Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

আজকের খবর

শেয়ারবাজারে অনিয়মে কড়াকড়ি: ৪ প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্টদের ১ কোটি ৯ লাখ টাকা জরিমানা

স্টক নিউজ বিডি May 3, 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন, বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণা এবং শেয়ার লেনদেনে নানা অনিয়মের অভিযোগে চার প্রতিষ্ঠান ও তাদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মোট ১ কোটি ৯ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

জরিমানার আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—এনবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, গিবসন সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানি খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড। শুনানি শেষে তাদের ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হওয়ায় গত এপ্রিল মাসে এসব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এনবিএল সিকিউরিটিজে অনিয়ম, ১৮ লাখ টাকা জরিমানা

বিএসইসির অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এনবিএল সিকিউরিটিজ গ্রাহকদের ক্রয়-বিক্রয় আদেশ সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছে এবং গ্রাহকের অনুমতি ছাড়াই লেনদেন সম্পন্ন করেছে। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি না করা ও পেশাগত অসদাচরণের প্রমাণও পাওয়া গেছে। এসব কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়েদ আল-মামুন হাসানকে ৫ লাখ এবং সাবেক অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তা ফারজানা ফেরদৌসীকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজে প্রতারণা, সর্বোচ্চ ৬৬ লাখ টাকা জরিমানা

অন্যদিকে ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে গ্রাহক মো. আইয়ুব আলীর সঙ্গে গুরুতর প্রতারণার প্রমাণ পেয়েছে কমিশন। তদন্তে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে গ্রাহকের ই-মেইলে ভুয়া পোর্টফোলিও স্টেটমেন্ট পাঠাত এবং প্রকৃত তথ্য গোপন রাখত। ২০২২ সালের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত সঠিক তথ্য পাঠানো হলেও, পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই পর্যন্ত একই ই-মেইলে জাল স্টেটমেন্ট পাঠানো হয়।

এছাড়া গ্রাহকের মোবাইল নম্বর ইচ্ছাকৃতভাবে পরিবর্তন করে ভুল নম্বর যুক্ত করা হয়, যাতে তিনি সিডিবিএল থেকে লেনদেন সংক্রান্ত কোনো নোটিফিকেশন না পান। তদন্তে আরও উঠে আসে, কোম্পানির এক কর্মীর ব্যক্তিগত ই-মেইল ব্যবহার করে এসব ভুয়া স্টেটমেন্ট পাঠানো হয়েছে।

এসব অনিয়মের কারণে ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ রহমত পাশা এবং কর্মকর্তা মো. শহিদুজ্জামানকে ১৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া কমপ্লায়েন্স অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম ও কর্মকর্তা আবদুল আহাদ শেখকে ৩ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ে করপোরেট গভর্ন্যান্স লঙ্ঘন, ২৪ লাখ টাকা জরিমানা

এদিকে খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডে একাধিক গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে বিএসইসি। তদন্তে দেখা যায়, কোম্পানিটি টানা তিন বছর লোকসানে থেকেও কোনো নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি এবং এর সংরক্ষিত লোকসান পরিশোধিত মূলধনের চেয়েও বেশি হয়ে গেছে। ফলে প্রতিষ্ঠানটি বিএসইসির ‘এক্সিট প্ল্যান’-এর আওতায় পড়ে।

এছাড়া কোম্পানিটি তিন বছরের বেশি সময় ধরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এ তালিকাভুক্তি ফি পরিশোধ করেনি এবং দীর্ঘ সময় ধরে আর্থিক ও অন্যান্য বাধ্যতামূলক প্রতিবেদন দাখিল বন্ধ রেখেছে। উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও তা মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে প্রকাশ না করাও গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

এসব অনিয়মের কারণে কোম্পানির চেয়ারম্যান এসএম আমজাদ হোসেন, পরিচালক মো. আমজাদ হোসেন ও খান হাবিবুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুফিয়া খাতুন, সিএফও মো. এজাজ উদ্দিন এবং কোম্পানি সচিব মিলন খানকে ৪ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

গিবসন সিকিউরিটিজের এমডিকে জরিমানা


অন্যদিকে পৃথক ঘটনায় গিবসন সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফাকে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিএসইসি।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

স্বাধীন গণমাধ্যমই গণতন্ত্রের প্রাণশক্তি

স্টক নিউজ বিডি May 3, 2026

বিশেষ প্রতিবেদন: বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ২০২৬।বিশ্বের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্তিশালী করার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো স্বাধীন ও নিরপেক্ষ গণমাধ্যম। এই প্রেক্ষাপটে প্রতি বছর ৩ মে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস (World Press Freedom Day)। ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের স্বীকৃতির পর থেকে দিবসটি সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরার একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বর্তমান পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা, স্বাধীনতার ওপর যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপ প্রতিহত করা এবং দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত বা নির্যাতিত সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো।

