Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

লাইফ স্টাইল

প্রতিবেশীর সঙ্গে আচরণ

স্টক নিউজ বিডি February 22, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: প্রতিবেশী, অধস্তন ও গৃহকর্মীর সাথে আচরণ একজন মানুষের জীবনবোধের পরিচায়ক। সেইসাথে সুখী-সুন্দর নীড়ের অন্যতম শর্ত পরিচ্ছন্নতা ও রুচিশীলতা। ব্যক্তিত্বের এ দিকগুলো সবচেয়ে বেশি প্রকাশ পায় ঘরোয়া পরিবেশে। আজ আমরা জানবো ঘরোয়া পরিবেশে সহজে পালনীয় কিছু শুদ্ধাচার, যা আপনার জীবনকে করে তুলবে আনন্দঘন ও প্রশান্তিময়।

চলুন জেনে আসা যাক…

আপনার বাসার চারপাশে (ডানে-বামে-ওপরে-নিচে সামনে ও পেছনে) ৪০ ঘর হচ্ছে প্রতিবেশী। সময়-সুযোগ করে তাদের সাথে পরিচিত হোন। যোগাযোগ রাখুন।

দেখা হলে আগে সালাম দিন। হাসিমুখে কুশল বিনিময় করুন।

প্রতিবেশীর দেয়া যে-কোনো ছোট উপহার সাদরে গ্রহণ করুন।

প্রতিবেশীর কাছ থেকে কোনো প্রয়োজনীয় জিনিস তাকে না বলে আনবেন না। যদি অনুমতি নিয়ে কিছু আনতে হয়, তা অক্ষত অবস্থায় দ্রুত ফেরত দিন। ক্ষতি হলে বা হারিয়ে গেলে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করুন এবং সুযোগ থাকলে কিনে দিন।

সবসময় সচেতন থাকুন ও নিজের জন্যে প্রার্থনা করুন− ‘আমি যেন আমার প্রতিবেশীর কষ্টের কারণ না হই’। প্রতিবেশীর সাথে কোনো ধরনের বিবাদে লিপ্ত হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

ভালো কিছু রান্না করলে অল্প হলেও প্রতিবেশীকে পাঠান।

নবীজী (স) বলেছেন, ‘প্রতিবেশীকে অভুক্ত রেখে যে পেট পুরে খায়, সে বিশ্বাসী নয়’। প্রতিবার খাওয়ার আগে প্রতিবেশী অভুক্ত আছে কিনা খোঁজ নেয়া সম্ভব নয়। তাই ভাত রান্নার সময় একমুঠো পরিমাণ চাল আলাদা পাত্রে উঠিয়ে রাখুন। মাস শেষে এই চালের সমপরিমাণ অর্থ দান করে দুস্থ ও এতিমদের অন্নের সংস্থান করুন।

প্রতিবেশীর আনন্দে শরিক হোন। তার সাথে মমতার বন্ধন গড়ে তুলুন। কিন্তু সম্পর্কের সীমা বজায় রাখুন।

পাশাপাশি অবস্থানের কারণে পরস্পরের দোষ-গুণ সহজে জানার সুযোগ হয়। এ-ক্ষেত্রে প্রতিবেশীর দোষ বলে বেড়ানো থেকে বিরত থাকুন।

প্রতিবেশীর কোনো ত্রুটিবিচ্যুতি থাকলে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন। অবশ্য যদি বেআইনি ও সন্দেহজনক কিছু দৃষ্টিগোচর হয়, তাহলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানান।

প্রতিবেশীর মন্দ আচরণের জবাবে আপনি সবসময় ভালো আচরণ করুন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় ছোটখাটো সাহায্য-সহযোগিতায় কখনো বিরক্ত হবেন না।

নিজের বাড়ি বা জমি বিক্রি করার আগে প্রতিবেশীকে জিজ্ঞেস করতে পারেন তিনি কিনতে আগ্রহী কিনা। আগ্রহী হলে ন্যায্য দামে কেনার সুযোগ দিন।

কেউ প্রতিবেশীর ক্ষতি করতে চাইলে যথাসম্ভব প্রতিহত করুন। কেননা প্রতিবেশীর ঘরে আগুন লাগলে তা আপনার ঘরকেও ছারখার করে দিতে পারে।

অসুস্থ হলে দেখতে যান। পথ্য, শুশ্রূষাসহ যে সেবা প্রয়োজন তা সাধ্যমতো তাকে দিন।

প্রতিবেশী কেউ মৃত্যুবরণ করলে সৎকার-কাফন-দাফনের সাহায্যে এগিয়ে আসুন। জানাজায় অংশ নিন।

বিপদে-আপদে প্রতিবেশীর প্রয়োজনে এগিয়ে আসুন, সান্ত্বনা দিন। প্রতিবেশীর কল্যাণে আপনাকে যদি কিছু ছাড়ও দিতে হয়, অম্লান বদনে তা করুন। প্রাকৃতিক নিয়মেই দানের উত্তম প্রতিদান আপনি পাবেন।

সচেতনভাবে বিরত থাকুন

জানালা-খোলা দরজার সামনে দিয়ে চলাফেরার সময় প্রতিবেশীর বাড়িতে উঁকি দেয়া।

প্রতিবেশীর উঠানে-দরজার সামনে ময়লা ফেলা।

উচ্চশব্দে গান বাজানো ও টিভি দেখা। কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে হইহল্লা করে প্রতিবেশীর ঘুম বা বিশ্রামের ক্ষতি করা।

প্রতিবেশীর চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়া।

প্রতিবেশীর ফসলের ক্ষতি করা কিংবা প্রতিবেশীর গবাদি পশু এসে কিছু নষ্ট করেছে বলে পশুটিকে আঘাত করা।

