Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

শেয়ারবাজার

বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আগামীকাল জরুরি বৈঠকে ডিএসই-ডিবিএ

স্টক নিউজ বিডি September 7, 2026

টানা দরপতন, অস্বাভাবিক বিক্রয়চাপ ও আস্থার সংকটে পুঁজিবাজার—সমাধানের পথ খুঁজবে দুই পক্ষ

বিশেষ প্রতিবেদন | স্টক নিউজ বিডি: টানা দরপতন, অস্বাভাবিক বিক্রয়চাপ, লেনদেনে স্থবিরতা এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাড়তে থাকা আস্থার সংকটে দেশের পুঁজিবাজার এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। এমন পরিস্থিতিতে বাজারের বর্তমান অস্থিরতা মোকাবিলা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোর উপায় খুঁজতে আগামীকাল জরুরি বৈঠকে বসছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং ডিএসই ব্রোকারেজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।

বাজারসংশ্লিষ্টদের কাছে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে যে ধরনের বিক্রয়চাপ তৈরি হয়েছে, তা শুধু সূচকের পতনেই সীমাবদ্ধ নেই; এর প্রভাব পড়েছে লেনদেন, বাজারমূলধন এবং বিনিয়োগকারীদের মনস্তত্ত্বেও।

একদিনেই ১০৩ পয়েন্টের ধাক্কা

সোমবারের লেনদেনে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১০৩ পয়েন্ট বা ১.৮৩ শতাংশ কমে ৫ হাজার ৫৫৮ পয়েন্টে নেমে এসেছে। এটি প্রায় আড়াই মাসের মধ্যে সূচকটির সর্বনিম্ন অবস্থান। একই দিনে ৩৪৮টি কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। লেনদেন নেমে এসেছে প্রায় ৫৪৫ কোটি টাকায়। বাজারমূলধনও একদিনে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা কমেছে।

শুধু এক দিনের চিত্র নয়—গত ১০ কর্মদিবসে ডিএসইর বাজারমূলধন প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা কমেছে, আর ডিএসইএক্স কমেছে প্রায় ১৫৫ পয়েন্ট। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—এই পতন কোথায় গিয়ে থামবে?

কেন এমন অস্থিরতা?

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতির পেছনে একাধিক কারণ একসঙ্গে কাজ করছে।

প্রথমত, দীর্ঘদিনের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট শিল্প উৎপাদন ও কোম্পানিগুলোর ভবিষ্যৎ আয় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। উৎপাদন ব্যাহত হলে কোম্পানির আয় ও মুনাফায় চাপ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়, আর সেটি সরাসরি শেয়ারমূল্যের ওপর প্রভাব ফেলে।

দ্বিতীয়ত, ব্যবসার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কোম্পানিগুলোর মুনাফা ও লভ্যাংশ দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগের দুর্বলতাও বাজারে নতুন অর্থপ্রবাহ কমিয়ে দিয়েছে।

বড় বিনিয়োগকারীদের বিক্রয়চাপ—নতুন উদ্বেগ

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কোম্পানির অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য চেয়ে ডিএসই থেকে ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে চিঠি পাঠানো এবং কিছু প্রতিষ্ঠানের লেনদেন নিয়ে তদন্তের উদ্যোগও বাজারে নতুন ধরনের উদ্বেগ তৈরি করেছে।

বাজারসংশ্লিষ্টদের একটি অংশের অভিযোগ, কোনো কোনো বড় বিনিয়োগকারী বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর বিক্রয়চাপ আরও বেড়েছে। ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এবং অনেকে লোকসান হলেও দ্রুত শেয়ার বিক্রি করে বাজার থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছেন।

তবে তদন্ত বা নজরদারি বাজারের স্বচ্ছতার জন্য প্রয়োজনীয় হলেও, নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপের সঙ্গে বাজারে আতঙ্ক তৈরি না করার ভারসাম্যও গুরুত্বপূর্ণ—এমন মতও রয়েছে বাজারসংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

