Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

অর্থনীতি

অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং কুটির শিল্প বিকাশে মিডল্যান্ড ব্যাংকের চুক্তি স্বাক্ষর

স্টক নিউজ বিডি May 20, 2026

মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি. (এমডিবি) বাংলাদেশ ব্যাংকের BDT ৩,০০০ কোটি টাকার ক্লাস্টার ফাইন্যান্সিং স্কিম এবং BDT ১,৫০০ কোটি টাকার ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর ফান্ড ফর দ্য ডেভেলপমেন্ট অব মাইক্রো, স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজেস (FSFDMSME) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সারাদেশে ক্লাস্টারভিত্তিক ও CMSME উদ্যোক্তাদের টেকসই উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে সহায়তা প্রদান করা হবে।


চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি ১৮ মে ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জনাব নুরুন নাহার। বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমইএসপিডি বিভাগের পরিচালক জনাব নওশাদ মোস্তফা এবং মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব ইমতিয়াজ ইউ. আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর ও দলিল বিনিময় করেন।

চুক্তির আওতায় মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি. বাংলাদেশ ব্যাংকের রিফাইন্যান্স স্কিমের অধীনে ৭% সুদ হারে যোগ্য ক্লাস্টার উদ্যোক্তা ও CMSME প্রতিষ্ঠানসমূহকে অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করবে। ক্ষুদ্র ব্যবসা ও উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে সহায়তার জন্য টার্ম লোন এবং ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ফাইন্যান্সিং সুবিধা প্রদান করা হবে।

এই উদ্যোগ দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী CMSME খাতকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি.-এর ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান জনাব মোহাম্মদ জাভেদ তারেক খান, এসএমই ডিভিশনের প্রধান জনাব আহসান জামিল হোসেনসহ বাংলাদেশ ব্যাংক ও মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি.-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

মাদানী এভিনিউতে BYD-এর নতুন শোরুম উদ্বোধন: দেশে নিউ এনার্জি ভেহিকল সম্প্রসারণে নতুন দিগন্ত

স্টক নিউজ বিডি April 12, 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নিউ এনার্জি ভেহিকল (NEV) নির্মাতা BYD ঢাকার মাদানী এভিনিউ (১০০ ফিট, ভাটারা)-এ তাদের নতুন শোরুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই লোকেশনে শোরুম চালু হওয়াকে দেশের পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশে BYD-এর একমাত্র পরিবেশক CG Runner BD Limited-এর ডিলার পার্টনার Auto Fix Limited এই শোরুমটি পরিচালনা করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন CG Runner বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, BYD বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার চার্লস রেন, Auto Fix Limited-এর চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজু ঘোষসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

উদ্বোধনী বক্তব্যে হাফিজুর রহমান খান বলেন, “মাদানী এভিনিউতে এই শোরুম চালু করা ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে পরিবেশবান্ধব ও বিশ্বমানের অটোমোবাইল প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৩০% বৈদ্যুতিক যানবাহন নিশ্চিত করার যে লক্ষ্য সরকার নির্ধারণ করেছে, CG Runner BD সেই লক্ষ্য অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।”

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে লুৎফর রহমান জানান, গ্রাহকদের আধুনিক ও পেশাদার সেবা নিশ্চিত করতে শোরুমটি অত্যাধুনিকভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে ইলেকট্রিক ভেহিকল (EV) এবং সুপার প্লাগ-ইন হাইব্রিড (PHEV) প্রযুক্তির যানবাহনের বিক্রয় ও বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা BYD-এর ফ্ল্যাগশিপ মডেল BYD Seal, দেশের প্রথম সুপার প্লাগ-ইন হাইব্রিড BYD Sealion 6 এবং BYD Atto 3 পরিদর্শন করেন।

BYD বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ নিউ এনার্জি ভেহিকল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, যা তাদের পেটেন্টকৃত ব্লেড ব্যাটারি প্রযুক্তির জন্য সুপরিচিত। বাংলাদেশে CG Runner BD Limited-এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি চার্জিং অবকাঠামো ও সার্ভিস নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে কাজ করছে, যা দেশের টেকসই পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

উত্তর কোরিয়ার গোয়েন্দা স্যাটেলাইট নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্বেগ

স্টক নিউজ বিডি November 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: উত্তর কোরিয়া দাবি করেছে যে, তারা সফলভাবে মহাশূন্যে একটি গোয়েন্দা উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেছে। চলতি বছর এর আগে আরও দুবার তাদের এ ধরনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবার পর তৃতীয় বারের প্রচেষ্টায় সফল হলো পিয়ংইয়ং।

অবশেষে মহাকাশে সফলভাবে গোয়েন্দা উপগ্রহ পাঠালো উত্তর কোরিয়া। চলতি বছর এর আগে আরও দু’বার তাদের এ ধরনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। তৃতীয়বারের প্রচেষ্টায় এবার সফল হয়েছে বলে দাবি করেছে পিয়ংইয়ং। এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্র।

মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরীয় সেনাবাহিনীর প্রধান সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ অভিমুখে একটি রকেট ছুঁড়েছে। এটি মহাকাশে একটি গুপ্তচর উপগ্রহ প্রতিস্থাপনের জন্য ছোঁড়া হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যমও এই খবর স্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, মঙ্গলবার রকেটটি উৎক্ষেপণ করার সময় রাষ্ট্রের প্রধান কিম জং উন নিজে উপস্থিত ছিলেন।

উত্তর কোরিয়া এ ঘোষণা দেওয়ার পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউজ বলেছে, তারা এই উপগ্রহ উৎক্ষেপণের তীব্র বিরোধিতা করছে। এই ঘটনা ওই অঞ্চলে শক্তিসাম্যে প্রভাব ফেলবে।

উত্তর কোরিয়া অবশ্য আগেই জাপানকে জানিয়েছিল, তারা হলুদ সাগর ও কোরিয়া সাগরের অভিমুখে একটি সামরিক উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করবে। ১ ডিসেম্বরের মধ্যে উপগ্রহটি উৎক্ষেপণ করা হবে বলে জানিয়েছিল তারা।