এই দিবস বিশ্ববাসীকে স্মরণ করিয়ে দেয়—একটি মুক্ত ও নিরপেক্ষ গণমাধ্যম ছাড়া কোনো সমাজই প্রকৃত অর্থে গণতান্ত্রিক হতে পারে না।

বর্তমান বিশ্বে তথ্যপ্রবাহের গতি যেমন দ্রুত হয়েছে, তেমনি বেড়েছে সাংবাদিকদের ওপর চাপ, ঝুঁকি এবং নানামুখী হুমকি। বিশেষ করে—

যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল, রাজনৈতিক সংকট, সামাজিক অস্থিরতা এসব পরিস্থিতিতে অনেক সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারান, নির্যাতনের শিকার হন বা ভয়ভীতির মধ্যে কাজ করতে বাধ্য হন।

এমন বাস্তবতায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আজ আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গণমাধ্যম শুধু তথ্য সরবরাহের মাধ্যম নয়; এটি—
জনসচেতনতা তৈরির শক্তিশালী হাতিয়ার সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যম নাগরিক অধিকার রক্ষার অন্যতম স্তম্ভ সুতরাং সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি জনগণের কণ্ঠস্বর ও অধিকার রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

প্রতিবছর বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা নিয়ে আসে—সত্য প্রকাশের স্বাধীনতা ছাড়া কোনো সমাজই পরিপূর্ণ গণতন্ত্রে পৌঁছাতে পারে না।

এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিক, নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত দায়িত্ব হলো—

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা জোরদার করা, একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তোলা।

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস তাই কেবল একটি প্রতীকী দিন নয়; এটি আত্মসমালোচনা, সচেতনতা এবং অঙ্গীকারের দিন। গণমাধ্যম স্বাধীন হলে তবেই সমাজে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়, এবং সত্যের ভিত্তিতেই গড়ে ওঠে একটি শক্তিশালী ও টেকসই গণতন্ত্র।

শামীম রেজা

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও আসন্ন বাজেট ২০২৬-২৭

Stock News BD April 30, 2026

১. বর্তমান অর্থনৈতিক চিত্র: চাপের মধ্যে স্থিতিশীলতা

মূল সূচকসমূহ FY2026

– প্রবৃদ্ধি: বিশ্বব্যাংক FY26-এ ৪.৮%, IMF ৪.৭%, ADB ৫%, সরকারের লক্ষ্য ৫.৫%। FY25-এ প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৬৯% হয়েছিল।

– মূল্যস্ফীতি: জানুয়ারি-মার্চ ২০২৬ প্রান্তিকে গড় ৮.৮%। খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮.৬% এবং জ্বালানি ১৪.৯%। ADB FY26-এ ৯% মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা করছে।

– রিজার্ভ ও রেমিট্যান্স: ডিসেম্বর ২০২৫-এ রিজার্ভ ৩৩.১৯ বিলিয়ন ডলার। জুলাই-নভেম্বর FY26 রেমিট্যান্স ১৩.০৪ বিলিয়ন ডলার, ১৭.১% প্রবৃদ্ধি।

– বিনিয়োগ ও ঋণ: বেসরকারি বিনিয়োগ FY25-এ জিডিপির ২২.৪৮%, ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। সুদের হার ১৩-১৪% হওয়ায় টেক্সটাইলের মতো শিল্প টিকে থাকা কঠিন। খেলাপি ঋণ ডিসেম্বর ২০২৪-এ ২০.২০%।

– রাজস্ব ঘাটতি: CPD বলছে কর আদায় লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক পিছিয়ে এবং উন্নয়ন ব্যয় ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

মূল চাপ:

1. উচ্চ মূল্যস্ফীতি মজুরি বৃদ্ধি ৮.০৭% এর তুলনায় বেশি হওয়ায় প্রকৃত আয় কমছে।

2. জ্বালানি সংকট: গ্যাস চাহিদা ৪,৩০০ MMCFD, সরবরাহ ২,৬০০ MMCFD, ঘাটতি ১,৪০০-১,৭০০ MMCFD। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ২০২৬ সালে জ্বালানির দাম ২৪% বাড়তে পারে।

3. LDC উত্তরণ: নভেম্বর ২০২৬-এ LDC থেকে উত্তরণের পর ৭০% রপ্তানিতে শুল্ক সুবিধা হারাবে।

২. আসন্ন বাজেট FY2026-27: অগ্রাধিকার ও আকার

সরকার প্রায় ৯.২৭ লাখ কোটি টাকার বাজেট পরিকল্পনা করছে, যা চলতি বছরের চেয়ে ১৮% বেশি। উন্নয়ন ব্যয় ৩ লাখ কোটি, পরিচালন ব্যয় ৬.৩০ লাখ কোটি টাকা।

