Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

তালেবান

ভারতকে সতর্ক করে, পাকিস্তানকেই অগ্রাধিকার দেবে তালেবান

ভারতকে সতর্ক করে, পাকিস্তানকেই অগ্রাধিকার দেবে তালেবান

স্টক নিউজ বিডি August 28, 2021

স্টক নিউজ বিডি ডেস্ক: কাবুলে একটি দায়িত্বশীল সরকার গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তালেবান। এ জন্য বিশ্বের সব দেশের কাছে তারা সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছে তারা। কিন্তু নতুন সরকার যে পাকিস্তান-পন্থী হবে, ব্যবসা বাণিজ্য থেকে শুরু করে শুরু করে সর্ব ক্ষেত্রে ইসলামাবাদকে অগ্রাধিকার দেবে— সে বিষয়ে কোনও লুকোছাপা করছে না তালেবান।
বৃহস্পতিবার ভারত ও পাকিস্তানের অনেকগুলো সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকার তালেবানের মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ জানিয়েছেন, ‘পাকিস্তান আমাদের আর এক বাড়ি।

পাকিস্তান তালেবানের জন্ম দিয়েছে। তাদের বিষয়টা সব সময়েই আলাদা। পাকিস্তানের সঙ্গে ইসলামি আমিরাতের সময়েই বিশেষ সম্পর্ক থাকবে। আফগানিস্তানের মাটিতে আমরা পাকিস্তান-বিরোধী কোনও তৎপরতা চালাতে দেব না।’ তিনি বলেন, ‘২০ বছর যুদ্ধ করে ধ্বংসের মুখে চলে গিয়েেছ আমাদের দেশ। এখন শান্তি প্রয়োজন আফগানিস্তানের। বিধ্বস্ত দেশকে সমৃদ্ধ হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা ভারত-সহ সব দেশের সাহায্য চাই।’ পাকিস্তানের স্বার্থ-বিরোধী একটি কাজও তালেবান যে করবে না, সে কথা ঘোষণা করেন জবিউল্লা।

এমনকি ব্যবসা বাণিজ্য ও অন্য ক্ষেত্রে তাদেরই অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তবে অন্য দেশের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কে তালেবান শাসিত আফগানিস্তান জড়াবে না বলে ঘোষণা করেছেন জবিউল্লা। তিনি বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি আলোচনায় বসে অমিমাংসিত সব সমস্যা মিটিয়ে ফেলুক, আমরা এটাই চাই। আলোচনাই একমাত্র যুক্তিগ্রাহ্য পথ।’

এদিকে, কয়েকদিন আগেই আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে পরোক্ষে বার্তা দিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ‘যারা সন্ত্রাসের আদর্শ নিয়ে সাম্রাজ্য স্থাপন করতে চাইছে, তারা কিছু সময়ের জন্য সফল হতে পারে। তবে তাদের অস্তিত্ব কখনও চিরস্থায়ী হয় না, কারণ তারা কোনওদিন মানবতাকে দমন করে রাখতে পারে না।’ আর এমন উক্তির পাল্টা জবাব দিয়েছে তালেবান। তার এই বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ রূপে গ্রহণ করেছেন তালেবানের এক নেতা শাহাবুদ্দিন দিলাওয়ার। তিনি দাবি করেন যে, আফগানিস্তানে তার সংগঠন দীর্ঘ সময়ের জন্যই সফল হবে।

রেডিও পাকিস্তানকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ভারতকে সতর্ক করে দিয়ে শাহাবুদ্দিন দিলাওয়ার বলেন, ভারত যাতে আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলায়। পাশাপাশি পাকিস্তানকে তালেবানের বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করে ৩০ লাখ আফগান শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়ার জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন তিনি। তাছাড়া পাকিস্তানকে যে তালেবান দ্বিতীয় ঘর হিসাবে মানে, তাও উল্লেখ করেন এই নেতা। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন যে, তার সংগঠন চায় সব দেশের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করতে। সূত্র : বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, হিন্দুস্থান টাইমস।

স্টক নিউজ বিডি.কম

আরও খবর পড়ুন……

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
আফগানিস্তানের পুনর্গঠনে তুরস্ককে বেশি প্রয়োজন: তালেবান

আফগানিস্তানের পুনর্গঠনে তুরস্ককে বেশি প্রয়োজন: তালেবান

স্টক নিউজ বিডি August 22, 2021

স্টক নিউজ বিডি ডেস্ক: তালেবান মুখপাত্র সোহাইল শাহিন বলেছেন, আফগানিস্তানের পুনর্গঠনের জন্য তাদের তুরস্ককে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। তিনি তুরস্কের দৈনিক ‘তুর্কিয়া’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আমাদের সব অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা আফগানিস্তানের প্রতিটি অঞ্চলের পুনর্গঠন করব। এ ব্যাপারে আমাদের তুরস্কের সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

তালেবানের এই মুখপাত্র আরো বলেন, তুরস্ক আমাদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। বিশ্বের একটি নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী দেশ তুরস্ক। মুসলিম বিশ্বেও তুরস্কের উঁচু মানের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। আফগানিস্তানের সাথে তুরস্কের সম্পর্ককে অন্য কোনো দেশের সাথে তুলনা করা চলে না।

এর আগে কাবুল দখলের এক দিন পর গত ১৬ আগস্ট তুরস্কের ক্ষমতাসীন সরকারের নিউজ চ্যানেল ‘তুর্ক খবর’কে দেয়া সাক্ষাৎকারে সোহাইল শাহিন বলেছিলেন, তুরস্ক আমাদের কাছে একটি ভ্রাতৃপ্রতীম ইসলামি দেশ হিসেবে বিবেচিত।

তিনি আরো বলেন, তুরস্কের সাথে আমরা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করতে চাই।

এরপর তুর্কি প্রেসিডেন্ট ১৯ আগস্ট তালেবানের সাথে সংলাপে বসার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, তিনি হয়তো অচিরেই তালেবান নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন।

স্টক নিউজ বিডি.কম

আরও খবর পড়ুন……

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
তালেবানকে সন্ত্রাসী সংগঠন বিবেচনা করে ফেসবুক

