Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Author

স্টক নিউজ বিডি

স্টক নিউজ বিডি

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদের অভিনন্দন

স্টক নিউজ বিডি August 20, 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হওয়ায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ।

 অভিনন্দন বার্তায় সংগঠনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলম  বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া দেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তিনি আশা প্রকাশ করেন বলেন- সংবিধান ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকার রেখে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদটির মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখবেন।

‘ বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ মনে করে, রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় ঐক্য, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে দল-মত নির্বিশেষে দেশের সব নাগরিকের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।

অভিনন্দন বার্তায় মোহাম্মদ খোরশেদ আলম  আরও বলেন, দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা এবং একটি শান্তি, সমৃদ্ধি ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির ভূমিকা হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ-এর পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করা হয়েছে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

‘ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক’

স্টক নিউজ বিডি August 18, 2026

পাকিস্তানের কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের স্বাস্থ্যের চরম অবনতি ঘটেছে। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে দাবি করে দ্রুত সুচিকিৎসার দাবি জানিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। একই সঙ্গে ইমরান খানের দুশ্চিন্তা, বুক ধড়ফড় করা ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আলভি বলেছেন, ইমরান খানের মেডিকেল রিপোর্টগুলো সত্যিই উদ্বেগজনক। আমি একাধিক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে এসব রিপোর্ট নিয়ে কথা বলেছি। সাধারণ মানুষ যেন আসল পরিস্থিতি সঠিকভাবে বুঝতে পারেন, তাই এটি সহজ ভাষায় উপস্থাপন করছি।

তিনি লিখেছেন, ‘ইমরান খানের দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, বুক ধড়ফড় করা এবং উচ্চ রক্তচাপ’ তাকে সবচেয়ে বেশি চিন্তিত করেছে। তিনি বলেন, রিপোর্টে অনিদ্রার কথা সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও, তিনি যেসব ওষুধ সেবন করছেন তা থেকে এই সমস্যার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

‘‘আমি ৩৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ইমরান খানকে চিনি। মানসিক চাপ কখনোই তার দুর্বলতা ছিল না। এটি এখন চরমে পৌঁছেছে; এই বিষয়টিই স্পষ্ট করে দেয় তিন বছরের কারাবাস এবং পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন জীবন তার ওপর কতটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।’’

আলভি বলেন, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সহকর্মীদের কারাবাস, সাজাপ্রাপ্ত ও নিহতদের অবস্থা এবং বাইরের পত্রিকা, বই বা তথ্য থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রাখাই ইমরান খানের এই মানসিক চাপের মূল কারণ।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর হৃদস্পন্দনের হার নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ইমরানের ঐতিহাসিকভাবে কম থাকা বিশ্রামকালীন হৃদস্পন্দনের হার বেড়ে এখন প্রতি মিনিটে ৫৪ বিটে (বিপিএম) পৌঁছেছে।

‘‘তার হৃদস্পন্দনের হার ৫৪ বিপিএম। চিকিৎসকরা একে স্বাভাবিক বলতে পারেন। তবে তার শারীরিক গঠনের ক্ষেত্রে এটি স্বাভাবিক নয়,’’ জানিয়ে আলভি বলেন, ইমরান খান নিজেও বুক ধড়ফড় করার কথা জানিয়েছেন।

দেশটির সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইমরান খানের অবিলম্বে ২৪ ঘণ্টার একটি হোল্টার মনিটর প্রয়োজন এবং তার রক্তচাপ প্রতিদিন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

তিনি স্ট্রেস টেস্ট, ইকোকার্ডিওগ্রাম, কার্ডিয়াক এমআরআই, কার্ডিয়াক আর্টারি ক্যালসিয়াম স্ক্যান এবং কার্ডিয়াক সিটি এনজিওগ্রামসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরীক্ষারও সুপারিশ করেছেন।

‘‘আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই একাকী জীবন তার স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করছে। অবিলম্বে এর প্রতিকার না করা হলে পরবর্তীতে আরও জটিলতা তৈরি হয়ে এই ক্ষতি অপূরণীয় হয়ে যেতে পারে।’’

ইমরান খানকে হাসপাতালে স্থানান্তরের আহ্বান জানিয়ে আলভি বলেন, একটি স্বাধীন চিকিৎসক দলের তত্ত্বাবধানে ইমরান খানকে এখনই হাসপাতালে স্থানান্তর করা জরুরি। সরকারি চিকিৎসকদের ওপর তার পরিবার কিংবা পাকিস্তানের জনগণের একক আস্থা নেই।

