Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য
Author

Stock News BD

Stock News BD

ঢাকা-১৯ আসনে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে বেপরোয়া চাঁদাবাজি: যানজটে অবরুদ্ধ সাভার-আশুলিয়া

Stock News BD October 16, 2024

ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) সংসদীয় আসনের আওতাধীন প্রধান সড়ক ও ফুটপাতগুলো দখল করে চলছে স্মরণকালের সবচেয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি। স্থানীয় প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ও কিছু অসাধু লাইনম্যানের যোগসাজশে মহাসড়ক ও ফুটপাত এখন হকারদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। ফলে তীব্র যানজটের পাশাপাশি প্রতিদিন লাখ লাখ সাধারণ পোশাক শ্রমিক ও পথচারীদের চলাচলের চরম বিঘ্ন ঘটছে।

সরেজমিনে অনুসন্ধান ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা-১৯ আসনের অন্তর্ভুক্ত সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাকিজা মোড়, বাইপাইল মোড়, নবীনগর ত্রিমোড় এবং আশুলিয়ার জামগড়া ও ডেন্ডাবর এলাকায় ফুটপাতের পুরোটা এবং প্রধান সড়কের একাংশ দখল করে হাজার হাজার অস্থায়ী দোকান বসানো হয়েছে। এসব দোকান থেকে প্রতিদিন সুনির্দিষ্ট হারে চাঁদা তোলা হয়। চাঁদা না দিলে দোকানদারদের উচ্ছেদ বা মারধরের শিকার হতে হয়। ৫ই আগষ্টের আগে এসব নিয়ন্ত্রণ করতো আওয়ামী লীগের নেতারা আর এখন করছে বিএনপির নেতারা। সম্প্রতি নতুন লাইনম্যানদের মাধ্যমে আবারও রমরমা হয়ে উঠেছে এই অবৈধ বাণিজ্য।

ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রতিদিন দোকান ভেদে ১০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে হয় লাইনম্যানদের। চাঁদা তোলার এই বিশাল অঙ্কের টাকার একটি বড় অংশ চলে যায় স্থানীয় প্রভাবশালী বিএনপি নেতা ও তাদের তৈরি সিন্ডিকেটের পকেটে। এই অবৈধ দখলের কারণে শিল্পাঞ্চল হিসেবে পরিচিত সাভার ও আশুলিয়ার সড়কগুলোতে দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টাই স্থবিরতা লেগে থাকে।

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন বিভিন্ন সময় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে। পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় সাড়াঁশি অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন চাঁদাবাজকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছেন, কিন্তু ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু নিজে চাঁদাবাজদের মুক্ত করার জন্য সুপারিশ করছে। তবে হকারদের দাবি, স্থায়ী পুনর্বাসন না করে এভাবে উচ্ছেদ করলে তারা পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়বেন। অন্যদিকে উচ্ছেদ অভিযানের কয়েক ঘণ্টা পরই আবারও সড়ক ও ফুটপাত আগের অবস্থায় ফিরে যায় বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। সাধারণ পথচারী ও পোশাক কারখানার শ্রমিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ফুটপাত দিয়ে হাঁটার কোনো উপায় নেই। বাধ্য হয়ে মহাসড়ক দিয়ে হাঁটতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। সাভার ও আশুলিয়ার সড়কগুলোকে চিরতরে চাঁদাবাজ ও দখলদার মুক্ত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত কঠোর স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

“৫ আগস্টের পর দেশ কোন পথে? উন্নয়নের উত্তরাধিকার নাকি অতীতের অন্ধকার?”

Stock News BD October 12, 2024
  • ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর দেশের রাজনীতিতে এখন বড় শূন্যতা। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত। মাঠে এখন প্রধান ২ দাবিদার বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী।
  • কিন্তু জনগণের সামনে প্রশ্ন একটাই: ১৫ বছরে যে উন্নয়ন-অগ্রগতি দেখেছে দেশ, সেটা ধরে রাখবে কে? আর যাদের শাসনামলে দুর্নীতি, সন্ত্রাস আর জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়েছিল, তাদেরকে কি আবার সুযোগ দেওয়া যায়?
আওয়ামী লীগের শাসনামলে ১৫ বছরে দেশের যে উন্নয়ন-অগ্রগতি, ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের শাসনামলের (২০০৯-২০২৪) সময়টাকে অনেকে “উন্নয়নের স্বর্ণযুগ” বলে। কারণগুলো চোখের সামনে:

ক) অবকাঠামো উন্নয়ন

  • মেগা প্রকল্প: পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন।
  • বিদ্যুৎ: ২০০৯ এ বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ৫০ মেগাওয়াট। ২০২৪ এ ২৭,০+ মেগাওয়াট। শতভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ।
  • ডিজিটাল বাংলাদেশ: ইউনিয়ন পর্যন্ত ইন্টারনেট, অনলাইনে সরকারি সেবা।

খ) অর্থনৈতিক উন্নয়ন

  • রপ্তানি ও রিজার্ভ: গার্মেন্টস খাত বিশ্বে ২য় অবস্থান। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এক সময় ৪৮ বিলিয়ন ডলার।
  • জিডিপি প্রবৃদ্ধি: ১৫ বছরে গড় ৬-৭%। মাথাপিছু আয় ২০০৯ এ ৮১৭ ডলার থেকে ২০২৪ এ ২৭০+ ডলার।
  • সামাজিক সূচক: দারিদ্র্যের হার ৩১% থেকে ১৮% এ নেমেছে। শিশু মৃত্যু, মাতৃমৃত্যু কমেছে।
বিএনপির ২০০১-২০০৬ শাসনামল: দুর্নীতি ও অভিযোগের বর্ণনা, ছবি: সংগৃহীত

২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামাত জোট সরকার গঠন করে। এই ৫ বছর নিয়ে বেশ কিছু দুর্নীতির অভিযোগ তখনকার মিডিয়া, বিরোধী দল এবং পরবর্তীতে দুদক ও আদালতে এসেছে। উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলো হলো:বড় বড় অর্থনৈতিক দুর্নীতির মামলা – ডিটেইলস

ক) তারেক রহমান সংক্রান্ত

মানি লন্ডারিং মামলা – ২০০৭

    • অভিযোগ: ২০০৩-২০০৬ সময়ে ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের কাছ থেকে ২০ কোটি টাকা নিয়ে সিঙ্গাপুরে পাচার।
    • অবস্থা: ২০১৩ সালে নিম্ন আদালত ৭ বছর জেল দেয়। আপিলে ২০১৬ সালে হাইকোর্ট খালাস দেয়। রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করেছে।

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা – ২০১৮ রায়

      • অভিযোগ: ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার “মাস্টারপ্ল্যান” Hawa Bhaban এ হয়েছিল।
      • রায়: তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + ৫০,০ টাকা জরিমানা। তিনি লন্ডনে থাকায় অনুপস্থিতিতে রায়।

      জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি

        • অভিযোগ: এতিমদের জন্য জমি কেনার নামে ৩.১৫ কোটি টাকা আত্মসাত। চেক তারেক রহমানের মাধ্যমে গেছে বলে অভিযোগ।
        • অবস্থা: মামলা চলমান।

        খ) বেগম খালেদা জিয়া সংক্রান্ত

        জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা – ২০১৮ রায়

          • অভিযোগ: ১৯৩ সালে জিয়া অরফানেজের নামে আসা ২.৩১ কোটি টাকা ব্যাংক একাউন্টে রাখা হয়। ২০০১-২০০৬ এ সেই টাকা তুলে আত্মসাতের অভিযোগ।
          • রায়: ৫ বছরের কারাদণ্ড + ২.১০ কোটি টাকা জরিমানা। পরে আপিলে ১০ বছর হয়। ২০২৪ সালে খালাস পান।