৬ হাজার থেকে সাড়ে ৫ হাজার—আস্থার বড় ধাক্কা

মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও বাজারে নতুন আশার সৃষ্টি হয়েছিল। ১১ আগস্ট ডিএসইএক্স ৫ হাজার ৯০৩ পয়েন্টে উঠেছিল। এরপর থেকেই সূচকটি ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী হয়েছে। গত এক মাসে ডিএসইএক্স প্রায় ৩৩৬ পয়েন্ট বা ৫.৭ শতাংশ হারিয়েছে।

অর্থাৎ, বাজারের এই পতনকে শুধু একটি স্বাভাবিক মূল্য সংশোধন হিসেবে দেখলে পুরো চিত্রটি ধরা পড়বে না। এখানে বিনিয়োগকারীদের আস্থা, তারল্য, মৌলভিত্তি এবং বাজার ব্যবস্থাপনা—সবগুলো বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

জরুরি বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হতে পারে?

আগামীকালের ডিএসই-ডিবিএ বৈঠকে বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণের পাশাপাশি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আসতে পারে—

1. অস্বাভাবিক বিক্রয়চাপের কারণ চিহ্নিত করা

2. বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ

3. বাজারে তারল্য ও নতুন বিনিয়োগ বাড়ানোর উপায়

4. গুজব ও আতঙ্কনির্ভর লেনদেন নিয়ন্ত্রণ

5. ব্রোকারেজ হাউস ও বড় বিনিয়োগকারীদের লেনদেন পর্যবেক্ষণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা

6. ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানিতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করার উদ্যোগ

7. বাজারে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে ডিএসই, ডিবিএ ও বিএসইসির সমন্বিত পদক্ষেপ।

এর আগে ১ সেপ্টেম্বর ডিবিএ আয়োজিত পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এক আলোচনায় বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খানও বাজারে ভালো কোম্পানি আনার প্রয়োজনীয়তা এবং ‘পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানি’ তালিকাভুক্তির বিষয়ে উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন।

শুধু সূচক বাড়ালেই কি আস্থা ফিরবে?

বাজারের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন এটিই।

সূচক কয়েক দিন বাড়লেই যদি আবার বড় পতন শুরু হয়, তাহলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরবে না। প্রয়োজন এমন একটি বাজারব্যবস্থা যেখানে বিনিয়োগকারী কোম্পানির মৌলভিত্তি, আর্থিক প্রতিবেদন, পরিচালনা পর্ষদের কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ ব্যবসা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

অন্যদিকে, ভালো কোম্পানির তালিকাভুক্তি, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাজারে তারল্য নিশ্চিত করা এবং কারসাজি বা অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা—এসবও এখন সময়ের দাবি।

ডিএসই-ডিবিএ বৈঠক: প্রত্যাশা অনেক

আগামীকালের বৈঠক তাই নিছক একটি নিয়মিত সভা নয়। এটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যখন বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন।

বাজারসংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা—বৈঠক থেকে শুধু পরিস্থিতি পর্যালোচনা নয়, বরং তাৎক্ষণিক, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি করণীয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট রূপরেখা বেরিয়ে আসবে।

কারণ এখন বাজারের প্রয়োজন শুধু সূচকের উত্থান নয়

প্রয়োজন আস্থা।
প্রয়োজন স্বচ্ছতা।
প্রয়োজন তারল্য।
প্রয়োজন জবাবদিহি।
আর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বিনিয়োগকারীর নিরাপত্তা।

0 শেয়ার করুন
1 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

৩ ক্যাটাগরিতে ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬ পেল ওয়ালটন

স্টক নিউজ বিডি September 6, 2026

স্টক নিউজ বিডি প্রতিবেদন: শিল্পখাতে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ এবং পরিবেশবান্ধব টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩টি ক্যাটাগরিতে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করেছে দেশের সুপারব্র্যান্ড ও টেক জায়ান্ট ওয়ালটন।