সরকার ঘোষিত ১২টি অগ্রাধিকার খাত:

1. উন্নত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

2. কর্মসংস্থান সৃষ্টি

3. খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা

4. মানবসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা, নারী-শিশু উন্নয়ন

5. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা

অন্যান্য বড় বরাদ্দ:

– মানবসম্পদ উন্নয়ন: সর্বোচ্চ ১৩.৫ লাখ কোটি টাকা, শিক্ষকদের বেতন ২৫% বৃদ্ধি।

– সুদ পরিশোধ: ১.৪২ লাখ কোটি টাকা, বাজেটের ২২%।

– ভর্তুকি: বিদ্যুৎ ৩৭,০০০ কোটি, সার ২৭,০০০ কোটি, LNG ৬,৫০০ কোটি।

– ফ্যামিলি কার্ড: প্রথম বছরে ১৩,০০০ কোটি টাকা প্রয়োজন।

৩. কোন খাতে উন্নয়ন ও ভর্তুকি জরুরি: ভবিষ্যৎ বিপদ মোকাবিলা

বিশ্লেষক ও CPD-এর সুপারিশ অনুযায়ী, ভবিষ্যতের ৩টি বড় বিপদ মোকাবিলায় নিচের খাতে বিনিয়োগ ও ভর্তুকি অপরিহার্য:

বিপদঅগ্রাধিকার খাতকেন জরুরি ও ভর্তুকির যুক্তিসুপারিশ
১. LDC উত্তরণের ধাক্কা ২০২৬ক. রপ্তানি বহুমুখীকরণWTO নিয়মে নগদ প্রণোদনা বন্ধ হবে। শুধু RMG-নির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ। চামড়া, ফার্মা, ICT, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে যেতে হবে।LDC-উত্তরণের প্রস্তুতিতে শুল্ক যৌক্তিকীকরণ ও অ্যান্টি-ডাম্পিং সক্ষমতা বাড়ানো। IT, সেমিকন্ডাক্টর গবেষণায় বরাদ্দ।
 খ. SME ও কর্মসংস্থানবেসরকারি বিনিয়োগ সর্বনিম্ন। SME Foundation একক Preferential Tax Regime চায়।SME-এর জন্য ১০ বছর কর অব্যাহতি, সহজ VAT রিটার্ন। ২৫টি অগ্রাধিকার উদ্যোগের ৫০% অবকাঠামোতে।  
২. জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তাক. কৃষিসার আমদানিতে ঘাটতি ৪ লাখ মেট্রিক টন। কৃষি ভর্তুকি ১৭,০০০ কোটি টাকা অপরিবর্তিত রাখার পরিকল্পনা। খাদ্য নিরাপত্তা না থাকলে সামাজিক অস্থিরতা।স্মার্ট ফার্মার কার্ড ও জাতীয় কৃষক রেজিস্ট্রি। কোল্ড স্টোরেজ যন্ত্রপাতিতে শুল্ক ছাড়।
 খ. নবায়নযোগ্য জ্বালানিবড় বিদ্যুৎ প্রকল্প এড়িয়ে জলবায়ু বাজেট বাড়ানোর পরামর্শ CPD-এর। LNG আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে।২০২৮ সালের মধ্যে ১,৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট দেশীয় গ্যাস উত্তোলন লক্ষ্য। সবুজ শক্তিতে কর্মসংস্থান।  
৩. সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাক. মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণউচ্চ মূল্যস্ফীতি দরিদ্রদের বেশি ক্ষতি করে। বাংলাদেশ ব্যাংক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি নিয়েছে।ভর্তুকি যৌক্তিকীকরণ করে মূল্যস্ফীতি ৬.৫%-এ নামানোর লক্ষ্য। খাদ্য ভর্তুকি ৯,৬০০ কোটি টাকা অব্যাহত রাখা।
 খ. আর্থিক খাত সংস্কারখেলাপি ঋণ ২০%। উচ্চ সুদহার বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত করছে।সুদের হার এক অঙ্কে নামানোর ঘোষণা। ব্যাংক খাতের দুর্বলতা দূর করা।  

ভর্তুকি দিয়ে হলেও বাজেট পেশের যুক্তি:

CPD বলছে FY27 বাজেটে “উচ্চাকাঙ্ক্ষার চেয়ে বিশ্বাসযোগ্যতা” দরকার। কিন্তু অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, সংকটকালে ভর্তুকি তুলে নিলে দারিদ্র্য বাড়বে। বিশ্বব্যাংক বলছে, সার ও খাদ্য ভর্তুকি এখনই কমানো সম্ভব নয়। তবে রপ্তানি নগদ প্রণোদনা ধীরে ধীরে তুলে দিতে হবে।

