নিজস্ব প্রতিনিধি: নির্বাচন কমিশন পঞ্জিকা বর্ষ ২০২৫ সালের আয় ও ব্যয়ের অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে বিকল্পধারা বাংলাদেশ। রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে হাজির হয়ে এই অডিট রিপোর্ট জমা দেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের পক্ষে দলটির সহ-সভাপতি ড. আবু নোমান। বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব ওবায়েদুর রহমান মৃধার স্বাক্ষরিত ফরওয়ার্ডিং লেটারসহ অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. আবু নোমান বলেন-রাজনৈতিক দল হিসেবে সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা, ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদান এবং দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রিসহ বিভিন্ন উৎস থেকে আয় হয়েছে। অন্যদিকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কার্যালয় পরিচালনা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, প্রচারপত্র প্রকাশ এবং দুঃস্থ নেতা-কর্মীদের সহায়তাসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় করা হয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, নিবন্ধিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পূর্ববর্তী পঞ্জিকা বছরের নিরীক্ষিত আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়ার বিধান আছে। বিকল্পধারা বাংলাদেশের সহ সভাপতি ড. আবু নোমান আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিকল্পধারা বাংলাদেশের সমর্থিত প্রার্থী থাকবে, এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ নেই। তাই দলের সমর্থন নিয়ে দলীয় প্রার্থীরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেবেন।
স্টক নিউজ বিডি
নিজস্ব প্রতিবেদক: আম ব্যবসায়ীকে ২ ঘণ্টা পিটিয়ে আঙুল ভাঙা ও রগ কাটার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামীলীগের মেয়রের আস্থাভাজন আক্তার মাল ও দিদার মাল সহ ছান্দার ৫ জনের বিরুদ্ধে । তুচ্ছ ঘটনার জেরে এক সিজনাল আম ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে টানা দুই ঘণ্টা ধরে পিটিয়ে হাতের আঙুল ভেঙে দেওয়া ও রগ কেটে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে আক্তার মাল, দিদার মাল, মো: আলী, মো: বিল্লাল হোসেন, মো. আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। বর্বর এই নির্যাতনের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গুরুতর আহত ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আম কেনাবেচা বা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে অভিযুক্ত আক্তার মাল ওই সিজনাল আম ব্যবসায়ীকে ডেকে এনে তার নিজস্ব টিভির শুরুমে আটকে রেখে তার ওপর, লোহার রট, গ্যাসের পাইপ, রুলসহ লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে ৫-৭ জনে হামলা চালায়। দীর্ঘ ২ ঘণ্টা ধরে চলা এই নির্যাতনে ভুক্তভোগীর চিৎকারে গার্মেন্টসের লোকেরা কামাল হোসেনের আত্মীয়স্বজনকে খবর দিলে তারা এসে উদ্ধার করে। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় শহীদ তাইজ উদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পঙ্গু হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, মারধরের কারণে তার হাতের একটি আঙুল ভেঙে গেছে এবং আরেকটি আঙুলের রগ কেটে গেছে যার কারণে তাকে অপারেশন করাতে হবে এছাড়া শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।ভুক্তভোগীর পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা জানিয়েছেন, এই অন্যায় ও বর্বর হামলার বিচার চেয়ে তারা আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন। হামলাকারী আক্তার মাল ও তার সহযোগীদের সুনির্দিষ্ট আসামি করে স্থানীয় থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৬ জুলাই, জুলাই শহীদ দিবস হিসেবে সারাদেশে গভীর আবেগের সাথে পালিত হবে আগামীকাল। বাংলাদেশের ইতিহাসে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ছাত্র-জনতার ওই গণঅভ্যুত্থান সারা বিশ্বের কাছে এক অনন্য সংগ্রামের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব ওবায়দুর রহমান মৃধা গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন,মানুষের জীবন-ধারণ তার এক নম্বর মৌলিক অধিকার। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার কাছে প্রতিটি নাগরিকের স্বাভাবিক দাবি ন্যায্য অধিকার প্রাপ্তি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থায় – এদেশের তরুণ সমাজ তাদের মেধা অনুযায়ী কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। কোটার নামে বিভিন্ন সুবিধাভোগী গোষ্ঠীকে সুবিধা দিয়ে শেখ হাসিনা তার সৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা এদেশের মানুষের উপর চাপিয়ে টিকে থাকতে চেয়েছিলেন। রাষ্ট্রের অর্থ অস্বাভাবিক দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের বাইরে পাচার করে চলেছিল। ফলে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে ভীষণ নাজুক অবস্থায় চলে গিয়েছিল। দেশের মানুষ হাঁপিয়ে ওঠেছিল।
শেখ হাসিনা এতোটাই নীচে নেমে গিয়েছিল যে, তার প্রায় প্রতিটি বক্তৃতায় দেশবাসী আহত হতো। মানুষ হতাশ হয়ে পড়ে। তারুণ্য কখনো অন্যায় মানে না। তরুণ-যুবোশক্তি কোটা সংস্কারের দাবি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন শুরু করে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তার অপকর্মের লাভবান নেতা , আমলা, পুলিশ প্রশাসন, সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তা ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে অবজ্ঞা করতে থাকে। তারা ‘আয়না ঘর’ তৈরি করে। যেখানে নিজেকে ছাড়া আর কাউকে দেখা যেতো না।শেখ হাসিনা সহ অন্যরা এই আন্দোলনকে গুরুত্ব না দিয়ে বরং তুচ্ছ তাচ্ছিল্য বলে মন্তব্য করতে থাকে। সর্বোচ্চ আদালতও কোটা নিয়ে রায়ে সরাকারের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘাটায়। একজন বিচারপতি নিজেদের ‘শপথবদ্ধ’ রাজনৈতিক কর্মী বলে দম্ভ প্রকাশ করে। সরকার দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ে।
ছাত্র-জনতা আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। আন্দোলনের এক পর্যায়ে ১৬ জুলাই ২০২৪ তারিখে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। পুলিশের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানোর সেই ছবি-ভিডিও সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এটাই ছিল আন্দোলনের প্রথম মৃত্যুর ঘটনা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ। সেদিনে সারাদেশে সহিংসতায় দেশব্যাপী সংঘর্ষে অন্তত ৬ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে ৩ জন শিক্ষার্থী। আবু সাঈদের হত্যার পর ছাত্র-জনতা জীবন বাজি রাখে শেখ হাসিনার পতনের একদফা দাবিতে।
জন রোষে পড়ে শেখ হাসিনার সামনে একে একে সব পথ বন্ধ হতে থাকে। নিরুপায় শেখ হাসিনা তার রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়দের নিরাপদে দেশ ত্যাগের ব্যবস্থা করে ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে নিজের ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। পতন হয় বিশ্ব রাজনীতির কলঙ্ক ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার। এদিকে আওয়ামী লীগের লক্ষ লক্ষ সাধারণ নেতাকর্মীরা সীমাহীন বিপদে পড়ে। তাদের অভিভাবক শেখ হাসিনা তাদেরকে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে হেলিকপ্টারে চড়ে বোনকে সাথে নিয়ে ভারতে পালিয়ে যায়।
দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশে শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে যা যা করা দরকার সরকার সবই করবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করি। রংপুরে আবু সাঈদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা সেটাও বাস্তবায়িত হবে। শহীদ ও আহত পরিবারের প্রয়োজনীয় পুনর্বাসনে অগ্রাধিকার দিতে হবে।জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে মোট ১৪০০ জনের বেশি মানুষ শহীদ হয়েছে। শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। সরকারকে জাতির আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দৃঢ়তার সাথে কাজ করে যেতে হবে। বিরোধী দলগুলো সরকারকে সহযোগিতার জন্য সমালোচনা করবে। সরকার ফেলে দেয়া যেন বিরোধী দলের অন্যতম উদ্দেশ্য না হয়। আমরা অবগত আছি যে, দেশের অর্থনীতি, জ্বালানি ও শিল্প উৎপাদন খাত কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
বিকল্পধারা বাংলাদেশ জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করছে এবং আহতদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা পুনর্ব্যক্ত করছে। বিপ্লবের কখনো মৃত্যু হয় না। বিপ্লব একটি চিরন্তন বিষয়। ফলে বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লব ব্যর্থ হবে না বলেই আমাদের বিশ্বাস। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা স্থায়ী রূপ পাবে। মানুষ গণতান্ত্রিক অধিকার সমানভাবে চর্চা করতে পারবে। আমাদেরও উচিত সরকারের কাজের গঠনমূলক সমালোচনা করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করা।
সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সরকার স্বাধীন বিচার বিভাগ চাচ্ছে না। স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন ভোট কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন চাচ্ছে না। এভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে জায়গাগুলার কারণে ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছিল সে সব জায়গা আগের মতো থেকে গেল।
আজ (শুক্রবার) সকালে রাজধানীর মগবাজার আল-ফালাহ মিলনায়তনে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশন তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষের আশা ছিল, এতগুলা মানুষের ত্যাগ এবং জীবনের বিনিময়ে আমরা একটা পরিবর্তন পেয়েছি, এখন বাংলাদেশ সঠিক পথে পরিচালিত হবে। ইতোমধ্যেই এ বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন এবং সংস্কার পরিষদের সংস্কারের জন্য গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই দিনে জনগণের ভোট পেল…একটা ভোটের মূল্যায়ন হলো আরেকটা ভোট ফেলে দেওয়া হয়েছে। অথচ দুইটার কোনোটাই অগুরুত্বপূর্ণ না।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারি দল প্রায় ৭০ ভাগ জনগণের এই মতকে অগ্রাহ্য করেছে। আমরা যেখানে ছিলাম সেখানেই থেকে গেলাম। কোনো পরিবর্তন আসলো না। হয়তো কেউ কেউ বলবেন যে, চার মাসের সরকার…আমরা তো অপেক্ষা করতে পারি। কিন্তু না, ফাউন্ডেশনের ওপরে একটা দেশ এবং রাষ্ট্র চলে। আমরা সবাই জানি একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ— দিনটি কেমন যাবে সকালবেলাই তা বলে দেবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারি দল-বিরোধী দল সকলেই তো নির্বাচনের আগে বলেছে যে, আমরা গণভোট মানি। আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলুন। ৭০ ভাগ মানুষের ভোটকে অগ্রাহ্য করা হলো কেন? আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বারবার গণভোট বাস্তবায়নের দাবি উত্থাপন করেছি। এ নিয়ে সংসদে নোটিশ দিয়ে আলোচনা করেছি।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, আমরা এজন্য জনগণের পার্লামেন্টে বিষয়টা নিয়ে এসেছি। ইতোমধ্যে এই দাবি বাস্তবায়নের জন্য ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছি। এটা কোনো দলের জন্য, কোনো জোটের জন্য নয়, এটা জনগণের দাবি। এই রায় দিয়েছে জনগণ।