এর আগে, গত মে এবং আগস্ট মাসে দুবার মহাকাশে সামরিক উপগ্রহ পাঠানোর চেষ্টা করেছিল উত্তর কোরিয়া। কিন্তু দুইবারই তা ব্যর্থ হয়। সেসময় টোকিও এবং ওয়াশিংটন একাধিকবার উত্তর কোরিয়াকে বলেছিল, তারা যেন এই ধরনের পরীক্ষা আর না করে। করলে আরও বেশি নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হবে কিম জং উনকে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

পতনের বাজারে মূলধন বাড়লো সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা

স্টক নিউজ বিডি November 4, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে পতনের মধ্যদিয়ে গত সপ্তাহ পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। সপ্তাজজুড়ে বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমার পাশাপাশি কমেছে সবকটি মূল্যসূচক। এরপরও বেড়েছে বাজার মূলধন।

প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন প্রায় সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা বেড়েছে। অপরদিকে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক কমেছে ৭ পয়েন্টের ওপরে। আর দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ৪ শতাংশের বেশি।

গত সপ্তাহজুড়েই হরতাল ও অবরোধের মধ্যদিয়ে পার করেছে দেশ। গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এক কার্যদিবস হরতাল এবং তিন কার্যদিবস অবরোধ কার্মসূচি ছিল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর। বিএনপি ও জামায়াতের ডাকা এ হরতাল ও অবরোধের মধ্যে শেয়ারবাজার ছিল পতনের মধ্যেই।

এর আগে ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র সমাবেশ ঘিরে আগে থেকেই রাজনীতিতে অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। আর ২৮ অক্টোবর বিএনপি কর্মীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ালে একজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত্য দু’জন মারা যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।

এই সংঘর্ষের পর দেশজুড়ে গত সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার হরতালের ডাক দেয় বিএনপি। পরবর্তীতে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীও হরতাল ডাকে। হরতাল পালন শেষে ৩১ অক্টোবর এবং ১ ও ২ নভেম্বর অবরোধ কর্মসূচি দেয় বিএনপি। পরবর্তীতে জামায়াত ইসলামীও অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করে। বিএনপি ও জামায়াতের এ অবরোধ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এই রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৭০টির শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৭৯টির। আর ২২৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। দাম অপরিবর্তি থাকা এসব প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগ ফ্লোর প্রাইসে (সর্বনিম্ন দাম) আটকে রয়েছে। ক্রেতা না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট বিক্রি করতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা।

বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমায় সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৮৪ হাজার ৫২৮ কোটি টাকা। যা গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৭ লাখ ৮৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৪৬০ কোটি টাকা বা দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।

এদিকে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৭ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট বা দশমিক ১৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ১৩ দশমিক ১৮ পয়েন্ট বা দশমিক ২১ শতাংশ। অর্থাৎ দুই সপ্তাহের পতনে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক কমেছে ২১ দশমিক ১১ পয়েন্ট।

অপর দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ১ দশমিক ৮২ পয়েন্ট বা দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে ‍সূচকটি কমে ৪ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট বা দশমিক ২৩ শতাংশ।

আর ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক কমেছে ৩ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট বা দশমিক ২৪ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ১ দশমিক শূন্য ৬ পয়েন্ট বা দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

সবকটি মূল্যসূচক কমার পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৪৩৯ কোটি ৪ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৪৫৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ১৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা বা ৪ দশমিক ৩১ শতাংশ।

আর সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ১৯৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয় ১ হাজার ৮৩৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সে হিসেবে মোট লেনদেন বেড়েছে ৩৫৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বা ১৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। মোট লেনদেন বাড়ার কারণ গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে পূজা উপলক্ষে শেয়ারবাজারে এক কার্যদিবস কম লেনদেন হয়।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ফু-ওয়াং ফুডের শেয়ার। কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১২৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা এমারেল্ড অয়েলের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা। ৯৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা লেনাদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট।

এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- জেমিনি সি ফুড, ওরিয়ন ইনফিউশন, সমরিতা হাসপাতাল, সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ মনোস্পুল পেপার, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ এবং বিচ হ্যাচারি।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

রাজনৈতিক অস্থিরতায় পতনে শেয়ারবাজার

স্টক নিউজ বিডি November 2, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় মধ্যে দেশের শেয়ারবাজারে দরপতন চলছেই। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচক কমেছে। সেই সঙ্গে দাম কমার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠান।

এর আগে ২৮ অক্টোবর ঘিরে রাজনৈতিক অস্থিরতায় শঙ্কায় গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে দরপতন হয়। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সবকটি মূল্যসূচক কমার পাশাপাশি লেনদেন কমে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে চলে আসে।

আগে থেকেই মানুষের মনে রাজনৈতিক সংঘাতের যে শঙ্কা দানা বেধে ছিল তা ২৮ অক্টোবর বাস্তবে রূপ নেয়। বিএনপির সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগ কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে একজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত দুজন মারা যাওয়ার সংবাদ পাওয়া যায়।

সমাবেশের দিন সংঘাতের মধ্যেই চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার সারাদেশে হরতালের ডাক দেয় বিএনপি। পরবর্তীতে জামায়াতে ইসলামীও হরতালের ডাক দেয়। এই দুই দলের হরতালের মধ্যে রোববার শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক কার্যক্রম চললেও দরপতন হয়। তবে লেনদেনের পরিমাণ বাড়ে।

হরতালের পর বিএনপি এবং জামায়াতের পক্ষ থেকে ৩১ অক্টোবর এবং ১ ও ২ নভেম্বর অবরোধ কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। অবরোধ কর্মসূচির প্রথম দিন মঙ্গলবার শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলে। সেই দাম বাড়ার তালিকায় বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠান নাম লেখানোর পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেন বেড়ে ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়।

তবে অবরোধের দ্বিতীয় দিন বুধবার শেয়ারবাজারে আবার দরপতন হয়। সেই সঙ্গে লেনদেন কমে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে চলে আসে। মূল্যসূচক কমার পাশাপাশি দাম কমার তালিকায় নাম লেখায় বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠান।

এ পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখীতার দেখা মিলে। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাজারের চিত্র বদলে যায়।

