষ্ট তথ্য দিলে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

দুনিয়ার মোহ ও আল্লাহর স্মরণ

স্টক নিউজ বিডি November 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: পরিবার ও সন্তানদের প্রতি যথাযথ দায়িত্ব পালন করা, তাদের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করা ফরজ। পরিবারের জন্য কৃত খরচকে রাসুল (সা.) সর্বোত্তম সদকা বলেছেন। সওবান (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেছেন,

أَفْضَلُ دِينَارٍ يُنْفِقُهُ الرَّجُلُ دِينَارٌ يُنْفِقُهُ عَلَى عِيَالِهِ وَدِينَارٌ يُنْفِقُهُ عَلَى فَرَسٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَدِينَارٌ يُنْفِقُهُ الرَّجُلُ عَلَى أَصْحَابِهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ

সবচেয়ে উত্তম দীনার হলো- যা মানুষ তার পরিবার-পরিজনের জন্য ব্যয় করে, যা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের ঘোড়া প্রতিপালনে ব্যয় করে এবং যা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারী তার সহ-যোদ্ধাদের জন্য ব্যয় করে। (সহিহ মুসলিম)

তবে সম্পদ উপার্জনের মোহ ও সন্তানরা যেন আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল না করে দেয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা দরকার। তাদের প্রতি দায়িত্বপালনের পাশাপাশি আল্লাহর রাস্তায় ব্যায় করতে হবে, দরিদ্র আত্মীয় স্বজনদের খোঁজ-খবর নিতে হবে, দরিদ্রদের দান করতে হবে। আল্লাহ বলেন,

یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تُلۡهِکُمۡ اَمۡوَالُکُمۡ وَ لَاۤ اَوۡلَادُکُمۡ عَنۡ ذِکۡرِ اللّٰهِ ۚ وَ مَنۡ یَّفۡعَلۡ ذٰلِکَ فَاُولٰٓئِکَ هُمُ الۡخٰسِرُوۡنَ وَ اَنۡفِقُوۡا مِنۡ مَّا رَزَقۡنٰکُمۡ مِّنۡ قَبۡلِ اَنۡ یَّاۡتِیَ اَحَدَکُمُ الۡمَوۡتُ فَیَقُوۡلَ رَبِّ لَوۡ لَاۤ اَخَّرۡتَنِیۡۤ اِلٰۤی اَجَلٍ قَرِیۡبٍ ۙ فَاَصَّدَّقَ وَ اَکُنۡ مِّنَ الصّٰلِحِیۡنَ وَ لَنۡ یُّؤَخِّرَ اللّٰهُ نَفۡسًا اِذَا جَآءَ اَجَلُهَا ؕ وَ اللّٰهُ خَبِیۡرٌۢ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ
হে মুমিনগণ, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান- সন্ততি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীন না করে; যারা এ রকম উদাসীন হবে তারা ক্ষতিগ্রস্ত। আর আমি তোমাদেরকে যে রিজিক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় কর, তোমাদের কারো মৃত্যু আসার আগে। তখন সে বলবে, হে আমার রব, যদি আপনি আমাকে আরো কিছু কাল পর্যন্ত সুযোগ দিতেন, তাহলে আমি দান-সদাকা করতাম। আর সৎ লোকদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। আর আল্লাহ কখনো কোন প্রাণকেই অবকাশ দেবেন না, যখন তার নির্ধারিত সময় এসে যাবে। আর তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবহিত। (সুরা মুনাফিকুন: ৯-১১)

সুরা মুনাফেকুনের শুরুতে মুনাফিকদের মিথ্যা কসম ও ষড়যন্ত্রের কথা আলোচনা করা হয়েছে। এ সব কিছুর মূল কারণ ছিল দুনিয়ার প্রতি তাদের মোহ বা ভালোবাসা। তাই এ আয়াতগুলোতে আল্লাহ তাআলা মুমিনদের নির্দেশনা দিচ্ছেন মুনাফিকদের মতো সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিসহ দুনিয়ার ভালোবাসায় ডুবে না যেতে। সম্পদ ও সন্তানদের নিরাপত্তা ও দুনিয়াবি সুখের মোহে আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরে না যেতে।

এখানে দুনিয়ার সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি পুরোপুরি ত্যাগ করতে বলা হয়নি। দুনিয়াবি সম্পদ উপার্জন করতে নিষেধও করা হয়নি। সম্পদ ও সন্তানদের মোহে আল্লাহর স্মরণ ও ইবাদত থেকে গাফেল হতে নিষেধ করা হয়েছে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

