Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
  • হোম
  • শেয়ার বাজার
    • আজকের লেনদেন
    • কোম্পানি সংবাদ
    • বোর্ড সভা
    • এজিএম / ইজিএম
    • আইপিও / রাইট
    • লভ্যাংশ
    • উপদেশ
    • পিএসআই
  • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • লাইফ স্টাইল
  • ইসলাম
  • বিনোদন
  • আরও
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • আইন-আদালত
    • গণমাধ্যম
    • চাকরি
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • সংস্কৃতি
    • ভিডিও
    • অন্যান্য

Uncategorized

ই-ল্যাপ: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ঋণপ্রাপ্তির বিতরণে সময় কমেছে ১৩.৩৩%

স্টক নিউজ বিডি December 17, 2024

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণপ্রাপ্তির প্রক্রিয়া গ্রাহকদের জন্য অনেক সময় নানাবিধ কাগজপত্রের জটিল গোলকধাঁধার মতো মনে হতে পারে। ব্যবসায়ের মালিক এবং উদ্যোক্তাদের জন্য এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। কারণ, এখানে কাগজপত্র জমা, রিলেশনশিপ অফিসারদের বারবার স্বাক্ষর নিতে আসা এবং অন্যান্য অনেক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লেগে যায়।এই সমস্যার একটি স্মার্ট সমাধানের কথা ভাবল ব্র্যাক ব্যাংক।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালে ব্র্যাক ব্যাংক চালু করে ইলেকট্রনিক লোন অ্যাপ্লিকেশন প্রপোজাল (eLAP) বা ই-ল্যাপ। লোন প্রক্রিয়াকে দ্রুত এবং অধিক কার্যকর করে তোলার একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এটি। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর নাগাদ দেশব্যাপী ৫৫৬টি এসএমই ইউনিট অফিসে এটি চালু করা হলে বাংলাদেশের এসএমই ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখা যায়।এর ফলে, সত্যিকার অর্থেই ব্যাংকিং খাতে লোন ম্যানেজমেন্টে আমূল পরিবর্তন এসেছে। ই-ল্যাপ চালু হওয়ার আগে ঋণপ্রাপ্তির প্রক্রিয়া ছিল অনেকগুলো ধাপে বিভক্ত। ঋণ আবেদন গ্রহণ থেকে শুরু করে ঋণ অনুমোদন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই ম্যানুয়াল ডেটা এন্ট্রি ও ডকুমেন্ট হ্যান্ডলিংয়ের প্রয়োজন হতো, যেটি ছিল অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ এবং এখানে ভুল হওয়ার প্রবণতাও ছিল অনেক বেশি।

সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই ব্র্যাক ব্যাংক চালু করে ই-ল্যাপ। ভিফিন সল্যুশনস লিমিটেডের তৈরি এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করা খুবই সহজ। লোকাল রেগুলেশন সম্পূর্ণরূপে মেনে চলার পাশাপাশি ই-ল্যাপ বিভিন্ন স্তরের প্রযুক্তিগত দক্ষতাসম্পন্ন ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী একটি প্ল্যাটফর্ম।ই-ল্যাপের কারণে ব্র্যাক ব্যাংকের কার্যক্রমে গতি ও দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।লোন প্রসেসিং টাইম কমানোই ছিল মূল লক্ষ্য: ডকুমেন্ট হ্যান্ডলিং এবং বিভিন্ন স্তরের অনুমোদনের কারণে আগে এসএমই লোনের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে গড়ে ১৫ কর্মদিবসের প্রয়োজন হতো। তবে, ই-ল্যাপ চালু হওয়ার ফলে এই সময় কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ দিনে। কারণ, এখন আগের চেয়ে দ্রুততর সময়ে যাচাই-বাছাই ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।ডকুমেন্ট হ্যান্ডলিং আগের চেয়ে আরও সহজ হয়েছে। এখন লোন অ্যাপ্লিকেশন জমা দেওয়া যায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে। ফলে, শুধুমাত্র চূড়ান্ত ধাপে আবেদনকারীকে স্বাক্ষরের জন্য উপস্থিত হতে হয়। এটি কাগজপত্রের ঝামেলা কমিয়েছে এবং রিলেশনশিপ অফিসারদেরও বারবার ভিজিটের প্রয়োজন হয় না।

রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ই-ল্যাপ সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যাংক কর্মকর্তারা প্রতিটি ঋণ আবেদনের বর্তমান অবস্থা, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম এবং আবেদন কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। এটি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় গতিশীলতাও বাড়িয়েছে।পুনঃআবেদনের ক্ষেত্রে সময় সাশ্রয় হয়েছে ব্যাপক: পূর্বে করা আবেদনের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংগ্রহ করতে পারে ই-ল্যাপের সিস্টেম ইনকোয়্যারি ফিচার। ফলে, ম্যানুয়াল এন্ট্রির প্রয়োজন হয় না। এটি বাহুল্যতা হ্রাসের পাশাপাশি প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ার সময় এবং ভুলের পরিমাণ কমিয়েছে।সেইসাথে ব্যাংক কর্মকর্তাদের কাজের গতি বাড়িয়ে তাঁদের কর্মপদ্ধতি আরো সহজ এবং দক্ষ করে তুলেছে। মোবাইল ডিভাইস থেকেও ই-ল্যাপে লগইন করা যায়।