          নাইকো দুর্নীতি মামলা

            • অভিযোগ: ২০০৩ সালে কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের ৩টি ব্লক দেওয়ার ক্ষেত্রে ১৩.৭ কোটি টাকা রাষ্ট্রের ক্ষতি + ঘুষ।
            • অভিযুক্ত: খালেদা জিয়া, সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা, মন্ত্রী।
            • অবস্থা: মামলা এখনও চলমান।

            গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা

              • অভিযোগ: ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং এর কাজ GATCO কে দেওয়ার ক্ষেত্রে দুর্নীতি।

              গ)”হাওয়া ভবন” প্রসঙ্গ – ডিটেইলস

                হাওয়া ভবন ছিল খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়, গুলশান-২।

                তখনকার অভিযোগগুলো:

                1. সমান্তরাল ক্ষমতা কেন্দ্র: অভিযোগ ছিল মন্ত্রী, সচিবরা ফাইল নিয়ে এখানে আসতেন। টেন্ডার, নিয়োগ, বদলির “অনুমোদন” এখান থেকে হতো।
                2. ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট: গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, আমানউল্লাহ আমান সহ কিছু নেতার বিরুদ্ধে ঠিকাদারি ও ব্যবসা থেকে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ।
                3. রাজনৈতিক যোগ: ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা, বাংলা ভাই এর উত্থান – এই সবকিছুর সাথে “হাওয়া ভবন এর নির্দেশ” আছে বলে তখনকার সরকার বিরোধী পক্ষ বলতো।

                বিএনপির বক্তব্য: তারা বলে এটা ছিল শুধুই দলীয় কার্যালয়। সরকারবিরোধীরা অপপ্রচার করে একে “বিকল্প সরকার” বানিয়েছে।

                ঘ) অন্যান্য বড় অভিযোগ

                TIB এর দুর্নীতি রিপোর্ট ২০০১-২০০৫:

                  • ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ৪ বছর টানা বাংলাদেশকে CPI তে ১ নম্বর “দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ” বলে।
                  • কারণ হিসেবে বলা হয়: পুলিশ, বিচার, ভূমি, শিক্ষা খাতে চরম দুর্নীতি + রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ।

                  সার কেলেঙ্কারি – ২০০৫:

                    • ঘটনা: সার সংকটে উত্তরবঙ্গে কৃষক বিক্ষোভ। পুলিশের গুলিতে দিনাজপুরে ৩ কৃষক নিহত।
                    • অভিযোগ: সারের দাম বাড়িয়ে সিন্ডিকেটকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

                    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি:

                      • কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ।
                      • গ্যাসের দাম বাড়ানো নিয়ে আন্দোলন।

                      আইনশৃঙ্খলা:

                        • RAB গঠন ২০০৪। “ক্রসফায়ার” নামে ১০+ বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ।
                        • বাংলা ভাই, শায়খ আব্দুর রহমানদের উত্থান এবং জঙ্গি তৎপরতা।
                        বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লোগো

                        জামায়াতে ইসলামী – “আদর্শের দল” নাকি “১৯৭১ এর দল”?

                        ১৯৭১ সাল: মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

                        এটা জামায়াতের ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত অংশ।

                        প্রধান অভিযোগ:

                        1. রাজনৈতিক অবস্থান: ১৯৭১ এ জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের অখণ্ডতার পক্ষে ছিল। তারা মুক্তিযুদ্ধকে “ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ” বলতো।
                        2. শান্তি কমিটি ও আল-বদর/আল-শামস: জামায়াতের ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের নেতা-কর্মীরা তখন “আল-বদর” ও “আল-শামস” বাহিনী গঠনে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ। এই বাহিনী বুদ্ধিজীবী হত্যা, নির্যাতনে যুক্ত ছিল বলে বলা হয়।
                        3. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল: ২০১০ সালে গঠিত ICT তে জামায়াতের শীর্ষ ৭ নেতার বিচার হয়।

                        ট্রাইব্যুনালের রায়ে দোষী সাব্যস্তরা:
                        নাম পদ অভিযোগ রায়
                        গোলাম আযম সাবেক আমির মানবতাবিরোধী অপরাধে নেতৃত্ব ৯০ বছরের জেল, আপিলে মারা যান
                        মতিউর রহমান নিজামী আমির বুদ্ধিজীবী হত্যা, গণহত্যা ফাঁসি – ২০১৬
                        আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ সেক্রেটারি জেনারেল আল-বদর গঠন, বুদ্ধিজীবী হত্যা ফাঁসি – ২০১৫
                        আব্দুল কাদের মোল্লা সহকারী সেক্রেটারি মিরপুরে গণহত্যা ফাঁসি – ২০১৩
                        কামারুজ্জামান সহকারী সেক্রেটারি শেরপুরে গণহত্যা ফাঁসি – ২০১৫
                        দেলোয়ার হোসেন সাঈদী নায়েবে আমির পিরোজপুরে হত্যা, ধর্ষণ যাবজ্জীবন
                        মীর কাসেম আলী নির্বাহী পরিষদ চট্টগ্রামে নির্যাতন কেন্দ্র ফাঁসি – ২০১৬

                        ১৯৭১ পরবর্তী – ২০০১: রাজনীতি ও অভিযোগ

                          ১৯৭৯ সালে দল নিষিদ্ধতা উঠে যাওয়ার পর জামায়াত আবার রাজনীতিতে আসে।

                          প্রধান অভিযোগ:

                          1. ১৯৯১-১৯৯৬ বিএনপি সরকার: জোটে থাকলেও বড় দুর্নীতির অভিযোগ তেমন সামনে আসেনি।
                          2. ২০০১-২০০৬ বিএনপি-জোট সরকার: জামায়াত ২টা মন্ত্রণালয় পায়।
                          • মতিউর রহমান নিজামী: শিল্পমন্ত্রী। অভিযোগ: সার কারখানা, চিনি কলে অনিয়ম।
                          • আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী।
                          • ২০০৫ সার কেলেঙ্কারি: উত্তরবঙ্গে সার সংকটের সময় কৃষক নিহতের ঘটনায় জামায়াতের মন্ত্রীর দায় নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

                          ২০০৬ – ২০২৩: অর্থনৈতিক অনিয়ম ও নিষেধাজ্ঞা

                          দুর্নীতির অভিযোগ

                            • ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ইন্সুরেন্স, IBBL এর পরিচালনায় জামায়াতের প্রভাব থাকার অভিযোগ। ২০১৭ পর সরকার IBBL এর বোর্ড পরিবর্তন করে।
                            • এতিম তহবিল: দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর নামে মসজিদ-মাদ্রাসার জন্য বিদেশি ফান্ড কালেকশন নিয়ে প্রশ্ন।
                            • ট্রেড লাইসেন্স ও টেন্ডার: ২০০১-২০০৬ এ জামায়াত নেতাদের এলাকায় ঠিকাদারি পাওয়ার অভিযোগ বিরোধীরা করতো।

                            রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা

                              • ২০১৩: হাইকোর্ট জামায়াতের নিবন্ধন “অবৈধ” ঘোষণা করে। কারণ: দলের গঠনতন্ত্রে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের কথা আছে, যা সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক।
                              • ২০২৩: সরকার “জামায়াত-শিবির” কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করে নাই, তবে নির্বাচন কমিশনে তাদের নিবন্ধন নেই।

                              সহিংসতার অভিযোগ

                                • ২০১৩-২০১৪: যুদ্ধাপরাধের বিচার ও নেতাদের ফাঁসির প্রতিবাদে সারাদেশে হরতাল, ভাংচুর, বাসে আগুন। সরকারের হিসাব: ৫০+ মানুষ নিহত।
                                • ২০১৫: বাসে পেট্রোল বোমা হামলার অভিযোগ।