জাতিসংঘ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক (জিসিএনবি) এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ইএসজি অ্যাওয়ার্ডসে ‘এক্সিলেন্স ইন অক্যুপেশনাল হেলথ অ্যান্ড সেফটি ইম্পুভমেন্ট’, ‘এক্সিলেন্স ইন চ্যাম্পিয়নিং ক্লাইমেট এ্যাকশন’ এবং ‘এক্সিলেন্স ইন সাসটেইনেবল প্রোডাক্ট ইনোভেশন’ ক্যাটাগরিতে ওয়ালটনকে পুরস্কৃত করা হয়।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) রাতে রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজকে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ এর সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর কাছ থেকে ইএসজি অ্যাওয়ার্ডসের সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. ইউসুফ আলী।

সেসময় ওয়ালটন হাই-টেকের পক্ষ থেকে আরো উপস্থিত ছিলেন চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, সিনিয়র অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন ও মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ইএইচএস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান রাজু।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে ডেনমার্ক, সুইডেনসহ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জিসিএনবি এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মো. ইউসুফ আলী বলেন, তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘ইএসজি অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করায় ওয়ালটন পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত। এই সম্মাননা নিরাপদ কর্মপরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এবং টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে ওয়ালটনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও ধারাবাহিক অগ্রগতির এক স্বীকৃতি। যা ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ, কর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ এবং টেকসই পণ্য উদ্ভাবণে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ ও কাযক্রমকে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে।

তিনি জানান, টেকসই উন্নয়ন ব্যবসার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে ওয়ালটন। তাই শিল্পখাতের টেকসই উন্নয়নে কারখানার উৎপাদন পক্রিয়া, কর্মক্ষেত্রসহ সর্বত্র পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রযুক্তি ও নীতি অনুসরণ করছে ওয়ালটন। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কারখানায় নবায়নযোগ্য জ্বালানী ব্যবহার এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রযুক্তি স্থাপনের মাধ্যমে আমরা কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যহারে কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। পাশাপাশি ওয়ালটন কারখানায় প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে দূঘটনা রোধের পাশাপাশি কর্মীদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। এদিকে টেকসই পণ্য উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে এনার্জি ইফিশিয়েন্সি, সবুজ প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব ম্যাটেরিয়ালস ব্যবহারের প্রতি ওয়ালটন বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এসব কার্যক্রম ও অগ্রগতির স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ালটন ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস’ এর তিনটি ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার অর্জন করেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছর বর্ষসেরা টেকসই ইলেকট্রনিক্স পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতিসহ জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষা এবং ক্লিন এনার্জি ইফিশিয়েন্ট তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করেছে ওয়ালটন।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

ওয়ালটন হাই-টেকের শক্তিশালী আর্থিক অগ্রগতি, ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ

স্টক নিউজ বিডি August 29, 2026

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আর্থিক সক্ষমতা ও পরিচালন দক্ষতায় ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ৫৪তম সভায় ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুমোদনের পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৮০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এবং ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থাৎ, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে শেয়ারহোল্ডাররা ১৮ টাকা নগদ লভ্যাংশ এবং প্রতি ১০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি (০১) করে বোনাস শেয়ার পাবেন।

কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে কোম্পানিটির মুনাফা হয়েছে ১১২৪ কোটি ৫৭ লাখ ৮ হাজার ৪৯৪ টাকা। যেখানে আগের হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা হয়েছিল ১,০৩৬ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার ৩৬৩ টাকা।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ওয়ালটনের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৭৫ পয়সা, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩১ টাকা ১১ পয়সা। কোম্পানির আয় বৃদ্ধির পেছনে নিট রেভিনিউ গত বছরের চেয়ে ৩২২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বা ৪.৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং অর্থায়ন ব্যয় ২৬৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা হ্রাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আগের অর্থবছরে অর্থায়ন ব্যয় ছিল ৪৪৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা, যা বিক্রয়ের ৬.৩৩ শতাংশ; চলতি অর্থবছরে তা কমে বিক্রয়ের ২.৪৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