তালেবানকে সন্ত্রাসী সংগঠন বিবেচনা করে ফেসবুক

স্টক নিউজ বিডি August 18, 2021

তালেবানকে সন্ত্রাসী সংগঠন বিবেচনা করে তাদের সব পোস্ট নিষিদ্ধ করেছে ফেসবুক। তালেবানদের প্রতি সমর্থনমূলক সব কন্টেন্টও নিষিদ্ধ করেছে যোগাযোগের জনপ্রিয় এ সামাজিক মাধ্যমটি।

ফেসবুকের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বিবিসিকে বলা হয়েছে, তালেবানকে একটি সন্ত্রাসী সংস্থা মনে করে ফেসবুক, সুতরাং তাদের সব পোস্ট ও সমর্থনকারী মন্তব্য এই প্ল্যাটফর্মে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ফেসবুক জানিয়েছে, তারা আফগান বিশেষজ্ঞদের একটি দলকে দায়িত্ব দিয়েছে যারা এই সংক্রান্ত সব পোস্ট পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনে প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দেবে।

তাদের এই নীতি ইন্সটাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে ফেসবুক জানিয়েছে।

তালেবান সদস্যরা নানা শ্রেণির মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে আসছে বলেও প্রতিষ্ঠানটির কাছে প্রমাণ রয়েছে।

ফেসবুক বিবিসিকে জানিয়েছে, তারা যদি হোয়াটসঅ্যাপে তালেবানের সঙ্গে সংযুক্ত কোন অ্যাকাউন্ট দেখতে পায়, তাহলে তারা ব্যবস্থা নেবে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
এখনই তালেবানকে স্বীকৃতি দেবে না পাকিস্তান

এখনই তালেবানকে স্বীকৃতি দেবে না পাকিস্তান

স্টক নিউজ বিডি August 18, 2021

কাবুলের সিংহাসন থেকে তালেবানকে হটানো হয়েছিল ২০০১ সালে। দীর্ঘ ২০ বছর আগ্রাসনের পর যুক্তরাষ্ট্র দেশটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। আবারও দৃশ্যপটে তালেবান। ক্ষমতা বুঝে নেওয়ার অপেক্ষায় আছে তারা।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জানিয়েছে, তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে বেশ কয়েকটি দেশ। এ তালিকায় চীন ও রাশিয়ার মতো পরাশক্তিগুলো ছাড়াও রয়েছে প্রতিবেশী পাকিস্তান ও তুরস্কের নাম।

তবে পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন জানিয়েছে, এখনই তালেবানকে স্বীকৃতি দেবে না পাকিস্তান। আগে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করবে ইসলামাবাদ। তার পর সিদ্ধান্ত নেবে দেশটির সরকার।

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার আফগান পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসেছিল পাকিস্তানের মন্ত্রিসভা। বৈঠক শেষে দেশটির তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী বলেন, ‘আফগানিস্তানে যখন প্রথমবারের মতো তালেবান সরকার গঠন হয়েছিল তখন তাদেরকে সবার আগে স্বীকৃতি দেওয়া তিন দেশের মধ্যে পাকিস্তান ছিল একটি। তবে এবার তালেবান সরকারকে এখনই স্বীকৃতি দেবে না পাকিস্তান। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবে পাকিস্তান। পাশপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করবে। তাদের পরামর্শ নেওয়া হবে।

তবে রক্তপাত ছাড়াই কাবুলে ক্ষমতার পালা বদল ঘটনায় পাকিস্তান সরকার বেশ খুশি বলে জানান ফাওয়াদ চৌধুরী। এর আগে তালেবানে প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

রোববার তালেবানের বিজয়ের পর ইমরান খান বলেছিলেন, আফগানিস্তানে এখন যা ঘটছে, তাতে তারা (তালেবান) দাসত্বের শেকল ভেঙে দিয়েছে।

এদিকে তালেবানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার জন্য প্রস্তুত চীন। গত সোমবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনিয়াং সাংবাদিকদের বলেন, আফগান জনগণের নিজেদের লক্ষ্য নির্ধারণের স্বাধীন অধিকারকে চীন সম্মান জানায়। চীন আফগানিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সহযোগিতামূলক সম্পর্ক করতে প্রস্তুত।

তবে তালেবানকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেবে রাশিয়া- এমনটিই বোঝা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে তালেবানের প্রশংসায় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত দিমিত্রি ঝিরনভ বলেছেন, তালেবানের অধীনেই কাবুলকে বেশি নিরাপদ মনে হচ্ছে।

মস্কোর ইখো মস্কভি রেডিও স্টেশনের সঙ্গে কথোপকথনে সোমবার ঝিরনভ বলেছেন, এখন পর্যন্ত তালেবান যে আচরণে করেছে, তাতে তিনি সন্তুষ্ট। তালেবানদের মনোভাব ভালো, ইতিবাচক ও যথাযথ।

তথ্যসূত্র: ডন, আলজাজিরা

আরও খবর পড়ুন……

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি

কোথায় আশ্রয় নিলেন আশরাফ গনি?

স্টক নিউজ বিডি August 16, 2021

স্টক নিউজ বিডি ডেস্ক: আফগানিস্তান ছেড়ে পালিয়ে তাজিকিস্তানে আশ্রয় পেলেন না আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। পরে বিমান ঘুরিয়ে ওমান পৌঁছেছেন তিনি।

ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, ওমান সরকার আশরাফ গনিকে আশ্রয় দিতে রাজি হয়েছে কি না, তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত নয়। তবে সোমবার পর্যন্ত ওমানেই রয়েছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থাগুলো জানিয়েছে, ওমানে আশ্রয় না পেলে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে চলে যেতে পারেন আফগানিস্তানের পরাজিত এ প্রেসিডেন্ট। ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশটির নাগরিকত্বও ছিল গনির।

দীর্ঘ দিন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন আশরাফ গনি। ২০১৪ সালে আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে, সেই নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন তিনি। তবে তার স্ত্রী এবং দুই সন্তান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তাই শেষ পর্যন্ত গনি দেশটিতে আশ্রয় নিতে পারেন বলে জল্পনা চলছে।