                                জনগণ কি ভুলে গেছে? মাঠের ৩ টি চিত্র

                                রাজধানীর ৫টি জেলা ও ৩টি বিভাগে কথা বলে যা পেলাম:

                                ক) “বাধ্য হয়ে বিএনপি” – মধ্যবিত্ত ও তরুণ
                                মিরপুরের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া রাফি বলে, “আওয়ামী লীগকে আর চাই না। ১৫ বছরে নিঃশ্বাস বন্ধ। কিন্তু বিএনপির ২০০১ ও মনে আছে। এখন নতুন মুখ চাই, নইলে আবারো ১-১ হবে।”

                                খ) “বিএনপির ভয়ে” – গ্রাম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী
                                টাঙ্গাইলের এক ইউপি সদস্য বলেন, “বিএনপি আসলে আবার বাড়ি-ঘর ভাঙবে। আর আওয়ামী লীগ না থাকলে উন্নয়ন থেমে যাবে। আমরা আসলে ভয়ে আছি।”

                                গ) “তৃতীয় শক্তি কোথায়?” – সাধারণ ভোটার
                                চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী জামাল সাহেবের প্রশ্ন, “৫ আগস্ট তো নতুন বাংলাদেশের জন্য হলো। এখন আবার পুরনো দুইটা দল? বিকল্প কই?”

                                ৩. বিশ্লেষকরা কি বলছেন?

                                রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. দিলারা চৌধুরী বলেন,
                                “জনগণ ক্ষুব্ধ। কিন্তু স্মৃতি স্বল্পমেয়াদী। আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের ব্যর্থতা মানুষের চোখে টাটকা। তাই বিএনপি অটোমেটিক ‘ডিফল্ট অপশন’ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিএনপিও যদি ২০০১ এর ক্ষত না মুছে, মানুষ আবার রাস্তায় নামবে।”

                                সিপিডির গবেষক ড. ফাহমিদুল হক বলেন,
                                “আগামীর নির্বাচন হবে ‘কার চেয়ে কে কম খারাপ’ এর নির্বাচন। যদি দুই দলই সংস্কার, দুর্নীতির বিচার আর তরুণদের সামনে না আনে, তাহলে ভোটার টার্নআউট ৪০% এর নিচে নামবে।”

                                ৪. তাহলে সমাধান কি?

                                জনগণের সামনে ৩টা রাস্তা:

                                1. বিএনপিকে সুযোগ দেওয়া: “একবার দেখি” নীতি। শর্ত: তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের ভিতরে সংস্কার।
                                2. আওয়ামী লীগকে ফেরানো: “উন্নয়ন বনাম গণতন্ত্র” এর হিসাব। শর্ত: নেতাদের বিচার ও দলের কাঠামো বদল।
                                3. তৃতীয় শক্তি: নতুন রাজনৈতিক দল। কিন্তু সাংগঠনিক শক্তি ও টাকা দুটোই নেই।

                                শেষ কথা
                                ৫ আগস্ট মানুষ জীবন দিয়েছে “ভোটের অধিকার” এর জন্য। এখন সেই ভোট দিতে গিয়ে মানুষ দোটানায়। দুই দলেরই অতীত আছে, দুই দলেরই অপরাধ আছে।

                                প্রশ্ন হলো — জনগণ কি আবার “বাধ্য হয়ে” ভোট দেবে, নাকি এবার “ইচ্ছে করে” নতুন কিছু চাইবে?

                                উত্তরটা ব্যালট বাক্সেই। আর সময় মাত্র কয়েক মাস।

                                0 শেয়ার করুন
                                0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

                                ৫ আগস্টের রক্তস্নাত সাভার-আশুলিয়া, পতনোত্তর গণহত্যা ও ভ্যানে লাশের স্তূপ

                                Stock News BD August 6, 2024

                                সাভার: ৫ আগস্ট ২০২৪; বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক ও একই সাথে চরম নির্মমতার দিন। দুপুরের পর দীর্ঘ ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে শেখ হাসিনা যখন দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান, তখন পুরো দেশ মেতেছিল বিজয়ের উল্লাসে। কিন্তু রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠ সাভার এবং আশুলিয়ায় নেমে এসেছিল ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্টতম ও নৃশংসতম অন্ধকার। সরকার পতনের খবর নিশ্চিত হওয়ার পরেও সাভার ও আশুলিয়া থানা পুলিশ এবং স্থানীয় তৎকালীন সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা ছাত্র-জনতার ওপর যুদ্ধক্ষেত্রের মতো নির্বিচারে স্নাইপার ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে গুলি চালায়। ৫ আগস্ট দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সাভার ও আশুলিয়াকে পরিণত করা হয় এক রক্তাক্ত ডেথ ভ্যালিতে।

                                গণহত্যার পটভূমি ও পতনোত্তর আক্রমণ

                                প্রত্যক্ষদর্শী ও বিভিন্ন মানবাধিকার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ৫ আগস্ট সকাল থেকেই সাভার বাসস্ট্যান্ড, পাকিজা মোড়, বাইপাইল এবং আশুলিয়া থানা সংলগ্ন এলাকায় ছাত্র-জনতা জড়ো হতে থাকে। দুপুরের দিকে শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও পালিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা আনন্দ মিছিল বের করে।

                                ঠিক সেই মুহূর্তে সাভারের পাকিজা ইউ-লুপ এবং আশুলিয়া থানার সামনে অবস্থান নেওয়া পুলিশ সদস্যরা কোনো উসকানি ছাড়াই আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে সরাসরি বুক ও মাথা লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। পলায়নপর স্বৈরাচারের শেষ আক্রোশ যেন ভর করেছিল সাভার ও আশুলিয়া পুলিশের ওপর। বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে এই নৃশংসতা।

                                লাশ পুড়িয়ে প্রমাণ লোপাটের বর্বরতা

                                এই গণহত্যার সবচেয়ে লোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে আশুলিয়া থানার সামনে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ১ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, আশুলিয়া থানার ওসি সায়েদ এবং এএসআই বিশ্বজিৎসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা ৬ জন যুবকের মরদেহ ভ্যানে তুলে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। উদ্দেশ্য ছিল গণহত্যার প্রমাণ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা এবং বিষয়টিকে আন্দোলনকারীদের সহিংসতা হিসেবে চালিয়ে দেওয়া। এই ঘটনায় পরবর্তীতে ওসি সায়েদ, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী এবং ডিবির পরিদর্শক আরাফাত হোসেনসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

                                সাভার ও আশুলিয়ার কয়েকজন বীর শহীদদের তালিকা

                                ৫ আগস্টের এই গণহত্যায় সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ এবং আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য মরদেহ আনা হয়। গণমাধ্যম ও স্থানীয় সুত্রে নিশ্চিত হওয়া কয়েকজন বীর শহীদের নাম ও পরিচয় নিচে তুলে ধরা হলো:

                                শহীদের নামবয়স/পরিচয়মৃত্যুর স্থান/কারণ
                                রমজান আলী৩৫ বছর, আশুলিয়াবুকের বাম পাশে গুলি লেগে সাভারে শহীদ হন।
                                তৌহিদুর রহমান২৮ বছরপুলিশের গুলিতে সাভারে শহীদ হন।
                                মুজাহিদ২৪ বছরসাভারে পুলিশের গুলিতে শহীদ।
                                রাসেল২৪ বছরসাভারে পুলিশের গুলিতে শহীদ।
                                নাফিসা হোসেনশিক্ষার্থীসাভার পাকিজা মডেল মসজিদের সামনে বুকে গুলি লেগে শহীদ হন।
                                শ্রাবণ গাজী২১ বছর‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে সাভার নিউ মার্কেট এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ।
                                জাহিদুল ইসলাম২৫ বছরআশুলিয়া এলাকায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।
                                স্বপন প্রামাণিক২০ বছরআশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মৃত ঘোষণা করা হয়।
                                রফিকসাধারণ নাগরিকসাভারে পুলিশের গুলিতে শহীদ।
                                নিশানসাধারণ নাগরিকসাভারে পুলিশের গুলিতে শহীদ।
                                শব্দসাধারণ নাগরিকসাভারে পুলিশের গুলিতে শহীদ।
                                আব্দুল আহাদ সৈকতশিক্ষার্থী/আন্দোলনকারীসাভারের রাজপথে পুলিশের গুলিতে শহীদ।
                                মোহাম্মদ হৃদয় আহমেদআন্দোলনকারীসাভার এলাকায় মাথায়/বুকে গুলি লেগে শহীদ হন।
                                আলামিন হোসেনআন্দোলনকারীসাভারে সংঘর্ষের সময় গুলিতে শহীদ।
                                মিঠু বিশ্বাসসাধারণ নাগরিকসাভারে নির্বিচার গুলিতে শহীদ।
                                মারুফআন্দোলনকারীসাভার ও আশুলিয়া এলাকার সংঘর্ষে শহীদ।

                                (উল্লেখ্য, এই তালিকায় থাকা নামের বাইরেও আশুলিয়ায় ভ্যানে পুড়িয়ে দেওয়া অজ্ঞাতনামা শহীদ এবং বিভিন্ন হাসপাতালে আনা আরও বহু লাশের সুনির্দিষ্ট পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি, যাদেরকে স্থানীয়রা পরবর্তীতে বিভিন্ন কবরস্থানে দাফন করেন।)

                                ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে সাভার ও আশুলিয়ায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড শুধু রাজনৈতিক সহিংসতা নয়, বরং এটি পরিকল্পিত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড (Extrajudicial Killing) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের চরমতম লঙ্ঘন (Gross Violation of Human Rights)। স্বৈরাচারী সরকারের পতনের ঠিক পূর্বমুহূর্তে এবং পতনোত্তর সময়ে সাধারণ নিরস্ত্র নাগরিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর রাষ্ট্রীয় বাহিনীর এই মরিয়া ও নিষ্ঠুর আক্রমণ বিশ্ব বিবেককে স্তব্ধ করে দিয়েছিল।

                                মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে এই গণহত্যার ক্ষতিকর দিক ও বিশ্লেষণ নিচে তুলে ধরা হলো:

                                ১. জীবনের মৌলিক অধিকার হরণ (Right to Life)

                                জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা (UDHR)-এর অনুচ্ছেদ ৩ এবং আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার চুক্তি (ICCPR)-এর অনুচ্ছেদ ৬ অনুযায়ী—প্রত্যেক মানুষের বেঁচে থাকার জন্মগত অধিকার রয়েছে এবং আইনসম্মত বিচার প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে তার জীবন থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। সাভার ও আশুলিয়ায় পুলিশ কোনো প্রকার আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে, কোনো সতর্কতা না দিয়ে সরাসরি ছাত্র-জনতার বুক ও মাথায় স্নাইপার ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে গুলি করেছে। এটি আন্তর্জাতিক আইনের চোখে একটি জঘন্য অপরাধ।

                                ২. বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার

                                আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মূল দায়িত্ব নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া। কিন্তু ৫ আগস্ট সাভার-আশুলিয়ায় পুলিশ নিজেই ঘাতকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। কোনো স্বাধীন দেশে আদালত বা আইনি প্রক্রিয়া ব্যতিরেকে এভাবে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে মানুষকে হত্যা করা আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর শামিল। এটি প্রমাণ করে যে, তৎকালীন সময়ে রাষ্ট্রযন্ত্রকে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা স্বৈরাচার রক্ষায় জনগণের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

                                ৩. মৃতদেহের বিকৃতি ও মানবিক মর্যাদার চরম অবমাননা

                                আশুলিয়া থানার সামনে নিহতদের মরদেহ ভ্যানে স্তূপ করে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিকৃষ্টতম উদাহরণ।

                                • আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী, জীবিত মানুষের পাশাপাশি একজন মৃত মানুষের মরদেহেরও ন্যূনতম সম্মান পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
                                • লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার এই পাশবিক চেষ্টা শুধু প্রমাণ লোপাট ছিল না, এটি ছিল নিহতদের পরিবারকে তাদের প্রিয়জনের শেষ বিদায় জানানোর এবং ধর্মীয় অনুশাসন অনুযায়ী দাফন করার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা। এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের ভাষায় ‘ক্রাইম এগেইনস্ট হিউম্যানিটি’ বা মানবতাবিরোধী অপরাধের স্পষ্ট লক্ষণ।

                                ৪. ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথে বাধা ও ভয়ের সংস্কৃতি

                                বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অন্যতম বড় প্রভাব হলো এটি সমাজে একটি তীব্র ভয়ের সংস্কৃতি (Culture of Fear) তৈরি করে। সাভার-আশুলিয়ায় যেভাবে সাধারণ পথচারী ও শিক্ষার্থীদের গুলি করা হয়েছে, তা নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার—যেমন স্বাধীনভাবে চলাফেরা ও মত প্রকাশের অধিকারকে মারাত্মকভাবে খর্ব করে। এছাড়া লাশ পুড়িয়ে ফেলার কারণে অনেক শহীদের পরিচয় আজ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি, যা তাদের পরিবারের জন্য আজীবন এক নির্মম মানসিক যন্ত্রণা (Mental Torture) এবং আইনি বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় অন্তরায়।

                                0 শেয়ার করুন
                                0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

                                জুলাই ২০২৪: আন্দোলন, রক্তপাত, প্রতিরোধ ও প্রবাসী প্রচারণা

                                Stock News BD July 30, 2024

                                বিশেষ প্রতিবেদন:
                                ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ছাত্র-জনতার আন্দোলন সংঘটিত হয়। স্বৈরাচারী শাসক শেখ হাসিনার লেলিয়ে দেওয়া বাহিনী ও দলীয় ক্যাডারদের গুলিতে ঢাকার রাজপথ যখন রক্তে রঞ্জিত হচ্ছিল, তখন সেই রক্তপাতের খবর বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। দেশের ভেতরের এই নির্মমতার বিরুদ্ধে পৃথিবীর নানা প্রান্তে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা গড়ে তোলেন এক অভূতপূর্ব ও শক্তিশালী প্রতিরোধ দেয়াল।

                                বিশ্বজুড়ে প্রবাসীদের গর্জন ও সমাবেশ
                                বাংলাদেশের ছাত্রদের ওপর নির্মম নির্যাতনের প্রতিবাদে প্রবাসীরা রাজপথে নেমে আসেন। ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসীরা বিশাল সমাবেশ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

                                • ফ্রান্সের প্রতিরোধ: প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বর (Place de la République), বাস্তিল চত্বর (Place de la Bastille) এবং বিশ্বখ্যাত আইফেল টাওয়ার চত্বর প্রবাসীদের স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে। তাঁরা ব্যানার, ফেস্টুন ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হাতে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পদত্যাগ এবং গণহত্যার বিচার দাবি করেন।
                                • বৈশ্বিক সংহতি: একইভাবে নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ার, লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ার, টরন্টো, রিয়াদ এবং দুবাইয়ের রাস্তায় হাজার হাজার বাঙালি প্রবাসী একত্রিত হয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান। তারা বিশ্ববাসীর কাছে শেখ হাসিনা সরকারের ফ্যাসিবাদের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন।