ফলে, রিলেশনশিপ অফিসার ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজাররা যেকোনো স্থান থেকে গ্রাহকদের সেবা দিতে পারেন। ব্র্যাক ব্যাংক ইতিমধ্যে ২,২৩৭ জন ফিল্ড কর্মকর্তাকে ইলেকট্রনিক ট্যাবলেট দিয়েছে, যাতে তাঁরা যেকোনো স্থান থেকে গ্রাহকদের উন্নত মানের সেবা দিতে পারেন।ব্যয় হ্রাসেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে বাতিল আবেদনপত্রের ক্ষেত্রে। যেসব আবেদন বাতিল হতো, আগে সেগুলোও প্রিন্ট করা হতো। এখন কেবল অনুমোদিত আবেদনপত্রই প্রিন্ট করা হয়, যা অপচয় এবং অপ্রয়োজনীয় প্রিন্টিংয়ের খরচ অনেকাংশেই কমিয়ে দিয়েছে। ই-ল্যাপের স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়াগুলো ডেটা এন্ট্রির ভুল কমিয়ে এনেছে। ফলে, ক্রেডিট ও অপারেশনস টিম আরও নির্ভুলভাবে ডকুমেন্ট হ্যান্ডলিংয়ের কাজ করতে পারছে।ই-ল্যাপের প্রভাব বহুমুখী এবং সুদূরপ্রসারী। এটি ৫৫৬টি এসএমই ইউনিট অফিস ও লোন প্রক্রিয়ায় যুক্ত ৩,৭০০-এরও অধিক ব্র্যাক ব্যাংক কর্মীকে সহায়তা করছে।

ই-ল্যাপ শুধু সময়ই নয়, এটি উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যয়ও হ্রাস করেছে। মোট টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম (টিএটি) দুই দিন এবং কাস্টমার সার্ভিস টাইম ছয় দিন হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেক কর্মীর বছরে কমপক্ষে ১০ দিন সময় সাশ্রয় হয়েছে। ২০২৪ সালের প্রথম ছয় মাসে ই-ল্যাপ অনবোর্ডিং খরচে ৫.৮৫ কোটি টাকা এবং কুরিয়ার খরচ ২৫% হ্রাস করতে সক্ষম হয়েছে।ই-ল্যাপ গ্রাহকদের এক ব্যতিক্রমী ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা দিচ্ছে। আগে সপ্তাহজুড়ে অপেক্ষা করতে হতো এবং বারবার ব্যাংকে যেতে হতো। তবে, এখন এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঋণ আবেদন খুব দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে। সিস্টেম থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্যাংশন লেটার তৈরি হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়াটি আরও স্বচ্ছ হয়েছে, যা ভুল বোঝাবুঝি ও অভিযোগ হ্রাস করেছে। ই-ল্যাপের কোয়্যারি ম্যানেজমেন্ট ফিচার গ্রাহকদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ করে দিয়েছে। ফলে, একের সাথে অন্যের বারবার যোগাযোগ করার প্রয়োজন হচ্ছে না। এটি গ্রাহক ও ব্যাংক কর্মীদের জন্য প্রক্রিয়াটি আরও সহজ করে দিয়েছে।কোর ব্যাংকিং সিস্টেমের সাথে সংযোগ স্থাপনের ফলে ই-ল্যাপের কার্যকারিতা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংক ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ই-ল্যাপকে কোর ব্যাংকিং সিস্টেমের সাথে যুক্ত করেছে, যা ইএমআই ক্যালকুলেশন এবং ফান্ড ডিজবার্সমেন্টের মতো কাজগুলোর প্রসেসিং রিয়েল-টাইমে নিয়ে এসেছে।

এই সংযোগ স্থাপনের ফলে আগে ম্যানুয়াল ক্যালকুলেশনের কারণে যে সময় ব্যয় হতো, তা পুরোপুরি দূর করার মাধ্যমে লোন ডিজবার্সমেন্টকে আরও দ্রুত এবং ঝামেলাহীন করেছে ই-ল্যাপ।ই-ল্যাপ শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তিগত অগ্রগতিই নয়, এটি বাংলাদেশের এসএমই ব্যাংকিং খাতে একটি বড় বিপ্লবও। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ১ লাখের বেশি লোন ডিজবার্স করা হয়েছে, যার মোট পরিমাণ ১৭৮.৫২ কোটি টাকা। এটি দেশের ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়গুলোকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করছে, যা স্থানীয় ও জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।স্যার ফজলে হাসান আবেদের স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের ‘মিসিং মিডল’-এর উন্নয়ন। তাঁর ভিশনকে সামনে রেখে ই-ল্যাপকে কাজে লাগিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক দেশের আর্থিক সুবিধাবঞ্চিত ও উপেক্ষিত ব্যবসায়গুলোকে আরও বড় পরিসরে সহায়তা করতে পারছে, যা স্থানীয় অর্থনৈনীতিতে ফেলছে ইতিবাচক প্রভাব।দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে– যেখানে সময়ই সবচেয়ে মূল্যবান, সেখানে ই-ল্যাপ ব্র্যাক ব্যাংকের উদ্ভাবন ও গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার এক অনন্য উদাহরণ। এভাবে ব্র্যাক ব্যাংক গ্রাহক সেবার উন্নয়নে নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে চলেছে। বাংলাদেশের এসএমই-গুলোর জন্য এটি শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তিগত উন্নয়নই নয়, বরং সম্ভাবনার এক নতুন দুয়ার, যা ঋণপ্রাপ্তি আরও সহজ ও দ্রুততর করার মাধ্যমে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রেখে চলেছে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

Price Sensitive Information of Kay Que (Bangladesh) Ltd

স্টক নিউজ বিডি December 1, 2024
0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

নাটোর সুগার মিলস্ এর ৪১তম আখ মাড়াই শুরু

স্টক নিউজ বিডি November 29, 2024

জুবায়ের হোসেন:

ডোঙ্গায় আখ নিক্ষেপের মাধ্যমে নাটোর সুগার মিলস্ ২০২৪-২৫ মৌসুমে ৪১তম আখ মাড়াই কার্যক্রমের উদ্ধোধন করা হয়েছে। শুক্রবার(২৯ নভেম্বর) বিকেলে নাটোর চিনিকলের কেইনে ক্রেরিয়ার ডোঙ্গায় আখ নিক্ষেপ করে মাড়াই মৌসুমের উদ্ধোধন করেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের উপসচিব পরিচালক (অর্থ) মো. আবুল কালাম আজাদ। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাছুদুর রহমান, নাটোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথী, নাটোর জেলা জামায়াতের আমীর ডা. মীর নূরুল ইসলাম, নাটোর জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক ইউনুস আলী, জেলা জামায়াতের সহ-সাধারন সম্পাদক আতিকুল ইসলাম রাসেল, ইসলামী ছাত্রশিবিরে জেলা সভাপতি আফতাব উদ্দিন, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আলম আবুল ব্যাপারী, নাটোর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন ভূঁইয়া, প্রমুখ।

এছাড়াও কর্মকতা, সিবিএ নেতৃবৃন্দ ও আখ চাষীরা উপস্থিত ছিলেন। নাটোর চিনিকল সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৪-২৫ মৌসুমে ৬০ কার্যদিবসে ৯০ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে পাঁচ হাজার ১৩০ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চিনি আহরণের হার ধরা হয়েছিল ৫ দশমিক ৭০ ভাগ। ২০২৪-২৫ মাড়াই মৌসুমে প্রতি মণ আখের মূল্য ২৪০/-টাকা। নাটোর চিনিকলের আটটি সাবজোনের ৪৮ কেন্দ্রের অধীনে আখ সরবারহ করা হবে। এর আগে সাবজোনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও মানসম্মত আখ চিনিকলে সরবারহ জন্য প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়। নাটোর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আখ প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ মানসম্মত চিনি উৎপাদন এবং চিনি আহরণের হার বৃদ্ধি করে নাটোর সুগার মিলস্কে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা মিল ব্যবস্থাপনার প্রধান লক্ষ্য।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের শরণার্থীদের স্থানান্তর চায় মিজোরাম সরকার

স্টক নিউজ বিডি November 29, 2024

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে আসা কয়েক হাজার শরণার্থীকে স্থানান্তরিত করে এক জায়গায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিজোরামের রাজ্য সরকার। ত্রাণ বণ্টন ও শরণার্থীদের ওপরে নজর রাখার জন্যই এই পরিকল্পনা বলে রাজ্যটির সরকার জানাচ্ছে।

বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং পার্শ্ববর্তী মনিপুর থেকে ৪২ হাজারেরও বেশি মানুষ এখন শরণার্থী হয়ে মিজোরামে আশ্রয় নিয়েছেন।

বাংলাদেশ থেকে এসে বছর তিনেক ধরে মিজোরামে আশ্রয় নিয়েছেন যে দুই হাজারের বেশি মানুষ, তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। মূলত বান্দরবানের নানা এলাকা থেকে এসেছেন তারা।

তাদের অভিযোগ বান্দরবানে কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যে অভিযান শুরু করেছিল, সেটি থেকে বাঁচতেই ভারতে পালিয়ে এসেছিলেন তারা।

বাংলাদেশ পুলিশ অবশ্য সেই সময়ে বলেছিল যে এরা দেশ থেকে পালিয়ে যায়নি, নিরাপত্তা জনিত কারণে কিছু লোকজন চলে গিয়েছিল।

এদের বেশিরভাগই দক্ষিণ মিজোরামের লংৎলাই জেলার কয়েকটি গ্রামে আশ্রয় নিয়েছেন।

বাংলাদেশ থেকে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের বেশিরভাগই বম জনগোষ্ঠীর মানুষ, তবে তাদের সঙ্গে কিছু তঞ্চঙ্গ্যা গোষ্ঠীর মানুষও এসেছেন। বম জনগোষ্ঠীটি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।

মিজোরামের মানুষ মনে করেন যে মিয়ানমার ও বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীরা একই জনগোষ্ঠীর সদস্য।

শরণার্থীদের জন্য ঘর তৈরি করা হচ্ছে লংৎলাই জেলায়

কেন স্থানান্তরের পরিকল্পনা?

মিজোরাম রাজ্যের নানা জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শরণার্থীদের এক জায়গায় নিয়ে আসার যে পরিকল্পনা সরকার করছে, তা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী লালদুহোমার রাজনৈতিক উপদেষ্টা লালমুয়ানপুইয়া পুন্তে।

দক্ষিণ মিজোরামের লংৎলাই জেলায় আশ্রয় নেওয়া দুই হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি শরণার্থীদের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কয়েকদিন আগে একটি বৈঠক করেন  পুন্তে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ওই বৈঠকে মি. পুন্তে জানান যে শরণার্থীরা যাতে নিজেদের খেয়াল খুশি মতো বিভিন্ন জায়গায় বসতি গড়তে না পারেন, সেজন্য একটা সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা প্রয়োজন।

বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসবাসরত শরণার্থীদের একটি জায়গায় স্থানান্তরিত করার জন্য সরকার একটা পরিকল্পনা নিচ্ছে, একথাও সে বৈঠকে জানান পুন্তে। প্রশাসনিক সুবিধার জন্যই এটা দরকার, এমন মন্তব্যও করেছেন তিনি।

তাকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে মানবিক সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারের সুবিধা হবে।

লংৎলাই জেলার বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে থাকা ২০১৪ জন বাংলাদেশি শরণার্থীকে স্থানান্তরিত করে ওই জেলারই চারটি গ্রামে নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন পুন্তে।