ওমানে আশরাফ গনির সঙ্গে আফগানিস্তানের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হামিদুল্লাহ মুহিবও রয়েছেন। তালিবানের সামনে কখনও মাথা নত করবেন না বলে বার্তা দিলেও, সদ্য সাবেক উপরাষ্ট্রপতি আমরুল্লাহ সালেহ তাজিকিস্তানেই রয়েছেন।

এদিকে তালেবান যোদ্ধাদের হাতে কাবুল পতন হওয়ার প্রেক্ষাপটে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির দেশছাড়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার তীব্র সমালোচনা করেছেন দেশটির নাগরিকরা। এমনকি তাকে ‘কাপুরুষ’ বলে অভিহিত করছেন তারা।

রোববার তালেবান বাহিনী বিনাবাধায় রাজধানী কাবুলে প্রবেশ করে। এর পর রাতে ফেসবুক পোস্টে গনি জানান, ‘রক্তপাত এড়ানোর জন্যই’ তিনি কাবুল ছেড়েছেন।

বিবিসি জানিয়েছে, গনির দেশত্যাগের খবরে তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় ব্যর্থতার জন্য তাকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযেগ মাধ্যমে নাগরিকদের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিসমিল্লাহ খান এক টুইটে প্রেসিডেন্ট গনির সমালোচনা করে বলেন, তারা আমাদের হাত পিছমোড়া করে বেঁধে জন্মভূমিকে বিক্রি করে দিয়েছে জঘন্য ওই ধনী ব্যক্তি আর তার দল।

স্টক নিউজ বিডি.কম

আরও খবর পড়ুন……

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
তালেবানের ইতিহাস, কীভাবে তাদের উত্থান/পতন ঘটেছিল?

তালেবানের ইতিহাস, কীভাবে তাদের উত্থান/পতন ঘটেছিল?

স্টক নিউজ বিডি August 16, 2021

স্টক নিউজ বিডি ডেস্ক: আফগানিস্তানের ক্ষমতা থেকে তালেবানকে জোর করে সরানো হয়েছিল ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পরিচালিত এক যুদ্ধের মাধ্যমে। কিন্তু তালেবান আবার নতুন করে সংগঠিত হওয়ার মাধ্যমে আফগানিস্তানের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করে নিয়েছে।

আফগান সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের এই অগ্রযাত্রা এখনও অব্যাহত রয়েছে। তালেবান আবার আফগানিস্তানের সরকারকে ফেলে দিয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারে, এমন আশঙ্কাও করেন অনেকে।

কিন্তু এই তালেবান আসলে কারা? কীভাবে এই গোষ্ঠীর উত্থান ঘটে আফগানিস্তানে? আর তাদের সমর্থনের ভিত্তিই বা কী?

ঘনিষ্ঠ হচ্ছে কমিউনিস্ট চীন ও সুন্নী তালেবান, তৈরি হচ্ছে নতুন সমীকরণ

দু্ই দশকের এক রক্তাক্ত যুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন চলতি বছরের ১১ই সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে তাদের সর্বশেষ সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন আফগানিস্তানের চারিদিকে তালেবানের জয়-জয়কার।

প্রতিদিনই তারা আফগানিস্তান জুড়ে শহর-বন্দর-গ্রামে হামলা চালাচ্ছে, দখল করে নিচ্ছে আফগান সরকারের সামরিক বাহিনীর ঘাঁটি। কথিত ‘সন্ত্রাসবাদবিরোধী যুদ্ধের’ নামে যুক্তরাষ্ট্র যে তালেবানকে আফগানিস্তানের ক্ষমতা থেকে হটিয়েছিল, এখন অনেকেরই আশঙ্কা, তারাই আবার দেশটির নিয়ন্ত্রণ নিতে যাচ্ছে।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারীতে কাতারের রাজধানী দোহায় দুই পক্ষের মধ্যে যে শান্তি চুক্তি হয়, তার শর্ত ছিল যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করবে এবং তালেবানও আর মার্কিন বাহিনীর ওপর কোন হামলা চালাবে না। চুক্তির আরও শর্তের মধ্যে ছিল তালেবান আর আল কায়েদা কিংবা অন্য কোন জঙ্গী সংগঠনকে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় আশ্রয় দেবে না এবং আফগান শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাবে।

তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি আলোচনা শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে।

কিন্তু এই চুক্তির পরবর্তী দিনগুলোতেও তালেবান আফগান নিরাপত্তা বাহিনী এবং বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে হামলা অব্যাহত রেখেছে। আর এখন যুক্তরাষ্ট্র যখন আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাচ্ছে, তখন অবিশ্বাস্য দ্রুত গতিতে আফগানিস্তানে তালেবানের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে।

আফগানিস্তানে যেভাবে ক্ষমতায় আসে তালেবান

পশতু ভাষায় তালেবান মানে হচ্ছে ‘ছাত্র’। আফগানিস্তান থেকে যখন সোভিয়েত সৈন্যরা পিছু হটলো, তখন ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে উত্তর পাকিস্তানে এই তালেবান আন্দোলনের জন্ম।

এই আন্দোলনে মূলত পশতুন অর্থাৎ পশতুভাষীদের প্রাধান্য। ধারণা করা হয়, মাদ্রাসাগুলোতে প্রথম এরা সংগঠিত হয়। এই মাদ্রাসাগুলো পরিচালিত হতো সৌদি অর্থে – এবং সেখানে খুবই কট্টর সুন্নী মতাদর্শের ইসলামই প্রচার করা হতো।

পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান – এই দুই দেশের সীমান্তের দু’দিকেই আছে বিস্তীর্ণ পশতুন অধ্যূষিত অঞ্চল। তালেবান এসব অঞ্চলে খুব দ্রুতই প্রভাবশালী হয়ে উঠে। তালেবান নেতৃত্ব প্রতিশ্রুতি দেয়, ক্ষমতায় গেলে তারা শান্তি এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে এবং কঠোর শরিয়া শাসন জারি করবে।

তালেবান নেতৃত্বের কাঠামো

দক্ষিণ-পশ্চিম আফগানিস্তান থেকে তালেবান খুব দ্রুত তাদের প্রভাব সম্প্রসারিত করে। ১৯৯৫ সালের সেপ্টেম্বরে তারা ইরান সীমান্তবর্তী আফগান প্রদেশ হেরাত দখল করে নেয়। আর এর ঠিক এক বছর পর তারা আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল দখল করে।

তারা প্রেসিডেন্ট বুরহানউদ্দীন রাব্বানির সরকারকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে নিজেদের সরকার প্রতিষ্ঠা করে।

বুরহানউদ্দীন রাব্বানি ছিলেন আফগান মুজাহিদীন বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। ১৯৮০-র দশকে আফগানিস্তানে সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে এই আফগান মুজাহিদীনরা প্রতিরোধ সংগঠিত করেছিল।

১৯৯৮ সাল নাগাদ তালেবান আফগানিস্তানের প্রায় ৯০ শতাংশ অঞ্চলে তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।

দিল্লির তালেবান সংকট, আফগানিস্তানে পট পরিবর্তনে বড় ক্ষতির সামনে ভারত?