আলভি বলেন, আগামী তিন মাস নির্ধারণ করবে তার এই স্বাস্থ্যগত অবনতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নাকি তা স্থায়ী রূপ নেবে। আমরা সবাই শঙ্কিত। দেশের স্বার্থে তাকে এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রয়োজন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এখনো কারাবন্দী রয়েছেন। এদিকে বাবার সাথে পরিবার, আইনজীবী এবং চিকিৎসকদের সাক্ষাতের সুযোগ না পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইমরান খানের দুই ছেলে সুলেমান খান ও কাসিম খান।

চলতি মাসের শুরুর দিকে সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারা বলেছিলেন, গত সাত মাস ধরে পরিবার, চিকিৎসক কিংবা আইনজীবীদের কাউকেই তার সাথে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। ফলে আমাদের কাছে তার বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই।

ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) সমর্থকেরা দলটির প্রতিষ্ঠাতা ও তার স্ত্রী বুশরা বিবির অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানজুড়ে আন্দোলন করছেন। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা ইমরান খান ২০২২ সালে সংসদীয় অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হন। পরবর্তীতে দুর্নীতি ও সরকারি গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগে একাধিক মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০২৩ সাল থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

ইমরান খান ও তার রাজনৈতিক সহযোগীরা শুরু থেকেই বলে আসছেন, তার রাজনীতিতে ফেরা আটকাতেই এসব মামলা করা হয়েছে এবং এগুলো সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ইমরান খান দেশজুড়ে বেশ কয়েকটি বড় সমাবেশের নেতৃত্ব দেন। সে সময় তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সরকার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ও ওয়াশিংটনের সাথে চক্রান্ত করে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়েছে। এর পরপরই পাকিস্তানের প্রশাসন পিটিআইয়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালায় এবং ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে দলটিকে অংশগ্রহণে বাধা দেয়।

ইমরান খানের সমর্থকরা দাবি করেছেন, রাজনৈতিকভাবে তাকে নিষ্ক্রিয় রাখতে এবং রাজনীতিতে পুনর্বাসিত হওয়া ঠেকাতেই এসব মামলা সাজানো হয়েছে।

সূত্র: এএনআই।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআই’র

স্টক নিউজ বিডি August 18, 2026

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা চাই সবাইকে নিয়ে দেশটিকে গঠন করার জন্য। আমরা চাই যারা সৎ ও দক্ষ অফিসার আছেন তাদের আরও বেশি করে কাজ করার সুযোগ করে দিতে।  

আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত রাজস্ব সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। 

সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে আরও বক্তব্য রাখেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের এই রাজস্ব সম্মেলন আমি একটি সাধারণ ‘সম্মেলন’ হিসেবে দেখি না। কারণ, এনবিআরের কার্যক্রমের সাফল্যের ওপরই সরকারের সকল উন্নয়ন পরিকল্পপনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের সফলতা অনেকাংশে নির্ভরশীল। সুতরাং আশা করি, আজকের এই ‘সম্মেলন’ হবে আগামী দিনে আপনাদের আরও অধিক সাফল্যের পথ নির্দেশনার ‘সম্মেলন’।
 
দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অভিশাপ থেকে রাষ্ট্রের অন্য সকল প্রতিষ্ঠানের মতো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও মুক্ত থাকতে পারেনি বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।   

রাজস্ব সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী। ছবি: পিএমও।

তিনি বলেন, নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে ব্যক্তি কিংবা দলীয় স্বার্থে কাউকে পৃষ্ঠপোষকতা, কারও প্রতি বিরূপ মনোভাব কিংবা রাজস্ব আহরণে স্বেচ্ছাচারিতা এনবিআরকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল। এনবিআরের ওপর মানুষের আস্থা বিনষ্ট হয়েছিল।

ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, দেশের জনগণ বর্তমানে এনবিআরকে একটি নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রত্যাশা করে। দেশের জনগণ বিশেষ করে করদাতারা এনবিআরকে তাদের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায়। দক্ষ ও টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই জনআস্থা অর্জন সম্ভব। 

এনবিআরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করদাতাদের প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব আপনাদেরই নিতে হবে। বর্তমান সরকার এনবিআর তথা রাজস্ব কাঠামোকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধ পরিকর।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শুধুমাত্র বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর অতিরিক্ত ঋণের বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার নীতির বিরোধী। সুতরাং, রাজস্ব আহরণে আমাদের অবশ্যই অভ্যন্তরীণ আয়ের ক্ষেত্র এবং উৎস্য বাড়াতে হবে।  