জেলার ডেপুটি কমিশনারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সীমানা লাগোয়া দক্ষিণ মিজোরামের এই লংৎলাই জেলায় এই মুহূর্তে ৬০৩০ জন মিয়ানমারের নাগরিক, ২০১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং মনিপুর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা ৮৪ জন মানুষ রয়েছেন।

তাদের মানবিক সহায়তা, ত্রাণ সামগ্রী, খাবার ইত্যাদি দিয়ে সহায়তা করতে এগিয়ে এসেছে মিজোরামের শক্তিশালী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়াং মিজো অ্যাসোসিয়েশন বা ওয়াইএমএ। ত্রাণের বিলি-বণ্টনের সুবিধার জন্য একটি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সরকারের প্রতি দাবিও জানিয়েছে সংস্থাটি।

ওয়াইএমএ-র প্রেসিডেন্ট লাল মাছুয়ানা বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, “শরণার্থীদের নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের দাবি আমরা সরকারকে জানিয়েছিলাম। সেই কমিটি তৈরি হয়েছে, আমাদের প্রতিনিধিও আছেন সেখানে। এখানকার সরকার তো দীর্ঘদিন ধরেই মানবিক সহায়তা করে আসছে, আমরাও তাদের নিয়মিত রেশন দিচ্ছি। এই শরণার্থীরা তো সবাই আমাদের ভাই-বোন। কিন্তু আমাদেরও তো সীমাবদ্ধতা আছে। এখন দিল্লির সরকারের উচিত হাত বাড়িয়ে দেওয়া।”

বাংলাদেশি শরণার্থীদের বেশিরভাগই আশ্রয় নিয়েছেন এই পার্ভা গ্রামে

‘আমাদের তো সমস্যা হবে’

মিজোরাম সরকারের নতুন পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীরা বলছেন বিভিন্ন জায়গা থেকে শরণার্থীদের এক জায়গায় নিয়ে আসা হলে তারা সমস্যায় পড়তে পারেন।

লংৎলাই জেলার পার্ভা-তে দুই বছর ধরে আশ্রয় নিয়েছেন বইলিয়ান থাংবম। তিনি আদতে বাংলাদেশের বান্দরবানের রুমা থানা এলাকার থিংদলতে পাড়ার বাসিন্দা।

বিবিসি বাংলাকে তিনি বলছিলেন, “আমরা এখন ৪০টি পরিবার থাকি। শুনছি অন্যান্য গ্রাম থেকে শরণার্থীদের নিয়ে আসা হবে। প্রায় তিনশো পরিবার আসবে শুনতে পাচ্ছি। এখনও সঠিক জানি না। তবে এতে আমাদের তো সমস্যা হবে।

“সব গ্রামের শরণার্থী মানুষকে যদি এক জায়গায় নিয়ে আসে তাহলে তো চাপ বেড়ে যাবে। আমরা দিনমজুরি করে খাই। অন্য এলাকার শরণার্থীরাও চলে এলে তো মজুরি করে খাওয়ার লোকও বেড়ে যাবে। অত কাজ কই? এছাড়াও দোকান বাজারও তো সীমিত এখানে,”বলছিলেন বইলিয়ান থাংবমের।

তিনি আরও জানাচ্ছিলেন যে সরকার থেকে তো চাল দেওয়ার কথা ছিল, এখনও সেই চাল পাওয়া যায় নি। শোনা যাচ্ছে কয়েক দিনের মধ্যে চাল আসবে।  যে চাল পাওয়ার কথা বলছিলেন বইলিয়ান থাংবম, সেটি আসলে মিজোরামের শরণার্থীদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের বরাদ্দ করা চাল।

ফুড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে ওই চাল ইতমধ্যেই জেলা সদরগুলিতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে মিজোরামের খাদ্য দপ্তর।

ইয়াং মিজো অ্যাসোসিয়েশন বলছে কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত আরও খাদ্যশস্য বরাদ্দ করা, শরণার্থীদের পুনর্বাসনে আরও এগিয়ে আসা।

ওয়াইএমএ-র প্রেসিডেন্ট মি. লালমাছুয়ানার কথায়, “আমরা তো বছর দুয়েক ধরে এই শরণার্থীদের ঘর বানিয়ে দেওয়া, ত্রাণসামগ্রী দেওয়া, ওষুধ দেওয়া এসব করেই চলেছি। এরা অন্য দেশে থাকলেও আমাদেরই জাতিগোষ্ঠীর সদস্য – তাই আমাদের ভাই-বোন। মানবিকতার খাতিরেই তাদের দেখাশোনার দায়িত্ব আমাদের।

“ত্রাণসামগ্রী যেন সুষ্ঠুভাবে বিলি বণ্টন করা যায়, সেজন্য আমরাই রাজ্য সরকারকে অনুরোধ করেছিলাম একটা উচ্চপর্যায়ের কমিটি গড়তে। এখন যদি সেই কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় যে শরণার্থীদের স্থানান্তরিত করে এক জায়গায় নিয়ে আসবে, তাতে দুটো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

“প্রথমত স্থানান্তরের খরচ আছে একটা। সেটা কে বহন করবে, এটা একটা প্রশ্ন। আবার শরণার্থীরা এমন গ্রামে আশ্রয় নিয়েছেন, যেখানে তাদের ভারতীয় আত্মীয় স্বজনরা থাকেন। এদের যদি অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে বিদেশের মাটিতে আত্মীয়স্বজন ছাড়া থাকতে তাদের একটা সামাজিক সমস্যা হতে পারে।“

মিজোরাম সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শরণার্থীদের কবে স্থানান্তরিত করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