দাম বাড়ার তালিকা থেকে একের পর এক প্রতিষ্ঠান দাম কমার তালিকায় চলে আসে। ফলে একদিকে দাম কমার তালিকা বড় হয়, অন্যদিকে সবকটি মূল্যসূচক কমে দিনের লেনদেন শেষ হয়।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে ৫৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৮৪টির এবং ১৭৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৫ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ২৬৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ আগের দিনের তুলনায় ১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩৫৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় দশমিক ২৩ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১৩৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সবকটি মূল্যসূচক কমলেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৪৪৩ কোটি ৬ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৩৭২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন ৭০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

টাকার অঙ্কে বাজারটিতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ফু-ওয়াং ফুডের শেয়ার। কোম্পানিটির ৪৫ কোটি ৮২ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা এমারেল্ড অয়েলের ৩৫ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট।

এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- ওরিয়ন ইনফিউশ, মিরাকেল ইন্ডাস্ট্রিজ, সমরিতা হাসপাতাল, বিচ হ্যাচারি, জেমিনি সি ফুড, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ এবং খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ২৩ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন অংশ নেওয়া ১৫০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৩টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ৪৮টির এবং ৬৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল

১৯০৮ কোটি টাকার ১৫ প্রস্তাব অনুমোদন

স্টক নিউজ বিডি October 11, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: কৃষি, বাণিজ্য, গৃহায়ন ও গণপূর্ত, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, শিল্প এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ১৫টি প্রস্তাবের বিপরীতে এক হাজার ৯০৮ কোটি ৫৮ হাজার ৪৪০ টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (১১ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান বলেন, আজ সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে যে কয়টি প্রস্তাব উঠেছিলো তার সবগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়ছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, টেবিলেরি একটি প্রস্তাবসহ সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ১৫টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এরমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৩টি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ৩টি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ৩টি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ৩টি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের ২টি এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রস্তাবনা ছিল। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবটি টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

১৫টি প্রস্তাবই মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। অনুমোদন দেওয়া এই ১৫টি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ এক হাজার ৯০৮ কোটি ৫৮ হাজার ৪৪০ টাকা। এর মধ্যে জিওবি থেকে ব্যয় হবে ৪২০ কোটি ৮২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৭ টাকা এবং দেশি ব্যাংক ও বৈদেশিক অর্থায়ন এক হাজার ৪৮৭ কোটি ১৮ লাখ ১৯ হাজার ৭৫৩ টাকা।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের দুই প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবের সাবিক এগ্রো-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করা এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি (কাফকো) বাংলাদেশের কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউনিয়া সার কেনা।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব তিনটিও সার কেনা সংক্রান্ত। এরমধ্যে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সৌদি আরবের মা’আদেন ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়ছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মরক্কোর ওসিপি এস.এ এবং বিএডিসি’র মধ্যে স্বাক্ষরিত চুত্তির আওতায় দুটি লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন করে মোট ৬০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তিনটি প্রস্তাবের মধ্যে দুটি ডাল কেনা এবং একটি সয়াবিন তেল কেনা সংক্রান্ত। এরমধ্যে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত জরুরি দরপত্র পদ্ধতিতে ৬ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল এবং আন্তর্জাতিকভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি। এছাড়া স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত পুনঃদরপত্র পদ্ধতিতে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তিনটি প্রস্তাবই রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের গ্রিন সিটি আবাসিক কমপ্লেক্সের ক্রয় প্রস্তাব। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের তিনটি প্রস্তাবের মধ্যে দুটি জাইকার আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন মাতারবাড়ি কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের নির্মাণ প্রকল্পের নির্মাণ কাজের ব্যয় বৃদ্ধি সংক্রান্ত। অন্যটি হলো গোপালগঞ্জ সড়ক নির্মাণ সংক্রান্ত কাজের ক্রয় প্রস্তাব।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

জুলাইয়ে এলসি খোলা কমেছে

স্টক নিউজ বিডি August 26, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: দেশের মধ্যে শুরু হওয়া ডলার সংকট এখনো কাটেনি। সহসা সংকট দূর হওয়ার লক্ষণও তৈরি হয়নি। অন্যদিকে ডলার সংকটের কারণে আমদানিতে কড়াকড়ি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিশেষ করে বিলাসবহুল ও অপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির লাগাম টেনে ধরা হয়। আর এতেই কমে যায় এলসি খোলা। গত অর্থবছরের মতো ঋণপত্র বা এলসি খোলা কমেছে চলতি অর্থবছরের শুরুর মাসেও।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম মাস অর্থাৎ জুলাইয়ে বিভিন্ন পণ্য আমদানির জন্য ৪৩৭ কোটি ২৪ লাখ ডলার বা ৪.৩৭ বিলিয়ন ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, যা ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই সময়ের (জুলাই) চেয়ে ৩১ দশমিক ১৯ শতাংশ কম। এলসি নিষ্পত্তি কমেছে ২০ দশমিক ১৪ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে ৭৪৯ কোটি ১৮ লাখ ডলার বা ৭.৪৯ বিলিয়ন ডলারের ঋণপত্র বা এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই মাসে (জুলাই) ৫৯৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা ৫.৯৮ বিলিয়ন ডলারের এলসি নিষ্পত্তি হয়েছিল।

২০২২-২৩ অর্থবছর (জুলাই-জুন) বিভিন্ন পণ্য আমদানির জন্য ৭ হাজার ২১৯ কোটি ৮০ লাখ ডলারের বা ৭২.২০ বিলিয়ন ডলারের ঋণপত্র বা এলসি খুলেছিলেন বাংলাদেশিরা। এটি ২০২১-২২ অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ২৬ শতাংশ কম।

ডলার বিক্রি আর আমদানির দায় মেটানোর কারণে কমতে থাকে দেশের রিজার্ভ। গতকাল বুধবার (২৩ আগস্ট) পর্যন্ত আইএমএফ’র হিসাব মতে, দেশের খরচ করার মতো রিজার্ভ রয়েছে ২৩ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার ৩১৬ কোটি ডলার। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব মতে রিজার্ভ রয়েছে ২৯ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার ৯৩২ কোটি ডলার। এর আগে ২০২১ সালের আগস্টে রেকর্ড ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছিল রিজার্ভ। পরের বছর ২০২২ সালের ১৬ আগস্ট রিজার্ভ ছিল ৩৯ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে ওই রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে।