সোভিয়েতরা আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার পর মুজাহিদীনদের মধ্যে অর্ন্তদ্বন্দ্ব শুরু হয়। তাদের বাড়াবাড়িও আর লোকে পছন্দ করছিল না। এরকম অবস্থায় তালেবান যখন প্রথম দৃশ্যপটে আসে, তখন আফগানিস্তানের মানুষ সাধারণভাবে তাদের স্বাগত জানিয়েছিল।

তালেবানের প্রথম দিকের জনপ্রিয়তার মূলে ছিল কয়েকটি বিষয়: তারা দুর্নীতি দমনে সাফল্যে দেখিয়েছিল, আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছিল, তারা তাদের নিয়ন্ত্রিত রাস্তা দিয়ে এবং অঞ্চলে নিরাপদে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ করে দিয়েছিল।

তবে তালেবান একই সঙ্গে তাদের জারি করা কঠোর শরিয়া শাসনের অধীনে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মতো শাস্তি চালু করে। অপরাধী কিংবা ব্যাভিচারীদের প্রকাশ্যে হত্যা করা হতো, চুরির দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের হাত কেটে নেয়া হতো। আর পুরুষদের দাড়ি রাখা এবং মেয়েদের পুরো শরীর ঢাকা বোরকা পরা বাধ্যতামূলক করা হয়।

তালেবান টেলিভিশন, সঙ্গীত এবং সিনেমা নিষিদ্ধ করে। দশ বছরের বেশি বয়সী মেয়েদের স্কুলে যাওয়ার দরকার নেই বলে নিয়ম জারি করে।

তালেবানের বিরুদ্ধে বহু ধরণের মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধ্বংসের অভিযোগ উঠে। তাদের সবচেয়ে ভয়াবহ কাণ্ড ছিল ২০০১ সালে আফগানিস্তানের মধ্যাঞ্চলে বিখ্যাত বামিয়ান বুদ্ধের মূর্তি ধ্বংস করা। এর বিরুদ্ধে তখন আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দার ঝড় উঠেছিল।

পাকিস্তান এই অভিযোগ সবসময় অস্বীকার করেছে যে তারাই তালেবানের নেপথ্য কারিগর। কিন্তু এতে কোন সন্দেহ নেই, শুরুর দিকে যে আফগানরা তালেবান আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল, তারা সবাই পাকিস্তানের বিভিন্ন মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছিল।

আর পাকিস্তান ছিল সেই তিনটি দেশের একটি, যারা তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর তালেবানকে অন্য যে দুটি দেশ স্বীকৃতি দেয় তারা ছিল সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। আর পাকিস্তান তালেবান সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদও করেছিল সবার শেষে।

তালেবান পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমের অনেক অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করতো। একবার তারা এমনকি পাকিস্তানকেও অস্থিতিশীল করার হুমকি তৈরি করেছিল।

পাকিস্তানি তালেবান যেসব হামলা চালায়, তার মধ্যে সবচেয়ে কুখ্যাত এবং আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দিত ঘটনাটি ঘটে ২০১২ সালের অক্টোবরে। সেদিন পাকিস্তানের মিনগোরা শহরে স্কুলছাত্রী মালালা ইউসুফজাই যখন বাড়ি ফিরছিলেন, তখন তাকে গুলি করে তালেবান জঙ্গীরা। এরপর পেশাওয়ারে এক স্কুলে হামলা চালিয়ে বহু ছাত্রকে হত্যা করে তালেবান।

এ ঘটনার পর পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী তালেবানের বিরুদ্ধে এক বিরাট সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানের পর পাকিস্তানি তালেবানের ক্ষমতা এবং প্রভাব ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়।

এরপর ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় অন্তত তিনজন গুরুত্বপূর্ণ তালেবান নেতা নিহত হন। এদের মধ্যে তালেবানের নেতা হাকিমউল্লাহ মেহসুদও ছিলেন।

আল কায়েদার অভয়াশ্রম

২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আল কায়েদার হামলার পর সারা বিশ্বের মনোযোগের কেন্দ্রে চলে আসে আফগানিস্তানের তালেবান। এই সন্ত্রাসী হামলার প্রধান সন্দেহভাজন ওসামা বিন লাদেন এবং তার আল কায়েদা আন্দোলনকে তালেবান আশ্রয় দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে।

মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট আফগানিস্তান আক্রমণ করে ২০০১ সালের ৭ই অক্টোবর। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই তালেবানের পতন ঘটে। তালেবানের তৎকালীন নেতা মোল্লাহ মোহাম্মদ ওমর, অন্যান্য সিনিয়র নেতা এবং ওসামা বিন লাদেন পালিয়ে যেতে সক্ষম হন, যদিও তাদের ধরতে গোটা বিশ্ব তখন হন্য হয়ে চেষ্টা চালাচ্ছিল।

অনেক সিনিয়র তালেবান নেতা তখন পাকিস্তানের কোয়েটা শহরে আশ্রয় নেন বলে জানা যায়। সেখান থেকে তারা তালেবানকে পরিচালিত করতেন। তবে কোয়েটা-ভিত্তিক এরকম একটি তালেবান নেতৃত্ব বা ‘কোয়েটা শুরার’ কথা ইসলামাবাদ অস্বীকার করতো।

