Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Tag:

শেয়ারবাজার

পোস্ট-আইপিও কমপ্লায়েন্স বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও বাজার স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি

স্টক নিউজ বিডি January 13, 2026

স্টক নিউজ বিডি ডেস্ক: পোস্ট-আইপিও কমপ্লায়েন্সকে অনেক সময় একটি নির্দিষ্ট আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বাস্তবে এটি একটি চলমান ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরি ও সুদৃঢ় হয়। পোস্ট-আইপিও পর্যায়ে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা ও নিয়মিত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা বিনিয়োগকারী সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলসি’র পরিচালক মোঃ সাজেদুল ইসলাম।

ডিএসই ট্রেনিং একাডেমি কর্তৃক আয়োজিত তিন দিনব্যাপী (৪–১২ জানুয়ারি ২০২৬) “Continuing Listing Requirements Post IPO” শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাপনী অনুষ্ঠানটি গতকাল ১২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি আরও বলেন, একটি সফল আইপিও মানেই কাজের শেষ নয়; বরং একটি সফল আইপিওর প্রকৃত পরীক্ষা শুরু হয় আইপিও-পরবর্তী সময় থেকে। এ সময় তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো যখন নিয়মিতভাবে পুঁজিবাজারে কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং শেয়ারহোল্ডারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলে, তখনই দায়িত্বশীলতা ও কমপ্লায়েন্সের গুরুত্ব আরও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়। স্বচ্ছতা, সময়োপযোগী তথ্য প্রকাশ এবং নিয়মিত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বই শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা বজায় রাখতে এবং পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী ও টেকসই অবস্থানে নিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)’র পরিচালক মোঃ আবুল কালাম এবং ডিএসই ট্রেনিং একাডেমির উপ-মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আল আমিন রহমান।

তিন দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিএসইসি’র পরিচালক মোঃ আবুল কালাম, একনাবিন চার্টার্ড অ্যাকান্ট্যান্টস-এর পরিচালক মাহমুদুর রহমান, এফসিএ এবং ডিএসই’র লিস্টিং অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র ম্যানেজার স্নেহাশীষ চক্রবর্তী কর্পোরেট গভর্ন্যান্স কোড-২০১৮, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স-১৯৬৯, বিএসইসি (রাইটস ইস্যু) রুলস-২০০৬, রিভ্যালুয়েশন গাইডলাইনস, ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং সিস্টেম এবং লিস্টিং রিকোয়ারমেন্টস ও এনফোর্সমেন্ট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মোঃ সাজেদুল ইসলাম প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

আইডিএলসি ফাইন্যান্স’এর নতুন চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদ সাত্তার

স্টক নিউজ বিডি January 8, 2026

স্টক নিউজ বিডি: দেশের শীর্ষ নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি ফাইন্যান্স’এর নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কাজী মাহমুদ সাত্তার। জানুয়ারি ০৮, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের ৩৬০ তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। এর আগে তিনি আইডিএলসি ফাইন্যান্স’ এর অন্যতম নমিনেটেড ডিরেক্টর ছিলেন।

আর্থিক খাতের বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন কাজী মাহমুদ সাত্তার। ১৯৮১ সালে এএনজেড গ্রিন্ডলেজ ব্যাংকে তাঁর কর্মজীবনের শুরু, পরবর্তীতে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের হয়ে মুম্বাই ও মেলবোর্নেও দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশে এএনজেড গ্রিন্ডলেজ ব্যাংকের কর্পোরেট ও ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশনের নেতৃত্ব দেন তিনি। কাজী মাহমুদ সাত্তার দেশের প্রথম ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং আর্মের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃত।

এযাবৎ দেশের দু’টি শীর্ষ কমার্শিয়াল ব্যাংক ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি ও সিটি ব্যাংক পিএলসি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও’র দায়িত্ব পালন করেছেন কাজী মাহমুদ সাত্তার। এছাড়াও তিনি ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি’র ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর ও বোর্ড এক্সিকিউটিভ কমিটি’র চেয়ারম্যান, বিকাশ লিমিটেড’এর ডিরেক্টর, এবং আইপিডিসি ফাইন্যান্স’ এর চেয়ারম্যান পদে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। বর্তমানে তিনি আরএসএ অ্যাডভাইজরি লিমিটেড, আরএসএ সল্যুশন লিমিটেড ও ব্লু-ওয়েলথ অ্যাসেটস লিমিটেড’এর চেয়ারম্যান ও ডিরেক্টর হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। এছাড়াও তিনি আরএসএ এভিয়েশন লিমিটেড এবং ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড’এর নমিনেটেড ডিরেক্টর।

কাজী মাহমুদ সাত্তারকে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সমৃদ্ধির পেছনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশেষত, কর্পোরেট ব্যাংকিং ও ট্রেজারি অপারেশনসে তাঁর দক্ষতা সর্বজন প্রশংসিত। তিনি দেশীয় ব্যাংকগুলোর কার্যধারা আধুনিকায়ন, এবং স্থানীয় পরিচালনা রীতিনীতির সাথে আন্তর্জাতিক রীতির সফল সমন্বয়সাধনের মাধ্যমে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব গুণের পরিচয় দেন। এই খাতে আধুনিক ও উন্নততর প্রযুক্তিগত অবকাঠামো গঠনেও তাঁর ভূমিকা রয়েছে।

“চেয়ারম্যান হিসেবে কাজী মাহমুদ সাত্তারকে পেয়ে আমরা গর্বিত ও আনন্দিত”, বলেন আইডিএলসি ফাইন্যান্স’এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও এম জামাল উদ্দিন। “দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থবাজারে তাঁর দীর্ঘদিনের কার্য অভিজ্ঞতা রয়েছে। ইতোপূর্বে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে সফলভাবে পরিচালনার মাধ্যমে তিনি আইডিএলসি পরিচালনা পর্ষদের গভীর আস্থা অর্জন করে নিয়েছেন। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী, কাজী মাহমুদ সাত্তারের নেতৃত্বে আইডিএলসি উদ্ভাবনী ও সমৃদ্ধির পরবর্তী ধাপে প্রবেশ করবে”।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