রিজার্ভ থেকে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বিক্রি করা হয় ১১৪ কোটি ৭০ ডলার বা ১১৪৭ মিলিয়ন ডলার। আর অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস আগস্টের প্রথম ২৩ দিনে বিক্রি করা হয় ৮১ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এর আগে সদ্য বিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে সর্বোচ্চ ১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করা হয়। এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ৭ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার বিক্রি হয়েছিল।

২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক নিট মুনাফা ১০ হাজার ৭৪৮ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। এর মধ্যে সরকারকে ঋণ দিয়ে ৭ হাজার কোটি টাকা লাভ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া ডলার বিক্রি করে আয় মুনাফা করেছে ৬ হাজার কোটি টাকা। বাণিজ্যিক ব্যাংকে ঋণ দিয়ে আরও ২ হাজার কোটি টাকা আয় করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সব মিলে সদ্য বিদায়ী অর্থবছর ১৫ হাজার কোটি টাকা মুনাফা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যার মধ্যে খরচ করেছে ৪ হাজার ২৫২ কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে নিট মুনাফা করেছে ১০ হাজার ৭৪৮ কোটি টাকা।

বিদায়ী অর্থবছর সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ২২ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা রেকর্ড ঋণ নিয়েছে। যার পুরো অংশই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া। এর আগের অর্থবছরে ৯৭ হাজার ৬৪৮ কোটি টাকার ঋণ নেয় সরকার। এ দুই খাত থেকেই গত বছর বেশি আয় করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

আরও ৯ দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি

স্টক নিউজ বিডি August 24, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: ভারত ছাড়া আরও নয় দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। গত ২৪ ঘণ্টায় এসব দেশ থেকে ২১ হাজার ৫৮০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয় কৃষি মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ভারত ছাড়া আরও নয় দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে চীন থেকে ২ হাজার ৪০০ টন, মিশর থেকে ৩ হাজার ৯১০ টন, পাকিস্তান থেকে ১১ হাজার ৮২০ টন, কাতার থেকে এক হাজার ১০০ টন, তুরস্ক থেকে ২ হাজার ১১০ টন, মিয়ানমার থেকে ২০০ টন, থাইল্যান্ড থেকে ৩৩ টন, নেদারল্যান্ডস থেকে ৪ টন ও ইউএই থেকে ৩ টনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এখন পর্যন্ত মোট ১৩ লাখ ৭৩ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতির বিপরীতে দেশে ৩ লাখ ৭৯ হাজার টন পেঁয়াজ এসেছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

দেশের বাজারে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে কয়েক মাস আগে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি অনুমতি দেয় সরকার। সম্প্রতি পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর অতিরিক্ত ৪০ শতাংশ শুল্ক ধার্য করেছে ভারত। এতে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। এতে ফের অস্থির পেঁয়াজের বাজার।

দেশের বাজারে এখন প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৭০-১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

চাঁদা দেওয়ায় এগিয়ে ঢাকা, পিছিয়ে সিলেট বিভাগ

স্টক নিউজ বিডি August 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: দেশের সব শ্রেণি-পেশার জনগণকে টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় আনতে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। প্রাথমিকভাবে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা এবং সমতা— এই চার স্কিম নিয়ে চালু হয়েছে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি। শুরুতেই এ পেনশন কর্মসূচিতে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ নিবন্ধন শেষ করে চাঁদা পরিশোধ করছেন।

শুরুতে নিবন্ধন সম্পন্ন করে চাঁদা দেওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা। আর সব থেকে কম নিবন্ধন করে চাঁদা দিয়েছেন প্রবাসীরা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীদের জন্য চালু করা হয়েছে প্রগতি স্কিম। অপরদিকে বিদেশিদের জন্য চালু করা হয়েছে প্রবাস স্কিম।

পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পেনশন স্কিমের আওতায় আসাদের মধ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা রয়েছেন অর্ধেকের বেশি। তাদের জন্য চালু করা প্রগতি স্কিমে নিবন্ধন করে চাঁদা পরিশোধ করেছেন ৩ হাজার ২৫২ জন।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত চাঁদা পরিশোধসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন ৬ হাজার ১০৩ জন। তাদের জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ৩ কোটি টাকার ওপরে।

পেনশন স্কিমে নিবন্ধনের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চাঁদা পরিশোধের ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন ঢাকা বিভাগের বাসিন্দারা। আর সব থেকে কম চাঁদা পরিশোধ করেছেন সিলেট বিভাগের বাসিন্দারা।

পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পেনশন স্কিমের আওতায় আসাদের মধ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা রয়েছেন অর্ধেকের বেশি। তাদের জন্য চালু করা প্রগতি স্কিমে নিবন্ধন করে চাঁদা পরিশোধ করেছেন ৩ হাজার ২৫২ জন।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সুরক্ষা স্কিম। অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা স্বকর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিরা যেমন- কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতি ইত্যাদি পেশার ব্যক্তিদের জন্য এই স্কিম চালু করা হয়েছে। এই স্কিম গ্রহণ করে চাঁদা পরিশোধ করেছেন এক হাজার ৮২৮ জন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত আয় সীমার ভিত্তিতে দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী আয়ের ব্যক্তিদের (যার বর্তমান আয় সীমা বাৎসরিক সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা) জন্য চালু হওয়া সমতা স্কিমে চাঁদা দিয়েছেন ৮৭৫ জন। এছাড়া প্রবাসীদের জন্য চালু করা প্রবাসী স্কিমে ১৪৮ জন চাঁদা দিয়েছেন।

চাঁদা দেওয়ায় এগিয়ে ঢাকা বিভাগ
পেনশন স্কিমে নিবন্ধন সম্পন্ন করে চাঁদা দেওয়ার ক্ষেত্রে এখনো পর্যন্ত শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। ঢাকা বিভাগের এক হাজার ৮৩৯ জন চাঁদা পরিশোধ করেছেন। পরের স্থানে থাকা চট্টগ্রাম বিভাগের এক হাজার ৬৫৪ জন চাঁদা দিয়েছেন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে খুলনা বিভাগ, চাঁদা দিয়েছেন ৭৩১ জন। এছাড়া রাজশাহী বিভাগের ৫৪৪, রংপুর বিভাগের ৩৯০, বরিশাল বিভাগের ৩৮৮, ময়মনসিংহ বিভাগের ৩৫২ এবং সিলেট বিভাগের ২০৫ জন চাঁদা দিয়েছেন।