আফগানিস্তানে বিপুল পরিমাণ বিদেশী সৈন্যের উপস্থিতি সত্ত্বেও তালেবান আবারও সংগঠিত হয়ে ক্রমাগত তাদের শক্তি বাড়িয়েছে, আফগানিস্তানের নানা অঞ্চলে আবার তাদের প্রভাব বিস্তার করেছে। আফগানিস্তানের বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে তারা বিপদজনক করে তোলে এবং সহিংসতার মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছায়, যা ২০০১ সালের পর আর দেখা যায়নি।

কাবুলে তারা বহু হামলা চালিয়েছে, এবং ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে তালেবান এমনকি নেটো জোটের ক্যাম্প বাস্টিয়ন ঘাঁটিতেও এক বিরাট দুঃসাহসিক অভিযান চালায়।

২০১৩ সালে আফগানিস্তানে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার আশা তৈরি হয়, যখন তালেবান কাতারে একটি অফিস খোলার ঘোষণা দেয়। কিন্তু তারপরও উভয়পক্ষের মধ্যে অবিশ্বাস রয়েই যায় এবং সহিংসতা অব্যাহত থাকে।

বছর দুয়েক পরে, ২০১৫ সালের অগাস্ট মাসে তালেবান স্বীকার করে যে তাদের নেতা মোল্লাহ ওমরের মৃত্যুর দু’বছর পর পর্যন্ত এ খবর তারা গোপন রেখেছিল। শারীরিক অসুস্থতার কারণে মোল্লাহ ওমর পাকিস্তানের এক হাসপাতালে মারা গিয়েছিলেন। এরপর তালেবানের নেতৃত্ব নিয়ে অর্ন্তকোন্দল শুরু হয়।

তবে ২০১৫ সালের অগাস্টের কিছুদিন পর তালেবান জানায়, তারা মোল্লাহ মনসুর নামে এক নতুন নেতার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। মোল্লাহ মনসুর ছিলেন মোল্লাহ ওমরের ডেপুটি।

ঠিক ওই সময়টাতেই তালেবান ২০০১ সালের পরাজয়ের পর প্রথমবারের মতো আফগানিস্তানের এক প্রাদেশিক রাজধানী দখল করে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কুন্দুজ শহরের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে চলে যায়।

২০১৬ সালের মে মাসে মোল্লাহ মনসুর মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন। তার জায়গায় তালেবানের নতুন নেতা হন মৌলভী হিবাতুল্লাহ আখুন্দযাদা। এখন পর্যন্ত তিনিই তালেবানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নেতা।

আফগানিস্তান থেকে বিদেশী সৈন্য প্রত্যাহার

বহু বছর ধরে সরাসরি আলোচনার পর ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারীতে যুক্তরাষ্ট্র এবং তালেবানের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়, এবং এরপর তালেবান যেন তাদের কৌশল কিছুটা পরিবর্তন করেছিল। বড় বড় শহরে এবং সামরিক ঘাঁটির ওপর জটিল হামলার পরিবর্তে তারা টার্গেট করে করে হত্যা করছিল, যা বেসামরিক আফগানদের আতংকিত করে তোলে।

তালেবানের হামলার টার্গেট ছিল সাংবাদিক, বিচারক, শান্তির জন্য আন্দোলনকারী এবং গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা নারীরা। এ থেকে ধারণা পাওয়া যাচ্ছিল যে তালেবান তাদের চরমপন্থী মতাদর্শ পরিবর্তন করেনি, কৌশল বদলেছে মাত্র।

কোন আন্তর্জাতিক সমর্থন-সহায়তা ছাড়া আফগান সরকার যে তালেবানের হামলার মুখে ঝুঁকিতে পড়বে, তা নিয়ে আফগান সরকারী কর্মকর্তারা তাদের গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়েছিলেন।

কিন্তু নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ২০২১ সালের এপ্রিলে ঘোষণা করেন যে সব মার্কিন সেনা ১১ই সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান ছাড়বে। অর্থাৎ যে দিনটিতে আল-কায়েদার হামলায় নিউইয়র্কে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ধসে পড়েছিল, সেই দিনটির ঠিক দুই দশক পর।

মালালা ইউসুফজাইকে হত্যার চেষ্টা করেছিল তালেবান

তবে দীর্ঘ দুই দশক ধরে বিশ্বের একমাত্র সুপারপাওয়ারের সঙ্গে লড়াই করে তালেবান শুধু টিকেই থাকেনি, বরং তারা আফগানিস্তানের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করতেও শুরু করে। ২০০১ সালে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের পর তালেবান বাহিনী এখন সংখ্যার বিচারে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে আছে বলে মনে করা হয়। নেটোর এক সাম্প্রতিক রিপোর্টে অনুমান করা হয়েছে, তালেবানের ৮৫ হাজার নিয়মিত যোদ্ধা আছে।

আফগান দোভাষী হিসেবে কাজ করে আমেরিকায় গিয়ে হলেন বাস্তুহারা

তারা কী পরিমান এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে, তা অনুমান করা মুশকিল। তবে সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে অনুমান করা হয়েছে যে আফগানিস্তানে এক-তৃতীয়াংশ হতে এক-পঞ্চমাংশ এলাকা হয়তো এখন তালেবানের দখলে।অনেকে যা আশংকা করেছিলেন তার চেয়েও অনেক দ্রুত গতিতে তালেবান আফগানিস্তান দখল করছে। আফগানিস্তানে মার্কিন নেতৃত্বাধীন মিশনের অধিনায়ক জেনারেল অস্টিন মিলার গত জুন মাসেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে দেশটি এক চরম নৈরাজ্যকর গৃহযুদ্ধের দিকে চলে যেতে পারে।

“এটি গোটা বিশ্বের জন্যই এক গভীর উদ্বেগের বিষয়,” বলেছিলেন তিনি।

ওই মাসেই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার এক পর্যালোচনায় আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল যে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার করে নেয়ার ছয় মাসের মধ্যেই হয়তো আফগান সরকারের পতন ঘটতে পারে।