৪. বিশ্লেষণ: কোথায় ভারসাম্য রাখতে হবে

1. রাজস্ব বনাম ব্যয়: রাজস্ব আদায় ৬.৩৬ লাখ কোটি টাকা লক্ষ্য, ঘাটতি ২.৪৭ লাখ কোটি টাকা বা জিডিপির ৩.৬%। কিন্তু NBR লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন। তাই ২৫,০০০ টাকার বেশি বাড়িভাড়া ব্যাংকের মাধ্যমে আদায় বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

2. ঋণ বনাম উন্নয়ন: ১.৬ বিলিয়ন ডলার কঠিন শর্তের ঋণ নেওয়া হয়েছে, সুদের হার ৪.১৩%। বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ৪.৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে। তাই “মেগা প্রকল্প” নয়, চলমান প্রকল্প শেষ করাকে অগ্রাধিকার দিতে বলছে DCCI।

3. স্বল্পমেয়াদি স্বস্তি বনাম দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার: সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের মতো নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রাখতে চায়। কিন্তু Sanem বলছে, বেসরকারি খাতকে চাঙ্গা না করলে প্রবৃদ্ধি টেকসই হবে না।

উপসংহার: ২০২৬ সাল বাংলাদেশের জন্য “কব্জার বছর”। মার্কিন শুল্ক হুমকি কমলেও, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ও LDC উত্তরণ বড় ঝুঁকি। তাই আসন্ন বাজেটে ৩টি কাজ একসাথে করতে হবে:

1. মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি সংকট সামলাতে কৃষি ও সামাজিক সুরক্ষায় ভর্তুকি চালু রাখা,

2. LDC-উত্তরণের ধাক্কা সামলাতে রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও SME-তে কর ছাড়, এবং

3. বিনিয়োগ ফেরাতে সুদের হার কমানো ও আর্থিক খাত সংস্কার।

CPD যেমন বলেছে, নতুন প্রতিশ্রুতির আগে মূল অর্থনৈতিক ভিত্তি ঠিক করতে হবে। তা না হলে প্রবৃদ্ধি ৫% হলেও মানুষের জীবনমানে তার প্রভাব পড়বে না।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

৩য় প্রান্তিকে ওয়ালটনের মুনাফা ৬৪২.৯৪ কোটি টাকা; পরিচালন নগদ প্রবাহ উন্নতিতে বড় চমক

স্টক নিউজ বিডি April 29, 2026

চ্যালেঞ্জিং ব্যবসায়িক পরিবেশ সত্ত্বেও চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে (জুলাই’২০২৫-মার্চ’২০২৬) ৬৪২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা মুনাফা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দেশের সুপারব্র্যান্ড ও টেক-জায়ান্ট ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকা কমেছে। মোট রাজস্ব বৃদ্ধি সত্ত্বেও ভ্যাট বৃদ্ধির কারণে কোম্পানিটির মুনাফা কিছুটা কমেছে, কিন্তু পরিচালন নগদ প্রবাহে বড় ধরনের উন্নতি হয়েছে।

চলতি হিসাব বছরের ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত সময়ে কোম্পানিটির ৩য় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি বুধবার (২৯ এপ্রিল, ২০২৬) কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ৫১তম সভায় পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।

২০২৫-২৬ হিসাব বছরের ৩য় প্রান্তিক শেষে নগদ প্রবাহে বড় উন্নতি কোম্পানির জন্য ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ বা এনওসিএফপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩২ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ১ টাকা ৬৭ পয়সা ঋণাত্মক ছিল । গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থআদায়ের হার বৃদ্ধির পাশাপাশি তারল্য সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার ফলে পরিচালন নগদ প্রবাহ শক্তিশালী হয়েছে।

কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, আলোচ্য সময়ে ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা না বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ নগদ সংগ্রহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। যদিও ভ্যাট হার বৃদ্ধি ও অন্যান্য উৎস থেকে করযোগ্য আয় বাড়ার কারণে সরকারি কোষাগারে আয়কর ও ভ্যাট বাবদ পরিশোধ বেড়েছে, তথাপি কার্যকর ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ব্যবস্থাপনার কারণে তারল্য পরিস্থিতি শক্তিশালী হয়েছে।

কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনারসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট দ্বিগুণ করায় অর্থাৎ ৭.৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ আরোপ করায় কোম্পানির বিক্রয় ব্যয়ের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। ভ্যাট দ্বিগুণ করা সত্ত্বেও গ্রাহকের ব্যয় সক্ষমতার বিবেচনায় পণ্যের দাম বাড়ানো হয়নি।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, চলতি হিসাব বছরের ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত ৩য় প্রান্তিক শেষে ওয়ালটনের শেয়ার প্রতি নিট আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ২৯ পয়সা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিলো ২০ টাকা ৯০ পয়সা। একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) পুনর্মূল্যায়ন ব্যতীত বেড়ে ২৬৫ টাকা ৭০ পয়সা এবং পুনর্মূল্যায়নসহ বেড়ে ৩৬৬ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোম্পানির রিবেট কাঠামো পুনর্গঠন, পরিবেশকদের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক প্রণোদনা চালুসহ বাণিজ্যিক নীতিতে কিছু কৌশলগত পরিবর্তন এনেছে ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। ফলে বিনিময় হার, মূল্যস্ফীতি ও বাজারের চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক শৃঙ্খলা ও কৌশলগত উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী প্রান্তিকেও মুনাফা ও অন্যান্য আর্থিক সূচকে স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদী কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
ipdc