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আয়ের ক্ষেত্র এবং উৎস্য বাড়াতে সরকার গণমুখী উৎপাদন নীতি গ্রহণ করেছে। এর ফলে দেশে বিনিয়োগ বাড়বে। ব্যবসা বাণিজ্য, শিল্পায়ন বাড়বে। মানুষের আয় বাড়বে। ব্যাপক কর্মসংস্থান হবে এবং জনগণ আরও উন্নত সরকারি সেবা পাবে। এক্ষেত্রেও এনবিআরের আরও দক্ষ এবং কার্যকর ভূমিকা অনস্বীকার্য।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে। ছবি : পিএমও।

বিশ্ব অর্থনীতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একের পর এক অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ধরণ পরিবর্তিত হচ্ছে। ব্যবসার নতুন নতুন মডেল তৈরি হচ্ছে। নানারকম চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক কর বা রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন এসেছে। পরিবর্তিত বিশ্বের অর্থনৈতিক সমস্যা, সম্ভাবনা, সুবিধা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রাজস্ব কর্মকর্তাদের বহুমাত্রিক দক্ষতা অর্জন এখন সময়ের দাবি।  

শুধু প্রচলিত কর আইন জানা থাকায় যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একজন আধুনিক রাজস্ব কর্মকর্তাকে অর্থনীতি, ব্যবসা, প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান না থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সামগ্রিক কর্মক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে বাধ্য। একটি ভালো রাজস্ব ব্যবস্থা এমন হওয়া দরকার যেখানে মানুষ কর দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন। কর প্রদান পদ্ধতি যথাসম্ভব দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত এবং সহজ করা দরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যথানিয়মে কর আদায় করলে এটি একজন করদাতার জন্য যেমন লাভজনক, একইসঙ্গে রাষ্ট্র এবং সরকারের জন্যও ইতিবাচক। আপনাদের আচরণ এবং কার্যক্রমের মাধ্যমে করদাতার মনে এই বিশ্বাস জন্ম নিলে কর আদায় অনেকে সহজ হয়ে যেতে বাধ্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার কাছে মনে হয়, একই করদাতার ওপর বারবার করের বোঝা বাড়িয়ে রাজস্ব বৃদ্ধির নীতি টেকসই পদ্ধতি নয়। বরং কর প্রদানে সক্ষম ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের যথাযথ নিয়মে করের আওতায় আনার ব্যবস্থা করার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। এ জন্য ডিজিটালি আধুনিক ডাটা ভিত্তিক কর প্রশাসন গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষ ব্যাবস্থাপনার মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে মানুষ এই প্রতিষ্ঠানকে ভয় না করে বিশ্বাস করবে। দেশের স্বার্থে আপনারা এনবিআরকে জনগণের আরও বিশ্বস্ত এবং আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত সময়টিতে রাজস্ব আহরণের পরিমাণ ছিল ইতিবাচক। এটি প্রমাণ করে, আপনারা পারেন, আপনারাই পারেন এবং আপনারা অবশ্যই পারবেন। শুধু প্রয়োজন দেশপ্রেম আর আন্তরিকতা। 

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআই’র

স্টক নিউজ বিডি August 18, 2026

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো এবং যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (সিসিপিআইটি) একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই আহ্বান জানান এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক।

সভায় স্বাগত বক্তব্যে মো. ফজলুল হক বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও চীন থেকে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি করে। বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। তবে এই বাণিজ্যে বাংলাদেশের বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। চীনে বাংলাদেশ থেকে বছরে এক বিলিয়ন ডলারেরও কম মূল্যের পণ্য রফতানি হয়।

দুই দেশের উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করে যৌথ বাণিজ্যের সম্ভাবনাময় খাতগুলো চিহ্নিত করার আহ্বান জানান তিনি। ফজলুল হক বলেন, চীনা ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের এই সফর শুধু বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণেই ভূমিকা রাখবে না, বরং চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি সম্ভাবনা বাড়াতেও সহায়ক হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধিতেও এই ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে চীনের উদ্যোক্তাদের এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

সভায় উন্মুক্ত আলোচনায় বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা চীনের উদ্যোক্তাদের খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আনুষঙ্গিক পণ্য, ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে যৌথ বিনিয়োগের আহ্বান জানান।বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন চীনের হংহে অঞ্চলের বাণিজ্য ব্যুরোর পরিচালক হে তাও। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি প্রক্রিয়া আরও সহজ করা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

সভায় উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক আব্দুল হক, প্রীতি চক্রবর্তী ও ওবায়দুর রহমান,  এফবিসিসিআইয়ের সাধারণ পরিষদের সদস্য এটুপি গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, এফবিসিসিআইয়ের  মহাসচিব মো. আলমগীর, এফবিসিসিআই সেফটি কাউন্সিলের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মো. শাহিদুল্লাহ এবং বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। এ ছাড়া সিসিপিআইটির প্রতিনিধি দলের সদস্যরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

‘ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো’ হয়ে ফিরছেন জনি ডেপ?