তবে বইলিয়ান থাংবমের মতো হাজার দুয়েক বাংলাদেশি শরণার্থীর কাছে এটা স্পষ্ট যে নিজের দেশে, নিজের গ্রামে তাদের এখনই ফেরা হবে না।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

এপেক্স ফুটওয়্যারের ৩৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

স্টক নিউজ বিডি November 27, 2024
0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

সাইফুলের শোক ও সম্প্রীতি সমাবেশে জড়ো হচ্ছেন ছাত্ররা

স্টক নিউজ বিডি November 27, 2024

চট্টগ্রামে নিহত অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের জন্য শোক এবং সম্প্রীতি সমাবেশে অংশ নিতে জড়ো হচ্ছেন ছাত্ররা।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটা থেকে শহীদ মিনারে জড়ো হতে শুরু করেন তারা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আয়োজিত ‘উগ্রবাদী সন্ত্রাসীদের হাতে শহীদ অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের জন্য শোক এবং সম্প্রীতি সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মাহিন সরকারসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তির দাবিতে আন্দোলনকারীদের হামলায় নিহত হন সাইফুল ইসলাম আলিফ।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড

ইউনিয়ন ব্যাংকে সুবাতাসের পূর্বাভাস

স্টক নিউজ বিডি November 15, 2024

নভেম্বর ২০২৪ থেকে ইউনিয়ন ব্যাংকের সার্বিক সূচক ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগোচ্ছে। গ্রাহকগণ টাকা উত্তোলনের পাশাপাশি টাকা জমাও দিচ্ছেন। আশা করা যাচ্ছে, অচিরেই লেনদেন স্বাভাবিক হয়ে আসবে। ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ মনে করেন, গ্রাহকের আস্থায় ইউনিয়ন ব্যাংকে লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় আশা করা যাচ্ছে অচিরেই ইউনিয়ন ব্যাংক “Local Bank Global Opportunity” মর্যাদা ফিরে পাবে।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

এবি ব্যাংকের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

স্টক নিউজ বিডি October 27, 2024

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এবি ব্যাংক পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ৩১ অক্টোবর দুপুর ০২ টা ৩০ মিনিটে কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আলোচিত সভায় ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই’২৪-সেপ্টেম্বর’২৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।

0 শেয়ার করুন
0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

“৫ আগস্টের পর দেশ কোন পথে? উন্নয়নের উত্তরাধিকার নাকি অতীতের অন্ধকার?”

Stock News BD October 12, 2024
  • ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর দেশের রাজনীতিতে এখন বড় শূন্যতা। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত। মাঠে এখন প্রধান ২ দাবিদার বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী।
  • কিন্তু জনগণের সামনে প্রশ্ন একটাই: ১৫ বছরে যে উন্নয়ন-অগ্রগতি দেখেছে দেশ, সেটা ধরে রাখবে কে? আর যাদের শাসনামলে দুর্নীতি, সন্ত্রাস আর জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়েছিল, তাদেরকে কি আবার সুযোগ দেওয়া যায়?
আওয়ামী লীগের শাসনামলে ১৫ বছরে দেশের যে উন্নয়ন-অগ্রগতি, ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের শাসনামলের (২০০৯-২০২৪) সময়টাকে অনেকে “উন্নয়নের স্বর্ণযুগ” বলে। কারণগুলো চোখের সামনে:

ক) অবকাঠামো উন্নয়ন

  • মেগা প্রকল্প: পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন।
  • বিদ্যুৎ: ২০০৯ এ বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ৫০ মেগাওয়াট। ২০২৪ এ ২৭,০+ মেগাওয়াট। শতভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ।
  • ডিজিটাল বাংলাদেশ: ইউনিয়ন পর্যন্ত ইন্টারনেট, অনলাইনে সরকারি সেবা।

খ) অর্থনৈতিক উন্নয়ন

  • রপ্তানি ও রিজার্ভ: গার্মেন্টস খাত বিশ্বে ২য় অবস্থান। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এক সময় ৪৮ বিলিয়ন ডলার।
  • জিডিপি প্রবৃদ্ধি: ১৫ বছরে গড় ৬-৭%। মাথাপিছু আয় ২০০৯ এ ৮১৭ ডলার থেকে ২০২৪ এ ২৭০+ ডলার।
  • সামাজিক সূচক: দারিদ্র্যের হার ৩১% থেকে ১৮% এ নেমেছে। শিশু মৃত্যু, মাতৃমৃত্যু কমেছে।
বিএনপির ২০০১-২০০৬ শাসনামল: দুর্নীতি ও অভিযোগের বর্ণনা, ছবি: সংগৃহীত

২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামাত জোট সরকার গঠন করে। এই ৫ বছর নিয়ে বেশ কিছু দুর্নীতির অভিযোগ তখনকার মিডিয়া, বিরোধী দল এবং পরবর্তীতে দুদক ও আদালতে এসেছে। উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলো হলো:বড় বড় অর্থনৈতিক দুর্নীতির মামলা – ডিটেইলস

ক) তারেক রহমান সংক্রান্ত

মানি লন্ডারিং মামলা – ২০০৭

    • অভিযোগ: ২০০৩-২০০৬ সময়ে ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের কাছ থেকে ২০ কোটি টাকা নিয়ে সিঙ্গাপুরে পাচার।
    • অবস্থা: ২০১৩ সালে নিম্ন আদালত ৭ বছর জেল দেয়। আপিলে ২০১৬ সালে হাইকোর্ট খালাস দেয়। রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করেছে।