মিডল্যান্ড ব্যাংকের কর্মীরা মেটলাইফ বীমা সেবার আওতায় আসছেন

স্টক নিউজ বিডি January 6, 2026

মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি. তার কর্মী ও তাঁদের নির্ভরশীলদের জন্য বীমা সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে মেটলাইফ বাংলাদেশের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে মিডল্যান্ড ব্যাংকের প্রায় ৬০০ জন স্থায়ী কর্মী দুর্ঘটনা, অক্ষমতা এবং মৃত্যুঝুঁকি থেকে সুরক্ষা পাবেন। পাশাপাশি, তাঁদের নির্ভরশীলরা ইন-পেশেন্ট, আউট-পেশেন্ট ও মাতৃত্বকালীন বীমা সুবিধার আওতায় আসবেন।
মিডল্যান্ড ব্যাংকের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (এমডি ও সিইও) জনাব মো. আহসান-উজ-জামান এবং মেটলাইফ বাংলাদেশের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আলা আহমদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
কর্মীদের জন্য বীমা সুবিধা একটি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাবোধ ও আনুগত্য গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সম্প্রতি মেটলাইফ বাংলাদেশ “Employee Benefit Trends Study (EBTS)” শীর্ষক একটি জরিপ পরিচালনা করে, যেখানে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। জরিপে দেখা যায়, ৫৬ শতাংশ কর্মী মনে করেন আর্থিক উদ্বেগ তাদের কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয় এবং ৪১ শতাংশ কর্মী আর্থিক চাপকে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার সঙ্গে যুক্ত করেছেন। এছাড়া, ৭৮ শতাংশ কর্মী জানিয়েছেন যে বীমা ও ওয়েলনেস সুবিধা—যেমন মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা—তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রতি আরও অনুগত করে তোলে।

দাবি নিষ্পত্তিতে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রয়োজনভিত্তিক কাস্টমাইজড সমাধান, আধুনিক ড্যাশবোর্ড, ক্যাশলেস হাসপাতালে ভর্তি ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা এবং আর্থিক সক্ষমতার কারণে মিডল্যান্ড ব্যাংক তাদের বীমা সেবাদাতা হিসেবে মেটলাইফকে নির্বাচন করেছে, যা দ্রুত ও ঝামেলামুক্তভাবে দাবি পরিশোধ নিশ্চিত করে।

এ প্রসঙ্গে মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো. আহসান-উজ-জামান বলেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে কর্মীদের জন্য এই বীমা সুবিধা তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রতি অন্তর্ভুক্তি ও আনুগত্য আরও বাড়াবে। দীর্ঘদিন প্রত্যাশিত এই গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স সুবিধা আমাদের কর্মী ও তাঁদের নির্ভরশীলদের জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা ব্যয়ের বিরুদ্ধে আর্থিক নিরাপত্তা ও মানসিক প্রশান্তি প্রদান করবে।”

মেটলাইফ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আলা আহমদ বলেন, “কর্মীদের জন্য আমরা একটি নিরাপদ এবং সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মিডল্যান্ড ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব একইরকম দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে, যা বীমা সুরক্ষার মাধ্যমে কর্মচারীর কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয়,” আলা আহমদ, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, মেটলাইফ বাংলাদেশ।

মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি. ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং গ্রাহকদের জন্য পূর্ণাঙ্গ ব্যাংকিং সেবা ও বিনিয়োগ সুবিধা প্রদান করে আসছে।

বাংলাদেশে মেটলাইফ প্রায় ১০ লাখ ব্যক্তিগত গ্রাহক এবং ৯০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানে বীমা সুরক্ষা প্রদান করছে। দেশটিতে সর্বোচ্চ পরিমাণ দাবি নিষ্পত্তির রেকর্ডও মেটলাইফ বাংলাদেশের দখলে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো. জাহিদ হোসেন; ডিএমডি ও সিটিও জনাব নজমুল হুদা সরকার; প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব জাভেদ তারেক খান; আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রধান জনাব খন্দকার তৌফিক হোসেন; পিআরডি প্রধান জনাব মোঃ রাশাদুল আনোয়ার, এবং মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান জনাব মো. জুবায়েদ উর রহমান।

মেটলাইফ বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অর্থ কর্মকর্তা জনাব আলা উদ্দিন; চিফ কর্পোরেট বিজনেস অফিসার জনাব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান; চিফ হিউম্যান রিসোর্স অফিসার জনাব তৌহিদুল আলম; কর্পোরেট বিজনেস বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মনিরুল ইসলাম; ডেপুটি ম্যানেজার (কর্পোরেট বিজনেস) জনাবা শেহেনাজ আক্তার; এবং ম্যানেজার (কর্পোরেট

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

সংস্কারের নামে বিনিয়োগকারীদের অর্থনৈতিকভাবে গণহত্যা করছে বিএসইসি

স্টক নিউজ বিডি January 1, 2026

স্টক নিউজ বিডি প্রতিবেদক : বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকার ২০১০ সালের ০৬ ডিসেম্বর শেয়ারবাজারকে আইসিইউতে ঢুকিয়ে দিয়েছে। যা ওই সরকারের পতনের দিন পর্যন্ত (২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট) ছিল। যার ধারাবাহিকতা ৫ই আগস্ট পরবর্তী বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময়েও রয়েছে। এই সময়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সংস্কারের নামে শেয়ারবাজারের বিনিযোগকারীদের “অর্থনৈতিক গণহত্যার শিকারে” পরিণত করেছে। যার সবচেয়ে বড় প্রতিফলন বর্তমান ভয়াবহ দূর্বিষহ বাজার পরিস্থিতি।

বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন সংগঠনটির সাধারন সম্পাদক মো: সাজ্জাদুল হক। এতে সংগঠনটির সভাপতি কাজী মো: নজরুলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, এই সরকার ২০২৪ সালের ১১ই আগস্ট দায়িত্ব গ্রহনের সময় ডিএসইএক্স সূচক ছিল ৬০১৫ পয়েন্ট। যা ২০২৫ সালের ১৮ই ডিসেম্বর নেমে এসেছে ৪৮৫০ পয়েন্টে। অর্থাৎ বিগত ১৭ মাসে সূচকের পতন হয়েছে ১১৫০ পয়েন্টের উপরে। আর দৈনিক লেনদেন ১৪০০/১৫০০ কোটি টাকা থেকে ৩৫০ কোটিতে নেমেছে। এছাড়া মার্কেট পিই ৯ এর নিচে, যাহা বিশ্বের কোন পুঁজিবাজারে নেই। পৃথিবীতে বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যেখানে শেয়ারবাজার ১২ বছর আগে যেখানে ছিল তার চেয়েও খারাপ অবস্থায় গেছে।

তিনি বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকগুলো যদি তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতেন, তাহলে এতটা ভয়াবহ দিন দেখতে হতো না। পুঁজিবাজারে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি না করে ১০ হাজার কোটি টাকার ফান্ড কেন, ১০ লক্ষ কোটি টাকা দিলেও কোন ফল পাওয়া যাবে না। উল্টো সরকার আরও বিব্রতকর অবস্থায় পড়বে।

বিগত ১৭ মাসে বিএসইসি, বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআর শেয়ারবাজারে উৎসাহমূলক কোন একটা কাজ দেখাতে পারেনি, নিরুৎসাহিতমূলক কর্মকান্ড প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোনভাবে করেছে। যার জ্বলন্ত প্রমাণ হল আন্তর্জাতিক মার্জার রুলস অনুসরন না করে ৫টি ব্যাংক মার্জার করে ব্যাংকের আমানতকারী ও শেয়ারহোল্ডার বিনিয়োগকারীদের দূর্বিষহ পরিস্থিতির মধ্যে নিক্ষেপ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিগত ১৭ মাসে একটাও গ্রহণযোগ্য আকর্ষণীয় কোম্পানীকে আইপিওতে আনার সক্ষমতা দেখাতে পারে নাই।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র শেয়ারবাজারের উন্নয়নে কিছু প্রস্তাবনা ও সুপারিশ করেছে সংগঠনটি। এরমধ্যে রয়েছে-

১. আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে বিনিয়োগকারী সংগঠনের সাথে গঠনমূলক আলোচনা করে বিনিয়োগকারীদের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে সময়োপযোগী যুগান্তকারী প্রস্তাবনা থাকতে হবে। দলগুলোর ইশতেহারে সুনির্দিষ্টভাবে ব্যাংকিং সেক্টরে,পুঁজিবাজারে এবং ইন্সুরেন্স সেক্টরে কি কি Reform করবে, কি কি বিনিয়োগবান্ধব পদক্ষেপ রাখবে, তা পরিস্কার করতে হবে।

২. পুঁজিবাজারে দৈনিক শেয়ার লেনদেনের ক্ষেত্রে একই শেয়ার দিয়ে নিটিং সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করতে হবে। এই নিয়ম ইতিপূর্বে ২০০৭ সালে বাজারে ইতিবাচকভাবে প্রচলিত ছিল। এতে বাজারে প্রতিটি কোম্পানীর শেয়ারের একটি শক্তিশালী ও টেকসই মূল্যস্তর বজায় থাকবে। এই নিয়মটি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউজদের অনৈতিক কমিশন প্রাপ্তির লোভের কারণে পুঁজিবাজারে বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না।

৩. বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ও বিএসইসি চেয়ারম্যানের পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও প্রটোকল সমান সমান করতে হবে। এতে দেশের পুরো আর্থিক খাত এবং পুঁজিবাজারে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের অযাচিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত মুরুব্বিয়ানা দূর হয়ে সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠবে।

৪. ৫টি ব্যাংক মার্জারের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেই ৫টি ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের ফেসভ্যালু ১০ টাকা প্রদান করতে হবে অথবা নতুন সম্মিলিত ব্যাংকের সমপরিমাণ শেয়ার প্রত্যেক শেয়ারহোল্ডারকে প্রদান করতে হবে। এছাড়াও বর্তমান সরকারের দুই মাস মেয়াদে ৯ টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম অনতিবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। নতুন নির্বাচিত সরকার ফেব্রুয়ারী ২০২৬ এর পর মার্জার ও অবসায়ন সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। আগামী দুই মাস বর্তমান বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর কেবলমাত্র তার রুটিন ওয়ার্ক সম্পাদন করতে পারবেন।

৫. আগামী ৩ মাসের মধ্যে “পদ্মা বহুমুখী সেতু” পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে সেতু বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় গুলোর বিন্দুমাত্র শৈথিল্যতা বরদাশত করা হবে না। এছাড়া Nestle Bangladesh, ইউনিলিভারসহ অন্যান্য মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী, মেটলাইফ, Opsonin, SKF (ঔষধকোম্পানী), Nasir Flote Glass, PHP Glass Factory, সরকারি লাভজনক স্বায়ত্তশাসিত কোম্পানী, দেশের অন্যান্য লাভজনক কোম্পানী বাজারে অবিলম্বে তালিকাভুক্ত করলে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে। পাশ্ববর্তী দেশগুলোতে মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী গুলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির বাহীরে থাকতে পারে না।

৬. কোনো কোম্পানী ৫০ কোটি টাকা Capital Raise করতে হলে, কোন বাণিজ্যিক ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করতে পারবে না। তাকে Automatically পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে Capital Raise করতে হবে। এতে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় খেলাপি ঋণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে এবং পুঁজিবাজারে ভাল ভাল কোম্পানী তালিকাভুক্ত হয়ে বাজারকে টেকসই ও গতিশীল ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করবে।