প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝগড়া করা-প্রতিবেশীকে গালমন্দ করা।

নিজের বাড়ির-জমির সীমানা পিলার, দেয়াল, জানালা, সিঁড়ি প্রতিবেশীর জমিতে ঢুকিয়ে দেয়া।

প্রতিবেশীর কাছ থেকে যখন-তখন টাকা বা বিভিন্ন দ্রব্যাদি ধার নেয়া।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

কোন খাবারে কোষ্ঠকাঠিন্য কমবে, আবার ওজনও ঝরবে

স্টক নিউজ বিডি February 20, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: কোষ্ঠকাঠিন্যের নির্দিষ্ট কোনও কারণ নেই। রোজের অনিয়ম ছাড়াও শরীরে ফাইবারের ঘাটতিও কোষ্ঠকাঠিন্যের অন্যতম কারণ। তবে ঘরোয়া উপায়ে এই রোগ বশ করার কিছু টোটকা রয়েছে।

শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে বার্ধক্যের আদতে কোনও সম্পর্ক নেই। বয়স বাড়লেই যে রোগ শরীরে হানা দেয়, তার কোনও মানে নেই। এমন অনেক সমস্যা রয়েছে, যেগুলি অল্প বয়সেও হতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য তেমনই একটি সমস্যা। নির্দিষ্ট কোনও কারণ নেই এই রোগের। রোজের অনিয়ম, পানি কম খাওয়া, অতিরিক্ত পরিমাণে ভাজাভুজি খাওয়া, বাইরের তেল-মশলা খাবারের প্রতি ঝোঁক কোষ্ঠকাঠিন্য ডেকে আনে। এ ছাড়া শরীরে ফাইবারের ঘাটতিও কোষ্ঠকাঠিন্যের অন্যতম কারণ। তবে ঘরোয়া উপায়ে এই রোগ বশ করার কিছু টোটকা রয়েছে। কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।

আমলকির রস

আমলকিতে রয়েছে ভিটামিন সি, এ-র উপকারী ভিটামিন। যা প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য ঠেকাতেও কিন্তু ভরসা রাখতে পারেন আমলকির রসে। কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীরা প্রতি দিন গরম জলে আমলকির রস মিশিয়ে খেতে পারেন। সুফল পাবেনই।

চিয়াবীজ

প্রোটিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফাইবারে সমৃদ্ধ চিয়াবীজ কোষ্ঠকাঠিন্যের ঘরোয়া ওষুধ হতেই পারে। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্যের পাশাপাশি হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও কমাত সাহায্য করে। ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে চিয়াবীজ দারুণ উপকারী।

নারকেল তেল

রূপচর্চা থেকে ওজন কমানো— সবেতেই নারকেল তেলের জুড়ি মেলা ভার। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা এড়াতেও কিন্তু নারকেল তেল ঠিক তেমন ভাবেই সাহায্য করে। নারকেল তেলে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পারে। নারকেল তেলে রান্না করতে পারেন। অথবা স্যালাডের উপর থেকে নারকেল তেল ছড়িয়ে দিতে পারেন।

যে খাবারে ফাইবার বেশি

হজমশক্তি ঠিক রাখতে ফাইবার দারুণ সাহায্য করে। হজমের গোলমাল থেকে কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্ম। তাই কোষ্ঠকাঠিন্য দূরে থাকতে ফাইবার আছে এমন খাবার বেশি করে খান। বেরি, ওট্‌স, বিনস্‌, ডাল, মটরশুঁটিতে রয়েছে ভরপুর পরিমাণে ফাইবার। নিয়মিত এগুলি খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

সকালের টেবিলে রাখুন ‘কাউন চালের নাশতা’

স্টক নিউজ বিডি February 18, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: সকালের নাস্তা আমাদের শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি সারাদিন আমাদেরকে প্রাণবন্ত ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে সকালের নাস্তা বেশি পরিমাণে ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে এবং সারাদিন ধরে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। সকালে স্বাস্থ্যকর এবং ভারী নাস্তা খেলে মস্তিষ্ক পুরোদিনের জন্য তৈরি হয়ে যায় এবং সারাদিন শক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু সব ভারী খাবারই স্বাস্থ্যকর নয়। এ ক্ষেত্রে এমন কিছু খাবার গ্রহণ করতে হবে যা পুষ্টিকর এবং সুখাদ্য। যা ভালো রাখবে দেহ, দেহের ভেতরের যন্ত্রগুলোকে। বিশেষ করে হৃদযন্ত্র ও পাকস্থলীকে সুস্থ রাখবে এমন খাবারই নির্বাচন করতে হবে।

এজন্য আমাদের জানতে হবে সকালের নাস্তায় কোন খাবারগুলো খাওয়া উচিত। আজ আমরা নাস্তায় রাখার মত একটি রেসিপি সম্পর্কে জানবো। আজকের রেসিপি- ‘কাউন চালের নাশতা’।
যা লাগবে:
আপেলের রস ১/২ কাপ, কাউন চাল ১ কাপ, পানি দেড় কাপ, লবণ স্বাদমতো, দারুচিনি গুঁড়ো ১/২ চা চামচ, আলুবোখারা ও কিশমিশ ১/২ কাপ, ওটস ১ কাপ।

প্রণালি:
কাউন চাল ধুয়ে নিন। একটি পাত্রে আপেলের রস, দারুচিনি, পানি এবং লবণ নিয়ে ফোটান। চুলার আঁচ কমিয়ে ওটস এবং কাউন চাল দিন। ১৫ মিনিট রান্না করুন। পানি শুকিয়ে গেলে আলুবোখারা ও কিশমিশ দিয়ে নেড়ে নিন। একটি প্লেটে ঢেলে গরম গরম পরিবেশন করুন।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