তিনি বলেন, আমাদের সমাজে আমরা কার্যত দেখতে পাই— যাদের আমরা শিক্ষিত বলে মনে করি, উচ্চশিক্ষিত বলে মনে করি, তাদের একটা বিশাল অংশ, গুরুত্বপূর্ণ অংশ সমাজের আমানতের খেয়ানত করে চলছে। তারা বৈধতার সীমা লঙ্ঘন করে অবৈধ পথে মানুষের সম্পদ, ইজ্জত গ্রাস করে গেছে। যদি তারা সুশিক্ষিত হতেন তাহলে মানুষের ওপরে অবিচার তারা করতেন না। সমাজ এমনি এমনি চলে না। সমাজ চলার জন্য একটা সামাজিক কাঠামো লাগে। এই কাঠামোর মূল দায়িত্ব যারা পালন করেন বা শাসন ব্যবস্থা যাদের হাতে পরিচালিত হয়, তাদের আচরণের ওপর নির্ভর করে একটা সমাজ কতটুকু ভালো থাকবে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ দুইবার স্বাধীন হয়েছে। ৪৭-এ কবার ৭১-এ আরেক বার। বিপুল প্রত্যাশা নিয়ে এই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল। কিন্তু সে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। কারা এখানে মানুষের প্রত্যাশার পারদ ধ্বংস করে দিল? সাধারণ জনগণ নয়, বরং দেশ পরিচালনার দায়িত্ব যাদের ছিল, তাদের ব্যর্থতার কারণে আজও আমাদের দেশে কোনো সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মানুষের জীবনে শান্তি নেই, নিরাপত্তা নেই। যুবকদের হাতে কাজ নেই। মা-বোনদের ইজ্জতের কোনো নিরাপত্তা নেই। অহরহ আমরা সে ঘটনাগুলা দেখছি।
অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলের মিন্দানাও দ্বীপে ৬ দশমিক ৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শুক্রবার (২৬ জুন) তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে দাভাও অক্সিডেন্টালের সারাঙ্গানির নিকটবর্তী এলাকায় ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৫২ দশমিক ৪ কিলোমিটার গভীরে ছিল।
আনাদোলু জানিয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ৮ জুন মিন্দানাওয়ের সারাঙ্গানি প্রদেশের উপকূলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। এতে এলাকাটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সে সময় অন্তত ৭৮ জন নিহত হন এবং প্রায় ১৫ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন।
ফিলিপাইন ভৌগোলিকভাবে ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত। এ কারণে দেশটি বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ হিসেবে পরিচিত। এই অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
আবদুল আজিজ: বর্ণিল আয়োজন, মনকাড়া সুর আর নাচের ছন্দে শেষ হলো ‘নবজাগরণ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংঘ’ আয়োজিত দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান ‘নব আনন্দের সংস্কৃতির চর্চা ২০২৬’। গত ২৩ ও ২৪শে জুন ২০২৬ ঢাকার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলা অডিটোরিয়ামে এই উৎসব সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন গতি সঞ্চার এবং জাতীয়তাবাদী মনন বিকাশের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই উৎসবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা অংশ নেন। দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতা ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তত্ত্বাবধানে ছিলেন জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব মোঃ শফিকুল হাসান রতন এবং জাসাস ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন আনু। তাদের সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক নেতৃত্ব এবং আন্তরিক প্রচেষ্টায় পুরো অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
১০১ সদস্যের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা:
উৎসবের সমাপনী দিনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। দুই দিনব্যাপী সফল অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবার করতালির মধ্য দিয়ে ‘নবজাগরণ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংঘ’-এর ১০১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন এই কমিটি আগামী দিনে সুস্থ ও সমৃদ্ধ দেশীয় সংস্কৃতি চর্চাকে আরও বেগবান করবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
‘জীবন বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ’ গানে আবেগঘন সমাপ্তি:
অনুষ্ঠানের শেষলগ্নে এক আবেগঘন ও দেশাত্মবোধক পরিবেশনার সৃষ্টি হয়। অডিটোরিয়ামে উপস্থিত সকল শিল্পী, আমন্ত্রিত অতিথি এবং দর্শক একসঙ্গে গলা মিলিয়ে গেয়ে ওঠেন কালজয়ী গান—“জীবন বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ”। সমবেত এই কণ্ঠস্বর পুরো মিলনায়তনে এক অভূতপূর্ব জাতীয়তাবাদী চেতনার আবহ তৈরি করে, যা উৎসবের মূল আকর্ষণকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
চায়ের আড্ডায় আনন্দের বিদায়:
আনুষ্ঠানিকতা শেষে চমৎকার একটি সমাপনী পর্বের আয়োজন করা হয়। মোঃ শফিকুল হাসান রতন এবং মোঃ আনোয়ার হোসেন আনুর আন্তরিক আতিথেয়তায় মুখরিত এক চায়ের আড্ডায় মেতে ওঠেন সবাই। এই চা-চক্রের অনাবিল আনন্দ আর খোশগল্পের মধ্য দিয়ে আগামী দিনে সুন্দর জাতীয়তাবাদী মননশীল সংস্কৃতি গড়ে তোলার দৃঢ় আহ্বান জানিয়ে সংগঠকরা একে অপরকে বিদায় জানান।
বাংলাদেশে শত বছরের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সুফিবাদের চিরায়ত ঐতিহ্য আজ এক শ্রেণির চরমপন্থির কারণে সংকটের মুখে পড়েছে বলে জাতীয় সংসদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এর সভাপতিত্বে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে পরমতসহিষ্ণুতা এবং বহুত্ববাদী সংস্কৃতির ওপর আঘাতের তীব্র সমালোচনা করে ফজলুর রহমান বলেছেন, অলি-আউলিয়াদের হাত ধরে এই দেশে যে শান্তির সুফিবাদ এসেছে, তা আজ একদল পোশাকধারী ধর্ম ব্যবসায়ী ধ্বংস করতে মেতে উঠেছে।
‘সংখ্যালঘুদের দেশত্যাগের’ হুমকির বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, ১২০৪ খ্রিস্টাব্দের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, চৌদ্দ পুরুষ আগে থেকেই এই দেশ হিন্দু ও বৌদ্ধদেরও ছিল। তারা এই দেশেরই ৯ শতাংশ মানুষ, যাদের সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি এবং এই মাটি তাদেরও পূর্বপুরুষের দেশ। হিন্দুরা তাদের মন্দিরে যত খুশি বড় মূর্তি বানিয়ে পূজা করুক আর মুসলমানরা ২৫ তলা মসজিদ বানিয়ে নামাজ পড়ুক, এতে কারও কোনো ক্ষতি হওয়ার কথা নয়। বরং এটাই এ দেশের আসল সৌন্দর্য। অথচ এই সহজ সত্যটি আজ এক শ্রেণির মানুষ মেনে নিতে পারছে না, যারা পৃথিবীর কোনো সভ্যতা বা সংস্কৃতিকে তোয়াক্কা করে না।এই চরমপন্থার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফজলুর রহমান বলেন, যদি সরকার মনে করে দেশে মন্দির বা মূর্তি তৈরি করা যাবে না, তবে তা আইন করে কঠোরভাবে বন্ধ করে দিক। কিন্তু যদি তা না হয়, তবে সংখ্যালঘুদের ওপর এই অত্যাচার ও মাজার সংস্কৃতির ওপর আঘাত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।
তিনি বলেন, হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতী (রহ.), হযরত শাহজালাল (রহ.), শাহ পরান (রহ.) কিংবা খান জাহান আলীর মতো অলি-আউলিয়ারা এই দেশে এসে সবার ওপরে মানুষের জয়গান গেয়েছেন এবং সুফিবাদের শিক্ষা দিয়েছেন। অথচ আজ সেই সুফিবাদের অনুসারীদের ওপর নৃশংস হামলা হচ্ছে, কুষ্টিয়া ও ফরিদপুরে পীর-মাশায়েখদের নির্মমভাবে কুপিয়ে ও পুড়িয়ে মারা হচ্ছে এবং খোদ শাহজালালের মাজার ভাঙার জন্য কোটি টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হচ্ছে।
এই উগ্রতা ও মাজার ভাঙার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে ফজলুর রহমান বলেন, যার ইচ্ছা সে মাজারে যাবে, যার ইচ্ছা যাবে না; কেউ চাইলে আহলে হাদিস পালন করবে, কিন্তু জোর করে কারো ওপর কোনো মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়া বা অন্যের উপাসনালয় ও মাজার ধ্বংস করার অধিকার কারো নেই।
বৃহস্পতিবার ( ২৫ জুন) বিকালে সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব ওবায়দুর রহমান জানান, বিকল্পধারা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি শাহজাহান সিরাজ সবুজ গুরুতর অসুস্থ। তিনি কিডনি রোগে আক্রান্ত। বর্তমানে তিনি ভারতের চেন্নাইয়ের ভেলুরের সিএমসি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি রোগমুক্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