                                অর্থনৈতিক ধাক্কা: ডাঃ পিনাকী ভট্টাচার্য ও রেমিট্যান্স শাটডাউন
                                এই আন্দোলনের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট ছিল প্রবাসীদের অর্থনৈতিক প্রতিরোধ। ফ্রান্স প্রবাসী বিশিষ্ট লেখক, চিন্তক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ডাঃ পিনাকী ভট্টাচার্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবাসীদের প্রতি এক বৈপ্লবিক আহ্বান জানান। তিনি বৈধ চ্যানেলে বাংলাদেশে টাকা পাঠানো বন্ধ করার জন্য ‘রেমিট্যান্স শাটডাউন’ (Remittance Shutdown)-এর ডাক দেন।

                                এই আহ্বান প্রবাসীদের মাঝে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে ইউরোপ-আমেরিকার প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে টাকা পাঠানো সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন। এর ফলে:

                                • ফ্যাসিস্ট সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে তীব্র টান পড়ে।
                                • ডলার সংকটে পড়ে সরকারের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক চাকা প্রায় অচল হয়ে যায়।
                                • আন্তর্জাতিক মহলে স্বৈরাচারী সরকারের ওপর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

                                ফ্যাসিবাদী ভিত্তির ভাঙন
                                বিশ্বব্যাপী প্রবাসীদের এই তীব্র প্রচারণা, রাজপথের বিক্ষোভ এবং ‘রেমিট্যান্স শাটডাউন’-এর যৌথ ধাক্কায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ক্ষমতার ভিত্তি পুরোপুরি নড়ে যায়। প্রবাসী বাঙালিদের এই বীরত্বপূর্ণ অবদান ও প্রচারণা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

                                0 শেয়ার করুন
                                0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

                                দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মেহেম পালন করছে বিএনপি-জামায়াত: প্রধানমন্ত্রী

                                Stock News BD July 26, 2024
                                দেশের দেবত্বকে ক্ষুণ্ন করতে মেহেম পালন করছে বিএনপি-জামায়াত: প্রধানমন্ত্রী
                                প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর রামপুরায় বিটিভি ভবনে সফর শেষে গণমাধ্যমকে অবহিত করে সংবাদ সম্মেলন করেন। ছবি: বিএসএস

                                প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি-জমায়াত ও শিবির বিদেশে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়নকে ক্ষুণ্ন করার জন্য দেশব্যাপী মেহেম চালিয়েছে, দেশের নাগরিকদের এই বিপর্যয়ে জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে এবং তাদের বিচারের আওতায় আনতে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছে।

                                “এই ধরনের ঘটনার সাথে জড়িত তাদের অবশ্যই দেশের প্রতিটি নুক এবং ক্র্যানি অনুসন্ধান করে চিহ্নিত করতে হবে, যেখানে তারা অবস্থান করছে। আমি দেশবাসীদের কাছ থেকে তাদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের বিচারের মুখোমুখি করার জন্য সমর্থন চাইছি, “তিনি বৃহস্পতিবার (18 জুলাই) সেখানে পরিচালিত র্যাম্প পরিদর্শনের জন্য শহরের রামপুরায় বিটিভি ভবন পরিদর্শনের পরে বলেছিলেন।

                                প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াত ২০১৩ সালে দেশব্যাপী অগ্নিসংযোগ সন্ত্রাস ও ভাঙচুর চালায় যেখানে তারা ৩,৮০০ গাড়ি, ২৯টি ট্রেন এবং ৮টি লঞ্চে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং এবার তারা কোটা সংস্কার আন্দোলনে নগদ অর্থে ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই সকাল থেকে দেশজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করে।

                                “তবে, এই সময়টি আগুন লাগানোর বৈশিষ্ট্য পূর্ববর্তীগুলির তুলনায় আলাদা। “তারা, এই সময়, আগুন লাগানোর জন্য গানপাউডার ব্যবহার করেছিল এবং কিছু সময়ে সবকিছু ছাই হয়ে গিয়েছিল,” তিনি বলেছিলেন।

                                0 শেয়ার করুন
                                0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

                                সহিংসতায় আক্রান্ত বিটিভি ভবন পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর

                                Stock News BD July 26, 2024
                                সহিংসতায় আক্রান্ত বিটিভি ভবন পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর
                                প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার রাজধানীর রামপুরায় বিটিভি ভবন পরিদর্শনে যাচ্ছেন। ছবি: বিএসএস

                                প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার সকালে রাজধানী শহরের রামপুরায় সহিংসতায় আক্রান্ত রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবন পরিদর্শন করেছেন।

                                তিনি সকাল ৯:১৩ টার দিকে বিটিভি ভবনে প্রবেশ করেন এবং কোটা-সংস্কার আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে বিএনপি-জমায়াত চক্রের দ্বারা বৃহস্পতিবারের মেহেমে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সমস্ত বিভাগ পরিদর্শন করেন।

                                বিটিভি ভবনে ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা প্রত্যক্ষ করার পর প্রধানমন্ত্রীকে হতাশ ও অসন্তুষ্ট হতে দেখা গেছে।

                                বিটিভি ভবনে ধ্বংসযজ্ঞের ধ্বংসাবশেষ দেখে বিটিভি কর্মকর্তারা অশ্রু চেপে ধরার চেষ্টা করার সময় তাকে অশ্রু-চোখও দেখা গিয়েছিল।

                                এর মহাপরিচালক সহ উচ্চ আধিকারিকরা ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম বিটিভি ভবনে উন্মাদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়েছেন।

                                বিটিভি সদর দফতর এবং বিটিভি ভবনে ভাঙচুরের বিষয়ে একটি ভিডিও উপস্থাপনাও এই অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয়েছিল।

                                প্রধানমন্ত্রীকে বিটিভি মাহফুজা আক্তারের কান্নার সাধারণ ব্যবস্থাপককে সান্ত্বনা দিতে দেখা গেছে।

                                এ সফরে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

                                এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন, মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া ও প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ লেখক এম নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

                                18 জুলাই বিকেলে, বড় সংখ্যার দুর্বৃত্তরা তার প্রধান গেটটি ভেঙে বিটিভি ভবনে প্রবেশ করেছিল।

                                তারা প্রথমে সেখানে পার্ক করা বেশ কয়েকটি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং পরে বিটিভি ভবনের ভিতরে গিয়ে বিভিন্ন তলায় বিভিন্ন বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত ও টর্চার করে।

                                একই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বিটিভির নিয়ন্ত্রণ নেয়।

                                বুধবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনে যাওয়ার একদিন পর প্রধানমন্ত্রী বিটিভি ভবন পরিদর্শন করেন।

                                বিটিভির সরবরাহিত উপলব্ধ পরিসংখ্যান অনুসারে, বিটিভির বিভিন্ন অবকাঠামো, সম্প্রচার সরঞ্জাম, নকশা বিভাগ, অফিস বিল্ডিং এবং কক্ষগুলিতে এই র্যাম্পটি বিপর্যয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

                                ভাংচুরে, ১৯৬৪ সাল থেকে সংরক্ষিত অমূল্য প্রাচীন নিদর্শনগুলির সাথে সজ্জিত একটি টেলিভিশন যাদুঘরটি খারাপভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল এবং তাই মুজিব কর্নার, লিবারেশন যুদ্ধের স্মৃতিসৌধ, অভ্যর্থনা এবং ওয়েটিং রুমের আসবাব, কম্পিউটার, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণকারী (এসি) এবং অন্যান্য আইটেমের সাথে।

                                কম্পিউটার ল্যাবে প্রায় 40 টি কম্পিউটার, 100 টেলিভিশন সেট এবং আসবাবপত্র, প্রশিক্ষণ কক্ষ এবং পূর্বরূপ কক্ষও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