মানুষকে কীভাবে পিটিয়েছে, সেটা আমরা দেখেছি: মেসি

স্টক নিউজ বিডি November 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ব্রাজিলের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা। চরম উত্তেজনাকর ম্যাচটি শুরু হওয়ায় আগমুহূর্তে গ্যালারিতে ঘটে গেলো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। সংঘাতে জড়ালেন দুই দলের সমথর্করা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছুটে আসে পুলিশ। ফলে দুইপক্ষের হাতিহাতি রূপ নেয় ত্রিমুুখী সংঘর্ষে।

ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে পরিস্থিতি শান্ত করতে দলবল নিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নিজ দেশের সমর্থকদের বাঁচাতে ব্রাজিল সমর্থকদের দিকে তেড়ে যাচ্ছেন আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টনেজও। পরে অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার প্রতিবাদ করে মাঠ ত্যাগ করে আর্জেন্টিনা।

এ ঘটনার কারণে নির্দিষ্ট সময়ের আধঘণ্টা পর খেলা শুরু হয়। মাঠেও কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়ায় দুইদলের খেলোয়াড়রা। যে কারণে লালকার্ডও দেখতে হয়েছিল ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড জোয়েলিন্টনকে।

সংঘর্ষ ও ফাউলের ম্যাচে অবশেষে ১-০ গোলে জয় পায় আর্জেন্টিনা। দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন নিকোলাস ওতামেন্দি।

ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমের সামনে গ্যালারির সংঘর্ষ নিয়ে কথা বলতে আসেন মেসি। বিশ্বকাপজয়ী এ তারকা বলেছেন, ‘নিশ্চিতভাবেই খুব খারাপ কাজ হলো। দর্শকদের কীভাবে (পুুলিশ) পিটিয়েছে, সেটা আমরা দেখেছি। লিবার্তোদোরেসের ফাইনালেও (দক্ষিণ আমেরিকার প্রধান মহাদেশীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট) এমন হয়েছিল, এখন আবারও পেটানো হলো। সেখানে (গ্যালারি) খেলোয়াড়দের পরিবারও ছিল। আর সবার আগে পরিবার। তখন খেলার চেয়ে ওই চিন্তাটাই আগে আসে, বাকি সব গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে।’

আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় স্পোর্টস অনলাইন টিওয়াইসি স্পোর্টসে বলা হয়েছে, ম্যাচ শুরুর আগে যখন আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা নিজ দেশের জাতীয় সঙ্গীত গাইছিলো, তখনই গ্যালারিতে ব্রাজিল পুলিশ কর্তৃক আক্রান্ত হন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা। তখন আর্জেন্টিনা সমর্থকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে চেয়ার ছুঁড়ে মারে। এতে সংঘর্ষ আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।

তবে ম্যাচ কর্মকর্তা, ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। ফলে সংশয় কেটে যায়। নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট পর হলেও মাঠে গড়ায় খেলা। শুরু হয় বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায়।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

টানেলে আটকে পড়া শ্রমিকদের কাছাকাছি উদ্ধারকারী দল

স্টক নিউজ বিডি November 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: ধীরে ধীরে কমছে দূরত্ব। আর মাত্র ১২ মিটার খুঁড়লেই উদ্ধার করা যাবে ভারতের উত্তরাখণ্ডের টানেলে আটকে থাকা ৪১ জন শ্রমিককে। বুধবার (২২ নভেম্বর) এমনটাই জানান উত্তরাখণ্ডের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

সেখানের কর্মকর্তাদের দাবি, শিগগির ‘বড় খবর’ আসছে। তারা জানিয়েছেন, টানেলে আটকে থাকা শ্রমিকদের বের করে আনতে ১২ মিটারেরও কম পাথর ও ধ্বংসাবশেষ সরানো বাকি।

এর আগে উত্তরাখণ্ডের সড়ক ও পরিবহন বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা মাহমুদ আহমেদ জানান, বুধবার দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ সুড়ঙ্গের মুখে আটকে থাকা পাথর খনন করতে শুরু করে খননযন্ত্র অগার। দুই ঘণ্টার মধ্যেই সেটি ১৮ মিটার খনন করে ফেলে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, আমি এটা জানাতে পেরে খুশি যে, ৩৯ মিটার পর্যন্ত পাথর খোঁড়া হয়েছে। আমাদের অনুমান, শ্রমিকরা ৫৭ মিটার নিচে আটকে রয়েছেন। অর্থাৎ, তাদের উদ্ধার করতে আর মাত্র ১৮ মিটার বাকি রয়েছে। আহমেদ আরও বলেন, যদি আর কোনো বাধা না আসে, তা হলে বুধবার রাতে বা বৃহস্পতিবার সকালে বড় খবর পাওয়া যেতে পারে। যদিও তার এ ঘোষণার পর আরও ছয় মিটার খনন করা হয়েছে।