২০২৫ সালে আইপিডিসি’র মুনাফা বেড়েছে ২৫.৩৯ শতাংশ

স্টক নিউজ বিডি April 28, 2026

বেসরকারি খাতে দেশের প্রথম আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র ২০২৫ সালের নিট মুনাফা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫.৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৫৫ মিলিয়ন টাকায় পৌঁছেছে। চলমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও এই অর্জন আইপিডিসি’র ব্যবসায়িক মডেলের স্থিতিশীলতা প্রমাণ করে। শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি প্রতিশ্রুতি বজায় রেখে পরিচালনা পর্ষদ ১০% লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে ৫% নগদ ও ৫% স্টক। বিনিয়োগ আয়, সুদ আয়ের বৃদ্ধি, বহুমুখী কৌশলগত পোর্টফোলিও এবং নিয়ন্ত্রিত ব্যয় ব্যবস্থাপনা এই অর্জনে ভূমিকা রেখেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ১.১১ টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় মোট সুদ আয় ৮.৫০% বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৯,৫৬০ মিলিয়ন টাকা। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও আগের বছরের তুলনায় কোম্পানির পরিচালন আয় ৭.৪৩% বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩,৪৮৪ মিলিয়ন টাকা এবং বিনিয়োগ আয় বেড়েছে ৯৩.২৯ শতাংশ। যা ট্রেজারি ইয়েল্ড ও পুঁজিবাজারে কৌশলগত পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনার ফলে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৩২৪ মিলিয়ন টাকা।

আইপিডিসি সম্পদের দক্ষ ব্যবহার, সঠিক নিয়োগ ও পারফর্ম্যান্স আরও উন্নত করে পরিচালন ব্যয়ের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। গত বছরের পরিচালন ব্যয় ১০.৩৩% বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১,৬৩১ মিলিয়ন টাকা এবং পরিচালন মুনাফা ৫.০১শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৮৫৩ মিলিয়ন টাকা। কর-পরবর্তী নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৪৫৫ মিলিয়ন টাকা।

২০২৫ সালের শেষে ঋণ, লিজ ও অগ্রীমের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৪,৬২২ মিলিয়ন টাকা, যা আগের তুলনায় ৭.৩১% বৃদ্ধি পেয়েছে। আমানত আগের বছরের তুলনায় ১৪.৬০% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২,২৪৯ মিলিয়ন টাকা, যার মাধ্যমে ১২.১৮% বাজার অংশীদারিত্ব নিশ্চিত হয়েছে এবং গ্রাহকদের ধারাবাহিক আস্থা ও ব্র্যান্ডের স্থিতিশীলতা প্রকাশ পেয়েছে।

উচ্চতর মুনাফা অর্জনে রিটার্ন অন ইক্যুইটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৭৪% এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৭.৮৫ টাকা। শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ৯.৯৪ টাকা, যা ভবিষ্যতে টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতে আইপিডিসিকে সাহায্য করবে।

এ প্রসঙ্গে আইপিডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান দাউদ সামস বলেন, “২০২৫ সালে আমরা পরিকল্পিত বাস্তবায়ন ও কৌশলগত স্থিতিশীলতায় বাড়তি মনোযোগ দিয়েছি। চ্যালেঞ্জিং অর্থনৈতিক পরিবেশেও আমরা বিভিন্ন পণ্যের মাধ্যমে আয়ের উৎস বাড়িয়েছি এবং ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করে আয়ভিত্তি আরও শক্তিশালী করেছি। পোর্টফোলিও’র মান, দক্ষ মূলধন ব্যবহার ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আমরা টেকসই মুনাফা অর্জনে সক্ষম হয়েছি এবং ব্যালান্স শিট আরও শক্তিশালী করেছি। দায়িত্বশীল প্রবৃদ্ধি ও আর্থিক স্থিতিশীলতার মাধ্যমে আমরা দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারহোল্ডারদের রিটার্ন বাড়াতে কাজ করবো।”

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
বাটা সু

বাটা সু ১০৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা: স্থিতিশীল ডিভিডেন্ডে বিনিয়োগকারীদের আস্থা জোরদার