একই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ বা নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ৬৩ টাকা ৭২ পয়সায় উন্নীত হয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৫২ টাকা ৯১ পয়সা। এ উন্নতির পেছনে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ ৬৯৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা বা ৮.৮৪ শতাংশ বৃদ্ধি এবং সরবরাহকারীদের অর্থ পরিশোধ ২.৩১ শতাংশ কমে আসা প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে পুনর্মূল্যায়নসহ ওয়ালটনের মোট নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরে ছিল প্রায় ১২ হাজার ১০৯ কোটি টাকা। পুনর্মূল্যায়নসহ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য বেড়ে হয়েছে ৩৮১ টাকা ২৬ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ৩৬৩ টাকা ৪০ পয়সা। পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্যও ২৬২ টাকা ৮ পয়সা থেকে বেড়ে ২৮০ টাকা ২৪ পয়সায় উন্নীত হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্যমতে, প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ কোম্পানির চলমান গ্রিন এনার্জি সক্ষমতা সম্প্রসারণ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং অন্যান্য আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণমূলক (BMRE) কার্যক্রমে অর্থায়নের লক্ষ্যে সুপারিশ করা হয়েছে। এ স্টক লভ্যাংশ সম্পূর্ণভাবে রিটেইনড আর্নিংস থেকে প্রদান করা হবে।

1/2

লভ্যাংশ প্রাপ্তির জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬। কোম্পানির ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। রেকর্ড ডেটে যেসব শেয়ারহোল্ডারের নাম সিডিবিএল ডিপোজিটরি রেজিস্টারে থাকবে, তারা ঘোষিত লভ্যাংশ পাওয়ার পাশাপাশি এজিএমে অংশগ্রহণের যোগ্য হবেন।

ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ জানায়, বিভিন্ন খাতে পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসা সম্প্রসারনের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির স্বাভাবিক ধারা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে কোম্পানির দক্ষ ম্যানেজমেন্ট। ফলে নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও গত হিসাব বছরে কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ১১২৪.৫৭ কোটি টাকা। ভবিষ্যতেও মুনাফা অর্জনের ক্ষেত্রে কোম্পানি আরো সফলতার দিকে এগিয়ে যাবে বলে দৃঢ় আশাবাদী ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

নারী উদ্যোক্তা ও কৃষি খাতের প্রসারে আইএফসি থেকে ৫০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন সুবিধা পেলো ব্র্যাক ব্যাংক

স্টক নিউজ বিডি August 26, 2026

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি (এমএসএমই) শিল্পের বিকাশে ব্র্যাক ব্যাংককে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন সুবিধা দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি)। 

আইএফসি হলো বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বেসরকারি খাতবিষয়ক শাখা। ব্র্যাক ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে এই আনসিকিউরড ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সল্যুশন (ডব্লিউসিএস) সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এই ঋণের মূল লক্ষ্য হলো নারী উদ্যোক্তাদের পরিচালিত ব্যবসা এবং কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া।

ব্র্যাক ব্যাংকের জন্য এটি আইএফসি থেকে ধারাবাহিকভাবে পাওয়া চতুর্থ অর্থায়ন সুবিধা। এই নতুন ঋণসুবিধা ব্র্যাক ব্যাংক ও আইএফসির মধ্যকার দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সাথে এটি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের উন্নয়ন এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বড় ভূমিকা রাখবে। এই তহবিলের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক মাঝারি মেয়াদে ইউএস ডলারের জোগান পাবে। ফলে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, মূলধনী যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানিসহ বৈদেশিক মুদ্রার বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রমে গ্রাহকদের আরও বেশি সহায়তা দিতে সক্ষম হবে ব্যাংকটি।

এক বছর মেয়াদে ডিজাইনকৃত এই ঋণসুবিধাটি দুবার নবায়নের সুযোগসহ সর্বোচ্চ তিন বছর মেয়াদে ব্যবহার করা যাবে। এই তহবিলের অন্তত ৫০ শতাংশ বা এর সমপরিমাণ স্থানীয় মুদ্রা নারী-নেতৃত্বাধীন এমএসএমই খাতের জন্য বরাদ্দ করা হবে এবং ন্যূনতম ২৫ শতাংশ দেওয়া হবে কৃষি খাতের এমএসএমইতে। এর ফলে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি খাতে ঋণের যে বড় ঘাটতি রয়েছে, তা দূর করা সম্ভব হবে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি এই সুবিধাটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বৈদেশিক মুদ্রার তহবিল পাওয়ার সুযোগও আরও সহজ করে তুলবে।