স্টক নিউজ বিডি August 18, 2026

অবশেষে আসছে ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’-এর ষষ্ঠ কিস্তি। নানাবিধ জটিলতায় পঞ্চম পর্বতেই আটকে ছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। তবে সেসব জটিলতা কতদূর গড়িয়েছে তা অস্পষ্ট থাকলেও ৯ বছর পর নতুন কিস্তি আসার খবর মিলল। 

তবে সিনেমাটির নতুন পর্ব নির্মাণ ঘিরে যত জটিলতা ছিল, সেটা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির আইকনিক মুখ জনি ডেপ তথা ‘ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো’কে নিয়েই। বিষয়টি খোলাসা করলে, ২০১৮ সালে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি থেকে জনি ডেপের সরে দাঁড়ানোর গুঞ্জন ওঠে। সে সময় সিরিজটির অন্যতম মূল চিত্রনাট্যকার স্টুয়ার্ট বিটি এক সাক্ষাৎকারে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ফ্র্যাঞ্চাইজিতে ডেপের পথচলা হয়তো শেষ হয়ে এসেছে। 

আবার একই বছর অভিনেতার সাবেক স্ত্রী অ্যাম্বার হার্ড পত্রিকায় একটি নিবন্ধ লিখে গৃহ নির্যাতনের অভিযোগ আনেন। সেখানে ডেপের নাম সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও, ওই বিতর্কের জের ধরেই ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান সিক্স’ থেকে ডিজনি তাকে বাদ দেয় বলে শোনা যায়।

পরবর্তীতে অ্যাম্বারের বিরুদ্ধে ৫০ মিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলা করেন জনি ডেপ। মামলার শুনানিতে ডেপ ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ তোলেন, ডিজনির ওই হটকারী সিদ্ধান্তে তার ক্যারিয়ারের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

সে সময় তিনি এই ফ্র্যাঞ্চাইজিতে আর কখনো না ফেরার ঘোষণা দিলেও, সব মান-অভিমান ভুলে এবার নতুন করে তাকে নিয়েই ষষ্ঠ কিস্তি নির্মাণের খবর সামনে এলো। সিনেমাটির প্রযোজক জেরি ব্রুকহেইমার সম্প্রতি ডেডলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, সিনেমাটিতে এই অভিনেতার ফেরা নিয়ে তারা আলোচনায় বসেছেন। প্রযোজকের কথায়, ‘আমরা জনির সঙ্গে কথা বলছি। চিত্রনাট্য তৈরির কাজ চলছে এবং আশা করছি আমরা এটি সফলভাবে শেষ করতে পারব।’

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান: দ্য কার্স অব দ্য ব্ল্যাক পার্ল’ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবার ‘জ্যাক স্প্যারো’ চরিত্রে পর্দায় হাজির হন জনি ডেপ। ডিজনির থিম পার্ক রাইডের অনুপ্রেরণায় নির্মিত এই সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে তুমুল ব্যবসাসফল হয়। চরিত্রটি রাতারাতি জনি ডেপের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও লাভজনক ভূমিকায় রূপ নেয়।

পরবর্তীতে ২০০৬ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে সিনেমাটির আরও চারটি কিস্তি মুক্তি পায়। চলচ্চিত্র ইতিহাসে এটিই প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি, যার দুটি সিনেমা ১০০ কোটি ডলারের বেশি আয় করার রেকর্ড গড়ে। বিশ্বজুড়ে সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে চারশো কোটি ডলার ব্যবসা করা এই সিরিজের সর্বশেষ সিনেমা ‘ডেড মেন টেল নো টেলস’ মুক্তি পেয়েছিল ২০১৭ সালে, যা বক্স অফিসে প্রায় ৮০ কোটি ডলার আয় করে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