ভালোবাসায় শরীরের যত লাভ

স্টক নিউজ বিডি February 14, 2023

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এ দিনে সারা বিশ্বের মানুষ তাদের প্রিয়জনদের সান্নিধ্যে পালন করবে জীবনের অনিন্দ সুন্দর এই সম্পর্কটি।

বিজ্ঞানীদের মতে, ভালোবাসা শুধু মানসিক আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়। এর সঙ্গে শারীরিক অনেক কিছু জড়িত। কারো প্রেমে পড়লে বা কাউকে ভালোবাসলে শরীরের বিভিন্ন হরমোন একসঙ্গে কাজ করে। এতে শরীর উপকৃত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রেম-ভালোবাসার জাদুকরী শক্তি শরীরে বিস্ময়কর প্রভাব ফেলে।

রক্তচাপ কমে: প্রেম-ভালোবাসা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য ভালো। ভালোবাসায় রক্তচাপ কমে। ভালোবাসলে অক্সিটোসিন নামক লাভ হরমোন উৎপন্ন হয়। এই হরমোন রক্তচাপ কমাতে ভূমিকা রাখে। হরমোনটি রক্তনালী শিথিল করে রক্তচাপের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে: শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও সত্য যে, প্রেম-ভালোবাসা কোলেস্টেরলের জন্যও ভালো। গবেষণায় দেখা গেছে, যে সব দম্পতি একসঙ্গে সুখে দিন অতিবাহিত করেন তাদের শরীরে স্ট্রেস হরমোনের সমান্তরালে কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমেছে। গবেষকরা জানান, নারী-পুরুষের ভালো সম্পর্ক পরস্পরকে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পরামর্শ প্রদানে উদ্বুদ্ধ করে। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রাকে প্রভাবিত করে। এছাড়া প্রেমিক-প্রেমিকা নিজেরাই বুঝতে পারেন যে, স্বাস্থ্যের উন্নতি প্রয়োজন, তাই তারা এ সময় নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খান ও শরীরচর্চা করেন। এটি মূলত একে অপরের চোখে সুন্দর হয়ে ওঠার প্রতিযোগিতা।

জীবনের আয়ু বাড়ে: গবেষণায় দেখা গেছে, নারী-পুরুষের সুখী সম্পর্ক বেশিদিন বাঁচতে সাহায্য করতে পারে। যারা একা থাকেন তাদের মধ্যে বিষণ্নতা ও অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার ঝোঁক বেশি। এতে শরীরে রোগ সৃষ্টির আশঙ্কা থাকে। শরীরে রোগ বাসা বাঁধলে জীবনের দৈর্ঘ্য কমতে থাকে। একা ছিলেন এমন নারীদের আয়ু গড়ে ২ বছর কমে এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার ৬-৭ বছর- বলছে গবেষণা।

সুখের হরমোন নিঃসৃত হয়: প্রেমে পড়লে অথবা ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ালে মস্তিষ্কে লাভ হরমোন উৎপন্ন হয়। যেমন ডোপামিন, এন্ডোরফিনস ও সেরোটোনিন। এসব হরমোন মনে সুখের জোয়ার বইয়ে বিষণ্নতার মাত্রা কমায়। এভাবে হার্টের রক্তনালী বিষণ্নতার ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়: যারা একা থাকেন তাদের অনেকেই বিষণ্নতায় ভোগেন। জীবনের কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্ষেত্রে তারা মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন। তাদের শরীরে স্ট্রেস হরমোন করটিসোলের উৎপাদন বেড়ে যায়। গবেষণা বলছে, উচ্চ মাত্রার কোলেস্টেরল রক্তে ট্রাইগ্লাইসেরাইড, সুগার ও প্রেসার বাড়াতে পারে। এগুলো হলো হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের প্রচলিত ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে: প্রেমে পড়লে মানুষ যে সুখী হয় তার অন্যতম লক্ষণ হলো গুনগুন করে গান গাওয়া। শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে তথা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সুখে থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইমিউন সিস্টেম সবল থাকলে চেস্ট ইনফেকশন বা শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ থেকে মারাত্মক পরিণতির ঝুঁকি হ্রাস পায়। কেবল এটা নয়, সার্বিক সুস্বাস্থ্যের জন্য শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেমের প্রয়োজন রয়েছে।

ব্যথা কমায়: নারী-পুরুষের আবেগপূর্ণ সুসম্পর্ক কেবল মনের জ্বালা দূর করে না, শরীরের ব্যথা কমাতে ওষুধের মতো কাজও করতে পারে। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের গবেষণা বলছে, নারী-পুরুষের ভালো সম্পর্কে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা কিছু না কিছু কমতে পারে। কীভাবে? এ প্রসঙ্গে গবেষকরা জানান, ভালোবাসার পরম অনুভূতি মস্তিষ্কের সেই অংশকে সক্রিয় করে যা ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করলে সক্রিয় হয়।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
ঘাড়ে ব্যথা হয় যেসব কারণে প্রতিকার

ঘাড়ে ব্যথা হয় যেসব কারণে, প্রতিকার

স্টক নিউজ বিডি January 15, 2023

শীতকালে শরীরে ব্যথা হওয়ার কথা শোনা যায়। ঘাড়েও অনেকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে। কোনো কোনো সময় তীব্র ব্যথার সঙ্গে যুক্ত হয় হাতের আঙুলে ঝিনঝিন অনুভূতি। এমনটি হলে এটি সার্ভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স ও ট্রমাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল।