চাঁদা দেওয়ায় শীর্ষে ৩১-৪০ বছর বয়সীরা
পেনশন স্কিমে এখনো পর্যন্ত সব থেকে বেশি চাঁদা দিয়েছেন ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীরা। চাঁদা পরিশোধকারীদের মধ্যে ২ হাজার ৬৫৪ জন রয়েছেন ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী রয়েছেন এক হাজার ৮৩৭ জন।

এছাড়া ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী রয়েছেন এক হাজার ১৯৮ জন। ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সী ৭৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী রয়েছেন ৩১৩ জন। এছাড়াও বয়স ৬০ পেরোলেও বিশেষ বিবেচনায় পেনশন স্কিমে অংশ নিয়ে চাঁদা দিয়েছেন ২৫ জন।

১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী সব বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য সর্বজনীন এই পেনশন স্কিম চালু করেছে সরকার। তবে বিশেষ বিবেচনায় ৫০ বছরের বেশি বয়সীরাও পেনশন স্কিমে আসার সুযোগ পাচ্ছেন।

এদিকে, পেনশনের আওতায় আসাদের জমা দেওয়া চাঁদা ঝুঁকিমুক্ত ও নিরাপদ খাতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে এই টাকা কোন কোন খাতে বিনিয়োগ করা হবে, তা এখনো ঠিক করা হয়নি। এ লক্ষ্যে একটি বিনিয়োগ নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে নীতিমালা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। নীতিমালা তৈরি হয়ে গেলে সেই অনুযায়ী পেনশন স্কিমের টাকা বিনিয়োগ করা হবে।

অবশ্য এই বিনিয়োগ নীতিমালা তৈরি করার আগেই প্রাথমিকভাবে জমা হওয়া চাঁদার টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সরকারি সিকিউরিটিজে বা ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা হতে পারে।

এ বিষয়ে সর্বজনীন পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য গোলাম মোস্তফা জাগো নিউজকে বলেন, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। এই জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর করবে। সেখানে একটা বোর্ড আছে, বোর্ড গাইডলাইন তৈরি করবে। আমরা একটা বিনিয়োগ বিধিমালাও তৈরি করবো। সেটার কাজ চলছে।

সুষ্ঠু বিনিয়োগ করে যাতে ফান্ডটা সেভ ফাইন্যান্সিং হয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। বিনিয়োগটা যাতে লাভজনক হয় তার ব্যবস্থাও করতে হবে। বিনিয়োগ থেকে যেন অবশ্যই ভালো রিটার্ন পাওয়া যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

তিনি বলেন, বিনিয়োগ ছাড়া চলবে কীভাবে? বিনিয়োগ করতেই হবে। আমরা চাচ্ছি খুব দ্রুত বিনিয়োগ করতে। আমরা ফান্ড পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগের উদ্যোগ নেবো। গাইডলাইন তৈরির আগে যদি আমি সরকারি কোনো… বিনিয়োগ করি তাতেও সমস্যা নেই। যেমন আমি যদি ট্রেজারি বিল কিনি, ট্রেজারি বিলের থেকে নিরাপদ তো কিছু নেই। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে ট্রেজারি বিল কিনবে, তাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে এখানে একটা প্রভিশন রাখা হয়েছে, তা হলো নিরাপদ বিনিয়োগের বাইরে আমরা কোনো বিনিয়োগ করবো না।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্ট ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, আমি মনে করি উদ্যোগটা (সর্বজনীন পেনশন) প্রশংসনীয়। তবে কথা হচ্ছে কাভারেজ কতটুকু হয়। কেননা, যারা ইনফরমাল সেক্টরে (অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে) কাজ করেন তারা কি প্রিমিয়াম দিতে পারবেন? প্রিমিয়াম দিতে না পারলে এর আওতায় আসতে পারবেন না। তারপরের বিষয় এই ফান্ড ফাইন্যান্সিং হবে, নাকি এখানে আবার সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে? এভাবে কতগুলো বিষয় আছে।

ফান্ডের টাকা কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সুষ্ঠু বিনিয়োগ করে যাতে ফান্ডটা সেভ ফাইন্যান্সিং হয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। বিনিয়োগটা যাতে লাভজনক হয় তার ব্যবস্থাও করতে হবে। বিনিয়োগ থেকে যেন অবশ্যই ভালো রিটার্ন পাওয়া যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

সরকারি বন্ডের সমস্যা হচ্ছে, তা বাজার ভিত্তিক না। ব্যাংকাররা রাখেন শুধু একটা কারণে, সেটা হলো এসএলআর শর্ত পূরণ করার জন্য। অনেকটা ‘যা-ই পাই তাই ভালো’। তবে যা-ই পাই তাই দিয়ে তো আর পেনশন ফান্ড চলবে না। লিকুইডিটি ম্যানেজমেন্ট চলবে।

সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে এই ফান্ডের অর্থ বিনিয়োগ করা উচিত হবে কি না? এমন প্রশ্নে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, সরকারের প্রকল্প থেকে আয় কেমন আসবে সেটা দেখতে হবে। সব প্রকল্প থেকে তো আয় হয় না। পদ্মা সেতু থেকে আয় হচ্ছে, কিন্তু অনেক প্রকল্প থেকে তো আয় হয় না। এগুলো দেখে-শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, সর্বজনীন পেনশন সরকার চালু করেছে ঠিকই, কিন্তু এটার পরিচালন ব্যবস্থা, প্রশাসনিক ব্যবস্থা, বিনিয়োগ পলিসি, বিনিয়োগ টিম- এগুলোর কোনো কিছু ঠিক করা হয়নি। একটা সিস্টেমের মাধ্যমে (সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি) করা হয়েছে, তবে এটা হিউজ ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট ইস্যু। সেটাও ঠিক করা হয়নি।

বিশেষ করে সমতা অর্থাৎ দরিদ্রদের জন্য যে স্কিম করা হয়েছে, সেখানে কীভাবে সিলেকশনটা (দরিদ্র কি না যাচাই) হবে? আমি কি আবেদন করলেই আমাকে নেবে? তা তো হওয়ার কথা না। আমাকে তো নিজেকে দরিদ্র হিসেবে প্রমাণ করতে হবে। সেটা কিসের ভিত্তিতে হবে, এ বিষয়ে বলা হয়নি। কে সার্টিফাই করবে, কিসের ভিত্তিতে? এগুলো না করে এখন যদি আমাকে (দরিদ্র হিসেবে) দিয়ে দেয় তাহলে তো মুশকিল হয়ে যাবে। সরকারকে তো মাসে মাসে প্রচুর টাকা দিতে হবে। এছাড়া ফেক অ্যাকাউন্ট থাকতে পারে, সেগুলো দূর করবে কীভাবে? সুতরাং এখানে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে, যোগ করেন বিশিষ্ট এই অর্থনীতিবিদ।