                                লিফট, নেটওয়ার্ক সরঞ্জাম, সিসি ক্যামেরা এবং পর্যবেক্ষণ সেটগুলিও খারাপভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল।

                                যানবাহন ভবন এবং শেড, ক্যান্টিন এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কক্ষ; একটি সম্প্রচার ওবি ভ্যান সহ 17 টি যানবাহন, 21 মোটরসাইকেল আগুন লাগানো হয়েছিল এবং নয়টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছিল।

                                এগুলি ছাড়াও, অডিটোরিয়াম, লাউঞ্জ, ডিজাইন, মেক-আপ, ওয়ার্কশপ, গ্রাফিক্স রুম, স্টোর / পোশাক কক্ষ এবং 20 গ্রাফিকের কম্পিউটারও ছড়িয়ে পড়েছিল।

                                ডিজাইন শেড, স্টুডিও ছাদ, দেয়াল, ভবন এবং নাগরিক অবকাঠামো; কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং প্রায় 70 বিভক্ত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণকারী (এসি); সরকারী আসবাবপত্র, পাঁচটি ফটোকপি মেশিন এবং প্রায় 50 টি সরকারী কম্পিউটারও হ্যাক করা হয়েছিল।

                                ১০ টি কম্পিউটার ওয়ার্কস্টেশন, বৈদ্যুতিক তারগুলি, সুইচ, স্পর্শকাতর যন্ত্রপাতি, রেকর্ডিং ক্যামেরা, আলো উত্স এবং সম্পর্কিত সরঞ্জাম সহ একশো পর্যবেক্ষণ সেট; গুরুত্বপূর্ণ সরকারী ফাইল, নথি, শিল্পী সম্মান-সম্পর্কিত লেজার, ব্যাংক বই, ভাউচার, অডিট বিল ইত্যাদি, র্যাম্পের সময়ও ভাঙচুর করা হয়েছিল।

                                0 শেয়ার করুন
                                0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

                                ধ্বংসযজ্ঞের বর্ণনা দেওয়ার মতো ভাষা আমার নেই: প্রধানমন্ত্রী ।

                                Stock News BD July 25, 2024
                                ধ্বংসযজ্ঞের বর্ণনা দেওয়ার মতো ভাষা আমার নেই: প্রধানমন্ত্রী
                                প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকার মিরপুর ১০ মেট্রোরেল স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনা পরিদর্শন করেছেন। বিএসএস ছবি।

                                প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার মিরপুর-১০ মেট্রো রেল স্টেশন ভাংচুরের জন্য সফর করার সময় দেশব্যাপী মেহেমের সময় সরকারী স্থাপনাগুলির ব্যাপক ধ্বংসের জন্য দেশবাসীর কাছ থেকে ন্যায়বিচার চেয়েছিলেন।

                                “দেশের জনগণকে তাদের (দেশব্যাপী মেহেমের সাথে জড়িত অপরাধী) বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। আমি জনগণের কাছ থেকে ন্যায়বিচার চাই। তিনি বলেন, ‘ধ্বংসযজ্ঞের বর্ণনা দেওয়ার মতো ভাষা আমার কাছে নেই।

                                প্রধানমন্ত্রী ঢাকার মিরপুর ১০ মেট্রোরেল স্টেশনে গুরুতর ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর আবেগঘন কণ্ঠে দেশবাসীর কাছে আবেদন করেন বলে জানিয়েছেন বিএসএস।

                                তিনি 17 জুলাই থেকে একাধিক দিন ধরে ছড়িয়ে পড়া নৈরাজ্যবাদীদের প্রতিরোধ করার জন্য দেশবাসীর প্রতিও আহ্বান জানান এবং গত 15 বছরে নির্মিত সরকারী স্থাপনাগুলিকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেন যাতে জনজীবন সহজ করা যায় এবং বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তরিত করে, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নগদীকরণ করা হয়।

                                প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার উত্তরা থেকে মোতিঝিল পর্যন্ত মেট্রো রেলটি সবচেয়ে আধুনিক সরঞ্জাম দিয়ে তৈরি করেছে কারণ প্রায় ২.৫ লক্ষ মানুষ তাদের কাজের জায়গায় যায় এবং কয়েক ঘন্টা ধরে জ্যামে আঘাত না করে স্বল্পতম সময়ে মেট্রো রেলের মাধ্যমে সহজেই বাড়ি ফিরিয়ে দেয়।

                                “আমাদের মেট্রো রেলের সমস্ত কিছু যা মেট্রো রেল এবং পরিষেবা অন্তর্ভুক্ত করে তা আন্তর্জাতিক মানের। আমি সারা বিশ্বের অনেক দেশ ঘুরেছি। তবে, আমাদের মেট্রো রেল সবচেয়ে আধুনিক, “তিনি বলেছিলেন।

                                “কিন্তু, কি গুরুতর ধ্বংস আমি আজ দেখেছি (মীরপুর 10 এ মেট্রোরেল স্টেশনের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করার পরে) । দেশের মানুষ কীভাবে এমন কাজ করতে পারে? কিন্তু, তারা এটি করেছে, “তিনি বলেছিলেন।

                                তিনি আরও বলেছিলেন যে মেট্রো রেল নির্মাণের সাথে জড়িত প্রতিটি কর্মকর্তা এখন উন্মাদ বিপর্যয় দেখে তাদের চোখে অশ্রু ফেলেছে।

                                “মেট্রো রেলের সুবিধাভোগী কারা?” প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন।

                                “আমার সরকারি কর্মকর্তা, মন্ত্রী এবং আমি কি কেবল মেট্রো রেল বা জনগণের উপর চড়ব? কারা এর সুফল পাচ্ছে? আপনি, দেশবাসী ও সাধারণ মানুষ এর সুফল পাচ্ছেন। সুতরাং, আমার প্রশ্ন হল কেন মেট্রো রেলের উপর এত ক্ষোভ, “তিনি বলেছিলেন।

                                তিনি আরও বলেন, মেট্রো রেলস্টেশন কবে চালু হবে তা তিনি জানতেন না।

                                প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে মনে করিয়ে দেন যে, অনেক বাধার মুখোমুখি হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের আগেই তারা মেট্রো রেল নির্মাণ করেছেন।

                                তিনি বলেন, মেট্রো-রেল নির্মাণের জন্য সরকারকে এত বাধা অতিক্রম করতে হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই এটি সম্পন্ন হয়েছে।

                                বিএনপি-জামাত জোটের ব্যাপক ধ্বংসের মধ্যে ১৮ জুলাই থেকে মেট্রো রেল পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে।

                                ২২ জুলাই গঠনের ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটির ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরে মেট্রো রেল তার কার্যক্রম শুরু করবে।

                                সূত্র: বিএসএস

                                0 শেয়ার করুন
                                0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

                                সাভারে আবারও সালাউদ্দিন এর সেই পুরনো খেলা: এমপি সাইফুল ইসলাম কি এনামের পথেই?

                                Stock News BD June 20, 2024

                                রাস্তায় চাঁদা, গার্মেন্টসে চাঁদা সহ নির্বাচনের আগের মতো সক্রিয় বিএনপি নেতা ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন

                                সাভার: নির্বাচনের পর শুরুতে সাভারে চাঁদাবাজি কিছুটা কমেছিল। নতুন এমপি সাইফুল ইসলামের কড়াকড়ির কারণেই এমনটা হয়েছিল বলে মনে করেছিলেন অনেকে।

                                কিন্তু গত ২ মাস ধরে চিত্রটা আবার ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেছে। বিএনপি নেতা ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এখন আগের আওয়ামী লীগের নেতা ডা. এনামের সময়ের মতোই প্রকাশ্যে সব কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

                                কোথায় কোথায় সক্রিয়?