এখন পুরো আফগানিস্তান তালেবানের নিয়ন্ত্রণে

রোববার রাতে রাজধানী কাবুল দখলের মাধ্যমে পুরো আফগানিস্তান নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে তালেবান বাহিনী। প্রায় দুই দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর শত শত বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে গড়ে তোলা আফগান বাহিনী কোনো প্রতিরোধই সৃষ্টি করতে পারেনি।

মাত্র কয়েক সপ্তাহে তাদের নজিরবিহীন অগ্রগতি অনেককেই বাকরুদ্ধ করে দিয়েছে। তালেবানের অভিযানে গত কয়েকদিনে অনেকটা ডোমিনো বা তাসের ঘরের মতো প্রায় দুই ডজন প্রাদেশিক রাজধানীর পতন হয়েছে। সুত্র:বিবিসি

স্টক নিউজ বিডি.কম

আরও খবর পড়ুন……

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
তালেবানের হাতে কান্দাহার-হেরাত

দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর কান্দাহার ও তৃতীয় বৃহত্তম শহর হেরাত তালেবানের হাতে

স্টক নিউজ বিডি August 14, 2021

স্টক নিউজ বিডি ডেস্ক: ঝড়ের গতিতে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের দিকে এগোচ্ছে তালেবান। ইতোমধ্যে ১৮টি প্রাদেশিক রাজধানী গোষ্ঠীটি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশটির ‍দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর কান্দাহার ও তৃতীয় বৃহত্তম শহর হেরাত। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ দুটি শহরের নিয়ন্ত্রণ এত সহজে তালেবান নিয়ে নিয়েছে সেটি বিশ্বাসই হচ্ছে না সেখানকার বাসিন্দাদের। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানায়।

আফগানিস্তানের এ দুই শহরে সপ্তাহখানে ধরে লড়াই চলছিল। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার শহর দুটি দখলে নেওয়ার দাবি করে তালেবান। কিন্তু এত সহজে শহর দুটি দখলে নিতে পারবে গোষ্ঠীটি এটা বিশ্বাস করতে পারছেন না সেখানকার বাসিন্দারা।

কান্দাহারের এক নারী বাসিন্দা বলেন, তারা আক্ষরিক অর্থে আমাদের বিক্রি করে দিয়েছে। এখানে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিরোধের চেষ্টাই করা হয়নি।তিনি আরও বলেন, ‘আমি ভাবতেই পারিনি, কান্দাহার এত সহজে তালেবান নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেবে।

তালেবানবিরোধী মিলিশিয়া গ্রুপ গণপ্রতিরোধ বাহিনীর হেরাত প্রদেশের এক স্থানীয় সমর্থকের কাছেও বিষয়টি আশ্চর্যজনক ঠেকেছে।ওই সমর্থক বলেন, ব্যাপারটা হচ্ছে, এসব জায়গা হস্তান্তর করা হচ্ছে।পরবর্তীতে কাবুল ও মাজার-ই-শরীফের একই পরিণতি হবে।

তালেবান ৬ জুলাই প্রথম কোনো প্রাদেশিক রাজধানী দখলে নেয়। এর পর থেকে ঝড়ের গতিতে এগিয়েছে গোষ্ঠীটি। যদিও এখন পর্যন্ত দেশটির প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি বা সরকারের ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা জনসম্মুখে বেদখল হয়ে যাওয়া প্রাদেশিক রাজধানীগুলোতে তালেবানের নিয়ন্ত্রণের স্বীকৃতি দেননি।

তবে সরকারি বাহিনী এবং তালেবানের তীব্র লড়াইয়ের মধ্যে কান্দাহার এবং হেরাতের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া গোষ্ঠীটির জন্য টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখা হচ্ছে। হেরাতের এক সরকারি কর্মকর্তা যিনি বর্তমানে কাবুলে বসবাস করেন। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না, এটা কীভাবে ঘটল।’

শুক্রবার সকালে হেরাতের এক বাসিন্দা বলেন, তালেবান যোদ্ধাদের দেখার জন্য মানুষ রাস্তায় বের হয়েছেন।অনলাইনে ভিডিওতে দেখা যায়, মানুষ তালেবানের যোদ্ধাদের এক ঝলক দেখার জন্য রাস্তায় ভিড় করেছে, যা তারা ২০ বছরের মধ্যে দেখেননি।

কান্দাহারের এক যুবক বলেন, শহরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর তালেবানের যোদ্ধাদের উদযাপনের মেজাজে দেখা গেছে। বিজয়ের সংকেত হিসেবে তাদের আকাশে গুলি ছুড়তে দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার কান্দাহার ও হেরাতের দখল নেয় তালেবান।

এদিকে তালেবানের এক মুখপাত্রের বরাতে আলজাজিরা জানায়, তালেবান আফগানিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর কান্দাহারের দখলে নিয়েছে।তালেবানের ওই মুখপাত্র বলেন, কান্দাহার সম্পূর্ণভাবে জয় করা হয়েছে। আমাদের যোদ্ধারা শহরের শহীদ চত্বরে পৌঁছেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, তালেবান কান্দাহারের গভর্নর অফিসসহ সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। গভর্নর এবং অন্য সরকারি কর্মকর্তারা পালিয়েছেন।

এর আগে কান্দাহারের কেন্দ্রীয় জেল ভেঙে ‘শত শত’ বন্দিকে ছেড়ে দিয়েছিল তালেবান।অপরদিকে হেরাতের স্থানীয় বাসিন্দা ও সাংবাদিকের বরাত দিয়ে আলজাজিরা জানিয়েছিল, আফগানিস্তানের তৃতীয় বৃহত্তম শহর হেরাতের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালেবান।

গণমাধ্যমটি বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলেছে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য। তারা প্রায় সবাই একই কথা বলেছেন। তাদের কথা অনুযায়ী, হেরাতের সব সড়কেই অবস্থান জোরদার করেছে তালেবান। তারা সরকারি সব অফিস দখলে নিয়েছে এবং সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর কাউকে দেখা যায়নি।

দীর্ঘ ২০ বছর পর আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আগস্টেই প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শেষ করবে দেশটি। এর মধ্যেই তালেবান দেশের প্রায় অর্ধেকের বেশি জেলার দখল নিয়ে নিয়েছে।

স্টক নিউজ বিডি.কম

আরও খবর পড়ুন……

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
আফগানিস্তান থেকে পালাচ্ছে ভারতীয়রা