সার্ভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস কী

সাধারণ বাংলায় এটাকে বলে ঘাড়ের বাত। অর্থাৎ মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশের কশেরুকাগুলোর মধ্যকার ডিস্ক বা চাকতিসদৃশ তরুণাস্থির ক্ষয়প্রাপ্তি। ঘাড়ের অংশে থাকে সাতটি কশেরুকা। এ কশেরুকাগুলো একটি অপরটির সঙ্গে ডিস্ক ও লিগামেন্ট দ্বারা সংযুক্ত থাকে। মেরুদণ্ডের ঘাড়ের সবচেয়ে বেশি বাঁকানো থাকে পঞ্চম ও ষষ্ঠ কশেরুকার মধ্যকার ডিস্ক বরাবর। এ ডিস্কে স্পনডাইলোসিস বেশি ঘটে কারণ এ পয়েন্টে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে। ক্ষয়প্রাপ্তির প্রক্রিয়ায় ডিস্ক তার পানি হারিয়ে ফেলে এবং শুষ্ক হয়ে ওঠে। সুস্থ অবস্থায় ডিস্কগুলো নরম, স্থিতিস্থাপক এবং বেশি মজবুত।

ডিস্কে যখন ক্ষয় শুরু হয় তখন তার নমনীয় তন্তুগুলো শক্ত হয়ে ওঠে এবং চাপের ফলে ভেঙে যায়। দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী ডিস্ক ক্ষয়ে যায় এবং পাতলা হয়ে যায়। এর ফলে কশেরুকাগুলোর প্রান্তগুলো পরস্পরের সঙ্গে ঘষা খেতে থাকে এবং বিভিন্ন মাপের নতুন হাড়ের দানা দেখা দেয়। যদি এ তীক্ষè হাড়ের দানাগুলোর কোনোটি স্নায়ুমূলকে খোঁচা মারে তাহলে হাতে তীব্র ব্যথার উদ্রেক হয়। ক্ষয়প্রাপ্ত ডিস্ক তার স্বাভাবিক অবস্থান থেকে সরে যেতে পারে, সেটাকে বলে ‘স্লিপড ডিস্ক’। সে ক্ষেত্রে ডিস্ক স্নায়ুমূলের ওপর চাপ দিয়ে ব্যথা সৃষ্টি করে। স্লিপড ডিস্ক সাধারণত হয় দুর্ঘটনা, হঠাৎ পড়ে যাওয়া কিংবা ঘাড়ে আঘাতের কারণে। ডিস্কের স্থিতিস্থাপকতা হারিয়ে গেলে ক্ষয়প্রাপ্ত মেরুদণ্ডের নড়াচড়া সহজ হয় না।

স্পনডাইলোসিস সাধারণত ঘটে থাকে ঘাড়ের নিচের চারটি কশেরুকাতে অর্থাৎ চতুর্থ থেকে সপ্তম কশেরুকাতে। ওপরের তিনটি কশেরুকাতে স্পনডাইলোসিস খুব কম হয়। কারণ ওখানটায় খুব একটা চাপ পড়ে না। সার্ভাইক্যাল স্পনডাইলোসিসের ব্যথা সর্বদা ঘাড়ের পেছন দিকে অনুভূত হয়, কখনোই ঘাড়ের সামনের দিকে অনুভূত হবে না। ব্যথা তীব্র হলে তা কাঁধে এবং বাহুর পেছনের দিকে কনুই পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। কখনো কখনো ব্যথা হাতে এবং আঙুলেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। করোনারি হৃদরোগ বা এনজিনার ব্যথা বাহুর ভেতরের পাশে অনুভূত হয় এবং সচরাচর তা আঙুলে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ঘাড়ের নড়াচড়াতে এ ব্যথা বাড়ে না। সার্ভাইক্যাল স্পনডাইলোসিসের ক্ষেত্রে ঘাড় নড়াচড়া করলে ব্যথা বেড়ে যায়। হৃৎপিণ্ডের ব্যথা সাধারণত বাঁ দিকে অনুভূত হয়।

রোগ নির্ণয়

স্পনডাইলোসিস হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য এক্সরে পরীক্ষা করা হয়। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে সিটি স্ক্যান অথবা এমআরআই করা হয়ে থাকে।

চিকিৎসা পদ্ধতি

সার্ভাইক্যাল স্পনডাইলোসিসের কারণে ঘাড়ে তীব্র ব্যথা হলে সাধারণত নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়-

  • ঘাড়ের নড়াচড়া বন্ধ রাখা
  • যেসব কাজকর্ম ঘাড়ে নড়াচড়া ঘটায় অবিলম্বে সেসব কাজ বন্ধ করে দিতে হবে। ভ্রমণের সময় ঘাড়ে ঝাঁকি লাগে বলে ভ্রমণও বন্ধ রাখতে হবে। যারা অফিস করেন, কিছু দিন তাদের অফিস করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • ঘাড়ের অসঙ্গত নড়াচড়া রোধ করতে সার্ভাইক্যাল কলার ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রথম কিছু দিন ঘুমের সময়ও সার্ভাইক্যাল কলার পরে থাকা ভালো-এতে ঘুমের মধ্যে অসাবধনতাবশত ঘাড়ের নড়াচড়া প্রতিহত হয়।
  • ঘুমানোর সময় ঘাড়টাকে চিৎ হয়ে কিংবা স্বাভাবিক অবস্থানের চেয়ে ১০-১৫ ডিগ্রি সামনের দিকে বাঁকিয়ে ঘুমান উচিত। একটি স্বাভাবিক আকৃতির বালিশে ঘাড় সামনের দিকে বেশি বাঁকিয়ে থাকে। সুতরাং ঘুমানোর সময় এসব বালিশ পরিহার করতে হবে। ঘাড়ের মেরুদণ্ডকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য শোয়ার সময় খুব নিচু বালিশ কিংবা সার্ভাইক্যাল পিলো ব্যবহার করতে হবে। মূলত এ বালিশ থাকবে ঘাড়ের নিচে।
  • ব্যথানাশক ওষুধ