ইমরান খানকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ আদালতের

স্টক নিউজ বিডি August 18, 2026

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। আদালত বলেছেন তাকে ইসলামাবাদের শিফা হাসপাতালে স্থানান্তর করে সেখানে যেন প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) একটি পিটিশনের রায়ে সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। তারা বলেছেন, ইমরান খানকে প্রতি সপ্তাহে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দিতে হবে। তার চিকিৎসার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করতে হবে। আর এ বোর্ডে ইমরানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও তার বোন ডাঃ উজমা খানকে রাখতে হবে।

অপরদিকে ইমরান খানের আইনজীবী এবং পরিবারের সদস্যদের আদালত বলেছেন, তারা যেন তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার কোনো রিপোর্ট সংবাদমাধ্যমকে না দেন এবং বিষয়টিকে রাজনীতিকরণ না করেন।

ইমরান খান গত তিন বছর ধরে আদিয়ালা জেলে বন্দি আছেন। জেল সুপার গতকাল সুপ্রিম কোর্টের কাছে ইমরানের স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট প্রদান করেন।

এতে বলা হয়, কারা কর্তৃপক্ষ ইমরান খান ও তার স্ত্রীকে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সুবিধা দিচ্ছে। মেডিকেল অফিসাররা দিনে তিনবার ইমরানের স্বাস্থ্য ও খাবার পরীক্ষা করেন এবং তার রক্তচাপ, হার্ট রেট এবং অক্সিজেনের মাত্রার তথ্য রেকর্ড করেন।

তবে গত ১ আগস্ট ডাঃ আক্তার আলী বান্দেশাহর করা একটি স্বাস্থ্য পরীক্ষায় দেখা গেছে ইমরান খানের অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ রয়েছে এবং তার রক্তচাপ ওঠানামা করে। এরসঙ্গে তার বুক ধরফর, মাথাব্যথা এবং অস্থিরতা রয়েছে।

ইমরান খান চিকিৎসককে বলেছেন, স্ত্রীর সঙ্গে নিয়মিত দেখা করতে না দেওয়া, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারা এবং টিভি ও পত্রিকা না দেওয়ায় তিনি মানসিকভাবে সমস্যায় ভুগছেন।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন ৪ সদস্য

স্টক নিউজ বিডি August 18, 2026

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির নতুন চার সদস্য।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় সংসদ ভবনসংলগ্ন সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানুল্লাহ আমান বলেন, আমাদের দলের সঙ্গে জনগণের ব্রিজ নির্মাণ করতে হবে। আমরা সরকারের সঙ্গে জনগণের ব্রিজ নির্মাণ করব।

তিনি বলেন, দল আমাদেরকে সুযোগ দিয়েছে। জনগণ দলকে সুযোগ দিয়েছে। আমরা জনগণকে নিয়ে এই দলকে, এই সরকারকে সহযোগিতার করবো। 

দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার ওপর অনেক অন্যায় অত্যাচার করা হয়েছে। তারপরেও কিন্তু তিনি কখনো তার বক্তব্যে হিংসার কোনো বহিঃপ্রকাশ ঘটাননি। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ওপর অনেক অত্যাচার করা হয়েছে কিন্তু তিনি এখন পর্যন্ত কোনো বিরোধী দলকে বা অন্য কাউকে অবজ্ঞা করে কোনো কথা বলেননি। এটি তার একটি মহৎ গুণ। জনগণ তাকে বিশ্বাস করেছে। 

তিনি আরও বলেন, দেশে কিছু সমস্যা আছে, বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের। এটার জন্য উনি চেষ্টা করছেন। আশা করছি খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

এ সময় উপস্থিত আরও ছিলেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স, গডফাদারদের ধরার চেষ্টা চলছে

স্টক নিউজ বিডি August 18, 2026

কারবার ও চোরাচালানে জড়িত মাদকের সকল গডফাদারদের ধরার সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

এর আগে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা ও সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

দীর্ঘদিন ধরেই কোস্ট গার্ড নৌ সমুদ্র এলাকার নিরাপত্তায় কাজ করছে। মিয়ানমার নৌ সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদক কারবার আটকানো যাচ্ছে না। মাদক উদ্ধারের তৎপরতার মধ্যেও চোরাচালান চলছে। এটা বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ আরও বাড়ানো হবে কি-না জানতে চাইলে সংবাদ সম্মেলনে কোস্ট গার্ড