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা – ২০১৮ রায়

      • অভিযোগ: ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার “মাস্টারপ্ল্যান” Hawa Bhaban এ হয়েছিল।
      • রায়: তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + ৫০,০ টাকা জরিমানা। তিনি লন্ডনে থাকায় অনুপস্থিতিতে রায়।

      জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি

        • অভিযোগ: এতিমদের জন্য জমি কেনার নামে ৩.১৫ কোটি টাকা আত্মসাত। চেক তারেক রহমানের মাধ্যমে গেছে বলে অভিযোগ।
        • অবস্থা: মামলা চলমান।

        খ) বেগম খালেদা জিয়া সংক্রান্ত

        জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা – ২০১৮ রায়

          • অভিযোগ: ১৯৩ সালে জিয়া অরফানেজের নামে আসা ২.৩১ কোটি টাকা ব্যাংক একাউন্টে রাখা হয়। ২০০১-২০০৬ এ সেই টাকা তুলে আত্মসাতের অভিযোগ।
          • রায়: ৫ বছরের কারাদণ্ড + ২.১০ কোটি টাকা জরিমানা। পরে আপিলে ১০ বছর হয়। ২০২৪ সালে খালাস পান।

          নাইকো দুর্নীতি মামলা

            • অভিযোগ: ২০০৩ সালে কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের ৩টি ব্লক দেওয়ার ক্ষেত্রে ১৩.৭ কোটি টাকা রাষ্ট্রের ক্ষতি + ঘুষ।
            • অভিযুক্ত: খালেদা জিয়া, সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা, মন্ত্রী।
            • অবস্থা: মামলা এখনও চলমান।

            গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা

              • অভিযোগ: ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং এর কাজ GATCO কে দেওয়ার ক্ষেত্রে দুর্নীতি।

              গ)”হাওয়া ভবন” প্রসঙ্গ – ডিটেইলস

                হাওয়া ভবন ছিল খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়, গুলশান-২।

                তখনকার অভিযোগগুলো:

                1. সমান্তরাল ক্ষমতা কেন্দ্র: অভিযোগ ছিল মন্ত্রী, সচিবরা ফাইল নিয়ে এখানে আসতেন। টেন্ডার, নিয়োগ, বদলির “অনুমোদন” এখান থেকে হতো।
                2. ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট: গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, আমানউল্লাহ আমান সহ কিছু নেতার বিরুদ্ধে ঠিকাদারি ও ব্যবসা থেকে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ।
                3. রাজনৈতিক যোগ: ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা, বাংলা ভাই এর উত্থান – এই সবকিছুর সাথে “হাওয়া ভবন এর নির্দেশ” আছে বলে তখনকার সরকার বিরোধী পক্ষ বলতো।

                বিএনপির বক্তব্য: তারা বলে এটা ছিল শুধুই দলীয় কার্যালয়। সরকারবিরোধীরা অপপ্রচার করে একে “বিকল্প সরকার” বানিয়েছে।

                ঘ) অন্যান্য বড় অভিযোগ

                TIB এর দুর্নীতি রিপোর্ট ২০০১-২০০৫:

                  • ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ৪ বছর টানা বাংলাদেশকে CPI তে ১ নম্বর “দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ” বলে।
                  • কারণ হিসেবে বলা হয়: পুলিশ, বিচার, ভূমি, শিক্ষা খাতে চরম দুর্নীতি + রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ।

                  সার কেলেঙ্কারি – ২০০৫:

                    • ঘটনা: সার সংকটে উত্তরবঙ্গে কৃষক বিক্ষোভ। পুলিশের গুলিতে দিনাজপুরে ৩ কৃষক নিহত।
                    • অভিযোগ: সারের দাম বাড়িয়ে সিন্ডিকেটকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

                    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি:

                      • কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ।
                      • গ্যাসের দাম বাড়ানো নিয়ে আন্দোলন।

                      আইনশৃঙ্খলা:

                        • RAB গঠন ২০০৪। “ক্রসফায়ার” নামে ১০+ বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ।
                        • বাংলা ভাই, শায়খ আব্দুর রহমানদের উত্থান এবং জঙ্গি তৎপরতা।
                        বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লোগো

                        জামায়াতে ইসলামী – “আদর্শের দল” নাকি “১৯৭১ এর দল”?

                        ১৯৭১ সাল: মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

                        এটা জামায়াতের ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত অংশ।

                        প্রধান অভিযোগ:

                        1. রাজনৈতিক অবস্থান: ১৯৭১ এ জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের অখণ্ডতার পক্ষে ছিল। তারা মুক্তিযুদ্ধকে “ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ” বলতো।
                        2. শান্তি কমিটি ও আল-বদর/আল-শামস: জামায়াতের ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের নেতা-কর্মীরা তখন “আল-বদর” ও “আল-শামস” বাহিনী গঠনে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ। এই বাহিনী বুদ্ধিজীবী হত্যা, নির্যাতনে যুক্ত ছিল বলে বলা হয়।
                        3. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল: ২০১০ সালে গঠিত ICT তে জামায়াতের শীর্ষ ৭ নেতার বিচার হয়।

                        ট্রাইব্যুনালের রায়ে দোষী সাব্যস্তরা:
                        নাম পদ অভিযোগ রায়
                        গোলাম আযম সাবেক আমির মানবতাবিরোধী অপরাধে নেতৃত্ব ৯০ বছরের জেল, আপিলে মারা যান
                        মতিউর রহমান নিজামী আমির বুদ্ধিজীবী হত্যা, গণহত্যা ফাঁসি – ২০১৬
                        আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ সেক্রেটারি জেনারেল আল-বদর গঠন, বুদ্ধিজীবী হত্যা ফাঁসি – ২০১৫
                        আব্দুল কাদের মোল্লা সহকারী সেক্রেটারি মিরপুরে গণহত্যা ফাঁসি – ২০১৩
                        কামারুজ্জামান সহকারী সেক্রেটারি শেরপুরে গণহত্যা ফাঁসি – ২০১৫
                        দেলোয়ার হোসেন সাঈদী নায়েবে আমির পিরোজপুরে হত্যা, ধর্ষণ যাবজ্জীবন
                        মীর কাসেম আলী নির্বাহী পরিষদ চট্টগ্রামে নির্যাতন কেন্দ্র ফাঁসি – ২০১৬