৭. কোন কোম্পানীর EPS, NAV, Net Operating Cash Flow Positive থাকার পরও “No Dividend” বা ১০ পয়সা, ২৫ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা করলে, ঐ কোম্পানীকে ‘Z’ গ্রুপে না পাঠিয়ে ৭২ ঘন্টার মধ্যে ঐ কোম্পানীর সকল পরিচালকদের শেয়ার ‘ফ্রিজ’ করে দিয়ে পুরো বোর্ড ভেঙ্গে দিয়ে নতুন বোর্ড পুনর্গঠন করে দিলে অন্যান্য কোম্পানী এই ধরণের আর্থিক কেলেঙ্গারী করার ধৃষ্টতা দেখানোর সাহস করবে না।

৮. বিএসইসির কাজের স্বচ্ছতা, আইপিও অনুমোদনের স্বচ্ছতা এবং বাজারে ইতিবাচক অবদান রাখার জন্য একটি শক্তিশালী অ্যাডভাইজরী কমিটি গঠন করতে হবে। এই কমিটিতে অর্থমন্ত্রণালয়ের দুইজন, হাইকোর্ট বিভাগের দুইজন আইনজীবী, অডিট ফার্ম থেকে দুইজন, লিস্টেট কোম্পানী অ্যাসোসিয়েশন থেকে দুইজন, বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ থেকে দুইজন ও দুইটি স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে দুইজন প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে ।

৯. বিগত ১৭ বছরে রাষ্ট্রের আর্থিক কাঠামোর পলিসি তৈরীতে গুরুত্বপূর্ণ স্পর্শকাতর জায়গাগুলোতে উল্লেখ করার মত যোগ্য একজনও দায়িত্বে আশে নাই। যিনি দেশের অর্থনীতিকে একটি শক্তিশালী ভিত্তির উপর প্রতিস্থাপন করবেন। আগামী দিনগুলোতে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও মতামতের ভিত্তিতে একটি মেধাভিত্তিক সার্চ কমিটির মাধ্যমে (নির্বাচন কমিশনের আদলে) বিএসইসি চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের নিয়োগ প্রদান করতে হবে।

১০. বিএসইসি “বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিল” থেকে ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত যেসব বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছে, তাদের ঐ তহবিল থেকে নতুন ফান্ড বরাদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

হাসান তারেকের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে ডিএসইতে যোগদান

স্টক নিউজ বিডি January 1, 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক: হাসান তারেক চৌধুরী দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে জেনারেল ম্যানেজার এইচআর অ্যান্ড এডমিন হিসেবে আজ ০১ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে যোগদান করেন৷ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) যোগদানের পূর্বে তিনি জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিমিটেড-এ হেড অব পিপল অ্যান্ড কালচার বিজনেস পার্টনারিং হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

হাসান তারেক চৌধুরী বাংলাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য মানবসম্পদ (এইচআর) পেশাজীবী। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় তাঁর রয়েছে ২৯ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতা, যার মধ্যে প্রায় ২০ বছর তিনি স্বনামধন্য বহুজাতিক ও বৃহত দেশীয় প্রতিষ্ঠানে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে এইচআর কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর কর্মজীবনের উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল (বাংলাদেশ), নোভার্টিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড, মেটলাইফ বাংলাদেশ, এসিআই লিমিটেড, এমজিএইচ গ্রুপ এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ।
ফার্মাসিউটিক্যাল, এফএমসিজি, বীমা, শিপিং, রেস্টুরেন্ট, কৃষি ও পশুস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে এইচআর চ্যালেঞ্জ ব্যবস্থাপনায় তাঁর রয়েছে বহুমুখী অভিজ্ঞতা। তিনি মানবসম্পদ নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, ট্যালেন্ট অ্যাকুইজিশন, কর্মী উন্নয়ন, পারফরম্যান্স ম্যানেজমেন্ট, সাংগঠনিক উন্নয়ন, কর্মী সম্পর্ক, পারিশ্রমিক ও সুবিধা ব্যবস্থাপনা এবং এইচআর পরিকল্পনা প্রণয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন।

হাসান তারেক চৌধুরী জেটিআই ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিমিটেডে বাংলাদেশের বৃহত্তম জনবল রূপান্তর প্রকল্পসহ, নোভার্টিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড ও অ্যালকনে একাধিক সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও বিজনেস ট্রান্সফরমেশন প্রকল্পে নেতৃত্ব প্রদান করেন। এছাড়া তিনি ২০১২ সালে মেটলাইফ সাউথ এশিয়া এবং ২০১৫–২০১৬ সালে নোভার্টিসে এইচআর রূপান্তর কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বিদেশে নতুন প্রতিষ্ঠান (পিপল সেটআপ) গঠনে তাঁর রয়েছে বাস্তব অভিজ্ঞতা। তিনি পাকিস্তানের লাহোর ও শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে এমজিএইচ গ্রুপের জন্য নতুন সংগঠন প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দেন।

শিক্ষাগতভাবে তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এমবিএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োকেমিস্ট্রিতে এমএসসি (প্রথম শ্রেণী), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম) থেকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ম্যানেজমেন্টে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা (প্রথম শ্রেণীতে প্রথম) এবং ইনস্টিটিউট অব পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট (আইপিএম) থেকে হিউম্যান রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্টে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা (প্রথম শ্রেণীতে প্রথম) ডিগ্রি অর্জন করেন।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

ডিএসই এটিবি প্লাটফর্মে রেনাটা পিএলসি কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রেফারেন্স শেয়ারের শুরু

স্টক নিউজ বিডি December 16, 2025

১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ দুপুর ১২ ঘটিকায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে (এটিবি) প্রথমবারের মতো রেনাটা পিএলসি কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রেফারেন্স শেয়ারের আনুষ্ঠানিক লেনদেন শুরু হয়৷ এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএসই’র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম এবং রেনাটা পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সৈয়দ এস কায়সার কবির।
এ উপলক্ষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও রেনাটা পিএলসি’র মধ্যে তালিকাভুক্তিকরণ সংক্রান্ত একটি চুক্তি ডিএসই’র ট্রেনিং একাডেমী, নিকুঞ্জে স্বাক্ষরিত হয়। ডিএসই’র প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আসাদুর রহমান, এফসিএস এবং রেনাটা পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সৈয়দ এস কায়সার কবির নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন রেনাটা পিএলসি’র প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মোস্তফা আলিম আওলাদ, কোম্পানি সেক্রেটারী মোঃ জুবায়ের আলম, ইস্যু ম্যানেজার সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোঃ সোহেল হক।