ব্যথা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তির জন্য ব্যথানাশক ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। কখনো কখনো ব্যথা নিবারণের জন্য ইনজেকশনের প্রয়োজন হয়। ব্যথা কমানোর পর প্রকৃত চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

  • গরম সেক

যখনই অস্থিসন্ধি বা হাড়ের গিরাতে ব্যথা হয়, গিরার চারপাশের মাংসপেশিগুলো শক্ত হয়ে ওঠে এবং প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসাবে গিড়ার সচলতা কমিয়ে দেয়। মূলত পেশির সংকোচনের দ্বারা প্রাকৃতিকভাবে শরীর প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয়-এটাই আমরা করে থাকি সার্ভাইক্যাল কলার পরে। কিন্তু মাংসপেশির সংকোচন বা টান যখন বেশি হয় তখন ব্যথা সৃষ্টি হয়। তাপ হলো মাংসপেশিকে শিথিল করতে সবচেয়ে ভালো ব্যবস্থা। এ কারণে পেশিতে গরম সেঁক দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে হট ওয়াটার ব্যাগ, ইলেকট্রিক্যাল হিটিং প্যাড কিংবা ইনফ্রারেড ল্যাম্প ব্যবহার করা যেতে পারে। সবচেয়ে ভালো হয় গোসলের সময় ঘাড়ে গরম পানি ঢাললে। অধিক পছন্দনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা শর্ট ওয়েভ ডায়াথার্মি ও আলট্রাসাউন্ড হিট। এগুলো ফিজিওথেরাপিস্টরা দিয়ে থাকেন।

  • ট্রাকশন

ডিস্ক সরে গিয়ে স্নায়ুমূলে চাপ সৃষ্টি করলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে ট্রাকশন সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা। ট্রাকশনের ফলে দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী স্থানগুলো বৃদ্ধি পায় এবং এ কারণে স্নায়ুমূলের ওপর ডিস্কের চাপ শুরু হয়। ট্রাকশনের ওজন বাড়ানো কিংবা কমানো নির্ভর করে পরিস্থিতির ওপর। বসে ট্রাকশন দেওয়া যেতে পারে কিংবা শুয়েও দেওয়া যেতে পারে। শোয়া অবস্থায় ট্রাকশন দিলে মাথার দিকের খাট ব্লক দিয়ে ৬-৯ ইঞ্চি উঁচু করে রাখতে হবে। ট্রাকশনের ফলে ব্যথা বেড়ে গেলে ট্রাকশন বন্ধ করে দিয়ে কোনো ত্রুটি আছে কি না তা পরীক্ষা করে সংশোধন করতে হবে।

  • মালিশ বা ম্যাসাজ

ঘাড়ের টানটান পেশিগুলোকে শিথিল করতে মালিশ অত্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা। তবে ম্যাসাজ বা মালিশ করার সময় খেয়াল রাখতে হবে এসব যেন উলটাপালটা করা না হয়। দুই কাঁধে এবং ঘাড়ের মালিশ করতে হবে ধীরে ধীরে। মাংসপেশিকে জোরে মুচড়ে দেওয়া যাবে না, তাতে ক্ষতি হবে।

  • ঘাড়ের মাংসপেশি শক্তিশালী করে তোলা

ঘাড়ের মাংসপেশি দুর্বল হয়ে পড়লে মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু পেশিগুলো যদি শক্তিশালী থাকে তাহলে মেরদণ্ডের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে না, ফলে মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। কিছু ব্যায়ামের মাধ্যমে ঘাড়ের মাংসপেশিকে শক্তিশালী করা যায়। তবে এসব ব্যায়াম করতে হবে প্রাথমিক ব্যথা মিলিয়ে যাওয়ার পর।

  • হাত দুটি একসঙ্গে করে মাথার সামনে ঠেকিয়ে মাথাটাকে সামনের দিকে চাপ দিতে হয়। হাতের ওপর মাথার চাপ বাড়বে, তবে হাত দুটিও মাথার ওপর সমান চাপ দেবে।
  • হাত দুটি মাথার পেছনে নিয়ে মাথাটাকে পেছন দিকে চাপ দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে হাত দুটি যেন মাথার সামনে চাপ দেয়।
  • একইভাবে ডান হাত দিয়ে মাথার ডান দিকে ও বাম হাত দিয়ে মাথার দিকে চাপ প্রয়োগ করতে হবে। মাথাও সমানভাবে হাতের ওপর চাপ দেবে।

মূলত হাত ও মাথার পরস্পরের দিকে চাপ এমন হতে হবে যেন মাথা বাঁচিয়ে যেতে না পারে। অর্থাৎ হাত যত জোরে মাথার দিকে চাপ দেবে, মাথাটাকে তত জোরে বিপরীত দিকে ঠেলতে হবে।

  • শক্ত পেশি শিথিল করতে ব্যায়াম

প্রাথমিক ব্যথা সেরে যাওয়ার পর সার্ভাইক্যাল স্পনডাইলোসিসের রোগীরা শক্ত ঘাড়, পিঠের উপরি অংশ ও কাঁধের পেশি শিথিল করতে কিছু ব্যায়াম করতে পারেন-

  • মাথাটাকে বামে ও ডানে ঘোরান।
  • মাথাটাকে বাঁচিয়ে সামনের দিকে আনবেন। তারপর পেছনের দিকে নেবেন।
  • মাথাটাকে ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘোরাবেন।
  • কাঁধ দুটি ওপরের দিকে তুলবেন ও নামাবেন। তারপর কাঁধ দুটিকে ঘোরাবেন।
  • হাত দুটিকে নিজের দুই কাঁধের ওপর স্থাপন করে কনুই দুটি বৃত্তাকারে ঘুরাবেন।
0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
ডায়াবেটিস রোগীদের এড়িয়ে চলা উচিত যে ৭ খাবার