                        ১৯৭১ পরবর্তী – ২০০১: রাজনীতি ও অভিযোগ

                          ১৯৭৯ সালে দল নিষিদ্ধতা উঠে যাওয়ার পর জামায়াত আবার রাজনীতিতে আসে।

                          প্রধান অভিযোগ:

                          1. ১৯৯১-১৯৯৬ বিএনপি সরকার: জোটে থাকলেও বড় দুর্নীতির অভিযোগ তেমন সামনে আসেনি।
                          2. ২০০১-২০০৬ বিএনপি-জোট সরকার: জামায়াত ২টা মন্ত্রণালয় পায়।
                          • মতিউর রহমান নিজামী: শিল্পমন্ত্রী। অভিযোগ: সার কারখানা, চিনি কলে অনিয়ম।
                          • আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী।
                          • ২০০৫ সার কেলেঙ্কারি: উত্তরবঙ্গে সার সংকটের সময় কৃষক নিহতের ঘটনায় জামায়াতের মন্ত্রীর দায় নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

                          ২০০৬ – ২০২৩: অর্থনৈতিক অনিয়ম ও নিষেধাজ্ঞা

                          দুর্নীতির অভিযোগ

                            • ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ইন্সুরেন্স, IBBL এর পরিচালনায় জামায়াতের প্রভাব থাকার অভিযোগ। ২০১৭ পর সরকার IBBL এর বোর্ড পরিবর্তন করে।
                            • এতিম তহবিল: দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর নামে মসজিদ-মাদ্রাসার জন্য বিদেশি ফান্ড কালেকশন নিয়ে প্রশ্ন।
                            • ট্রেড লাইসেন্স ও টেন্ডার: ২০০১-২০০৬ এ জামায়াত নেতাদের এলাকায় ঠিকাদারি পাওয়ার অভিযোগ বিরোধীরা করতো।

                            রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা

                              • ২০১৩: হাইকোর্ট জামায়াতের নিবন্ধন “অবৈধ” ঘোষণা করে। কারণ: দলের গঠনতন্ত্রে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের কথা আছে, যা সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক।
                              • ২০২৩: সরকার “জামায়াত-শিবির” কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করে নাই, তবে নির্বাচন কমিশনে তাদের নিবন্ধন নেই।

                              সহিংসতার অভিযোগ

                                • ২০১৩-২০১৪: যুদ্ধাপরাধের বিচার ও নেতাদের ফাঁসির প্রতিবাদে সারাদেশে হরতাল, ভাংচুর, বাসে আগুন। সরকারের হিসাব: ৫০+ মানুষ নিহত।
                                • ২০১৫: বাসে পেট্রোল বোমা হামলার অভিযোগ।

                                জনগণ কি ভুলে গেছে? মাঠের ৩ টি চিত্র

                                রাজধানীর ৫টি জেলা ও ৩টি বিভাগে কথা বলে যা পেলাম:

                                ক) “বাধ্য হয়ে বিএনপি” – মধ্যবিত্ত ও তরুণ
                                মিরপুরের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া রাফি বলে, “আওয়ামী লীগকে আর চাই না। ১৫ বছরে নিঃশ্বাস বন্ধ। কিন্তু বিএনপির ২০০১ ও মনে আছে। এখন নতুন মুখ চাই, নইলে আবারো ১-১ হবে।”

                                খ) “বিএনপির ভয়ে” – গ্রাম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী
                                টাঙ্গাইলের এক ইউপি সদস্য বলেন, “বিএনপি আসলে আবার বাড়ি-ঘর ভাঙবে। আর আওয়ামী লীগ না থাকলে উন্নয়ন থেমে যাবে। আমরা আসলে ভয়ে আছি।”

                                গ) “তৃতীয় শক্তি কোথায়?” – সাধারণ ভোটার
                                চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী জামাল সাহেবের প্রশ্ন, “৫ আগস্ট তো নতুন বাংলাদেশের জন্য হলো। এখন আবার পুরনো দুইটা দল? বিকল্প কই?”

                                ৩. বিশ্লেষকরা কি বলছেন?

                                রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. দিলারা চৌধুরী বলেন,
                                “জনগণ ক্ষুব্ধ। কিন্তু স্মৃতি স্বল্পমেয়াদী। আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের ব্যর্থতা মানুষের চোখে টাটকা। তাই বিএনপি অটোমেটিক ‘ডিফল্ট অপশন’ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিএনপিও যদি ২০০১ এর ক্ষত না মুছে, মানুষ আবার রাস্তায় নামবে।”

                                সিপিডির গবেষক ড. ফাহমিদুল হক বলেন,
                                “আগামীর নির্বাচন হবে ‘কার চেয়ে কে কম খারাপ’ এর নির্বাচন। যদি দুই দলই সংস্কার, দুর্নীতির বিচার আর তরুণদের সামনে না আনে, তাহলে ভোটার টার্নআউট ৪০% এর নিচে নামবে।”

                                ৪. তাহলে সমাধান কি?