এর আগে ওটিসি মার্কেট ডিপার্টমেন্টের প্রধান ও সহকারী জেনারেল ম্যানেজার সৈয়দ ফয়সাল আব্দুল্লাহ-এর সঞ্চালনায় ডিএসই’র প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুর রহমান, এফসিএস বলেন, রেনাটা পিএলসি’র প্রেফারেন্স শেয়ার তালিকাভুক্তির মাধ্যমে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে একটি নতুন প্রোডাক্টে লেনদেনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ উদ্যোগের জন্য তিনি রেনাটা পিএলসি কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এই প্রথম প্রেফারেন্স শেয়ারকে ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ হিসেবে ডিএসই’র অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

তিনি আরও বলেন, প্রেফারেন্স শেয়ার এমন একটি সিকিউরিটিজ যেখানে ইক্যুইটি ও ডেট-উভয় সিকিউরিটিজের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় একে হাইব্রিড সিকিউরিটিজ বলা হয়। ডিএসই’র অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড গঠনের ফলে সাধারণ শেয়ারের বাইরে এ ধরনের হাইব্রিড ইন্সট্রুমেন্ট তালিকাভুক্তির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যার মাধ্যমে পুঁজি উত্তোলনের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

তিনি জানান, রেনাটা তাদের লেভারেজ রেশিও বজায় রাখার লক্ষ্যে কৌশলগতভাবে এই হাইব্রিড ইন্সট্রুমেন্ট ইস্যু করেছে, যার মাধ্যমে কোম্পানি ইক্যুইটি ও ডেটের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে পারছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রেনাটার প্রেফারেন্স শেয়ার তালিকাভুক্তির এই দৃষ্টান্ত অন্যান্য ইস্যুয়ার কোম্পানিকেও প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পুঁজি উত্তোলনে উত্সাহিত করবে। এর ফলে ইস্যুয়ার ও বিনিয়োগকারী উভয়ই উপকৃত হবে এবং সামগ্রিকভাবে দেশের পুঁজিবাজারের সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রেনাটা পিএলসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ এস কায়সার কবির বলেন, প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর পেছনে একটি জটিল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ প্রক্রিয়া কাজ করে, যা মোটেও সহজ নয়। রেনাটার ক্ষেত্রে মুদ্রার আকস্মিক ও বড় ধরনের অবমূল্যায়নের ফলে কোম্পানির পরিকল্পিত বিনিয়োগ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। যেখানে প্রাথমিকভাবে বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ১,০০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেখানে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকায়, যা ছিল সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত।

তিনি জানান, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই অবমূল্যায়ন ঘটায় রেনাটাকে বাধ্য হয়ে ঋণের ওপর নির্ভর করতে হয়, যদিও প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কার্যত ঋণমুক্ত অবস্থায় ছিল। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য রেনাটা সচেতনভাবে একটি বিকল্প অর্থায়ন কাঠামোর সিদ্ধান্ত নেয়। রাইট শেয়ার ইস্যু করলে সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ারহোল্ডারের মালিকানা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেত বিধায় প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুকে উপযুক্ত সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ, প্রেফারেন্স শেয়ার ভোটাধিকারবিহীন এবং এতে অংশগ্রহণ সত্ত্বেও মালিকানায় বড় ধরনের ডাইলিউশন ঘটে না।

সৈয়দ এস কায়সার কবির আরও বলেন, প্রেফারেন্স শেয়ারের লভ্যাংশ হার ট্রেজারি বন্ডের রেফারেন্স রেটের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সাধারণভাবে ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত। তবে এটি একটি নতুন ধরনের আর্থিক উপকরণ হওয়ায় এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় প্রায় নয় মাস সময় লেগেছে। এ সময়ের মধ্যে ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার কমে গেলেও প্রেফারেন্স শেয়ারের কার্যকর রিটার্ন প্রায় ১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়েছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে রেনাটার আর্থিক অবস্থান দৃশ্যমানভাবে উন্নত হবে। একসময় রেনাটার পরিচয় ছিল ঋণমুক্ত অবস্থান ও শক্তিশালী নেট মার্জিন, এবং সেই অবস্থানে ফিরে যাওয়ার পূর্বশর্তই ছিল ঋণের চাপ কমানো।

তিনি বলেন, প্রেফারেন্স শেয়ার মূলত ঝুঁকি ভাগাভাগির একটি কার্যকর উপায়—লাভ না হলে লভ্যাংশ প্রদানের কোনো বাধ্যবাধকতা থাকে না। ক্যাপিটাল মার্কেটে তাই আইপিও বা রাইট শেয়ারই একমাত্র অর্থায়নের পথ হতে পারে না। মূলধন কাঠামোকে বৈচিত্র্যময় করতে বিকল্প ও উদ্ভাবনী আর্থিক উপকরণ থাকা জরুরি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আরও ইনোভেটিভ ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্ট্রুমেন্ট বাজারে আসবে, যা কোম্পানিগুলোর সুস্থ ও টেকসই ব্যালেন্স শীট গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, ক্যাপিটাল মার্কেটে স্টক এক্সচেঞ্জের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এখনো প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কাঙ্ক্ষিত আস্থাভিত্তিক ও কাস্টমার-সেন্ট্রিক সম্পর্ক পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি। তবে বিদ্যমান সংস্কৃতি ভেঙে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, রেনাটা পিএলসি’র প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘ কমপ্লায়েন্স ইতিহাস, শক্তিশালী করপোরেট গভর্নেন্স এবং সুসংগঠিত শেয়ারহোল্ডিং কাঠামোর কারণে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়েছিল। তা সত্ত্বেও বিএসইসি ও ডিএসই’র সম্মিলিত অনুমোদন প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লেগেছে। ভবিষ্যতে নতুন রেগুলেশন প্রণয়ন, প্রক্রিয়াগত সংস্কার এবং ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে এ ধরনের অনুমোদন আরও দ্রুত, সহজ ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিএসই চেয়ারম্যান আরও বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কোভিড-১৯ পরবর্তী অভিঘাত, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, ম্যাক্রোইকোনমিক চাপ, মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও সুদের হার বৃদ্ধির কারণে অনেক সুপরিচালিত প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ভিত্তি দুর্বল হয়েছে এবং ঋণের চাপ বেড়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ব্যাংকনির্ভরতা কমিয়ে ক্যাপিটাল মার্কেটকে আরও সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করা জরুরি। এক্ষেত্রে অর্ডিনারি শেয়ার, প্রেফারেন্স শেয়ার ও দীর্ঘমেয়াদি ডেট ইনস্ট্রুমেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রেনাটার এই উদ্যোগ একটি ইতিবাচক উদাহরণ, যা অন্য কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধাপে ধাপে ঋণের চাপ কমিয়ে আর্থিক স্থিতিশীলতায় ফিরে আসতে উত্সাহিত করবে।