স্টক নিউজ বিডি April 28, 2026

স্টক নিউজ বিডি: দেশের সুপরিচিত ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড বাটা সু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড তাদের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) আগামী ৩০ জুন ২০২৬, সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। এ ঘোষণা বিনিয়োগকারী ও শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে, বিশেষ করে ধারাবাহিক ডিভিডেন্ড প্রদানের কারণে।

কোম্পানির প্রকাশিত নোটিশ অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবছরের জন্য পরিচালনা পর্ষদ ১০৫% চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ প্রস্তাব করেছে, যা আগের বছরের মতোই স্থিতিশীল। এই ধারাবাহিকতা কোম্পানির শক্তিশালী আর্থিক শৃঙ্খলা ও শেয়ারহোল্ডার-বান্ধব নীতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যদিও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ এবং বাজারের চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান, তবুও কোম্পানিটি তাদের কার্যক্রমে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। নিট সম্পদ মূল্য (NAV) এবং নগদ প্রবাহে কিছুটা সমন্বয় থাকলেও কোম্পানির মূল ভিত্তি ও ব্র্যান্ড শক্তি অটুট রয়েছে—যা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক সংকেত।

এজিএমে পরিচালনা পর্ষদের প্রতিবেদন, নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুমোদন, পরিচালক নির্বাচন/পুনঃনিয়োগ এবং নিরীক্ষক নিয়োগসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ আলোচিত হবে। পাশাপাশি কর্পোরেট গভর্নেন্স শক্তিশালী করতে কমপ্লায়েন্স অডিটর নিয়োগও করা হবে—যা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে সহায়ক।

ভার্চুয়াল এজিএম আয়োজনের মাধ্যমে কোম্পানিটি প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার দিকে আরও একধাপ এগিয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শেয়ারহোল্ডাররা সহজেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন, যা অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।

ধারাবাহিক ডিভিডেন্ড, শক্তিশালী ব্র্যান্ড উপস্থিতি এবং কর্পোরেট গভর্নেন্সে জোর—সব মিলিয়ে বাটা সু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড ভবিষ্যতেও বিনিয়োগকারীদের জন্য আস্থার প্রতীক হয়ে থাকবে।

রেকর্ড ডেট: ১৯ মে ২০২৬, এই তারিখে তালিকাভুক্ত শেয়ারহোল্ডাররাই এজিএমে অংশগ্রহণ ও ডিভিডেন্ড পাওয়ার যোগ্য হবেন।

স্থিতিশীল লভ্যাংশ, আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও শক্তিশালী কর্পোরেট নীতির মাধ্যমে বাটা সু আবারও প্রমাণ করেছে—চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখা সম্ভব।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

রপ্তানির প্রাণখাত সংকটে: গ্যাসটিক থেকে আলসার, এখন ‘ক্যানসার’—বাঁচাতে জরুরি রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ

স্টক নিউজ বিডি April 28, 2026

স্টক নিউজ বিডি: বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত রপ্তানিমুখী শিল্পখাত—বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্প—বর্তমানে বহুমাত্রিক সংকটে জর্জরিত। একসময়ের শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে থাকা এই খাত এখন যেন ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ার আশঙ্কায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অব্যবস্থাপনা, উচ্চ ব্যাংক সুদহার, ডলারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, শ্রমিক অসন্তোষ, জ্বালানি সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, শুল্ক জটিলতা, বন্দর ও কাস্টমসের ধীরগতি—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ‘গ্যাসটিক’ থেকে ‘আলসার’ পেরিয়ে এখন ‘ক্যানসার’-এর পর্যায়ে পৌঁছেছে।

ব্যাংক সুদ ও ডলার সংকটে উদ্যোক্তাদের দম বন্ধ

বর্তমানে ব্যাংক ঋণের সুদের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। অন্যদিকে, ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানিনির্ভর কাঁচামাল সংগ্রহে ব্যয় কয়েকগুণ বেড়েছে। এতে উৎপাদন খরচ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

জ্বালানি সংকট: উৎপাদন ব্যাহত, অর্ডার ঝুঁকিতে

গ্যাস ও বিদ্যুতের ঘাটতি এখন শিল্পের সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় কারখানাগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। ফলে নির্ধারিত সময়ে অর্ডার ডেলিভারি দিতে ব্যর্থ হচ্ছে অনেক প্রতিষ্ঠান, যা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

শ্রমিক অসন্তোষ ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি

জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর দাবি জোরালো হচ্ছে। ফলে শ্রমিক অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে, যা উৎপাদন ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করছে। একইসাথে পরিবহন, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ অন্যান্য খরচ বাড়ায় সামগ্রিক উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে।

বন্দর ও কাস্টমস জটিলতা: সময় ও খরচের চাপ

চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসে বিলম্ব, কাস্টমসের জটিল প্রক্রিয়া—এসব কারণে সময়মতো শিপমেন্ট করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এতে একদিকে যেমন অতিরিক্ত খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে ক্রেতাদের আস্থা কমছে।