আহমেদ আরও জানিয়েছেন, পাথরে গর্ত করার পাশাপাশি সেই গর্তে উদ্ধারকারীদের বের করে আনার জন্য ঢালাই করা পাইপ ঢোকানো হচ্ছে। আর সেই প্রক্রিয়ায়ই অনেকটা সময় লাগছে বলেও আহমদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ঝালাই করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এতে সময় লাগে। খনন করতে খুব বেশি সময় লাগে না।

ভারী ড্রিলিং মেশিন বারবার বিকল হওয়ার কারণে উদ্ধার প্রচেষ্টা ধীর, জটিল হয়েছে। গত সপ্তাহে একটি মেশিন বোল্ডারের মধ্যে পড়েছিল, ফলে টানেলের ছাদ ফাটল ধরে বলে মনে হওয়ার পরে তিনদিনের বেশি সময় ধরে ড্রিলিং স্থগিত করা হয়েছিল।

গত ১২ নভেম্বর উত্তরকাশী জেলার ব্রহ্মতাল-যমুনোত্রী জাতীয় সড়কের ওপর সিল্কিয়ারা ও ডন্ডালহগাঁওের মধ্যে নির্মীয়মাণ সাড়ে আট মিটার উঁচু এবং প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ টানেলের একাংশ ধসে পড়ে। টানেলের ভেতরে আটকে পড়েন ৪১ জন শ্রমিক। সেই ঘটনার পর ১১ দিন পেরিয়ে গেছে। এখনও উদ্ধার করা যায়নি শ্রমিকদের। টানেলে আটকে পড়া শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের তিনজন।

টানেলে আটকে পড়া শ্রমিকদের পাইপের সাহায্যে খাবার ও অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে শ্রমিকদের জন্য খিচুড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। রাতের খাবারে পাঠানো হয় পোলাও, মটর পনির এবং দুটি করে রুটি। শ্রমিকদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই খাবারের ধরনে বদল আনা হচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে পাইপের ভেতর দিয়ে প্রায় দেড়শটি খাবারের প্যাকেট শ্রমিকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

1 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

ইরাকে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীর ওপর মার্কিন হামলা

স্টক নিউজ বিডি November 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে ইরাকে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে বেশ কিছু হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর জবাব দিতেই পাল্টা হামলা চালাচ্ছে মার্কিন বাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) ইরাকে দুইটি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে চালানো ইরান ও তাদের সমর্থিত গোষ্ঠীর হামলার সরাসরি জবাব এটি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেছেন, বাগদাদের দক্ষিণে আল আনবার ও জুরফ আল সাকারের কাছে একটি কাতায়েব হিজবুল্লাহ অপারেশন সেন্টার এবং কাতায়েব হিজবুল্লাহ কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল নোডকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

এদিকে চারদিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে হামাস ও ইসরায়েল। কাতারের মধ্যস্থতায় তাদের মধ্যে এই সমঝোতা হয়েছে। যুদ্ধবিরতির চুক্তির অধীনে ৫০ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে হামাস এবং ১৫০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেবে ইসরায়েল।

ছয় সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মধ্যে তীব্র সংঘাত চলছে। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। সে সময় প্রায় ২০০ ইসরায়েলি নাগরিককে জিম্মি হিসেবে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। এছাড়া হামাসের হামলায় ১২০০ জন নিহত হয়। এরপরেই গাজায় পাল্টা হামলা চালায় ইসরায়েল। এখন পর্যন্ত নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের বর্বর হামলা অব্যাহত রয়েছে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় ১৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ হাজারের বেশিই শিশু। গাজার চারদিকে অবস্থান করছে ইসরায়েলি বাহিনী। ফলে সেখানকার সাধারণ মানুষ মানবেতর জীবন-যাপন করছে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • রাজধানীর বনানী কাঁচা বাজারে বাংলা কিউআর লেনদেন বিষয়ক প্রচারণামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

  • মশিহর সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারীদের চেক বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত

  • পুঁজিবাজারে লেনদেন সহজ করতে ব্র্যাক ব্যাংক ও মিডওয়ে সিকিউরিটিজের চুক্তি

  • ইবনে সিনা ফার্মার আর্থিক সূচকে শক্তিশালী অগ্রগতি, ৭৭% নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ

  • গাইবান্ধায় বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • ৪ ব্যাংকের ৩,১০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন, বেক্সিমকো ফার্মার নতুন পর্ষদ গঠনে অনাপত্তি

  • গাইবান্ধায় বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা

  • ১২ হাজার কোটি টাকার ডিপোজিটে মধুমতি ব্যাংকের নতুন মাইলফলক

  • ডা. এনামের অঢেল অবৈধ সম্পদ অর্জন দেখার কেউ নাই।

  • ইবনে সিনা ফার্মার আর্থিক সূচকে শক্তিশালী অগ্রগতি, ৭৭% নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য