তিনি উল্লেখ করেন, বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রেফারেন্স শেয়ার ও বন্ড নিয়মিত ও পুনরাবৃত্তিমূলক অর্থায়নের একটি কার্যকর মাধ্যম। ভবিষ্যতে এ ধরনের ইন্সট্রুমেন্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে বাজার প্রতিষ্ঠানগুলোর রিপেমেন্ট কমপ্লায়েন্স দায়বদ্ধতা মূল্যায়ন করবে, যার ফলে এসব ইন্সট্রুমেন্টের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। ডিএসই’র লক্ষ্য হলো ব্যাংকিং সেক্টরের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে পুঁজিবাজারভিত্তিক অর্থায়ন জোরদার করা, যা বেসরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ত—উভয় ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

তিনি আরও জানান, এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ডিএসই, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্রোকারেজ হাউস ও ব্যাংকসহ অন্যান্য ইন্টারমিডিয়ারির সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে ইস্যুকারী কোম্পানি ও শিল্পভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনগুলোর সঙ্গে সরাসরি সংলাপের মাধ্যমে বিদ্যমান নীতিগত ও প্রক্রিয়াগত জটিলতা চিহ্নিত করে সমাধানে একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারের মূল বোর্ডের পাশাপাশি অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড (এটিবি) একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ফাস্ট-ট্র্যাক লিস্টিং সুবিধা ও বিশেষায়িত বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল কাঠামো রয়েছে। কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এটিবিতে তালিকাভুক্ত করতে উত্সাহিত করার লক্ষ্যে বাজারে সচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, রেনাটা পিএলসি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু করে মোট ৩২৫ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। এই প্রেফারেন্স শেয়ার একটি নন-কিউমুলেটিভ, নন-পার্টিসিপেটিভ এবং সম্পূর্ণরূপে সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরযোগ্য শেয়ার। প্রতিটি প্রেফারেন্স শেয়ারের মূল্য ১,৯০০ টাকা।

এই প্রেফারেন্স শেয়ারের মেয়াদ সংশ্লিষ্ট সাবস্ক্রিপশন সমাপ্তির তারিখ, অর্থাৎ ১৯ অক্টোবর ২০২৫ থেকে ৬ বছর পর্যন্ত (২০২৫–২০৩১)। তৃতীয় বছরের শেষ থেকে শুরু করে প্রতি বছর ১টি করে মোট ৪টি ধাপে প্রেফারেন্স শেয়ারগুলো নির্ধারিত ৪৭৫ টাকা শেয়ার রূপান্তর মূল্যে সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরিত হবে। ফলে তৃতীয় বছরের শেষ থেকে প্রতি বছর এটিবিতে তালিকাভুক্ত এই প্রেফারেন্স শেয়ারের মূল্য ১,৯০০ টাকা থেকে ধাপে ধাপে ৪৭৫ টাকা করে হ্রাস পাবে।

সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরিত না হওয়া বিনিয়োগের অংশের বিপরীতে প্রেফারেন্স শেয়ার হোল্ডারগণ প্রতি বছর নির্দিষ্ট ১৫ শতাংশ হারে (পর্যাপ্ত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা বিদ্যমান থাকলে) লভ্যাংশ প্রাপ্ত হবেন।

আরো উল্লেখ্য যে, রেনাটা পিএলসি’র প্রেফারেন্স শেয়ারসহ ডিএসই এটিবি প্লাটফর্মে এখন পর্যন্ত ২টি ইক্যুইটি এবং ৭টি বন্ড তালিকাভুক্ত রয়েছে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

পুজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিএসইসি) নতুন নীতিমালায় মেয়াদি (ক্লোজড-এন্ড) মিউচুয়াল ফান্ডের সম্ভাবনাময় বাজার হিসাবে তৈরির উদ্যোগ

স্টক নিউজ বিডি December 16, 2025

আজকের পুঁজিবাজারে:পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) দেশে মেয়াদি (ক্লোজড-এন্ড) মিউচুয়াল ফান্ড পর্যায়ক্রমে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালার নতুন খসড়ায় বিএসইসি এই প্রস্তাব করেছে। এই বিধিমালা কার্যকর হওয়ার পর আর কোনো নতুন মেয়াদি স্কিম অনুমোদন দেওয়া হবে না। ভবিষ্যতে শুধু বেমেয়াদি (ওপেন-এন্ড) ফান্ডের অনুমতি মিলবে।

মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড তুলে নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, এ ধরনের ফান্ড সেকেলে, আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য অসুবিধাজনক। একই সঙ্গে, মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড পরিচালনায় দীর্ঘদিনের অনিয়মের বিষয়টিও এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি অবহেলিত সেক্টর হলো মিচুউয়াল ফান্ড যা বাজারের বন্ধ হওয়া কোম্পানি গুলোর চেয়েও খারাপ অবস্থা। এই সেক্টর তখন থেকে অবহেলিত যখন এগুলোর মেয়াদ পুনরায় বাড়িয়ে দিয়ে এরা ক্লোজড এন্ড -এর মূল নীতি ভঙ্গ করেছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পুঁজি বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন দেশে মেয়াদি মিচুউয়াল ফান্ড পর্যায় ক্রমে তুলে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে গত ১২ নভেম্বর। অতএব এই বিধি মালা কার্যকর হওয়াতে এখন আর কোন নতুন মেয়াদি স্কিম অনুমোদন দেওয়া হবে না। ভবিষ্যৎ এ শুধু বে-মেয়াদি ফান্ডের অনুমতি মিলবে।
নতুন বিধিমালা অনুসারে বর্তমানে BSEC সকল MF গুলো কে ৬ মাসের একটা নির্দিষ্ট সময় সীমা বেধে দিয়েছে যা একটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে ১২ নভেম্বর ২০২৫ ইং। উক্ত গেজেটের ৮ম অধ্যায় ৬২ নম্বর ২ অনুচ্ছেদ এবং ৬৩ নম্বর এ স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ রয়েছে।

২) এই বিধিমালা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হইবার পরবর্তী ০৬ (ছয়) মাস, কোনো বিদ্যমান মেয়াদি স্কীমের ইউনিট প্রতি গড় ট্রেডিং মূল্য, যদি উক্ত স্কীমের ক্রয়মূল্য ও ফেয়ার ভ্যালুতে প্রকাশিত ইউনিট প্রতি নীট সম্পদের গড় মূল্যের মধ্যে যাহা বেশি হইবে, ইহার চাইতে ২৫% কম হয়, তাহা হইলে, ইউনিট হোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষার্থে ট্রাস্টি ইউনিট হোল্ডারদের বিশেষ সভা আয়োজন করিয়া উপস্থিত ভোটদানকারী ইউনিট হোল্ডারদের, গোপন ব্যালটের মাধ্যমে, তিন-চতুর্থাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠের (ইউনিট সংখ্যার ভিত্তিতে) ভোট, এবং কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে উক্ত স্কীমকে বে-মেয়াদি স্কীম হিসেবে রূপান্তর করিতে পারিবে অথবা অবলুপ্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ০৬ (ছয়) মাস শেষ হওয়ার পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে রেকর্ড ডেট ঘোষণা করিতে হইবে এবং উক্ত রেকর্ড ডেটের পরবর্তী ২১ (একুশ) দিনের নোটিশ প্রদানপূর্বক ট্রাস্টি উক্ত বিশেষ সভা আয়োজন করিবে।

৬৩। বিদ্যমান মেয়াদি স্কীমের রূপান্তর (Conversion of scheme) । বিদ্যমান মেয়াদি ফান্ড বা উহার কোনো স্কীমের বিশেষ সভায় উপস্থিত অন্যূন তিন-চতুর্থাংশ ইউনিট হোল্ডার (ইউনিট সংখ্যার ভিত্তিতে), গোপন ব্যালটের মাধ্যমে, উক্ত স্কীম অথবা স্কীমগুলো বে-মেয়াদি স্কীমে রূপান্তরের পক্ষে প্রস্তাব গ্রহণ করিলে কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এবং কমিশন কর্তৃক সময়ে সময়ে জারীকৃত আদেশে বর্ণিত পন্থায় বিদ্যমান মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের স্কীম অথবা স্কীমগুলো বে-মেয়াদি স্কীমে রূপান্তর করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, যে বিশেষ সভায় মেয়াদি স্কীম রূপান্তরের সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে সে সভায়ই উক্ত স্কীমের বিদ্যমান সকল পক্ষ বা কোনো পক্ষ বহাল বা পরিবর্তনের সিদ্ধান্তও গৃহীত হইতে হইবে।

Trading

Code:

DBH1STMF

News

DBH1STMF: No Debit Transaction of the Mutual Funds

managed by LR Global

Title:

News:

BGIC, the Trustee of the Fund, has informed DSE, among others, the following “..in order to safeguard the interest of the Unitholders we as Trustee of DBH First Mutual Fund Green Delta Mutual Fund, ABL 1st Islamic Mutual Fund MBL 1st Mutual Fund, LR Global Bangladesh Mutual Func One and NCCBL Mutual Fund-1 would like to inform al concerned parties that we have instructed all the concerned (cont.)

Post Date:

অতএব উক্ত গেজেটের বিধিমালা প্রকাশের প্রথম মাস ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে রয়েছে আর মাএ ৫ মাস বাকী। মার্কেটের ৩৭ টি মিচুউয়াল ফান্ডের ১ টির মেয়াদ বছরের শুরুর দিকে শেষ হয়েছে, ডিসেম্বর ২৩ তারিখ এর মধ্যে আরও ২ টির মেয়াদ শেষ হবে। এখন বাকী থাকবে ৩৪ টি যার মধ্যে নতুন বিধিমালা অনুসারে প্রতিটি মিচুউয়াল ফান্ডের মূল্য যা থাকা উচিত তার মধ্যে বর্তমান বাজানো শুধু মাএ ৪টি মিচুউয়াল ফান্ডের রয়েছে সুতরাং বাকী ৩০ টি মিচুউয়াল ফান্ড যদি সামনে সামনে ৫ মাসের মধ্যে নীতিমালা অনুযায়ী যে মূল্যে থাকা উচিত তা না থাকলে নিয়ম অনুসারে তা মার্কেট থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং মিচুউয়াল ফান্ড এর গ্রাহকরা তখনকার নীট সম্পদের সম মূল অনুযায়ী তাদের প্রাপ্য টাকা ফেরত পাবে।
অতএব বর্তমানে মার্কেট মূল্য অনুযায়ী মিচুউয়াল ফান্ড গুলো বিনিয়োগের জন্য সর্বউওম উপযোগী সেক্টর।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের নবগঠিত কমিটি অনুমোদন