নতুন বাজারে প্রবেশে ব্যর্থতা

রপ্তানির বাজার এখনও কয়েকটি দেশকেন্দ্রিক। ইউরোপ ও আমেরিকার বাইরে নতুন বাজার তৈরি করতে না পারায় বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব সরাসরি পড়ছে এই খাতে।

বিশ্ব অর্থনীতির ধাক্কা

বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি, যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং ক্রেতা দেশগুলোর চাহিদা কমে যাওয়ায় অর্ডার কমছে। ফলে কারখানাগুলো উৎপাদন কমাতে বাধ্য হচ্ছে।

সরকারি উদ্যোগ: পর্যাপ্ত নয়

সরকার বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করলেও বাস্তবায়নে ধীরগতি এবং সীমাবদ্ধতা রয়েছে। উদ্যোক্তাদের মতে, এই সংকট মোকাবেলায় আরও শক্তিশালী ও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

সমাধানের পথ কী?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই খাতকে বাঁচাতে এখনই কিছু জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে—

  • ব্যাংক সুদের হার যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা
  • ডলার বাজার স্থিতিশীল করা
  • জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা
  • বন্দর ও কাস্টমস ব্যবস্থার আধুনিকায়ন
  • নতুন রপ্তানি বাজার অনুসন্ধান
  • শিল্পবান্ধব নীতি ও দ্রুত বাস্তবায়ন

বাংলাদেশের রপ্তানি খাত এখন এক সংকটময় সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই খাতের ক্ষতি পুরো অর্থনীতিকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। তাই এখনই প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ, বাস্তবমুখী নীতি এবং দ্রুত বাস্তবায়ন—নইলে ‘গ্যাসটিক’ থেকে ‘ক্যানসার’-এ রূপ নেওয়া এই সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

বিএসইসি থেকে অপসারণের পথে রাশেদ মাকসুদকে: আইনে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ

স্টক নিউজ বিডি April 21, 2026

স্টক নিউজ বিডি: দেশের পুঁজিবাজারে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস মিলছে। প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর চেয়ারম্যান পদ থেকে খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে সরানোর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। তবে সরাসরি অপসারণ নয়—এর আগে আইন সংশোধনের মাধ্যমে পথ তৈরি করা হচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে কার্যকর ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩’-এ চেয়ারম্যানের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৬৫ বছর নির্ধারিত থাকলেও সেটি কমিয়ে ৬০ বছর করার চিন্তাভাবনা চলছে। একইসঙ্গে কমিশনারদের ক্ষেত্রেও একই বয়সসীমা প্রযোজ্য হতে পারে।

শুধু বিএসইসি নয়, বিমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)-এর ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আইডিআরএ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বয়সসীমা ৬৭ বছর থাকলেও সেটি কমিয়ে ৬০ বছরে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট চার বছরের জন্য বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। তাকে অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ-এর ঘনিষ্ঠ হিসেবে দেখা হয়।

তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই শেয়ারবাজারে টানা দরপতন শুরু হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা একাধিকবার বিক্ষোভ, এমনকি মতিঝিলে ‘কাফন মিছিল’ও করেন। বিনিয়োগকারীদের বড় একটি অংশ তার অপসারণ ও দুর্নীতির তদন্ত দাবি করে আসছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ২০২৪ বাংলাদেশ-এর পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মাধ্যমে মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। পরে জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হলে আর্থিক খাতের শীর্ষ পদগুলোতে পরিবর্তনের গুঞ্জন জোরালো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তনের পর বিএসইসি নিয়েও একই ধরনের পদক্ষেপের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ইতোমধ্যে আইডিআরএ চেয়ারম্যান এম আসলাম আলম পদত্যাগ করায় সেখানে নতুন নিয়োগের প্রস্তুতিও চলছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সরাসরি অপসারণের বদলে আইনের মাধ্যমে বয়সসীমা কমিয়ে পরিবর্তন আনা হলে বিতর্ক কম হবে। তাই দ্রুত আইন সংশোধনের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী—

বিএসইসি চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের বয়সসীমা হতে পারে সর্বোচ্চ ৬০ বছর

আইডিআরএ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ক্ষেত্রেও একই সীমা প্রযোজ্য হতে পারে

আইন পাসের পরই নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হবে

সরকারের অভিমত, পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব করতে কাঠামোগত পরিবর্তন জরুরি। বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের দাবি এবং সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি—আলোচনার মাধ্যমে বয়সসীমা ও অন্যান্য শর্তে পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

সুস্থ জীবন, আজকের সচেতনতা, আগামী সুরক্ষা” ক্যাম্পেইনের আওতায় ক্যান্সার সচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