                                ১. রাস্তার চাঁদা: নবীনগর-চন্দ্রা ও আশুলিয়া-বাইপাইল সড়কে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান থেকে আগের মতোই চাঁদা তোলা হচ্ছে। দিনের বেলায়ই চলছে এই তৎপরতা।

                                ২. গার্মেন্টসে চাঁদা: আশুলিয়ার বিভিন্ন গার্মেন্টস থেকে “নিরাপত্তা ফি” ও “ইউনিয়ন চাঁদার” নামে মাসিক টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

                                ৩. ফুটপাত ও ঝুট: বাজার ও শিল্প এলাকার ফুটপাত এবং ঝুট ব্যবসা আগের নিয়মেই চলছে।

                                ৪. মাদক: কয়েকটি স্পটে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

                                নাজমুল হক নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ” ২ মাস আগেও রাতে চাঁদা নিতো। এখন দিনের বেলায়ই নেয়। পুলিশও কিছু বলে না।”

                                প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান বলেন, “যারা আগে এনাম সাহেবের ছত্রছায়ায় এসব করতো, তারা এখন নতুন এমপির নাম ভাঙিয়েই করছে।”

                                সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এত সাহস পাচ্ছেন কোথা থেকে? প্রকাশ্যে এত বড় বড় কাজ করছেন অথচ বাধা নেই।

                                তাহলে কি এ থেকে ধরেই নেওয়া যায় সবকিছুতে এমপি সাইফুল ইসলামেরও সম্মতি আছে? নাকি তিনি বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত নন?

                                এ বিষয়ে এমপি সাইফুল ইসলামের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

                                সাভারবাসী এখন জানতে চায়, নতুন এমপি কি সত্যিই পরিবর্তন আনবেন, নাকি তিনিও আগের ডা. এনামের পথেই হাঁটবেন?

                                0 শেয়ার করুন
                                0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

                                সাভারে অনিয়ন্ত্রিত গার্মেন্টস বর্জ্য: বুড়িগঙ্গা ধ্বংসের মুখে, বিপর্যস্ত নাগরিক জীবন

                                Stock News BD June 10, 2024
                                ছবিঃ কারখানা ও ওয়াশিং প্ল্যান্টের অপরিশোধিত বিষাক্ত রাসায়নিক মিশ্রিত পানি

                                সাভারের বিভিন্ন তৈরি পোশাক (গার্মেন্টস) কারখানা ও ওয়াশিং প্ল্যান্টের অপরিশোধিত বিষাক্ত রাসায়নিক মিশ্রিত পানি সরাসরি স্থানীয় খালগুলোতে ফেলা হচ্ছে। এই বিষাক্ত তরল বর্জ্য বিভিন্ন খাল ও শাখা নদী হয়ে সরাসরি গিয়ে মিশছে বুড়িগঙ্গা নদীতে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই পরিবেশগত অপরাধের ফলে বুড়িগঙ্গার পানি এখন আলকাতরার মতো কালো ও দুর্গন্ধময় হয়ে পড়েছে। এর ফলে নদীকেন্দ্রিক সামগ্রিক পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং লাখ লাখ মানুষের নাগরিক জীবন চরম বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে।

                                ভয়াবহ দূষণের চিত্র ও রুট

                                অনুসন্ধানে দেখা যায়, সাভার ও আশপাশের এলাকার শত শত পোশাক কারখানার ওয়াশিং ও ডাইং ইউনিটে ইটিপি (বর্জ্য শোধন প্ল্যান্ট) থাকলেও খরচ বাঁচানোর জন্য তা নিয়মিত চালানো হয় না। রাতের আঁধারে বা বৃষ্টির সুযোগ নিয়ে বিষাক্ত ক্ষার, সীসা, ক্যাডমিয়াম এবং ক্রমিয়াম যুক্ত পানি ড্রেন ও খালের মাধ্যমে উন্মুক্ত জলাশয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই বর্জ্য প্রথমে সাভারের ধলেশ্বরী, বংশী নদী ও বিভিন্ন খাল হয়ে সরাসরি বুড়িগঙ্গায় এসে পতিত হচ্ছে।

                                পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ

                                পরিবেশবিদ ও নদী গবেষকরা এই পরিস্থিতিকে একটি “ধীরগতির পরিবেশগত গণহত্যা” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

                                • বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) একজন কেন্দ্রীয় নেতা ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ বলেন:“গার্মেন্টস ও ওয়াশিং কারখানার কেমিক্যাল মিশ্রিত পানি কোনো রকম পরিশোধন ছাড়াই বুড়িগঙ্গায় পড়ার কারণে নদীর দ্রবীভূত অক্সিজেনের (DO) মাত্রা শূন্যের কাছাকাছি নেমে গেছে। এই পানিতে কোনো জলজ প্রাণী বা মাছ বেঁচে থাকতে পারে না। সাভারের চামড়া শিল্পনগরীর পর এখন এই গার্মেন্টস বর্জ্য বুড়িগঙ্গাকে পুরোপুরি একটি মৃত নদীতে পরিণত করছে। আইন আছে, কিন্তু প্রয়োগ নেই।”
                                • একজন পানি সম্পদ বিশেষজ্ঞ ও ঢকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমির এজাজ জানান:“এই বিষাক্ত পানি শুধু নদীর উপরিভাগ নষ্ট করছে না, বরং মাটির নিচে চুইয়ে গিয়ে (Leaching) ভূগর্ভস্থ পানির স্তরকেও মারাত্মকভাবে দূষিত করছে। ভারী ধাতুগুলো খাদ্যের শিকলে (Food Chain) প্রবেশ করছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি।”

                                ভুক্তভোগী জনগণের হাহাকার ও ক্ষোভ

                                নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দা এবং সাধারণ মানুষের জীবন এখন এই দূষণের কারণে দুর্বিষহ।

                                • সাভারের নামাবাজার এলাকার বাসিন্দা শুশান্ত কুমার বলেন:“আগে খালের পানি দিয়ে মানুষ চাষবাস করত। এখন খালের পাশ দিয়ে হাঁটাই যায় না, এত গন্ধ! কারখানার বিষাক্ত পানিতে আমাদের এলাকার টিউবওয়েলের পানিতেও এখন গন্ধ আসে। এই পানি ব্যবহার করে মানুষের শরীরে চুলকানি, চর্মরোগ ও ঘা হয়ে যাচ্ছে।”
                                • বুড়িগঙ্গার কামরাঙ্গীরচর ঘাটের নৌকা মাঝি আলতাফ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:“নদীর পানি এখন আর পানি নাই, কুচকুচে কালো বিষ হয়ে গেছে। বাতাসে যে গন্ধ, তাতে ১০ মিনিট ঘাটে বসে থাকলে মাথা ঘোরে। পেটের দায়ে তাও নদীতে থাকি। আমাদের মতো গরিব মানুষের কথা শোনার কেউ নেই। নদীটা এভাবে চোখের সামনে শেষ হয়ে গেল।”
                                • নদীতীরবর্তী বাসিন্দা গৃহিণী ফাতেমা বেগম বলেন:“মশার উপদ্রব এত বেড়েছে যে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা মশারি টাঙিয়ে রাখতে হয়। বাচ্ছারা সারাবছরই ডায়রিয়া, আমাশয় আর শ্বাসকষ্টে ভোগে। আমরা এই নরক থেকে মুক্তি চাই।”

                                নাগরিক জীবনে বিপর্যয়ের প্রভাব

                                ১. স্বাস্থ্যঝুঁকি: দূষিত পানির সংস্পর্শে আসার কারণে চর্মরোগ, জন্ডিস, টাইফয়েড এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সার ও কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।
                                ২. কৃষি ও মৎস্য সম্পদ ধ্বংস: সাভার ও বুড়িগঙ্গা সংলগ্ন এলাকার জমিতে এই পানি ব্যবহারের ফলে ফসলের উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে এবং নদীর মাছ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
                                ৩. অর্থনৈতিক ক্ষতি: মৎস্যজীবী ও নদীনির্ভর হাজারো মানুষ তাদের জীবিকা হারিয়ে ঢাকা শহরে দিনমজুর বা রিকশাচালক হিসেবে পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন।