তিনি আরও বলেন, একটা বড় অফিস লাগবে। শত শত কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকবে। সেখানে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট থাকবে। অর্গানোগ্রাম থাকতে হবে। এগুলোর কিছুই করা হয়নি। অফিসটাও ভাড়া করা হয়নি।

পেনশনের চাঁদার টাকা সরকারি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা যাবে কি না? এমন প্রশ্নে আহসান এইচ মনসুর বলেন, এটা (ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ) খুব বেশি করা ঠিক হবে না। এতে নিরাপত্তা থাকবে, কিন্তু রিটার্ন সেভাবে আসবে না। কারণ সরকারি সিকিউরিটিজে ৫-৬ শতাংশের মতো মুনাফা পাওয়া যায়। সরকারি বন্ডের সমস্যা হচ্ছে, তা বাজার ভিত্তিক না। ব্যাংকাররা রাখেন শুধু একটা কারণে, সেটা হলো এসএলআর শর্ত পূরণ করার জন্য। অনেকটা ‘যা-ই পাই তাই ভালো’। তবে যা-ই পাই তাই দিয়ে তো আর পেনশন ফান্ড চলবে না। লিকুইডিটি ম্যানেজমেন্ট চলবে।

পেনশন স্কিমে জমা হওয়া চাঁদা কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য এটা একটা চ্যালেঞ্জ। আমাদের স্টক মার্কেট খুবই আন্ডার ডেভলপ, খুবই করাপশন। তবু বলা যায় অল্প কিছু স্টক আছে, যেগুলো রিলায়েবল। স্টক মার্কেটে কিছু বিনিয়োগের সুযোগ রাখা উচিত। এটা পৃথিবীর সব দেশেই রাখে। তবে এই বিনিয়োগ শুধু ট্রিপল ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিতে করার সুযোগ রাখা যেতে পারে, তার বাইরে না।

শেয়ারবাজারের বাইরে কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে? এমন প্রশ্নে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, বন্ড মার্কেটে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। সরকারি বন্ডের কথা যেটা বলা হলো, সেটা করা যেতে পারে। এর বাইরে ভালো কোম্পানি যদি বাজারে বন্ড ছাড়ে, সেখানে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। এছাড়া সরকার যদি ভালো প্রকল্প নিয়ে আসে, সেখানে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। যেমন- দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বা প্রথম পদ্মা সেতু থেকে একটা বন্ড ইস্যু করলো, ৯-১০ শতাংশ মুনাফা দেয়, সেটাতে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। তাহলে সরকারও কিছু ফান্ড পেয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগটা ভালো জায়গায় না হলে চালান গায়েব হয়ে যাবে। এটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। এই ফান্ড যেন যেনতেনভাবে যে কোনো জায়গায় সরকারের ইচ্ছেমতো ব্যয় না হয়। রিজার্ভে যেমন হয়েছে- এই পয়রা বন্দরকে দিয়ে দাও, অমুককে দিয়ে দাও। দিয়ে দেখা গেলো ৭ বিলিয়ন ডলার নাই হয়ে গেছে। সেটা করা যাবে না।

অর্থনীতিবিদ ড. জায়েদ বখত বলেন, সর্বজনীন পেনশন খুবই ভালো পদক্ষেপ। এটা সামাজিক নিরাপত্তাকে মাথায় রেখে করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শুরু করা হয়েছে, দেখা যাক কীভাবে যায়। এমনিতে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। পরবর্তীতে এতে যদি কোনো কিছু সংযোজন করতে হয়, করা যাবে।

পেনশন স্কিমে জমা হওয়া চাঁদা কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সরকারি বিনিয়োগ দেশের উন্নয়নের জন্য, সেদিক থেকে এগুলো কোনো ব্যবসায়িক বিনিয়োগ না। এগুলো (পেনশনের চাঁদার টাকা) দেশের উন্নয়নে ব্যবহার হবে। সরকার যেখানে দরকার মনে করবে, সেখানে ব্যবহার করবে। আমি এটাকে অত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছি না।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

সর্বজনীন পেনশনের টাকা কোথায় যাবে?

স্টক নিউজ বিডি August 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: সর্বস্তরের জনগণকে টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় আনতে প্রাথমিকভাবে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা এবং সমতা- এই চার স্কিম নিয়ে সরকার সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি চালু করেছে। শুরুতেই সর্বজনীন পেনশনে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নিবন্ধন সম্পন্ন করে চাঁদা পরিশোধ করছেন। এরই মধ্যে পেনশনের আওতায় আসা ব্যক্তিরা তিন কোটি টাকার ওপরে চাঁদা জমা দিয়েছেন।

সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালুর পর এ নিয়ে দেসবাসীর মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে এই স্কিম নিরাপদ কি না, চাঁদার টাকা কী করা হবে, নিজেদের কষ্টের টাকায় পরিশোধ করা চাঁদার পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন কি না- এমন কিছু প্রশ্নও করছেন অনেকে। তবে এই পেনশন স্কিম যে নিরাপদ এবং নাগরিকদের কল্যাণেই যে তা ব্যবহৃত হবে- তা নিশ্চিত করেছে সরকার।

পেনশনের আওতায় আসাদের জমা দেওয়া এই চাঁদা ঝুঁকিমুক্ত নিরাপদ খাতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে এই টাকা কোন কোন খাতে বিনিয়োগ করা হবে, তা এখনো ঠিক করা হয়নি। এ লক্ষ্যে একটি বিনিয়োগ নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে এই নীতিমালা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। নীতিমালা তৈরি হয়ে গেলে সেই অনুযায়ী পেনশন স্কিমের টাকা বিনিয়োগ করা হবে।

অবশ্য এই বিনিয়োগ নীতিমালা তৈরির আগেই প্রাথমিকভাবে জমা হওয়া চাঁদার টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সরকারি সিকিউরিটিজে বা ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।