মহাপরিচালক বলেন, মাদক যে বাংলাদেশের জন্য একটা বড় সমস্যা এটা আমরা সবাই জানি। মাদকের ব্যাপারে আমি যেটা সমস্যা দেখেছি যে, কেন জানি এ দেশে মাদকের চাহিদা বেড়ে গেছে। চাহিদা থাকলে সাপ্লাই হবে, সরবরাহ হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে গত দুই বছরে শুধুমাত্র দেড় কোটি ইয়াবা আটক করতে সক্ষম হয়েছি। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাপকসংখ্যক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মাদকের কারবার সমূলে নিয়ন্ত্রণে এই মুহূর্তে নতুন শক্তিশালী আইনও পাশ হতে যাচ্ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকেও আরো শক্তিশালী করা হচ্ছে। যাতে তারা এ ব্যাপারে আরো কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।

এই মুহূর্তে বাংলাদেশ সরকারের নীতি মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি যে, মাদকের যতো গডফাদার রয়েছে তাদের ধরার জন্য। যারা মাদক কারবার ও চোরাচালানে জড়িত তাদের ধরা হচ্ছে। তাদের মাধ্যমে গডফাদারদের ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। যাতে একদম সমূলে মাদককে বন্ধ করা যায়।

কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক বলেন, আমি মনে করি যে এখানে সমস্ত মন্ত্রণালয় বা সমস্ত দেশেরই একটা দায়িত্ব আছে। কারণ আমরা জনগণ যদি সচেতন না হই, মাদকের ব্যবহারের বিষয়কে সামাজিক ও পারিবারিকভাবে যদি সিরিয়াসলি না নিই তাহলে কিন্তু ডিমান্ড যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণ সাপ্লাই বন্ধ করা সম্ভব হবে না, যতোই ব্যবস্থা নিই না কেন।

তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত শক্ত অবস্থানে রয়েছি। গত কয়েক বছরে যে পরিমাণ মাদক কারবারি ধরা হয়েছে, আমার মনে হয় বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনো এতো ধরা পড়েনি। সুতরাং মাদকের ব্যাপারে আমাদের নীতি জিরো টলারেন্স। আমরা আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবো।