আইএফসির ‘এমএসএমই ফাইন্যান্স প্ল্যাটফর্ম’-এর ‘এসএমই এনভেলাপ’-এর অধীনে এই বিনিয়োগটি করা হচ্ছে, যা উদীয়মান বাজারগুলোতে সুবিধাবঞ্চিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সেবা দেওয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থায়ন করে। এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য হলো ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণের সুযোগ সহজতর করা।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) খাতে অর্থায়নের পথিকৃৎ হিসেবে দেশব্যাপী বিস্তৃত নেটওয়ার্ক এবং গ্রাহক-কেন্দ্রিক ব্যাংকিং মডেলের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করে আসছে ব্র্যাক ব্যাংক। ব্যাংকটি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ফাইন্যান্সিয়াল সল্যুশন প্রদানের পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট বাণিজ্য ও বৈদেশিক মুদ্রার অর্থায়নের মাধ্যমে এমএসএমই ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখছে। 

এই অর্থায়নের বিষয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “আইএফসির এই বিনিয়োগ ব্র্যাক ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা, সুশাসন কাঠামো এবং এমএসএমই ব্যাংকিংয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের নেতৃত্বের প্রতিফলন। এই ঋণসুবিধাটি বাংলাদেশের অর্থনীতি সচল রাখা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো, বিশেষ করে নারী-নেতৃত্বাধীন উদ্যোগ এবং কৃষি খাতের এমএসএমইদের অর্থায়ন করার ক্ষেত্রে আমাদের সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সাথে এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও উৎপাদনশীল বিনিয়োগের সাথে যুক্ত উদ্যোক্তাদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থায়ন পাওয়ার সুবিধাও আরও জোরদার করবে।”

আইএফসির বাংলাদেশ ও নেপালের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ম্যানেজার উইলফ্রিড টামেগ্নন বলেন, “বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হলো এমএসএমই খাত। নারী-নেতৃত্বাধীন এবং কৃষি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে এই সুবিধাটি আরও বেশি প্রতিষ্ঠানকে বিনিয়োগ করতে, ব্যবসার পরিধি বাড়াতে এবং দেশজুড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করবে। এই খাতগুলোর প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং বেসরকারি খাতের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি জোরদার করতে ব্র্যাক ব্যাংককে সহায়তা করতে পেরে আমরা গর্বিত।”

এই অর্থায়ন সুবিধাটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন সংস্থাগুলোর কাছে শীর্ষস্থানীয় অংশীদার হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংকের ভূমিকাকে আরও শক্তিশালী করেছে। পাশাপাশি এটি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্যের প্রসার এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমর্থনে বৈশ্বিক মূলধন জোগাড় করার ক্ষেত্রে ব্যাংকটির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

কর্মী ছাঁটাই নিয়ে ডিএসইর আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা: ‘আইন মেনেই সম্পন্ন হয়েছে পুরো প্রক্রিয়া’

স্টক নিউজ বিডি August 3, 2026

স্টক নিউজ বিডি: সম্প্রতি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলসি.-এর কয়েকজন কর্মচারীর চাকরির অবসান (Termination) নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার পর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ডিএসইর দাবি, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এবং প্রতিষ্ঠানের সার্ভিস রুল অনুসরণ করে আইনসম্মতভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

ডিএসই জানায়, কর্মী নিয়োগের মতো প্রয়োজনের ভিত্তিতে চাকরির অবসানও একটি স্বাভাবিক ও আইনসম্মত ব্যবস্থাপনা-প্রক্রিয়া। বিশ্বের বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়িক বাস্তবতা, সাংগঠনিক পুনর্গঠন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের প্রয়োজনে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২২ সাল থেকে চলমান দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক রূপান্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিছু পদ পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মোট ৩৫০ জন কর্মীর মধ্যে ১৭ জনের চাকরির অবসান ঘটানো হয়েছে, যা মোট জনবলের ৫ শতাংশেরও কম।