ওবায়দুর রহমান মৃধা বলেন, আমরা শাহজাহান সিরাজ সবুজ-এর সুস্থতা কামনা করে আল্লাহর কাছে দোয়া প্রার্থণা করছি। পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র মহররম উপলক্ষে হজরত ইমাম হাসান (রা.) ও হজরত ইমাম হোসেন (রা.)-এর স্মরণে গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কমিশনার প্রার্থী মো. সাকিলের নেতৃত্বে এই মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।কর্মসূচিতে এলাকার শতাধিক অসহায়, নিম্নআয়ের শ্রমজীবী ও দুস্থ মানুষের হাতে রান্না করা খাবার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সমাজসেবক, তরুণ স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মো. সাকিল বলেন,“পবিত্র মহররম আমাদের ত্যাগ, সত্য, ন্যায় এবং মানবতার শিক্ষা দেয়। হজরত ইমাম হাসান (রা.) ও হজরত ইমাম হোসেন (রা.)-এর আত্মত্যাগ মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুকরণীয় আদর্শ। তাদের স্মরণে আমরা সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষুদ্র চেষ্টা করেছি। মানবসেবা ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।”তিনি আরও বলেন,“সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান, তাহলে সমাজে দারিদ্র্য ও কষ্ট অনেকাংশে লাঘব করা সম্ভব। মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের অঙ্গীকার। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”এ সময় তিনি সকলের কাছে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে দোয়া প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি তিনি সমাজে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত রাখতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া উপকারভোগীরা এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, এমন মানবিক আয়োজন শুধু ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে হাসিই ফোটায় না, বরং সমাজে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও ভালোবাসার বার্তাও পৌঁছে দেয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে ধারণ করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত পরিসরে অব্যাহত থাকবে
রংপুরের একটি জমি সংক্রান্ত বিরোধের অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেছেন অবসরপ্রাপ্ত অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস কর্মকর্তা মো. আফছার আলী মণ্ডল।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, রংপুর মহানগরীর তাজহাট এলাকার খোদ তামপার্ট (সরদারপাড়া) মৌজায় ১৯৯৭ সালে ক্রয় করা তার সাত শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি চক্র দখলের চেষ্টা করে আসছে।
লিখিত বক্তব্যে আফছার আলী মণ্ডল বলেন, জমির পাশের কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে রাস্তা নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর এবং জমিতে প্রবেশাধিকারে বাধা সৃষ্টি করেছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন, সিটি করপোরেশন ও আদালতে একাধিকবার অভিযোগ ও মামলা করলেও কার্যকর প্রতিকার পাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি জানান, ২০২৫ সালের মে মাসে জমির সীমানা নির্ধারণ ও নির্মাণকাজ শুরু করলে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি বাধা দেন। পরে সেনাবাহিনীর একটি অস্থায়ী ক্যাম্পের হস্তক্ষেপে কাজ শুরু হলেও কয়েকদিনের মধ্যে নির্মিত অংশ পুনরায় ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় তাজহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আফছার আলী মণ্ডল আরও অভিযোগ করেন, জমি-সংক্রান্ত একটি দেওয়ানি মামলার জেরা পর্বে প্রয়োজনীয় নথি উপস্থাপন করা হয়নি ।
এছাড়া ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একই সঙ্গে জমি উদ্ধারে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