এসময় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

গণতন্ত্র ও মানব রচিত ব্যবস্থা ইসলাম বিরোধী মতবাদ: ইসলামী সমাজের আমীর

স্টক নিউজ বিডি August 8, 2026

ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থাই ইসলাম বিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে রচিত সকল প্রকার সংবিধান আলকুরআন বিরোধী সংবিধান। আলকুরআন বিরোধী গণতান্ত্রিক সংবিধান মেনে চলার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ জাহিলিয়্যাতের অধীনে বন্দি হয়ে আছে। অর্থাৎ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় দেশ ও জাতির মানুষ-(১) মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্বের অধীনে বন্দি, (২) মানুষের মনগড়া আইন-বিধানে রচিত সংবিধানের আনুগত্যের অধীনে বন্দি এবং (৩) মানুষের মনগড়া আইন-বিধানে রচিত সংবিধানের ভিত্তিতে নেতৃত্বদানকারী নেতা বা সরকারের আনুগত্যের অধীনে বন্দি হয়ে আছে- এসবই কুফর এবং শির্ক-ক্ষমার অযোগ্য মহা অপরাধ- সমাজ ও রাষ্ট্রের মৌলিক সমস্যা। তিনি বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত এই ৩টি মৌলিক সমস্যার সমাধান না হলে কোন সমস্যারই সমাধান হবে না, হচ্ছে না। কুফর এবং শিরকের পরিণতি দুনিয়ায় মানুষের জীবনে অকল্যাণ, অশান্তি এবং আখিরাতের জীবনে নিশ্চিত ঠিকানা হবে জাহান্নাম, যা মহাক্ষতি।
‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সহকারী দায়িত্বশীল জনাব আবু জাফর মোহাম্মাদ সালেহ’র সঞ্চালনায় আজ ৮ আগস্ট ২০২৬ইং, শনিবার, সকাল ১১টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে “সমাজ ও রাষ্ট্রের মৌলিক সমস্যা সমূহ এবং তা সমাধানের উপায়” বিষয়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ইসলামী সমাজের আমীর বলেন, দুনিয়ার জীবনে কল্যাণ, শান্তি এবং আখিরাতের জীবনে জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেয়ে জান্নাত লাভ করতে হলে সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্ব, মানুষের মনগড়া আইন-বিধানে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের আনুগত্য এবং মানুষের মনগড়া আইন-বিধানে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের ভিত্তিতে নেতৃত্বদানকারী নেতা বা সরকারের আনুগত্য ত্যাগ করে জীবনের সকল ক্ষেত্রে একমাত্র আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন কর্তৃত্ব গ্রহণ করে রাব্বুনাল্লাহ্ বা আল্লাহু আকবার ঘোষণা করতে হবে এবং তাঁরই প্রদত্ত আইন-বিধানের আনুগত্য এবং তাঁরই মনোনীত সর্বশেষ নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর শর্তহীন আনুগত্য-অনুসরণ ও অনুকরণ গ্রহণ করে, সাক্ষ্য ও অঙ্গীকার করতে হবে আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ- এই বিষয়গুলোর উপরে দৃঢ় থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠায় রাসূল (সা:) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে আল্লাহরই সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে তাঁরই আইন-বিধানের প্রতিনিধিত্বকারী আমীরের নেতৃত্বের আনুগত্যের অধীনে থেকে সত্য দ্বীন ইসলামের তাবলীগ ও দাওয়াত দিতে থাকতে হবে।
সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার দাওয়াতি আন্দোলনে সকল প্রকার বিরোধীতার মুকাবিলার দায়িত্ব আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়ে ছবর ও ক্ষমার নীতিতে অটল থেকে সালাতের মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সাহায্য প্রার্থনা করতে থাকতে হবে এবং কুরআন ও সুন্নাহর জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে ঈমান, আকিদা, চরিত্র ও আমল পরিশুদ্ধ করতে হবে। তাহলে আল্লাহর ক্ষমা ও জান্নাত লাভ হবে এবং আল্লাহ’ই অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে ঈমানের সর্বোচ্চ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ঈমানদারগণকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে খিলাফত-রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব দান করবেন। এভাবে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব লাভহলেই রাসূল (সা:) এর অনুসরণ ও অনুকরণে পর্যায়ক্রমে ইসলামের আইন-বিধান চালু করতে হবে। এটাই ইসলাম প্রতিষ্ঠার কুরআন ও সুন্নাহ সম্মত একমাত্র পদ্ধতি। জাহিলিয়্যাত ত্যাগ করে জীবনের সকল ক্ষেত্রে ইসলাম গ্রহণ করে এ পদ্ধতিতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত প্রচেষ্টাই কল্যাণ ও মুক্তির একমাত্র পথ এবং এ পদ্ধতিতে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে। তিনি বলেন, আলকুরআন ও সুন্নাহ্ সম্মত পদ্ধতিতেই ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্তরীক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামী সমাজ। ‘ইসলামী সমাজ’ মূলত কল্যাণ ও মুক্তির পথে জীবন গড়ারই আদর্শবাদী প্রতিষ্ঠান এবং আন্দোলন। দলমত নির্বিশেষে সকলকে তিনি ইসলামী সমাজে শামিল হওয়ার আন্তরীক আহ্বান জানান।
জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং, ৩ মাসের জন্য ইসলামী সমাজ গৃহিত ৩ দফা কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, (১) দেশব্যাপী গণসংযোগ, পথসভা ও প্রচার পত্র বিলি চলছে, চলতে থাকবে। (২) ২১ আগস্ট, শুক্রবার- চট্টগ্রাম মহানগর, ৩১ আগস্ট, সোমবার- বগুড়া মহানগর, ৪ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার- আলমডাঙ্গা থানা শহর, চুয়াডাঙ্গা, ৫ সেেেপ্টম্বর, শনিবার- গাজীপুর মহানগর, ১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার- ময়মনসিংহ মহানগর, ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার- বিমানবন্দর, ঢাকা মহানগর উত্তর, ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার- মিরপুর, ঢাকা মহানগর উত্তর, ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার- শেরপুর জেলা শহরে- সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐক্য গঠনের লক্ষ্যে- উপরে বর্ণিত এলাক সমূহে সমাবেশ হবে এবং (৩) গাজীপুর মহানগর রাজবাড়ী মাঠ থেকে কুমিল্লা মহানগরের চকবাজর পর্যন্ত ২২ আগস্ট থেকে ২৬ আগস্ট এবং ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই ধাপে ‘ইসলামী সমাজ’ গঠিত ৫টি টিম গণসংযোগ, পথসভা ও প্রচার পত্র বিলি করবে ইনশাআল্লাহ। কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার, প্রশাসন এবং দেশবাসী সকলের সমর্থন ও সহযোগীতা তিনি প্রত্যাশা করেন।
মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-১ এর দায়িত্বশীল, মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা ও ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইয়াছিন সাহেব।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