ডায়াবেটিস রোগীদের এড়িয়ে চলা উচিত যে ৭ খাবার

স্টক নিউজ বিডি December 4, 2022

ডায়াবেটিস এখন প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে। প্রতিনিয়তই এই সংখ্যা বাড়ছে। ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনি রোগ বা আরও অনেক গুরুতর রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ ভালো হয় না, তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন মেনে চললে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

তবে ডায়াবেটিস রোগীদের শুধু মিষ্টি বাদ দিলেই হবে না, বরং খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে এই ৭ খাবার—

হোয়াইট গ্রেইন সাদা পাউরুটি, পাস্তা এবং ভাত রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেটের উদাহরণ। এগুলো প্রক্রিয়াকরণের সময় ফাইবার অপসারিত হয়। ফলে এই খাবারগুলো সরাসরি আপনার রক্তচাপ লেভেলকে প্রভাবিত করতে পারে। যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর।

মিষ্টি ব্রেকফাস্ট ডায়াবেটিস রোগীরা কখনই ব্রেকফাস্টে মিষ্টিজাতীয় খাবার খাবেন না। এতে অনেক বেশি কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা সরাসরি চিনিতে রূপান্তরিত হয়। তাছাড়া বেশি আলু খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। আলু উচ্চ জিআই বিভাগের সদস্য। এক ক্যান সোডা যেমন ব্লাড সুগার লেভেল বাড়ায়, তেমনই এক কাপ আলুও রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে।

ফল ডুমুর, আঙুর, আম, চেরি এবং কলায় কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্রুক্টোজ নামক প্রাকৃতিক শর্করা থাকে, যার ফলে এই ফলগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়াতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এই ফলগুলো একেবারেই ভালো নয়। তাই এগুলো খুব কম খান অথবা না খাওয়াই ভালো।

মিষ্টিজাতীয় পানীয় মিষ্টি পানীয় রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। এই ধরনের পানীয়গুলোতে অতিরিক্ত পরিমাণে চিনি থাকে, পাশাপাশি কোনো প্রোটিন, চর্বি বা ফাইবার থাকে না।

ফ্লেভারড দই সাধারণ দই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো। তবে বিভিন্ন ফ্লেভারের দই কিন্তু স্বাস্থ্যকর নয়। ফ্লেভারের দই সাধারণত নন-ফ্যাট বা লো-ফ্যাট দুধ দিয়ে তৈরি করা হয় এবং এতে কার্বোহাইড্রেট ও চিনির মাত্রা বেশি থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়।

ওট মিল্ক ওট মিল্কে মল্টোজ নামক একটি নির্দিষ্ট ধরনের চিনি থাকে, এটিতে উচ্চ গ্লাইসেমিক সূচক রয়েছে। অন্যান্য কার্বোহাইড্রেটের থেকে, মল্টোজ দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
শীতকালে ৫ কারণে ত্বক হয়ে যেতে পারে শুষ্ক

শীতকালে ৫ কারণে ত্বক হয়ে যেতে পারে শুষ্ক

স্টক নিউজ বিডি November 24, 2022

শীতকালে সাধারণত তাপমাত্রা অনেকটাই কম থাকে এবং আবহাওয়া থাকে শুষ্ক। আর এ সময়টায় দেখা দেওয়া সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া।

এ সময়টায় অনেকের উজ্জ্বল ত্বকও গ্রীষ্মের রোদের মতো শুকনো ও খিটখিটে ত্বকে রূপান্তরিত হয়। আর এমন ক্ষেত্রে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তাতে চুলকানি এবং লালভাবও দেখা দিতে পারে।

ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে অনেকেই অনেক ধরনের ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু শুধু এটুকুতেই যথেষ্ট নয়। ত্বককে ভালো রাখতে জানুন কেন ত্বক শুষ্ক হয় আর সেই অনুযায়ী কিছু অভ্যাসের পরিবর্তনেই আপনার ত্বক আরও ভালো থাকতে পারে। শীতকালে যে ৫ কারণে ত্বক হয়ে যেতে পারে শুষ্ক তা নিয়েই রইল আজকের টিপস—

১. অতিরিক্ত ত্বক ধোয়ার কারণে
আপনার মুখ অতিরিক্ত পরিমাণে ধোয়ার কারণে ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজিং ফ্যাক্টর হারিয়ে যায়। আর এটি পরবর্তী ছয় ঘণ্টা ত্বকে আর ফিরে আসে না। ত্বক ধোয়ার পরে ময়েশ্চারাইজ না করা হয়, তা হলে আপনার ত্বক তার সব প্রাকৃতিক তেল হারিয়ে ফেলতে পারে, যা এটিকে টানটান ও শুষ্ক করে তোলে।

তাই আপনার যখন প্রয়োজন শুধু তখনই ত্বক পরিষ্কার করুন। আর ত্বক পরিষ্কারের পরে অবশ্যই ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে নিতে হবে।

২. গরম পনি দিয়ে গোসল করলে
শীতকালে গরম পানি দিয়ে গোসল করা আরামদায়ক হলেও এটির একটি খারাপ দিক রয়েছে। আর তা হচ্ছে অত্যধিক গরম পানি আপনার ত্বকের ক্ষতি করতে পারে এবং শীতকালে ত্বক শুষ্ক রাখতে পারে। এ ছাড়া এটি আপনার ত্বককে লাল, ফ্ল্যাকি এবং সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। তাই অতিরিক্ত পরিমাণে গরম পানি দিয়ে গোসল করা থেকে বিরত থাকতে পারেন।