স্টক নিউজ বিডি December 2, 2025

বিশেষ প্রতিবেদন: গত ০১ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি., রোজ সোমবার, দুপুর ৩ টায় বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ কনফারেন্স হলরুমে অনুষ্ঠিত এক অনাড়ম্বর কিন্তু মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের নবগঠিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি এ.কে.এম. মিজান-উর-রশিদ চৌধুরী। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুল হক (হারুন)।
নবগঠিত কমিটি ঘোষণা ও অনুমোদন করেন সংগঠনের সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মোঃ আলমগীর হোসেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সব স্তরের নেতৃবৃন্দ, যারা কমিটির ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, পুঁজিবাজারের চলমান সমস্যা ও সম্ভাবনা এবং বিনিয়োগকারীর স্বার্থরক্ষায় ঐক্য পরিষদের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন।

নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন—
পুঁজিবাজারকে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও আস্থার পথে এগিয়ে নিতে এই নবগঠিত কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিনিয়োগকারীদের অধিকার রক্ষায় ঐক্য পরিষদ সবসময় একতাবদ্ধভাবে কাজ করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানটি একটি নতুন সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি স্থিতিশীল ও শক্তিশালী বাজার গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

0 শেয়ার করুন
1 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

শেয়ারবাজার কারসাজি মামলায় সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের প্রতিবেদন দাখিল স্থগিত

স্টক নিউজ বিডি November 26, 2025

বিশেষ প্রতিবেদন: শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা বহুল আলোচিত মামলায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন দুদক প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ নতুন তারিখ হিসেবে আগামী ৩ মার্চ ২০২৬ নির্ধারণ করেন।

২৫৬ কোটি টাকার আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

এর আগে গত ১৭ জুন শেয়ারবাজার কারসাজি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাকিব আল হাসান, সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক মো. আবুল খায়ের (হিরু)সহ মোট ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলাটি করেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন—
আবুল খায়েরের স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজি ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।

কারসাজির পদ্ধতি: সিরিজ ট্রানজেকশন থেকে গেম্বলিং

দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে—
আসামিরা নিজেদের স্বার্থে একাধিক বিও একাউন্ট ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে শেয়ারদর বাড়ানোর জন্য সিরিজ ট্রানজেকশন, একটিভ ট্রেডিং, গেম্বলিং ও বিভিন্ন স্পেকুলেটিভ কৌশল প্রয়োগ করেন।

এই পদ্ধতিতে বাজারে অস্বাভাবিক প্রবণতা সৃষ্টি করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করা হয়। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে হারান বিপুল পরিমাণ অর্থ।

দুদকের হিসাব অনুযায়ী, এসব কারসাজির মাধ্যমে ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয়, যা অপরাধলব্ধ অর্থ হিসেবে বিবেচিত।

আবুল খায়ের পরিবারের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের অস্বাভাবিক লেনদেন

মামলার অন্যতম প্রধান আসামি আবুল খায়ের হিরুর বিরুদ্ধে ২৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকার বেশি অর্থের উৎস গোপন করে স্থানান্তরের অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া তার নামে পরিচালিত ১৭টি ব্যাংক একাউন্টে মোট ৫৪২ কোটি টাকার বেশি অস্বাভাবিক লেনদেন পাওয়া গেছে—যা তদন্তকারীদের কাছে অত্যন্ত সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

সাকিব আল হাসানের বিনিয়োগ ও অভিযোগ

দুদকের অভিযোগে আরও বলা হয়েছে—
আবুল খায়ের হিরুর কারসাজি করা প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স এবং সোনালী পেপারস—এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে বিনিয়োগ করেছিলেন সাকিব আল হাসান।

ফলে বাজার কারসাজিতে তার বিনিয়োগ পরোক্ষভাবে সহায়তা করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এর মাধ্যমে তিনি ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকার বেশি রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন হিসেবে লাভ পান, যা দুদকের ভাষায় ‘আত্মসাৎকৃত অর্থ।

তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় মামলার কার্যক্রম আরও ৩ মাস পিছিয়ে গেল।
আগামী ৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে দুদক নতুন করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে কিনা—সেদিকে এখন সবার নজর।

0 শেয়ার করুন
1 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

এক্সিম ব্যাংকের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন শওকাতুল আলম

স্টক নিউজ বিডি November 5, 2025

বিশেষ প্রতিবেদন: বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোঃ শওকাতুল আলম এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ পিএলসি (এক্সিম ব্যাংক)-এর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। আজ ৫ নভেম্বর ২০২৫, ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি ব্যাংকের সকল বিভাগীয় প্রধানদের নিয়ে একটি জরুরি সভা করেন। সভায় ব্যাংকের সামগ্রিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে করণীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন প্রশাসক শওকাতুল আলম।

সভায় প্রশাসকের সহযোগী টিমের সদস্যবৃন্দ, ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল আজিজ, উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদা খানমসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় তিনি বলেন, “এক্সিম ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতা ও সেবার মানোন্নয়নই এখন প্রধান লক্ষ্য। সকল কর্মকর্তার আন্তরিক সহযোগিতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমেই এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।”

ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নতুন প্রশাসক হিসেবে শওকাতুল আলমের নেতৃত্বে ব্যাংকের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করা হবে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • শেয়ারহোল্ডারদের ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস

  • ওয়ালটন হাই-টেকের ১৯০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

  • মিডল্যান্ড ব্যাংক চালু করল ভিসা সিগনেচার ক্রেডিট কার্ড

  • প্রিমিয়াম ব্যাংকিং গ্রাহকদের জন্য জিএসি ও হোন্ডা গাড়িতে ব্র্যাক ব্যাংকের বিশেষ অফার

  • সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন: বেড়েছে ১,২২৮ কোটি টাকার বেশি

  • বিএসআরএম স্টিলসের মুনাফা বেড়ে ৭১৫ কোটি টাকা, ৬০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ

  • আইপিওতে আসছে কনফিডেন্স পাওয়ার, রোড শো ১৮ অক্টোবর

  • এমটিবি ও সোনালী ব্যাংকের মধ্যে পেমেন্ট গেটওয়ে চুক্তি স্বাক্ষর

  • বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ-২০২৬

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য