স্টক নিউজ বিডি April 21, 2026

সাম্প্রতিক রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বরাট, ভাকলা এলাকায় অবস্থিত চৌধুরী আব্দুল হামিদ একাডেমিতে “সুস্থ জীবন, আজকের সচেতনতা, আগামী সুরক্ষা” শীর্ষক ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে একটি ব্যতিক্রমধর্মী ক্যান্সার সচেতনতা কার্যক্রম সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আয়োজনটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করে উজ্জ্বলা উইমেন অ্যান্ড ইয়ুথ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এবং সিসিআই ফাউন্ডেশন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে সংগঠন দুটির প্রতিনিধি দল একাডেমিতে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় জনগণ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়, যা এ উদ্যোগের গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

সচেতনতামূলক এই কার্যক্রমে বিশেষভাবে নারীদের মধ্যে ব্রেস্ট ক্যান্সার ও সার্ভাইকাল ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারীদের ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ, প্রতিরোধের উপায় এবং দ্রুত শনাক্তকরণের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিসিআই ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট অঙ্কোলজিস্ট ডা. লুবনা মরিয়াম, সামিয়া আফরিন-যিনি একজন ক্যান্সার সার্ভাইভার ও সুপরিচিত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং একই সঙ্গে উজ্জ্বলা ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট। এছাড়াও আর উপস্থিত ছিলেন উজ্জ্বলা ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট আফরোজা পারভীন, যিনি নিজেও একজন ক্যান্সার সার্ভাইভার, তাঁদের অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা উপস্থিত সকলকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ ও সচেতনতার গুরুত্ব সম্পর্কে নতুনভাবে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করে।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে পুরো কার্যক্রমটি সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হয়। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক ভবিষ্যতে এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে যুক্ত থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

উজ্জ্বলা ফাউন্ডেশন ও সিসিআই ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে মেডিকেল ক্যাম্প, ক্যান্সার স্ক্রিনিং এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আরও বিস্তৃত উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

রুমিন ফারহানার বক্তব্যের সময় অশালীন অঙ্গভঙ্গি, বিরোধীদলীয় নেতার নিন্দা

স্টক নিউজ বিডি April 19, 2026

জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্যের সময় ট্রেজারি বেঞ্চের সদস্যদের ‘অশালীন অঙ্গভঙ্গির’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান।

একই সঙ্গে সংসদে কথা বলার ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রম বজায় রাখার জন্য স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলীয় নেতা এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্যের সময় ট্রেজারি বেঞ্চের কিছু সদস্য যে ধরনের অশালীন অঙ্গভঙ্গি করেছেন, তা আমার বিবেককে নাড়া দিয়েছে। একাধিকবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়।

তিনি আরও বলেন, সংসদের শুরুতেই আমরা একটি ইতিবাচক ও শালীন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছিলাম। কিন্তু বারবার আহ্বান জানানোর পরও এ ধরনের অশোভন আচরণ অব্যাহত থাকায় আমি অত্যন্ত দুঃখিত এবং এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, সংসদে কথা বলার ক্ষেত্রে স্পিকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তবে সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে যে বৈষম্য পরিলক্ষিত হচ্ছে, তা উদ্বেগজনক।

বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল সকল সংসদ সদস্যকে কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে শিষ্টাচার বজায় রেখে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম নতুন সদস্যদের কথা বলার সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান। তিনি বলেন, বর্তমান সংসদে প্রায় ২২০ জন নতুন সদস্য রয়েছেন। তারা নিজ নিজ এলাকার সমস্যা ও জাতীয় বিষয়ে কথা বলতে চান। কিন্তু দেখা যাচ্ছে অনেক সদস্য বারবার সুযোগ পেলেও কেউ কেউ একবারও কথা বলতে পারছেন না।

চিফ হুইপ স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, যারা আগে নোটিশ দেবেন তাদের বক্তব্যের একটি ধারাবাহিক তালিকা বা সিরিয়াল অনুসরণ করা উচিত। এতে নতুন সদস্যরা উৎসাহিত হবেন এবং সংসদের কার্যক্রম আরও প্রাণবন্ত হবে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • বাগাতিপাড়ায় ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক, মাদক আইনে মামলা

  • এনআরবি ব্যাংক পিএলসি এবং হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টারের মধ্যে কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর

  • প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদান, নিজ হাতে ফাতেমার হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাগাতিপাড়ায় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

  • গত ৬ মাসের ফৌজদারি মামলায় প্রায় সব আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাগাতিপাড়ায় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

  • প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদান, নিজ হাতে ফাতেমার হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • বাগাতিপাড়ায় ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক, মাদক আইনে মামলা

  • রাষ্ট্রপতিকে মেজর মান্নানের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

  • অমিত শাহর পদত্যাগের দাবি রাহুলের, সমর্থন জানাল ‘তেলাপোকারা’

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য