এই টাকা কোন কোন খাতে বিনিয়োগ করা হবে, তা এখনো ঠিক করা হয়নি। এ লক্ষ্যে একটি বিনিয়োগ নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে নীতিমালা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে

সূত্র জানিয়েছে, সরকার চাচ্ছে যারা পেনশন স্কিম গ্রহণ করে চাঁদা দেওয়া শুরু করবেন, তারা যেন তা মেয়াদ পূর্ণ পর্যন্ত চালিয়ে যান। এজন্য স্কিম পরিবর্তন এবং চাঁদা বকেয়া পড়লে তা পরবর্তীতে পরিশোধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এরপরও যদি কেউ মেয়াদ পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত চাঁদা দিতে না পারেন, তাহলেও মুনাফাসহ জমা দেওয়া অর্থ ফেরত পাবেন।

এমনকি চাঁদার এক কিস্তি দেওয়ার পর যদি আর না দেন তাহলেও তিনি মুনাফাসহ জমা দেওয়া টাকা ফেরত পাবেন। তবে যখন খুশি তখন চাইলেই টাকা ফেরত পাওয়া যাবে না। যিনি পেনশন স্কিম গ্রহণ করবেন তার বয়স কেবল ৬০ বছর পূর্ণ হলেই চাঁদার অর্থ মুনাফাসহ ফেরত পাবেন।

সূত্রটি জানিয়েছে, পেনশন স্কিমের আওতায় চাঁদা বাবদ জমা হওয়া টাকা ফেলে রাখলে তা থেকে কোনো মুনাফা আসবে না। এজন্য চাঁদার টাকা বিনিয়োগ করা হবে। কীভাবে এবং কোথায় কোথায় এই অর্থ বিনিয়োগ করা হবে সেজন্য একটি নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। ওই নীতিমালা অনুযায়ী পেনশন স্কিমের টাকা বিনিয়োগ করা হবে। তবে বিনিয়োগ নীতিমালা হওয়ার আগেও এই অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ আছে। এক্ষেত্রে সরকারি সিকিউরিটিজের মতো নিরাপদ লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করা হবে।

এদিকে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, পেনশন স্কিমের আওতায় চাঁদা বাবদ জমা হওয়া অর্থ বিনিয়োগের বিষয়টি খুবই চ্যালেঞ্জিং। বিনিয়োগটা ভালো জায়গায় না হলে চালান গায়েব হয়ে যাবে। এটা অবশ্যই ভালো রিটার্ন পাওয়া যাবে- এমন খাতে বিনিয়োগ করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারি বন্ড, ভালো কোম্পানির বন্ড এবং শেয়ারবাজারের ভালো কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। পাশাপাশি পদ্মা সেতুর মতো প্রকল্পে অথবা এ ধরনের প্রকল্পের বন্ডে বিনিয়োগ করা যেতে পারে।

পেনশনের চাঁদার টাকা কোথায় বিনিয়োগ করা হবে- জানতে চাইলে সর্বজনীন পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য গোলাম মোস্তফা জাগো নিউজকে বলেন, ‘জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। এই জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ অ্যাডমিনিস্ট্রেট (পরিচালনা) করবে। সেখানে একটা বোর্ড আছে, বোর্ড গাইডলাইন তৈরি করবে এবং আমরা একটা বিনিয়োগ বিধিমালাও তৈরি করবো। সেটার কাজ চলছে।’

তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগ ছাড়া চলবে কীভাবে? বিনিয়োগ করতেই হবে। আমরা চাচ্ছি খুব দ্রুত বিনিয়োগ করতে। আমরা ফান্ড পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগের উদ্যোগ নেবো। গাইডলাইন তৈরির আগে যদি আমি সরকারি কোনো…(খাতে) বিনিয়োগ করি তাতেও সমস্যা নেই। যেমন আমি যদি ট্রেজারি বিল কিনি, ট্রেজারি বিলের থেকে নিরাপদ তো কিছু নেই। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে ট্রেজারি বিল কিনবো, তাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে এখানে একটা প্রভিশন রাখা হয়েছে, তা হলো নিরাপদ বিনিয়োগের বাইরে আমরা কোনো বিনিয়োগ করবো না।’

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্ট ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি মনে করি উদ্যোগটা (সর্বজনীন পেনশন) প্রশংসনীয়। তবে কথা হচ্ছে কাভারেজ কতটুকু হয়। কেননা, যারা ইনফরমাল সেক্টরে কাজ করে তারা কি প্রিমিয়াম দিতে পারবে? প্রিমিয়াম দিতে না পারলে এর আওতায় আসতে পারবে না। তারপর এই ফান্ড ফাইন্যান্সিং হয়, নাকি এখানে আবার সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে। এসব কতগুলো বিষয় আছে।’

বিনিয়োগটা যাতে লাভজনক হয় তার ব্যবস্থা করতে হবে। বিনিয়োগ থেকে যেন অবশ্যই ভালো রিটার্ন পাওয়া যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে

ফান্ডের টাকা কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু বিনিয়োগ করে যাতে ফান্ডটা সেভ ফাইন্যান্সিং হয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। বিনিয়োগটা যাতে লাভজনক হয় তার ব্যবস্থা করতে হবে। বিনিয়োগ থেকে যেন অবশ্যই ভালো রিটার্ন পাওয়া যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে এই ফান্ডের অর্থ বিনিয়োগ করা উচিত হবে কি না- এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সরকারের প্রকল্প থেকে ইনকাম কেমন আসবে সেটা দেখতে হবে। সব প্রকল্প থেকে তো ইনকাম আসে না। পদ্মা সেতু থেকে ইনকাম হচ্ছে, কিন্তু অনেক প্রকল্প থেকে তো ইনকাম হয় না। এগুলো দেখেশুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘সর্বজনীন পেনশন সরকার চালু করেছে ঠিকই, কিন্তু এটার পরিচালন ব্যবস্থা, প্রশাসনিক ব্যবস্থা, বিনিয়োগ পলিসি, বিনিয়োগ টিম এগুলোর কোনো কিছু ঠিক করা হয়নি। একটা সিস্টেমের মাধ্যমে করা হয়েছে, তবে এটা হিউজ ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট ইস্যু। সেটাও ঠিক করা হয়নি।’