ডিএসই আরও জানায়, সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোনো ব্যক্তিগত বিবেচনা বা বৈষম্য করা হয়নি। প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োজন, কার্যকারিতা এবং ব্যবসায়িক স্বার্থ বিবেচনায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ২৬ অনুযায়ী নোটিশ অথবা নোটিশের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে চাকরির অবসান ঘটানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিদায়ী কর্মীদের মানবিক বিবেচনায় আইনে নির্ধারিত চার মাসের পরিবর্তে মোট ছয় মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মীদের চাকরির মেয়াদ অনুযায়ী প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, অব্যবহৃত ছুটির নগদায়নসহ অন্যান্য সব আইনগত পাওনা পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছে ডিএসই। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ইতোমধ্যে কর্মীদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করে দ্রুত প্রাপ্য অর্থ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডিএসই আরও জানায়, পুরো প্রক্রিয়ায় বিদায়ী কর্মীদের ব্যক্তিগত মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে এবং তাদের যথাযথ অভিজ্ঞতা সনদ (Experience Certificate) প্রদানসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে।

একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি অভিযোগ করেছে, চাকরির অবসানের পর কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন মাধ্যমে অসম্পূর্ণ তথ্য বা প্রেক্ষাপট ছাড়া বক্তব্য দিচ্ছেন, যা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে। ডিএসই মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তথ্য যাচাই করে মন্তব্য করার আহ্বান জানিয়েছে।

বিবৃতির শেষাংশে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ জানায়, তারা আইনের শাসন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। ভবিষ্যতেও একটি দায়িত্বশীল ও ভবিষ্যতমুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইন ও পেশাদার মান বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা ও ইপিএসে প্রবৃদ্ধি, নিট সম্পদ মূল্যও বেড়েছে

স্টক নিউজ বিডি July 30, 2026

স্টাফ রিপোর্টার: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স পিএলসি ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত আর্থিক ফলাফলে কোম্পানিটি মুনাফা, শেয়ারপ্রতি আয় (EPS) এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (NAV)-এ ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জন করেছে।

কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে কর-পরবর্তী নিট মুনাফা বেড়ে ৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা হয়েছে, যা ২০২৫ সালের একই সময়ে ছিল ৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। এর ফলে কোম্পানির মুনাফায় প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

একই সঙ্গে শেয়ারপ্রতি আয় (EPS) বেড়ে ১.০৯ টাকা হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১.০৭ টাকা। এটি কোম্পানির আয় বৃদ্ধির ধারাবাহিকতার প্রতিফলন বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

আর্থিক অবস্থানেও উন্নতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (NAV) দাঁড়িয়েছে ১৯.৭৭ টাকা, যা ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ছিল ১৯.৭০ টাকা। অর্থাৎ শেয়ারহোল্ডারদের সম্পদের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হয়েছে।

এছাড়া কোম্পানির রিটেইনড আর্নিংস বা সঞ্চিত মুনাফা বেড়ে ৪ কোটি ৮১ লাখ ১৯ হাজার টাকা হয়েছে, যা বছরের শুরুতে ছিল ৪ কোটি ৮০ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। পাশাপাশি রিজার্ভ ফর এক্সেপশনাল লসেস-এও নতুন সংযোজন করা হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ ঝুঁকি মোকাবিলায় কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে।

প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, কোম্পানির মোট শেয়ারহোল্ডারদের ইকুইটি বেড়ে ১০৮ কোটি ১৮ লাখ টাকা অতিক্রম করেছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মুনাফা, ইপিএস, নিট সম্পদ মূল্য এবং রিজার্ভ বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের আর্থিক ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করেছে। এসব সূচকের উন্নতি ভবিষ্যতে কোম্পানির প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করতে পারে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

যমুনা ব্যাংকের উদ্যোগে পাবনায় উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্টক নিউজ বিডি July 30, 2026