আফগানিস্তান থেকে পালাচ্ছে ভারতীয়রা

স্টক নিউজ বিডি August 11, 2021

স্টক নিউজ বিডি ডেস্ক: দিন দিন ভারতীয়দের জন্য নরকে পরিণতি হচ্ছে আফগানিস্তান। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই ভারতীয় সরকার তাদের নাগরিকদের সে দেশ ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে আফগানিস্তানে জেঁকে বসার যে চিন্তা ছিলো তাদের। সেখানে থেকে সরে এসেছে তারা। অনেক ভারতীয় নাগরিক আফগানিস্তান থেকে ইতোমধ্যে পালিয়ে গেছে বলে জানা যায় ।

দিনে দিনে ক্রমেই খারাপ হচ্ছে আফগানিস্তানের অবস্থা। আরও বাড়ছে তালিবানদের অগ্রযাত্রা। এমতাবস্থায় কমবেশি বহু দেশই সেদেশে থাকা নিজ নাগরিকদের ফেরত পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাঠানো হচ্ছে বিশেষ বিমান। এবার সেই রাস্তাতেই হাঁটতে দেখা গেল ভারতকেও। এদিকে এর আগেই সেদেশে থাকা একাধিক দূতাবাস থেকে বহু আধিকারিকদের ফিরিয়েছে ভারত। এবার মঙ্গলবারও সেই কাজ করছে নয়া দিল্লি।

আফগানিস্তানের চতুর্থ বৃহত্তম শহর মাজার-এ-শরিফে থাকা ভারতীয়দের মঙ্গলবারের মধ্যেই সে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসার নির্দেশ দেয় দিল্লি। এদিকে তথ্য বলছে, এই মুহূর্তে আফগানিস্তানে মোট দেড় হাজার ভারতীয় রয়েছেন। তবে মাজার-এ-শরিফ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ঠিক কতজন রয়েছেন সে ব্যাপারে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এদিকে গত মাসেই কান্দাহার শহর থেকে ৫০ জন নাগরিককে এ দেশে ফিরিয়ে এনেছে ভারত।

মাজার-ই-শরিফ থেকে বিশেষ বিমানে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হতে অনুরোধ করা হয়েছে সেদেশে থাকা ভারতীয়দের। তারমধ্যে বেশিরভাগই কূটনৈতিক রয়েছে বলে খবর। এদিকে এর আগেও বেশ কয়েক দফায় জরুরি ভিত্তিতে ভারতীয় কূটনীতিকদের দেশে ফেরানো হয়েছে। এবার ফের সেই কাজ শুরু হচ্ছে বলেও জানা যাচ্ছে। মূলত তালিবান হামলার আবহেই আফগানিস্তান থেকে বিশেষ বিমানে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে ভারতীয় কূটনীতিকদের।আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করেই ভারত সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

মাজার-ই-শরিফের কনস্যুলেট জেনারেল অব ইন্ডিয়া এক টুইট বার্তায় লিখেছে, মাজার-ই-শরিফ থেকে একটি বিশেষ ফ্লাইট দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবে। মাজার-ই-শরিফ এবং এর বাইরে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের আফগানিস্তান থেকে দেশে ফেরার আহ্বান জানানো হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরতে পারেন ভারতীয় নাগরিকরা।

স্টক নিউজ বিডি.কম

আরও খবর পড়ুন……

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ফারাহ প্রদেশের রাজধানী এখন তালেবানের

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
তালেবান

তালেবান কুন্দুজ সহ ছয়টি প্রাদেশিক রাজধানী যে ভাবে দখল করে

স্টক নিউজ বিডি August 10, 2021

প্রবল যুদ্ধের কারণে কয়েক ডজন ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তালিবানরা কৌশলগত উত্তরের প্রাদেশিক রাজধানী কুন্দুজ সহ ছয়টি আফগান প্রদেশের রাজধানী দখল করে নেয়। তালেবান যোদ্ধারা 8 আগস্ট কুন্দুজ শহরের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন দখল করে নেয় এবং সরকারি বাহিনীকে বিমানবন্দর এবং তাদের নিজস্ব সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণে ঝুলিয়ে রাখে। তালেবানরা উত্তরের শহর সার-ই-পোল এবং তালোকানের নিয়ন্ত্রণে আছে বলে মনে হয়। দক্ষিণ শহর লস্করগাহ এবং উত্তর -পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত শহরেও তীব্র লড়াই ছিল। মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী তাদের প্রত্যাহারের চূড়ান্ত পর্যায়ে শুরু হওয়ার সাথে সাথে মে মাসে তালেবান সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করে।

আগস্টে তালেবান যোদ্ধাদের এবং আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের পর আফগানরা উত্তরাঞ্চলীয় শহর কুন্দুজের ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলি পরিদর্শন করে। নেতৃত্বাধীন বাহিনী তাদের প্রত্যাহারের চূড়ান্ত পর্যায় শুরু করে।

তালেবান এবং আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধের পর কুন্দুজ শহরের প্রধান চত্বরে একটি তালেবান পতাকা উড়ছে। কুন্দুজের সরকারি বাহিনী শুধুমাত্র বিমানবন্দর এবং তাদের নিজস্ব ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণে আছে বলে মনে হচ্ছে, শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন তালেবানদের হাতে কুন্দুজের প্রধান কারাগারটিও তালেবানদের নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে জানা গেছে।

তালেবান এবং আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধের পর কুন্দুজ শহরের প্রধান চত্বরে একটি তালেবান পতাকা উড়ছে। কুন্দুজের সরকারি বাহিনী শুধুমাত্র বিমানবন্দর এবং তাদের নিজস্ব ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে মনে হয়, শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন তালেবানদের হাতে। কুন্দুজের প্রধান কারাগারটিও তালেবানদের নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে জানা গেছে।

কুন্দুজের ক্ষতিগ্রস্ত দোকান থেকে ধোঁয়া উঠছে। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রক কুন্দুজের পতনের কথা অস্বীকার করে, এক বিবৃতিতে বলেছিল যে কমান্ডোরা শহরে একটি ক্লিয়ারেন্স অপারেশন শুরু করেছে, যোগ করেছে যে শহরের কেন্দ্রে প্রধান মোড়টি পুনরায় দখল করা হয়েছে এবং জাতীয় টিভি ভবনটি তালেবান যোদ্ধাদের থেকে পরিষ্কার করা হয়েছে।