                                সমাধানের উপায়

                                বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিপর্যয় থেকে বাঁচতে হলে এখনই কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে:

                                • কারখানাগুলোতে ২৪ ঘণ্টা ইটিপি (ETP) চালু রাখা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং তা অনলাইন মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে।
                                • পরিবেশ আইন অমান্যকারী কারখানার লাইসেন্স বাতিল এবং ভারী জরিমানার ব্যবস্থা করতে হবে।
                                • দূষিত হয়ে যাওয়া খাল ও নদীগুলো দ্রুত খনন করে বর্জ্যের আস্তরণ অপসারণ করতে হবে।

                                সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি এখনই সাভারের এই অনিয়ন্ত্রিত বর্জ্য প্রবাহ বন্ধ না করে, তবে বুড়িগঙ্গাকে আর কখনোই বাঁচানো সম্ভব হবে না এবং ঢাকার চারপাশের পরিবেশ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।

                                0 শেয়ার করুন
                                0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

                                দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন (৭ ই জানুয়ারি ২০২৪)  এর ব্যালট ও ১০ বছরের হিসাব।

                                Stock News BD January 5, 2024

                                ঢাকা-১৯ আসনে ‍আওয়ামী লীগের মনোনিত ডা. এনামুর রহমান

                                সাভার: পোস্টার। মাইক। মিছিল। আবারও নির্বাচনের হাওয়া। আর সেই হাওয়ায় ভেসে আসছে পুরনো নাম – ক্ষমতাসীন দলের মনোনিত ও বর্তমান এমপি ডাঃ এনামুর রহমান ।

                                ডাঃ এনামুর রহমান কে নিয়ে বিগত কয়েক মাস অনুসন্ধান করে যা পেয়েছি তা নিচে তুলে ধরা হলোঃ

                                ১. দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং

                                অনুসন্ধানে দেখা যায়, তার আয়ের সাথে সম্পদের বড় অসঙ্গতি রয়েছে।

                                নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী ২০১৯-২০২৩ পর্যন্ত বৈধ আয় ২ কোটি টাকা, কিন্তু এই সময়ে তার নামে ৮ কোটি টাকার সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে। ৫টি ব্যাংক হিসাবে ১২ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন – একই দিনে বড় অঙ্কের জমা ও উত্তোলন – যা মানি লন্ডারিংয়ের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়।

                                ২. স্ত্রীর নামে ২৮ কোটি টাকার সম্পদ

                                অনুসন্ধানে দেখা যায়, তার স্ত্রী রওশন আক্তার চৌধুরীর নামে একটি আবাসন প্রকল্পে ২৮ কোটি টাকা মূল্যের ১০টি প্লট ও মেডিকেল কলেজের শেয়ার রয়েছে। স্ত্রীর পেশা গৃহিণী দেখানো হলেও এত সম্পদের উৎস হলফনামায় স্পষ্ট করা হয়নি।

                                ৩. নিয়োগ বাণিজ্য:

                                ২০২২-২০২৩ সালে তার মেডিকেল কলেজে ৩০ জন নার্স ও ১৫ জন কর্মচারী নিয়োগে জনপ্রতি ৩-৫ লাখ টাকা নেওয়ার লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে কলেজের পরিচালনা বোর্ডে। অভিযোগকারী ৫ জন প্রার্থী জানান, টাকা দিতে না পারায় মেধা তালিকায় থেকেও তাদের বাদ দেওয়া হয়।

                                ৪. নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন:

                                ৩ জানুয়ারি ২০২৪, নির্বাচনী প্রচারণার সময় সরকারি স্কুলের মাঠে তার সমর্থকরা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে এবং স্কুলের মাইক ব্যবহার করে প্রচারণা চালায়, যা নির্বাচনী আচরণবিধির ১২(ক) ধারার লঙ্ঘন। এ ঘটনায় সহকারী রিটার্নিং অফিসার তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন।

                                ডাঃ এনামুর রহমান একজন ডাক্তার, পাশাপাশি সে একজন এমপি। তার দুইটি পেশাই হওয়া উচিৎ ছিলো সেবা। অথচ তিনি ক্ষমতার আসনে বসে অন্যায়, অনিয়মের মাধ্যমে দেশের ও জনগনের অর্থ লুট করেছে। এসব অন্যায়, অনিয়মের জবাব দেওয়া সময় এখন জনগনের হাতেই এসেছে। ৭ জানুয়ারী ব্যালটের হিসাবেই আমরা বুঝতে পারবো জনগণের কি রায়। আগামী ৫ বছর কি আরও অন্যায়, অনিয়মের অন্ধকারে থাকতে চায় নাকি দেখতে চায় নতুন সূর্যের আলো।

                                0 শেয়ার করুন
                                0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
                                পরবর্তী সংবাদ
                                পূর্ববর্তী সংবাদ

                                সর্বশেষ খবর

                                • সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. বি. চৌধুরীর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী ৫ অক্টোবর

                                • সামুদা এডিবল অয়েলকে ডিজিটাল ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সল্যুশন দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

                                • রাজধানীর বনানী কাঁচা বাজারে বাংলা কিউআর লেনদেন বিষয়ক প্রচারণামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

                                • মশিহর সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারীদের চেক বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত

                                • পুঁজিবাজারে লেনদেন সহজ করতে ব্র্যাক ব্যাংক ও মিডওয়ে সিকিউরিটিজের চুক্তি

                                সর্বাধিক পঠিত

                                • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

                                • সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. বি. চৌধুরীর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী ৫ অক্টোবর

                                • সামুদা এডিবল অয়েলকে ডিজিটাল ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সল্যুশন দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

                                • ঢাকা-১৯ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: ক্ষমতার লড়াইয়ে বড় দুই শিবির, ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে স্বৈরতন্ত্রের পুনরাবৃত্তি রোধের আহ্বান

                                • পরিবেশ রক্ষা ও তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর অবাধ পানি প্রবাহের দাবীতে গণ-সমাবেশ ও বিক্ষোভ প্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়

                                • সাভার ও আশুলিয়া কি সালাউদ্দিন বাবুর পারিবারিক সম্পত্তিতে পরিনত হয়েছে?

                                • গোপনীয়তা নীতি
                                • নীতিমালা
                                • যোগাযোগ

                                সম্পাদক ও প্রকাশক
                                মোঃ শামীম রেজা
                                মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
                                ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
                                মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
                                অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
                                স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


                                Back To Top
                                Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
                                • হোম
                                • শেয়ার বাজার
                                  • আজকের লেনদেন
                                  • কোম্পানি সংবাদ
                                  • বোর্ড সভা
                                  • এজিএম / ইজিএম
                                  • আইপিও / রাইট
                                  • লভ্যাংশ
                                  • উপদেশ
                                  • পিএসআই
                                • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
                                • জাতীয়
                                • আন্তর্জাতিক
                                • রাজনীতি
                                • অর্থনীতি
                                • খেলাধুলা
                                • লাইফ স্টাইল
                                • ইসলাম
                                • বিনোদন
                                • আরও
                                  • বিশেষ প্রতিবেদন
                                  • আইন-আদালত
                                  • গণমাধ্যম
                                  • চাকরি
                                  • শিক্ষা
                                  • প্রযুক্তি
                                  • স্বাস্থ্য
                                  • সংস্কৃতি
                                  • ভিডিও
                                  • অন্যান্য