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)-এর অর্থায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়নাধীন Skills for Industry Competitiveness and Innovation Program (SICIP) প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে যমুনা ব্যাংক পিএলসি পাবনার ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে এক মাসব্যাপী (১০০ ঘণ্টা) ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে। এ কর্মশালার সমাপনী, সনদপত্র ও ক্রেস্ট বিতরণ অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যমুনা ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা ইলিয়াস উদ্দীন আহম্মদ। গেস্ট অব অনার ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক এবং ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ কর্মসূচির প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মো. মাসুম বিল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক ও কর্মসূচিটির ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মোহাম্মদ ওয়াসিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যমুনা ব্যাংক পিএলসি-এর রাজশাহী জোনের প্রধান ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ ফজলুল হক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ইলিয়াস উদ্দীন আহম্মদ বলেন, দক্ষ, উদ্ভাবনী ও সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তা তৈরিতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিবৃন্দ প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংক ও যমুনা ব্যাংক পিএলসি-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, প্রশিক্ষণার্থীরা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

পদত্যাগ করেছেন ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি আদিল চৌধুরী

স্টক নিউজ বিডি July 30, 2026

তীব্র আর্থিক সংকট, উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং ধারাবাহিক লোকসানের মুখে পড়া ন্যাশনাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আদিল চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন। চলতি সপ্তাহের শুরুতে তিনি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর থেকে তিনি আর নিয়মিত ব্যাংকে যাচ্ছেন না বলে ন্যাশনাল ব্যাংক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

গত বছরের ৭ জুলাই তিন বছরের জন্য ন্যাশনাল ব্যাংকে যোগ দেন আদিল চৌধুরী। তার আগে যিনি এমডি ছিলেন—মো. তৌহিদুল আলম খান, তিনিও মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।

ন্যাশনাল ব্যাংকে আসার আগে আদিল চৌধুরী ‘ব্যাংক এশিয়া’র প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

আদিল চৌধুরী এমন সময় পদত্যাগ করলেন, যখন ন্যাশনাল ব্যাংক উচ্চ খেলাপি ঋণ, ধারাবাহিক লোকসান ও আমানত প্রত্যাহারের চাপে আছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক ন্যাশনাল ব্যাংককে ঢাকার পান্থপথে নির্মীয়মান ‘টুইন টাওয়ার’ ভবন ইজারা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে।

ন্যাশনাল ব্যাংক ২০২২ সাল থেকে প্রতিবছর লোকসান গুনছে। উচ্চ খেলাপি ঋণ ও বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের কারণে তাদের পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার ৯০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দীর্ঘদিন ধরে সিকদার গ্রুপ ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপের পর গ্রুপটি ব্যাংকটির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারায়। এখন ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালনায় যুক্ত হয়েছে মাল্টিমোড গ্রুপ, হোসাফ গ্রুপ ও আর্মানা গ্রুপের পরিবারের সদস্যরা।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
NRBC-Bank

এনআরবিসি ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

স্টক নিউজ বিডি July 29, 2026

এনআরবিসি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ও নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) বেড়েছে। ২০২৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ।

প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সমন্বিত ভিত্তিতে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬০৯ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.০৮৩ টাকা। আর শুধু দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ইপিএস দাঁড়িয়েছে ০.৪৭৯ টাকা, যেখানে ২০২৫ সালের একই সময়ে ছিল মাত্র ০.০০৩ টাকা।

ব্যাংকটির সমন্বিত ভিত্তিতে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) বেড়ে ১৭.৪৬ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ছিল ১৬.৭৪ টাকা এবং ২০২৫ সালের ৩০ জুন ছিল ১৬.৬৭ টাকা। একই সময়ে মোট নিট সম্পদের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ১,৪৪৬.৮০ কোটি টাকা, যা ২০২৫ সালের শেষে ছিল ১,৩৮৭.১৩ কোটি টাকা।

অন্যদিকে, সমন্বিত ভিত্তিতে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১৮.০৬৮ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৮.৩৮৪ টাকা।