তালেবান যোদ্ধা এবং আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে তুমুল লড়াইয়ের পর কুন্দুজ শহরে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলি ধোঁয়াটে পড়ে যায়।

কুনার প্রদেশের গাজিয়াবাদ জেলার একটি স্কুলের ভিতরে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো বসে। প্রদেশে হাজারেরও বেশি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং তাদের খাদ্য ও আশ্রয়ের মরিয়া প্রয়োজন রয়েছে। দক্ষিণ হেলমান্দ প্রদেশের রাজধানী লস্করগাহে বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একটি স্কুল।

আগস্ট প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি নিশ্চিত করেছে যে তালেবান অবস্থানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালানো হয়েছে, এতে ৫৪ জন যোদ্ধা নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়েছে।

বিমান হামলার পর লস্করগাহের একটি স্কুল লাইব্রেরি ও স্বাস্থ্য ক্লিনিকক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য মজিদ আখুন্দ বলেন, সরকারি বিমান হামলায় ক্লিনিক এবং একটি স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উত্তর -পশ্চিমাঞ্চলীয় আফগান শহর হেরাত থেকে মানুষ পালিয়ে যাওয়ায় সরকারি সৈন্যরা রাস্তায় টহল দিচ্ছে। তালেবান যোদ্ধাদের সঙ্গে তীব্র যুদ্ধের পর আফগান নিরাপত্তা বাহিনী শহরের কিছু অংশ পুনরুদ্ধার করে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
আফগানিস্তানের কান্দাহার বিমানবন্দর

যে কারণে কান্দাহার দখলে মরিয়া তালেবান

স্টক নিউজ বিডি August 2, 2021

স্টক নিউজ বিডি ডেস্ক: আফগানিস্তানে তালেবান যোদ্ধারা দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত কান্দাহার বিমানবন্দরে অন্তত তিনটি রকেট আঘাত হেনেছে। শনিবার রাতে এ হামলার ঘটনা পর বিমানবন্দর থেকে সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, তালেবান কান্দাহারসহ আফগানিস্তানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শহর নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বাকি দুটি শহর হলো হেরাত ও লস্করগাহ।

এই শহরগুলো ঘিরে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তালেবানের লড়াই জোরদার হচ্ছে। আফগানিস্তানের সরকারি বাহিনীর কাছ থেকে এই তিন শহরের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে নিতে চায় তালেবান।

সম্প্রতি তালেবানের একধিক নেতা ঘোষণা দেন যে তারা জোরপূর্বক শহরগুলো দখল করতে চান না। আমির খান মুত্তাকি নামে এক তালেবান নেতা বলেন, পাহাড় ও মরুভূমি থেকে যুদ্ধ এখন শহরগুলোর দরজায় এসে পৌঁছেছে। মুজাহিদরা শহরের ভেতরে লড়াই করতে চায় না।

কিন্তু তালেবান কেন কান্দাহার দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে সেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে

কান্দাহার আফগানিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। কান্দাহারে বিমানঘাঁটি রয়েছে। তালেবানের জন্য সরকারি বাহিনীর কাছ থেকে কান্দাহার দখলে নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এই বিমানঘাঁটির মাধ্যমেই সরকারি বাহিনী তালেবানবিরোধী লড়াইয়ে নানা সাহায্য-সহযোগিতা পেয়ে থাকে।

এদিকে, দুই প্রাদেশিক রাজধানী হেরাত ও লস্করগাহ দখলের জন্যও অগ্রসর হচ্ছে তালেবান। এই শহর দুটির অবস্থাও নাজুক।

বিবিসি বলছে, দেশটির সরকারি বাহিনী তিন শহরের নিয়ন্ত্রণ কতটা সময় ধরে রাখতে পারবে, তা নিয়ে গুরুতর সন্দেহ আছে।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ আফগানিস্তান থেকে প্রায় সব বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে ঘোষণা আসার পরই তালেবান হামলা ও বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অভিযান জোরদার করে। ইতিমধ্যে তারা আফগানিস্তানের গ্রামীণ এলাকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। তবে তালেবান এখন পর্যন্ত কোনো প্রাদেশিক রাজধানী দখল করতে পারেনি। কিন্তু এখন তারা সেই লক্ষ্যে অগ্রসর হচ্ছে। তালেবানের দাবি, তারা ৮৫ শতাংশ এলাকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। এ ছাড়া তারা পাকিস্তান ও ইরানের সঙ্গে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ক্রসিংও নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।

তালেবান আফগানিস্তানে পশ্চিমা-সমর্থিত গনি সরকারকে উৎখাত করে ইসলামি আইন চালু করতে চায়।

স্টক নিউজ বিডি.কম

আরও খবর পড়ুন……

তালেবানকে শায়েস্তা করতে বি-৫২ বোমারু বিমান পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকমের ঋণখেলাপি মামলায় ৫ পরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা  অনুষ্ঠিত

  • রবির তিন মাসেই ১,৫৮০ কোটি টাকা নগদ অর্থ উধাও, স্বল্পমেয়াদি ঋণ বেড়েছে ৩৬০ কোটি টাকা

  • ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের নিট মুনাফা ১২ কোটি ৪২ লাখ, বেড়েছে ইপিএসও

  • যমুনা ব্যাংকের আয়োজনে পিডিবিএলের ৬৫তম পর্ষদ ও ৮৪তম দ্বিমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • রবির তিন মাসেই ১,৫৮০ কোটি টাকা নগদ অর্থ উধাও, স্বল্পমেয়াদি ঋণ বেড়েছে ৩৬০ কোটি টাকা

  • ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের নিট মুনাফা ১২ কোটি ৪২ লাখ, বেড়েছে ইপিএসও

  • প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকমের ঋণখেলাপি মামলায় ৫ পরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সালমান এফ রহমান

  • ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল অর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫,০০০ কোটি টাকার তহবিলে যুক্ত হলো এমটিবি

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য