‘বিশেষ করে সমতা অর্থাৎ গরিবদের জন্য যে স্কিম করা হয়েছে, সেখানে কীভাবে সিলেকশনটা হবে? আমি কি অ্যাপ্লাই করলেই আমাকে নেবে? তা তো হওয়ার কথা না। আমাকে তো গরিব হিসেবে প্রমাণ করতে হবে। সেটা কিসের ভিত্তিতে হবে, সেগুলো বলা হয়নি। কে সার্টিফাই করবে, কিসের ভিত্তিতে? এগুলো না করে এখন যদি আমি দিয়ে দেই তাহলে তো মুসকিল হয়ে যাবে। সরকারকে তো প্রতি মাসে প্রচুর পয়সা দিতে হবে। ফেক অ্যাকাউন্ট থাকতেই পারে, সেগুলো দূর করবো কীভাবে? সুতরাং এখানে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে।’ বলেন বিশিষ্ট এই অর্থনীতিবিদ।

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘একটা বড় অফিস লাগবে। শত শত কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকবে। সেখানে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট থাকবে। অর্গানোগ্রাম থাকতে হবে। এগুলোর কিছুই করা হয়নি। অফিসটাও ভাড়া করা হয়নি।’

পেনশনের চাঁদার টাকা সরকারি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা যায় কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা (ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ) খুব বেশি করা ঠিক হবে না। এতে নিরাপত্তা থাকবে, কিন্তু রিটার্ন সেভাবে আসবে না। কারণ সরকারি সিকিউরিটিজে ৫-৬ শতাংশের মতো মুনাফা পাওয়া যায়। সরকারি বন্ডের সমস্যা হচ্ছে, তা বাজারভিত্তিক না। ব্যাংকাররা রাখে শুধু একটা কারণে, সেটা হলো এসএলআর শর্ত পূরণ করার জন্য, যা পাই তাই ভালো। যা পাই তাই দিয়ে তো আর পেনশন ফান্ড চলবে না। লিকুইডিটি ম্যানেজমেন্ট চলবে।’

পেনশন স্কিমে জমা হওয়া চাঁদা কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য এটা একটা চ্যালেঞ্জ। আমাদের স্টক মার্কেট খুবই আন্ডার ডেভেলপ, খুবই করাপশন। তবু বলা যায় অল্পকিছু স্টক আছে, যেগুলো রিলায়েবল। স্টক মার্কেটে কিছু বিনিয়োগের সুযোগ রাখা উচিত। এটা পৃথিবীর সব দেশেই রাখে। তবে এই বিনিয়োগ শুধু ট্রিপল ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিতে করার সুযোগ রাখা যেতে পারে, তার বাইরে না।’

শেয়ারবাজারের বাইরে কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে? এমন প্রশ্ন করা হলে এ অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘বন্ড মার্কেটে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। সরকারি বন্ডের কথা যেটা বলা হলো, সেটা করা যেতে পারে। এর বাইরে ভালো কোম্পানি যদি বাজারে বন্ড ছাড়ে, সেখানে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। এছাড়া সরকার যদি ভালো প্রজেক্ট নিয়ে আসে, সেখানে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। যেমন- দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বা প্রথম পদ্মা সেতু থেকে একটা বন্ড ইস্যু করলো, ৯-১০ শতাংশ মুনাফা দেয়, সেটাতে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। তা হলে সরকারও কিছু ফান্ড পেয়ে যায়।’

বিনিয়োগটা ভালো জায়গায় না হলে চালান গায়েব হয়ে যাবে। এটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। এই ফান্ড যেন যেনতেনভাবে যেকোনো জায়গায় সরকারের ইচ্ছামতো ব্যয় না হয়। রিজার্ভে যেমন হয়েছে

তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগটা ভালো জায়গায় না হলে চালান গায়েব হয়ে যাবে। এটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। এই ফান্ড যেন যেনতেনভাবে যেকোনো জায়গায় সরকারের ইচ্ছামতো ব্যয় না হয়। রিজার্ভে যেমন হয়েছে- এই পয়রা বন্দরকে দিয়ে দাও, অমককে দিয়ে দাও। দিয়ে দেখা গেলো ৭ বিলিয়ন ডলার নাই হয়ে গেছে। সেটা করা যাবে না।’

আরেক অর্থনীতিবিদ ড. জায়েদ বখত বলেন, ‘সর্বজনীন পেনশন খুবই ভালো পদক্ষেপ। এটা সামাজিক নিরাপত্তাকে মাথায় রেখে করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শুরু করা হয়েছে, দেখা যাক কীভাবে যায়। এমনিতে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। পরে এতে যদি কোনো কিছু সংযোজন করতে হয়, করা যাবে।’

পেনশন স্কিমে জমা হওয়া চাঁদা কোথায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সরকারি বিনিয়োগ দেশের উন্নয়নের জন্য, সেদিক থেকে এগুলো কোনো ব্যবসায়িক বিনিয়োগ না। এগুলো (পেনশনের চাঁদার টাকা) দেশের উন্নয়নে ব্যবহার হবে। সরকার যেখানে দরকার মনে করবে, সেখানে ব্যবহার করবে। আমি এটাকে অত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছি না।’

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • সরকার বিরোধী দলের সহযোগিতা নিতে ব্যর্থ হয়েছে: জামায়াত আমির

  • নিম গাছের যত উপকারিতা: ঔষধি গুণ, ব্যবহার ও সতর্কতা

  • রাশিয়ায় ইউক্রেনের ভয়াবহ ড্রোন হামলা

  • দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভা ২৮ অক্টোবর

  • সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির নিয়োগ বাতিল

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • ৪০০ মেগাওয়াট সক্ষমতা নিয়ে আইপিওতে কনফিডেন্স পাওয়ার, লক্ষ্য ২ হাজার

  • ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের ৯ মাসে মুনাফা বেড়েছে ২৭%, ইপিএস ২.০৫ টাকা

  • তৃতীয় প্রান্তিকে বিজিআইসির শেয়ারপ্রতি আয় ১.৭৪ টাকা, সম্পদমূল্য বেড়ে ২১.১৯ টাকা

  • সিঙ্গার বাংলাদেশের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

  • আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে ব্র্যাক ব্যাংকের ‘কর্পনেটে’ ডিজিটাল ট্রেড সল্যুশনস চালু

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য