জুলাই গণঅভ্যুত্থান কয়েক জন নেতার ধনী হয়ে ওঠার গল্প নয়: ওয়াসিমুল ইসলাম

স্টক নিউজ বিডি August 5, 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য ওয়াসিমুল ইসলাম ৫ আগস্ট স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতন উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেন, শত শত মানুষের জীবন কেড়ে নেয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থান কয়েক জন নেতার ধনী হয়ে ওঠার গল্প নয়। কত মানুষ আহত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে? অনেক শহীদ পরিবার একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় ব্যক্তি স্বার্থে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ব্যবহার করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়া ছাত্ররা অনেকেই আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসও নিজেকে লোভের ঊর্ধ্বে নিতে পারেন নি। তাঁর গল্পও মানুষের চোখে ধুলা ছিটিয়ে নিজেকে লাভবান হওয়ার নীল নকশা বাস্তবায়নের ইতিকথা। যার সমালোচনা হচ্ছে এখন সর্বত্র।বাংলাদেশের কথা এদেশের মানুষের কথা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে নি। সংবিধান সংস্কারের নামে যে সুক্ষ্ম প্রতারণার জাল বিস্তার ড. মুহাম্মদ ইউনূস করে গেছেন তাই এখন সংসদে থাকা বিরোধী দলের মস্ত বড় সম্পদ। এক দল তো বলছে গণ ভোটের রায় অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করে ছাড়বে। অথচ এরা আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন করতে চাও দল। আবার এরাই ১৯৭০ সালের গণ রায়কে পদদলিত করে এদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষেকে হত্যা করেছে। এই দ্বিচারিতা তারা ইসলামের নামে করছে। এনসিপি’র রাজনৈতিক প্রজ্ঞা জাতিকে ভাবিয়ে তুলেছে। এই দলের নেতাদের রাতারাতি ধনী হয়ে ওঠার সুখবিলাস আজ এদেশের সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা – প্রতিনিয়ত হতাশ করে চলেছে। এনসিপি জাতির কাছে তাদের মনোভাব তুলে ধরার জন্য লজ্জাহীনভাবে অশালীন ভাষা ব্যবহার করে চলেছে। সরকারের সমালোচনা করার সময় তারা ভুলে যায় এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। এর অর্থ এনসিপি-জামাত দেশের জনগণের দেয়া রায়কে মানতে রাজি নয়। তারা যা বলছে সেটাই গণরায়! ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দিয়ে গেছে। যখন সকল রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে তখন বিরোধী দল লাগাতার ভাবে বলে যাচ্ছে এই সরকারকে তারা ক্ষমতায় থাকতে দেবে না। বাংলাদেশের আজকের বাস্তবতায় অবশ্যই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দেশের মানুষকে ধৈর্য্য ধরতে হবে। বিরোধী দলের সমর্থন পেয়ে কোনো কোনো গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে কিনা সেটাও বিবেচনায় রাখতে হবে। সরকার সীমাবদ্ধতা ও উদ্দেশ্য সম্পর্কেও আমাদের সচেতন থাকতে হবে। রাজনীতি ও গণতন্ত্র যেন আর পথ না হারায় সে বিষয়েও জনগণকে সজাগ থাকতে হবে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
পরবর্তী সংবাদ
পূর্ববর্তী সংবাদ

সর্বশেষ খবর

  • প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকমের ঋণখেলাপি মামলায় ৫ পরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা  অনুষ্ঠিত

  • রবির তিন মাসেই ১,৫৮০ কোটি টাকা নগদ অর্থ উধাও, স্বল্পমেয়াদি ঋণ বেড়েছে ৩৬০ কোটি টাকা

  • ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের নিট মুনাফা ১২ কোটি ৪২ লাখ, বেড়েছে ইপিএসও

  • যমুনা ব্যাংকের আয়োজনে পিডিবিএলের ৬৫তম পর্ষদ ও ৮৪তম দ্বিমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সর্বাধিক পঠিত

  • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

  • রবির তিন মাসেই ১,৫৮০ কোটি টাকা নগদ অর্থ উধাও, স্বল্পমেয়াদি ঋণ বেড়েছে ৩৬০ কোটি টাকা

  • ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের নিট মুনাফা ১২ কোটি ৪২ লাখ, বেড়েছে ইপিএসও

  • প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকমের ঋণখেলাপি মামলায় ৫ পরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সালমান এফ রহমান

  • ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল অর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫,০০০ কোটি টাকার তহবিলে যুক্ত হলো এমটিবি

  • গোপনীয়তা নীতি
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ শামীম রেজা
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


Back To Top
Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য