৩. ত্বকে রাসায়নিকের ব্যবহার
ত্বকের মৃত কোষ ও ময়লা দূর করতে এক্সফোলিয়েশন গুরুত্বপূর্ণ হলেও বেশি পরিমাণে স্ক্রাব বা রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে ত্বক শুষ্ক হতে পারে। তাই ত্বকে যতটা সম্ভব কম রাসায়নিক ব্যবহার করতে হবে আর স্ক্রাব বা পরিষ্কার করার পরেই ময়শ্চারাইজ করতে ভুলবেন না।

৪. পর্যাপ্ত পানির অভাবে
শীতকালে আপনি কী পরিমাণে পানি পান করছেন তার ওপর নজর রাখতে হবে। কারণ সঠিক হাইড্রেশন না হলেও ত্বকের শুষ্কতা বেশি দেখা দিতে পারে ও ত্বক ক্র্যাক করতে থাকে। তাই ত্বকের সুরক্ষার জন্য হলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

৫. ত্বকে সঠিক ময়শ্চারাইজিং
শীতকালে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল অনেক সময় কমে যেতে পারে। তাই এ সময় ত্বকে সঠিক ময়শ্চারাইজিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ময়শ্চারাইজিং করলে তা ত্বকের প্রাকৃতিক তেলকে লক করতে সাহায্য করতে পারে ও ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে পারে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
স্ট্রোক

জীবনযাপন অনিয়মে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ছে

স্টক নিউজ বিডি October 31, 2022

দিন দিন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ছে। জীবনযাপনে অনিয়ম, মানসিক চাপ, খাবার দাবারে অনিয়ম এসব কারণে স্ট্রোকের রোগী বাড়ছে।

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে স্ট্রোক হয়। আমাদের ধারণা শুধু রক্তক্ষরণজনিত স্ট্রোকে সার্জারি করা যায়। আসলে তা নয়। সব ধরনের স্ট্রোকেই সুনির্দিষ্ট কারণে সার্জারি করতে হয়।

স্ট্রোক করলে কখন সার্জারি করা লাগে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের।নিউরো ও স্ট্রোক সার্জন ডা. মো. ইসমে আজম জিকো।

  • মস্তিষ্কের পর্দার মাঝে যদি রক্তক্ষরণ হয় যেটাকে বলা হয় সাবঅ্যারাকনয়েড হেমোরেজ, এরকম ক্ষেত্রে রক্তনালিতে জন্মগত/অর্জিত কারণে কোনো ফোস্কা তৈরি হয়ে সেটি ফেটে যায়।
  • মস্তিষ্কের ভেতর রক্তক্ষরণ সাধারণত যাদের রক্তচাপ বেশি থাকে এবং অনিয়মিত মেডিসিন গ্রহণ করে তাদের মস্তিষ্কের ভেতরে রক্তক্ষরণ হয়। তাছাড়া রক্তনালির অস্বাভাবিক গঠন, রক্তনালির গায়ে ফোস্কা বা রক্তরোগের কারণেও হতে পারে।

এ দুটি লক্ষণ দেখা দিলে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে মেডিসিনের সঙ্গে অপারেশন (ক্লিপিং) ও ইন্টারভেনশন (কয়েলিং) প্রয়োজন হয়।

রক্তনালি বন্ধ হলে বা ইসকেমিক স্ট্রোক হলে কখন সার্জারি

করতে হবে

সাধারণত, এ ধরনের স্ট্রোক মেডিসিনের মাধ্যমেই ভালো হয়। কিন্তু যদি গলার রক্তনালিত ৭০ শতাংশ ব্লক থাকে, তাহলে অপারেশন লাগে। মস্তিষ্কের ভেতর রক্তনালি যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে বিভিন্ন রকমের ইন্টারভেনশন/অপারেশন আছে। এটা নির্ভর করে রোগী স্ট্রোক হওয়ার কত সময় পরে স্ট্রোক ইউনিটে ভর্তি হয়। এখানে সময় একটা বড় বিষয়। রোগী যত দ্রুত আসবেন (৩-৪ ঘণ্টার মাঝে) তত ভালো সুফল পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে সাধারণত আউটডোরেই চিকিৎসা করা হয়। যদি অপারেশন বা ইন্টারভেনশন করা লাগে তাহলেই হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রয়োজন।

অপারেশন কেন করা হয়

  • জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা হিসাবে।
  • প্যারালাইসিস থেকে রক্ষার জন্য।
  • চোখের দৃষ্টিশক্তি রক্ষার জন্য।
  • বাকশক্তি রক্ষার জন্য।
0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

হাড়ের সমস্যা কমাতে মহৌষধ হতে পারে সয়াবিন, কতটা করে খেতে হবে রোজ?

স্টক নিউজ বিডি October 29, 2022

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: ভরপুর পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ সয়াবিন সব বয়সিদের জন্যই সমান উপকারী। বিশেষ করে মধ্যবয়সের পর মহিলাদেরর মধ্যে হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

নিরামিষের মধ্যে সয়াবিনের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খুব কমই আছে। একমাত্র যাদের কিডনির অসুখ আছে এবং যারা বাতের সমস্যায় ভুগছেন, তারা ছাড়া ভরপুর পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ সয়াবিন সব বয়সিদের জন্যই সমান উপকারী। বিশেষ করে মধ্য বয়সের পর মহিলাদেরর মধ্যে হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এই সমস্যা কমাতেও সয়াবিন উল্লেখযোগ্য ভূমিকায় নিতে পারে।