                                জনগণের সামনে ৩টা রাস্তা:

                                1. বিএনপিকে সুযোগ দেওয়া: “একবার দেখি” নীতি। শর্ত: তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের ভিতরে সংস্কার।
                                2. আওয়ামী লীগকে ফেরানো: “উন্নয়ন বনাম গণতন্ত্র” এর হিসাব। শর্ত: নেতাদের বিচার ও দলের কাঠামো বদল।
                                3. তৃতীয় শক্তি: নতুন রাজনৈতিক দল। কিন্তু সাংগঠনিক শক্তি ও টাকা দুটোই নেই।

                                শেষ কথা
                                ৫ আগস্ট মানুষ জীবন দিয়েছে “ভোটের অধিকার” এর জন্য। এখন সেই ভোট দিতে গিয়ে মানুষ দোটানায়। দুই দলেরই অতীত আছে, দুই দলেরই অপরাধ আছে।

                                প্রশ্ন হলো — জনগণ কি আবার “বাধ্য হয়ে” ভোট দেবে, নাকি এবার “ইচ্ছে করে” নতুন কিছু চাইবে?

                                উত্তরটা ব্যালট বাক্সেই। আর সময় মাত্র কয়েক মাস।

                                0 শেয়ার করুন
                                0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail

                                এনআরবি ব্যাংক পিএলসি এর ইয়ার টু ডেট ব্যবসা পর্যালচনা 

                                স্টক নিউজ বিডি October 6, 2024

                                এনআরবি ব্যাংক পিএলসি এর চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান অনলাইনে ব্যাংকের ইয়ার-টু-ডেট ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা-২০২৪’রপ্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ব্যাংকের সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন।ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব তারেক রিয়াজ খান-এর সভাপতিত্বে দিনব্যাপি সভার কার্যক্রম পরিচালনা হয়।

                                গত শনিবার (০৫অক্টোবর ২০২৪) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান দ্বয় জনাব গোলাম কবির ওজনাব মোহাম্মদ জামিল ইকবাল, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান জনাব আলী আহমেদ, পরিচালক বায়জুননাহার চৌধুরী, স্বতন্ত্র পরিচালকজনাব কাজী তৌহিদুল আলম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচলক জনাব মো: সাকির আমিন চৌধুরী, জনাব মো: শাহীন হাওলাদার, জনাব মো: আলী আকবর ফরাজী এবং আনোয়ার উদ্দিন সহ সকল শাখাব্যবস্থাপক ওকরপোরেটহেড অফিসের বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

                                সভায় চলতি বছরের ত্রৈমাসিকে বিভিন্ন শাখাও বিভাগ সমূহের অর্জিত ব্যবসার অগ্রগতি নিয়ে বিষদ আলোচনা করা হয় এবংলক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়।একই সাথে প্রয়োজনীয় পরিপালনবিধি মালাযথাযথভাবে অনুসরণ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

                                0 শেয়ার করুন
                                0 FacebookTwitterPinterestLinkedinTumblrRedditStumbleuponWhatsappTelegramLINEEmail
                                পরবর্তী সংবাদ
                                পূর্ববর্তী সংবাদ

                                সর্বশেষ খবর

                                • বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মেজর মান্নানের জন্মদিন পালন

                                • শীর্ষ ব্রোকারেজ কোম্পানির সঙ্গে ডিএসই’র বৈঠক

                                • পুবালী ব্যাংকের পারপেচুয়াল বন্ডের কুপন রেট ১০ শতাংশ

                                • বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সালমান এফ রহমান

                                • বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন ফারজানা শারমিন পুতুল

                                সর্বাধিক পঠিত

                                • শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষণা

                                • আর কোনো মা-বাবা ন্যায্য হক থেকে বঞ্চিত হবেন না —প্রতিমন্ত্রী পুতুল

                                • বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সালমান এফ রহমান

                                • বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন ফারজানা শারমিন পুতুল

                                • আল-হাজ টেক্সটাইলের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন

                                • আগামীকাল শেয়ারবাজারের অস্থিরতা ও ধারাবাহিক দরপতন: টপ ব্রোকারেজ হাউজের সঙ্গে ডিএসইর জরুরি বৈঠক

                                • গোপনীয়তা নীতি
                                • নীতিমালা
                                • যোগাযোগ

                                সম্পাদক ও প্রকাশক
                                মোঃ শামীম রেজা
                                মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৫৭২৩
                                ই-মেইলঃ stocknewsbd24@gmail.com
                                মোবাইল নাম্বারঃ ০১৫২১৩৬৭৫২২
                                অফিসঃ হাউজ নংঃ ১০১, রোড নংঃ ৩, সেক্টরঃ ৬, উত্তরা ঢাকা-১২৩০।
                                স্বত্ব © ২০২৬ স্টক নিউজ বিডি।


                                Back To Top
                                Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspaper
                                • হোম
                                • শেয়ার বাজার
                                  • আজকের লেনদেন
                                  • কোম্পানি সংবাদ
                                  • বোর্ড সভা
                                  • এজিএম / ইজিএম
                                  • আইপিও / রাইট
                                  • লভ্যাংশ
                                  • উপদেশ
                                  • পিএসআই
                                • অনুসন্ধানী বিশ্লেষণ
                                • জাতীয়
                                • আন্তর্জাতিক
                                • রাজনীতি
                                • অর্থনীতি
                                • খেলাধুলা
                                • লাইফ স্টাইল
                                • ইসলাম
                                • বিনোদন
                                • আরও
                                  • বিশেষ প্রতিবেদন
                                  • আইন-আদালত
                                  • গণমাধ্যম
                                  • চাকরি
                                  • শিক্ষা
                                  • প্রযুক্তি
                                  • স্বাস্থ্য
                                  • সংস্কৃতি
                                  • ভিডিও
                                  • অন্যান্য