ব্যাংকটির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সংরক্ষিত মুনাফা (Retained Earnings) ও সংবিধিবদ্ধ রিজার্ভ বৃদ্ধি পাওয়ায় শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য বেড়েছে। পাশাপাশি পরিচালন আয় বৃদ্ধি এবং কর সংক্রান্ত প্রভিশন কমে যাওয়ায় শেয়ারপ্রতি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সুদ পরিশোধ ও আয়কর পরিশোধ বেড়ে যাওয়ায় শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ কিছুটা কমেছে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে মুনাফা ৮৬% বৃদ্ধি; পুনরুদ্ধার কার্যক্রম ও মূলধন পুনর্গঠনে অগ্রযাত্রা অব্যাহত

স্টক নিউজ বিডি July 29, 2026

বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসি. ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে উল্লেখযোগ্য আর্থিক সাফল্য অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানের সুশৃঙ্খল ঋণ পুনরুদ্ধার কৌশল, বিচক্ষণ আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং চলমান ব্যবসায়িক পুনর্গঠন উদ্যোগের ইতিবাচক প্রভাব এ সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

২৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক অনুমোদিত অনিরীক্ষিত সমন্বিত (Consolidated) আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে কোম্পানির সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ৮৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। একইভাবে, ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক (এপ্রিল-জুন) সময়েও সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৩% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা কোম্পানির আর্থিক কার্যক্রমে ধারাবাহিক ইতিবাচক অগ্রগতির প্রতিফলন।

এই উন্নত আর্থিক ফলাফলের পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে সফল ঋণ পুনরুদ্ধার ও আদায় কার্যক্রম, ঋণ, লিজ ও বিনিয়োগের বিপরীতে অতিরিক্ত সংরক্ষিত প্রভিশন অবমুক্তকরণ এবং তালিকাভুক্ত শেয়ারে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মূলধনী মুনাফা।

উন্নত মুনাফার ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (EPS) বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ০.২৩ টাকা, যা ২০২৫ সালের একই সময়ে ছিল ০.১২ টাকা। একইভাবে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় ০.০৭ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ০.১২ টাকায় উন্নীত হয়েছে। এছাড়া, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (NAV) ঋণাত্মক ২৮.৮৪ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ঋণাত্মক ২৯.০৭ টাকা ছিল। এটি কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি ক্রমান্বয়ে শক্তিশালী হওয়ার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।

কোম্পানিটি ২৭৩% প্রভিশন কভারেজ রেশিও বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে, যা এর বিচক্ষণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং সম্ভাব্য ঋণ ক্ষতি মোকাবিলায় শক্তিশালী আর্থিক সক্ষমতার প্রতিফলন।

কোম্পানির কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, চলমান কৌশলগত পুনর্গঠন কার্যক্রম, নিয়ন্ত্রক সংস্থার সহায়ক পদক্ষেপ এবং বাজার পরিস্থিতির ধারাবাহিক উন্নয়নের ফলে কোম্পানির আর্থিক পুনরুদ্ধার আরও ত্বরান্বিত হবে। এর মাধ্যমে মূলধন ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে, পরিচালনাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং শেয়ারহোল্ডারসহ সকল অংশীজনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই মূল্য সৃষ্টি নিশ্চিত হবে। 

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • এমটিবি ও সোনালী ব্যাংকের মধ্যে পেমেন্ট গেটওয়ে চুক্তি স্বাক্ষর

  • বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ-২০২৬

  • আইপিওতে আসছে কনফিডেন্স পাওয়ার, রোড শো ১৮ অক্টোবর

  • পোস্টপেইড বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ সহজ করতে ব্র্যাক ব্যাংক ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চুক্তি

  • বাগাতিপাড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধাভোগীদের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে প্রেস কনফারেন্স

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • আইপিওতে আসছে কনফিডেন্স পাওয়ার, রোড শো ১৮ অক্টোবর

  • পোস্টপেইড বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ সহজ করতে ব্র্যাক ব্যাংক ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চুক্তি

  • বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ-২০২৬

  • জিকিউ বলপেনের মুনাফায় ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত, ১২.৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

  • বাগাতিপাড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধাভোগীদের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে প্রেস কনফারেন্স

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য