ইংল্যান্ডের হাল বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পরিসংখ্যান বলছে, সদ্য ঋতুবন্ধ হয়েছে এমন মহিলাদের নিয়ম করে তিরিশ গ্রাম সয়াবিন টানা ৬ মাস খাওয়ালে অস্টিয়োপোরোসিসের মতো হাড়ের ক্ষয়জনিত সমস্যা অনেকাংশে প্রতিহত করতে পারে। সপ্তাহে ৩ দিন সয়াবিন ও নিয়মিত সয়ামিল্ক খেলে হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ করা যায়। ঋতুবন্ধের পর মহিলাদের হাড়ে ক্যালশিয়ামের পরিমাণ কমে যেতে পারে। ফলে হাড় ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। সয়াপ্রোটিনে ফাইটোইস্ট্রোজেন নামের একটি উপাদান থাকে, যা ক্যালশিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে।

রক্ত চলাচলের সাহায্য

সয়াবিনে আছে আইসোফ্ল্যাভেন ও লেসিথিন নামের দু’টি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। এগুলি লো-ডেনসিটি কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্যে করে। এই কোলেস্টেরল দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই কোলেস্টেরলই হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের মতো সমস্যা ডেকে আনে। সয়াবিনের অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এই সমস্যার মোকাবিলায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিতে পারে।

তারুণ্য ধরে রাখতে

সয়াবিনের আইসোফ্ল্যাভেন থাকে। ত্বক ও চুল ঝকঝকে রাখতে এই যৌগ সাহায্য করে। তা ছাড়া সয়াবিনে থাকা লেসিথিন যেহেতু রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে, তাই ত্বকের কোষ চাঙ্গা থাকে ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল দেখতে লাগে। এতে অকালবার্ধক্য থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। পাশাপাশি, সয়াবিনের লেথিসিন ফ্যাটের বিপাক হার বাড়াতে সাহায্য করে। তাতে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

তবে ৫০ গ্রামের বেশি সয়াবিন খাওয়া ঠিক নয়। অনেকেরই বেশি সয়াবিন হজমে সমস্যা হয়। কেবল যারা দুধ খেতে পারেন না, অর্থাৎ, ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট তারা নিয়মিত সয়া মিল্ক খেতে পারেন। তবে নিয়মিত খেতে চাইলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়াই ভাল।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

বাসি ভাত না ফেলে তৈরি করুন কাটলেট! রইল রেসিপি

স্টক নিউজ বিডি October 11, 2022

স্টক নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: কথাতেই আছে, ‘ভেতো বাঙালী’। সামনে এক থালা ধোঁয়া ওঠা ভাত থাকলে বাঙালীর আর কোনও দিকে নজর থাকে না! খাওয়ার পরে ভাত বেঁচে গেলে কখনও আমরা ফ্রিজে তুলে রাখি, আবার কখনও নতুন করে ভাত রান্নার সময়ই তা মিশিয়ে দেই। এবার সেই বেঁচে যাওয়া ভাত দিয়েই তৈরি করুন মজাদার কাটলেট।

তাহলে জেনে নিন, বাসি ভাত দিয়ে কীভাবে মুচমুচে কাটলেট তৈরি করবেন।

উপকরণ

এক কাপ সাদা ভাত, আধা কাপ সেদ্ধ ভুট্টা, ২ টেবিল চামচ সুজি, সামান্য হলুদ গুঁড়া, স্বাদ অনুযায়ী লবণ, পরিমাণমতো সাদা তেল, ১টি বড় পেঁয়াজ, ১ চা চামচ রসুন বাটা, ১/২ চা চামচ লাল লঙ্কা গুঁড়া, ১/২ চা চামচ ধনে গুঁড়া।

তৈরির পদ্ধতি

প্যানে ১ টেবিল চামচ তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন। তারপর রসুন বাটা দিয়ে ভাজতে থাকুন। পেঁয়াজ রঙ না পাল্টানো পর্যন্ত ভাজুন।

এবার ওই প্যানেই ভুট্টা মাখা, লঙ্কা গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, ধনে গুঁড়া এবং লবণ দিয়ে কয়েক মিনিট রান্না করুন। সেদ্ধ ভুট্টা আগেই বেটে রাখবেন।

অন্য একটি পাত্রে ভাত চটকে নিন। তাতে ভুট্টার মিশ্রণ ও রোস্টেড সুজি ভালো করে মাখিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন।

অল্প অল্প করে ভাতের মিশ্রণ নিয়ে গোল করুন, তারপর হাতের তালুর সাহায্যে চ্যাপ্টা করে নিন। একেবারে টিক্কার আকারে তৈরি করুন।

কড়াইতে তেল গরম করে সবকটা টিক্কার দু’দিক ভালো করে ভেজে নিন। গোল্ডেন ব্রাউন হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।

এবার টমেটো সস ও পুদিনা চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন ভাতের কাটলেট।

স্টক নিউজ বিডি.কম/এসএম

আরও পড়তে পারেন…

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকমের ঋণখেলাপি মামলায় ৫ পরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা  অনুষ্ঠিত

  • রবির তিন মাসেই ১,৫৮০ কোটি টাকা নগদ অর্থ উধাও, স্বল্পমেয়াদি ঋণ বেড়েছে ৩৬০ কোটি টাকা

  • ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের নিট মুনাফা ১২ কোটি ৪২ লাখ, বেড়েছে ইপিএসও

  • যমুনা ব্যাংকের আয়োজনে পিডিবিএলের ৬৫তম পর্ষদ ও ৮৪তম দ্বিমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • রবির তিন মাসেই ১,৫৮০ কোটি টাকা নগদ অর্থ উধাও, স্বল্পমেয়াদি ঋণ বেড়েছে ৩৬০ কোটি টাকা

  • ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের নিট মুনাফা ১২ কোটি ৪২ লাখ, বেড়েছে ইপিএসও

  • প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকমের ঋণখেলাপি মামলায় ৫ পরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সালমান এফ রহমান

  • ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল অর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫,০০০ কোটি টাকার তহবিলে যুক্ত হলো এমটিবি

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য